আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগীয় সহনশীলতা (উৎসর্গ মহাকবি মাইকেল মেহেদী) - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- একদিন বুঝবে (উৎসর্গ মহাকবি মাইকেল মেহেদী) - হাসান বিপুল
- মহাকবি মাইকেল মেহদী সকাশে শুক্রবারের আড্ডা - কৌশিক
- মহাকবি মাইকেল মেহেদী দুটি এসএমএস আমার জীবন ধন্য করে দিলো - মিলটন
- "বিদায় নানা" বইটি মূলত ভালবাসা ও সংগ্রাম নিয়ে কবিতার বই - মেহদী
- প্রিয়া তোমায় (মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী) প্রেম ,প্রকৃতি,ও সমাজকে নিয়ে কবিতার বই - মেহদী
- বৃষ্টির রংধনু (শিশুদের ছড়া ও বলা নিয়ে ছড়ার বই) - মেহদী
- মহাকবি মাইকেল মেহেদীর সাথে আমার কিছুক্ষণ টেলিফোনালাপ - চির সবুজ
- বৃষ্টির রংধনু (শিশুদের ছড়া ও বলা) - মেহদী
- মেহেদীর "আমার পেনসিল" প্রসূত মস্তিস্কের খননকৃত কাব্যসমালোচনা - কৌশিক
- মোঃ মেহেদি হাসান মেহেদির একটি টেলি সাক্ষাতকার - অমি রহমান পিয়াল
- মহাকবি মাইকেল মেহেদীর সেঞ্চুরী পোষ্ট উপলক্ষে পাগল ভক্তকুলের এক মহাসমাবেশ - চির সবুজ
- আমার ঠিকানা আমার ঘর। - মেহদী
- বড় বুই (মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী ) - মেহদী
- বিদায় নানা (মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী) - মেহদী
- প্রশ্ন উত্তরে মুখোমুখি - মেহদী
- সালারা আমারে নিয়া পোষ্ট আর আমার চেয়ে বেশি রেটিং - মেহদী
- আমার এক ভক্ত যে গতদিন আমার আগমন জানাই এ পোষ্ট তাকে স্মরন করে - মেহদী
- নায়িকাদের রাজিনৈতিক ভাবে অপহরন, ধর্ষন,ভিডিও দেখিয়ে ব্লাকমেইলিং বন্ধ করুন - মেহদী
- গ্রীষ্মের বৃষ্টি (মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী) - মেহদী
- গারো পহাড়ে একদিন - মেহদী
- ভয় নেই (মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী) - মেহদী
- ভক্ত ও মনকথন (মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী) - মেহদী
প্রিয়া তোমায় (মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী) প্রেম ,প্রকৃতি,ও সমাজকে নিয়ে কবিতার বই
০৫ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৮:৫১
প্রিয়া তোমায়
মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী
প্রিয়া তোমায়
মনে পড়ে আজ ,
সেজে ছিলে লাজুকের সাজ
হাতে হাত রেখেছিলে !
কোন এক সনে
গোধূলি ক্ষনে ,
অধরে অধর
যেন মিলেছিল ;
তবে কেন আজ
অন্যের হলে ;
ভালুকের সাজ
হাতে শিকার ।
যে ফটো আমি
দিয়েছিলম তোমায়
কোন এক সনে
গোধুলি ক্ষনে ;
মনে পড়ে আজ
প্রতি অনুক্ষণ
যে হ্রদের ধারে,
বসে আছি আমি
তোমা পথ চেয়ে ।
ভাল লাগে ধনিকের সাজ ,
তাই তো তুমি
চল নিরবধি সামনে আমার ;
দাড়িয়ে আমি
যেন পাষন্ড মূর্তি এখন ।
যেন পাগল যেন মাতাল
উদ্ভট আমি
পতিতা তোমার গতিটা ;
যেন পল্লীটা -
লাগে ম্যাসেজের বাহাদুরি
তোমার গতি করে ঐ মাঝি ,
দুধে নিরবধি
যেন রিকশা আলা ,
তোমর বাচ্চালা ।
যেন তোমার রতি যন্ত্রনা
লাগে কোকিলের ডাক
তোমর গলায়
নিরবধি
আরে ঐ পাখি
চুপকর আজ ।
লাগেনা তোরে মনে,
এই ঘাস এই মাঠ
যেন বুকের ধুধু
থাক নিরবধি,
সামনে আমার।
তবু নেই তাতে পাপ
এতটুকু লাজের সাজ ;
শুধু সবুজ চাদর
শুধু ঘাস বন ;
সামনে স্বচ্ছ পানি
তোমার পরিচিতা।
গোধুলি
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ঝুক্ ঝাক্ ঝিক্
শব্দ স্যালোর
ঐ নদীপথ তটে,
অন্তরে যেন লাগল দোলা
ঢেউ এর মাতম তটে।
ঝিঁ ঝিঁ ঝিঁ -
পোকার ডাক
শুনল তবে কান,
নাহ্ আর মানাইনা অপমান।
কি চিরি চিরি -
পাখির কথায়
চমকে আমি উঠি ,
সময় তবে ফুরালো বলে
দিবা আসে নিশি।
নির্জন ঐ সবুজ মাঠ
সবাই ফিরেছে ঘরে,
তবুও প্রাণীর নিরর্থ ডাক
অন্তর যায় জুড়ে।
চিং চিং চিং করে বলে -
ঐ যে অজানা পাখি,
বলছে কি যেন আপন মনে
সুমধুর সুর ধরি।
দূর পল্লীতে
জ্বলল আলো
যেন রাতের তারা ,
যেন রাত নয় অনেগুলো
জ্বলছে শুক তারা।
ঘ্যঙর ঘ্যঙর ঘ্যাং -
ঐ ব্যাঙ শব্দ করে,
যেন সঙ্গীরে নিল কাছে
সুখের শিকার হলে।
ঐ যে ঐ দূর আকাশে
গেল যে সূর্য তলে,
পানির উপর রক্তিম আভা
জলতরঙ্গ টলে।
যেন ঐ দূর আকাশ
রক্তিম আভা দিয়ে,
বিদায় জানায় আজকের দিন
সন্ধ্যা নামল বলে।
যেন ঐ বালুচর
রক্তিম আভা দিয়ে,
লালে লাল হবে রক্তিমতায়
অশ্র“ ঝরাবে বলে।
তবু জাগল নিশাচর
সন্ধ্যা এলো বলে,
নীরব নদীর কোল জুড়ে তাই
গোধুলি গেল বলে।
শ্রাবন্তী ও চেয়ে থাকা পথ
মো:মেহেদীহাসান মেহেদী
হঠাৎ কথা নেই,
তবু কে যেন গত বছর
ঠিক ঈদেরই আগে ;
এসে বলে -
ওকে রাজশাহী ইউ পাবে কেন?
হঠাৎ মনে হয় ওত শ্রাবন্তী;
সিনেমায় দেখে ভাল লেগেছিল।
হঠাৎ কোথা থেকে এসে;
হৃদয়ে প্লাবন দিয়ে গেল
যেন আপন কেউ
ভালবাসার প্লাবন।
তারপর প্রতীক্ষা!
হঠাৎ দুয়ারে দাড়িয়ে দেখা
ঠিক বছর পর।
শ্রাবন! সে কি মিটিমিটি চাওয়া,
যেন ভালবাসা
মিটিমিটি হাসা
যেন ভালবাসা চেপে রাখা।
মন যে চায় তোমায় চুমু দিতে
বুঝনি কি হায়!
তবে কেন এত প্রতীক্ষার এত খোঁজা
কেন এ ভালবাসা নাম,
যদি না নাম নাই বা থাম ;
কোথায় তোমার ভালবাসা?
যদি না চাও তবে কিভাবে
পাবে আমায় তুমি
বারবার মুখে,
যদি না বল কথা মোবাইলে
কোথা হবে দেখা
শ্রাবন! তুমি যে আমার হৃদয় প্লাবন!
পদ্মা ও সপ্তাশ্চর্য
মো:মেহেদী হাসান মেহেদী
হে নদী! তুমি যে শত প্রবাহিনী
যেন শত শত বছর জুড়ে,
দুপারের মানুষের মাঝে
যেন আশ্রয় দাতা।
হে নদী! তুমি যে কত শত বছর
প্রবাহিত হয়ে হয়ে চল,
পথ একেঁ বেঁকে যেন অনন্ত
অনন্তকাল ধরে চল।
চলে চলে কখনও কি হবে পথ
একেঁ বেঁকে বালুচরে,
যদিও হয় তবে
কাঁদবে দুতীর মানুষ
তবে চল একেঁ বেঁকে।
সপ্তাশ্চর্য ! আজ তার বুকে বালুচর
যেন মিশরের পিরামিড
যেন মাচুপিচ,ু
অতি প্রাচীন কালে
ছিল যে নদী,
পদ্মা প্রবাহিনী।
বুকে তার মনোরম হ্রদ
ছোট ছোট যেন পরিচিতা,
সবুজ মাঠ ক্রমে ক্রমে
সবুজ সবুজে আজ হল সারা।
তবুও নীলাঞ্চল নীলে নীলে
ঠিক গোধুলি ক্ষনে!
হে নদী তুমি যে প্রশান্তি ঝরাও,
আমার হৃদয় মাঝে
ঠিক একাকীত্বের কবি,
ঠাঁয় পেল তায় এক টুকরো চরে।
সামনে স্বচ্ছ পানি
তোমার পরিচিতা।
গঙ্গোত্রী পুত্র হয়ে
যেন হিমালয়ের ঋষি!
কখনও গঙ্গা
কখনও পদ্মা তুমি।
শ্রাবনে তোমার ভয়াল রুপ
যেন ছোবলে ছোবল
শেষ করবে দুতীর;
হারাবে ঘরবাড়ি,বৃষ্টি চোখের
তবু হৃদকান্নার অপরুপা!
কখনও বন্যা অঝর ঢলে
দুকুল ছাপিয়ে
যেন প্ল¬াবন শ্রাবন মিশে একাকার,
শত মানুষের শত ক্ষতি
রণে ভঙ্গে হয় যে জ্যোতি।
অসহায়ের অসহায়ত্ব জ্বলে
জ্বলে জ্বলে মুখ মেলে ভাই,
একটু সাহায্য পেলে
চোখ মুখ যে উজ্জ্বল হয়
আশা জ্বালাবে বলে।
যদিও তার তান্ডব
নীরব অগুন জ্বেলে,
জ্বালিয়ে দিল দুতীর যেন
দুই পাখনা মেলে,
অন্তর যেন তুষের অগুন!
যদি বা গ্রীষ্মকালে
জাগল তবে চর
এলাম তোমার মঝে,
অন্তরে তো পূর্বরুপ
যদি আঁচল মেলো।
এই কবিরে নাও তুলে নাও
ওরে ও পদ্মা নদী,
তুমি যে সপ্তশ্চর্য!
নীরব কবির হৃদয় মাঝে
একাকীত্বের জ্বালবে আলো
পাবে তুমি হৃদয় মাঝে
আবার আমায় ফিরে।
বসব তোমার উপর
সামনে পরিচিতা
স্বচ্ছপানি সাথে উদারতা,
তাইতো তোমার কোলে
শুনবো পাখির গান।
অন্তরে তো লাগবে ভাল
ভাল লাগার অন্তরালে,
জাগবে মনে সুখ
থাকবো তোমার আঁচল জুড়ে
অনেক অনেকক্ষন।
ঢলবে যখন গোধুলিক্ষন
রক্তিম ঐ আকাশ,
ছোট্ট নদী নীলাঞ্চল
সাথে ঐ বাতাস,
ঐ ঘ্রান ঐ মাঠ
থাকবে মনে বহুক্ষণ।
নীলে নীলাঞ্চল
অবশিষ্ট নদী,
সুগভীর নীলে নীলে
যাবে চলি তব প্রবাহ ধরি!
কখনও বা সেলো
কখনও বা মাঝি,
জিগাবে ও ভাই
কি করেন বসি বসি?
নাই কি কোন মাগী
জোটেনি বন্ধবী?
সাথে নেবেন নাকি ।
দেখিলাম কলেজ পাড়ে
এহেন ছাত্রগুটকা লাগি
যেন জন্ম দিবে!
মুক্ত বাতাসে ইয়ানকুগিরি।
বলিব হাসিয়া নারে ভাই
নাই যে কোন সখী,
কে আসিবে তাই
এ হাত ধরিয়া
এত দূর নিরবধি।
কে পাড়ি দিবে এতদূর পথ
গুটকা লাগা ছাড়ি,
ক্লান্ত যে হবে
ফকির সাথে
কি হবে বড় ভারী!
বুঝতে পেরেছি তাই
মোর ফকিরের জুড়ি নাই,
দূভার্গ্য এতিম আমি
যেন কিছুই নয়।
লুটেরারা লুটেছিল সবকিছুতে তাই
চোখের পানিতে সুদিন দেখি
মোর উপায় নাই।
সহসা এক গোধূলি পাখি
চিং করে তব তব
উঠে দেখি তাই
আলোর রেখা জ্বলছে নিভু নিভু,
ডায়রিটা আস্তে ধরে
হাঁটা দিলাম তাই।
সপ্তাশ্চর্য ! টিকে থেকো
অনন্তকাল নিরবধি
ভুল যদি হয়
মিশিয়ে দিয় দুতীর অবধি,
আজ চলি তবে।
হঠাৎ বজ্রঝড়ে!
নীরব আকাশ ঝিকিয়ে ঝিকিয়ে
দিনের আলো জা¡লে,
ফেলফেল চোখে দেখি
ডায়রি ছাড়া আর কিছু নাই;
কিবা তার করি
তাই চললাম আমি
সামনে আমার বাড়ি,
অবশেষে ঐ হাটুজল
জলের উপর পড়ি,
বিদায় পদ্মা আজকের মত
এখানেই তবে চলি।
পূর্ণিমা ও ভালবাসা
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
পূর্নিমা সেও কোন ভক্ত
কোন নেটের ভালবাসার,
কোন ভালবাসার! কোন মিলিনমেলার।
যেন ঝিলিমিলি,
যেন জলতরঙ্গ
যেন বিষাদহীন যেন চিরসবুজ-
মোবাইলে কেন তুমি বল -
এই প্রযুক্তি ছায়ায়,
শুকনো পাতার মত
মরমরে সুরে,
ভালবাসি তোমায়।
তোমার প্রেম কি
আমায় চুমু দিতে,
নাকি ভালবাসা শুধু
রিকশায় থাকে?
কখনও কি আমায় চুমু দিবে?
নাকি ভালবেসে আমায় জড়িয়ে নেবে,
পূর্ণিমা কি চাঁদ হয়ে
নাকি রিকশায় নাকি কারে?
নাকি তুমি মাতাল হয়ে
বাস্তব ভালবাসার মত,
আমায়! জড়িয়ে নেবে নিরন্তর
বারবার বারবার।
পূর্ণিমা! আমি তোমায়ও ভালবাসি
তবে তুমি যদি এই দেহে মিলনা দাও,
তবে কেন এ ভালবাসা?
কেন দূরে থাকা
যেন বিষাদের সুরে সুরে!
ছায়াঘেরা আনন্দ তায়।
প্রেম ব্যবধান কি দূর হবে কখনও?
কখনও বা রিকশায় তুমি
আমি একটি নির্বোধ প্রাণী,
একাকী দাঁড়িয়ে থাকি -
যদি তুমি নাম
যদি ভালবাস চুমু দিয়ে এই ভাবে ।
তবে তোমায় নিব জীবনসঙ্গী রুপে
শৈত্যের মৃদু ছন্দে।
জলতরঙ্গের মাঝে মৃদু ছন্দে
নুপুর পায়ে রিনিঝিনি -
পূর্নিমা কেন আমায় খুঁজে
অন্যের সাথে ঘোর?
আমি তো আছি
তুমি আমায় ভালবেস নিরন্তর।
তোমার চিরসবুজ
মায়াবী ঐ চোখ,
ভুলতে পারিনা তোমায়।
ভুল হবেনা আর
মায়াবী পূর্ণিমা,
আবার তোমাকে স্মরন করি
হৃদয় যে থামেনা
শুধু ভালবাসার প্লাবন।
তোমার উদার হাসি
প্রেম পাগলীর মত,
যেন হৃদয় মাতম তুলে
দিল দোলা আমার যুবা মাঝে।
কখনও তোমার বিরোধিতা
কথার ঝলসানি,
যায় অন্তর জুড়ে।
ঠিক যেন গৃহবধু
ঘোমটা দিবে তায় ।
তোমার এলো চুলে -
আমি গোলাপী শার্ট
যারে তুমি বাস ভাল
তবে অনেক রং,
সেই সময় এই আশায়
তোমার ভালবাসায়।
বহে ভালবাসা যৌবনের বাতাস -
রংধনুর রং এর মতন
তোমার ঠোঁটে ঠোঁটে,
তবু কেন বলনা আমায়
ভালবাসি আবার পূর্ণিমা।
তবে বল এই প্রযুক্তিতে -
ভালবাসি মেহেদী মেহেদী।
নবাগতা
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
নবাগতা এল সবে -
ধরে রাখ তোরা ওরে
সবে পা মুছেদি
দে ধূপদানি।
তবে নবাগত -
আমরা একান্ত ভক্ত
এসেছেন শুনে,
অন্তর জানি সুখের মাতম।
চলুন তবে বসি -
শুনি কোথা যাবেন
চলুন এখনি
আমরা বুঝেনি।
যাব তবে বন্ধুর বাড়ি -
শুনবে বন্ধু তবে আঁখি মেলি
অন্তরে অন্তর যেন
মিলবে পুরান কথন।
এহেন কথা শুনি
ফ্যালফ্যাল করে মানি,
জুড়াইলো তব আঁখি
নায়িকা এখন একি শুনি!
চলুন তবে -
যেন উচ্ছাস মুছে!
ঠিকানাটা দিন এখুনি
নইলে হবে শুনা শুনি।
বলল বিকেলে এহেন মানি -
চলুন তবে জানি
চলুন রিকশায় চাপুন এখনি।
হাঁ চলুন তবে ঘুরে আসি -
এহেন রিকশায় বেলা গড়াল
সূর্য ডুবলো বলে
না ঠিকানার মেলেনি,
বলল অতিথি
চরম ব্যঙ্গস্বরে।
এহেন শুনিয়া মানিজন খুব খুশি
খুশি দেখিয়া অতিথির মনে
উকি দিল এক ঝুঁকি -
বলল বুঝিয়া এখন তবে আসি।
বন্ধু তবে একজন নন নিরবধি -
এরপর রিকশা ছেড়ে
খুঁজিল বন্ধু নতুন কিছু করে।
হায়! যে ঘর সম্মুখে ফেলে
গেছিল রিকশা চলে
বলেনি কেউ ভুলোচ্ছলে
এই আপনার বাড়ি।
তবু শুভবুদ্ধি জাগে -
এটা আপনার বন্ধুর বাড়ি
নিন ঠাঁয় তব রাতে
ধন্যবাদ বলিয়া নায়িকা
স্বজলে নামিল তাতে।
শরতের এক সকালে
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
আজ শরতের এক সকালে -
দাঁড়ায়েছি আমি পদ্মা প্রবাহিনীর তীরে,
তারি অপর পাড়ে
নীল নভোন্ডলে আঁখি মেলে দেখি
তুলো মত সাদা মেঘ।
অনিলের ধাক্কায় চলে ছুটে।
সেই প্রবাহিনীর মাঝে জাগা এক -
ঘন কাশবনে।
কাশগুলি নাচে অনিলে।
যেন! হাতছানি দেয় দোলা দিয়ে
তারি মাঝে ডেকে ওঠে অজানা পাখি,
এ যেন ধরনীর অপূর্ব সৃষ্টি।
সাদা বক ডানা মেলে উড়ে চলে
উড়ে চলে! নীলনভোমন্ডলে,
এক সময় মিশে যায়
আকাশের অশেষ প্রান্তে
যেন দৃষ্টি সীমার এখানেই শেষ!
মাঝিরা নৌকা বায়,
মনের সুখে গান গায়।
মাঝে মাঝে দেখা যায়
দূর হতে আসা নাও।
পাল তোলা সেথা লাল নীল সাদা,
শরৎ তোমাকে
ছবির মতই মনে হয়।
তুমি তো ছবি মনে হও!
তোমার এই সৌন্দর্য দেখে
মনে আমার প্রশ্ন জাগে!
শরৎ তুমি কত সৌন্দর্যময়?
শরতের সৌন্দর্য দেয়া
কবিতায় সম্ভব নয়।
নিষিদ্ধ অনুমতি
মো:মেহেদীহাসান মেহেদী
লাগে অনুমতি
বলল অপরিচিতা,
পরিচিতের মাঝে
যেন নিষ্পাপ সত্যি।
অচেনা অজানা
নতুন যুবতী,
জাননি কি আজি ?
বেকুবির পরিণতি।
বলিল রস্তার মেয়ে
দালালি তব করি,
নিতে অনুমতি
তব নিরবধি
এ রাস্তায়:
ঐ বাড়ি !
আমি তা চিনি,
তবে নিন অনুমতি
বলল যুবতী।
তবে কেনঐ মোবইল;
কেনঐ টেলিফোন ই-মেইল?
ওসব মিথ্যা
না না ও কিছুনা ।
বললে সরাসরি
রাগল বলে,
সেকি!
বলল অপরিচিতা
নিলাম অনুমতি ,
কথা বলে মোবইলে
তব পেলাম অনুমতি।
এ বাসা নয়
এখন সে থাকে হনুমতি;
চলুন তবে
মিলিয়ে দিয়ে আসি।
এহেন বদ্ধ ঘরে
থাকে কি মানুষ
রাখে কি কারেও ,
কভু কি ডাকে?
আমায় নিরবধি।
হাঁ হাঁ এই তো এলো বলে
থাকেন তবে আসি;
এমন সময় প্রবেশ করল ঘরে
লম্পট ধর্ষক সবলে।
বলল যুবতী কে আপনি ?
আমি ভোক্তা নিরবধি,
তোমার দেহের পসরা নিয়ে
তাইতো দিলাম তুলি,
মক্ষীর হাত ধরি ।
এহেন হাসিয়া মক্ষী তব যে
বিদায় নিল হায়,
হাসিতে হাসিতে দাঁত পড়িয়া
দিনমান তার যায়।
মুহূর্ত দুই তারপর সব
ঠান্ডা হল হায়,
হবু বউ কারো ধর্ষিতা হল
তারই খবর নাই।
ধর্ষিতা তাই হল পতিতা -
যেন পল্লীটা
যেন নতুন ইনকাম,
যেন নেমকহারাম।
হায় বুঝল সে পরে -
স্বামী কভু কি মেলে
অনুমতি চেলে
যেতাম যদি অনুযায়ী ,
বলতাম যদি মোবাইলে
নিজে নিজে,
তবে হত দেখা
হত ভালবাসা।
এক শিমু সে শাদুর মোড়
মক্ষী নিরবধি,
সাথে মুর্শিদা তার রিপলিকা
যেন বদলিকা,
যেন যিনাখানা ইউনিভার্সিটি।
সুমাইয়া হায়
বোঝনি তো তুমি,
বাসনি নিরবধি
ভালবাসা মোবাইলে।
যেন! তোমার চুমু পেলে -
হবু স্বামীটা প্রাণ ফিরে পায়
একটু ছোঁয়া দিলে।
সে তো আজ রস্তার লোক
তোমায় জানাবে বলে
লাগেনা অনুমতি ,
সব ভ্রান্তিচ্ছলে!
শুনিয়েছিল ভন্ড কিছু
তোমার সরল মনে।
লুটেছিল সব সম্মান
তোমার নয়ন জ্বলে।
তাইতো তোমার চোখের পানি
সারা অন্তর জুড়ে,
পড়বে বুঝি আমার অধর
তোমার অধর পরে।
কাশ বন
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
শরতের শুরুতে
তটিনীর নীল মাঝে
কোমল তুলি ছোঁয়ায়
কারা যেন জেগে উঠে ধুপ সাদা আলোকে।
ছেলে বেলা কত যে!
দেখেছি যে জাগরন নিষ্পলক নয়নে
বুঝি নি যে কি হাতছানি
নাকি! কিছু বলেছিল চুপিসারে
বঝি নি যে কি মায়া
কি শোভা ! মোড়া ছিল ধুপ ছায়া আলোকে।
কতদিন ভোরে ঘুম থেকে ,
পাখীদের ভাষা বুঝি
গাঁথা ছিল এ মোর মনেতে।
কি জানি কি যেন তারা বলতে চা ইতো চুপিসারে?
হয়ত বা তাদেরই মৃদু আহবানে,
ছুটে যেতাম তোমারই বুকে,
তটিনী তুমি যে প্রকৃতি অনন্যা
মৃদু কলকল ধ্বনি নিয়ে আজন্মা
মৃদু কুয়াশা ঘেরা সকারে
জনশূন্য ধু ধু প্রান্তরে,
একা একা দাঁড়িয়ে
শিশির ভোরের স্নিগ্ধ পরশে!
মুক্তো ছিটানো সবুজের মাঝে!
দিগন্ত নীলাকাশে একসাথে মিশে,
এরুপ মাঝেও আমি দেখেছি তোমাকে
দেখেছি তোমার, ধূপছায়া আলোকে।
তুমি সত্যি তুমি অপরুপ কাশবন
তুমি যেন আলোকিত প্রকৃতির সন্তান।
শ্রাবন্তী ও আমি
মো:মেহেদীহাসান মেহেদী
শ্রাবন্তী আমার প্রেম কোথায় তুমি শ্রাবন্তী ?
শ্রাবণ গগন ঘিরে!
শ্রাবণের কালো আকাশ !
যেন তোমার চুল শ্রাবণ।
ঘন কাল আকাশে ঘন কাল মেঘে
শুধু তোমার কথা যেন বলে শ্রাবণ,
শ্রাবণ গগন ঘিরে শুধু তুমি শ্রাবণ
তোমার অধর আমার অধর
মিলেমিশেএক হয়ে শ্রাবণ!
তুমি যে আমার হৃদয়ের প্লাবন।
গ্রীষ্মের হৃদয়ে যেন তুমি অঝর বৃষ্টি শ্রাবণ
তুমি যে আমার হৃদয়ের প্লাবন।
শ্রাবণ গগন ঘিরে তোমার চুলে চুলে ,
এই নাক ডুবে ডুবে শ্রাবণ,
তোমায় ভালবাসি শ্রাবণ।
শ্রাবন্তী তুমি কোন সে বনের অবন্তী!
শ্রাবণ! তুমি কোনসে বনের হৃদয় পাথর?
ফুল হয়ে থাকা অবন য়েন হৃদয় জুড়ে!
হৃদয় জুড়ে ফুলের মেলা শ্রাবণ।
তুমি শুধু আমার ভালবাসার প্লাবণ
তোমার বুকে এই নাক ডুবে ডুবে!
তোমার অধর আমার অধর!
মিলেমিশেএক হয়ে,
শ্রাবণ গগন ঘিরে শ্রাবণ!
তুমি যে আমার হৃদয়ের প্লাবন।
এই চুলে নাক ডুবে ডুবে শ্রাবণ!
তোমাকে খুঁজে খুঁজে
তোমার চিবুকে একটু খানি চুমু দিয়ে!
শুধু তোমায় ভালবাসি শ্রাবণ,
তুমি যে আমার হৃদয়ের প্লাবন।
শ্রাবণের বাতাস যেন তোমার চুল ছুঁয়ে ছুঁয়ে
শুধুতোমায় ভালবেসে,
যে নুয়ে পড়ে যে প্রবল বাতাসে,
তোমার চুল ছুয়ে উড়ে উড়ে শ্রাবণ!
তুমি যে আমার হৃদয় প্লাবন।
শোঁ শোঁ শব্দে শুনি তোমার গান;
শ্রাবন্তী তুমি কোনসে বনের অবন্তী?
নদী নীলাঞ্চল
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
নদী নীলে নীলাঞ্চল
সন্ধ্যাক্ষন নামছে তবে,
ঐ গোধুলি আর কি হবে
নীলাঞ্চলের দোলাঞ্চল!
সন্ধ্যা ঝাপসা যেন কুয়াশা-
নীলে নীলাঞ্চল
যেন সে অঞ্চল;
আরও গাঢ় নীলে নীলে
বয়ে চলে প্রাঞ্জল।
নীরব নদীর কোল জুড়ে
শূন্য অন্তর ছুঁয়ে ছুঁয়ে,
বহে সে প্রবাহিনী
যেন অনন্ত অঞ্চল।
বিশাল চর ঐ বাঁকে
নীলে নীলাঞ্চল চলে এগিয়ে,
যেন সবুজ আর নীলে
আরও গাঢ় নীলে;
এগিয়ে চলে যে
নেই তার পিছুটান,
তবুও ঘন ঘন নীল
যেন কারো চোখের নীল
নীলে নীলাঞ্চল।
বিশাল শূন্যতায় চলে
যেন শূন্য যেন নীরব,
তবুও তার বয়ে চলা
নীলাঞ্চলের নীল সুরে।
প্রবল বাতাস ওঠে
ঢেউ এর মাতম তটে
চুল এলোমেলো তবু উজ্জল
দুই চোখের তারা;
নীলে নীলে যেন ফেনায়িল -
তবুও নীলে নীলঞ্চল,
তবুও প্রবল বাতাস
চুল এলোমেলো লাগলো ভাল ।
যেন ঝাপসা বাতাস-
যেন প্রিয়ার ছোঁয়া,
হৃদয়ে দেয় দোলা
যেন মিলবে অনুভূতি
তারই চুমুর ছোঁয়া ।
তবুও নীলে নীলাঞ্চল -
গিয়েছিলাম আমি,
অন্তরে যে সুখ ছুয়ে যায়
নীরব নদীর কোল বয়ে যায়;
দেয় দোলা দেয় অন্তরে
নীলে নলাঞ্চল!
কবি ও কবিতা
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
ঘরের নতুন
লাগলো কারো
হৃদয় মাঝে
মেলবে বুঝি ডানা
সবার হৃদয় মাঝে
ছড়াবে এই আলো
খুলবে হৃদয়
ভাঙবে যত বাধা
মেলবে বুঝি প্রাণ
লাগবে জীবন মাঝে
পাবে বুঝি ভাষা
বুকের যত ব্যথা
পাবে প্রকাশ
ঋষির কথায়
থাকবে হৃদয় গাঁথা
নতুন জীবন পাবে বুঝি
অমৃত্যের ভাষা
জ্বালবে জ্বালা
সবার বুকে
প্রতিবাদের অগুন
থাকবে ধ্বিকি ধ্বিকি
চলবে তুষের অগুন
উঠবেই ঝড় প্রতিবাদের
চলবে বাদানুবাদ
মৃত্যু হবে যুগ শত্র“র
হবেই বিজয়কর
তাইতো কিছু অমূল্য ধন
তুলে দিলাম আমি
যদি লাগে কাজে কারো
ধন্য তব আমি
এক যে ছিল ঋষি
দিল হৃদে পবন
তাইতো হৃদে জ্বললো অগুন
দিলাম আলোর অগুন
ধন্য হবে এই কবিতা
তবেই হবে ধন্য
যদি হৃদে কাজে লাগে
তবেই হবে মান্য
পুষ্পস্তবক তার তরে ভাই
পাঠক হবে যে
অন্তরে তার জ্বলবে অগুন
ধন্য হবে সে
সেই প্রবর্তক
মিলন ও মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ভোরের পাখী ফুল বাগানে,
উষার সূরুজ ঐ আসমানে ,
মেতেছে এক নবীর নামে -
মুহাম্মদ যার নাম
রাতের চন্দ্র জোছনা চেনে
রাতের জোনাক আলো জ্বেলে
খুঁজে খুঁজে যারে পেলে -
মুহাম্মদ তার নাম
এই পৃথিবীর সকল সৃষ্টি নবীর হৃদে গাঁথা
যার নাম স্মরিলে পাষান গলে,
জলে ভেজে চোখের পাতা,
যার আহবানে দেয় সাড়া দেয়
সকল ধরাধাম -
মুহাম্মদ তার নাম।
এই পৃথিবীর সৌন্দর্যতা নবীর নূরে আঁকা
আর সাত সাগরে ,
বিস্তৃত যার নাম
যার স্মরণে জপে যে মাছ গহীন তলে আল্লাহর নাম -
মুহাম্মদ তার নাম।
অস্থায়ী
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
দিন যাবে বেলা যাবে
যাবে সব ঢেউ,
চিরদিন এ দুনিয়াতে
থাকিবনা কেউ।
যতই বল দেখাও এ দুনিয়ায়,
ওপারের টানে কারও নিস্তার নাই।
শবল প্রকৃতির শুশৃলা নয়নে
সুপ্ত স্বপ্নের প্রবল আহবানে;
ঐ সময় ঘড়ির শ্রোতে
হারাব আমরা একে একে,
যে যার মত
ঐ মৃত্যুর দেশে পরকালে।
আসলে কি আলো?
মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী
সবাই বলে আলো,
আমি বলি! ঐ তো আসল আঁধার,
এর ই মাঝে লুকিয়ে আছে শত্র“ শত লক্ষ।
জমাট বাঁধা অন্ধকারে,
আঁধারকে লুকিয়ে রেখে
মিথ্যা কিছু লোভে তুমি করবে মূর্খতা
আবার বলবে! এইতো জীবনের স্বার্থকতা।
দেখ চেয়ে দেখ মহাকালের দিকে,
গময়ের টানে বেরিয়েছে সত্য
সত্য জয়ী হয়েছে চিরকাল।
সত্যাশ্রয়ীর সে চিরবন্ধু,
মিথ্যাবাদীর ঘাতক চিরকাল।
ভেবে দেখ আজও সত্য,
নিরবধি দিপ্তীমান
তারই বিজয় গাঁথা
থাকে ইতিহাসে থাকে আবহমান।
আসলে সত্যমুখী হতে তুমি ভয় পাও,
তাইতো মিথ্যা কিছু বলে
সম্মানের আশায়
মূর্খ দাতাদের পানে চাও,
আমি বলি তোমার দাতারা কি প্রকৃত দাতা,
নাকি দাতা সেজে শত শত মানুষের সর্বনাশা।
আসলে তুমি তাদেও ভয় পাও,
তোমার আত্নশক্তিতে কি তুমি বলিয়ান নও?
মনে হয় তাই,তুমি সত্যে ভয় পাও।
তুমি সত্যে বিশ্বাসী হও।
যদি হও তবে মৃত্যুতে ভয় কেন পাও?
মৃত্যু তো আছেই,
তুমি কি বিশ্বাসী নও?
ভয় যদি না পাও তবে এগিয়ে যাও,
শুধু একটি বার এগোও
নইলে বিশ্বমানবের মুক্তি মিলিবেনা চিরকাল
অত্যাচারীর অত্যাচার চলবে চিরকাল
আর! আঁধারে ডুববে
এ মানবকুল অনন্তকাল।
তবে কি রিকশাআলা!
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
বলিল ঐ তো ঐ বাড়ি -
থামুন বলব কি এখন;
না থাক কি যেন কি মনে করে,
থামেনা রিকশা
মোর বাড়িঘর পরে।
হাঁ হাঁ ঐ তো দাড়িয়ে
সেইতো মেহেদী -
যারে দেখি ইনটারনেটে,
যে দুঃসাহসীক
অনিন্দ সুন্দর,
বিজ্ঞানী মডেল
যেন অশ্র“স্বজল ছলে!
নামব এই যে এই রিকশাআলা -
থমনা একটু দাঁড়ানা তবে
মেটেনি ঐ জ্বালা,
পাব কি তারে?
একটু আপন করে।
কি জন্য থামাবেন?
আমি কি কম
আমাকে জানাবেন।
ওরে ও রিকশাআলা
কিসে তোর গলা -
বাড়ল যেন তুঁষের অগুন
যেন গুয়ার গুমোর।
কে কারো চেয়ে
কি ভাবে বেশী
তা আমি তো জানি,
ব্লু দেখাবি তাই বলে তোর
বুকের পাটা মানি।
কলজেতে মোর শক্তি হীন
এত্ত বড় হোল,
ফাঁকে দিবি তুই
শক্তিতে বেশী;
তাইতো তোর চুগোল খোরী
শুনতে যাব ভয়তে মরি।
সামনে জিনাখানা
লজ্জা ছোটেনা
ধর্ষক রিকশাআলা।
শাস্তিটা একটু বেশি
ফাঁশি তোমার গলায় দড়ি,
একটু বেশী মার
যেন মৃত্যুর পর।
ক্ষণিকের তরে
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
আমি তো চেয়েছিলাম -
লিখতে কবিতা,
সে তো হলনা লিখা
কি করি কি করা।
তোমায় আমি ভুলেছিলাম কি ভাবে হায়
দোষ যদি হত শ্রান্ত হত মন,
কিন্তু হায়!
লম্পটদের ধর্ষন সবকিছু! সবকিছু!
কেন যে শেষ করে দিল।
আমি তো চেয়েছিলাম,
আপন করে আমার নিজের মত
কিন্তু তুমি হায়!
চৌদ্দ সেকেন্ড চৌদ্দ বছর -
তা সম্ভব নয় মেটানো
মনে পড়ে তোমার মিথ্যাচারী,
ন্যায় থেকে দূরে থাকা
হাস্য চেষ্টা ঢেকে রাখা।
ন্যায় বিচার বঞ্চিতা
জান কি ধর্ষনের শাস্তিটা।
একটু বেশী ফাঁশি,
তোমায় ভালবাসি।
এক যে ছিল রাজপুত্র
তার গল্প বলি,
যে হারিয়েছিল সবই
চীনা ও পাকিস্তানী হার্মাদ
শৈশব তার লুন্ঠন করেছিল।
নিয়েছিল তার মায়ের ভালবাসা,
তার অধিকার তার মনের আশা।
তার হক তার অধিকার
মাথায় ঠেকিয়ে পিস্তল,চাকু গলায়
কেড়েছিল ক্রেডিট কার্ড
ফিরে যাবার আশা,মায়ের স্মৃতি,
শেষ স্মৃতিটা
হলনা তার পঙ্খীরাজে চাপা,
রাজকুমারীর ভালবাসা।
হবেও না যে আর
যে আজ ধর্ষিতা
গণতন্ত্রেও বেশ্বে পুত্ররা
বউ এর ধর্ষনকারী;
ধর্ষিতা হায় ধর্ষিতা।
সেই সে জন পড়ে রইল
নোংরা দেশের মাঝে,
ভিড়ভিড়ি পিড়পিড়ির সাঁঝে
পারলনা হায় যেতে
কালো মোটা স্লীম শুয়োরের দল
মজলুম বনল তাকে,
নষ্ট করল তার অধিকার
তারই ক্রেডিট কার্ড।
হল তা পিড়পিড়ি বাংলাদেশের
বাহবা বাহবা সাবাস!
গণতন্ত্রের বেশ্বেপুত্ররা।
মোবাইল ইন্টারভিউ
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
সবে শুনি আমি -
জিনাখানা আর ইউ
নিচ্ছিনা ইন্টারভিউ
তোদের জিনার।
বেহিয়ারা রাখ সবে
বান্ধবী মোরে খাবে,
কেন হবু বউ।
খোঁজ মোরে নিরবধি
তুই কি এমন বোধি
মোর দুজনার মাঝে;
কি এমন কি এমন
তোরা কি কিছু,
আমি নাকি ও
নাকি সমতুল্য।
যাবে মোর বাড়ি
তোরা যেতে দিবি,
ছুবিনা মোর ভিউ
দিব তবে ইন্টারভিউ।
মারিনা আমি ওরে
বলে ইন্টারভিউ,
ধরে রাখি অন্তরে তারই ভিউ।
কোথা পাবি তোরা মোরে
বলি ওরা জিনা করে,
বুঝেনিস পরপারে
যেনাতম ইন্টারভিউ।
ধরে ধরে নায়িকা
ওরে তোরা নিয়ে যা
নতুন যা কিছু আছে বান্ধবী,
জিনিয়ে জিনিয়ে
নম্বর পেয়ে যাবি
ওদের সোসাইটির ইন্টারভিউ।
বলে ওরা লজ্জায়
হবু বউ কারে কয়,
ওরা সব জিনা দেয়
ধর্ষিতার ইন্টারভিউ।
বলে নিয়ে যাব তোরে
সুপুরুষ পাবি তবে,
ওটা তবে নিতম্ব ইন্টারভিউ।
চল ও আসেনি
বলে বলে মোবাইলে,
চল গিয়ে বেচি তবে
তোর জিনার ইন্টারভিউ।
এ পাড়ায় ঘাঁটি তবে
পুলিশ না আর্মির অবসর,
নাকি জিনা শিক্ষক
কি চায় তোর ইন্টারভিউ।
এই যে এই ক্লাবে
সুপুরুষ চুদে তবে,
নেই কোন ক্লাব পরিচয়,
তবে চল তুলি গিয়ে
এই যে মোবাইলে,
তোর ধর্ষনের ইন্টারভিউ।
চুরি
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
বলিল পিয়ন -
দেখেন তো কার চিঠি
না থাক তবে আপনার না,
চলি তবে ঠিকানায়।
আমি চিনি তবে
চলিলাম নিয়ে,
এই যে মোবাইল নম্বর -
কথা বলি এ সময় ।
আর একদল
গিয়ে সদলবল;
এই যে ইনি মেহেদী -
দেখুন ছবি
এই যে আর এই আইডি
অমনি মেহেদী ডামী -
বলল না না আমি কিছুনা
ওরাই সব,
ওরাই মহতম
আমি দিব এদের।
এই নাও এই নাও -
আরে এত পাগল
আমি এর শিক্ষিকা,
দিন তবে আমায়
বুঝি দিবনি ঠিক ঠাক
চিনি তার বটী।
নিন তবে দিন স্বাক্ষর -
এই বলে এলো চলে
ওফ বাবা বাঁচলাম,
চল গিয়ে বেচি তবে
খুলে চুল মুখীলাম।
যাব তবে মেহেদীর বাড়ি
বলল বান্ধবী -
হাঁ হাঁ আমি আছি
নিব তবে তার বাড়ি
কিন্তু এই নিন ফলাফল -
দেখুন তবে কী নীচ
সুতরাং বুঝে নিন কি দিবেন
কেন বা দিবেন?
এনেছেন যা কিছু
আমি তার শিক্ষক
তুলে দিন -
নেই তবে চাকু হাতে
বলে নিই।
ও মেহেদী -
তুচ্ছ কেউ
না থাক কি হবে,
তার বাড়ি গিয়ে।
তবে দিন চুদিয়ে
অন্য কাউকে,
নিয়ে নিন যা কিছু এনেছেন
পাগলী বলে হবে ।
হবু বউ কি তবে?
কি হবে বাড়ী দিয়ে
নষ্ট হবে তবে;
নিয়ে নি তবে আমরাই
চুরি করি যার পরনাই।
এই যে এই খাতা
লেখেনি কিছু সে,
খাতা তুই পেলি কোথা
কেন রাস্তায় কিনে যে
নির্লজ্জ কর্মী সে।
নিয়ে পরীক্ষা খাতা
দেখিয়ে নায়িকাক,
নিব তবে চুরি করে
যা কিছু দিবে সে।
খুলে নিই লুজশিট
বানিয়ে নম্বর,
তবে দিই নম্বর
খাতাগুলো লুটে যে
নামে থাকে কেউ যে।
করে তবে ডিলুশন
সুরভী পাগলী
রিকশায় চেম্বার ,
নিল তবে তুলে সে
চুরি তবে করে যে।
অনুরুপে অনেকে
নিল তবে চুরি যে,
বলবে কবে সে
তবে দিব ডাকাতি
নিব তারে লুটে যে।
থাক থাক
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
নায়িকা থাক থাক
আমরা শিক্ষক
করে না ছাত্র
আছি তবে আমরাই
শিক্ষিকা আমরাই
দিব তবে আমরাই
ওর মত চেহারার
তবে হবি ধন্য
আগে কেন ছাত্র
তার আগে আমরাই
দেখি কি লিখেছে
না না হয়নি
এস তবে আমাকে
করে নাও তিনবার
এসে যাও তুমি তবে
আমি আছি পূর্বে।
আমি এই প্রকাশনী
যদিও লিখিনি
তবুও আমি আগে
তাই তারে ছাপিনি
হবু বউ কি হবে
আমার আগে গিয়ে
নিব তবে তোমাকে
যেহেতু আমরাই
ঘুেিয় নিব যে
রিকশা সন্তান
বুনেছি কি এমনি
পূর্বের নায়িকাক
তবে দিই আমরাই
দি নির্লজ্জ
নিব তবে লুটে যে
তার হবু বউ
জিনাখানা খুলে তবে
আমি আছি আমি তবে
নিব তবে লুটে যে
তোমার ইজ্জত
না হলে ঘুরিয়ে
নিব তবে বাড়িতে
তারপর ধর্ষন
মান ও ইজ্জত
চেহারা চুদিয়ে
নিব তবে লুটে যে
রাখব চাকরি
নায়িকা চুদিয়ে
আমরা কর্মী
দিব তবে আমরাই
ওর মত চেহারার
বেচে আমি পাব যে
নীল ব্যথা
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
নীল বুক চিরে যায় -
তবু তুমি তো আর ফিরে আসনা।
নীল নীল আকাশ আজ !
ঢেকে গেছে মেঘে
সে তো শুধু কালো মেঘ নয় লাল সাদা
গোধূলি সেতো আজ মরিচিকা।
আতœগুপ্ত স্বপন মোর হয়েছে মৃগয়া।
দুঃখের প্রচন্ড দহনে,
হৃদয়ের দারুন অকালে
কি যে শূন্যতা সারা বাদনে
যেন যুক্ত অনল
হৃদয়টা ছিঁড়ে গেছে ,
তোমারই কারনে।
কোন একশুভ ক্ষনে হয়ত বা তোমারই জন্যে।
আকাশটা ছিল যেন নীল,
ও! অপরাজিতা নীল আকাশ
আজ তুমি কোথা?
তমি কি আজ! ছায়াপথে হারানো এক নিহারীকা
নাকি শুধু ধোঁকা দেয়া মরীচিকা?
বিজন প্রান্তরে একা একা দাড়িয়ে,
নীরব প্রকৃতির ব্যঙ্গ বিদ্রুপে
হৃদয়টা ছিঁড়ে গেছে আজ -
সে ব্যথা যে কি ব্যথা,
তুমি কি তা বোঝনা?
ওহ্! তুমি তো মরিচিকা।
যে তুমি চলেছিলে
নতুন প্রণয়ের আহবানে
মিথ্যে সবলা ভেবে আমাকে,
পরছায়াদের ডাকে চুপিসারে।
তুমি তো ভাব ভালবাসা -
যেমন শিশু খেলে পুতুল ছেলেবেলা
যৌনকর্ম তোমার কাছে ভালবাসার খেলা।
আমি তো মরা নই
আমি তো উজ্জিবীত প্রাণ।
কেন রাখতে পারবনা মোর ভালবাসার মান?
দুষ্টু মেয়ে,
আমাকে আর বোকা ভেবনা
তোমার প্রতি জন্মেছে ঘৃনা
জন্মেছে তীব্র এক মানসি অবহেলা
তুমি মিথ্যা আমার সনে করলে প্রতারনা।
তাই ভুলব তোমাকে চিরতরে
না এবার হয়নি ভুল ,
ভুল করে তোমায় দিয়েছিলাম
ভালবাসার ফুল।
বন বন
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ঘোরে-বন বন
লাটিম আমার
ঠং ঠং ঠং-
মার্বেল তার
শোঁ শোঁ শোঁ -
উড়ে ওর ঘুড়ি
আমি সবই পারি
নেই কোন জুড়ি
চলি ছটফট -
রাস্তায় গিয়ে
ধপা ধপ ধপ
দিই বসিয়ে
হলে মারামারি
জিতি তবে আমি
দিয়ে দিই বাড়ি
আমি আগে নিই
ঢং ঢং ঢং -
স্কুল ঘন্টা
হই হই রই রই
বাজিয়ে আমরা
ফিরি মোরা বাড়ি
উড়াতে ঘুড়ি
এ যেন অতৃপ্তির
পুনরায় সূচি
(সমাপ্ত)
বন্ধুরা আমাকে ভালবাসুন আবৃত্তি করে কবিতা ও ছড়াগুলো পড়–ন। পারলে মুখস্থ করুন। আমার বিশ্বাস আপনাদের ভাল লাগবে।দয়া করে বিনা অনুমতিতে কেউ ছাপাবেন না।তবে আমার নামসহ ছাপাতে পারেন। আরও বই এর জন্য যোগাযোগ করুন-
নাম::মো:মেহেদী হাসান মেহেদী
প্রযতেœ:মো:মোস্তাফিজুর রহমান
মহল্লা:রামচন্দ্রপুর কেদুর মোড় (মারুফ ট্রেডার্স গ্যাসের দোকান সংলগ্ন বাড়ি)
পোষ্ট:ঘোড়ামারা
থানা:বোয়ালিয়া
জেলা:রাজশাহী
মনোসমক্ষীন চেম্বার আমার বাড়িতে । মোবাইল:০১১৯৫২০৯৬২৯,ই-মেইলঃ .
নামের জায়গায় মোবাইল নম্বর লিখে কেউ কুরিয়ার ,পার্সেল চুরি করে।কেউ বা একই চেহারায় মোবাইল নম্বর প্রদর্শন করে প্রতারনা করে। এগুলি বর্তমানের প্রতারনার ধরন।কেউ বা বন্ধু সেজে , কেউবা অভিভাবক সেজে রাস্তায় চুরি করে।
এবাবেই প্রতারনা চলে।তাই সাবধান। আমার কাজ এজন্যই আগায়নি।
দয়া করে যদি ছাপিয়ে দেন তো বড় উপকার হয়।বিয়েতে কাজে লাগে।
দয়া করে মনে করবেন এখানে আমরা নিজের পকেট থেকে লেখালেখির জন্য ব্রাউজিং করি।
প্রেমের জন্যও ব্রাউজিং করি।
রেটিং কি হল বড় কথা নয়।তবে কতবার হল,কতগুলো কমেন্ট হল সেটাই বড় কথ।আর কবিতার রেটিং করতে কমপক্ষে তিনবার এমনি একবার আবৃত্তি করে পড়া উচিত।সুতরাং তাড়াতাড়ি রেটিং কারীরা কবি নন।তবে নিজেরাও লিখুন।
কিছু কথা
আমি স্কুল জীবনে কবিতা লিখতে চেষ্টা করতাম।তবে অন্য কাজের প্রতিও ঝুঁকেছিলাম।মনোসমীক্ষণ করে চিকিৎসা দিতে দিতে এছাড়া বহু রোগীর কথা শুনে অনেক ধারনা তৈরী হয়।এছাড়া ঘুরতে আমার ভাল লাগে।আমি কখনও ঘুরি পদ্মা নদীতে কখনও ঘুরি লোকালয়ে।কখনও রাস্তার পাশে দোকানের সামনে।কখনও দাঁড়িয়ে সামনে শ্রাবন্তী মাঝে মাঝে ঠিক যেন কাঁঠালের আমসত্ব।কখনও নির্যাতিত কোন নারী।সে অনুভূতির কথা গুলোই কবিতা আকারে সাজিয়েছি।এছাড়া কবি সুভাষ স্যার আমাকে অনুপ্রাণিত করেন।তিনি আমার চারটা কবিতা দেখেদিয়েছিলেন।তার কাছ থেকে আমি অনেক ধারনা নিয়েছি।তার কাছে কবিতা শুনার মত আনন্দ আমি পাইনি। এছাড়াও আমি ন্যাশনাল জিওগ্রাফীক একজন শিক্ষানবীশ ও প্রধান অনুসন্ধানকারী। এছাড়া আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বন্ধুরা আমাকে উৎসাহিত করেছে।তারা আমার কবিতার খুবই ভক্ত।আমার নতুন কবিতা তারা কি যে আগ্রহ নিয়ে দেখত তা আমি বোঝাতে পারবনা।ধন্যবাদ তাদেরকেউ যারা ইন্টারনেটে রেটিং করে তারা যে কত ভালবাসে তা জানিয়েছে নিজের টাকায়।হোকনা তা যে ধরনের রেটিং তবে কমেন্ট ছিল বেশী।আজ এ পর্যন্তই- বিনীত-
মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী
০১১৯৫২০৯৬২৯
উৎসর্গ
প্রযুক্তির ঘুনে ধরা সমাজকে ও আমার ভক্তদেরকে
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কবিতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কবি ও কবিতা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৪১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নেমেসিস বলেছেন:
উৎসর্গপ্রযুক্তির ঘুনে ধরা সমাজকে ও আমার ভক্তদেরকে
ভক্ত কৈ ? আবার দেখি ভক্তের পাশে দের যোগ করসেন ??
আপনার কিসু কিসু NAT GEO সংক্রান্ত লিংকে ভিজিট করে যা দেখলাম তাতে আপনি আমাদের দেশটাকে সবার কাছে চরম হাস্যকর করে তুলছেন । এসব ভন্ডামি বাদ দিন । নিজেকে ওয়েবে পরিচিত করে তোলার আরও হাজারটা পথ আছে । আপনি যেভাবে মুর্খের মত আচরন করছেন প্রতিনিয়ত তাতে করে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ( যেমন NAT GEO ) ভবিষ্যতে অন্যদেরকেও আপনার সাথে সবাই তুলনা করবে ।
আশা করি বুঝাতে পারলাম আর আপনিও বুঝতে পারসেন ।
হাসিব বলেছেন:
কি এগিলি ?
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
মাইনাস
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন:
উৎসর্গপ্রযুক্তির ঘুনে ধরা সমাজকে ও আমার ভক্তদেরক
আপনার ভক্তদের সাথে পরিচিত হতে আগ্রহী।
দস্যু বনহুর বলেছেন:
আল্লায় আপনের মতন প্রতিবা রে বাচাইয়া রাকুক, আইজকা আর পোষ্ট দিয়েন না, মাফ চাই।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
কোন কথা নাই, শুধু মাইনাচ
কৌশিক বলেছেন:
বস, আমি আপনার একটা কাব্যসমালোচনা লিখেছি। একটু সময় থাকলে দেইখেন।
মেহদি বাঈ বলেচেন-
বন্ধুরা আমাকে ভালবাসুন আবৃত্তি করে কবিতা ও ছড়াগুলো পড়–ন। পারলে মুখস্থ করুন।
[\sb]
মুখস্ত মানে! একেবারে ঠোতস্ত।
নিচের লাইন কয়টাতো জপ করতেছি।
[\sb]
চেহারা চুদিয়ে
নিব তবে লুটে যে
রাখব চাকরি
নায়িকা চুদিয়ে
কৌশিক বলেছেন:
নামঃ মো:মেহেদী হাসান মেহেদীপ্রযত্নেঃ মো:মোস্তাফিজুর রহমান
মহল্লাঃ রামচন্দ্রপুর কেদুর মোড় (মারুফ ট্রেডার্স গ্যাসের দোকান সংলগ্ন বাড়ি)
পোষ্টঃ ঘোড়ামারা
থানাঃ বোয়ালিয়া
জেলাঃ রাজশাহী
মনোসমক্ষীন চেম্বার আমার বাড়িতে । মোবাইল:০১১৯৫২০৯৬২৯, ই-মেইলঃ .
কে কে আছেন, চলেন এই কবিকে দেখে আসি!
চেহারা চুদিয়ে নিব তবে লুটে যে রাখব চাকরি নায়িকা চুদিয়ে
মেহধী বাঈরে একটা সম্বদধর্ণা দিবার চাই। মেহধী বাঈ কবে সময় ডিবার পারবেন আওয়াজ দিয়েন।
কৌশিক বলেছেন:
অনেকদিন দেখি না। আমি তার এই কাব্যসম্ভার প্রকাশের দ্বারপ্রান্তে। ০১১৯৫২০৯৬২৯ এই নম্বরে ফোন করে সবাই একটু খোঁজখবর নিতে পারেন তো আপনারা! নতুন কি লিখলো, কবে সেটা ব্লগে আসে - এসব জানার দরকার আছে।
কানা বাবা বলেছেন:
কৌশিক, প্লীজ; আপনি কি নিচের লাইনগুলো (নাকি বে-লাইন?) নিয়ে ইট্টুস গূঢ় আলোচনা করবেন? এই প্রথাভাঙা পংক্তিগুলোয় "ভক্তদের" সামনে কী 'উন্মোচিত' হচ্ছে? মহাকবি মেহদীর মানসলোকের সৌন্দর্যের পরিচয় এবং ব্যাপ্তি?
১.নাই কি কোন মাগী
জোটেনি বন্ধবী?
সাথে নেবেন নাকি ।
২.লাগে ম্যাসেজের বাহাদুরি
তোমার গতি করে ঐ মাঝি ,
দুধে নিরবধি
যেন রিকশা আলা ,
তোমর বাচ্চালা ।
৩.বলিল রস্তার মেয়ে
দালালি তব করি,
নিতে অনুমতি
তব নিরবধি
এ রাস্তায়:
ঐ বাড়ি !
আমি তা চিনি,
তবে নিন অনুমতি
বলল যুবতী।
৪.কলজেতে মোর শক্তি হীন
এত্ত বড় হোল,
ফাঁকে দিবি তুই
শক্তিতে বেশী;
তাইতো তোর চুগোল খোরী
শুনতে যাব ভয়তে মরি।
৫.চেহারা চুদিয়ে
নিব তবে লুটে যে
রাখব চাকরি
নায়িকা চুদিয়ে
কৌশিক বলেছেন:
এত এত মনিমুক্তো লুকোনো! মহাকবি মেহদীর এই অপূর্ব নির্মাণ নিয়ে কথা বলার মত স্পর্ধা আমার লুপ্ত হয়ে যাচ্ছে!
কানা বাবা বলেছেন:
হু...
এজন্যই তো ল্যাটিন প্রবাদে বলে,
...পাইলেও উড়াইয়া দেখো অমূল্য রতন
মিলিবে ছাই... দেখিবে যেখানে সেখানে
ব্লগে ব্লগান্তরে...
(সিকোয়েন্স ঠিকাছে আশা করি...)
তবে কাব্যপ্রতিভার সঠিক সংজ্ঞা নিরুপনের পূর্বেই সংজ্ঞা হারাইলে কেমতে কী! আপাতত কদুর তেল খরিদ করিয়া 'মণিমুক্তো' সংগ্রহ অভিযানে নামিলেই আমব্লগবাসী প্রীত হইতে পারিতো...
বাকি আপনার মর্জি; তবে এটা ঠিক এই মহান "পোর্তিবাদর" কবির কাব্যকে ধারণ করা যে-সে "প্রাণীর" কর্ম্ম নয়...
@কৌশিক
কৌশিক বলেছেন:
আমি এই ক্লাবের মেম্বার হতে আগ্রহী। একটা পোস্ট দেন না অচেনা ভাই! ঠিকানা ও অমর কীর্তিসহ।
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
ভাই মেহদী ,সবগুলো কবিতা একটা পোস্টে দেয়া ঠিক হচ্ছে না , এতে করে কবিতার গুরুত্ব কমে যাচ্ছে , ভালো ভালো কবিতাগুলো কাব্যামোদীদের দৃষ্ঠি থেকে দূরে রয়ে যাচ্ছে ।
একটা একটা করে কবিতা দিন , যাতে করে প্রত্যেক কবিতার প্রত্যেকটি লাইন পাঠকের মর্মমূলে বিদ্ধ হয় ।
লেখক বলেছেন: ভালই বলেছেন।
ভুত বলেছেন:
আমাদের মহাকবি (ছাগল) মেহেদী ভাই এত বড় কবিতা লিখছে যে পইড়া কুলাইতে পাড়লাম না বইলা দুঃখিত।@কানা বাবা, আমাদের মেহেদী ভাই তো মহা মহা কবি(ছাগল) তাই উনার লেখা বুঝার জন্য মহা মহা গুরুদের (গরু) প্রয়োজন।আমাদের মত সাধারনরা উনার কথা আর গাধার একই মনে করবে।
আমি সাধারণ তাই মাইনাস!!!!!!
সমালোচনাকারী বলেছেন:
মেহেদী কবিতে তুমি খারাপ লেকো না। তয় পোরতিষ্ঠিত কবি হতে গেলে কবি পোরতিভার সাথে কমনসেন্সেরও সমন্বয় দরকার। সেটারও একটু চরচা কৈরো। শুভ কামনা।
কানা বাবা বলেছেন:
কিন্তুক এই উত্তরাধুনিক কোবতে(?!)গুলার ব্যবচ্ছেদ করাটা দেশ ও জাতির জন্য জরুর দরকার! আজ আমরা নাদানেরা না বুঝলাম; ভবিষ্যতে কোনো অসীম মেধাবী এলিয়েন হয়তো বুঝবে...
জীবনানন্দকেও তো...
(ডরাইছি, বাকিটুকুন কমুনা...)
@ভুত
লেখক বলেছেন: ভাল লাগে না!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















অতি আনন্দে
মাইনাচ
ছাঘল