এতটুকুন এক ছেলে
বড় হলাম নানা ,
তোমার হাত ধরে।
যে তুমি ছিলে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কর্মচারী-
গিয়েছিলে কাশীপুর গান ফ্যাক্টরী;
যে তুমি ছিলে প্রথম ইন্জিনিয়ার এই দেশের
যোগাতে অন্ন তোমার সন্ততির,
যে তুমি ছিলে অস্ত্রবাহক মুক্তিযোদ্ধা-
যদিও কভু বলনি
যদি যানতে আজ
কত ভুঁয়া মুক্তিযোদ্ধা!
যে তুমি শোনাতে কাহিনী-
আমার হাত ধরে,
যখনই ভেঙে পড়তে
এই সংসার যন্ত্রনায়।
যে তুমি সখা হতে
আমার হাত ধরে,
যখনই হত অসুখ
যখন বৃদ্ধ হলে তুমি!
যে তোমাকে আমি
পৌঁছে দিতাম,
তোমার বাড়ি পরে
যেথায় তোমার সুখ।
যে তুমি প্রজ্ঞাবলে
দিয়েছিলে মোরে অগাধ জ্ঞান,
সে তুমি হায় আজ
কেন চলে গেলে নানা!
আজ যে তোমায়
দিলাম চিরবিদায়;
চলে গেলে চির নিদ্রায়
হায় বলবেনা কেউ
নাতী আমার-
নিয়ে চল তবে ঘুরি
চল বাজার চল বাড়ি
দেখে যেও ঘুরি ঘুরি।
চল গল্প করি-
ঘুরে আসি পদ্মাবাঁধ
চল যায় দেশের বাড়ি
নতুন ফসল উঠল বলে,
চল নিয়ে আস
সাথে মিঠা গুড়
চল চল তবে চল,
আর কখনও বা বুঝি
বলবেনা কেউ এ অভাগাকে,
নাতীরে আমার কষ্ট যে হয়
চিকিৎসা দিতে হবে।
হায় রাখলাম তোমায় চিরতরে-
মাটির বিছানায়
দেখলাম অশ্রুস্বজল ছলে;
চির নিদ্রায় শায়িত যে তুমি
নিথর দেহ শুধু
নেই তাতে এতটুকু প্রানের স্পন্দন;
বিদায় নানা তোমায়-
চোখের পানি আবার আসে
শুধু হারানোর বেদনা।
তবু মনে পড়ে-
টনি আমি এসে গেছি
অশ্রু শুধু আমার চোখ বেয়ে;
তবু বিদায় নানা,
আবারও অশ্রু ঝরে।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মে, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



