অবকাশ কেন্দ্রের পাশে একটি লেক তাতে আছে ময়ুরপঙ্খীনাও।বন পাহাড় লেক তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার রাস্তা।
এছাড়া আছে ছোট কিছু মার্কেট।এখানে স্থানীয়রা বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করে।এতে তাদের সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়। এছাড়া পাহাড় জঙ্গলের মাঝ দিয়ে নিচের দিকে খাড়া ঢালু রাস্তা দেখতে শিহরন লাগে।এছাড়া তাদের ঘরবাড়ি দেখতে পরিষ্কার।
আমরা গত ২৩/০৩/২০০৮ তারিখে শিক্ষা সফরে ঘুরতে গিয়েছিলাম।সকাল ৫:২০ এ যাত্রা শুরু করে দুপুর নাগাদ লক্ষস্থলে গিয়ে পৌছায়।এরপর আমি আশু রুবেল সবার অলক্ষে ঘুরতে থাকি।সাথে একটি ক্যামেরা নিয়েছিলাম কিন্তু বাড়ীতে চেক করেছিলাম না।এরপর ছবি তুলতে গিয়ে দেখি নেগেটিভ জড়ছেনা।তাই মন খারাপ হয়ে গেল।এরপর দুই বন্ধু আশু ও রুবেলের সাথে আশুর মোবাইল কেমেরায় ছবি উঠালাম।অনেক অনেক ছবি।এরপর আবার আমরা দল বেঁধে ঘুরতে শুরু করলাম।ঘুরতে ঘুরতে সীমান্তের কাছে গিয়ে দেখি মানুষ পাথর তুলছে।তাদের কাছে জানতে পারি তারা এভাবেই মাটি খুঁড়ে পথর তুলে জীবিকা নির্বাহ করে।এরপর একদল ঘোড়ার গাড়িতে করে কাঠ আনছিল।তাদের কাছে শুনলাম তারা এক কিলেমিটার দূরে হাতী দেখে এসেছে।এর মাঝে অনেক ছবি বন্ধুরা তুলে নিল।আমার সহপাঠীরা আমাকে ফ্রয়েড নাম চেনে।মনোসমীক্ষন চেম্বার খোলার জন্য এই নাম।তারা বলে উঠল এই ফ্রয়েড মন খারাপ কেন।আসলে কেমেরার জন্য।তবে সবার সাথেই প্রচুর ছবি উঠল আমার।হঠাৎ দেখি গারোদের একটি ছোট্ট ছেলে কুকুরের সাথে হামাগুড়ী দিয়ে খেলছে।দেখতে দারুন লাগল।এর মাঝে কয়েকজন সীমান্তে চলে গিয়েছিল।কর্তব্যরত বি. ডি. আর. আমাদের কয়েকজন যারা গিয়েছিল তাদের কর্তব্য বশত বকাঝকা করল।মোটামুটি কথা কাটাকাটি।এরই মাঝে আমরা আর এক পয়েন্টে গিয়ে অনুমতি নিয়ে পাহাড়ে ঘুরে এলাম। এরপর ডাইনোসরের সাথে ও স্মৃতি স্তম্ভের সাথে ছবি উঠালাম তারপর গিয়ে উঠলাম ওয়াচ টাওয়ারে।ওয়াও! অদ্ভূত লাগল ।ঠান্ডা বাতাসে মন জুড়িয়ে গেল।নীচে সবুজ আর লাল।সারি সারি ক্ষেত।দূরের বড় গারো পাহাড়ের দিকে তাকাতে নব অভিযানে যেতে মনটা ছটফট করে উঠল।সেটা অবশ্য ইন্ডিয়ার ভেতর।এছাড়া পাহাড়ী নদী কী দারুন! তারপর শাহুরিয়া মেডাম বিশেষ ভাবে আমাকে ও কয়েকজনকে নিয়ে তার কেমেরাম্যান দিয়ে ছবি উঠান।এরপর খাবার পালা।খাওয়া শেষ করে মার্কেট থেকে কাঠের তরবারী,কাঠের ডাব্বু চামচ,কিনে নিলাম।অন্যেরা লাঠি ,মূর্তি প্রভৃতি কিনল।এরপর ফেরার পালা বাসের হর্ণ বেজে গেল।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুন, ২০০৮ রাত ৯:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



