মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
যে আমি ছিলাম-
এতটুকুন এক ছেলে
বড় হলাম নানা ,
তোমার হাত ধরে।
যে তুমি ছিলে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কর্মচারী-
গিয়েছিলে কাশীপুর গান ফ্যাক্টরী;
যে তুমি ছিলে প্রথম ইন্জিনিয়ার এই দেশের
যোগাতে অন্ন তোমার সন্ততির,
যে তুমি ছিলে অস্ত্রবাহক মুক্তিযোদ্ধা-
যদিও কভু বলনি
যদি যানতে আজ
কত ভুঁয়া মুক্তিযোদ্ধা!
যে তুমি শোনাতে কাহিনী-
আমার হাত ধরে,
যখনই ভেঙে পড়তে
এই সংসার যন্ত্রনায়।
যে তুমি সখা হতে
আমার হাত ধরে,
যখনই হত অসুখ
যখন বৃদ্ধ হলে তুমি!
যে তোমাকে আমি
পৌঁছে দিতাম,
তোমার বাড়ি পরে
যেথায় তোমার সুখ।
যে তুমি প্রজ্ঞাবলে
দিয়েছিলে মোরে অগাধ জ্ঞান,
সে তুমি হায় আজ
কেন চলে গেলে নানা!
আজ যে তোমায়
দিলাম চিরবিদায়;
চলে গেলে চির নিদ্রায়
হায় বলবেনা কেউ
নাতী আমার-
নিয়ে চল তবে ঘুরি
চল বাজার চল বাড়ি
দেখে যেও ঘুরি ঘুরি।
চল গল্প করি-
ঘুরে আসি পদ্মাবাঁধ
চল যায় দেশের বাড়ি
নতুন ফসল উঠল বলে,
চল নিয়ে আস
সাথে মিঠা গুড়
চল চল তবে চল,
আর কখনও বা বুঝি
বলবেনা কেউ এ অভাগাকে,
নাতীরে আমার কষ্ট যে হয়
চিকিৎসা দিতে হবে।
হায় রাখলাম তোমায় চিরতরে-
মাটির বিছানায়
দেখলাম অশ্রুস্বজল ছলে;
চির নিদ্রায় শায়িত যে তুমি
নিথর দেহ শুধু
নেই তাতে এতটুকু প্রানের স্পন্দন;
বিদায় নানা তোমায়-
চোখের পানি আবার আসে
শুধু হারানোর বেদনা।
তবু মনে পড়ে-
টনি আমি এসে গেছি
অশ্রু শুধু আমার চোখ বেয়ে;
তবু বিদায় নানা,
আবারও অশ্রু ঝরে।
গ্রীষ্মের বৃষ্টি
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
গরমের হাওয়া
ওহ কী আগুন!
ফুসকি দিল যেন,
গ্রীষ্মের আগুন।
গ্রীষ্মের দুপুর একটু ছায়া
শিশু গছগুলো শান্তির মায়া,
মৃদু মন্দ ঠান্ডা বাতাস
জুড়িয়ে গেল অতি তরতাজা।
ধোঁয়াটে নীলাকাশ
এতটুকু মেঘ,
যেন বুলি দিল বৃষ্টির রেশ।
যেন হাহাকার সবগাছমিলে
আসবে বৃষ্টি এই এই বলে।
তারপর ঝাপটা উড়ে ধূলাবালি
কালো মেঘগুলো শান্তি বিছালি,
দুই এক বিন্দু পড়ল গায়ে
ওহ কী শান্তি! বৃষ্টি এলে।
বৃষ্টি বৃষ্টি শান্তির রেশ,
নিয়ে এল শান্তি সবুজের বেশ।
ভক্ত ও মনকথন
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
বন্ধু আসেন তবে
সবাই মিলে,
হবে ব্রাউজিং!
বলল বাসায় ধুত্তরি
এসব তো কতই শুনি,
তোর মিছা ভুল।
অন্তরে যে প্রবল ঝড়
যাবই তবে ঢাকায়,
পাব অনেকগুলো
পাব অনেক শাখায়।
উঠবে তবে টাকা
মিলল বলে আশা
হবে বুঝি ছাপা।
ধুত্তরি স্বপ্ন যেন
আবার ধুয়ে গেল!
কিভাবে যে যাব
আমায় নিয়ে চল
ভক্তরা সব এস।
ভয় নেই
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ওরে ভয় নেই
আর ভয় নেই
আমি আছি
আছি আবারও
তোমাদের হৃদয়ের মাঝে
প্রতি ক্ষনে ক্ষনে
ধ্বনিত যে আমি
কভূ দূরে দগলে
গতি যেন বাড়ে
যেন কভু গড়ে
যদি নাহি পারি
তবে তোরা এসে
নিয়েযাস মোরে
আমি তোমাদের
হৃদয়ের কেউ
নিয়ে যাস মোরে
যদি নাহি পারি
আমি একা যেতে
চঁদে যাব
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ঐ দেখ ঐ চাঁদ
-কত দূরে চাঁদ
দেখ কত ভাল
-আমি তবে যাব
চাঁদে যাব আমি
-বড় হলে যেও
একা চলে যাব
-সথে চাঁদ নিও
ফাল্গুন গুঙ্জ্ন
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ফাল্গুনি গুঙ্জ্ন-
গুন্ গুন্ গুন্
ভোমরার গুঙ্জ্ন-
ভিন্ ভিন্ ভিন্
পাতার শব্দ-
মর্ মর্ মর্
ঝরে গেল পাতা-
সড়্ সড়্ সড়্
বহে বাতাস এই ফাল্গুন
গেল যে চলে বৃথা আগুন,
তবে নব যৌবন
আসুক বারবার।
স্বধীনতার প্রাণ
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
স্বধীনতা দিবস স্বধীনের গান
গেয়ে গেয়ে সব মান অভিমান,
দিয়ে গেল যারা অকাতরে প্রান
তাদের তরে মোর জয়গান।
বিজয়ের মান লক্ষ কোটী
মানুষ যেন বিজয় বাঁশি,
সব মানুষের অন্তরে তাই
নব আনন্দের বিজয় বাঁশি।
যুগে যুগে যাদের বিজয়াভিযান
থামেনা কভু অকাতর প্রান,
গাহে শুধু তারা মুক্তির গান
শোষণ পীড়নে নব অভিযান।
দিয়ে গেল তারা অকাতরে মান
অন্য জাতির বিজয়ের প্রান,
অন্য জাতির মুক্তির গান
নব নব জাতির পুনরুত্থান।
বর্বর অদম্য সেই সে দল
থামেনা কভু মুক্তির গান,
গাথে বন্ধুক অস্ত্র তান
যুগে যুগে দিল স্বাধীনতার প্রান
মুক্তির গান
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
গাহি মুক্তির গান
নিল যে তুলে,
যুগে যুগে তারা
মুক্তির তরে হৃদয়াভিমান;
এল যে মুক্তি
চেতনা রুপে,
পেষনা হতাশা
যেখানে চলে;
এল যে সকল
মুক্তির গান,
দিল যুগে যুগে
নব অভিযান।
ভক্তের সম্মাননা
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ভক্ত তবে দিয়েছি এই নাম
তুমি হিতকর নিওনা মনে;
নিওনা নিওনা অকৃপন,
তুমি অকৃপন মন।
মনটা আমার বড়ই উদাস
কবিতা আসেন
শুধুই মৌনতা
তবু কষ্টচ্ছ্বলে তোমার ইচ্ছাবলে।
দিলাম তোমায় সম্মাননা
লিখলাম কবিতা,
যেন তোমার সম্মান
তোমার মনের আশা।
গুরু ছড়ান কবিতা-
বলবে বা কে আমায়?
তাইতো নিয়ে এলাম ,
আমার কবিতা !
গুরুর চরনধূলি-
লিখবে বা কে আমায়?
ধন্য ভক্ত তুমি ,
তোমার সম্মাননায়!
এইমাত্র এসেছেন গুরু-
তোমায় সম্মান
ভক্ত তোমার অন্তরে ,
জ্বালাই আলোর গান।
নব উচ্ছ্বাস
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
নব উদ্যম উচ্ছ্বাসে
দিলাম কিছু সুখ হাসে,
তোমাদের ঐ চোখ হাসে
দিলাম নব উচ্ছ্বাসে।
ঠোঁ হাসে সব ঠোঁট হাসে
যেন সুখের উচ্ছ্বাসে,
যেন আলোর চাঁদ হাসে
নব সৃষ্টির উচ্ছ্বাসে।
শত ভক্তের উচ্ছ্বাসে
নব নিত্যের উল্লাসে,
হৃদয়ের টান উন্মনে
যেন নির্জন উচ্ছ্বাসে।
শত গর্জন উচ্ছ্বাসে
যেন সবার উল্লাসে,
হৃদয়ে আজ সুখ হাসে
দিলাম আলোর উচ্ছ্বাসে।
এলো বৈশাখ
মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী
বৈশাখী হাওয়ায় চুল এলোমেলো
অবস্থা সঙীন গরম এলো,
বাজে ঋতুর বাতাস-
গরমে গরমে সব জীবন গেল।
বৈশাখ মাস প্রাণ এলোমেলো,
আম কাঁঠালের ঐ সিজিন এলো,
বছরের সেরা আম কী তবে হল?
চল তবে চল বাজারে চল।
বৈশাখী ঝড় ধূলি এলোমেলো,
ঝড় বাতাসে যেন বৃষ্টি দিল।
অমৃত সুধা যেন নেমে এল,
বৃষ্টি বৃষ্টি প্রণ ফিরে পেল।
পহেলা বৈশাখ এলো ঝড় এলো,
নতূন বছরের সূচনা তো হল;
ঠোঁট মুখ সব লালে লাল হল!
প্রশান্তি জানিয়ে বছর এলো।
স্টেজগুলো সব জীবন পেলো,
সাজে সাজে রব বৈশাখ এলো।
বৈশাখী মেয়েরা যেন এক রং!
গেয়ে যাবে ওরা সব বছরের গান।
শুভ বৈশাখ
মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী
শুভ বৈশাখ
ভাল হল মন
এল তবে বৈশাখ
শুভ দিনক্ষন
গরমের বাতাস
খুব যে গরম
মেয়েদের সাজ
আরও যে গরম
লাল লাল ঠোঁট
রিকশায় ঘুরা
বের হল র্যালী
রাস্তায় ছোটা
বসিয়ে কোথাও
গানের আসর
এসো বৈশাখ
নিল মুখে কেউ
প্রজাপতি গুলো
যেন সবে বসে
নিল যে বরণ
শুভ বৈশাখে
শুভ বৈশাখ
নতুন বছর
বৈশাখী ঝড়ে
রঙিন অধর
বৈশাখী মেলা
মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী
বৈশাখী মেলা
চল মোরা যায়
মেলায় মানুষ
কানায় কানায়
তালের গুড়
সাথে থাকে মিঠা
সাধের পান্তা
কিনে সবজান্তা
বৈশাখী মেলা
মেয়েদের ভিঁড়
প্রজাপতি গুলো
শান্তির নীড়
মেলা নিয়ে এল
দেশীয় খেলনা
যেন মহেনজোদারো
সিন্ধু হরপ্পা
নিয়ে তবে খেল
মাটির পুতুল
সাথে নিয়ে নিও
তালের গুড়
এস বারবার
তবে এই মেলা
প্রণে প্রাণরস
বৈশাখী মেল
বৈশাখী পর্বন
মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী
বৈশাখী পর্বন তেব হল হল হল শুরু-
লাল নীল হলুদ বিচিত্র ভুরু,
এক রং এ রং
সব গ্রুপ মিশে;
এসো বৈশাখ হল তবে শুরু।
বৈশাখ মাস বৈশাখী ঝড়ে-
ধপা ধপ ধপ আমগুলো পড়ে,
আমে আমে মিশে
চুসে চুসে সব,
মধুর সিজিন;
বৈশাখ মাস শুরু হল ঝড়ে।
দিলাম তোমায় ভালবাসা
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ভালবাসা দিলাম তোমায়
একটু এসে দাও ছোঁয়া দাও,
ভালবেসে যাওনা তুমি ;
একটু হেসে ছোঁয়া দাও।
ভালবাসা অন্তরে এক,
নতুন আলোর দিলাম ছোঁয়া
ভালবাসায় ভাসলাম আমি।
ভালবেসে যাওনা তুমি;
ভালবেসে দাও ছোঁয়া দাও
ভালবেসে দাও হাসি দাও
কাছে এসে হাত ধরে যাও
ঠোঁটে ঠোঁটে দাও চুমু দাও
ভালবেসে তুমি এসে যাও,
একবার দেখা দিয়ে যাও।
ভালবাসা দিলাম তোমায়
একটু এসে নাও জড়িয়ে নাও
ভালবাসায় বাসা দিয়ে যাও
এই স্রোতে তুমি এসে যাও
বুকের মাঝেই এসে যাও,
ভালবেসে যাওনা তুমি।
বৈশাখী সভা
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
বৈশাখী সভা লোক সমাগম
শুরু হল বলে সাজে রম রম,
নদী কাঁখে বসে সুর হবে আজ
বাঁধানো শান ছবি রং ঢং।
শুরু হল গান বাজে সুনিয়ম
উঠে গেল ঝড় ধূলি রম রম,
উড়ে গেল ঝড়ে লোক সমাগম
বলে লোকে ত্রহি জীবন বাঁচান।
ছুটোছুটি শেষে ফাঁকা সমাগম
বৈশাখী সভা এখানেই প্রাণ,
আঁধার ধূলি চোখ যায় বুজে
সামিয়ানা নিয়ে কর্মী সেখানে;
আমি এসে সবে খঁজে দেখেছি
অনুষ্ঠানের কী পেয়েছি?
ধূলি ঝড়ে শুধূ চোখ বুজেছি,
বালি পানি খেয়ে বাড়ি ফিরেছি।
নুপুরের সাজ
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
ঝুং ঝুং ঝুং
নুপুরের ঝুম
নাচে কবিতায়
পায়ে দিয়ে ঝুম
নাচে সুনিয়ম
রুম ঝুম ঝুম
সুন্দর সাজ
চাঁদে রুমঝুম
নাচের ছন্দ
ফুলের নাচ
উজ্জ্বল ছাঁচ
দেহ তনুমন
ভালবেসে নাচ
আমায় নাচ
নাচে সুনিয়ম
পূর্ণিমা চাঁদ
হীমু আর আমি
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
এই দিনে বিয়ে
নিশুথী এ রাতে
মৃগাঙ্ক হাসে।
আমি আর হীমু
চলে যায় ধীরে,
দূরে বহুদূরে।
কখনও বা দেখি
বড় তালা ঝুলে;
তার বাড়ি পরে।
যে ছিল প্রিয়সিনী
এসেছিল যেন-
স্বর্গের পরী!
চলে গেল কোথা
সে তবে চলে
ধীরে বন্ধু ধীরে
চল আরও দূরে।
একাকীর সাথী;
হলনা সেতো।
পাখি তবে চলে,
একা চলে গেল।
যেন বলে গেল
চলি তবে চলি;
জোরে আরও জোওে,
চলে যাও দূরে
হীমু চাঁদ হাসে।
দূরে বহু দূরে
যেন পাপী হাসে,
মোর বুক কাঁপে
জোরে আরও জোরে।
হীমু বুক ফেটে
জল নেমে আসে,
সে গেল চলে
দূরে বহুদূরে।
এলোমেলো বায়ু
চুল তো উড়ে,
যেন তার ছোঁয়া
বারবার আসে।
কবিগুরু
মোঃমেহেদী হাসান মেহেদী
তোমার চরণ ধূলি-
ঠিক যেন স্কুল পালানো ছেলের মতন,
এসেছিল এ বাংলায়;
বাংলায় দিয়ে গেলে তুমি
এত কবিতা গান।
যে তুমি এসেছিলে -
যুগের দ্বার ধরে
নিয়ে শত শত গান!
নিয়ে শত গল্প উপন্যাস।
এসেছিলে এসেছিলে;
আমাদের হৃদয় মাঝে,
বিজয়ী বীরের মতন!
সমৃদ্ধ তব এ বাংলা ভাষা
তোমার অকাতর প্রাণ।
উজ্জ্বলা কবি তোমার তরী-
দিয়ে গেল শুধু ধান;
চষে চষে তারা
যেন উজ্জ্বল মান।
এসেছিল কবিগুরু বাংলার মান,
তার তরে এ সম্মান।
মমতার সঞ্চালন
মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী
মাতৃত্ব দিবস মমতার গান
শত মমতার শত সঞ্চালন
শতদিন মনে পড়ে তোমায়
যেন শত বছরের আলিঙ্গন
আলোকিত এই পৃথিবীতে তবে
জন্মেনি কভু এমন প্রাণ
দিয়ে গেল শত জননী তবু
নতুন নতুন জীবন গান
কতদিন যে দেখিনি তোমায়
আসবে কী কভু ফিরে এ প্রাণ
যতদিন হবে মোর জয়গান
তোমার স্মরনে বিজয়মান
ঝিকমিক ঢেউ
মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী
ঝিকমিক ঝিকমিক
তরঙ্গ মেলা
ছোট ছোট ঢেউ
আলোর খেলা
ঝিরিঝিরি হাওয়া
গরমের রাত
বেহেশতি বাতাস
শান্তির মেওয়া
নিয়ে এল প্রশান্তি
ঝিরিঝিরি হাওয়া
ফুরফুরে বাতাস
অতি তরতাজা।
ভূতে মারে ঢিল
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ভূতে মারে ঢিল
দেব পিঠের উপর কিল
ছিল মস্ত বড় চিল
আমায় ভূতে মারে ঢিল।
আমি মারি ঢিল
বলি ভূতে মারে ঢিল,
ছুড়ি নীচে আমি ঢিল
ঊলে ভূতে মারে ঢিল।
ছিল মস্ত বড় পিল
কারন ভূতে মারে ঢিল,
বলে ইয়া বিল বিল
তাদের ভূতে মারে ঢিল।
ভূত মন্ত্র
মোঃমেহেদীহাসান মেহেদী
ভূতেরা সব আড্ডা মারে
সাথে মামদো জামদো আছে,
আছে বুঝি তেপান্তরের-
মস্ত বড় বিল।
বেলের মাঝে ভূতের আসর
ভূতেরা সব নৃত্য করে,
ঝপং তপং মন্ত্র পড়ে
ভূতেরা সব মৃত্য করে।
দূরের ঐ গেছো ভূতে
সাথে মামদো জামদো আছে,
ভূতের মাঝে মন্ত্র আছে
ইবিং ওবাং মন্ত্র পড়ে।
ছুমন্তর যেমনি মারে
অমনি সকল উধাও হয়ে,
গেল মানুষ অচিন দেশে
কচ্কচিয়ে হাড্ডি ভাঙে।
আইনের নবযু
( মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী)
এল নবযুগ পুলিশি আমেজ
এল বাংলাদেশে আইনের রুপ,
দূর হবে বিশ্বাস যত দূর্নীতি
নিবে সবে কেস ঘুচবে এ রীতি।
কোন হুমকির নেই স্থান
অপরাধীদের নেই সম্মান;
যত দিন যাবে তত উন্নতি
ঘুচবে ঘুঁষ হবে উন্নতি।
সব ডর ভুলে বল নির্ভয়ে
ওরা অপরাধ ঘুচবে ঘুচাবে;
হবেনা আর কেউ অবাধ বঞ্চিতা
হবে নিষ্পত্তি সব সবে পাপা।
নয় ফেরেশতা শিক্ষক নিচয়
আছে কিছু ছাত্র সন্ত্রাসী ছাত্র,
আছে তবে সব ইউনিভার্সিটি
ফাঁসির আসামী অতি শিক্ষিত।
হবেই নিধন ওদের যুগের
দূর হবে সব পাপ অপরাধের,
হবে শাস্তি সকল সবার
এইটুকু বুলেট দিবে নিষ্পত্তি।
সাবাস পুলিশ এই নার্ভ নিয়ে
এগিয়ে যেও পিছিওনা যেন!
তবে পাবে সম্মান অনেক মতন
হবে সাহসীক নব অপরাধ অভিযান।
আমার এই বইটি নানার প্রিত উৎসর্গ করলাম।
আশাকরি সকল বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা বন্ধুর মত নাতী নাতনী পাবে।
পাশাপাশি আমার মা 'র
প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলাম।
বন্ধুরা আমাকে ভালবাসুন আবৃত্তি করে কবিতা ও ছড়াগুলো পড়ুন।পারলে মুখস্থ করুন। আমার বিশ্বাস আপনাদের ভাল লাগবে।দয়া করে বিনা অনুমতিতে কেউ ছাপাবেন না।আরও বই এর জন্য যোগাযোগ করুন-
নাম::মো:মেহেদী হাসান মেহেদী
প্রযত্নে:মো:মোস্তাফিজুর রহমান
মহল্লা:রামচন্দ্রপুর কেদুর মোড় (মারুফ ট্রেডার্স গ্যাসের দোকান সংলগ্ন বাড়ি)
পোষ্ট:ঘোড়ামারা
থানা:বোয়ালিয়া
জেলা:রাজশাহী
ফোনঃ০১১৯৫২০৯৬২৯,০৭২১৮১১৪২১,ই-মেইলঃ [email protected].
(নামের জায়গায় মোবাইল নম্বর লিখে কেউ কুরিয়ার ,পার্সেল চুরি করে।কেউ বা একই চেহারায় মোবাইল নম্বর প্রদর্শন করে প্রতারনা করে। এগুলি বর্তমানের প্রতারনার ধরন।কেউ বা বন্ধু সেজে , কেউবা অভিভাবক সেজে রাস্তায় চুরি করে।
এবাবেই প্রতারনা চলে।তাই সাবধান। আমার কাজ এজন্যই আগায়নি। )
দয়া করে যদি ছাপিয়ে দেন তো বড় উপকার হয়।বিয়েতে কাজে লাগে।
দয়া করে মনে করবেন এখানে আমরা নিজের পকেট থেকে লেখালেখির জন্য ব্রাউজিং করি।
কিছু কথা
আমি স্কুল জীবনে কবিতা লিখতে চেষ্টা করতাম।তবে অন্য কাজের প্রতিও ঝোঁক ছিল।এছাড়া আমার মনের ছোটবেলার ঘটনাগুলো ও শিশুদের কথা অনুভূতি গুলো তুলে ধরলাম।এছাড়া ঘুরতে আমার ভাল লাগে।আমি কখনও ঘুরি পদ্মা নদীতে কখনও ঘুরি লোকালয়ে।কখনও রাস্তার পাশে দোকানের পাশের শিশুর খেলা দেখি।সে অনুভূতির কথা গুলোই কবিতা আকারে সাজিয়েছি।এছাড়া কবি সুভাষ স্যার আমাকে অনুপ্রাণিত করেন।তিনি আমার চারটা কবিতা দেখেদিয়েছিলেন।তার কাছ থেকে আমি অনেক ধারনা নিয়েছি।তার কাছে কবিতা শুনার মত আনন্দ আমি পাইনি। এছাড়াও আমি ন্যাশনাল জিওগ্রাফীক একজন শিক্ষানবীশ ও প্রধান অনুসন্ধানকারী।ধন্যবাদ তাদেরকেউ যারা ইন্টারনেটে রেটিং করে তারা যে কত ভালবাসে তা জানিয়েছে নিজের টাকায়।হোকনা তা যে ধরনের রেটিং তবে কমেন্ট ছিল বেশী।আজ এ পর্যন্তই- বিনীত-
মোঃ মেহেদী হাসান মেহেদী
০১১৯৫২০৯৬২৯,
০৭২১৮১১৪২১
বইটি ছড়াকার কতৃক সর্বসত্ব সংরক্ষিত।বিনা অনুমতিতে চুক্তি ছাড়া প্রকাশ করা ও নাম পরিবর্তন করা আইনত দন্ডনীয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মে, ২০০৮ সকাল ১০:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



