ঢাকা, নভেম্বর ৩০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-- ২০১৫ সালের মধ্যে দেশের জনগোষ্ঠীর ৩০ ভাগকে ইন্টারনেট এবং প্রতিটি গ্রামকে কমিউনিটিভিত্তিক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের আওতায় আনা হবে।
রোববার প্রধান উপদেষ্টা ফখরুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের নিয়মিত বৈঠকে অনুমোদিত 'জাতীয় ব্রডব্যান্ড নীতিমালা-২০০৮'এ এ কথা বলা হয়েছে।
বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব সৈয়দ ফাহিম মুনয়েম বলেন, "সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন এ নীতিমালা তৈরি করেছে। এতে দেশে ইন্টারনেট প্রসারের দিকনির্দেশনা দেওয়া আছে।"
ফাহিম মুনয়েম জানান, এতে বলা হয়েছে ২০১৫ সালের মধ্যে সারাদেশের জনগোষ্ঠীর ৩০ ভাগকে ইন্টারনেটের আওতায় আনা হবে। ২০১০ সালের মধ্যে সব বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সরকারি সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্রডব্যান্ড সংযোগ থাকবে।
২০১২ সালের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে ই-গর্ভানেন্স সুবিধা দেওয়া হবে। ২০১৫ সালের মধ্যে সব গ্রামকে কমিউনিটিভিত্তিক ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের আওতায় আনা হবে। ২০১০ সালে বিভাগীয় পর্যায়ে কমপক্ষে একটি করে ন্যাশনাল ইন্টারনেট এক্সচেঞ্জ স্থাপন করা হবে।
বৈঠকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় 'নর্থ ইস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড' গঠনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে বলে তিনি জানান। এ কোম্পানি বৃহত্তর ময়মনসিংহ ও সিলেট এলাকায় বিদ্যুৎ বিতরণের কাজ করবে।
ফাহিম মুনয়েম জানান, বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস নিরোধ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক প্রস্তাব অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। এ প্রস্তাবে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ নিরোধে উভয় দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্যসহ প্রয়োজনীয় তথ্য বিনিময়, আলোচনা, নীতি নির্ধারক পর্যায়ে সফর বিনিময়, কারিগরি সহায়তাসহ বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ সহযোগিতা প্রদান ইত্যাদি বিষয় রয়েছে।
এছাড়া উপদেষ্টা পরিষদ অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০০৮,
সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ-২০০৮, স্থানীয় সরকার ( ইউনিয়ন পরিষদ) অধ্যাদেশ ২০০৮ এবং সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ ২০০৮ ও অনুমোদন দিয়েছে।
বিডিনিউজ: Sun, Nov 30th, 2008 11:15 pm BdST

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

