somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... স্কুলে নাস্তিক্যবাদ শিক্ষা-দানের পক্ষে ব্রিটেইনের শীর্ষ দু'জন শিক্ষাবিদ
স্কুলের শিশুদেরকে নাস্তিক্যবাদ বিষয়ে শিক্ষা-দানের পক্ষে মত ব্যক্ত করেছেন ব্রিটেইনের দুজন শীর্ষ-স্থানীয় শিক্ষাবিদ। শুক্রবার দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকাতে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধের মধ্য দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এ-দাবীটি উত্থাপন করেছেন লন্ডনের ইন্সটিটিউট অফ এডুকেশনের শিক্ষক মাইকেল রীস ও জন ওয়াইট। উল্লেখ্য, এদের মধ্যে মাইকেল রীস নাস্তিক ও ব্রিটিশ হিউম্যানিস্ট এসৌশিয়েসনের সদস্য এবং জন ওয়াইট আবার চার্চ অফ ইংল্যান্ডের একজন যাজক।

এ্যাইথিজম নীডস টু বি স্টাডিড ইন স্কুল শীর্ষক প্রতিবেদনে ব্রিটেইনের জাতীয় পাঠ্যসূচির লক্ষ্য-সমূহের... ...বাকিটুকু পড়তে...


সৌজন্যে: ইউকেবেঙলী]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28980512 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28980512 2009-07-19 17:33:55
ওআরএসএম.কম এ আজকে মগবাজারের ভিডিওটা এসেছে... " style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28970631 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28970631 2009-06-28 07:52:35
আগেই বিদায় নিয়া রাখলাম.. <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />
সবাই ভালো থাইকেন..
২০শে জুন আপডেট... এখন নজরে আছি.. <img src=" style="border:0;" />

(এই ধর্মীয় ব্লগে ইদানীং বিরক্তি লাগে.. )]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28960685 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28960685 2009-06-05 21:11:22
আজকে দেখি এন্টি-ইন্ডিয়া প্রপাগান্ডা ভালোই জমছে
চৌদিকে বেড়া দিয়া রাখা একটা রাষ্ট্রের লগে বিবাদ করনটা আমাদের নিজের আইডিয়া না... এইটা পুরাপুরা পাকিস্তানী ইমপ্ল্যান্ট...

এইটা আমাদের জনগোষ্ঠীর বেকুব অংশ যেইদিন বুঝবে সেইদিন নিজের মন খুইলা বলতে শিখবে... পাকিদের তোতা-ময়নার মতো শেখানো বুলি আওড়াবে না।

হা হতোষ্মি...<img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28960656 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28960656 2009-06-05 20:04:39
এইবার ব্যানাইছিলো করতিপকষের বিরূদ্ধে বিষোদগারে... http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28959426 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28959426 2009-06-03 01:27:43 আহ্‌, ছাড়া পাইলাম... জাকির নায়িক ছাগলডারে গাইল দিসলাম
ধুর!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28947258 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28947258 2009-05-06 22:54:03
সৃষ্টি ( কর্তা / কর্ত্রী) নাকি বিশ্ব-ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করেচেন! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> এইখানে প্রথম আর্গুমেন্টটা মজা লাগিলো তাই ওনুবাদ করি দিলুম।

তিনি বলেন তিনিই তৈরি করেছেন এই বিপুল ব্রহ্মান্ড।

অথচ ব্রহ্মান্ড কেউ তৈরি করতে পারে না!

কারন...

ব্রহ্মান্ড যদি হয় 'চরাচরের সব কিছু' এবং একে 'তৈরি' করা যায়, তবে স্রষ্টাকে এর বাইরে থেকেই নিশ্চয়ই 'তৈরির কাজটা' করতে হবে!

তো ব্রহ্মান্ড, যা কি না সবকিছু ধারন করে তার বাইরে যাই থাকুক তা নিশ্চয়ই এর অন্তর্ভূক্ত নয়। মানে হলো যা এর অন্তর্ভূক্ত নয়, তার কোন অস্তিত্ব থাকতে পারে না। (কারন বিশ্ব ব্রহ্মান্ড সবকিছু ধারন করে। )

এখন বলেন যদি 'ইউনিভার্স' কেউ তৈরি করতে হয়, আর যেহেতু এটার বাইরে কোন কিছুরই অস্তিত্ব নেই, তবে স্রষ্টার অস্তিত্ব এলো কোত্থেকে?

হম?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28933285 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28933285 2009-04-03 23:15:15
এইরকম ভিগোর নিয়া কেউ আর গায় না কেন! ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28928198 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28928198 2009-03-23 04:26:32 ধার্মিকতার মুখোশধারী আস্তিক ও আমাদের ধর্মাশ্রয়ী সমাজ।
কেউ বা সৌদি পন্থী, কেউ বা পাকিস্তান। আবার ইড়ানের দালালও আছেন কেউ কেউ। একসময় মার্কিন দালালরা আজ আবার পাকিস্তানের পা চাটা কুত্তাদের সাথে গলা মিলিয়ে ঘেউ ঘেউ করছেন।

ইসলামের নাম ভাঙ্গিয়ে, জুব্বা-শিরওয়ানী পার্টির আজ অভাব নেই।

মাজার পার্টিতো আরও এককাঠি উপরে। মরা মানুষের কিছু করার ক্ষমতা থাকলে হাসিনা-খালেদার আগেই তো শা'জালাল কিংবা দেওয়ানবাগী পীর, অথবা আটরশির হারামীর দলই হতে পারতো দেশের দন্ড-মুন্ডের কর্তা।

এ কোন আজব দেশে আমরা বাস করি?

আমাদের বিবেক কি মরে গেছে?

কেউ কেউ আওয়ামীলিগের সব কিছুতেই ভারত-প্রীতি খুজে পাচ্ছেন, আবার কেউ বা বিএনপি/জামাত কেই হাজির নাজির মানছেন। আপনারাকি ভেবে দেখেছেন এই দালালী আপনার পরবর্তি প্রজন্মকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে?

বাংলাদেশে একজন হিন্দু মেয়ে ধর্ষিত হলে, সে মোসলমান নয়, তাই আমাদের মুখে কুলুপ এটে বসে থাকি।

আমি বলছিনা হিন্দু মেয়েটিকে ধর্ষন করা যায়েজ।

আমাদের জামাত/হিজবুত (ভন্ডের দল) চক্র মক্তবে বসে পরিপূর্ন জীবনবিধানের কথা বলেন। এই পৃথিবীর সৃষ্টি যখন হয়েছিল তখন কি এই হিজবুত ছিলো? না থাকলে তাদের কি অধিকার আছে পুরনো বইকেই 'পরিপূর্ন' দাবি করার?

ইরাক আজ সম্পূর্নরূপে ধ্বংসপ্রায়। আফিম আর হেরোইনের চাষ করে আফগানিস্তানের অবস্থাও শোচনীয়। স্লামিক রিপাবলিক পাকিস্তান তো নিজের পায়ে নিজেই কুড়োল মেরেই বসে আছে। ইরানী শিয়ারা ইসলামী ভন্ডামীর চুড়ান্ত নজির। বাংলাদেশ নামক দেশটি আজ মোল্লা, হিজবুত ও ইরানী-পাকিস্তানী দালালে পরিপূর্ন।

আসছে সেই দিন, যে দিন মানুষের ধর্মবিশ্বাস ভেঙ্গে যাবে। ইসলামী অর্থনীতির নামে একই ব্যাবসার স্বরূপ শীঘ্রই আমরা জানতে পারবো। আইসিইউতে আর কত অক্সিজেন আছে তার উপরই নির্ভর করছে তার সমাধি কত দ্রুত নির্মান করা যায়।

ইহা সম্পূর্নরূপে এই বলদের হাম্বা হাম্বাকে <img src=" style="border:0;" /> ব্যাঙ্গ করে রচিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28928052 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28928052 2009-03-22 21:13:08
ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী বাস-প্রচারাভিযানের প্রস্তুতি চলছে জার্মানীতে
ব্রিটেইনস্পেইনের পরে এখন ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী বাস-প্রচারাভিযান শুরুর প্রস্তুতি চলছে জার্মানীতে। প্রস্তুতি অব্যাহত থাকলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ বার্লিন, মিউনিখ বা কলৌনের রাস্তায় ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী স্লৌগান সম্বলিত বাস চলতে দেখা যেতে পারে বলে জানা গেছে। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, তারা এখন প্রয়োজনীয় তহবিল উত্তোলনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জানা যাচ্ছে, জার্মানীর উদ্যোক্তারা বর্তমানে কমপক্ষে সাতটি বাসের গায়ে ঈশ্বরের অস্তিত্ব-বিরোধী বক্তব্য-যুক্ত বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় খরচ উত্তোলনের চেষ্টা করছেন। তহবিল গঠনের লক্ষ্যে তৈরী করা ওয়েবসাইটটিতে বেশ কতগুলো স্লৌগান দেয়া আছে। ওয়েবসাইটটি পরিদর্শনকারীরা এক বা একের অধিক ইউরো অনুদান দেয়ার মাধ্যমে তাদের পছন্দের স্লৌগানটির কথা উদ্যোক্তাদের জানিয়ে রাখতে পারবেন। অন্যতম উদ্যোক্তা ফিলিপ মোলার বৃহস্পতিবার দার স্পাইগেল পত্রিকাকে জানিয়েছেন, তহবিল যোগানের আবেদন জানানোর চার দিনের মধ্যেই সাড়ে তিন হাজার ইউরৌ সংগ্রহ করা হয়েছে। মোলার জানিয়েছেন, বাসের গায়ে বিজ্ঞাপন লাগানোর জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ১৬ হাজার ইউরৌ।

ছয় উদ্যোক্তার অন্যতম মোলার জানান, তারা কোনো ধরণের মিশনারীর ভূমিকাতে অবতীর্ণ হননি। তিনি বলেন, 'আমরা শুধু মানুষ-জনকে অবহিত করতে চাই যে, একটি আলোকায়িত সমাজে কোনো ধরণের শাস্তি-গ্রহণ করা ছাড়াই আপনি এমন একটি [ঈশ্বরের অস্তিত্বহীনতা] বার্তা প্রচার করতে পারেন।' উল্লেখ্য, জার্মানীতে বিপুল সংখ্যক মানুষ কোনো ধর্মের সাথে সংশ্লিষ্টতা রাখেন না এবং ঈশ্বরের বিশ্বাস করেন না। ২০০৫ সালে পরিচালিত এক জরীপে ২২ শতাংশ জার্মান (...বাকিটুক পড়তে....)


ইউকেবেঙ্গলীর সৌজন্যে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28923989 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28923989 2009-03-14 01:13:29
শিবির তখন উদভ্রান্ত সারমেয় হয়ে যায়..
তাই মরন কামড় দিতে উঠে পড়ে লেগেছে টুপি-দাড়ির বেনিয়া হারমাদ জামাত/শিবির/হিজবুত পাল। বে-লেহাজ খিস্তিতে তারা থুতুময় করে ফেলছে ব্লগের পাতাগুলি..

দেখুন..
------------------------------
১৩ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫০

ডারউইন বলেছেন:

আমি এ যাবৎ কাউকে গালি দেই নি। কিন্তু এখন আমার মনে হচ্ছে তোদের মত কুত্তাদের সাথে আর ভাল ব্যবহার করা যাবে না। গত বার ক্ষমতায় জোট সরকার থাকাকালে রাবি তে ইচ্ছে করলে শিবির সব ছাত্রলীগকে একদড়িতে বেন্ধে ঘুড়াইতে পরত। কিন্তু তা করেনি। গনতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সকলের রাজনীতি করার অধিকার আছে বলে আমরা কিছু বলিনি।
কিন্তু এখন মনে হচ্ছে যে ...
তোর মতো মানবেতর পশুদের না মেরে দেখছি ভুলই হয়েছে।
-------------------------------


বাহ্‌!

আসুন, দখুন, দেশের স্বাধীনতা-প্রাণ ব্লগাররা দেখে যান, শিবির 'আমাদের' না মেরে কি ভুলই না করেছে..

ওদের কি করা উচিত বলে মনে করেন আপনারা?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28923867 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28923867 2009-03-13 21:27:21
ইর্ষান্বিত শিবির পালের আশা পূরনে দুয়ো মাহফিল.. সে মরিয়া গিয়া এই মর্ত্যলোকের বিচার ব্যাবস্থা পাশ কাটাইয়া এখন হুরীদের কোলে বসাইয়া কেলি করিতেছে। উহাতে ছহিদ চিবির ন্যাতার কুযোগ্য চ্যালারা মাতম করিয়া ফাটাইয়া ফেলিতেছে ব্লগ। ইর্ষা বড়ই ভয়ানক পদার্থ বটে! <img src=" style="border:0;" />

উহাদের এই মাটির দেহে আটক থাকিতে হইবে আরো কিছুদিন, হুরীলাভের জন্য আরো কিছুদিন ণিজামী ইত্যকারের ঔখানে লেহন করিতে হইবে।

এই কষ্টে তাহাদের হুক্কাহুয়া রবে ব্লগের সুস্থ পরিবেশ বিঘ্নিত হইতেছে।

তাহাদের কষ্টলাঘবে শীঘ্র শীঘ্রই সাতাসমানের বর্ডারে উহাদের এক্সপোর্ট করিবার জোর দাবি জানাইতেছি।

আসুন সবাই উহাদের জন্য 'দুয়ো মাফিলে' শামিল হই.. <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28923830 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28923830 2009-03-13 19:51:50
পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত রায়হান রশিদ | ৬ মার্চ ২০০৯, শুক্রবার

ঢাকা এখন গুজবের শহর। অনেক ধরণের আকাশকুসুম গুজব উড়ে বেড়াচ্ছে আকাশে বাতাসে। তারই একটি হল কথিত এক সেনা জেনারেলের একটি প্রচারণা যেটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন ব্লগে এটিকে জনৈক সেনা জেনারেলের ইমেইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাই আলোচনার সুবিধার্থে প্রচারণার লেখককে ‘জেনারেল’ হিসেবেই সম্বোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি।

ইমেইলটি আমার নজরে এসেছে বেশ কয়েকদিন আগেই। এক বন্ধু পাঠিয়েছিল। এ ধরণের ‘অসাধারণ’ প্রচারণাকে আমি সাধারণত গুরুত্বের সাথে নিইনা। পড়াটাকেও এমনকি মনে করি মূল্যবান সময়ের অপচয়। ধরেই নিয়েছিলাম এমন আকাশকুসুম তত্ত্বে অন্তত শিক্ষিত কোন মানুষের ভাবান্তর হবে না। কারণ, ইতিপূর্বে এমনই উদ্ভট থিওরী প্রচার করা হয়েছে ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলার পর। বলা হয়েছিল শেখ হাসিনা নাকি নিজেই নাটকটি সাজিয়েছিলেন; নিজের চার পাশে ডজনখানেক বিধ্বংসী গ্রেনেড ফাটানো ছিল যেটির অংশ! সারা দেশ ব্যাপী যখন জঙ্গীরা সিরিজ বোমা হামলা করেছিল, তখন জোট সরকারের ক্ষমতাসীন শ্রেনীটি প্রচার চালিয়েছিল এটা নাকি ‘ভারতীয় হিন্দু জঙ্গীদের কাজ’! বাংলা ভাই যখন উত্তর বঙ্গের জেলায় জেলায় জীবন্ত মানুষদের কেটে পুড়িয়ে গাছে ঝুলিয়ে রাখছিল, জোট সরকারের মহাক্ষমতাধর খালেদা-নিজামীরা প্রায় দু’বছর ধরে দেশবাসীকে বোঝানোর চেষ্টা করে গেছেন ‘বাঙ্গলা ভাই এর আসলে কোন অস্তিত্বই নেই, তিনি নাকি মিডিয়ার সৃষ্টি’! জেনারেল সাহেবের এই প্রচারণাটি পড়েও আমার তেমনই মনে হয়েছে প্রথমটায়। আমার বিশ্বাস ছিল, এত বেশী দুঃখ কষ্টের ঝড় এই জাতির ওপর দিয়ে বয়ে গেছে যে আমরা ঠেকে না হলেও ঠকে নিশ্চয়ই কিছু না কিছু শিখেছি অতীত থেকে। তাই আমার বিশ্বাস ছিল, বাঙ্গালীর কাছে অন্তত এ ধরণের উদ্ভট প্রচারণা হালে পানি পাবেনা। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে এই উদ্ভট তত্ত্বটিই এখন শেকড় গেড়ে বসতে শুরু করেছে কারো কারো মনে। এমনকি, তাদের মধ্যে আপাত দৃষ্টিতে বুদ্ধিমান যুক্তিবাদী কিছু মানুষ তত্ত্বটি খানিকটা যেন বিশ্বাসও করে ফেলেছেন এর মধ্যে।

আসলে যে কোন মিথ্যা প্রচারণার সুবিধাটি বোধ হয় এই জায়গায়। আপনি এক চিমটি সত্যের সাথে এক মুঠো মিথ্যে মিশিয়ে তাকে প্রচারণার জোয়ারে ভাসিয়ে দিন, বারবার বলতে থাকুন, তত্ত্বের বিরুদ্ধে তত্ত্ব দাঁড় করান, এবং আরেকটু বুদ্ধিমান হলে সেটি ইংরেজী ভাষায় এবং ছাপার অক্ষরে লিখুন। আর তার সাথে যদি কিছু সাধারণ তথ্য যোগ করে তাকে ক্রমিক নম্বর দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করতে পারেন, তাহলে তো কথাই নেই! ইংরেজীতে কি কেউ আর মিথ্যে বলে? তাও আবার সামরিক উর্দি পরে? এতেও যদি ব্যর্থ হন, তাহলে শেষ চেষ্টা হিসেবে এটিকে দু’টি রাজনৈতিক শক্তির লড়াই অথবা দুই নারীর চিরন্তন বিবাদ হিসেবে তুলে ধরুন। ভরসা রাখতে পারেন যে বেশীর ভাগ মানুষই তিত বিরক্ত হয়ে তখন বলবে ‘যা হয় হোক, এটা দু’জনের কামড়াকামড়ি, আমরা বাপু অতো রাজনীতি বুঝিনা, বুঝতেও চাইনা’। ফলতঃ যা হওয়ার তা‌ই হবে, সত্য চাপা পড়ে থাকবে, যেমনটি চাপা পড়ে থেকেছে ৩৮ টি বছর। আর কবরের নিস্তব্ধতায় মৃত্যুর ওপার থেকে সুবিচার বঞ্চিত শহীদদের আত্মা গুমরে কেঁদে যাবে, আমাদের তা শোনা হবেনা কখনই; আমরাও জম্বি কিংবা পাপেট হয়ে জীবনের বাকী দিনগুলো পার করে দেবো। অনেক ব্যস্ততার মাঝেও তাই অনুভব করছি এই প্রচারণাটির একটি ময়না তদন্ত হওয়া দরকার।

এই মুহুর্তে কয়েকটি বিষয়ই মূলতঃ সব আলোচনা ফোরামগুলোর বিতর্কের বিষয়:

(১) প্রধানমন্ত্রীর শক্তি প্রয়োগ না করার সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল কিনা
(২) সাধারণ ক্ষমা হত্যাকারীদের সাহসী করেছে কিনা এবং এর সুযোগ নিয়ে তারা আরও বেশী হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে কিনা
(৩) ঘটনার মোকাবেলায় অত্যাধিক সময় নেয়া হয়েছে কিনা
(৪) সেনাবাহিনীর পিলখানায় ঢোকার জন্য সরকারের অনুমতির দরকার ছিল কিনা
(৫) সরকার নিজেই উদ্যোগ নিয়ে ঘটনাটি ঘটিয়েছে কিনা; অথবা ঘটনার মূল অপরাধীদের পালানোর সুযোগ করে দিয়েছে কিনা [জেনারেল সাহেবের প্রচারণাটি সেই লাইনেই, যেটির প্রসঙ্গে একটু পরে আসছি]

মাঠ গরম করা প্রশ্নগুলোর দিকে দৃষ্টিপাত করবো পরের কোন পোস্টে সময় পেলে। কিন্তু তার আগে বর্তমান পোস্টে আমি শুধু উপরের ৫ নম্বর বিষয়টিই আলোচনা করবো, উদ্দেশ্য প্রণোদিত এ ইমেইল প্রচারণাটির সম্ভাব্য ক্ষতিকারক প্রভাব বিবেচনায়।

ক.
জেনারেল সাহেবের এই ইমেইলটির (প্রচারণাটির) কনটেন্টে যাওয়ার আগে এটির কিছু উপরি বৈশিষ্ট্যে দ্রুত একটু নজর বুলিয়ে নেয়া যাক। প্রথমেই যেটি চোখে পড়ে তা হল ইংরেজী ভাষার ব্যবহার। প্রচারণাটির শুরুর কয়েক অনুচ্ছেদের সাথে মাঝখানের অনুচ্ছেদের ইংরেজীর মান এবং স্টাইলে কিছু পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। প্রথম অংশটি, হতাশাব্যঞ্জক হলেও সত্যি, ভুল ইংরেজীতে লেখা। অনেকটা যেন ডিকশনারী সামনে নিয়ে বাংলা থেকে হুবহু ইংরেজী করা, ভাষার মূল টোন বা coherence এর ব্যাপারে কোন ধরণের সচেতনতা ছাড়াই। মধ্যভাগের ইংরেজী তুলনামূলকভাবে কিছুটা ভিন্ন, অন্তত স্টাইলের দিক থেকে। শেষ ভাগে বেশ জোরে শোরে আল্লাহর নামে কিরা কসম কাটার প্রবণতা (‘what were said in this mail in the name of Allah are true’!) লক্ষ্য করা যায়, অনেকটা জামাত শিবির হিজবুত তাহরীর লিফলেটের মত। উপসংহারে আমার অনুমান, প্রচারণা ইমেইলটি সম্ভবত একাধিক মানুষের মিলিত প্রচেষ্টার ফল।

খ.
জেনারেল সাহেব বলেছেন:

ক্রম#১:
Before 2002, only very average army officers were posted to BDR. Those officers used to pass time and wait for retirement. The scenario was changed in late 2002, when army started to pump in outstanding officers to BDR to shape up the national border and curb cross-border crime and smuggling.

জেনারেল সাহেবের ভাষায় ব্যাপারটি দাঁড়াল এরকম যে ২০০২ এর আগে (সম্ভবত বোঝাতে চেয়েছেন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়) শুধুমাত্র অযোগ্য অফিসারদেরই বিডিআর এ পোস্টিং দেয়া হতো। এবং, ২০০২ এর পরে (অর্থাৎ জোট সরকারের সময়) ভাল অফিসারদের সীমান্তে পোস্টিং দেয়া শুরু হয়। জানতে ইচ্ছে করে এই তথ্যের উৎস কি? ব্যাপারটি কি সত্যিই তাই? শেখ হাসিনা যখন সামরিক অফিসারদের সাথে সেনা কুঞ্জে বৈঠক করলেন, তখন প্রায় সব অফিসারই দুঃখ করেছিলেন কিভাবে দুই সরকারের আমলেই পোস্টিং প্রোমোশন বদলী রিক্রুটিং ইত্যাদি বিষয়ে রাজনীতিকরণ হয়েছে (এখানে দেখুন সেনাকুঞ্জের সেই সভার অডিও রেকর্ড: ফাইল#৬)। অথচ, আমাদের জেনারেল সাহেব বোঝাতে চাইলেন জোট সরকারের আমলের সব নিয়োগই নাকি ভালো/যথার্থ হয়েছে। এর থেকে এই জেনারেলটি রাজনৈতিকভাবে কোন্ জোটের মুখপাত্র, সেটি বুঝতে বুদ্ধিমান পাঠকের কোন অসুবিধা হয় কি? প্রসঙ্গত, এই সভাটিতে বেসামরিকদের মধ্যে কেবল শেখ হাসিনা এবং বেগম মতিয়া চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন; তারপরও গোপনীয় এই সভাটির অডিও রেকর্ড কারা প্রকাশ করলো (এবং কি উদ্দেশ্যে) এবং কেন বেছে বেছে কিছু খন্ডিত অংশ প্রকাশ করলো সে বিষয়ে প্রশ্ন করার মত যথেষ্ট যৌক্তিক বোধ কি আমাদের আছে? পাঠকই মনস্থির করুন।

সে প্রসঙ্গে এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন:
How can the PM trust the army again with national security when her confidential conversations with the best and brightest of the army are being leaked out to the public causing serious breach of national security by letting our enemies know about the discord and showing a perception of vulnerability in the national army currently? (এখানে)

গ.
জেনারেল সাহেব দাবী করেছেন (আবারও কোন সূত্রের উল্লেখ ছাড়া):

ক্রম#১:
So, to guard our beloved land, army started pumping very good officers into BDR. Before 2002, the BDR jawans were very rich through the earning of smuggling. Their sepoys and naiks and havilders had buildings and house that even officers can only dream of. After 2002, smuggling and its sharing by BDR jawans started coming down.

অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন: জোট সরকারের সময় সীমান্তে চোরাচালান ইত্যাদি নাকি কমে গিয়েছিল। এই ‘অসাধারণ’ তত্ত্বের পক্ষে কি প্রমাণ তিনি দাখিল করলেন? তার ভাষায় ‘Capture of smuggling figures, if you can manage, will rightly prove that’। এখানে ভুল ইংরেজীতে অস্পষ্ট ভাষায় জেনারেল সাহেব যেটি বোঝাতে চেয়েছেন সেটি সম্ভবত এই যে - ধরা পড়া চোরাকারবারীর সংখ্যা (যদি কেউ খুঁজে বের করতে পারে!) তার উপরোক্ত দাবীকে সমর্থন করে! প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে - সংখ্যাগুলো তিনি নিজে খুঁজে পেয়েছেন তো? পেলে জনগণকে সেটি কবে জানাবেন?

যেটা উল্লেখ করা জরুরী এখানে, তা হল, ষড়যন্ত্রকারীদের দলীয় এজেন্ডার গড্ডালিকা প্রবাহে ভাসতে ভাসতে জেনারেল সাহেব একটি অদ্ভুত কান্ড করে বসেছেন। তিনি বুঝে কিংবা না বুঝেই জনগণকে জানানোর চেষ্টা করেছেন যে - বিডিআর-এ সেনাবাহিনী থেকে প্রেষণে পাঠানো অফিসাররা অত্যন্ত দুর্নীতিপরায়ন এবং অযোগ্য। (যদিও তিনি ২০০২ এর আগের এবং পরের অফিসারদের মধ্যে একটি ক্ষীণ পার্থক্য টানার চেষ্টা করেছেন)

একটু ব্যাখ্যা করে বলি। আমরা জানি, বিডিআর এর জওয়ান এবং তাদের ডিএডি-রা সেনা অফিসারদের সরাসরি কমান্ডে কাজ করেন। সুতরাং, বিডিআর সদস্যরা যদি দুর্নীতিতে লিপ্ত থাকে, তার মানে দাঁড়ায় - সে দুর্নীতিতে সেনা কর্মকর্তারাও দোসর। আর ঘুষ ও দুর্নীতির সাধারণ নিয়ম হল যে যত বড় অফিসার তার বখরা ততো বেশী। সেই হিসেবে, জেনারেল সাহেবের বক্তব্য অনুযায়ী জওয়ানরা যদি একটি বাড়ি বানায়, তাহলে অফিসারদের একাধিক বাড়ি বানানোর কথা। তাঁর আরেকটি অভিযোগও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। জেনারেল সাহেবের কথা সত্যি হয়ে থাকলে সেনাবাহিনীতে অযোগ্য এবং অদক্ষ অফিসারেরও তাহলে কমতি নেই। এটি আমাদের জন্যও ‘নতুন খবর’। তাহলে কি এটাই ধরে নিতে হবে যে মিলিটারি একাডেমী থেকে নিম্ন যোগ্যতাসম্পন্ন অফিসাররাও কমিশন পাচ্ছেন বা পেয়েছেন? কিংবা, সরকারী খরচে পরবর্তীতে গরীব এই রাষ্ট্রটির পক্ষ থেকে যে সব ব্যয়বহুল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়, তারও একাংশ কি তাহলে অপচয় করা হচ্ছে অযোগ্য এই সব অফিসারদের পেছনে?

জেনারেল সাহেবের উত্থাপনকৃত অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর। তাই আমার জানার আগ্রহ হচ্ছে, জোট সরকারের আমলে (যখন নাকি তার ভাষায় সবকিছু ঠিকঠাক ছিল) ‘২০০২ এর আগ পর্যন্ত সীমান্তে নিয়োগকৃত অফিসারদের’ দূর্নীতির বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভেতর কি কি আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল? আমার ধারণা, জনস্বার্থ এবং স্বচ্ছতার লক্ষ্যে দেশবাসীও সেটি জানতে চায় এখন। যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে তেমন পদক্ষেপ না নেয়া হয়ে থাকে জোট শাসনামলে, তাহলে তা বিএনপি-জামায়াতের দুর্নীতি-লালন সম্বন্ধে কি অনুসিদ্ধান্ত দাঁড় করায় জনগণের সামনে? কিংবা এই কথিত জেনারেলের রাজনৈতিক সম্পৃক্তি সম্বন্ধেই বা কি সত্য উম্মোচন হয় আমাদের সামনে?

আমার এও জানার কৌতুহল হচ্ছে: জেনারেল সাহেব যে ঢালাওভাবে সেনাবাহিনীর একটি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অফিসারদের (২০০২ পূর্ববর্তী অফিসারদের) দুর্নীতিগ্রস্ত হিসেবে কালিমা লেপনের চেষ্টা করলেন, সেটাকে আমাদের তথাকথিত প্রফেশনাল এবং দায়িত্বজ্ঞানসম্পন্ন অন্যান্য অফিসাররা কিভাবে দেখবেন? এসব অভিযোগ তো আমার না, কিংবা মিডিয়ারও না, স্বয়ং জেনারেল সাহেবের। তিনিই সেনাবাহিনীর অফিসারদের বিরুদ্ধে গুরুতর এই সব রটনা করছেন হঠাৎ জনপ্রিয়তা লাভকারী ইমেইলটির মাধ্যমে। এবং সেনাবাহিনীর অনেককে দেখছি সেটি (বুঝে বা না বুঝে) স্বতোপ্রণোদিত হয়ে সর্বত্র বিলি করে বেড়াতে। আমাকে কেন এটি খন্ডন করতে হচ্ছে আজ? তাঁরাই বরং খন্ডন করুক এসব অভিযোগ এবং আমাদের জানাক এই বস্তাপচা প্রচারণাটি আসলে কতটা আমলযোগ্য!

ঘ.
তিনি আরও বলেছেন:

ক্রম#২:
Whenever there is an encounter with BSF, always we are the winner . . . as long as army officers lead BDR, BSF will never win any single battle, they will always be in the loser’s end and India will not be able to pump in drugs, fake currency and other harmful things into Bangladesh. The DADs of BDR are the worst losers. They are educated officers but can’t do anything because of army officers.

এখানে তিনি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে যে ইঙ্গিতটি দিতে চেয়েছেন তা হল এই: পিলখানা ঘটনার পেছনে ‘ভারত দায়ী’। বিএনপি-জামাতী-রাজাকার-আলবদরদের বহু ব্যবহারে জীর্ণ অনেক পুরনো একটি কায়দা এটি। এক্ষেত্রে (তার উল্লেখিত) চোরাচালান প্রসঙ্গে একটি বিষয় আমাদের মনে হয় মনে রাখা দরকার। তা হল, চোরাচালানীতে সবচাইতে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয় রাষ্ট্র নিজে। কারণ, এর ফলে রাষ্ট্র বঞ্চিত হয় কোটি কোটি টাকার ট্যারিফ (tariff) থেকে। এই কথাটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যেমন সত্য, ভারতের ক্ষেত্রেও তেমনি সত্য। কাজেই, সীমান্তে চোরাচালানকে নিষ্কন্টক করতে গণতান্ত্রিক ভারত সরকারের এত বেশী উৎসাহী হওয়ার কোন কারণ তো দেখিনা। ভারী ভারী তত্ত্ব না আউড়েও শুধু কমনসেন্স দিয়েও যে কেউ এই ব্যাপারটি বুঝতে পারবেন। এক্ষেত্রে এমনটিও হতে পারে যে তিনি শুধু BSF কে দায়ী করতে চেয়েছেন (বিডিআর এর ডিএডি-দের সহযোগী দেখিয়ে), পুরো ভারত সরকারকে নয়। তারপরও প্রশ্ন থেকে যায়। ভিন্ন দেশের মাটিতে এসে বিএসএফ এতো বড় একটা কান্ড ঘটিয়ে ফেললো? আমাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কি করছিল তখন?

ভারতকে জড়িত করার এই অপচেষ্টার সবচাইতে দুর্বল অংশটি হল:

১) রাজনৈতিকভাবে ভারতের সাথে বন্ধুভাবাপন্ন একটি সরকার এখন বাংলাদেশের ক্ষমতায়। এই সরকারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ট্রানজিট ইত্যাদির মাধ্যমে বৈধ ভাবেই কয়েক হাজার গুণ বেশী অর্থ পুরো পাঁচ বছর ধরে তারা উপার্জন করতে পারবেন, যদি সেটাই তাদের মূল লক্ষ্য হয়ে থাকে। সেখানে নিজেদের মূল্যবান ট্যারিফ বিসর্জন দিয়ে বিডিআর এবং তাদের নিজেদের বিএসএফ জওয়ানদের বাড়ী গাড়ী করে দেয়ার জন্য তারা হঠাৎ এত উতলা হয়ে উঠবেন কেন যে তার জন্য তারা এমনকি এতো বড় মাপের একটি হত্যাকান্ড ঘটাতেও পিছপা হবেন না? আমরা সবাই জানি ভারত সরকার এখন ট্রানজিটের পক্ষে। বিডিআর এর প্রয়াত ডিজি মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ নিজেও ট্রানজিট এবং ট্রানশিপমেন্টের পক্ষে ছিলেন (ডিফেন্স স্টাফ কলেজে দেয়া তাঁর এই প্রবন্ধটি পড়ুন)। আমাদের বর্তমান সরকারও এমন পদক্ষেপের বিরোধী নয়। সকল পক্ষ যেখানে রাজী, সেখানে ভারত সরকার বৈধ পথে না এগিয়ে এমন একটি আন্তর্জাতিক কেলেংকারীর ঝুঁকি নেবে কেন? আমার পক্ষে বিশ্বাস করা কঠিন যে সেনাবাহিনীর বুদ্ধিমান অফিসারদের এবং দেশবাসীকে এসব ছেলে ভুলানো গল্প বলে ভোলানো সম্ভব আজকাল!

২) এই গোষ্ঠীটি কেন দেশবাসীকে বারবার ভারতীয় জুজু দেখানোর চেষ্টা করেন, সে বিষয়ে আমার একটি থিওরী আছে। শক্তিশালী ভারত রাষ্ট্রকে দায়ী করার সবচেয়ে বড় সুবিধাটি হল, আমরা চাইলেও তাদের বিচার করতে পারবো না। কারণ, এভাবে যদি কোনো রাষ্ট্রের বিচারই করা যেত তাহলে আজকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বৃটেনের সরকার প্রধানরা থাকতেন আফগানিস্তান এবং ইরাকের কাঠগড়ায়। আর ভারত জুজুকে সামনে নিয়ে আসার আরেকটি বড় সুবিধা হল: এক সময় অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের ভীড়ে পুরো বিষয়টিই হারিয়ে যাবে, আর মূল অপরাধীরা চিরদিনই থেকে যাবেন আড়ালে। কি চমৎকার! ভারত বিদ্বেষও ছড়ানো গেল, নিজেদেরও রক্ষা করা গেল অপকর্মের দায়ে দন্ডিত হবার হাত থেকে।

৩) এই গোষ্ঠীটির নাড়ীর টান যেই দিকে সেই পাকিস্তানের ব্যাপারটিই লক্ষ্য করুন। আমাদের দেশের এই গোষ্ঠীটি (এই জেনারেল যার অনুসারী বলে সন্দেহ হচ্ছে এখন) কিন্তু কখনো কোন অপকর্মের জন্যই এমনকি ভুল করেও কখনো পাকিস্তান, ISI বা ধর্মীয় মৌলবাদী কোন গোষ্ঠীর দিকে আঙ্গুল তোলেননা, যাঁদের কিনা সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল ‘৭১ আর ‘৭৫ এ বাংলাদেশ রাষ্ট্রটির বিরুদ্ধে চক্রান্তমূলক প্রতিটি হত্যাকান্ডের পেছনে (এখানে, এখানে এবং এখানে দেখুন)। আমাদের জেনারেল সাহেবও, তার এই দীর্ঘ ইমেইলটির এক জায়গাতেও, অন্তত সম্ভাবনার খাতিরে হলেও, সে প্রশ্নটি একটি বারের জন্যেও তোলেননি। কেন? এই দেশে নিরীহ নিরস্ত্র নারী পুরুষদের গণ হারে হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের ইতিহাসটি (১৯৭১) কোন্ গোষ্ঠীটি ধারণ করে? ভারত? নাকি পাকিস্তান আর তাদের দোসর রাজাকার আল‌-বদর জঙ্গীরা?

ঙ.
জেনারেল সাহেব দাবী করেছেন:

ক্রম#৫:
RAB arrives at Pilkhana gate at about 10am and ready to move in. Home Ministry said a stubborn “No”. Troops of Mirpur Cantt and Dhaka Cantt arrives at Pilkhana by 11:30am. They seek permission to go in. Again a big “No”

শুনতে চটকদার “No” এবং “big NO” দিয়ে প্রচারক সাহেব ঠিক কি বোঝাতে চেয়েছেন বুঝলাম না। সিদ্ধান্তগত একটি “yes” কিংবা একটি “no” এর পেছনে সময় এবং পরিস্থিতি ভেদে অনেক রকম কারণ থাকতে পারে, ব্যাখ্যা থাকতে পারে। সে সব হতে পারে ‘যৌক্তিক’, ‘সম্ভাব্য’ থেকে শুরু করে পুরোপুরি ‘অযৌক্তিক’ ‘অসম্ভাব্য’, ‘উদ্ভট’, এবং ‘মতলবী’। মানুষ ভেদে এবং তাদের যৌক্তিক বিচারের ক্ষমতা ভেদে একেকজন তার একেকটি পছন্দ করে নেন। কেউ গ্রহণ করেন সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যাটিকে, আবার কেউ করেন সবচেয়ে উদ্ভটটিকে। কে কেমন ব্যাখ্যায় ভর দিতে চাইছেন তা থেকে সে মানুষটির সম্বন্ধেও অনেক বিষয়ই স্পষ্ট হয়ে যায়। যেমন: তার রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গী, গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ (কিংবা সেটির অভাব), বহুদিনের লালন করা অন্তর্গত গোঁড়ামী (prejudice), সুযোগসন্ধানী মনভাব, ছিদ্রান্বেষণের প্রবণতা, ক্ষোভকে পূঁজি করা ষড়যন্ত্রের দ্বিতীয় ভাগের প্রতি vulnerability/susceptibility, নিজেদের বিচার বুদ্ধি বিষয়ে অত্যন্ত উঁচু ধারণা (’আমরাই সবচেয়ে ভাল বুঝি’ ধরণের সুপিরিয়রিটি কমপ্লেক্স), একইসাথে জনপ্রতিনিধিদের ইনফেরিওর মনে করা (সেনাকুঞ্জের সভায় ১৫ কোটি মানুষের প্রধানমন্ত্রীর সাথে কিছু সেনা কর্মকর্তার সংযমহীন আচরণ যার প্রত্যক্ষ প্রমাণ) ইত্যাদি। এটি তেমনই একটি ঘটনা যা থেকে প্রচারক জেনারেল মহোদয় সম্বন্ধে আমরাও অনেক কিছু জানতে পারছি!

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেন সামরিক আক্রমণের প্রশ্নে বারেবারেই ‘না’ বলেছেন সেই বিষয়ে তিনি বেশ কয়েকবারই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ইতোমধ্যে মুক্তিপ্রাপ্ত সেনা অফিসার থেকে শুরু করে সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তাদের অনেকেই পরিস্থিতির আলোকে সে সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেছেন। সব পন্থার সাথে সব সমর বিশেষজ্ঞরা যে একমত হবেন, এমনটা আশা করাও বোধ হয় বালকসুলভ। তার এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে এইটুকু বলবো যে এটি এদেশের সাধারণ মানুষ, বুদ্ধিজীবী, বিদেশী কূটনৈতিক মহল সহ সর্বত্র প্রশংসিত হয়েছে। এমনকি জামাতে ইসলামীও প্রথম ক’দিন এই সিদ্ধান্তকে সমর্থনই জানিয়েছিল (লিন্ক) পরবর্তীতে হাওয়া বুঝে মত পাল্টানোর আগে! এ বিষয়ে RAB এবং সেনাবাহিনীর তাৎক্ষণিক tactical capability, তাদের প্রস্তুতি এবং রিসোর্স এর অভাব, এই মাপের পরিস্থিতি মোকাবেলায় পূর্ব অভিজ্ঞতার অভাব, viable ট্যাকটিকেল অপারেশন পরিকল্পনার জন্য যথেষ্ট সময়ের অভাব, অবশিষ্ট জিম্মি অফিসারদের প্রাণহানির সম্ভাবনা, মানব ঢাল হিসেবে তাদের পরিবার এবং সাধারণ বিডিআর জওয়ানদের ঢাল হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা, আশে পাশের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় ব্যাপক প্রাণহানির সম্ভাবনা, সশস্ত্র বিদ্রোহকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে না চাওয়ার সিদ্ধান্ত - ইত্যাদি অনেক কারণ থাকতে পারে, এবং ছিল। সমর অভিজ্ঞ জেনারেল সাহেবকে সেটা বুঝিয়ে বলতে হচ্ছে বলে কিছুটা অস্বস্তিই বোধ করছি। যে সেনাবাহিনীর এতগুলো গোয়েন্দা সংস্থা থাকার পরও এই মাপের ইন্টেলিজেন্স ফেইলিওর হয়, সেই সেনাবাহিনীকে শহরময় ট্যান্ক, এপিসি (যে সব এমনকি তাদের হাতের কাছেও ছিলনা) ট্রুপ নিয়ে দৌড় ঝাঁপ করতে দেয়ার আগে যে কোন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সরকার দু’বার ভাববেন, এটাই তো যৌক্তিক। আমরা জনগণও সরকারের কাছে সেই প্রজ্ঞাই প্রত্যাশা করি। পিলখানার ভেতর ও বাইরের নাগরিকদের জীবন রক্ষার দায়িত্ব যেমন সরকারের রয়েছে, তেমনি সরকারের ওপর ১৫ কোটি মানুষের পক্ষে গণতন্ত্র রক্ষারও গুরু দায়িত্ব (আমানত) রয়েছে। অত্যন্ত ঘোলাটে পরিস্থিতির মাঝে (এত বড় ইন্টেলিজেন্স ফেইলিওর যার সাক্ষাৎ প্রমাণ) গণতান্ত্রিক সরকার যদি আরেকটি ‘৭৫ সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি উম্মোচন করতো নিজেদের অর্বাচীনতা দিয়ে, আমরা জনগণ কি তাদের কোন দিন ক্ষমা করতাম? তেমনি, সেনা অভিযানের ফলে ব্যাপক প্রাণহানি হলে সেটিও কি ক্ষমাযোগ্য হোতো? এই নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা আমার পরবর্তী পোস্ট “পিলখানা গণহত্যা: চিন্তাঝড় ৪ ‌‌– বিতর্কের ময়না তদন্ত” এর জন্য তোলা থাকলো। তাই পূনরাবৃত্তি এড়াতে সেই দিকে এখন যাচ্ছিনা।

সাধারণ ক্ষমা ঘোষণায় এবং সময় ক্ষেপনের ফলে বিডিআর বিদ্রোহীরা যদি বেপরোয়া হয়ে আরো বেশী সংখ্যক খুন খারাবি করেই থাকতো (জেনারেল সাহেবের ভাষ্য অনুযায়ী), তাহলে এত জন অফিসার এবং নারী পুরুষ ও শিশু সেখান থেকে জীবিত বের হলেন কিভাবে? এঁরা তো এই জওয়ানদের হাতের নাগালেই ছিলেন! অন্যদেরকে খুঁজে খুঁজে মারা হল, এঁদের কেন মারা হলো না? বুলেট ফুরিয়ে গিয়েছিল বলে? নাকি হত্যাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল এঁদের বাঁচিয়ে রেখে এখনকার তদন্ত প্রক্রিয়ায় সহায়তা করা যাতে করে জীবিত অফিসারদের সাহায্য নিয়ে হত্যাকারীদের এবং তাদের কর্মকান্ডের বিস্তারিত বিবরণ নথিভুক্ত করতে সুবিধে হয়!! জেনারেল সাহেব কি তাই বোঝাতে চাইলেন?

উপরে যে বিষয়গুলো উল্লেখ করলাম, আমার বিশ্বাস জেনারেল সাহেব নিজেও তা বিলক্ষণ জানেন। তবুও জেনে বুঝে তিনি সরকারের “না” সিদ্ধান্তটিতে ঠিক কি ধরণের রং চড়াতে চাচ্ছেন, সেটিই আসলে মূল প্রশ্ন। প্রচারণাটিতে এই পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের সাথে নব নির্বাচিত সরকারকে জড়িত করার একটি সুষ্পষ্ট প্রচেষ্টা লক্ষ্য করা যায়। সরকারের বিরুদ্ধে অপবাদমূলক এই থিওরীতে তিনটি বড় বড় ফাঁক রয়ে গেছে:

১) যখন এই ঘটনা ঘটে তখন এই সরকার তার দু’মাসও পুরো করেনি। এখনো এই সরকার বিভিন্ন দফতর এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়িত্বগুলো বুঝে নিতেই ব্যস্ত। এমন এক অবস্থায়, সরকারের যখন নিজেরই পায়ের নিচের মাটি শক্ত হয়নি, তখন তারা কেন এমন একটি ভয়াবহ জাতীয় সংকট সৃষ্টি করার ঝুঁকি নেবে? তাও কিনা সেনাবাহিনীর এতগুলো অফিসারকে হত্যার মাধ্যমে পুরো প্রতিরক্ষা বাহিনীকে চরমভাবে উত্তেজিত করার ঝুঁকি নিয়ে? আর সরকারের কি কোনভাবে জানার সুযোগ ছিল যে সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাদের আত্মীয় পরিজনদের হত্যা এবং নিপীড়নের খবর পেয়ে হঠকারী কোন অভ্যুত্থানের পথে পা বাড়াবে না?

২) সেনা বাহিনী এবং সীমান্ত রক্ষী বিডিআর-কে ছেঁটে ফেলা বা দুর্বল করাই যদি এই হত্যাযজ্ঞ নাটকের মূল উদ্দেশ্য হয়ে থাকে (যে থিওরিটি কিছু কিছু অতি বুদ্ধিমান বর্তমানে প্রচার করছে), তবে সেই ষড়যন্ত্র কি সরকারের এভাবেই বাস্তবায়ন করার দরকার হয়? মনে রাখতে হবে বর্তমান সরকার নিরন্কুশ জনসমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে। আইনগতভাবে তার হাতে এখন এমন ক্ষমতা রয়েছে যার বলে এই সরকারের জনপ্রতিনিধিরাই চাইলে খোদ সংবিধানও পরিবর্তন করে ফেলতে পারেন, কোন ধরণের আইনী বাধা ছাড়াই। বিডিআর আর সেনাবাহিনীকে কিংবা দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে যদি দুর্বল করাই সরকারের উদ্দেশ্য হয় তবে তা বাস্তবায়নের জন্য বৈধ আরও হাজারটা উপায় আছে। বরাদ্দ কমিয়ে দিয়ে, অফিসার ছাটাই করে, বদলী করে ইত্যাদি উপায়ে তা খুব সহজেই কোন ধরণের সন্দেহের জন্ম না দিয়েই করা যেতে পারে। এবং সেভাবে উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য সরকারের হাতে এখনো রয়েছে পুরো পাঁচটি বছর। এত উপায় হাতে থাকতে সরকার কেন নিজেদের জন্য এমন একটি ঝুঁকিপূর্ণ এবং স্থুল পথে পা বাড়াবে?

৩) যত সতর্কভাবেই করা হোক না কেন সব অপরাধই কোন না কোন সূত্র রেখে যায়। সঠিক তদন্তে সে সব বেরিয়ে আসে। আর এত বড় মাপের একটি অপরাধ, যেটি দিনের আলোতে পনের কোটি মানুষ এবং মিডিয়ার সামনে কয়েক ডজন (এমনকি কয়েক হাজারও বলা যেতে পারে) অপরাধীর যোগসাজশে করা হয়ে থাকে, তার সব সূত্র কি কারও পক্ষেই মুছে ফেলা সম্ভব? আমরা সবাই জানি, তা সম্ভব না। তদন্তে এর সমস্ত সূত্র ধরা পড়তে বাধ্য। যেটি উল্লেখ্য এখানে তা হল, গত মাত্র ৫০ দিন ছাড়া আইন শৃঙ্খলা এবং বিভিন্ন তদন্ত সংস্থাগুলো গত ৭ (সাত) বছর ছিল অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির নিয়ন্ত্রণে যাঁরা একে নিজেদের পছন্দের লোকজন দিয়ে ঢেলে সাজিয়েছিলেন একেবারে উপর থেকে নীচ পর্যন্ত। ৭ বছরের মধ্যে প্রথম ৫ বছর এই সংস্থাগুলো সাজানো হয়েছে জোট (বিএনপি) সরকারের নির্দেশে, আর শেষ ২ বছর হয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নির্দেশে। তদন্তকারী সমস্ত সংগঠনের উপর থেকে নীচ পর্যন্ত যেখানে প্রতিপক্ষের রাজনৈতিক শক্তির দ্বারা সাজানো, সেখানে এমন একটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অপরাধে এই সরকার নিজেকে কেন জড়িত করতে চাইবে যেখানে তদন্ত প্রক্রিয়ার সব স্তরের ওপর তাদের নিরন্কুশ নিয়ন্ত্রণের অভাব রয়েছে?

চ.
তিনি বলেছেন:

ক্রম#৫:
Govt sends nanok and others and they enter courageously into BDR Pilkhana and safely come back and they are not held hostage. Night comes. sahara and nanok enter BDR and all lights are off. sahara visits families of army officers without nanok as seen on TV channels through BTV footage. She does not, we repeat DOES NOT meet any army officer of BDR.

অস্ত্রধারী জওয়ানদের সাথে আলোচনা করতে সাহারা খাতুন নিরস্ত্রভাবে ঢুকেছিলেন। যখন টানটান উত্তেজিত সশস্ত্র এই বাহিনীটির সাথে দর কষাকষি চলছে (যাদের কব্জায় রয়েছে কয়েক’শ নারী পুরুষ), তখন সাহারা খাতুনের কি উচিত হতো অফিসারদের দেখতে যাওয়ার আবদার ধরা? জেনারেল সাহেব কি এটাই বলতে চাইছেন? তার পরেও তিনি যত জনকে পেরেছেন বাড়ী বাড়ী গিয়ে আনার চেষ্টা করেছেন ভোর রাত পর্যন্ত।

ছ.
তিনি আরও বলেছেন:

ক্রম#৫:
THIS WAS BECAUSE AT THAT TIME BDR WAS COMPLETING THE TOTAL KILLING OF ALIVE OFFICERS AND THIER FAMILIES UNDER THE EYES OF NANOK AND MASS GRAVES WERE BEING PREPARED. Please refer to the Ntv exclusive with major Mokarram on 28th evening. He said that he heard the voice of home minister entering into the kote when he was surrounded by BDR gunmen.

তাই যদি সত্যি হবে, তাহলে মেজর মোকাররম নিজে বেঁচে ফিরলেন কিভাবে? কি উদ্ভট এই জেনারেলের প্রচারণা! এ বিষয়ে এখানে এবং এখানে দেখুন। জেনারেল সাহেব বলছেন হত্যা, কবর খোদাই ইত্যাদি নাকি ঘটেছে নানক আর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর চোখের সামনে! কি হাস্যকর কথা! যদি তাঁরা অপরাধীই হবেন, তবে যত দ্রুত সম্ভব ঘটনাস্থল ত্যাগ না করে তারা সেখানে দাঁড়িয়ে থাকবেন কেন? গণহত্যা এবং কবর খোঁড়া তদারকীর জন্য? সেটি করার জন্য বিদ্রোহীদের মধ্যে কি লোকের অভাব পড়েছিল? ঘটনার হোতা হিসেবে নিজেরা জড়িত হয়েও (জেনারেল সাহেবের ভাষ্য অনুযায়ী) scene এ থাকতে চাইবেন কেন? প্রবল ক্ষমতাধর একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং একজন প্রতিমন্ত্রী (পাঁচ বছরে ক্ষমতায় থেকে যাঁরা অনেক কিছুই পেতে পারেন) তাদের মন্ত্রীত্ব, জীবন এবং স্বাধীনতা বিপন্ন করে এমন একটি কাজ কেন করবেন বোকার মতো? বিডিআর বিএসএফ জওয়ানদের (জেনারেল সাহেবের উপরোক্ত যুক্তি অনুযায়ী) বাড়ী গাড়ি করে দেয়ার জন্য? আইজি নূর মোহাম্মদ সাহেবও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন ঘটনাস্থলে। তাহলে জেনারেল সাহেব কি বোঝাতে চাইছেন আইজি সাহেবও এই হত্যাকান্ড, কবর খোদাই এবং হত্যাকারীদের পলায়ন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত, অথবা নিদেন পক্ষে এতে তাঁর মৌন সমর্থন ছিল! (যদিও আমরা জানি তার নিজের কন্যার স্বামী এই হত্যাকান্ডের প্রথম শিকারদের একজন)!

জ.
তিনি বলেছেন (আবারও, কোন সূত্র বা তথ্য প্রমাণ ছাড়াই):

ক্রম#৫:
NON-MILITARY AMBULANCES ENTER AND LEAVE PILKHANA A NUMBER OF TIMES AND TAKES AWAY SO MANY DEAD BODIES…BUT THE TOTAL STILL REMAINS 7. Only 5-7 other bodies appear from canal behind BDR naturally floating. IT WAS BECAUSE ABOUT 32 KILLERS WERE TAKEN AWAY BY THOSE AMBULANCES.
জেনারেল সাহেব নিজেই অভিযোগ করেছেন উপরের একটি পয়েন্টে যে হাজার হাজার বিডিআর সদস্য এরই মধ্যে পালিয়ে গেছে। রেকর্ডকৃত সেনাকুঞ্জ টেপের ভাষ্য অনুযায়ী ৭০০০-৯০০০ বিডিআর জওয়ান উপস্থিত ছিলেন পিলখানায়। ৫ নম্বর গেট এবং বিভিন্ন স্থানের কাঁটাতার টপকে হত্যাকারীরা এবং বেশীর ভাগ বিডিআর জওয়ানের নির্বিঘ্নে পালানোর অভিযোগ উঠেছে। যেখানে হাজার হাজার বিডিআর সদস্য কোন রকম ঝুঁকির মধ্যে না পড়ে সপরিবারে নির্বিঘ্নে সহজেই পালিয়ে যেতে পারেন অন্যান্য পথ দিয়ে, সেখানে নন-মিলিটারী এ্যাম্বুলেন্সে চড়ে সমস্ত মিডিয়ার তীক্ষ্ণ নজরদারীর ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার মানুষের সামনে দিয়ে ৩২ জন মূল হত্যাকারীকে পালিয়ে যেতে হবে কেন? তাও আবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সক্রিয় তত্ত্বাবধানে? অন্যান্যদের সাথে মিলে গিয়ে ৫ নম্বর গেট দিয়ে পালাতে কোন অসুবিধে ছিল কি? আর ‘৩২ জন হত্যাকারী’ - এই সংখ্যাটি জেনারেল সাহেব কোথা থেকে জানলেন? কেমন করে জানলেন? হত্যাকারীরা পালিয়েছিল কিনা, তাদের পালাতে দেয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছিল কিনা, অপরাধী আটক মূল উদ্দেশ্য ছিল নাকি রক্তপাত এড়ানো মূল উদ্দেশ্য ছিল, সেনা অভিযান চালালে আসল হত্যাকারীদের আদৌ জীবিত ধরতে পারার কোন সম্ভাবনা ছিল কিনা - সে সব বিষয় নিয়ে হাজারটা বিতর্ক হতে পারে। তদন্তের ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের পক্ষে কোন সিদ্ধান্তে আসাই কঠিন। প্রসঙ্গত প্রশ্ন করা যেতে পারে, হত্যাকারীদের জীবিত পালাতে দিয়েও (জেনারেল সাহেবের অভিযোগ অনুযায়ী) তদন্তের কি তেমন একটা ক্ষতি হয়েছে এখন পর্যন্ত? এ ক’দিনে তদন্ত এবং গ্রেফতারের যে সব দ্রুত অগ্রগতির খবর আমরা পাচ্ছি তাতে কি মনে হচ্ছে যে হত্যাকারীরা পালিয়েও বেঁচেছে? কিংবা, মূল ষড়যন্ত্রকারীদের ধরা কি এখনো অসম্ভব? এখানে, এখানে এবং এখানে দেখুন।

ঝ.
এর পর তিনি বলেছেন:

ক্রম#৫:
Nanok in a media briefing in front of Pilkhana declares that “It was a big conspiracy” and lac lac crore taka were distributed in Pilkhana.” DEAR MEDIA, HE WAS RIGHT. BECAUSE EACH DAD WORKING AT PILKHANA GOT TK 25 LAC between 22 and 24th February, distributed by nanok’s men.
মনে রাখতে হবে জেনারেল সাহেব তার এই ইমেইলটি লিখেছিলেন বেশ কিছুদিন আগে। তখনো বিষয়টির প্রাথমিক তদন্তও তেমনভাবে শুরু হয়নি। সেইরকম এক সময়ে ২৫ লাখ টাকার এই সুনির্দিষ্ট অংকটির কথা জেনারেল সাহেব কোথা থেকে জানলেন? কিভাবে জানলেন? যেভাবেই জেনে থাকুন, দেরী না করে তার উচিত ছিল এসব তথ্য ইন্টারনেটে দেয়ার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের দেয়া। তাতে উপকার হতো তদন্তের, যদি তিনি আদৌ তা চেয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে মূল তদন্তে ভরসা না থাকলে তিনি অন্তত সেনাবাহিনীর নিজস্ব তদন্ত কমিটির কাছে হলেও তো এই ‘অসাধারণ’ তথ্যটি দিতে পারতেন!

ঞ.
তিনি শেষের দিকে বলেছেন:

ক্রম#৭:
BCS officers in BDR, and no officer from army, would ensure that another Rakhkhi Bahini could be in the making.
জেনারেল সাহেব, দয়া করে নতুন কিছু ভেবে বের করুন প্লীজ। মনে করবেন না দেশের সব মানুষের বুদ্ধি হাঁটুতে থাকে। উপরের ঙ দেখুন।

উপসংহার:
এই সিরিজে আমার আগের পোস্টটিতে ঘটনার সন্দেহভাজন কারা হতে পারেন সেটি তদন্তের একটি সূত্র হিসেবে অগ্রীম ইঙ্গিত দেয়ার চেষ্টা করেছিলাম এই বলে:

ঘটনার জন্য দায়ী মূল ব্যক্তিরা স্বাভাবিকভাবেই এখন দুশ্চিন্তার প্রহর গুনছেন। কারণ, তাদের পরিকল্পনা মত ঘটনা এগোয়নি, অন্তত এখনো তাই মনে হচ্ছে। তাদের চিহ্নিত করার আরেকটি আপাত সহজ উপায় আছে। তারা হয়তো এখন জোর চেষ্টা করবেন এ ঘটনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট তৃতীয় শক্তির দিকে জাতির নজর ফেরানোর . . . অবান্তর গুজব ছড়িয়ে।

কখনো ভাবিনি সে সন্দেহ এত দ্রুত বাস্তবতায় রূপ নেবে।
(বাকিটুকু পড়ুন.. অথবা নিচের দুই নং কমেন্ট দেখুন।
....
মুক্তাঙ্গনে প্রথম প্রকাশিত এবং লেখকের অনুমতিক্রমে পুনঃপ্রকাশত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28920795 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28920795 2009-03-06 21:49:56
বন্দী অথবা লাশগুলি কোথায়?
সবচে বড় প্রশ্ন: পিলখানায় ব্ল্যাকআউট কেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28917213 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28917213 2009-02-27 00:26:24
আচ্ছা, 'সাথী-ভাই' শব্দটা কারা ব্যাবহার করে? http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28916596 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28916596 2009-02-26 04:32:57 আসেন জাউ ভাত রান্না করি
তবে চিন্তাশীল পাচকগনের একটাই সমস্যা! জাতিশুদ্ধু আচানক জাউভাতে আসক্ত করিবার হীন প্রয়াসের পেছনে কে বা কাহারা সদা সক্রিয়!

আমোরা চক্ষের সম্মুখে প‌্যাঁচালীর পতন দেখিলাম... ডুবন্ত প‌্যাঁচার আবাস কি করিয়া জানি এক্টি বিশিষ্ট পত্রিকার ঘাড়ে সওয়ার হইলো...। যা হোক সেই জাউ পল্লীতে কাহারা দিনভর কা কা করেন তাহা সকলেই অবগত আছেন।

পরন্তু, এই ছামোয়ার পল্লী ঠিক কি কারনে আরেকটি জাউ পল্লীতে রূপ নিতেছে উহার সঠিক কার্যকারন আমাদের বাহির করা প্রয়োজন।

আম্রা ভাবিয়াছিলাম কুপমন্ডুকদের পতনের পর উহাদের উপদ্রব কমিবে, আমরা পুনরায় সৃষ্টিশীলতার চর্চায় ফেরৎ যাইবো।

উহার লক্ষন তো দেখিতেছিই না, বরং সকলের প্রতি মড্রামের বিমাতাসূলভ আচরন দেখিয়া মনে সত্যই প্রশ্ন জাগে... 'এই মচ্ছবের পেছনের জটিল ও গুরুতর আসল কারনটি কি?...']]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28915014 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28915014 2009-02-23 02:09:48
জাকির নায়েকের মিথ্যাচার: প্রসঙ্গ 'বিবর্তন' -২ শিক্ষানবিশ


পূর্ববর্তী পর্ব

০২। "পেক অ্যাট নিচেস" বলতে তিনি কি বোঝাতে চেয়েছেন তা এখনও বুঝতে পারলাম না। পেক শব্দের অর্থ তো ঠোঁকর দেয়া। আর এখানে "ইকোলজিক্যাল নিচ" তথা বাস্তুতান্ত্রিক পরিবেশ বোঝানো হচ্ছে। পরিবেশকে কিভাবে ঠোকর দেয়া যায় এটা জাকির নায়েকের সাথে দেখা হলে শিখে নেব। <img src=" style="border:0;" /> তবে আপাতত আমার মনে হচ্ছে এখানে, pecking এর বদলে living হবে। অর্থাৎ পাখিরা বাস্তুতান্ত্রিক পরিবেশে বাস করে।
নার্ভাসনেসের কারণেই কি তার মুখ দিয়ে এসব আবোল তাবোল কথা বেরিয়ে এসেছে। তিনি সম্ভবত এরকম কিছু একটা বলতে চেয়েছিলেন:
Darwin did spend several years sailing around the entire world as ship’s naturalist in the HMS Beagle. One of his stops were the Galapagos Islands, where he found a number of finches (birds) that LIVED (not “pecked”) in different ecological niches.
একি মিথ্যাচার! নাকি ইন্টারনেটের কোন অপবিজ্ঞান ও অন্ধ-ইসলামের প্রচারক সাইট থেকে মুখস্থ করা অংশটুকু হঠাৎ ভুলে গিয়েছিলেন!

"DEPENDING UPON THE ECOLOGICAL NICHES THEY PECK, THE BEAKS KEPT ON BECOMING LONG AND SHORT. THIS OBSERVATION WAS MADE IN THE SAME SPECIES - NOT IN DIFFERENT SPECIES"

০৩। একে তো উনি দ্বীপ এবং পাখির নাম কোনটাই বলতে পারেননি, তার উপর পর্যবেক্ষণ করা পাখিগুলোকে একই প্রজাতির বলে আখ্যায়িত করেছেন। উনি এখানে গালাপাগোস দ্বীপের ফিঞ্চ পাখির কথাই বোঝাতে চেয়েছেন, এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু দুঃখের বিষয়, গালাপাগোস দ্বীপে ডারউইন ফিঞ্চ পাখির ১৪ টি ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। একটু গভীরে গেলে নায়েকের অজ্ঞতা আরও প্রকাশ পাবে। দ্বীপে পাখিগুলো দেখার সময় ডারউইন বুঝতে পারেননি যে, এগুলো একই পাখির ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতি, সেটা বোঝার কোন উপায়ও ছিল না। সবগুলো নমুনা লন্ডনে ফিরিয়ে আনার পরই একজন পেশাদার পক্ষী বিশারদের সহায়তায় তিনি ভিন্ন প্রজাতির বিষয়টি বুঝতে পেরেছিলেন। নায়েক এখানে আরও একটি ভুল করেছেন, একই প্রজাতির মধ্যে beak তথা ঠোঁটের দৈর্ঘ্যের পার্থক্য গণনার মধ্যেই আসে না। এই পার্থক্যটা কেবল ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির ক্ষেত্রেই আসে। একই প্রজাতির ফিঞ্চ পাখির একটার ঠোঁট ছোট আর অন্যটার বড় কেন- ডারউইন নাকি এই পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। এসব শুনলে ডারউইন নির্ঘাত স্ট্রোক করে বসতেন।

০৪। ভিন্ন প্রজাতির বিষয়টা তো গেল। এবার পার্থক্যের কথায় আসা যাক। প্রজাতিগুলোর মধ্যে ঠোঁটের দৈর্ঘ্য ছাড়াও আরও অনেক পার্থক্য ছিল: রং, দেহের আকার, সঙ্গীর সাথে ব্যবহার, গান এবং খাদ্যাভ্যাস। এগুলো এতই পৃথক ছিল যে ডারউইন দ্বীপে থাকার সময় বুঝতেই পারেননি, এরা সবাই ফিঞ্চ পাখি।

CHARLES DARWIN WROTE A LETTER TO HIS FRIEND THOMAS THOMTAN, IN 1861 SAYING ‘I DO NOT BELIEVE IN ‘NATURAL SELECTION’- THE WORD THAT YOU USE - I DON’T BELIEVE IN ‘THEORY OF EVOLUTION’ BECAUSE I HAVEN’T GOT ANY PROOF. I ONLY BELIEVE IN IT BECAUSE IT HELPS ME IN CLASSIFICATION OF EMBRYOLOGY, IN MORPHOLOGY, IN RUDIMENTARY ORGANS’.

০৫। THOMAS THOMTAN? এই নামে গুগল সার্চ করে কাউকে পাওয়া গেল না। অবশেষে "The Correspondence of Charles Darwin" এর স্মরণাপন্ন হতে হল। ১৪ খণ্ডের এই জ্ঞানকোষে ১৮২১ থেকে ১৮৬৬ সাল পর্যন্ত ডারউনের সব লেখা স্থান পেয়েছে। চিঠি, ডায়রি, আত্মজীবনী সব ঘেটেও এই নামে কাউকে পাওয়া গেল না। তবে হ্যা, যিনি গালাপাগোসকে ক্যালাট্রপিস বলেছেন তার পক্ষে থমসনকে থমটেন বলাও বেশ স্বাভাবিক। তাই থমসন নামে সার্চ করা হল। হ্যা টমাস থমসন (১৮১৭-৭৮) নামে সে সময়ের একজনকে পাওয়া গেছে।
ডারউইন কখনই থমসনকে চিঠি লিখেননি। কিন্তু থমসন ডারউইনকে একটি চিঠি লিখেছিলেন যা হারিয়ে গেছে। এই হারিয়ে যাওয়া চিঠি সম্পর্কে আমরা জানি কারণ, জোসেফ ডাল্টন হুকার ডারউইনের কাছে লেখা এক চিঠিতে থমসনের এই চিঠির কথা উল্লেখ করেছিলেন। অর্থাৎ ডারউইন ও হুকার পরস্পরকে যেসব চিঠি লিখেছেন কেবল সেগুলোতেই থমসনের নাম এসেছে।

:: ক্রমশ...::]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28914149 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28914149 2009-02-21 08:46:06
ব্লগে হিজবুত তাহরীরের অস্ত্বিত্ব প্রমাণিত হলো.. আমরা অনেকদিন থেকেই বলে আসছি, যে ব্লগে ধর্ম-ব্যাবসায়ী জামাত শিবিরের চেয়েও কয়েকগুন বেশি ক্ষতিকর হিজবুত তাহরীর উপস্থিত রয়েছে। এদের মূল লক্ষ্য খেলাফত নামের একটি ইসলামী গ্লোবালাইজেশন তৈরি করা। যেখানে শরীয়া আইন চলবে এবং রাষ্ট্রের অস্তিত্ব মুছে ফেলা হবে। ইত্যাদি ইত্যাদি।



এতোদিন ব্লগে হিজবুতের প্রচুর এজেন্টের উপস্থিতি আঁচ করা গেলেও, এই প্রথম একটা নিক স্বীকার করলো হিজবুতের লক্ষ্যগুলি। যদিও এরা 'সাম্রাজ্যবাদ', পুঁজিবাদ ইত্যাদি শব্দের এলোপাথাড়ি ব্যাবহার করে, কিন্তু কোন প্রকার সুস্পষ্ট বক্তব্য এর কাছ থেকে পাওয়া গেলো না।

আমাদের মনে হয় এদের সম্পর্কে সাবধান হবার সময় এসেছে। নয়তো আামাদের বিচার ব্যাবস্থা, ধর্মীয় সম্প্রীতি, ধর্মনিরপেক্ষতা/সেকুলার ভিউ, নারী স্বাধীনতা ধরে টান দেবে অতি শীঘ্রই। এখানে উল্লেখ্য পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশে হি.তা. সম্পূর্ন নিষিদ্ধ ঘোষিত এর অপকর্মের কারনে।

আজকে পাকিস্তানের সোয়াতে আমরা দেখছি ইসলামপন্থীরা শরিয়া আদায় করে নিয়েছে অস্ত্রের জোরে। সেখানে বেশিরভাগ স্কুল বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়া হয়েছে, মেয়েদের স্কুলে যেতে দেখা গেলে গুলি করা হবে বলে সাবধান করে দিয়েছে মোল্লারা।

আমরাও কি এধরনের একটি পৃথিবী দেখতে চাই? <img src=(" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28912715 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28912715 2009-02-18 02:30:55
আমরা ভেঙে দিতে চাই
আমরা কিছুই করবো না। শুধু একে একে তুলে ধরবো ভন্ডামি আর কুপমন্ডুকতার সুদীর্ঘ তালিকাগুলি। বইয়ে লেখা আছে এর লেখক 'মহা', এই দুষ্টচক্র ভেঙে দিয়ে মুক্ত করবো সাধারনের মানস। মোল্লা হুজুর অপাঙতেয় জীবগুলি ধীরে ধীরে বাধ্য হবে সমাজের জন্য প্রডাক্টিভ কাজে মগ্ন হতে। ইমাম কেন গ্রামের রাস্তা মেরামতে শ্রম দেননা? মাদ্রাসা থেকে বের হওয়া ভবিষ্যৎহীনদের কেন আমরা অপচয় হতে দেবো?

ডারুইন কে? একজন বিজ্ঞানী মাত্র, কিন্তু তার আবিষ্কার, অনেক লক্ষ আবিষ্কারের বাঁধ খুলে দিয়েছে। তাই তাঁর জন্মদিন আজ শীতলদেশের মোল্লার গায়ে জ্বলুনি ধরায়। তার জন্য কেন গায়েবী নীতিমালা এলো না, সেই অপরাধে আসুন আমরা মডারেট মডুদের নামে জামাতে মিছিল করি। <img src=" style="border:0;" />

ইগলুনিবাসীর সেই আইসবার্গ-সম ইগোর ভারে আজ ছামুয়ার টালমাটাল। উপলব্ধি কবে হবে তার, বাংলার মানুষ যেমন মু্ক্তিযুদ্ধ প্রাণ তেমনি ধর্মীয় উগ্রতার চরম বিরোধী। একই পত্রে মোল্লা আর প্রগতিশীল বার্তায় যে বিপদ আছে, তা সম্পর্কে মিথ্যাচারে আর সস্তা পলিটিক্সে অভ্যস্ত সিনিয়র কবে সচেতন হবে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28911873 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28911873 2009-02-16 06:33:10
এ্যব লিঙ্কন -::- ডারুইন; বার্থডে বাডিজ
লিঙ্কে ক্লিক করে এদের উপর চমৎকার এই ভিডিওটি দেখুন..




টাইম ম্যাগাজিনের সৌজন্যে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28910931 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28910931 2009-02-14 08:02:30
রাজাকার গালিটি কি হাইজ্যাক করা হচ্ছে?
পাত্তা পায় নি।

রাজাকার শব্দটি শুধুমাত্র একাত্তরে যুদ্ধাপরাধীদের জন্যেই নির্দিষ্ট থাকবে। একে সবার গায়ে লাগিয়ে ছিটিয়ে এর গুরুত্ব কমানোর চেষ্টায় পাপ মোটেই স্খলন হয় না, বরং অপচেষ্টটাই বড় হয়ে চোখে লাগে।

যুদ্ধের সময় রাজাকারদের অসংখ্য 'অপরাধ', মানুষ হত্য, ধর্ষণ ইত্যকার অপকর্মের কারনে এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার বিরোধীতার কারনে এদের লোকে আজীবন ঘৃনা করবে।

অন্যদিকে ভারত আমাদের উদ্বাস্তুদের আশ্রয়, খাদ্য, চিকিৎসা দিয়ে / মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং, অ্স্ত্রের যোগান দিয়ে আমাদের আজকের এই প্রাণের বাংলাদেশ ছিনিয়ে আনতে সহায়তা করেছিলো।

সেই ভারত আজ হয়তো দাদাগিরি ফলাচ্ছে.... কিন্তু সে কোন মতেই পাকিদের মতো আমাদের গনহত্যা করতে আসে নাই।

সুতরাং এভাবে ভারতের বিরোধীতা করে পাকিস্তানের সমকক্ষ হিসেবে প্রমানের অপচেষ্টায় সত্যিকারের রাজাকারেরাই লাভবান হবে।

এটাই কি চাইছি আমরা?

যেখানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে 'রাজাকার' শব্দটি অপ্রয়োজনে সবার গায়ে লাগিয়ে দিয়ে একে দুর্বল করার অপচেষ্টা কি সত্যিই কোন সুফল বয়ে আনছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28909898 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28909898 2009-02-11 23:34:26
ধর্ম কিভাবে 'প্রশ্ন-করা'কে দমন করে... একটি উদাহরন Click This Link দেখুন।

পোস্টে উল্লেখিত 'আলেম' একজন 'জালেম' সন্দেহ নাই। কারো প্রশ্নের জবাবে তাকে শারীরিক ভাবে আহত করা সমর্থনযোগ্য নয়।

আলেমের যুক্তি তার বিজ্ঞানে দখলের অভাবের মতোই ত্রুটিপূর্ন। এ ধরনের অপ-যুক্তি ব্যাবহার করেই গ্রামাঞ্চলে 'অ-শিক্ষিত' জনগোষ্ঠীর মাঝে এরা ধর্মের 'আলো' (??) ছড়িয়ে থাকে।

প্রথমতঃ
ইটের আঘাতে যে 'ব্যাথা' প্রাপ্ত হয়েছে তা 'প্রমান' করা সম্ভব। ইটা যে মারা হয়েছে তার চাক্ষুস স্বাক্ষীও বিদ্যমান। ইটের আঘাতে নাস্তিকের গায়ে যে দাগ বা কালশিটে পড়েছে তা-ই তার ব্যাথার উপযুক্ত প্রমান।

ইটের আঘাতে যে কেউ ব্যাথা পাবে। যেহেতু ব্যাথা'র কার্যকারন ইট দৃশ্যমান এবং গায়ে দাগ বিদ্যমান, সুতরাং এর অস্ত্বিত্ব সহজেই প্রমান যোগ্য। এছাড়াও, নাস্তিক বিচারের জন্য যে কাজীর কাছে গিয়েছেন, কাজী ব্যাথার অস্তিত্বের প্রমান চাইলৈ তাকেও পরীক্ষামূলকভাবে ইটা মেরে দেখানো যেতে পারে। তাতেও ব্যাথার অস্তিত্ব প্রমানিত হবে।

দ্বীতিয়তঃ
অপরাধ করে একে ভাগ্যলিখন বলে চালিয়ে দেয়া সু-বিচারের লক্ষন নয়। তাহলে গাজায় মৃত শিশুগুলির ব্যাপারেও আমরা ললাট-লিখন বলে চুপ করে বসে থাকতাম।

ধর্মের নামে ভাগ্যে বিশ্বাস করানো গ্রাম্য অ-শিক্ষিত মানুষেরা আর প্রতিবাদ করে না। তারা মেনে নেয় যে মাতব্বর/মোল্লা মিলে তাদের ওপর 'ইটা' মেরে যাবে এবং ললাট লিখন হিসেবে মেনে নিতে বলবে। এভাবেই ধর্মের উদ্ভাবন এবং অপব্যাবহার চলে আসছে।


নাস্তিকের নৈতিকতা:

উপরোক্ত উদাহরনে, নাস্তিক জানার উদ্দেশ্যেই আলেমকে প্রশ্ন করেছিলো। তার উত্তরে চরম বেয়াদবের মতো আলেম ইটা মেরে বসেছে। (এখানে আমরা তার উগ্র চরিত্র বা ধর্মে-নিষিদ্ধ প্রশ্নের প্রতি স্বভাব-গত অ-সহনশীলতার কথা ভাবতে পারি)। ইটা মেরে কখনো মৌখিক প্রশ্নের উ্ত্তর দেয়া উচিত নয়। আলেম ইটা মারার কথা বলে তার সাথে তর্কে প্রবৃত্ত হতে পারতেন। তা না করে ইটা মেরে তিনি একটি অপরাধ করেছেন।

'ঢিলটি মারলে পাটকেলটি খেতে হয়' নীতি অনুযায়ী নাস্তিক যদি আলেমকে লাঠির বাড়ি মারতেন তবে তা কি দুষনীয় হতো?

কিন্তু নাস্তিক তা করেন নি। উনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে (যা নৈতিক মূল্যবোধের এক অসাধারন নজির) বিচারকের আদালতে আরজি দাখিল করেছেন।

এ থেকে প্রমানিত হয়, ধর্মের নামে প্রচুর অপকর্ম হয়েছে এবং ধর্মের ধ্বজ্জাধারী আলেমরা আসলে অজ্ঞানী এবং উগ্র স্বভাবের। অথচ ধর্মের বাণী শান্তির বাণী হওয়া উচিত।

অন্যদিকে মোল্লাদের প্রচারিত 'নাস্তিকেরা মিথ্যা বলে, আইনের প্রতি কোন শ্রদ্ধা নেই, নীতি-নৈতিকতা বলে কিছু নেই' এটাও উক্ত নাস্তিকের 'কর্মের' মধ্য দিয়ে ভুল প্রমানিত হলো।

ইটা খেয়েও নাস্তিক আইন নিজের হাতে তুলে নেননি।

এ থেকে নাস্তিকের উন্নত নৈতিকতাই কি প্রমানিত হয় না?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28909744 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28909744 2009-02-11 18:35:26
একটি কুইজ! ব্লগ মোল্লা এগিয়ে এসেছেন তার সহকর্মীদের উদ্ধারে..

কান্তাজীর মন্দির, দখল করে মাদ্রাসা বানানোর অপচেষ্টায় রত মো্ল্লা শুয়ার গুলির প্রতি রাগ দেখানো মন্তব্যের ফায়দা উঠানোর চেষ্টারত ব্লগমোল্লা'র মাথা ঠিক আছে.. নাকি...

১. মনে হয় চুলকানি উঠেছে ২. মনে হয় ছাগাধম চুলকে দিয়েছে ৩. মনে হয় যাকির নায়িক বেশি দেখা হয়ে গেছে ৪. মনে হয় .... (আপনার মতামত দিন)
ভোট দিয়ে ওনার চুলকানীর অবসান করুন! ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28909331 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28909331 2009-02-10 20:33:03
তোমার রূপের রহস্য কি?.... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> (টিপস্‌: নিচে থাম্বনেইলে রাইটক্লিক কৈরা 'নয়া ট্যাবে ওপেন' দিলে বড় দেখন যাইবো)



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28909320 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28909320 2009-02-10 20:00:48
ধর্মের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে এই কথা ক'টির মাঝে কি সমস্যা আছে? একটি পরীক্ষা!
পাশের বাসার ফারিহাকে ছুয়ে দেখার ইচ্ছা বহুদিনের, <img src=" style="border:0;" />

অথবা কোন উৎসব-উপলক্ষে কয়েক পেগ মাদক চেখে দেখার ইচ্ছে আমার (বন্ধুত্বের খাতির রক্ষায়।) <img src=" style="border:0;" />

মহাখালীর টিকেট কেটে উত্তরা পর্যন্ত বাসে গিয়ে ভাড়া ফাকি দিবার মত বুদ্ধিমত্তা আমার আছে। (ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে কোন বিবেকের দংশন ছাড়াই হয়ত এ কাজ যে কেউ করবে।) <img src=" style="border:0;" />

পড়ে থাকা মোবাইল সযত্নে নিজের পকেটে রেখে দিতে ইচ্ছে হয় যখন নিশ্চিত জানি এর মালিক আর আসবেনা এর খোজে। (যদিও নম্বর খুজে মালিক কে পাওয়া যাবে।)

অন্ধকার রাস্তায় বা কেনাবেচার স্থলে কৌশলে কোন রমনীকে ছুয়ে দেবার কুৎসিত ইচ্ছা আসে মনে। <img src=(" style="border:0;" />

ক্ষমাহীন প্রতিশোধের নেশায় শত্রু উপর চড়াও হতে ইচ্ছে হয়, অদৃশ্য হয়ে প্রতারণার ছুরি ঢুকিয়ে দিতে ইচ্ছে হয় ভীষণ। <img src=" style="border:0;" />


অসংখ্য এমন অবদমিত ইচ্ছা পূরণ হয়না আমার। স্রষ্টা তার ধর্ম নামক পিস্তলের বাট ঠেকিয়ে রাখেন আমার মাথার ঠিক পিছনে।

হতবাক হয়ে ভাগ্যের বেহিসেবী খেলা দেখি, নিজে দুর্ভাগ্যের শিকার হই, শিকারের ভয়ে থাকি।

ঈশ্বরহীন পৃথিবীটা আসলেই বেপরোয়া, অভিভাবকহীন, জবাবদিহিতা বা ভাল মন্দের প্রতিষ্ঠিত মাপ কাঠি নেই। (এমন উদ্দেশ্যহীন বেঁচে থাকার জন্য জীবনের ঘানি টানার প্রয়োজন পড়েনা আত্মহনন কারীদের।)
--------------------------------------------------------------------------

উপরোক্ত বক্তব্যের ভেতর দিয়ে আস্তিকের ঠিক কি পদের মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে... সংক্ষিপ্ত ভাষায় বর্ননা করুন।

পুর্নমান: ১০
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28909038 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28909038 2009-02-10 03:43:41
আধুনিক যুগে ধর্মের আদৌ কোনো প্রয়োজন আছে?
কোন উপায় নেই।

এই ধরনের বিভিন্ন 'অজানা'কে ভিত্তি করেই বিভিন্ন সময় সুযোগসন্ধানী ও কল্পনাপ্রবন ব্যাক্তিগন 'মহাপুরুষ' সেজে বসে গেছেন। এরাই 'গড' বা ইশ্বর ইত্যকার অস্ত্বিত্ব আমদানী করেছেন। দুর্বল মানসিকতার মানুষ এই পাবলিসিটি গলাধকরন করেছেন আনন্দের সাথে।

পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মহাপুরুষ বিভিন্ন ধর্ম 'উদ্ভাবন' করেছেন।

আর এই ধর্ম বিক্রি করে জীবন ধারন করে থাকে কয়েকটি সম্প্রদায়।

= ধর্মভিত্তিক রাজনীতিক
= ধর্মের আচার পালনের জন্য পুরোহিত/মোল্লা/প্রিস্ট
= ধর্মের উসিলায় চ্যারিটি তৈরি করে টাকা উ্ত্তোলন
= ধর্মের নাম ভাঙিয়ে ব্যাবসা।
= ধর্মভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থার শিক্ষক/হুজুর

এভাবেই ধর্ম নামের সম্পূর্ন আনপ্রডাক্টিভ একটি বিষয় প্রতিদিন আমাদের পিছিয়ে দিচ্ছে্ আমাদের নানা পদের ভয়/লোভের বেড়াজালে আটকে রেখে।

অনেকেই ধর্মের প্রয়োজন আছে বলেন। বলেন নৈতিকতা ধর্ম হতে উৎসারিত, ধর্মের দার্শনিক প্রয়োজন আছে।

হয়তো একসময়ে দার্শনিক শুন্যতা পুরনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে আধুনিক যুগে এর প্রয়োজন কি আদৌ আছে?

কোন সলিড কারন কেউ দেখাতে পারবেন?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28908581 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28908581 2009-02-09 03:15:44
'ইঠি' -- 'ইমেইলে'র নতুন বাংলা প্রতিশব্দ 'ইঠি' হতে পারে?

ইমেইল = ইঠি প্রস্তাব করছি।

আপনাদের কি মত?





]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28908485 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28908485 2009-02-08 22:17:27
বাবার স্বপ্ন... <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28907761 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28907761 2009-02-07 01:58:59 আসলেই কিন্তু তিনি আমাদের ভালবাসেন.. <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> living in the sky -
who watches everything you do,
every minute of every day.

And the invisible man has a special list of ten things he does not want you to do.
And if you do any of these ten things,
he has a special place,
full of fire and smoke and burning and torture and anguish,
where he will send you to live and suffer
and burn and choke and scream and
cry forever and ever 'til the end of time . . .
... But He loves you! <img src=" style="border:0;" />

---GEORGE CARLIN


এক্টা ওনুবাদ ফর্মাইলাম..

--------------
মানুষ সত্যই বিশ্বাস করে আসমানে একজন বাস করে, কাম নাই, তাই দিনের পুরাটা সময় সে মানুষরে খুব খৈয়াল করে, হিসাব রাখে।

সে একখান লিস্টি দিয়া দিছে। তারে তুষ্ট রাখতে হৈলে তোমারে ঐ লিস্টি মাইনা চলতে্‌ই হবে।

তয় খালি পান থাইকা চুন খসলেই বান্দা, হেহেহেহ্, তুমার খবর আছে কৈলাম!

রাগের ঠ্যালায় এমন এক নরকে নিয়া ফালাইবো তুমারে, সারাটা জীবন খালি পুড়তেই থাকবা কষ্টে। অত্যাচারের হেন অস্ত্র তুমি কল্পনা করতে পারবানা যা তার ভান্ডারে নাই।

তুমি যতোই কান্নাকাটি করো না কেন... রেহাই দিবোনা তিনি তোমারে।


তবে সব শেষে কাহিনী হৈলো.. তিনি বলতে চান, যে তিনি নাকি তোমারে আসলেই ভালোবাসে.. <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28907295 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28907295 2009-02-05 23:24:51
ফার্স্ট বেঞ্চ না দিলে কিন্তু ক্লাস করবো না...<img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_16.gif" width="23" height="22" alt=":((" style="border:0;" />
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28907215 http://www.somewhereinblog.net/blog/MiltonUK/28907215 2009-02-05 20:42:43