পথ চলা
প্রথম পিরিয়ড কেটে গেলো এ্যসেম্বলির প্র্যাকটিসে, তারপর ব্রেক। দ্বিতীয় পিরিয়ডে টিচার আসেনি, তাই সবাই টেবিল-চেয়ার-কার্পেট এ শুয়ে-বসে ম্যারি এনটুন্যেট দেখলাম। কে যেন এক প্যাকেট চকলেট এনেছিলো - সেটা দিয়ে পঁচিশজনের ছোটখাটো একটা পার্টি হয়ে গেলো। দুঃখের ম্যুভি দেখতে দেখতে মানুষ যে এতো মজা করতে পারে কে জানতো! ইংলিশ পিরিয়ডেও একই কান্ড।
লাঞ্চ টাইমে হঠাৎ করে মনে হলো সবুজ চেয়ারগুলোতে আর কোনদিন বসতে পারবো না। তারপর মনে পড়লো একটু পরে স্কুল সার্টিফিকেটের ফলাফল দেবে। হৃদপিন্ড রিতিমত লাফাচ্ছিলো। নিরো আর দানুশা দুটো সিটে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়লো - ওদের নাকি ঠান্ডা হওয়ার জন্য আকাশ দেখা লাগবে। আর আমরা বাকি চারজন ওদের দেখতে থাকলাম। দানুশা হঠাৎ করে লাফিয়ে উঠে গান গাওয়া শুরু করলো, সান শাইন-ফ্লাওয়ারস-বাটারফ্লাই নিয়ে কিছু একটা। ওর স্ট্রেস লেভেল এতো ওপরে উঠে গিয়েছে দেখে মায়া লাগছিলো, সিট থেকে কয়েক সেকেন্ডের জন্য উঠেছি তার পাশে বসতে। এই কয়েক সেকেন্ডে অনেক কিছু ঘটে গেলো। আমার পেছনে সবাই চোখ বড় বড় করে হাসি থামানোর চেষ্টায় আমার নাম অতি কষ্টে গলা থেকে বের করার পর পরই টের পেলাম স্কুলের ধোয়া শার্ট আর ধোয়া নেই। বিশ্বাসী গাছটা চার বছরের শেষ দিনে বিশ্বাস ভঙ্গ করলো।
যাহা হউক, পরিষ্কার করা গিয়েছিলো পাখির অপকর্মের ফল। গ্র্যাজুয়েশনের জন্য হলে গিয়ে বসলাম সময় মতো। একে একে সবার বাবা-মারা আসলো, বক্তৃতা শুরু ও শেষ হলো, কয়েকজন 'আইল বি দেয়ার ফর ইউ' গাইলো ও রেসাল্ট দেওয়ার সময় আসলো। ততক্ষনে আমার মনে হচ্ছিলো, খারাপ করলে কি আর হবে? ষাট/সত্তুর বা পঞ্চাশের ঘরে মার্ক পেলে দুনিয়াটা ঠিক উল্টে যাবে না। আমার সময় এলে কাগজগুলো হাতে নিয়ে সহজভাবেই হেটে এলাম, কিন্তু মা বা বাবার দিকে তাকাতে পারছিলাম না। আমার দুনিয়া ঠিক থাকলেও ওদের দুনিয়া উল্টে যেতে পারে।
রেসাল্ট খারাপ হয়নি, একজনের বিশেষ রহমতে। বাকি দিনটাও ভালো মতো কেটেছে। ছবি-টবি তুলে ক্লাসের সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে এলাম আমাকে বড় করার জায়গাটা থেকে।
কয়েকজনকে বিদায় দেওয়ার জন্য পৃথিবী থেমে থাকে নি। পরের দিন থেকেই ভীষন ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। ঈদের প্রস্তুতি, তারপর ঈদ। এখনও সেই ব্যস্ততার রেশ কাটেনি। একটু পরেই কয়েকজনের বাসায় যাওয়া হবে। যদিও আজকে বসেছিলাম ঈদ নিয়ে লিখতে, লিখে ফেললাম গ্র্যাজু্য়েশনের কথা। আজব!
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।