আমার প্রিয় পোস্ট
- কবিতার অভিমানের সময় - সুলতানা শিরীন সাজি
- তাহলে স্যাম মানেকশ-ই বাংলাদেশের স্রষ্টা? - ফারুক ওয়াসিফ
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- নবীনদের জন্য - নাদান
- রাজনৈতিক জিঘাংসা ব্লগে- - অপ বাক
- গরুপ্রধান দেশে শুয়োরের ঘোঁত ঘোঁত শব্দে আমাদের তাল কেটে যায় - মৃদুল মাহবুব
- জোনাক ধরার কাচের বয়াম - মুয়ীয মাহফুজ
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং প্রাসঙ্গিক আইনের বিশ্লেষণ ( শেষ পর্ব ) - একরামুল হক শামীম
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- কপিরাইট মাজেজা আমি যেমনে বুঝি - অন্যমনস্ক শরৎ
- বাংলার বীরশ্রেষ্ঠ সন্তানেরা - সাত বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধার জীবনী - রাগিব
- মানুষ একাকী এক মিথ - মৃদুল মাহবুব
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- টুকুনের জন্য । - নরাধম
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌবনের দিনগুলি - বিবর্তনবাদী
- লাল গাড়ি আর লাল বালিকার গল্প - নিধিরাম সর্দার
- বিহংগের বয়কট - বিহংগ
- বাঙ্গালির আন্দোলনের স্লোগানমালা: '৫২ থেকে '৭১ (দ্বিতীয় পর্ব--'৬৯-'৭১) - ফারহান দাউদ
- একজন কীর্তিমান বাংলাদেশী : যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান আইটি সিকিউরিটি সলিউশন কোম্পানীর CIO এবং Senior Vice President হিসাবে নিয়োগ পেলেন ওমর ফারুক খন্দকার - মিরাজ
- তবুও তাহারা মৌন রহেন... - জামাল ভাস্কর
- কবিতা সমগ্র : উৎসর্গ নীলাঞ্জনা - অমি রহমান পিয়াল
- একজন জাকির হোসেন ও একটি রুখে দাড়ানোর গল্প - হাসিব
- তোরা সব বোকার দল, মরবি না তো কে মরবে - এহেছান লেনিন
- ফায়ারফক্স এর আকর্ষণীয় কিছু ট্রিকস...... - মানচুমাহারা
- জিজ্ঞাসার অন্তরালে - শেখ জলিল
- ম্যারিয়েটা, জ্যাক এবং অতঃপর ভ্যালেরী - সৈয়দ দেলগীর
প্রবাস জীবন - ১: প্রস্ততি পর্ব
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:৫৩
প্রবাসে আছি দুই বছরের থেকে কিছু বেশী সময় ধরে। এই সময়টাতে বিভিন্ন স্বাদের বেশ কিছু অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছি, যার বেশ কিছু খুব চমকপ্রদ, কিছু বিচিত্র আর কিছু কষ্টদায়ক।
পড়াশোনার স্বার্থে বিদেশে থাকতে হবে আরও দুই বছরের মতো। তারপর আশা করি আমার দেশের মাটির গন্ধে বাকী জীবনটা কাটাতে পারবো। ডায়েরী লেখা আমাকে দিয়ো কোন কালেই হয়নি।
এই যে টৃকরো টুকরো প্রবাস স্মৃতিগুলো, এরা বোধহয় হারিয়েই যাবে। তাই ভাবছি প্রবাস জীবন নামে ধারাবাহিক ভাবে লিখব। এটি হবে অভিজ্ঞতাগুলোকে ধরে রাখার একটা প্রচেষ্টা। প্রবাস জীবন হবে একেবারে আমার নিজের আনন্দের জন্য লেখা। আপনাদের সাথে শেয়ার করছি, যদি ভালো লাগে, খুশী হবো। কারো কাছে আপত্তিকর বা অ-প্রয়োজনীয় মনে হলে শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
আজ থাকলো প্রস্ততি পর্ব, একটু পেছন থেকেই শুরু করছি।
# বিদায় কর্পোরেট জীবন
--------------------------------
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শেষ বছরে এসে ঠিক করলাম শিক্ষকতা করলাম। বি ফার্ম করার পর একটি কোম্পানীতে জয়েন করি রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট ফার্মাসিস্ট হিসাবে। সেখানে কাজ করতে করতেই মাষ্টার্স। অদ্ভূত একটা জীবন ছিলো। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ক্লাস, তারপর দৌড়ে প্রেস ক্লাব এবং সেখান থেকে বাস নিয়ে অফিসে। তারপর দুপুর ২টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত অফিস করে বাসায় ফেরা।
থিসিস করার সময় কাজের সময় পাল্টে গেলো। তখন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত অফিস করি। তারপরের গন্তব্য সোজা কার্জন হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বেলা ৩টা থেকে রাত্র ১০টা-১১টা পর্যন্ত ল্যাবে কাজ করে তারপর একটা রিকশা নিয়ে মোহাম্মদপুর। এভাবে দুটি বছর কাটিয়ে দেবার পর অনেকটা হুট করেই সিদ্ধান্ত নিলাম যে কর্পোরেট জীবন আর নয়, শিক্ষকতা করবো। প্রফেশনালি যারা কাছাকাছি ছিলেন তারা বোঝানোর চেষ্টা করলেন। কর্পোরেট বেতন আর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের বেতনের কথা তুলে আকারে ইঙ্গিতে ভবিষ্যত অর্থনৈতিক দূর্দশার কথাও স্মরণ করিয়ে দিলেন কেউ কেউ। কিন্তু নিজের ক্যারিয়ার ডিসিশন শেষ পর্যন্ত নিজেই নিলাম।
২০০০ সালে এম ফার্ম পাশ করার পরই জয়েন করলাম একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে আড়াই বছর কাটানোর পর অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান হলো, ২০০৩ এর অক্টোবরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিলাম লেকচারার হিসাবে।
# স্কলারশিপ প্রাপ্তি
-----------------------
বন্ধুরা তখন জমকালো চাকরি করছে বিভিন্ন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীতে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের অনেক সহপাঠী আবার দেখলাম প্রচন্ড দক্ষতার সাথে মনবুশো স্কলারশীপ নিয়ে জাপান চলে যাচ্ছে পি এইচ ডি করতে। একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের ক্যারিয়ারের প্রথম কাজ হচ্ছে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা নেয়া বা পি এইচ ডি করা। জাপান নিয়ে মনের ভিতর একটা ভীতি ছিল, জাপানি ভাষাই সম্ভবত: এর কারণ। মনের সুখে কথা বলতে পারবোনা আর দীর্ঘদিন একজায়গাতে কাটাতে হবে এটা আমার চিন্তারও বাইরে। আর ওদের অবিশ্বাস্য রকমের কাজপাগল স্বভাব আমার মত ফাকিবাজের জন্য খুব আদর্শ জায়গা হবেনা এই বিশ্বাস থেকেই কোনদিন জাপানে স্কলারশীপের জন্য আবেদন করিনি।
ঠিক করলাম কোন ইংলিশ স্পীকিং দেশে পি এইচ ডি করবো। তারমানে পছন্দ সীমিত হয়ে গেলো। হয় ইউরোপীয় নয়ত আমেরিকান কোন বিশ্ববিদ্যালয়। যেখানে প্রথম সুযোগ আসবে সেখানেই দৌড়। কিন্তু আমাকে স্কলারশীপ দিবে কে?
ইংল্যান্ডে আসার জন্য কমনওয়েলথ স্কলারশীপ একটা প্রেষ্টিজিয়াস এওয়ার্ড। সাথে ফ্যামিলি নিয়ে যাবার সুযোগ রয়েছে। আমেরিকা যেতে হলে জি আর ই তে ভালো করতে হবে এবং তারপর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টশীপের জন্য আবেদন করতে হবে। সাথে ফ্যামিলি নিয়ে যাওয়াটা নিশ্চিত নয়। ততদিনে যেহেতু মন আর ঘর দুটোই বেধে ফেলেছি, ফ্যামিলি সাথে করে নিয়ে যাওয়াটা সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে একটা বড় ভূমিকা রাখলো। অতএব কমনওয়েলথ স্কলারশীপকেই প্রায়োরিটি দেবার সিদ্ধান্ত নিলাম।
শুরু হলো আবেদন পর্ব। বিশ্ববিদ্যালয় মন্জুরী কমিশনের বারান্দায় বসে মৌখিক সাক্ষাতকারের অপেক্ষা। প্রতি বছর পরিচিত মুখেদের দেখা পাচ্ছি। সবার স্বপ্নই উড়াল দেবার। দুই বারের ব্যর্থ চেষ্টার পর ৩য় বছরে এসে বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিক ভাবে নির্বাচিত হলাম। এরপর বাকী রইল কমনওয়েলথ কমিশন ইউ কে থেকে চূড়ান্ত মনোন্নয়ন। বিশ্ববিদ্যালয় মন্জুরী কমিশন থেকে জানালো প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে মনোনীতদের শতকরা ২০-২৫ ভাগ চূড়ান্ত মনোন্নয়ন লাভ করে।
শুরু হলো অপেক্ষা পর্ব। প্রায় প্রতিদিন মেইল বক্স চেক করি, প্রয়োজনের চেয়ে বেশিই করি। বিভিন্ন জনের সফলতা ব্যর্থতার খবর আসতে থাকে, কিন্তু আমার জন্য কোন খবর নাই। চার মাসের অনন্তকালের প্রতীক্ষার পর ২০০৫ সালের মার্চ মাসে পেলাম সেই বহুল প্রতীক্ষিত চিঠি। আমাকে কমনওয়েলথ স্কলারশীপের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। সেশন শুরু হবে অক্টোবর ২০০৫ থেকে। এর মধ্যে ভর্তি, ভিসা সহ যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করার একগাদা নির্দেশ নামা।
শুরু হলো দীর্ঘ প্রবাস জীবনের প্রস্ততি পর্ব।
(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
আসল ট্র্যাপ বলেছেন:
এইটা বিশ্ববিদ্যালয় বিষয়ক সিরিজের চেয়ে ভালো হইবো আশা করি।
শামনগড় বলেছেন:
প্প্বনপ্প্বক্ষ্মপ্প্ম প্প্বঙ্................প্প্ম্র
৫
জীবন যাপন মানেই প্রবাস যাপন।
'লাইফ ইজ এ্যা জার্নি টুওয়ার্ডস ইটারনিটি।'
কভ্ কাঁহাসে কিধার যা না হ্যায় কিসিকো মালুম নেহি।
মিরাজ বলেছেন:
ধন্যবাদ আসল ট্র্যাপ, নাজিরুল হক, শামনগর, বীর, চতুরভূজ ও সারওয়ারচৌধুরী আপনাদের মন্তব্যের জন্য।শামনগর আপনার মন্তব্যতো বুঝতে পারলাম না ভাই।
শামনগড় বলেছেন:
ওহ!! বলছিলাম... লেখা ভালো লেগেছে। চালিয়ে যান..৫।এনিওয়ে...আমি 'ড্রাগ ডেলিভারি উইথ কোয়ান্টাম ডটস এন্ড ইটস ইফেক্ট অন সেলস' এর উপর পড়াশুনার চেষ্টা করছি.......
আশা করি আপনি স্পেসিফিক কি নিয়ে কাজ করছেন জানতে পারবো .........পরের পর্বে...ঈদ মোবারক।
মিরাজ বলেছেন:
@ শামনগড়এবার বোঝা যাচ্ছে

ধন্যবাদ আর আপনার পড়াশোনায় সাফল্য কামনা করছি।
আমার কাজ নিয়ে পরবর্তী পর্বগুলিতে আলোচনার ইচ্ছা আছে।
তানভীর বলেছেন:
মিরাজ,প্রোফাইলটা এতদিন খেয়াল করিনি। সামহোয়ার ইনে আপনাকে দেখে ভাল লাগল। আপনাদের বাংলাক্রিকেট ফোরামটাও আমার খুব পছন্দ। লেখা ভাল লেগেছে। বাংলায় আরো লিখতে থাকুন। ৫
রাগিব বলেছেন:
চমৎকার ...আপনার ক্যারিয়ারের গতিপথটাও ইন্টারেস্টিং লাগছে, মানে ঐ প্রথমে কিছুদিন চাকুরি করে তার পরে শিক্ষকতা । আর গবেষণার বিষয়টা তো আরো ভালো, তানভীর ভাইয়ের মতো আমিও আজকে প্রোফাইলটা ঘেঁটে দেখলাম।
বুয়েটে অনেকে কমনওয়েলথ বা অন্য বৃত্তির জন্য আবেদন করতো, কিন্তু এসবের জন্য অনেকদিন বসে থাকার ধৈর্য্য আমার ছিলো না কোনোদিন। তাই বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং পাশের ছয় মাসের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাই ডাইরেক্ট পিএইচডি প্রোগ্রামে। প্রবাস জীবনের শুরুর দিকে এটুকু পার্থক্য আপনার সাথে।
শিক্ষকদের বেতনের কথাটা সত্যি, তবে এটা কিন্তু দুনিয়ার সর্বত্রই সত্যি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও শিক্ষকদের বেতন একজন সদ্য যোগ দেয়া সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারের চেয়ে কম। তবে শিক্ষকতা জীবনের আনন্দ এবং স্বাধীনতা অনেক বেশি, আর এই আনন্দ টাকা দিয়ে কেনা সম্ভব না।
+৫, আর ঈদ মোবারাক।
দূরন্ত বলেছেন:
পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম। আমিও আপনার মতো পড়াশোনার জন্য বিদেশে আছি
মিরাজ বলেছেন:
ধন্যবাদ তানভীর এবং রাগিব ভাই।@ তানভীর
বাংলা লেখাতে আপনার উত্সাহের জন্য ধন্যবাদ। অনেক দিন পরে লিখছি। আর বাংলাক্রিকেট ওয়েব এ আমার সবচেয়ে পছন্দের সাইট। বাংলাদেশ আর প্রবাসের স্বাদটা একসাথে পাওয়া যায় ওখানে।
@ রাগিব ভাই
মাষ্টার্সের ছাত্র থাকা অবস্থায় বছর দুয়েক চাকরি না করলে বোধ হয় শিক্ষকতা পেশায় আসা হতো না।
আর শিক্ষকতা পেশার আনন্দ কোনভাবেই বেতন দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। এ ব্যাপারে আপনার সাথে সম্পূর্ন একমত।
যুক্তরাষ্ট্রে যাবার ইচ্ছা ছিল কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করি বউ বাচ্চা সাথে করে নিয়ে আসার জন্য।
ঈদের শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন:
ভাল লাগল। চালিয়ে যান।৫
বিবণ বলেছেন:
ভাল লেখা।
মিরাজ বলেছেন:
ধন্যবাদ বিবণ ও উম্মু আব্দুল্লাহ ।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
ঈদ মোবারকপ্রবাসে গিয়ে সাফল্যের মোহে জালে আটকে পরে দেশ কে ভুলে যাইয়েন না।
অর্থ আসবে, সাফল্য আসবে, কিন্তু দেশ একবার হাড়িয়ে গেলে সেটা আর ফেরত আসে না। দেশ আমাদের কাছ হতে অনেক কিছুই আশা করে সেটার প্রতিদান আমাদের দিতে হবেই।
মিরাজ বলেছেন:
@ মাহবুব সুমনঈদ মোবারক। ভাই দেশ হারাতে চাইনা। আর আমার সন্তানদের শৈশবটাকেও নষ্ট করতে চাই না। পড়াশোনা শেষ হলেই উড়াল দেব দেশে।
রাগিব বলেছেন:
মিরাজ ভাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরি কি পার্মানেন্ট করে এসেছেন?
মিরাজ বলেছেন:
@ রাগিব ভাইজ্বি ভাই আমি পার্মানেন্ট পোষ্টে জয়েন করেছিলাম। তারপর probationary period শেষ করে আসার আগে Assistant Professor হিসাবে প্রমোশন পেয়েছি। এখন শিক্ষা ছুটিতে আছি।
রাগিব বলেছেন:
তাহলে আপনাকে ভাগ্যবান বলতে হবে। বুয়েটের চাকুরি ছেড়ে আসাটা আমার জন্য প্রচন্ড দুঃখের ব্যাপার ছিলো। কিন্তু চাকুরি স্থায়ী করতে হলে বুয়েটের নিয়ম হলো দুই বছর থাকতে হবে, এবং বুয়েট থেকে মাস্টার্স করতে হবে। সেশন জটে বছর দুয়েক হারাবার পরে আমার পক্ষে আর এতোটা সময় দেয়ার উপায় ছিলো না। তাই আমার জীবনের প্রথম চাকুরিটা ছেড়েই পিএইচডি করতে চলে আসতে হয়েছিলো। এখনও সেই দুঃখ কমে না ...
মিরাজ বলেছেন:
@ রাগিব ভাইভাগ্যবান বলতে পারেন তবে সেজন্য মুল্যও দিতে হয়েছে। আমি ১৯৯৭ সালের মাষ্টার্স এর ব্যাচ। পাশ করলাম ১৯৯৯ এর শেষের দিকে। আর পি এইচ ডি করতে আসলাম ২০০৫ এ। এই যে ৪-৫ বছর পিছিয়ে গেলাম ক্যারিয়ারে তা শুধু ওই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরীটা পার্মানেন্ট করার জন্যই। দেশের শিকড়টা হারাতে চাইনি।
কালপুরুষ বলেছেন:
ভাল লেখা। চমত্কার উপলব্ধি। জীবনের পথে পথে,
চলেছি উল্টোরথে;
গতি শ্লথ তবু পথ পাড়ি দেই,
চলাই জীবন কোন ক্লান্তি নেই।
কখনো কাদা-জলে আটকে যাই,
কখনো হতাশায় থমকে দাঁড়াই;
তবুও চলেছি যেতে হবে তাই,
থেমে গেলে মৃত্যু তারপর নাই।
মিরাজ বলেছেন:
@ বন্ধনহীনদেখবেন দেশ আপনাকে মায়ার বাঁধনে ঠিকই আটকাবে।
@ কালপুরুষ
ধন্যবাদ। কবিতাটি অসাধারণ।
বন্ধনহীন বলেছেন:
দেশের মায়ার বন্ধনে তো আছি সেই কবে থেকে। প্রবাস জীবনের অলি-গলিতে পেঁচিয়ে গিয়ে দেশে একেবারে ফিরে যেতে সুযোগ হচ্ছে না।
মিরাজ বলেছেন:
@ বন্ধনহীনসেই বন্ধনটা যখন আরেকটু শক্ত হবে তখন প্রবাস জীবনের অলি-গলি আর আপনাকে আটকে রাখতে পারবেনা।
চলে আসুন দেশে, একবার চেষ্টা করে দেখি দেশটাকে উন্নত করা যায় কি না।
বন্ধনহীন বলেছেন:
আশা করি, তাই যেন হয়। ধন্যবাদ আপনাকে মনে সাহস দেয়ার জন্য। অসহ্য হয়ে গেছে এ প্রবাস জীবন। আর ভাল্লাগে না।
বিহংগ বলেছেন:
মিরাজ ভাই , ঈদ মোবারক।আমারও আশা ছিলো ঢাবি'র টিচার হবো।রেজাল্ট ও ভালো ছিল।সবিই কপাল ,এখন পড়ে আছি আমেরিকায়।
মিরাজ বলেছেন:
@ বিহংগঈদ মোবারক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে অন্যায়ভাবে না নিয়ে থাকলে আপনি আসলে কিছুই হারান নি। হারিয়েছে ঢাবি এবং বাংলাদেশ। আমেরিকাতে আপনার সাফল্য কামনা করছি।
সময় সুযোগমত দেশে চলে আসুন। পরিবর্তন নিজেদেরকেই করতে হবে।
শিলা বলেছেন:
বড়ই প্রয়োজনীয় পোস্ট ভাইয়া। চালিয়ে যান যতক্ষণ পারনে। ৫।
রাশেদ বলেছেন:
ভালো লাগল।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














.jpg)

