আমার প্রিয় পোস্ট

যেতে চাও যাবে, আকাশও দিগন্তে বাঁধা, কোথায় পালাবে!

বাংলাদেশ এবং চলমান বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলন : চকচকে ডলার, আমাদের মৃত্যু নাকি বেঁচে থাকা?

০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৭

শেয়ারঃ
0 0 0

ইন্দোনেশিয়ার দ্বীপ বালিতে শুরু হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বৈশ্বিক সম্মেলন। অবস্থানগত কারনে বাংলাদেশ বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে একটি বাফার ষ্টেটের মর্যাদা লাভ করেছে। কিন্তু এই মর্যাদা লাভ কোন দেশের জন্যই সুখকর হতে পারেনা। সম্প্রতি ক্যাটেগরী ৫ সাইক্লোন সিডরের ভয়াল ছোবলের পর বাংলাদেশের বাফার ষ্টেটের ব্যাপারটি আবার সামনে চলে এসেছে। বঙ্গীয় ব-দ্বীপের ছোট্ট এই দেশটির উপর তীব্র শক্তির আরো সাইক্লোন এর সম্ভাব্য তান্ডব এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে বৈশ্বিক উষ্ণতা পরিবর্তন বিশ্বের জন্য চমত্কার একটি গবেষণা উপজীব্য হয়ে উঠেছে।

জাতিসংঘের উদ্যোগে আয়োজিত জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বৈশ্বিক এই সম্মেলন চলবে ৩ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সম্মেলন এর মুল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে একটি নতুন জলবায়ু পরিবর্তন প্রটেকলে রাজী করানো যেটি ২০১২ সালে কিয়োটো প্রটোকলের স্থলাভিষিক্ত হবে। কিয়োটো প্রটোকলের মেয়াদ শেষ হযে যাবে ২০১২ সালে।

পত্রিকান্তের প্রকাশ বাংলাদেশ বালি সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় আরো অধিক অনুদান চাইবে উন্নত দেশগুলির কাছে। ন্যায্য দাবী কোন সন্দেহ নাই । নিজে মরে যেখানে বিশ্বকে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা সম্পর্কে গবেষণার সুযোগ করে দিচ্ছে, সেখানে কিছু অতিরিক্ত অর্থতো চাইতেই পারে বাংলাদেশ। আমি নিশ্চিত উন্নত দেশগুলিও খুব একটা গররাজী হবেনা তাদের ট্যাক থেকে কিছু বাড়তি ডলার দিতে।

কিন্তু এতে কি কোন সমাধান হলো? বারবার আমরা মরতে থাকবো আর বারবার ভিক্ষা চাইতে থাকবো? উন্নত দেশগুলির হাতে যে আমার দেশের মানুষের রক্তের দাগ তা সামান্য কিছু ডলারেই মুছে যাবে?

অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে তাই ঘটতে যাচ্ছে। আজ গার্ডিয়ান পত্রিকায় প্রকাশিত বালি সম্মেলনের উইশ লিষ্টে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশ এর করণীয় বিষয়ে কোন বাক্য পেলামনা। সেখানে আফ্রিকান বায়োডাইভার্সিটির কথা আছে, বিপন্ন প্রাণীর কথা আছে, গ্রীণহাইস গ্যাস কমানোর কথা আছে, ট্রপিক্যাল ফরেষ্ট, চীন, ভারতের শিল্পায়ন সব আছে শুধু নেই আমার দেশের বিপন্ন মানুষের সহজলভ্য জীবনের কথা। তাদের রক্ষার ব্যাপারে কোন কার্যকর পদক্ষেপের কথা।

এতগুলো জীবন দিয়েও আমরা ব্যর্থ হয়েছি আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামের কথা বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে। সম্মেলন শেষে আমরা তৃপ্তির সাথে ঘোষণা করবো অতিরিক্ত কিছু মুষ্টি ডলার প্রাপ্তির কথা। পত্রিকাগুলোও বাহবা দিবে সরকারের এই প্রাপ্তিতে।

এভাবে চলবেনা। চলতে দেয়া উচিত নয়। উন্নত দেশগুলির হাতে যে রক্তের দাগ তা মোছার জন্য তাদেরকে কিছুটা হলেও ব্যবহার করতে হবে। অন্তত: আমার দেশের মানুষের জীবন রক্ষার জন্য হলেও।

বাংলাদেশের এখন উচিত অনুদান, খয়রাতি বা সাহায্যের কথা না বলে এই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার ব্যাপারে করণীয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট অবস্থান নেয়া। ভু-মন্ডলীয় অবস্থানের পরিবর্তন সম্ভব নয় কিন্তু প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তোলা অবশ্যই সম্ভব। বাংলাদেশকে উদ্যোগী হয়ে এই প্রতিরক্ষা বলয়ের সম্ভাব্য রূপরেখা প্রণয়নে উন্নত বিশ্বকে রাজী করাতে হবে। আমার মা মরছে, উদ্যোগ আমাকেই নিতে হবে।

একটি দীর্ঘমেয়াদী সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে পারলে সী লেভেলের নীচে অবস্থান করেও যে প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তোলা যায় সে উদাহরণতো বিশ্বে নেদারল্যান্ড করেই দেখিয়েছে। বাংলাদেশকে, এর মানুষকে রক্ষার জন্যে দরকার এইরকম একটি পরিকল্পনা। আর এই পরিকল্পনার ব্যাপারে বিশ্বকে রাজী করাবার একটি সুবর্ণ সুযোগ ছিল এই বালি সম্মেলন। কিন্তু হায়!! আমরা যে ভিক্ষাপ্রেমে মত্ত, চকচকে ডলারের লোভ হাজারো বাংলাদেশীর জীবনের চেয়েও বোধ করি বেশী লোভনীয়।

ভিক্ষার সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশ কি নিজেকে বাচাবার কথাটাও বিশ্বের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারবেনা?

 

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৫৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১২:২৭
মিরাজ বলেছেন: বালি সম্মেলন নিয়ে আরো জানতে চাইলে লিংক
২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪২
মিরাজ বলেছেন: কিয়োটো প্রটোকল নিয়ে জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।
৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৯
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: ভাই, কথা যা বলেছেন, সত্য।কিন্তু সমস্যা হচ্ছে - আমরা এই জলবায়ু সংক্রান্ত সমস্যাগুলো হালকাভাবে নিচ্ছি, যা কোনভাবেই হওয়া উচিত নয়।
কারন, সবার আগে অস্তিত্বের প্রশ্ন। কিন্তু আমরা কেউ ভবিষ্যতের কথা চিন্তাও করছি না, উদ্যোগ তো দূরের কথা। দুর্যোগ আসে, সাহায্য নেই,করি। কিন্তু কিভাবে এই দুর্যোগকে প্রতিরোধ করা যায়, এ নিয়ে কিছু নেই।
আর বাইরের দেশের কথা কি বলব? আপনি যে লিংক দিয়েছিলেন (ন্যাচেরাল এর), এটাকে দেখিয়ে কিন্তু আমরা অনেক কিছু করতে পারতাম। কিন্তু কে করবে বলুন। সবাই তো ব্যস্ত অগুরুত্বপূর্ণ কাজ নিয়ে।
কেউ শেখে না কিছু, এভাবেই সব শেষ হয়ে যায় একসময়।চলুন কোনভাবে জনমত গড়ে তোলা যায় কিনা চেষ্টা করে দেখি একবার।
৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:০২
ফারহান দাউদ বলেছেন: জলবায়ুর ব্যাপারটাকে সবাই হালকাভাবে দেখে,অনেকেই ভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ হবেই,এর পিছনে আমাদের কি ভূমিকা সেটা নিয়ে মানুষের মাথাব্যথা নেই,এটা নিয়ে বললেও বিশেষ পাত্তা পাওয়া যায়না,সমস্যার মূলে এটা,এমনকি,উন্নত দেশের সাধারণ লোকজনও এটা নিয়ে কতটা সচেতন সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে। আমাদের ৩য় বিশ্বের দেশগুলোর ক্ষতি যে একদিক দিয়ে পুরো পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেবে একদিন সেটা নিয়েও ওদের মাথাব্যথা নেই। সচেতনতা খুব বেশি দরকার,জনমত গঠন করা দরকার বিশ্বব্যাপী,কিন্তু এখনো আশার আলো দেখতে পাইনা। আর সম্মেলন গুলিতে বাংলাদেশের হয়ে যারা যায়,তারা আসলেই সেখানে কথা বলতে যায় নাকি দেশভ্রমণে যায় সেটা বুঝা মুশকিল।
৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:১০
আরশাদ রহমান বলেছেন: শুধু জলবায়ু নয় আমাদের দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে যারা যায় তাঁরা যোগ্যতার কারণেই হোক আর অন্য যে কোন কারণেই হোকনা কেন তেমন কোনো ভূমিকা রাখেনা। আমাদের দেশের লোকতো জলবায়ু সমস্যা কে হালকা ভাবেই নিবে কারণ জনগণকে এ ব্যাপারে শিক্ষিত করার মতো উদ্যোগ কই?
৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৪৫
মিরাজ বলেছেন: @ মোসতফা মনির সৌরভ
নিজেদের অস্তিত্বের চেষ্টা নিজেদেরই চালাতে হবে। বেশী দেরী হয়ে যাবার আগেই সেটা শুরু করতে হবে। আর সেটা করতে হবে আমাদের মত অপেক্ষাকৃত তরুণদেরই।
৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৫১
মিরাজ বলেছেন: @ ফারহান দাউদ
উন্নত বিশ্বে মানুষ এ ব্যাপারে খুবই সচেতন। অন্তত: ইউ কে তে এ ব্যাপারে সচেতনতা প্রশংসনীয়। আসলে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলি যারা এর প্রধান শিকার তাদের ভিতরেই সচেতনতা নেই।
৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৫৮
রাশেদ বলেছেন: ধন্যবাদ। সরকারের আগানো উচিত এই বিষয়ে।
৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:০২
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অফটপিক : জলবায়ু সম্মেলনে অস্ট্রলীয়ান প্রিমিয়ার কেভিন রাড কিয়োটো প্রটোকলে তার দেশের বিরোধিতার নীতি থেকে সরে এসে এটিকে ratify করেছেন ।

জলবায়ু থেকে শুরু করে রাজনীতি, অভিবাসন সব ক্ষেত্রে উগ্র নীতি থেকে অস্ট্রেলিয়ার নতুন সরকারের সরে আসাটা ভালো লাগলো
১০. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:১২
মিরাজ বলেছেন: @ আরশাদ রহমান
সহমত।

@ রাশেদ
অবশ্যই সরকারকে আগাতে হবে তবে আমাদেরকে সচেতনভাবে চাপ প্রয়োগ করতে হবে।

@ মেহরাব শাহরিয়ার
ভালো খবর এবং অবশ্যই প্রাসঙ্গিক।
১১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৪৭
মদনবাবু বলেছেন: এসমস্ত অনুদান বা খয়রাত না আমাদের উচিত এদের কাছ থেকে বিশাল পরিমানের ক্ষতিপুরন আদায় করে নেওয়া । ওদের কে স্পষ্ট ভাষায় বলে দেই যে এই পৃথিবীর একজন অংশীদার আমরাও ।
১২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৭
তারিক হাসান খান নিপু বলেছেন: আচ্ছা ৭০ রেও তো আমাদের দেশে ঘূর্ণীঝড় হয়েছিল ,
তখন তো জলবায়ুর পরিবর্তন কোন ব্যাপার ছিলনা ।

সমুদ্র সীমা বাড়বে বলে সভ্যতার বিকাশ কারী উতপাদন ব্যাবস্হার রাশ টেনে ধরার চেষ্টা করা কি ঠিক হবে !

মানুষ প্রকৃতির যে পরিবর্তন করবে তাও একটা প্রাকৃতিক বিষয়ই ;
শুধু সম্ভাব্য পরিবর্তন আর তার ব্যাবস্হাটা প্ল্যান করে রাখলেই তো হয় ।

বিষয়টা আমার কাছে অনেকটা পদচারণাহীন ময়লা সোহরাওয়ার্দী উদ্দানে কৃত্তিম ভাবে পরিবেশ রক্ষাকারী গল্ফ কোর্সের বিরোধীতা করার মত মনে হচ্ছে ।
১৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫১
মিরাজ বলেছেন: @ মদনবাবু
শুধু ক্ষতিপূরণ আদায় করলে হবেনা। সেই ক্ষতিপূরণকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে উপকূলীয় অন্চলে একটি প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তুলতে হবে।
১৪. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৬
মিরাজ বলেছেন: @ তারিক হাসান খান নিপু
৭০ এ জলবায়ু পরিবর্তন ছিলনা এ ধারণা আপনি কোথায় পেলেন? জলবায়ু পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া । ১৯৭০ এ এই ব্যাপারে ধারণা হয়ত এত ব্যাপক ছিলনা কিন্তু তাই বলৈ পরিবর্তনতো থেমে ছিলনা।

বাংলাদেশের অবস্থানের কারণেই এটি ঘূর্ণিঝড়প্রবণ, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি সেটাকে আরো মারাত্মক রূপ দিচ্ছে।

কেউ এখানে উত্পাদন ব্যবস্থার রাশ টেনে ধরবার কথা বলছেনা, বলছে দায়িত্ব নেবার কথা। আপনি পোষ্টটা বুঝতে পারেননি।

প্ল্যান করার কথাইতো বলা হলো তাই আপনার শেষ তুলনাটির কোন প্রাসঙ্গিকতা খুজে পেলামনা।
১৫. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৯
মদনবাবু বলেছেন: তারিক হাসান খান নিপু বলেছেন :
২০০৭-১২-০৪ ১২:৪৭:১৯
সমুদ্র সীমা বাড়বে বলে সভ্যতার বিকাশ কারী উতপাদন ব্যাবস্হার রাশ টেনে ধরার চেষ্টা করা কি ঠিক হবে !
--
এখন হয়তোবা একথা বুঝে কিংবা না বুঝেই বলছেন ,কিন্তু যে দিন গ্রীণহাউজ এফেক্টে আামাদের কে হিমালয়ের কাছাকাছি বাসা বাধতে হবে সেদিন আফসোস করবেন কেনো রাশ ধরা হলো না ।
১৬. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৪
মদনবাবু বলেছেন: বিশাল ক্ষতিপুরনের ব্যপারটাকে শিল্পোন্নত দৈশগুলোর উপর এক ধরনের চাপ হিসেবে বুঝাতৈ চাইছি @ মিরাজ ।
১৭. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:১৭
মদনবাবু বলেছেন: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন :
২০০৭-১২-০৪ ০৫:০২:১০

অফটপিক : জলবায়ু সম্মেলনে অস্ট্রলীয়ান প্রিমিয়ার কেভিন রাড কিয়োটো প্রটোকলে তার দেশের বিরোধিতার নীতি থেকে সরে এসে এটিকে ratify করেছেন ।

জলবায়ু থেকে শুরু করে রাজনীতি, অভিবাসন সব ক্ষেত্রে উগ্র নীতি থেকে অস্ট্রেলিয়ার নতুন সরকারের সরে আসাটা ভালো লাগলো ।
--
পরপর তিন বছর খরাতে ভুগছে অস্ট্রেলিয়া । সরে না এসে উপায় কি ?
১৮. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৩
মিরাজ বলেছেন: ধন্যবাদ মদনবাবু আপনার মন্তব্যগুলির জন্য।

আসলে তারিক হোসেন নিপু যা বলেছেন তা আমাদের অসচেতনতার ফল এবং অনেক বাংলাদেশীই হয়ত একই ধারণা পোষন করে।

আর হিমালয়ের কাছাকাছি বাসা বাধতে চাইলেও যে আমাদের অধিকারে কুলোবেনা। তাই এই দেশটাকে রক্ষার জন্যই আমাদের এগিয়ে আসতে হবে ।
১৯. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:২৬
মিরাজ বলেছেন: প্রাসঙ্গিক একটি প্রশ্ন ব্লগার যারা বাংলাদেশে আছেন।

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের খবর কি? একসময় সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলাম যখন নাসের ভাই এবং সায়ীদ স্যার একসাথে ছিলেন। পরে নাসের ভাই তো বেরিয়ে গেলেন। বর্তমান অবস্থা কি?
২০. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৯
জামাল ভাস্কর বলেছেন: আমাগো শাসকগোষ্ঠী কখনোই আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে তাগো স্বার্থ নিয়া শির উচা কইরা দাঁড়াইতে পারে নাই...নতমস্তকে মূখাপেক্ষি আন্তর্জাতিক পলিসিতে খুব বেশি আশা করনের উপায় নাই...
২১. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০৯
মিরাজ বলেছেন: আসলে শাসকগোষ্ঠি নিজেদের আখের গোছানো নিয়েই এত ব্যস্ত থেকেছে যে এইসব ক্ষেত্রে একটা সাহসী অবস্থান নেয়ার কথা ভাবনাতেও আসে নাই। আর মরতেছে তো সাধারণ মানুষ।

সামনের দিনগুলোতেও যদি শির নতই থাকে তাহলে ওই নতমস্তকেই আমাদের মৃত্যুর কাফেলায় দাড়াতে হবে।

@ জামাল ভাস্কর
২২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৩
মদনবাবু বলেছেন: বাংলাদেশের পরিবেশ আন্দোলন কি আন্তজাতিক পরিমন্ডলে পা দিয়েছে ।@ মিরাজ
২৩. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৭
মিরাজ বলেছেন: বালি কনফারেন্সে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন রোধ করার জন্য ২০০ বাইসাইকেল ও শাটল বাস ব্যবহার করা হচ্ছে।

প্রতিকী উদ্যোগ ভাল, তবে তা যেন শুধুই লোক দেখানো না হয় ।
২৪. ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১৭
মিরাজ বলেছেন: সর্বশেষ খবর,
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল সম্মেলনে বাংলাদেশে বৈশ্বিক উষ্ণতা পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক গবেষণাগার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে।

খুবই ভালো প্রস্তাব এখন এটিকে সফল করা গেলে একটা কাজের কাজ হতো ।

এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করার ইচ্ছা আছে ।
২৫. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৩৯
মিরাজ বলেছেন: মিরাজ বলেছেন :
২০০৭-১২-০৬ ১৭:১৭:১০

সর্বশেষ খবর,
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল সম্মেলনে বাংলাদেশে বৈশ্বিক উষ্ণতা পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক গবেষণাগার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে।

খুবই ভালো প্রস্তাব এখন এটিকে সফল করা গেলে একটা কাজের কাজ হতো ।

এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করার ইচ্ছা আছে ।

উত্সাহী হয়েছিলাম। কিন্তু আজ পর্যন্ত প্রস্তাবের কোন অগ্রগতি নেই। বাংলাদেশের অনুচ্চ স্বর বিশ্ব সম্মেলনে শোনা যাচ্ছে না।
২৬. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:৪৭
ফারহান দাউদ বলেছেন: ব্যাপারটা হতাশার। এখন এটা প্রতিনিধিদলেরই ব্যর্থতা নাকি এই ব্যাপারে আমাদের উপর বিগ বসের চাপ আছে সেটাও ভেবে দেখার বিষয়,বেশি কথা বললে দেয়ার মত ছোটখাট হুমকি বা টোপ তাদের হাতে মজুত থাকে বলেই জানি। আশায় রইলাম,আর কিছু তো করার নেই,এমনিতেও পরিবেশ বিষয়ে আমাদের দেশে সচেতনতা প্রায় শূন্যের কোঠায়,ঢাকার রাস্তায় একবার বের হলেই সেটা বোঝা যায়।
২৭. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৪৩
মিরাজ বলেছেন: @ ফারহান দাউদ
সম্মেলন চলবে আগামী ১৪ই ডিসেম্বর পর্যন্ত। আগামী কয়েকটা দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ। সিদ্ধান্তগুলি আসতে শুরু করবে ১২ তারিখ থেকে।

আমি এখনও আশা নিয়ে বসে আছি, কিছু একটা হবে।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪৯৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ক্যান্সার এর বিপক্ষে কার্যকরী ওষুধ উদ্ভাবনের চেষ্টায় যৌথভাবে কাজ করছি ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে ও ন্যাশনাল ক্যান্সার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই