আমার প্রিয় পোস্ট

যেতে চাও যাবে, আকাশও দিগন্তে বাঁধা, কোথায় পালাবে!

পাঁচ বঙ্গসন্তানের কমনওয়েলথ জয় (এক অন্য রকমের বিজয় উদযাপন)

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৪০

শেয়ারঃ
0 0 0

১৪ই ডিসেম্বর দুপুর বেলা ব্যাগ গোছাচ্ছিলাম, Commonwealth Commission কর্তৃক আয়োজিত Global Science and Technology Conference এ যাওয়ার জন্য। Conference টি চলবে ১৪ই ডিসেম্বর সন্ধ্যা থেকে ১৬ই ডিসেম্বর বিকেল বেলা পর্যন্ত। Great Windsor Park এর Royal Cumberland Lodge এ আয়োজিত এই কনফারেন্স এ অংশ নেবে কমনওয়েলথভুক্ত সকল দেশের বিজ্ঞানী ও পিএইচডি গবেষনারত ছাত্ররা। ব্যাগের ভিতর যখন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাটা ঢুকাচ্ছিলাম তখন বউ অবাক হয়ে বলল এটা দিয়ে কি করবে!! বললাম ১৬ তারিখ বিজয় দিবস, দেখি কিছু করা যায় কিনা!!

১৪ তারিখে বিকালে সম্মেলনস্থলে পৌছালাম। আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধনের পরে শুরু হলো বিভিন্ন গবেষক এর প্রবন্ধ উপস্থাপনের পালা। ১৫ তারিখ সারাদিন ব্যাপী বিভিন্ন বিষয়ে আলোকপাত হলো। অদ্ভূত রকমের বৈচিত্র গবেষণার বিষয়ে, সাধারনত: কনফারেন্সগুলি বিষয়ভিত্তিক হয়ে থাকে কিন্তু এখানে নামিবিয়ার জেলিফিশ ব্লুম সংক্রান্ত সমস্যা থেকে শুরু করে নিউজিল্যান্ড এর উপকূলীয় জীব বৈচিত্র আর দক্ষিন আফ্রিকার মুঠোফোন ব্যাংকিং কি নেই আলোচ্য বিষয়ে!! এর মধ্যে আমার ক্যান্সার গবেষণাই বরং ম্যাড়মেড়ে লাগছিল।

১৫ তারিখ সন্ধ্যায় আয়োজকদের সাথে কথা বললাম পরদিন বাংলাদেশের বিজয় দিবস নিয়ে। সরাসরি প্রস্তাব দিলাম যে আমরা দিনের কার্যসূচীর শুরুতেই বিজয় দিবস উপলক্ষে সম্মেলনকক্ষে ছোট আকারের একটি কিছু করতে চাই । আয়োজকদের অন্যতম কমনওয়েলথের কমিশনার মনিকা ডারনবরো মুঠোফোনে কিছু আলাপ করে নিয়ে রাজি হয়ে গেলেন প্রস্তাবে। বললেন দিনের শুরুতে ১৫ মিনিট বরাদ্দ হলো আমাদের জন্য। এত অল্প চেষ্টাতেই রাজি হয়ে যাবেন বুঝতে পারিনি। বুকের মধ্যে ছোট্ট একটা আনন্দের ঢেউ বয়ে গেল। সাথে সাথে যোগাযোগ করলাম বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধিত্ব করা মোট চারজনের মধ্যে। এদের মধ্যে দুইজন আবার সিনিয়র প্রফেসর। খুলে বললাম আমার প্ল্যান। শুরুতে বাংলাদেশ নিয়ে একটা স্লাইড শো থাকবে, তারপর স্বাধীনতা সংগ্রামের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস এবং সবশেষে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত ।

একবাক্যে রাজী হয়ে গেলেন বাংলাদেশ কন্টিনজেন্ট। আমাকে অবাক করে দিয়ে সবচাইতে উৎসাহী হয়ে উঠলেন দীর্ঘ শশ্রুমন্ডিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর হোসেইন স্যার। ব্যাস আর যায় কোথা!! সবাইকে হাতে লিখে জাতীয় সংগীতের কপি ধরিয়ে দিলাম যাতে অনুষ্ঠানস্থলে কোন ভুল না হয়। তারপর রাত জেগে বাংলাদেশ নিয়ে একটি স্লাইড শো তৈরী করলাম, জাতীয় সংগীতের ইন্সট্রুমেন্টাল ভার্সন ডাউনলোড করে ঠিক করে রাখলাম। সাথে থাকল সংগে আনা সেই জাতীয় পতাকাটি।

১৬ই ডিসেম্বর ২০০৭, সকাল বেলা সম্মেলনস্থলে যেয়েই প্রথমেই প্রজেকশনের কাজে ব্যবহৃত ল্যাপটপে স্লাইডশো আর জাতীয় জাতীয় সংগীতের ইন্সট্রুমেন্টাল ভার্সনটি কপি করে নিলাম। অনুষ্ঠান সূচী অনুযায়ী নামিবিয়ার এক বিজ্ঞানীর একটি প্রবন্ধ উপস্থাপনের কথা। সভাস্থলে গুনগুন শুরু হলো যখন সভাপতি একটি চমকের কথা বললেন এবং বাংলাদেশের বিজয় দিবেসর কথা উল্লেখ করে আমাদেরকে মন্চে আহবান করলেন।

আমরা পাঁচজন সারিবদ্ধভাবে মন্চে দাড়ালাম। প্রথমেই শুরু করলাম বাংলাদেশ নিয়ে স্লাইড শোটি, মন্চে দাড়িয়েই নানা জনের চোখে যখন মুগ্ধতা আর বিস্ময় দেখতে পাচ্ছিলাম বাংলাদেশের সৌন্দর্যে তখন এক অদ্ভুত আনন্দে বুকের ছাতি ফুলে উঠছিল। স্লাইড শোটি শেষ হলো আমাদের জাতীয় পতাকা দিয়ে। এরপর আমি শুরু করলাম আমাদের স্বাধীনতার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস বর্ণনা। ৫২ থেকে শুরু করে তারপর যখন মুক্তিযুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ আর হানাদার বাহিনীর নৃশংসতার কথা বলছিলাম সম্মেলন স্থলের প্রতিটি মানুষ শিউড়ে উঠছিল। চোখের কোন দিয়ে তাকিয়ে দেখলাম মাথা নিচু করে বিব্রত মুখে বসে আছে পাকিস্তানী প্রতিনিধিদল।

এরপর শুরু হলো জাতীয় সংগীতের ইন্সট্রুমেন্টাল ভার্সন এর সাথে সাথে আমাদের পাচজনের সর্বশক্তি দিয়ে গাওয়া জাতীয় সংগীত। সে এক অন্যরকম অনুভূতি। টের পাচ্ছিলাম চোখর কোণ ভিজে উঠছে। সমগ্র সভাস্থলের সবাই দাড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করলো আর শেষ হবার সাথে সাথে মুহুর্মুহু হাততালি। এক মিনিটেরও অধিক সময় ব্যাপী চলল দাড়িয়ে থেকে সেই হাততালি। সবার শেষে ইংরেজীতে ট্রান্সলেট করে শোনালাম আমাদের জাতীয় সংগীতের প্রথম আট লাইন। তারপর মাথা উচু করে করতালির মধ্যে নেমে আসলাম মন্চ থেকে। সম্ভবত: আমার জীবনের সবচেয়ে গর্বের এক বিজয় দিবস পালন করে। নিজেদেরকে মনে হলো স্বদেশভূমির পাচ সন্তান যারা বিশ্বের কাছে মায়ের পরিচয় তুলে ধরলো।



 

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৬:৫৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: অভিবাদন আপনাদের সবাইকে,আমাদের মাথা আরেকটু উঁচু করে দেবার জন্য,হাজার অভিবাদন।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারহান দাউদ। আমাদের কাছে এটা ছিল এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা। সম্মেলনের সারা দিন সবার মুখে মুখে ছিল আমাদের মুক্তিযুদ্ধ আর স্বাধীনতা। অবাক হয়েছিলাম যখন দুজন পাকিস্তানী বিজ্ঞানী এসে আমাদের কাছে দু:খপ্রকাশ করলেন।

২. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:১৮
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: "নিজেদেরকে মনে হলো স্বদেশভূমির পাচ সন্তান যারা বিশ্বের কাছে মায়ের পরিচয় তুলে ধরলো।"

সত্যিই তাই মিরাজ ভাই । স্যালুট টু ইউ অল ।

শো কেস-এ সাজানো হইলো ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা @ আব্দুর রাজ্জাক শিপন

৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:২৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: মিরাজ ভাই , আজ যতজনের সাথে দেখা হবে , আপনাদের এমন অবিস্মরণীয় কীর্তির কথা বলবো । অভূতপূর্ব এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আপনারা ,বাংলাদেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। কানে বাজছে আপনাদের পাঁচজনের মিলিত কন্ঠে গেয়ে উঠা জাতীয় সংগীত , চোখের সামনে ভেসে উঠছে আপনাদের ধারা বর্ণনা ।

আমার সশ্রদ্ধ সালাম রইলো আপনাদের পাঁচজনের জন্য।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মেহরাব শাহরিয়ার। আসলে আমরা সৌভাগ্যবান যে বিজয়ের দিনে এরকম ভাবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছি ।

৫. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৭:৫৮
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: অভিবাদন আপনাদের পাঁচ বীরকে ... সত্যিই অভিভুত ... আর আইডিয়াটার জন্য আপনাকে তো বিশেষ স্যালুট দিতেই হয় ... ৫ (৫ দেয়াটা বন্ধ করতে পারছিনা )
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জ্বিনের বাদশা। আসলে সাহস করে সামনে এগিয়ে আসলে অনেক কিছুই সহজ হয়ে যায়।

আমরা নিজেরাও সম্মেলনস্থলের সকলের প্রতিক্রিয়ায় অভিভূত হয়েছিলাম।

৬. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:০৬
মদনবাবু বলেছেন: মিরাজ ভাইয়ের বাড়ী বংগদেশের কোন খানে?
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: আমার দেশের বাড়ী মাদারীপুর। বেড়ে ওঠা খুলনা এবং ঢাকায়

৭. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:১৩
ৈকলাশ বলেছেন: সাবাস মিরাজ ভাই...ভাল লাগলো।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কৈলাশ ।

৮. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৩৬
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: ভাইয়া আপনার এ অনূভূতি পড়তে যেয়ে আমারই খুশীতে চোখের পানি আসছে।আপনাকে স্যালুট।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১১

লেখক বলেছেন: এ এক অদ্ভূত ব্যাপার বিদেশে সবার সামনে জাতীয় সংগীত গাইতে গেলে কেন জানি চোখে পানি চলে আসে ।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ উন্মনা রহমান ।

১১. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:১০
মিরাজ বলেছেন: এস্কিমো, বিকেলবেলার স্বপ্ন

মন্তব্যের জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ
১২. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৪
সিহাব চৌধুরী বলেছেন: এরকম সুযোগ জীবনে মনে হয় পাব না, ভাইয়া -- কিন্তু যদি কখনো দৈবক্রমে পেয়ে যাই , যেনে রাখবেন এইরকম গৌরব সম্পাদনে আপ্নারাই হবেন প্রেরণা ।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: যদি কখনো দেশকে রিপ্রেজেন্ট করার সুযোগ হয় তাহলে সাহস করে সামনে এগিয়ে যাবেন। দেশ আমাদের অনেক কিছু দিয়েছে, আমাদেরও কিছু দেবার প্রয়োজন আছে ।

১৩. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:২৭
মদনবাবু বলেছেন: ধুরর। আমি ভাবসিলাম আন্নে বুজি নুয়াখালীর।


আপনের উপস্থিত বুদ্ধিমত্তা প্রচন্ড পরিমানে শ্রদ্ধার দাবীদার।
১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:২১

লেখক বলেছেন: মদনবাবু কি নোয়াখালীর ? :)

আবারো ধন্যবাদ ভাই ।

১৪. ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৪
মদনবাবু বলেছেন: যে না । মুই ক্যামেলস।
১৫. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:২৬
মোসতফা মনির সৌরভ বলেছেন: ভাষা নেই কিছু বলার....।

হ্যাটস অফ টু ইউ মিরাজ ভাই।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মোসতফা মনির সৌরভ। এই ঘটনাটি আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।

১৬. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৩২
জেনারেল বলেছেন: পড়তে পড়তে চোখে কেন পানি আসল জানি না
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: ঠিক একই কারনে জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় চোখে পানি চলে এসেছিল।

এ এক অদ্ভুত অনুভূতি ।

১৭. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৪
যুদ্ধবাজ বলেছেন: সত্যিই খুব গৌরবের বিষয় মিরাজ ভাই।
১৮. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৪
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
ভাইজান আপনের নিকের রহস্য কি?
১৯. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১:৫৯
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

জয় বাংলা! বাংলার জয়!
২০. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ২:৪৬
মিরাজ বলেছেন: প্রশ্নোত্তর এবং অদৃশ্য নিকধারী ব্লগার আপনাদের দুজনকেই ধন্যবাদ ।
২১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৩:৫০
নরাধম বলেছেন: মিরাজভাই, আন্তরিক অভিবাদন। খুব ভাল লাগল।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৪:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নরাধম। আসলেই এটা আমার জীবনের একটা স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে ।

২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৮:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মানুষ।

২৩. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ ভোর ৫:১১
নরাধম বলেছেন: মিরাজভাই, আপনার এই পোস্ট পড়ে একটা পোস্ট দিয়েছি। সময় পেলে পড়বেন। ধন্যবাদ।
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নরাধম আপনার পোষ্টের জন্য । আমি পড়েছি এবং ভালো লেগেছে ।

২৪. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪২
ছায়ার আলো বলেছেন: হ্যাটস্ অফ!
সাবাশ মিরাজ ভাই!
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ছায়ার আলো ।

২৬. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৮
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন: চোখের কোন দিয়ে তাকিয়ে দেখলাম মাথা নিচু করে বিব্রত মুখে বসে আছে পাকিস্তানী প্রতিনিধিদল।
--- পাকিস্তানীদের এভাবেই ন্যাংটা করে দিতে হবে, বিশ্বকে জানাতে হবে, তারা কি করেছিল ৭১এ।

স্যালুট ইউ অল।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৮৯৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ক্যান্সার এর বিপক্ষে কার্যকরী ওষুধ উদ্ভাবনের চেষ্টায় যৌথভাবে কাজ করছি ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে ও ন্যাশনাল ক্যান্সার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই