আমার প্রিয় পোস্ট

যেতে চাও যাবে, আকাশও দিগন্তে বাঁধা, কোথায় পালাবে!

ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী - ৩

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩২

শেয়ারঃ
0 0 0

দিনপ্জী -১ , দিনপন্জী - ২
ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী - ৩ এ থাকছে ১৯৪৮ এ ভাষা আন্দোলনের সংগঠিত রূপের কথা । প্রকৃত পক্ষে মায়ের ভাষার অধিকার আন্দোলনের ক্রমপন্জীতে ১৯৪৮ এর অবস্থান ১৯৫২ এর পরেই । ১৯৪৮ এ যে আন্দোলন দানা বাধে তাই ১৯৫২ তে চূড়ান্তরূপ ধারণ করে ।

২১ মার্চ - ১৯৪৮ : রেসকোর্স ময়দানে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এর পূর্ব - পাকিস্তান সফর উপলক্ষে আয়োজিত একটি বিশাল সমাবেশে জিন্নাহ স্পষ্ট ঘোষণা করেন যে "উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা" । সমাবেশস্থলে উপস্থিত ছাত্র নেতৃবৃন্দ ও জনতার একাংশ সাথে সাথে তার প্রতিবাদ করে ওঠে । জিন্নাহ সেই প্রতিবাদকে আমলে না নিয়ে তার বক্তব্য অব্যাহত রাখেন । (১, ২)

২৪ মার্চ ১৯৪৮ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে অনুস্ঠিত সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ "ষ্টুডেন্টস রোল ইন নেশন বিল্ডিং" শিরোণামে একটি ভাষণ প্রদান করেন । সেখানে তিনি ক্যাটেগরিক্যালী বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে প্রতিস্ঠার দাবীকে নাকচ করে দিয়ে বলেন "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে একটি এবং সেটি উর্দু, একমাত্র উর্দুই পাকিস্তানের মুসলিম পরিচয়কে তুলে ধরে । তার মুল বক্তৃতা থেকে "The State language therefore, must obviously be Urdu, a language that has been nurtured by a hundred million Muslims of this sub-continent, a language understood throughout the length and breadth of Pakistan and above all a language which, more than any other provincial language, embodies the best that is in Islamic culture and Muslim tradition and is nearest to the language used in other Islamic countries." (৩)

জিন্নাহর এই ব্ক্তব্য সমাবর্তন স্থলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে এবং ষ্টুডেন্টস এ্যাকশন কমিটির সদস্যরা দাড়িয়ে নো নো বলে প্রতিবাদ করেন । জিন্নাহর এই বাংলা বিরোধী স্পষ্ট অবস্থানের ফলে পূর্ব পাকিস্তানে ভাষা আন্দোলন আরো বেশী গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে এবং আন্দোলন ঢাকার বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে । (২)

২৬ মার্চ ১৯৪৮ : জিন্নাহ ছাত্র নেতৃবৃন্দের সাথে রাষ্ট্রভাষা বিষয়ে বৈঠক করেন এবং বৈঠকে তিনি উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ব্যাপারে তার অনড় অবস্থানের কথা জানিয়ে দেন । সেই সাথে ১৫ই মার্চ ষ্টুডেন্টস একশন কমিটির সাথে খাজা নাজিমুদ্দিনের বাংলাকে পূর্ব-পাকিস্তানের প্রাদেশিক ভাষা হিসাবে স্বীকৃতির অঙ্গীকারনামা বাতিল ঘোষণা করেন । (৪)

২৮ মার্চ ১৯৪৮ : ঢাকা ত্যাগের প্রাক্কালে এক রেডিও ভাষণে জিন্নাহ উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ব্যাপারে তার মনোভাব পুনর্ব্যক্ত করেন । (৫)

৬ এপ্রিল ১৯৪৮ : জিন্নাহর ঢাকা ত্যাগের পর রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলন আরো বেগবান হয়ে ওঠে । উপায়ন্তর না দেখে খাজা নাজিমুদ্দিন East Bengal Legislative Assembly (EBLA) তে বাংলাকে পূর্ব পাকিস্তানের সরকারী ভাষা এবং ডাক টিকেট, ট্রেন টিকেট, স্কুল সহ সর্বত্র উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে একটি প্রস্তাব আনেন । যদিও এই প্রস্তাবের মুল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে ঘোষণা করার আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করা তথাপি এই প্রস্তাবের ব্যাপারে তৎকালীন নেতৃবৃন্দ ইতিবাচক মনোভাব দেখান । ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রাণপুরুষ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এই প্রস্তাবে কিছু সংশোধন প্রস্তাব করে বাংলাকে one of the "State languages of Pakistan." করার জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব করেন । কিন্তু ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের সংশোধনী বাতিল করে খাজা নাজিমুদ্দিনের মুল প্রস্তাবটি East Bengal Legislative Assembly (EBLA) তে গৃহীত হয় । (১, ৪)

১১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮ : মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মৃত্যুর পর খাজা নাজিমুদ্দিন পাকিস্তানের গভর্ণর জেনারেল হিসাবে নিযুক্ত হন । এর পরপরই রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ এবং বাঙালী সংসদ সদস্যরা East Bengal Legislative Assembly (EBLA) তে গৃহীত প্রস্তাবের পূর্ণ বাস্তবায়ন এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য নাজিমুদ্দিনের কাছে দাবী জানান । নাজিমুদ্দিন পূর্ব-পাকিস্তানের অধিবাসী হওয়া সত্বেও তিনি পুনরায় তার অঙ্গীকার ভঙ্গ করেন এবং ক্ষমতার স্বার্থে রাষ্ট্রভাষার ক্ষেত্রে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর পদাংক অনুসরণ করেন । (১)

২৭ নভেম্বর ১৯৪৮ : পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানের সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন পুনরায় দানা বাধে । লিয়াকত আলীর আগমন উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়াম মাঠে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের একটি সমাবেশ আয়োজন করা হয় । সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের অন্যান্য দাবী দাওয়ার পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে ঘোষণা করা ও East Bengal Legislative Assembly (EBLA) তে গৃহীত প্রস্তাবের পূর্ণ বাস্তবায়ন করার দাবীতে একটি দাবীনামা প্রস্তত করা হয় । দাবীনামাটি তৈরী করেন আব্দুর রহমান চৌধুরী (পরবর্তীতে বিচারপতি) । দাবীনামাটি পাঠ করার দায়িত্বটি ডাকসুর তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্টের উপর ন্যস্ত হলেও তিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বী হওয়ায় স্টুডেন্টস একশন কমিটির নেতারা "বাংলাকে হিন্দুয়ানী ভাষা" হিসাবে প্রচার করার পাকিস্তানী চেষ্টার কারনে দাবীনামাটি পাঠের দায়িত্ব দেওয়া হয় তৎকালীন জি এস গোলাম আজমকে । দাবীনামা প্রস্ততের সাথে জড়িত ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুবসহ স্টুডেন্টস একশন কমিটির নেতৃবৃন্দ । এই দাবীনামা প্রস্ততিতে গোলাম আজমের কোন সংশ্লিষ্টতা ছিলোনা ।

উল্লেখ্য তৎকালীন সময়ে ডাকসুর ভিপি এবং জি এস সরকার কর্তৃক মনোনীত হতো এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলির ছাত্র সংসদের ভিপি এবং জি এসরা এই দায়িত্ব পর্যায়ক্রমিকভাবে পালন করতো । গোলাম আজম ফজলুল হক মুসলিম হলের জি এস হিসাবে মুসলিম লীগ সরকার কর্তৃক ঢাকসুর জি এস পদে মনোন্নয়ন লাভ করেন ।

গোলাম আজম সমাবেশে দাবীনামাটি পাঠ করেন কিন্তু প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত দাবীটি এড়িয়ে যেয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সুযোগ সুবিধা সংক্রান্ত কয়েকটি দাবী মেনে নেন । রাষ্ট্রভাষা সংক্রান্ত দাবীটি এড়িয়ে যাওয়ায় সমাবেশস্থলে অসন্তোষের সৃষ্টি হয় । (২)

এখানে একটি ব্যাপার উল্লেখ করতে হবে যে, গোলাম আজম রাজনৈতিক ভাবে মুসলিম লীগ সরকারের নীতির একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন । রাজনৈতিক অবস্থানের বিপরীতে ডাকসুর জি এস পদের কারণে সমাবেশে দাবীনামা পাঠের মধ্যে দিয়েই গোলাম আজমের ভাষা আন্দোলনে ভূমিকার অবসান হয় । এরপর থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত কোন আন্দোলনে গোলাম আজমের অংশগ্রহণ বা কোন ভূমিকা রাখার কথা কোথাও জানা যায়না । বরং ভাষা সৈনিকদের মতে গোলাম আজমের এই সময়ের অবস্থান ছিল উর্দুর পক্ষে ।

(চলবে)

তথ্যসূত্র :
১ । Martyr Dhirendranath Datta
My tribute to the forgotten Harbinger of the Bengali language movement
By M. Waheeduzzaman Manik
২ । ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি । বদরুদ্দিন ওমর ।
৩ । http://www.mofa.gov.pk/Pages/Qua_Speeches/
৪ । Kabir, Ghulam Muhammad (1980). Minority Politics in Bangladesh (1947-’71). (New Delhi: Vikas Publishjng House Pvt. Ltd).
৫ । উইকিপেডিয়া , Bengali_Language_Movement


 

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৬
এম.এ.হামিদ বলেছেন: এগুলান ইমপরটেনট
লেখাগুলান নির্বাচিত পোষ্টে রাখন দরকার
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩৯
মুকুল বলেছেন:
এখানে একটি ব্যাপার উল্লেখ করতে হবে যে, গোলাম আজম রাজনৈতিক ভাবে মুসলিম লীগ সরকারের নীতির একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন । রাজনৈতিক অবস্থানের বিপরীতে ডাকসুর জি এস পদের কারণে সমাবেশে দাবীনামা পাঠের মধ্যে দিয়েই গোলাম আজমের ভাষা আন্দোলনে ভূমিকার অবসান হয় । এরপর থেকে ১৯৫২ পর্যন্ত কোন আন্দোলনে গোলাম আজমের অংশগ্রহণ বা কোন ভূমিকা রাখার কথা কোথাও জানা যায়না । বরং ভাষা সৈনিকদের মতে গোলাম আজমের এই সময়ের অবস্থান ছিল উর্দুর পক্ষে ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ধন্যবাদ।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫২

লেখক বলেছেন: আমি নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে পুরো ঘটনাপন্জীকেই উল্লেখ করছি । এখানে উল্লেখ্য যে উইকিপিডিয়া সহ অন্য বেশ কয়েকটি সূত্রে পোষ্টের বেশ কয়েকটি ঘটনার কোন উল্লেখ নেই কিন্তু এগুলি আমাদের ইতিহাসকে সঠিকভাবে জানার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ।

৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪০
নাভদ বলেছেন:
বরং ভাষা সৈনিকদের মতে গোলাম আজমের এই সময়ের অবস্থান ছিল উর্দুর পক্ষে ।
---------------------------------------------------

গেল গেল সব গেল ............. :)
৪. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪১
মুকুল বলেছেন: ভাষা আন্দোলনের স্মৃতির এই মাসে অবশ্যই এই সিরিজটি নির্বাচিত পোস্টে রাখা দরকার। ইতিহাস সবার জানা গুরুত্বপূর্ণ।

আমি কর্তৃপক্ষের কাছে এই সিরিজটি নির্বাচিত পোস্টে রাখার জোর দাবি জানাচ্ছি।
৫. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪২
সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:


গোলাম আজম সম্পর্কিত এই তথ্যটি এখন জানলাম।

চালিয়ে যান।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৫

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

৬. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৫
সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: গোলাম আজমের এই ভুমিকা যারা এতদিন জানেনি, কিংবা জানার চেষ্টা করেনি, কিংবা জেনেও না জানার ভান করে ছিল তাদের জন্য এই
পোষ্ট চপেটাঘাত ।

পোষ্ট চলতে থাকুক । ধন্যবাদ মিরাজ ভাই ।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: গোলাম আজম দাবীনামাটি পাঠ করেছিলেন এটি সত্য কথা কিন্তু তিনি কি পরিপ্রেক্ষিত পাঠ করেছিলেন এবং তার পরবর্তীতে তিনি ভাষা আন্দোলনে কোন ভূমিকা রেখেছিলেন কিনা সেটি উল্লেখ ছাড়া শুধু দাবীনামা পাঠের কথা উল্লেখ করা সুবিধাবাদী মানসিকতা ।

গোলাম আজম রাজনৈতিকভাবে ১৯৪৯-৫২ সময়ে একজন সক্রিয় নেতা ছিলেন, তিনি সত্যিকারভাবে ভাষা সৈনিক হলে এই সময়ের আন্দোলনে তার অংশগ্রহণ করার কথা জানা যেত । এরকম কোন রেকর্ড কোথাও নেই, এমনকি গোলাম আজমের নিজস্ব ওয়েবসাইটেও না । সেখানেও শুধু দাবীমনামা পাঠের কথাই উল্লেখ আছে ।

খন্ডিত ইতিহাস নয়, পূর্ণাঙ্গ ইতিহাসের প্রেক্ষিতে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে । আর পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গোলাম আজমের ভাষা সৈনিক দাবীকে সমর্থন করেনা ।

৭. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫৬
বিহংগ বলেছেন: পোষ্ট চলতে থাকুক । ধন্যবাদ মিরাজ ভাই
*****
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ বিহংগ ।

৮. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৫৭
রাশেদ বলেছেন: ধন্যবাদ মিরাজ ভাই।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:২৮

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ রাশেদ ।

৯. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০১
লোকালটক বলেছেন: মুকুল বলেছেন: ভাষা আন্দোলনের স্মৃতির এই মাসে অবশ্যই এই সিরিজটি নির্বাচিত পোস্টে রাখা দরকার। ইতিহাস সবার জানা গুরুত্বপূর্ণ।
আমি কর্তৃপক্ষের কাছে এই সিরিজটি নির্বাচিত পোস্টে রাখার জোর দাবি জানাচ্ছি।

সহমত
১০. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৪
মৃদুল মাহবুব বলেছেন: মিরাজ ভাই,

আপনার প্রচেষ্টা অসাধারণ। খুব ভালো লাগলো। এভাবে ভাষা আন্দোলনের দিনপঞ্জি পাই নাই আগে। সুন্দর, গোছালো এবং ভালো কাজের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মৃদুল মাহবুব । একটা তাড়না অনুভব করছিলাম ভাষা আন্দোলনের বিস্তৃত ইতিহাস লেখবার জন্য । অধিকাংশ সোর্সেই খন্ড খন্ড ইতিহাস । কিন্তু ব্যস্ততার কারণে বিস্তৃত ইতিহাস না লিখতে না পারায় দিনপন্জী আকারে লিখছি ।

চেষ্টা করছি ইতিহাসকে অবিকৃত অবস্থায় তুলে ধরতে । স্বার্থের কাচি চালানো ইতিহাস থেকে প্রকৃত ইতিহাস বের করে আনা কষ্টকর তবে আনাটা দরকার ।

১১. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৮
নাদান বলেছেন: অসাধারন লেখা। এমন কিছু ভাল লেখার জন্য বসে থাকি।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাদান । আপনার লেখা কই?

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

এখনো কি আরামদায়ক বেকার জীবন কাটাচ্ছেন?

১৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৩
তারার হাসি বলেছেন:
পড়লাম , ভাল লাগল। ভাল লাগল এজন্য যে এত ডিটেইলস জানতাম না আগে।
ধন্যবাদ।
আরও লিখুন।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ, আশা করি সামনের পর্বগুলিও পড়বেন ।

১৪. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:৪৫
ইয়াহইয়া ফজল বলেছেন: লম্বা পোস্ট। লিংক রাখলাম। পড়ে মন্তব্য করব।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম ।

১৫. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৩৫
তারিক টুকু বলেছেন: জানতাম কিছু কিছু, আবারও ঝালিয়ে নিলাম।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ ।

১৭. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৫২
বিহংগ বলেছেন: মিরাজ ভাই, অখন্ড অবসর কাটাচ্ছি।
চারদিন বন্ধ।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: ভাবীকে নিয়ে ঘুরে আসুন কোথাও থেকে ।

আর একা থাকলে ক্যাম্পিং এ চলে যান কোথাও ।

১৮. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৫১
নরাধম বলেছেন: মিরাজভাই, আমি যদ্দুর জানি জিন্নাহ্‌র ভাষাও উর্দু ছিলনা। এ বিষয়ে কিছু বলবেন?
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৫৬

লেখক বলেছেন: জিন্নাহ পরিবারের মাতৃভাষা ছিল গুজরাটি । তবে এ ছাড়াও তারা কুচি এবং সিন্ধি ভাষায় কথা বলতেন ।

১৯. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৬
সুনীল সমুদ্র বলেছেন:

পেছনের অনেক কিছুই আমরা আজকাল আর ফিরে দেখতে চাইনা।
'ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী' সিরিজের লেখাগুলো অতীত বিমুখ বর্তমান প্রজেন্মর জন্য 'দুর্লভ ভালো সংগ্রহ' বলে বিবেচিত হতে পারে।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুনীল সমুদ্র । নতুন প্রজন্ম সংগ্রহে রাখলে ভালো লাগবে তবে তারা সঠিক ইতিহাসকে জানার জন্য শুধু একবার করে পড়লেই আমার চেষ্টা সার্থক হবে ।

২০. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০০
সন্ধ্যাপ্রদীপ বলেছেন: প্রিয় পোষ্টে যোগ করে রাখছি মিরাজ ভাই ।

ধন্যবাদ আবারো ।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩

লেখক বলেছেন: প্রিয় পোষ্টে যোগ করায় কৃতজ্ঞতা ।

২১. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:১৮
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: হুমম....অনেক কিছু জানতে পারলাম।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া....

চালিয়ে যান...সাথে আছি...
আপনার লেখার একনিষ্ঠ ভক্ত।
ভালো থাকুন।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইমন ।

আপনাদের মত নতুন প্রজন্মের জন্যইতো এসব লেখা ।

২২. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৪
সেলিম তাহের বলেছেন: মিরাজ, আপনার সৎ পরিশ্রমকে স্বাগত জানাই। দারুণ হচ্ছ.... চালিয়ে যান।
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ উৎসাহের জন্য । আশা করি পরবর্তী পর্বগুলিও পড়বেন ।

২৩. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেক ডিটেইলস জানতে পারছি ।
ধন্যবাদ আরেকবার
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০৭

লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য ধন্যবাদ মেহরাব ।

২৪. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৫২
মিরাজ বলেছেন: আব্দুর রাজ্জাক শিপন, আপনার মন্তব্য আবারও বাগে খেয়েছে । :)

মন্তব্যটি আবার করবেন?
২৫. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৫৫
নরাধম বলেছেন: মিরাজভাই, সব পর্ব দেওয়া হলে কি পিডিএফ ভার্সনে পুরাটা দেওয়া যাবে?
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:০২

লেখক বলেছেন: অবশ্যই দেওয়া যাবে । আমি সবার শেষে সবগুলি পর্ব মিলে একটি পোষ্ট করারও চিন্তা করছি ।

২৬. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:০৪
নরাধম বলেছেন: মিরাজভাই, অনেক ধন্যবাদ। আপনার কাছে খুবই কৃতজ্ঞ।
২৭. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২১
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: কি অদ্ভুত ব্যাপার ! এ নিয়ে তিনবার এই পর্বে মন্তব্য মারলামX)

নরাধমের কথাটাই বলছিলাম । সবগুলো পর্ব দেয়া হয়ে গেলে, সবগুলো একত্রিত করে একটা পোস্ট দেবার অনুরোধ রইলো । এতে করে, অনেকেই পোস্টটি প্রিয়তে যোগ করে রাখতে পারবেন । গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো একসাথে পাওয়া যাবে ।
২৮. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:২৩
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: তিনবার এই পর্বে মন্তব্য মারলাম:(
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৬

লেখক বলেছেন: যাক এবার মন্তব্য ঠিকমতো এসেছে :)

আর দুই পর্ব আছে । সব পর্ব শেষ করে একসাথে অবশ্যই একটি পোষ্ট দেবো ।

২৯. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:২৫
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: এই পর্বে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ন তথ্য এসেছে ।।
আবারো ধন্যবাদ মিরাজ ভাই
৩১. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:০৮
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: ফাটাফাটি সিরিজ ... যেটা ভেবে সবসময় অবাক হই, নাজিমুদ্দিন কুলাঙ্গারটার নিজের ভাষাও তো বাংলাই ছিল ... তারপরও রামছাগলটা উর্দুতে "ইবাদত" করত কেন?

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৯৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে ক্যান্সার এর বিপক্ষে কার্যকরী ওষুধ উদ্ভাবনের চেষ্টায় যৌথভাবে কাজ করছি ক্যান্সার রিসার্চ ইউকে ও ন্যাশনাল ক্যান্সার...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই