আমার প্রিয় পোস্ট
- সাম্প্রদায়িকতার বিষাক্ত অন্ধকার ছায়ার নিচেঃ ধীবর এবং জুলভার্ণ নামক ব্লগারেরা কি সামহোয়্যারকে সাম্প্রদায়িকতার ছায়ার নিচে নিয়ে যেতে চায়? - আসিফ মহিউদ্দীন
- আস্তিকতার মোক্ষম যুক্তি "যদি থাকে" বিষয়ক আলোচনা এবং একটু গভীরে প্রবেশ। - আসিফ মহিউদ্দীন
- বুদ্ধিজীবি হত্যাকান্ডঃ ধর্মের নামে একটি জাতিকে মেধাশূন্য করা এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার অপমৃত্যু - সন্যাসী
- এলোমেলো চিরকুট... (৩) - ...অসমাপ্ত
- রূপগঞ্জে সামরিক ভুমি আগ্রাসন:“দিনরাত লেফ-রাইট করলে ক’মণ শস্য ফলে এক গন্ডা জমিতে?” - দিনমজুর
- জটিল হইতে জটিলোতর বিতর্কঃ গোখরো কি শান্তির প্রানী? - আসিফ মহিউদ্দীন
- বাবরি মসজিদ বিরোধ : ধর্মীয় মিথলজির রাজনীতি - অরণ্য রাখাল
- ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জিন - রিচার্ড ডকিন্স (২য় অধ্যায়) - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- নাস্তিক আস্তিক পর্যবেক্ষন: আধুনিক বিজ্ঞানকে বোগলদাবা করেই কিছুটা উদাসী বিশ্লেষন! - উদাসী স্বপ্ন
- নির্বাক স্রষ্টা ও একটি গাধা - আসাদ ১০০
- যৌনকর্মীঃ একজন পেশাজীবীর স্বীকৃতি ও তদসংলগ্ন ছেঁড়া চিন্তা - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- ধূমপায়ী এবং অধূমপায়ী সমাচার!!! বিড়িখোর'স পয়েন্ট অব ভিউ। (অধূমপায়ীদের কাছে পোষ্টটি অফেনসিভ ঠেকতে পারে। তাহাদের প্রবেশ না করার সুপারিশ রইল।।।
) - নাজমুস
- নাস্তিকতার প্রয়োজনীয়তা (জীবন থেকে নেয়া) - সন্যাসী
- কেন ইসলাম বিদ্বেষ - আসিফ মহিউদ্দীন
- ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জিন - রিচার্ড ডকিন্স (১ম অধ্যায়) - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- কৃত্রিম জিনোম কিভাবে তৈরি হলো? - শুভ রহমান
- রেডক্রস Vs রেডক্রিসেন্ট ঃ ধর্মান্ধতার আড়ালে এক প্রতীকের বিবর্তণের ইতিকাথা। - ভিন্ন চিন্তা
- ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন,যাদের সাথে হয়তো সুসম্পর্ক ছিল প্রাচীন মানুষদের ! - পুশকিন
- হাইপেশিয়া—আলেকজান্ড্রিয়ার বাতিঘর - ম্যাভেরিক
- তখন আমার পকেটে সবসময় কবিতা থাকতো - পারভেজ আলম
- নখবাজি - হাসান মাহবুব
- আধুনিক গবেষনায় দেশের সায়েন্স ও টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় গুলির দীর্ঘ ব্যর্থতা।মূল কারনটা কোথায়?যোগ্যতা-প্রতিভার অভাব না অন্যকিছু? কিস্তি-৩ - প্লাটো
- কে আদিবাসী? বাঙালি ও বাঙলার বিবর্তন প্রসঙ্গ - আলপাইন জাতি ৪র্থ পর্ব - মধুখোর
- [Khona] খনা, জনভাষ্যে মিশে থাকা আমাদের লোকভাষ্যকার…(শেষ পর্ব)|-(রিপোস্ট সংরক্ষণ) - রণদীপম বসু
- একাত্তরের চিঠি : ইন্দিরা গান্ধীকে মওলানা ভাসানী (ভারতের সঙ্গে স্বাধীন বাংলাদেশের কনফেডারেশন!) - অমি রহমান পিয়াল
- জরথুশত্র: প্রাক-খ্রিস্টীয় যুগের পারসিক ধর্মপ্রচারক - ইমন জুবায়ের
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস না ভ্যালেন্টাইনস ডে? - দিবস বাণিজ্যে বিবশ তারুণ্য ! - দিনমজুর
- ভাষা আন্দোলনের “বাঙাল” বয়ান - নয়া উপনিবেশ বিরোধিতার “পবিত্র দিবস” আর “আধ্যাত্মিক” উৎস সন্ধান (পর্ব-২) - পারভেজ আলম
- দ্য ম্যাচ অব ডেথ : ফুটবল যখন যুদ্ধ - অমি রহমান পিয়াল
- কেন আমি একজন আস্তিক নই ? কেন আমি একজন নাস্তিক নই? - ২ - পারভেজ আলম
- কোরআন ও নারী এবং জাকির নায়েকদের গালগল্পের জবাবে- ২ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ধরা যাবে না ছোঁয়া যাবে না বোঝা যাবে না মর্ম, জন্মসূত্রে পেলাম এমন ঠুনকো কাঁচের ধর্ম! - অরণ্যদেব
- হিযবুত তাহরীর কিছ তথ্য - শূদ্র
- বিশ্ববিবেককে কাঁপিয়েছিল যে ছবি - জোবাইর
- আলুপুড়া পুস্ট (ফ্রম অ্যা মেইল শোভিনিস্ট) - দুরের পাখি
- মদিনার তিনটি ইহুদি গোত্রের বিতাড়ণ -এপোলোজেটিক এবং এটাকিং ভার্শন - দুরের পাখি
- কানুভট্ট'র মৃত্যু পরবর্তী সংবাদ বিজ্ঞপ্তি - সবাক
- দিলজাহান - প্রণব আচার্য্য
- ফিউচার অব ফিকশন অনুবাদ কল্প গল্প - পারভেজ
- নারী: গন্তব্য যখন কেবল ফরসা ত্বক আর পুরুষ ধরা ! - শ্লেট: আমাদের অনুকাগজ
- বেতো ঘোড়ার কালচার দৌড় - মাহবুব লীলেন
- ঈশ্বরচিন্তা - ৪ - আরিফুল হোসেন তুহিন
- দুগ্গা দুগ্গা - প্রণব আচার্য্য
- ওই ছোটোলোকের পোলাটা কিন্তু বীরপ্রতীক ছিল - অমি রহমান পিয়াল
- ঈশ্বরচিন্তা - ২ - আরিফুল হোসেন তুহিন
- সভ্য বিশ্বের নতুন ডাম্পিং গ্রেভইয়ার্ড-চট্টগ্রামের ভাটিয়ারি > জাহাজভাঙ্গার ভাগাড়ে মানুষ আর প্রকৃতির নিদারুন বিপর্যয়!! - মনজুরুল হক
- অতি সহজ ভাষায় বিবর্তনের ব্যাখ্যা (ডারউইনকে গালি দেবার আগে জানুন তার থিওরী) - হাল্ক
- এলোমেলো চিরকুট... (২) - ...অসমাপ্ত
- গ্যাস ব্লক ইজারা: এবার সাগর লুটের লাগলো ধুম - দিনমজুর
- মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ ! - ম্যাভেরিক
- ক্রীতদাস, সভ্যতার অন্ধকার - টনি
- নারীর ইসলাম বা ইসলামের নারী - দীক্ষক দ্রাবিড়
- ঈশ্বরের জবানবন্দী - সার্কিট
- মুক্তির মন্দির সোপান তলে ক্ষুদিরাম। - ভিন্ন চিন্তা
- বাঙ্গালী মুসলমানদের মননের অধোগতি এবং এ বিষয়ে আমার উপলব্ধি------ প্রথম পর্ব - জাহিদুর রহমান মাসুদ
- । হিজড়া, প্রকৃতির বিচিত্র খেয়ালের এক দুর্ভাগা শিকার ! - রণদীপম বসু
- তারা নারীকে মানুষ হতে দিবে না - সবাক
- বিধাতার সন্তান! - অপ্রিয় সত্য
- সর্বগ্রাসী অপ-‘বাদ’ বনাম একজন আরজ আলী মাতুব্বর এবং... [যুক্তিবোধ ও চিন্তা-চেতনায় সহনশীল পাঠকদের জন্য এই পোস্ট সংরক্ষিত] - রণদীপম বসু
- ধর্মে নৈতিকতা আর মানবিকতা-১ - লাশ
- শ্রেণী বৈষম্য > শ্রেণী সংগ্রাম > শ্রেণী সংঘাত > কিছু দেখি কিছু দেখতে পাইনা..... - মনজুরুল হক
- একখান বিষমকামী রম্য - দুরের পাখি
- ঈমান জোরদার করার জন্য বিভিন্ন ব্লগ হইতে সংগৃহিত ক্লাসিক লেখা - দ্বিতীয়নাম
- সংশপ্তক মুক্তিযোদ্ধা জগৎজ্যোতি আমাদের ক্ষমা করুন! বীরশ্রেষ্ঠ নিয়েও চলেছে প্রতিশ্রুতিভঙ্গের খেলা - তর্পন
- জগৎজ্যোতি! যিনি ছিলেন বাংলার প্রথম বীরশ্রেষ্ঠ/............ভাস্কর চৌধুরী - ভাস্কর চৌধুরী
- একটি নিষ্কাম চিৎকার - ক-খ-গ
- একটি হত্যাকান্ডের পটভূমি - ইমন জুবায়ের
- তিনটি ভিন্ন ঘটনা > তিনটি পরম্পরা > অতঃপর দে গরুর গা ধুইয়ে - মনজুরুল হক
- পিলখানা গণহত্যা: গুজবের ময়না তদন্ত - ঘনাদা
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- পাঠক সমীপেষু (গল্প) - হিমালয়৭৭৭
- সবুজ সততা দেখানো শুরু হয়ে গেছে , আসল সত্য কি ? - রাগ ইমন
- চাচা, আপনাকে অভিবাদন! আমরা সবাই শান্তি চাই! - ওমর হাসান আল জাহিদ
- নাস্তিক হয়ে ওঠার গল্প নিয়ে সংকলন ..... - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ইতিহাস কতা কয় - ঠুকেমারি
- মিথ্যার বেসাতি : নীল আর্মস্ট্রং এর মুসলিম হয়ে ওঠার ইসলামী কল্পকাহিনী - লাইটহাউজ
- সব শালা নাস্তিক; একটা অনুনাসিক অথবা উন্নাসিক আত্মকথা! - ক-খ-গ
- সেক্যুলারিজম (বাংলার ইতিহাসে সাম্প্রদায়িকতার অবস্থান - ৪) - নুভান
- আমাদের মুক্তিযুদ্ধ : অনিবার্য ছিলো, আকস্মিক নয় - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ভাগীরথীকে নিয়ে লিখা আমার ছোটগল্প - মেঘ
- সকল মানুষের জন্য জাগ্রত হোক আমাদের ঘুমন্ত বিবেক - মনজুরুল হক
- A Secular Plan- আসলে কী বলা হয়েছে - হমপগ্র
- বাউলের মূর্তি সরানোয় মুসলমানি সাফল্য: আত্মপরিচয় অনুসন্ধানের পুনর্পাঠ (অখণ্ড) - ফাহমিদুল হক
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- আত্নসমর্পন অনুষ্ঠানে ওসমানির অনুপস্থিতি বিতর্কঃ ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এত বড় কোন সৈন্য দল নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে অপমান জনক পরাজয় বরন করে পাকিস্তান - এ. এস. এম. রাহাত খান
- খাৎনা করা কৌতুক - রাসেল ( ........)
- ডিরোজিও: প্রথাবিরোধী এক অনন্য দ্রোহী। - ইমন জুবায়ের
- আলাউদ্দিনের দৈত্য, আওয়ামী লীগের জয় , বেগম জিয়ার সর্বশেষ ভুল এবং অনান্য খূচরা প্রসংগ - আশীফ এন্তাজ রবি
- মনোগ্যামির ভুত - সুমন রহমান
- কিশোরটি যে কারণে খুন করেছিল কুখ্যাত গভর্নর মোনায়েম খানকে - শেরিফ আল সায়ার
- সেই কালোরাতে ইথারে খুনীরা যা বলেছিলো.... - অমি রহমান পিয়াল
- আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার - নৃপ অনুপ
- একটি আত্মসমর্পণের দলিল ও ব্যাক্তিগত কিছু প্রসঙ্গ। - ইমন জুবায়ের
- আমরা বিজয় দেখেছি খালি চোখে - আমরা বিজয় দেখছি দূরবীনে ! - মনজুরুল হক
- দেখে নিও, একসময় নব্বই হারিয়েই যাবে - জ্বিনের বাদশা
- দর্শনের আলোকে নাস্তিক আস্তিক সমাচার - নাস্তিকের ধর্মকথা
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ৪র্থ ও শেষ পর্ব (ওয়েব বিপ্লব) - নাফিস ইফতেখার
- একটি সংযমমূলক ব্লোজবের ইতিকথা (রমাযানুল বি-মোবারক) - অন্যমনস্ক শরৎ
- রাজাকার গোলাম আযমের কুকর্মের কিছু দলিল - এ. এস. এম. রাহাত খান
- জ্যাজ, কালো মানুষের আনন্দ বেদনার সংগীত - লাল দরজা
- হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ! - মনজুরুল হক
- অন্ধ বাংলাদেশে স্বাগতম - অপ বাক
- ফাল্গুনী রায়ের কয়েকটি কবিতা - মুয়ীয মাহফুজ
- সুপ্রভাত বাংলাদেশ : দিনবদলের বাঁকে শিশুদের শৈশব ফিরে পাবার গল্প - মেহরাব শাহরিয়ার
- অগভীর ভাবনা ১৮ ঘ- মধ্যবিত্ত চিহ্নিতকরণ প্রকল্প ::০:: - রাসেল ( ........)
- din lipi - রাসেল ( ........)
- বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী মুক্তিযোদ্ধা শহীদ গিরীন্দ্র সিংহ - কুঙ্গ থাঙ
- আস্তিক-নাস্তিক-সংশয়ী এবং তাদের ঈশ্বর - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- "নবীজী মুহম্মদ সা. এর বিয়েসমূহ এবং কিছু প্রশ্ন" শীর্ষক পোস্টের তথ্যসূত্র ও টীকাঃ - নাস্তিকের ধর্মকথা
- চরমপত্র : ইথারে এক অন্য মুক্তিযুদ্ধ - অমি রহমান পিয়াল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- গল্পঃ বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে - মোস্তাফিজ রিপন
- তখন বুঝিবে বৎস , ইহা অভিযোজিত হইবার কাল - রাগ ইমন
- তাহাদের একুশ, আমাদের আট / তাহাদের ক্রুশ, আমাদের ছায়াঢাকা পুকুরঘাট - কোলাহল
- ব্লুজ-কালো মানুষের বেদনার নীল রক্ত রাঙানো সংগীত(মিউজিক ভাবনা২) - মুয়ীয মাহফুজ
ধর্মের ভৌতিকতা কিম্বা ভুত'আশ্রয়ী ধর্মের অম্লঃপরীক্ষা ... ০১ ...
২৫ শে নভেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২১
[ সরল স্বীকারক্তিঃ চিন্তাগুলো নিজস্ব ... তাই এ লেখাটি পেয়ে অনুবাদ বা সংক্ষেপায়নপূর্বক ভাবানুবাদ ... না করে আর থাকতে পারলামনা .. ধৈর্য্য সহকারে পড়ার আমন্ত্রন রইলো ]
আপনাদের কতগুলো গল্পো বলিঃ
১ম গল্পোঃ
একটা বুড়ো থাকতো উত্তর মেরুতে ...
সাথে বুড়ী বঊ আর কতগুলো এল্ভিস্ .. (ফেরেস্তার মতন কতগুলা পিচ্চি)..
সারাবছর সে আর পিচ্চিগুলা মিলে খেলনা বানায় ..
আর ক্রিস্টমাস্ আসলে সব খেলনা তার যে বিশাল বস্তাটা আছে, তার মধ্যে ভরে ফ্যালে । তারপর বস্তাটা সহ তার অলৌকিক রথে চড়ে বসে ।
রথ'টানা আট/নয়'টা অলৌকিক মেরুহরিণ, উড়ে নিয়ে যায় তাকে লোকালয়ে ... বাড়িঘরের উপর দিয়ে ..
ছাদে রথ নামিয়ে বুড়ো চিমনি বেয়ে বাড়ির ভেতরে ঢোকে ..
প্রতি বাড়িতে সে বাচ্চাদের জন্য একটা করে খেলনা রেখে তারপর আবার চিমনির ভেতর দিয়ে ছাদে উঠে আসে ... এভাবে সব খেলনা বিলিয়ে দিয়ে সে আবার উত্তর মেরুতে তার বাসায় ফিরে যায় ... আর আগাম বছরের জন্য নতুন করে খেলনা বানাতে থাকে ।
বুঝতেই পারছেন আমি কার গল্পো করছি ... হ্যা স্যান্টা ক্লজ'এর গল্পো এটা ।
এখন আমি যদি একজন প্রাপ্তঃবয়স্ক হয়ে'ও এই গল্পোটাকে শতভাগ সত্যি বলে বিশ্বাস করি এবং আপনার মত একজন সুহৃদ বন্ধু পেয়ে আপনাকে আমার বিশ্বাসের কথা বলি এবং আপনাকে সমবিশ্বাসে বিশ্বাসী হতে প্ররোচিত করি .... তখন আপনি কি করবেন ?
নিশ্চয়'ই আমাকে পাগল ভাববেন !
নিশ্চয়'ই আমাকে ভূতেধরা বা প্রবোধাক্রান্ত ভাববেন !
কেন ভাববেন ? কারন ... যত'ই .. ইনিয়ে-বিনিয়ে .. বানিয়ে বানিয়ে .. বিশ্বাসযোগ্য করে; আমি স্যান্টা ক্লজের কথা বলিনা ক্যানো ... আপনি জানেন এসব রূপকথামাত্র .. উড়ন্ত মেরুহরিণ .. উড়ন্ত রথ .. পিচ্চি-পিচ্চি এল্ভিস .. কখন'ই আপনি দ্যাখেননি .. ছোটবেলায় দাদাদাদির মুখে শুনেছেন মাত্র । আর সত্যি বলতে বাস্তবে এদের দ্যাখা পাওয়াটা'ও অসম্ভব বলেই জানেন ।
নিশ্চয়'ই আমাকে ডিলিউশনাল বা ভুত'গ্রস্থ ভাববেন ।
নিশ্চয়'ই বন্ধুত্বের খাতিরে আমাকে সুস্থ্য করে তুলতে চাইবেন ...
কিছু প্রশ্ন করে আমার ভুল ভাঙ্গাতে চাইবেন ... যেমনঃ
- স্যান্টা কিভাবে একটা মাত্র বস্তায় কিম্বা ছোট রথটায় এত খেলনা একসাথে আটায় ?
... আমি উত্তর দিতে পারি - স্যান্টার বস্তা আর রথ যাদুকরী ... সব কিছুই আটানো সম্ভব ।
- যেসব বাড়িঘরের বা এপার্টমেন্টের চিমনি নেই সেসব বাড়িতে স্যান্টা ঢোকে কিভাবে ?
... আমার উত্তর - যাদু দিয়ে স্যান্টা চিমনি তৈরী করতে পারে ...
- ফায়ারপ্লেসে আগুন জ্বলতে থাকলে স্যান্টা চিমনি বেয়ে নামে কিভাবে ?
... উত্তর হতে পারে - স্যান্টার স্যুটটি বিশেষ আগুন'নিরোধোক স্যুট ।
- কখন'ও সিকিউরিটি সিস্টেমে স্যান্টাকে দেখা যায় না কেন ?
... স্যান্টা এক্ষেত্রে অদৃশ্য হয়ে যেতে পারে ।
- স্যান্টা একরাতের মধ্য এত দ্রুত পৃথিবীর সব জায়গায় যেতে পারে কিভাবে ?
... স্যান্টা সময়ের ঊর্ধে ... নিমেষের মধ্য সে সব জায়গায় যেতে পারে ।
- খেলনা গুলো বিতরনের সময় স্যান্টা বৈষম্য বা শ্রেনীপ্রভেদ করে কেন ? ধনীর বাচ্চারা দামী খেলনা পায় আর গরীবের বাচ্চারা সস্তা খেলনা পায় কেন ?
... আমি এক্ষেত্রে বলতে'ই পারি - স্যান্টার কার্যপ্রকার মরনশীল আমরা কখন'ই বুজতে পারবনা ... স্যান্টার অবশ্য'ই কোন কারন আছে ... হতে পারে ... "গরীব বাচ্চাদের দামী ইলেক্ট্রিক খেলনা দিলে পরবর্তীতে তার জন্য ব্যাটারী কিনতে আরো পয়সা লাগবে ... গোদের উপর বিষফোড়া .. তাই স্যান্টা গরীবদের এই বিষফোড়া থেকে বাচাতে তাদের সস্তা খেলনা দেয় ।"
প্রশ্নত্তর পর্ব শেষ ।আপনার প্রশ্ন গুলো খুব'ই যৌক্তিক আর আমি'ও সবগুলোর উত্তর দিয়েছি।
আমি ভেবে পাচ্ছিনা আমি যা দেখি আপনি কেন তা দেখতে পাচ্ছেননা ..
আর আপনি'ও ভেবে পাচ্ছেননা আমি এমন ভূত'গ্রস্থ পাগলা হলাম কি করে !
কারন আমার উত্তর গুলো আপনাকে তৃপ্ত করতে পারেনি ।
কারন আমার উত্তর গুলো আপনার কাছে পাগলের প্রলাপ সমতুল্য ।
কারন আপনি জানেন .. আগুননিরোধোক স্যুট, যাদুকরী বস্তা, রথ, উড়ন্ত মেরুহরিণ ইত্যাদি একমাত্র ঠাকুর'মার ঝুলি আর হলিউডের মুভিতে'ই সম্ভব .. বাস্তবে না ।
এবার আসি ২য় গল্পেঃ
একরাতে ঘরে বসে আছি ..
হঠাত্ ঘর প্রচন্ড আলোকিত হয়ে উঠলো ..
ঠিক তখন এক ফেরেস্তা এসে আমাকে এক অদ্ভুত গল্পো শোনায় ..
" নিউ'ইয়র্কের এক পাহাড়ের পাশে, প্রাচীন কিছু সোনার প্লেট মাটির নিচে
চাপা পরে আছে .. তারমধ্যে একটি বই ইহুদীদের একটি বিলুপ্ত জাতির যারা উত্তর আমেরিকায় থাকতো । প্লেটগুলোতে বিজাতীয় ভাষায় তাদের বর্ননা আছে ।" .. এমনকি ফেরেস্তাটি আমাকে সেই প্লেট গুলোর কাছে নিয়ে গেলো এবং আমার বাড়ি পর্যন্ত নিয়ে আসতে সাহায্য করলো .. দুর্বোধ্য বিজাতীয় ভাষার বর্ননা উদ্ধারে আমাকে সাহায্য করলো এবং আমি অবাক হয়ে জানতে পারলাম ... দু হাজার বছর আগে ইহুদীদের বিশাল এক সভ্যতা এই যুক্তরাষ্ট্রে ছিল ।
এমনকি আমি সোনার প্লেটগুলো স্বর্গে ফেরত পাঠানর পুর্বে আমার নিজের কিছু মানুষকে দেখালাম যেন তারা প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে থাকে এবং তাদের স্বাক্ষরিত প্রমান রাখলাম যে তারা দেখেছে ।
এসবের উপর একটা বই'ও বের করলাম ।
এখন এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি ?যদি আপনি সুস্থ্য মানুষ হন অবশ্য'ই কিছু প্রশ্ন করবেন ... যেমনঃ
- আমেরিকায় দুহাজার বছর আগেকার ইহুদী সভ্যতার নুন্যতম কোন'ও আলামত বা ধংস্বস্তুপ কোথায় যা আমার গ্রন্থে বর্ণিত আছে?
- একটা পুর্ণ সভ্যতার সাম্ভাব্য জিনিষপত্র ... দৈনন্দিন ব্যবহার্য্য হাড়ি-পাতিল, রথ, যুদ্ধাস্ত্র, এসবের কোন'ও নুন্যতম নিদর্শন নাই কেন ?
... আমার উত্তরঃ এখন'ও এগুলোকে খুজে পাওয়া যায়নি, কিন্তু কোন এক নিকট ভবিষ্যতে পাওয়া যাবে ।
এরকম গন্ডাখানেক প্রশ্ন আপনি করলেন .. এবং প্রতিটির'ই উত্তর আমি দিলাম । বলাবাহুল্য কোনটাই মানষিকভাবে সুস্থ্য আপনাকে সন্তুষ্ট করতে পারলনা ।
পুরো ব্যাপার'টাই আপনার কাছে একটা "ফাপোড়" ছাড়া আর কিছু না ।
এবং বেশিরভাগ সুস্থ্য মানুষের কাছে এটা ভুত'গ্রস্থ প্রলাপ ছাড়া আর কিছু নয় ।
আর এই একই গল্পো যদি অন্যকোন সুস্থ্য মানুষের কাছে বলি, তো স্বাভাবিকভাবে'ই তারা আমাকে ডিলিউশনাল বলবে ... কারন তারা কখন'ই সোনার প্লেটগুলো কিম্বা ফেরেস্তা কোনটাই দেখেনি, এবং ধরে নিবে যে কাহিনিপুরোটা'ই আমার বানানো .. এমনকি প্রত্যক্ষদর্শীদের স্বাক্ষর করাটা'ও তারা ভাববে আমি ঘুষ দিয়ে তাদের প্রত্যক্ষদর্শী বানিয়েছি .. আসলে তারা কিছুই দেখেনি ..
সুস্থ্য মানুষমাত্র'ই এরকমটা ভাবা স্বাভাবিক .. তাই নয় কি ?
মজার ব্যাপার হচ্ছে; পৃথিবীতে লক্ষাধিক মানুষ .. হুবহু ঠিক আমার এই গল্পোটার মত একটা গল্পো মনেপ্রানে বিশ্বাস করে .. তাদের ধর্মের মূলভিত্তি বলে মানে - তারা হচ্ছে মর্মন .. আমেরিকার ইয়ুটাহ্ অঞ্চলের সল্টলেক সিটিতে তাদের প্রধান কার্যালয়, মর্মন চার্চ্ ।
আর আমার মত গল্পোটি যে ফেদেছিলো তার নাম - জোসেফ স্মিথ, আমেরিকাতে ১৮০০ সালের দিকে থাকতো .. মাত্র দুশো বছর আগে ।
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, মাত্র দুশো বছর আগে সে এই গল্পোটি বলেছিল আর তার লেখা বইটিতে উল্লেখ করেছিল, " প্লেট থেকে অনুবাদকৃত অংশ" যা আপনি পাবেন " বুক অব মর্মন"-এ ।
এখন আপনি কোন'ও মর্মন'কে জিজ্ঞেস করলে তারা ঘন্টার পর ঘন্টা ইনিয়ে বিনিয়ে একের পর এক উত্তর দিতে পারবে ।
যদি'ও পৃথিবীর বাকি ৫.৯৯ বিলিয়ন মানুষ তাদের এই প্রচেষ্টা নিতান্ত হাস্যকর, বানোয়াট, এবং মিথ্যাপূর্ণ বলেই ধরে নেবে ।
বস্তুতঃ স্যান্টার গল্পের মতো মর্মন'দের গল্পোটি'ও অসাড় ।
এবার ৩য় গল্পোঃ
একবার এক লোক একটি গুহায় বসে আপন ধ্যানে মগ্ন ছিলো ..
হঠাত্ চারদিক আলোয় ভরে গেলো ।
একটি দৈব আওয়াজ আসলো, " পড়ো " !
ধ্যানরত মানুষ'টি অনুভব করলো কে যেনো তাকে জাপটে ধরে পিষে ফেলতে চাইছে ..
কয়েকবার এরকম হল ।
তখন মানুষটি প্রশ্ন করলো, আমি কি পড়বো ?
দৈব আওয়াজ উত্তর দিল, " পড় তোমার প্রভুর নামে .. যে তোমাকে সৃষ্টি করেছেন ..
মানুষটি ঘোরের মধ্যে দৌড়ে বাড়ি ফিরল .. ফেরার পথে আকাশে বিশাল একটি মুখ দেখতে পেলো .. যেটি বললো যে " আপনি এখন থেকে ঈশ্বরের দূত, ( বা প্রেরিত পুরুষ বা নবী ) আর মুখা'বয়বটি নিজেকে জীব্রায়েল বলে পরিচিতি দিলো ..
রাত্রে স্বপ্নে জীব্রায়েল আরো'ও কয়েকবার আসলো ... এমনকি দিনের বেলায় রক্ত মাংসের শরীরে'ও আসতে লাগলো .. যদি'ও সেই মানুষ'টি ছাড়া আর কেউ কখন'ও জীব্রায়েলকে দেখেনি বা তার আওয়াজ শোনেনি ।
এরপর জীব্রায়েলের সাথে পরিচয়ের প্রায় ১১ বছর পর জীব্রায়েল একটি ঘোড়া সহ মানুষটির কাছে আসলো .. ঘোড়াটির পাখা ছিলো ..
ঘোড়ায় চড়িয়ে তাকে নিয়ে উড়ে চললো ..
জেরুজালেম গেলো, সাত আসমান পেরিয়ে বেহেস্তে গেলো, বেহেস্তোবাসীদের সাথে সাক্ষাত্ করলো ..
এরপর জীব্রায়েল আবার তাকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে দিয়ে গেলো ।
মজার ব্যাপার হচ্ছে এই পুরো ভ্রমনটা হতে এক সেকেন্ডের'ও কম সময় লেগেছে ..
পরবর্তিতে মানুষটি এই উড়ন্ত ঘোড়ায় চড়ার অভিজ্ঞতা সবাইকে বলেছে .. এমনকি জেরুজালেম এর ঘরবাড়ি, বিশেষ স্থাপনা; বেহেস্তের অবস্থা বিস্তারিত বর্ননা করেছে ।
এভাবে প্রায় ২৩ বছর ধরে জীব্রায়েলের সাথে তার সাক্ষাত্ হয় .. এবং ঈশ্বর প্রদত্ত জীব্রায়েলের বানীসমুহ একটি বইয়ে লিপিবদ্ধ হয়।
এখন তাহলে এই গল্পোর ব্যাপারে আপনি কি বলবেন ?
আগে কোথাও এ গল্পো শুনে না থাকলে .. আপনার কাছে মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক যে এটাও আগের স্যান্টা, সোনার প্লেট - গল্পো গুলোর মত অসাড়, বানোয়াট, মিথ্যাপূর্ণ এবং অবশ্যই মাত্রাতিরিক্ত উর্বর মস্তিস্কের কল্পনাজাত ..
কিন্তু সাবধান !এরকম একটা গল্পোর উপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে ইসলাম ধর্ম .. তথা কয়েক বিলিয়ন মানুষ - মুসলিমদের ধর্ম ।
আর যে মানুষটি গুহায় ধ্যান মগ্ন ছিল তার নাম মুহাম্মদ ।
আর তার বইটির নাম আল- কোরআন ।
আর এই সেই .. কোরআন নাজিলের পবিত্র কাহিনি যা নাজিল হয়ে ছিল মানুষকে সঠিক পথের সন্ধান দিতে ।
যদি'ও কয়েক বিলিয়ন মুসলিম ব্যতিত .. পৃথিবীর আর সবাই এই গল্পোটাকে নিছক " উর্বর মস্তিস্কের কল্পনাজাত " কোন স্বপ্ন ছাড়া আর কিছু নয় বলে মনে করে ।
আর তারা এটাও জানে কোরআন মানুষ্য রচিত বই ছাড়া আর কিছু হতে'ই পারেনা ...
এখন আপনি যদি খৃষ্টান হন তো আপনাকে একটু ফিরে তাকাতে অনুরোধ করছি .. মর্মন এবং মুসলিমদের গল্পো আপনি খুব সহজেই ধরে ফেলেছেন যে মিথ্যা, বানোয়াট .. খানিকটা রূপকথার গল্পো'ও বটে ..
সেই একই কারনঃ
কারন আপনি ভালো করেই জানেন, স্যান্টা মিথ্যা, বানোয়াট বুড়া ।
কারন আপনি ভালো করেই জানেন রূপকথার ব্যাং কিম্বা রাক্ষসের মত উপরোক্ত গল্পের ভৌতিক চরিত্রগুলোর কোন বাস্তবিক প্রমান নেই ।
পূর্বপরিচিত বা পূর্বপ্ররোচিত না হলে যে কার'ও পক্ষে'ই সম্ভব এটি বোঝা যে এই গল্পোগুলো উর্বর মস্তিস্কের কল্পনাজাত ফসল ।
অপরদিকে ... কি হাস্যকর ব্যাপার দেখুন;
মুসলিমরা দেখছে এবং বলছে মর্মন'রা ভুত'গ্রস্থ .. তাদের ধর্মটা রুপকথার উপর আশ্রয় ছাড়া আর কিছু নয় ...
আর মর্মন'রাও বলছে মুসলিমরা ভুত'গ্রস্থ কারন তাদের ধর্মটাও রূপকথার উপর দাঁড়িয়ে আছে ।
আর আপনি ... খৃষ্টান হয়ে দিব্যি দেখতে পারছেন, মুসলিম মর্মন উভয়েই ভুত'গ্রস্থ .. কারন দুটো ধর্মই দাঁড়িয়ে আছে রূপকথার উপর ।
এবার আপনার দিকে একটু তাকাই ..
এটা আমার শেষ গল্পোঃ
ঈশ্বর তার সন্তানকে পৃথিবীতে আনবে বলে এক কুমারী- ম্যারী'কে সন্তানসম্ভবা করল ..
ম্যারী আর তার হবু বর- জোসেফ বেথেলহেমে গেলো অনাগত ঈশ্বর পুত্রের জন্ম এবং জন্ম পরবর্তী নথিভুক্তকরনের জন্য ... সেখানে ম্যারী ঈশ্বর পুত্রের জন্ম দিল ।
ঈশ্বর তারকা দিয়ে পথ দেখিয়ে কিছু মানুষকে সেখানে আনলো ।
স্বপ্নে ঈশ্বর জোসেফকে পরিবার নিয়ে ইজিপ্ট যেতে বললো ।
আর ঈশ্বর দেখলো, হেরড ইস্রায়েলের হাজার হাজার সদ্যভুমিষ্ট শিশুদের হত্যা করতে যেনো ঈশ্বরের পুত্র'ও তাদের মধ্যে মারা যায় ।
বড় হয়ে ঈশ্বরের পুত্র দাবী করলো সে স্বয়ং ঈশ্বর প্রেরিতঃ " আমি'ই পথ, আমি'ই সত্য, আমি'ই জীবন ।"
সে অনেক যাদুকরী দৈব ঘটনা ঘটালো .. যেমনঃ অসুস্থ্যকে সুস্থ্য করা, পানিকে শুরায় পরিনত করা , মৃত ব্যক্তিকে জীবন দান .. এই দৈবকান্ডে নিজেকে ঈশ্বর বলে প্রমান করলো ।
কিন্তু শেষতক .. মৃত্যপরোয়ানা নিয়ে ক্রুশবিদ্ধ হয়ে মারা যান ।
তার শবদেহ রাখা হয় একটি কবরে । তিন দিন পর দেখা যায় কবরটি ফাকা পড়ে আছে, শবদেহটি নেই ।
এবং মানুষ'টি আবার'ও বেচে উঠে, তার দেহের ক্ষতগুলো তখন'ও ছিল যাতে করে সবাই নিঃসন্দেহ হয় , আর বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন মানুষের সামনে উপস্থিত'ও হয় ।
এরপর স্বর্গে চলে যায় আর ঈশ্বরের ডান হাতের উপর বসে .. তাকে আর পরবর্তিতে দেখা যায়নি ।
আজ এই সময়ে আপনি সেই ঈশ্বর পুত্রের সাথে ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরী করতে পারবেন .. আপনি যদি প্রার্থনা করেন তো সে আপনার প্রার্থনার জবাব দিবে । সে আপনাকে রোগমুক্ত করবে, দুঃসময়ে পাশে দাঁড়াবে ইত্যাদি ইত্যাদি ।
ঈশ্বর পুত্র আপনাকে বেহেস্তি জীবন'ও দিতে পারে আপনার .. আর পুণ্য করলে মৃত্যুর পর আপনাকে বেহেস্তে তার পাশেই জায়গা করে দিতে পারে।
হ্যা, অবশ্য'ই এটা যীশু খৃষ্টের গল্পো ।
আপনি কি এই গল্পোটা বিশ্বাস করেন ?
যদি খৃষ্টান হন তো অবশ্য'ই এটা বিশ্বাস করেন .. তাই না ?
আর আমি যদি সন্দেহঃবশত আপনাকে প্রশ্ন করতে থাকি .. তার বিপরীতে আপনার হাজার হাজার উত্তর'ও আছে ...
ঠিক যেমনটাঃ ১ম গল্পের ক্ষেত্রে, স্যান্টার ব্যাপারে এই আমি'ই আপনাকে হাজার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলাম ।
সত্যি বলতে কি ... আমাকে যেমন আপনি পাগল ঠাউরেছেন .. এ ক্ষেত্রে আমি'ও আপনাকে পাগল ছাড়া আর কিছুই ঠাউর করতে পারছিনা ... কারন একজন খৃষ্টান হয়ে আপনি উপরের শেষ গল্পোটি মনেপ্রানে'ই বিশ্বাস করেন ।
আপনার সাহায্যার্থে বলছি, পৃথিবীর বাকি ৪ বিলিয়ন মানুষ যারা খৃষ্টান নয় তারা ঠিক সেভাবেই আপনার খৃষ্টিয় গল্পোটাকে দেখে,
ঠিক যেভাবে এই আপনি আমার স্যান্টার গল্পোটাকে দেখেছেন ...
ঠিক যেভাবে আপনি মর্মন আর মুসলিমদের গল্পোটাকে দেখেছেন ...
ঠিক সেভাবেই সত্য এবং বাস্তব চোখে আমি, মর্মন কিম্বা মুসলিমরা আপনার খৃষ্টিয় গল্পোটাকে নিছক উর্বর মস্তিস্কের কল্পনাজাত একটি ভৌতিক গল্পো বলেই স্থির করি ।
কারন .. ঐশ্বরীক ( যাদুকরী) বীর্য্যে ম্যারীর পেটে সন্তান আসা, ঐশ্বরীক (যাদুকরী) তারকার পথ দেখানো .. কিম্বা মৃত্যুর পর পুনরায় যীশুর পুনরুত্থান সব'ই স্রেফ চাপাবাজী ছাড়া আর কিছু না ...
দুনিয়ার অখৃষ্টান ৪ বিলিয়ন মানুষ সবাই কিন্তু আমার সাথে একমত ।
খৃষ্টীয় বিশ্বাসের বাইরের লোকজন কিন্তু এই গল্পের ফাক কোকর গুলো ঠিক'ই খুজে পায় ... শুধু আপ্নি'ই পাননা ।
ঠিক যে কমন সেন্স দিয়ে আপনি বুঝেছেন আমার স্যান্টার গল্পোটা বানোয়াট রুপকথা ..
ঠিক যে কমন সেন্স দিয়ে আপনি বুঝেছেন মর্মন আর মুসলিমদের গল্পোটা বানোয়াট রুপকথা ..
ঠিক এক'ই সুস্থ্য স্বাভাবিক চিন্তা দিয়ে আমি বা একজন মর্মন বা একজন মুসলিম বুঝতে পারছি আপনার খৃষ্টীয় কাহিনীগুলো সম্পূর্ণরূপে ...
" উর্বর মস্তিস্কের কল্পনাজাত রূপকথা " ।
দুঃখজনকভাবে শুধু আপনি আমাদের সত্যোপলব্ধিটাকে গ্রহন করতে পারছেন না । কারন অবশ্য'ই ধর্মের প্রতি অন্ধবিশ্বাস যা হয়তো কিছুটা পিতৃপ্রদত্তভাবে আপনার মাঝে ঢুকে আছে ... যা আপনার সত্য- স্বাভাবিক চিন্তা দিয়ে বস্তুর বিচার করা থেকে বিরত রাখছে ।
... অথচ আপনি ঠিক'ই অন্যদের গল্পের ফাক ধরে ফেলছেন শুধু নিজের বেলায় না ।
... নিজের এই দ্বৈতাচরন থেকে বেড়িয়ে আসতে হলে .. হয় আপনাকে আমার স্যান্টার গল্পো, জোসেফের সোনার প্লেটের গল্পো এবং মুহম্মদের জীব্রায়েলের গল্পোগুলো'কেও বিশ্বাস করতে হবে .. নয়তো সবগুলোকেই ( আপনার খৃষ্টীয় গল্পোগুলো সহ) প্রত্যাখ্যান করতে হবে ।
কোনটা করবেন সেটা আপনার অভিরূচি ।
[মূল লেখাটিঃ http://godisimaginary.com/i7.htm ]
প্রকাশ করা হয়েছে: শুন্য স্থানাংকের ভাবনা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৪২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
দুরের পাখি বলেছেন:
আপনিও নাস্তিক (যদিও আপনি একটি ধর্মে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন), আমিও নাস্তিক । আপনি ১ টা গডে বিশ্বাস করেন, আর ১০০টাতে অবিশ্বাস করেন । আপনি যে কারণে একশটাতে আপনি অবিশ্বাস করেন ঠিক সেই একই কারণে আমি আপনারটাতে অবিশ্বাস করি । আপনারটা ব্যাতীত অন্য একশটাতে অবিশ্বাসের পক্ষে আপনার কারণ যদি যৌক্তিক হয়, তাহলে আপনার একটাতে অবিশ্বাস করার জন্য আমার কারণও যৌক্তিক ।
লেখক বলেছেন: অনেকটাই ... আপনার মন্তব্য আমার লেখাটির সার সংক্ষেপ ।
লেখক বলেছেন: .. মূল লেখাটিতে হিন্দুদের কোন'ও বিষয় ছিলোনা ।
আর সত্যি বলতে কি ... হিন্দু ধর্মের গল্পোগুলো এতো'ই লোক'হাসানো পর্যায়ের বানোয়াট যে সেটা নিয়ে লেখাটাও বাহুল্য মাত্র।
আশাকরি বুঝবেন ।
লেখক বলেছেন: মনজুরুল ভাই ... আপনার পদার্পনেই আমার ব্লগ ধন্য ।
লেখক বলেছেন: ... হি হি হি .. আমারে ঝামেলায় ফালাননাই দেইখা ভাল্লাগতাছে ।
ভালো থাইকেন ।
এস.আর.এফ খাঁন বলেছেন:
,
লেখক বলেছেন: ... ?
নতুন বলেছেন:
জটিল লিখেছেন,.... ধন্যবাদ...
বক্ররেখা বলেছেন:
সহজেবাধ্য ও সুখপাঠ্য লেখা। কিন্তু আশন্কা করছি অল্পক্ষণেই আপনার পোষ্টে ধর্মপ্রাণ ভাইদের উৎপাত শুরু হয়ে যাবে। প্লাস.....
লেখক বলেছেন: ... আমি কি ডরাই সখা ... ভিখারী রাঘবে ...
লেখক বলেছেন: খুব খুব ধন্যবাদ ..
এস বাসার বলেছেন:
খুব ভালো লেগেছে.... জীবনটা এমনই....
লেখক বলেছেন: ... হ্যা ... জীবনটা এরকম'ই হাস্যকর বিশ্বাসে ভরপুর ।
তারপর'ও ভালো থাকুন ।
ছোট্ট রাজপুত্র বলেছেন:
ভালো লিখেছেন। তবে কথাটা অনেক বেশি বড় করে লিখেছেন। বিষয়টা খুব ছোট্ট আর সহজ।
লেখক বলেছেন: ... ধন্যবাদ ।
আমি'ও টের পাচ্ছিলাম লেখাটা অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে ।
মূল লেখাটা আর'ও বিশাল ।
আসলে ইনিয়ে বিনিয়ে টিকে থাকা প্রাচীন গল্পো গুলোর বিপরীতে আমি'ও না হয় একটু ইনয় বিনয় দেখালাম ।
মুহাম্মাদ তারিক সাইফুল্লাহ বলেছেন:
মন্তব্যের শুরুতেই আপনার ও আপনার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, আশা করছি আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও মন্তব্যে আপনি কোনো রকম আঘাতপ্রাপ্ত হবেন না।আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস যে, আমরা গেমস খেলে থাকি কম্পিউটরে। আমরা যা কমান্ড করি ক্যারেকটারটি তাই করে থাকে! আজ আমাদেরই এত ক্ষমতা যে শুধু কম্পিউটারের মাধ্যমেই অনেক কিছু পরিচালনা করতে পারি!
আমাদের পেছনেও আমাদের থেকে শক্তিশালী থাকাটা বিচিত্র কিছু নয়। আর তিনিই হচ্ছেন আল্লাহ। এটা আমার ও আরো অনেকেরই বিশ্বাস।
আমার মনে হয়, ইহুদী বা খৃস্টান ধর্ম (অথবা অন্য ধর্ম) নিয়ে কটাক্ষ করলে একজন প্রকৃত মুসলিম কখনই খুশি হবেন না। কারন ইসলামে অন্যের ধর্মের প্রতি সহমর্মিতার ব্যপারে কঠোরভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। আর ইহুদী বা খৃস্টান ধর্ম, ইসলাম ধর্মেরই আদি রূপ। আমরা মুসলমানরা বিশ্বাস করি, স্বার্থান্বেসি মানুষদের কারণেই আজ এই দুটি ধর্মের নিয়ম কানুনে এত বিকৃতি! কিন্তু এগুলো ইসলাম ধর্মই ছিল।
আমাদের প্রধান সমস্যা হচ্ছে, প্ররোচনা আর আহ্বানকে একসাথে গুলিয়ে ফেলি। আপনার যে বিশ্বাসের উপর আস্থা রয়েছে তাকে আমরা সম্মান দেই না...আবার, আমার যে বিশ্বাসের উপর আস্থা রয়েছে তাকে আপনারা সম্মান দেন না!
এখন আপনার যে বিশ্বাস, তার প্রতি আপনি আহ্বান জানাতে পারেন কিন্তু অবশ্যই অপরের বিশ্বাসে আঘাত ও প্ররোচনা দিয়ে নয়। কারণ আপনিও ভাল করেই জানেন যে, আপনার বিশ্বাসটিও এক মুহূর্তে গড়ে উঠেনি!
আমার মনে হয়, এসব ধর্মীয় বিভাজন বা নাস্তিকতা নিয়ে রেষারেষি করার থেকেও আমাদের জাতীয় ঐক্যবদ্ধতা বেশি প্রয়োজন। আর সেটা পরস্পরের প্রতি সম্মান থেকেই আসবে।
ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: আমি বোধহয় কোন'ও কটাক্ষ করিনি ...
শুধু সামগ্রিকভাবে ধর্ম ব্যাপারটায় যে ভুত মিশে আছে তা বলতে চেয়েছি ।
আর কোন কিছু না ।
আপনাকে'ও ধন্যবাদ ... সহনশীলতার জন্য এবং সময় নিয়ে পড়েছেন বলে ।
নিপপন বলেছেন:
পরকালে খাইস,এখন আমাগো খাইতে দে....এই সহজ কথা বুঝতেই সহস্রাব্দি পার.....
ব্রেইনের প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়াও হে মানবজাতি।
লেখক বলেছেন: .. ধন্য আমি । ধন্যবাদ আপনাকে ।
মনজুরুল হক বলেছেন:
নাস্তিকের ধর্মকথা'র প্রত্যাবর্তন স্বাগতম। মনির হাসানকে পোস্টের জন্য আরো একবার অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: বস্ , অনেক ধন্যবাদ ।
বেয়াকুফ বলেছেন:
+++++
লেখক বলেছেন: .... থ্যাংকিউ বস্ ।
লেখক বলেছেন: আপনি'ও দেখি রূপকথা ।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
মনির ভাই,ঠিক এরকম চিন্তা আমারো আসে।আপানার মতই আমিও এসব নিয়ে অনেক ভেবেছি।আপনি যা বলেছেন সবই যৌক্তিক।কিন্ত আমি এখেত্রে বিশ্বাসীদের দলেই থাকব।কেউ না কেউ দুনিয়াটা তৈরি করেছে।এটা আমি বিশ্বাস করি।এই বিশ্বাসটা বুকে ধারণ করে চললে আমার কোন ক্ষতি তো আর হচ্ছেনা।সেটাই আমার জন্যে যথেষ্ঠ।
লেখক বলেছেন: ঃ এটা কি ফেইসবুকের হাসান মাহবুব যে আমার ফ্রেন্ডলিস্টে আছে ?
আসলে আমি আপাতত আপনাকে দল পরিবর্তনের কথা বলছিনা
হ্যা ... কোন কিছু কিম্বা কেউ একজন হয়তো আছে ... হয়তো আমাদের সৃষ্টি করেছে ...
আমরা যার যার নিজস্ব জ্ঞান, সাধনা আর উপলব্ধি থেকেই তার প্রতি মনযোগি হওয়া উচিত .. তাকে আবিস্কারের সাধনা থাকা উচিত ..
তবে অবশ্য'ই প্ররোচিত হয়ে নয় ...
পুরোহিতদের দ্বারা বা হুজুরদের দ্বারা তো নয়'ই ...
হলদে ডানা বলেছেন:
মুহাম্মাদ তারিক সাইফুল্লাহর মন্তব্যে একমত।
লেখক বলেছেন: সাইফুল্লাহর সাথে একমত কিন্তু পোস্টির সাথে কি দ্বিমত ?
লেখক বলেছেন: ... আপ্নাকেও শুভেচ্ছা ... হতে পারে এটাও আমার বিশাল এক প্ররোচনার বিরুদ্ধে ছোট্টখাট্ট প্ররোচনা ...
জেমসবন্ড বলেছেন:
সামনে আরো গল্প দেখার জন্য তৈরী থাইকেন , যদি ততদিন বেচে থাকেন ।সব গল্প গল্প না । সব কিছূকে এক করে দেখা .....পরিচয় ।
সমালোচনা করে বড় বড় কথা বলা সহজ, আসল সত্যটা বের করাটা কঠিণ ।
যাক, মনে আঘাত লাগলে মাইন্ড কইরেন না ।
লেখক বলেছেন: বন্ড ভাই ... আমি তৈরী'ই আছি ... নতুন গল্পো শুনতে ।
এবং নিশ্চিত ভাবে আপনার সেই প্রস্তুতি নেই ...
সব কিছুকে এক করে দেখা কিসের পরিচয় জানিয়ে যান ...
কথা দিলাম মাইন্ড করবো না।
"এক'ই বস্তুকে .... পিতৃপ্রদত্ত কারনে আলাদা মেজাজে দেখাটা ... স্রেফ গাধামী" - আপনাকে জানিয়ে রাখলাম কথাটা।
জেমসবন্ড বলেছেন:
"এক'ই বস্তুকে .... পিতৃপ্রদত্ত কারনে আলাদা মেজাজে দেখাটা ... স্রেফ গাধামী" - আপনাকে জানিয়ে রাখলাম কথাটা।
-পিতাই তো খালি ইনজেকশন করছে আর খরচ দিছে , আর কি কিছু দিছে ?
পড়তে পড়তে , জানতে জানতে বড় হইছি । পিতাই কিছু শিখায় নাই ।
আরে গল্প তো আমি দিবো না স্বয়ং ঈসা (আঃ) দেখাবে...জানি বিশ্বাস করেন না....আপনাদের মতো এই নাস্তিকদের জন্যই আল্লাহ এই খেলাটা খেলবে , ...যাদের চোখে আঙুল দিয়ে না দেখালে বিশ্বাস হয় না ।
লেখক বলেছেন: খালি ... পড়ে খালি জেনে বড় হয়েছেন।
নিজে ভাবেননি বোধহয় !
আর উপলব্ধির কথাতো ছেড়েই দিলাম ... সে ব্যাক্তি এবং মেধা ভেদে তারতম্য হয়।
কে বলেছে আমি নাস্তিক ? ... নাস্তিকের সংজ্ঞা কি ?
আপনার আল্লাহ'কে বিশ্বাস না করলেই কি মানুষ নাস্তিক ?
... জানি আপনার উত্তর সেটাই ...
" প্রচলিত " আল্লাহ, গড, ভগবানের বাইরে আপনি যেতে পারবেননা কোনদিন।
জেমসবন্ড বলেছেন:
আপনাকে নাস্তিক বলাটা আমার ঠিক হয়নি, দুঃখিত ! আবেগের বশে বেশী বলে ফেলেছি ।
ভুল হইছে । আমাকে মাফ করবেন ।
লেখক বলেছেন: ঠিকাছে ... ভালো থাকুন ।
'লেনিন' বলেছেন:
দারুণ হয়েছে লেখাটি। হালকাভাবে পড়ে গেলাম। অপ্রয়োজনীয় ভুল-ভাল বানান ইত্যাদি যদি সংশোধন করে দেন এটি পড়ার জন্য সুবিধা হবে। সবারই পড়া উচিৎ লেখাটি।
লেখক বলেছেন: সত্যি বলতে কি ... চর্চার অভাবে বানানে আমি খুব কাঁচা .. বানান গুলো একটু বলে দিলে আমার সুবিধা হত।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: "আমি বলবো যে আমরা উভয়ই নাস্তিক। আমি তোমার চেয়ে শুধুমাত্র একজন ঈশ্বরে কম বিশ্বাস করি। আমি কেন তোমার ঈশ্বরকে বাদ দিয়েছি এটা তুমি তখনই বুঝবে, যখন, তুমি কেন সম্ভাবনাময় অন্য সকল ঈশ্বরকে বাদ দিয়েছো- এটা বুঝতে পারবে।"
লেখক বলেছেন: অন্যভাবে দেখলে ... তর্কে নামিয়ে বিশ্বাস মেলানোর ধর্মিয় অপচেষ্টার বিরুদ্ধে এই প্রয়াস ।
কামাল পারভেজ বলেছেন:
প্রিয় বন্ধু, আমি আবার ও বলছি আমাদের এমন কিছু বিষয় নিয়ে অগোছালো করা উচিত নয় যা আমরা নিজেরা পরে গুছিয়ে দিতে পারব না।
একটু চিন্তা করে দেখ --
একটা দুনিয়া , কোন ইশ্বর নাই, আল্লাহ নাই, কোন ধর্ম নাই।
মানুষ কে আমদের গুনীজন রা বলে গেছেন rational animal. আমাদের সাথে অন্য প্রানীদের নাকি ওই একটা জায়গাতে তফাত আর তা হলো rationality আর এটা তৈরী হয় কিছু control এর মাধ্যমে যেগুলো impose হয় নিয়ম দ্বারা। এই নিয়ম সামাজিক হতে পারে, রাষ্টীয় হতে পারে ধর্মীয় হতে পারে। ধরে নিলাম ধর্ম নাই। আছে শুধু সামাজিক এবং রাষ্টীয় নিয়ম।
এমন ই একটা সময় এর কথা বলি।
একটা মানুষ এমন জায়গেয় গেলো যে সেখানে একটা চরম খারাপ অপরাধ করলেও সমাজ বা রাষ্টের কেউ তা দেখতে পাবে না। so at that point you may not be rational because of only social or contitutional law. nobody is going to prove you guilty. will you use your chance than? i am afraid that i will not miss any chance because at the next moment i will be able to prove myself innocent in front of society and state.
কিন্তু তুমি যদি ধর্ম মানো তবে you will be witness of your own crime and you will feel guilty. মানবজাতির টিকে থাকার জন্য তাই ধর্ম লাগবেই।
you may not like those story but what makes you think that those story are not useful to humanrace. i believe the story itself is not a problem for us, we have to make sure that we will use those story in right way.
you know- i am just enjoying the freedom you have given me.
মনির হাসান বলেছেন:
দোস্ত ... সংক্ষেপে বলি মাইন্ড কইরো না ।"পাপ" আর "অন্যায়" জিনিষ দুইটা আলাদা তাই না ... তোমারে এইটা ডিস্টিঙ্কটলি বুঝানোর কিছু নাই ...
আর ধর্ম প্রয়োজন আছে মাত্র ভুত তাড়ানোর লাইগা ..
ডিটেইলে বুইঝা লও ...
তোমার কমেন্টের মত আরো একজন আমারে ফেসবুকে এই কোশ্চেন টা করছিলো ... এর উত্তর বিস্তারিতভাবে একটা পোস্টে দিমু ... ব্লগের সবারই জানানর দরকার আছে .. কি কও ?
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
এইটা নিয়া ব্লগ লিখতে মন চায়।
তন্ময় ভট্টাচার্য বলেছেন:
ভালো লাগলো, কিন্তু আপনার ২নং ও ১০ নং মন্তব্যের জবাব একটু ভালভাবে দেখবেন কি?
লেখক বলেছেন: আমিতো কোন বিরোধ দেখছিনা ... কটাক্ষ আমার কাছে আর কটাক্ষ লাগেনা যখন সেখানে যুক্তির "দাবী" থাকে ... ("যুক্তি" শব্দটা হয়তো ভালো'লাগলোনা আপনার কাছে .. তাই না ?)
যেমন আপনি যদি আমাকে মুরগি দেখিয়ে ডাল খাওয়াতে চান তাহলেতো আমি দাবী করতেই পারি ... আমার মুরগীর রান কৈ ... নাকি ?
এটাকে কটাক্ষ ভাবা কি ঠিক ?
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
অনেক বড় লেখা , ভাবানুবাদ চমৎকার হয়েছে। পড়তে কোথাও আটকাতে হয়নি, সাবলীল লেখা ...... তবে ..... একটা গল্প বাদ পড়ে গেছে...... শেষ গল্পটা আমি নিচে দিয়ে দিলাম ........
শেষ গল্পের পরের গল্প ......
একজন বিজ্ঞানী কোন এক দ্বীপে বেড়াতে গেছেন। ওখানে গিয়ে তিনি দেখেতে পেলেন কোন একটা গাছে একটা কাঠঠুকরা ঠুকরাচ্ছে। আর আমরা সবাই জানি কাঠঠুকরার তীক্ষ্ণ ঠোট আছে , আর অন্য পাখির তেমন ঠোট নেই ।
এই দেখে ঐ বিজ্ঞানীর বিবর্তনবাদের ধরনা মাথায় এলো ...... তার পর উনি অনেক চিন্তা (ধ্যান করে) করে বের করলেন মানব জীবনের ইতিহাস।...... উনি বললেন, "প্রথমে পানির মধ্যে এক কোষী প্রানীর জন্ম হলো ...... তা থেকে অনেক অনেক বছর পরে ধীরে ধীরে অপর সব জলজ প্রানীর উৎপন্ন হলো....... তারপর ....... তারপর ....... অনেক অনেক বছর পরে তা থেকে সাপ, ব্যাঙ, কুমির ইত্যাদি হলো ..... তারপর ...... তারপর ...... বানর হলো ......শেষে বানর থেকে আজকের আমাদের এই মানুষ জাতির উৎপত্তি .......
আপনি কি এই গল্পোটা বিশ্বাস করেন ?
যদি এথিয়েস্ট হন তো অবশ্য'ই এটা বিশ্বাস করেন .. তাই না ?
আর আমি যদি সন্দেহঃবশত আপনাকে প্রশ্ন করতে থাকি ..
১) ঐ প্রথম এক কোষী প্রানীটা কোথা থেকে আসলো ? বা
২) এখন তাহলে "বানরমানুষ" কোন প্রজাতি নাই কেন ? বা
৩) তাহলে কি বর্তমানের মানুষ হাজার হাজর বছর পরে সুপারম্যানে পরিনত হবে ?
........ আমার এতসব প্রশ্নের বিপরীতে আপনার হাজার হাজার উত্তর'ও আছে ...
ঠিক যেমনটাঃ ১ম গল্পের ক্ষেত্রে, স্যান্টার ব্যাপারে এই আমি'ই আপনাকে হাজার প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলাম ।
সত্যি বলতে কি ... আমাকে যেমন আপনি পাগল ঠাউরেছেন .. এ ক্ষেত্রে আমি'ও আপনাকে পাগল ছাড়া আর কিছুই ঠাউর করতে পারছিনা ... কারন একজন এথিয়েস্ট হয়ে আপনি উপরের শেষ গল্পোটি মনেপ্রানে'ই বিশ্বাস করেন ।
আপনার সাহায্যার্থে বলছি, পৃথিবীর বাকি ৪.৫ বিলিয়ন মানুষ যারা এথিয়েস্ট নয় তারা ঠিক সেভাবেই আপনার এই গল্পোটাকে দেখে,
ঠিক যেভাবে এই আপনি আমার স্যান্টার গল্পোটাকে দেখেছেন ...
ঠিক যেভাবে আপনি মর্মন আর মুসলিমদের গল্পোটাকে দেখেছেন ...
এখন কোনটা আপনি বিশ্বাস করবেন সেটা আপনার অভিরূচি ।
...............................
লেখক বলেছেন: হা হা হা ... বানর থেকে মানুষ আসছে এই ঊদ্ভট তথ্য আপনাকে কে দিলো ... ? ? ?
যাই হোক তর্কে আসি ...
জ্বি আমি আপনার শেষ গল্পোটা বিশ্বাস করলাম ... তবে এই গল্পো বিশ্বাস করতে যে নাস্তিক হওয়া লাগবে ... তার বাধ্যবাধকতা নাই ..
উত্তরঃ
১. হুমম চিন্তার বিষয় ... ঠান্ডা মাথায় ভাবলে কোয়েন্সিডেন্স, .. আর গরম মাথায় ভাবলে আল্লাহর কেরামতি
২. আবার বলি মানুষ বানর থেকে আসে নাই ... তাই বানরমানুষ নাই
আর মিসিং লিঙ্কগুলার কথা মিন করলে বলবো .. দে আর স্টিল মিসিং
৩. জ্বি বিবর্তন থাইমা যায় নাই ... চেষ্টা চরিত্র করতে পারেন ... আপনার উত্তরপুরুষ সুপারম্যান হইতেও পারে !
আকাশ আমার সীমানা বলেছেন:
এই ব্লগটাও কি গল্প। এত গল্পের ছড়াছড়ি.....। যে যার বিশ্বাসে বিশ্বাসী হবে তাতে সমস্যা কোথায়? আমি আপনার লেখা পড়ে যেমন আহত হলাম তেমনি একজন মৌলবাদির লেখায়ও তেমন হতাম। সুতরাং আপনি আর মৌলবাদির মধ্যে তফাত দেখছি না। কেননা মৌলবাদিরাও এ ধরনের গল্পে বিশ্বাসি আর আপনি তো দেথছি কপিরাইটা ছাড়াই এসব গল্পকে নিজের মনের মাধুরি মিশিয়ে লিখছেন।
লেখক বলেছেন: কার্যতঃ বিষূবীয় অঞ্চলীদের ... উত্তর মেরু দক্ষিন মেরু প্রভেদ নেই ...
কষ্ট দেয়ার জন্য দুঃখিত ....
কপিরাইট আইনে ধরা খেলে ... জরিমানা দিতে প্রস্তুত ...
মোহাইমেন বলেছেন:
খুবই যুক্তিপুর্ন লেখা, ভাববার বিষয়। উপস্থাপনার ভংগি ভালো লেগেছে। এইবার আমার টা পড়ুন -ঘটনা প্রবাহ:
(১)
বছর আষ্টেক আগে এক ক্রিকেট ম্যাচের শেষ দুই বলে জয়ের জন্য ৬ রান দরকার ছিলো। স্ট্রাইকিং পজিশেন আমি ছিলাম। মনে জপছিলাম, 'আমি পারছি, আমি পারবো', 'আমি পারছি, আমি পারবো', 'আমি পারছি, আমি পারবো'। বল আসলো, চোখ বুজে বল মারলাম, লেগ সাইডে মিড-অন দিয়ে সুবিশাল ছক্কা হয়ে গেল। আমি খুব কমই লেগ সাইডে ছক্কা মারতে পেরেছি। জাভেদ মিয়াদাদ-দের দ্বারা সম্ভব হতে পারে কিন্তু আমি পারলাম কিভাবে, এটা আজো একটা প্রশ্ন।
(২)
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট কিশোর বয়সে বিশ্ব জয়ে বের হয়ে দুনিয়া দখল করে নিলেন! সত্যি অবাক হতে হয়!!! এটা সম্ভব কিভাবে???!!!! বুশ এতো যুদ্ধাস্ত্র নিয়েও তো আফগানস্তান, ইরাকে নিরুংকুশ প্রাধান্য বিস্তার করে যেতে পারেন নি। হিটলার তো চেষ্টা করেও ফেইল মারলো, জয়তু চেষ্টা।
(৩)
আইনস্টাইনের মাথা একটা, মগজ-মস্তিস্ক একটা, তিনি পদার্থ্য বিদ্যায় তো রীতিমত অঘটন ঘটিয়ে দিলেন!!! এটা সম্ভব কিভাবে???!!!! এখনতো হাজার হাজার বিজ্ঞানীর একত্রিত চিন্তাও তো ম্যাসিভ বিপ্লব ঘটাতে পারছে না!!!!!!! কারন রহস্যজনক!!!!! এখানেও মনে হচ্ছে ষড়যন্ত্র আছে!!!!
(৪)
নজরুল নাকি দুইহাতে লিখতে পারতেন, একই আসরে কবিতা, গজল, গান লিখতে পারতেন। আর মাইকেল মধুসুদন দত্তের বাংলা ছনেট তো অনিবেদ্য!!!! আর রবীন্দ্রনাথ তো নোবেল পেয়ে বসলেন!!!!!
নজরুল বাস্তব, আলেকজান্ডার, আইনস্টাইনেরাও বাস্তব, কেন?? তাদের উপস্তিতি আছে।
পাগলের মন্তব্য:
আমি আলেকআইন {আলেকজান্ডার+আইনস্টাইন+নজরুল} হইতে চাই!!!!!!!!!
আপেক্ষিক বিশ্লেষন:
(১)
কেউ ক্রিকেট প্র্যাকটিস করলে হরহামেশা ছক্কা পেটাতে পারবে। অন্তত প্রতি একশো জনে একজন এইরকম শেষ বলে ছক্কা পেটাতে পারবে। তাই না দেখেও এই যোগ্যতা সম্পর্কে সহজেই বিশ্বাস হয়।
(২)
আলেকজান্ডারের মতো বীর সহস্রাব্দেও জনমায় না, তাই মিথের মতো মনে হয়, কিন্তু মিথ না। হিটলার-মুসোলিনিও একই পথে হাটতে যেয়ে পিছলে পড়েছে। আমি এই উদাহরনে এথিক, মরালিটি বা ভিষন নিয়ে তুলনা টানি নাই। কিন্তু আলেকজান্ডারেরা আসেন, আসবেন।
(৩)
আইনস্টাইন ঘরে ঘরে জন্মায় না। আইনস্টাইনেরা সময়ের সন্ধিক্ষনে জন্মায়। আমার বিশ্বাস আবার আইনস্টানের মতো টাইমস্টোনের জন্ম হবে। স্টিফেন হকিংয়ের কথা অনেকে বলবেন, কিন্তু তিনি কগনিটিভ সাইন্টিস্ট। তার ক্ষেত্র একটু ভিন্ন আইনস্টানের তুলনায়।
(৪)
রবি-নজরুল-মধুরা জীবানন্দদাশের 'আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে'র মতো জাগরনী শক্তি। তাদের মতো যুগপুরুষের পদধ্বনি সময়ে শোনা যাবেই মানব ইতিহাসে।
ব্যতিক্রম কিন্তু সাধারন নয়, তাই সেটা ব্যতিক্রম:
নবী-রাসুল (আল্লাহ্র প্রেরিত পুরুষ) কিন্তু সাধারনের চেয়ে ভিন্ন কিছু। তাদের গুনাবলী সাধারন নয়, যে আপনি যদু-মদুদের চারিত্রিক গুনাবলীর সাথে কমপ্যায়ার করবেন। আপনার বর্ননাতে খ্রিস্টানদের সান্টাক্লজের (কাহীনি) কিন্তু মুল ধর্মের ভিত্তির বাইরে। এটা পরবর্তীতে সৃষ্ট মানুষের দ্বারা!!!! যেমন তথাকথিত আজকের দিনের ইসলাম-বিদ্বেষীদের সৃষ্ট গওহর শাহী (http://www.theallfaith.com/miracles.htm)। এখন যদি আপনি তাকে ইসলামের আইকন বা আল্লাহর নির্দেশনা মনে করেন, তবে নিতান্তই অর্বাচীন হবে!!!!
মর্মনদের সম্পর্কে কিছু বলতে ইচ্ছা করছে না, আমার যদি ভুল না হয়ে থাকে, ম্যাডোনা (গায়িকা) হলো মর্মনদুত। এইবার এইধর্মের নৈতিকতার ধারনা বুঝে নিন। হালে ব্রিটনী স্পিয়ার্স যোগ দিয়েছেন। কাব্বালাহ সম্পর্কে একটু গুগলিং করুন, পেয়ে যাবেন।
আর নুডিজ্যম নিয়ে আমার বলার ইচ্ছা নাই।
আর নবীদের নেতা, পৃথিবীর সেরা, আমাদের জন্য রহমতস্বরুপ প্রেরিত রাসুল(সা
আমরা অনেক কিছু বুঝি কিন্তু বাহ্যত স্বীকার করি না। আপনি মিরাজ সম্পর্কে বলতে চেয়েছেন। আর প্রত্যেক মুসলমানের জন্য নামাজ হচ্ছে মিরাজ স্বরুপ। আর আল্লাহ্র প্রিয় বান্দাকে বোরাকে চড়িয়েছেন, বিশ্ব-ব্রক্ষান্ড ভ্রমন করিয়েছেন। তিনি একমাত্র ব্যক্তি, কারন তিনি সৃষ্টি সেরা। আপনার বিশ্বাসের জন্য আল্লাহ বার বার এইরকম সুযোগ অন্য কাউকে দেবেন না। এইখানে এসেই আপনার দ্বিমত সন্দেহ শুরু হবে, উপরের ব্যক্তিদের পর্যালোচনা আবার পড়ুন। আশা করি স্বচ্ছতা আসতে শুরু করবে।
আপনি ঠাকুরমার ঝুলির সাথে গুরুগম্ভীর একটা বিষয়কে তুলনা করে ভুল পথে চলেছেন। আপনি আল্লাহকে অস্বীকার করতে পারেন, কারন আল্লাহ আপনাকে জ্ঞান দিয়াছে। তাই উত্তম হয় যদি গবেষনা করে ভাবগম্ভীর বাস্তব যুক্তিপুর্ন একটা লেখা দেন। স্ট্যান্টবাজীর লেখা পড়তে আমোদ লাগে, কিন্তু মনে থাকে না।
আপনাকে একটা প্রশ্ন ছুড়ে দেই, বলুন তো আপনি আপনার আত্মা কে ছুতে পারেন না কেন? এটাতো আপনারই। দেখেন না কিন্তু অনুভব করেন কেন?? আমার প্রশ্নে কনফিউজড হয়ে ভাবতে পারেন আমি মস্তিকের কথা বলছি। আমি কিন্তু মস্তিকের কথা বলি নাই। আর মস্তিকের কথা বললে বলবেন এটা ইলেকট্রিক সিগন্যালে কাজ করে। গুড, কথা সত্য। এখানেও বাহ্যত অদৃশ্যমান একটি পৃক্রিয়ার কথা এসে যাচ্ছে, যা সাধারনভাবে চোখে দেখা যায় না। আত্মাকে ধরতে পারি না, মস্তিকের কাজ চোখে দেখি না, তবু এইগুলি আমারই অংশ। আর আল্লাহ কতো মহান!!! তাকে আপনি চাইলেন আর চর্মচক্ষু দিয়ে দেখে ফেলবেন???? আপনাকে আপনি অনুভব করুন আমি নিশ্চিত আপনি আল্লাহকে পেয়ে যাবেন, অন্য কোথাও খুজতে যাওয়ার দরকার নাই। অনেকেই বলেছেন, 'বিশ্বাসেই মিলায় বস্তু, তর্কে বহুদুর', আমি মানতে নারাজ। কারন ইসলাম এমন একটি ধর্ম যেখানে আপনাকে চিন্তা করতে বলা হয়েছে, শুধু বিশ্বাস করতে বলে নাই।
আপনার পন্চ ভুত (এখানে ভুত আসলে ভুত নয়, ইন্দ্রিয়) আপনারই। দেখা যায়, ধরা যায়, ছোয়া যায়। কিন্তু ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়????
আশা করছি, আপনি প্রচুর পড়াশুনা করেন। নেগেটিভ চার্জ নিয়া পড়তেছেন শুধু। পজিটিভ চার্জ নিয়াও পড়াশুনা করেন, তাতে করে আপনার সাইকেল পুরন হবে, আর নয়তো তরংগের নেগেটিভ অংশেই বিচরন করতে থাকবেন আজীবন। আর মনে হবে সব জেনে গেছি, আসলে সবই অপুর্নাংগ।
নাই বলা যত সহজ, প্রমান করা তার চেয়ে অনেক অনেক অনেক গুন কঠিন। আর মিথ-গল্পকে সত্য মাপার মাপকাঠি বলে ধরে নেয়া ভুল আর নয়তো সস্তা জনপ্রিয়তা পাবার চরম বাজে স্টান্টবাজী।
লেখক বলেছেন: আপেক্ষিক বিশ্লেষন'তো হলো এবার পর্যবেক্ষনঃ
১. কাকতাল
২. লটারী সবাই জেতে না ।
৩. এবং ৪. ব্যাটে বলে দারুন ছয় ।
"আত্মাঃ" বাতাস ধরতে না পারা ...
আর স্ট্যান্টবাজী আমার ভালোই লাগে বোধ হয় ।
বাঙাল যুবক বলেছেন:
@ মুহাম্মাদ তারিক সাইফুল্লাহ ও মোহাইমেন । ধন্যবাদ।@মোহাইমেন - আপনার জবাবটি আলাদা পোষ্টে দিন।
পজিটিভ২৯ বলেছেন:
শান্তির দেবদূত@ঘটনা কি সত্য? আসলেই উনি কি ঘটনাটা বাদ দিসেন? মনে হ্য় না। ভুলে ল্যাখেন নাই , অথবা সনাতন ধর্মের ব্যাপারে ২ নং কমেন্টে যা কইছেন তাও হইত পারে।
অরণ্যদেব বলেছেন:
গুরু ক্যাচাল বাধাইতে চায়নি কেউ? এত্তো বড় কমেন্ট দেক্লাম, আবার্দেহি সেইডাই পুষ্ট! বাহ বেশ বেশ। লেখক বলেছেন: অরণ্য দা .... ব্যাপারস্ না । ... আছি
ভূপর্যটক বলেছেন:
নাস্তিক হবার এই সহজ রাস্তাগুলো খুবই পুরানো, আর বহু ব্যবহারে ভোতা। এই জ্ঞানবিদ্যাগুলো সহজেই বুঝে ফেলে ধর্ম কী - তা বুঝতে সে কতই না পারদর্শী! সে 'বিজ্ঞান', বিশ্বাস ও র্যাসন্যালিটি - সব বুঝে ফেলেছে।অথচ যারা আল্লাকে বস্তু জ্ঞান করে তা আছে মনে করে আস্তিক, ঠিক তাদেরই মত সহজেই এই "বস্তু" নাই প্রমাণ করে দিয়ে এরা নাস্তিকতার বাহাদুরি দেখায়।
এরা এমনকি ফেবল (fable) বা রূপক রচনা বলতে কী বুঝায় - এটা জানে না। নীতিকথা মূলক রচনা, rhetorical text এগুলো নাম শুনেছে - মনে হয় না। গ্রীকদের Aesop fable (ঈশপের নীতিশাস্ত্রমূলক গল্প) অথবা, আমাদের কাছের বৌদ্ধ জাতকের গল্প - কখনও পড়েছেন অথবা এগুলো কী ধরণের রচনা - তা বুঝেন, মনে করার কারণ নাই। এমনকি একালে যাকে কার্টুন বলি তার ফর্মটা কী - তাও বুঝেন না। কেবল বুঁধ হয়ে ওয়াল্টার ডিজনীর মিকি-মাউশ কার্টুন দেখেন, বুঝি বুঝি ভাব করেন, আধুনিক হয়েছেন, জাতে উঠছেন মনে করেন আর মজা পান। এর বেশি জ্ঞান বুদ্ধির দৌড় আর আগায় নাই।
আমরা অনেকে পছন্দ করি, অনেকে করি না; বিশ্বরাজনীতিতে আলকায়েদা-জাতীয় রাজনৈতিক ফেনোমেনার আর্বিভাব ও প্রভাব পড়েছে। এর সাথে সাথে অবিকশিত কিছু হিন্দু চিন্তা সংখ্যালঘু হীনমন্যতায় কারণে সরব হয়েছে। ইসলামকে "টেররিষ্টের" সমার্থক বলে প্রচারের একটা সবল ধারা তৈরি ও সক্রিয় আছে একালে। এই সুযোগে ধর্ম (ইসলামের) বিরুদ্ধে তাদের যত ক্ষোভ, বিদ্ধেষ আছে, জমা ছিল - তা ঝালাই করে নিবার পরম মোক্ষকাল হাতছাড়া করতে তারা রাজি না। বিপদজনক এই খেলা তাঁদের নিজেদের জন্যও কত ভয়ঙ্কর এই বিচারবোধ হুশ তাদের নাই। নিজেদের স্বার্থটা কীসে -এটা বুঝবার মত মুরোদও তাদের নাই; এতই প্রতিহিংসাপরায়ন এই নির্বোধ, নৈরাজ্যবাদীরা।
বিপদজনক সময়ে সাবধানতার বদলে আরও বিপদ যোগ করা ছাড়া এদের আর কোন ভুমিকা নাই।
লেখক বলেছেন: তাহলে ভুতের'ই জয় হোক ... কি বলেন ?
কিউরিয়াস বলেছেন:
একটু নাক গলাই..আনেক কিছু বলার আছে, কিন্তু আফসোস, টাইম কম....
@শান্তির দেবদূত:
আপনার গল্পটা কেউ কিন্তু "বিশ্বাস" করেনা। কেউ যখন বলে, সে বিবর্তনবাদে "বিশ্বাস" করে, তখন সে বলতে চায় যে সে মানবজন্ম নিয়ে উতসুক, এবং বিস্তর পড়াশোনার পর বিবর্তনবাদের পক্ষে তার মনে একটা জোরালো মত তৈরী হয়েছে।
আজ যদি আর কোন থিওরী দেয় কেউ মানবজন্ম নিয়ে, এবং দেখা যায় যে সেটা আমাদের পর্যবেক্ষণকে ব্যাখ্যা করছে আরো বেশি করে, এবং ইট মেকস সেনস, এবং "ধোপে টেকে", আর বিস্তর ঘাটাঘাটি, নাড়াচাড়া, আর পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরও ব্যাপারটা মেনে নেওয়া যাচ্ছে, তাহলে ঐ থিওরীই ঐ বিগ্গান-মনস্ক মানুষরা মেনে নেবেন।
আফসোস, এখন পর্যন্ত এই রকম কিছু নাই।
ঘুম নাই বলেছেন:
তার চেয়ে রূপকথা শুনতে বেশি ভালো লাগে।
কঁাকন বলেছেন:
+++++++
লেখক বলেছেন: আরে বলেন কি ... আমি তো কখনি কোন মন্তব্য ডিলিট করি না ... অনেক আগে দুইটা করছি ... দুইটাই ছিলো বিজ্ঞাপন মার্কা ... মুছে ফেলা মন্তব্যে এখনো ঐদুইটা আছে ...
আপনি অন্যটাতে কমেন্ট করছেন ... শিওর ..
ধন্যবাদ & ভালা থাকেন ...
অ.ট. মেহরাব ব্যাটার ব্লগ বাতিল ... আপনাদের স্যালুট ! ! !
অলস ছেলে বলেছেন:
লিখেছেন ভালো। ধন্যবাদ মোহাইমেন কে, কষ্ট করে চমৎকার এবং যথার্থ উত্তর দেয়ার জন্য।
সেই পুরোনো তর্ক, নাস্তিকরা বলবেন, নবী-পয়গম্বরদের সময় অলৌকিক ঘটনা ঘটলে এখন ঘটেনা কেন? আস্তিকরা বলবেন, নবী-পয়গম্বরেরা স্পেশাল মানুষ ছিলেন, তাই ঘটেছিলো -- এইতো, তাইনা?
আপনার অনুবাদ বা ভাবানুবাদটি কোথা থেকে জানলে আরো ভালো লাগতো, তবে যে ভদ্রলোক লিখেছেন অরিজিনালী, তাঁর মুন্সীয়ানার (হতে পারে কিছুটা কগনিটিভ অসাধুতা তিনি প্রয়োগ করেছেন) প্রশংসা করতেই হয় ... যে পয়েন্টগুলোতে,
১। সান্টা ক্লজের গল্পটা বাচ্চাদের বড়দিন উৎসবে মাত্রা যোগ করার একটা নির্দোষ বয়ান, সম্ভবতঃ ছোট বয়েস থেকেই যাতে তারা বড়দিন/যীশু/ধর্ম এসবের প্রতি আকৃষ্ট বোধ করে সেজন্যও হতে পারে। এটাকে এই আলোচনায় আনাটা লেখকের বোকামী। তারপরও তিনি কেনো আনলেন? সেটা ভাবতে গিয়েই বুঝলাম, একটা ফ্লেভার আনার জন্য। প্রথমেই ধর্মের সাথে রিলেটেড কিন্তু সবাই "ছেলেভুলানো" বলেই জানে এমন একটা গল্পকে উপস্থাপন করে লেখক পাঠককে অরবিট্রারী গল্পে অবিশ্বাস করার জন্য প্রস্তুত করে নিলেন বলে মনে হলো। এছাড়া সান্টা ক্লজের গল্প এই আলোচনায় আনার কোন যৌক্তিকতা নেই, কারণ মুহম্মদ (সাঃ) বা ঈসা (আঃ) এর অলৌকিক ঘটনার সাথে একে মুসলিম বা খ্রিস্টানরা একপাল্লায় রেখে দেখেনা।
২। লেখকের বর্ণনার ক্রমটাও ইন্টারেস্টিং, যেমন ক্রনোলজীটা মেইনটেইন করেছেন ব্যাকওয়ার্ড। এবং উপরের সান্টাকে আনার কারণের মতোই সেমি-কারণে মর্মণ ধর্মের মতো মাইনর একটা ধর্মের উদাহরণ নিয়ে তিনি হাজির হলেন, যেখানে আরো বড় বড় ধর্মেরগ্রন্থেও এরকম অলৌকিক কাহিনী দেখা যায় ... সেটাও আদতে নবী-পয়গম্বর বলে নিজেদের দাবী করা টাইপের লোকদের গল্পের প্রতি পাঠকের অবিশ্বাসের ক্ষেত্র তৈরী করার জন্য
সুন্দর স্ট্রাটেজী লেখকের সন্দেহ নাই, তবে মনে যে প্রশ্নটা জাগে, তা হলো, এই স্ট্রাটেজী না নিয়ে, অর্থাৎ এতটা ইনিয়ে বিনিয়ে না বলে কি সরাসরিই লেখক মুহম্মদ আর ঈসার অলৌকিকতার কাহিনীগুলো শুনিয়ে বলতে পারতেননা, "আপনি কি এসব কাহিনী বিশ্বাস করেন?"
সেটাই কিন্তু লেখার মূল বক্তব্য, এবং সেখানে সেই পুরোনো আলোচনাতেই ফিরে যেতে হয়।
আরো গোড়াতেই আসলে আলোচনা থমকে যায়। দঃরুন নবী-রসুলদের কোন অলৌকিকতার ঘটনা ঘটেনি ... তারপরও প্রশ্ন করা যায়, কিভাবে আকাশ থেকে "ওহী" নাজিল হয় -- এটা কি সম্ভব? শেষমেষ আলোচনাটা গিয়ে স্রষ্টা থাকতে পারে কি পারেনা -- সেখানেই আটকে থাকে
তবে কয়েকটা পয়েন্ট নোট করা দরকার:
আপনি যদি আজ ব্লগে বলেন যে গত তিনরাত ধরে ঐশ্বরিক কেউ আপনাকে কিছু মেসেজ দিচ্ছে -- কেউ বিশ্বাস করবেনা, এক তুড়িতেই উড়িয়ে দেব। কিন্তু একই কথা যদি আপনি চিন্তিতমুখে আপনার মা-বাবা বা স্ত্রী বা খুব ঘনিষ্ট কোন বন্ধু যে আপনাকে জানে, আপনার চিন্তার সততা/জ্ঞান নিয়ে যার আস্থা আছে তাঁকে বলেন, তখন কি তারা এক তুড়িতেই নাকচ করে দেবেন?
নবী-পয়গম্বর হিসেবে যারা নিজেদের দাবী করেছেন, তারা যে হঠাৎ একদিন এসে অলৌকিক কিছু দাবী করেছেন, আর সবাই তা মেনে নিয়েছে -- এমনটা ভাবলে ভুল করবেন। সবাই একটা লম্বা আর শ্রমসাধ্য প্রসেসের মধ্য দিয়ে গেছেন। এখন কথা হলো এসব দাবীকারীদের মধ্যে কেউ কেউ হতে পারেন ফ্রড, কেউ কেউ হতে পারেন সত্য। এদের একজনকে ফ্রড ভাবলে যে সবাইকেই ফ্রড হিসেবে দেখতে হবে, তেমন কোন বাঁধাধরা নিয়মতো নেই!! কিন্তু এই লেখাটির লেখক মনে হয় সেরকম কোন যুক্তি দিতে চাইছেন, বা সেরক একটি আবহ তৈরীর মাধ্যমে সবকিছুকে নাকচ করে দিতে চাইছেন-- যেটা আদপে ধোপে টেকেনা।
লেখক বলেছেন: স্যরি জ্বীনের বাদশা ...
হাউকাউয়ের মাঝখানে আপনার রিপ্লাই দিতে পারি নাই ।
ধর্মের অম্লপরীক্ষা" নামটা দেখে যতটা উৎসাহী হয়েছইলাম, দুঃখিত তবু বলতে বাধ্য হচ্ছি,পড়ে ততটাই হতাশ হলাম
: এটা আপনার ব্যাক্তি অনুভুতি ... ব্যাক্তিভেদে আশা-হতাশা প্রভেদ করে .. যেমন আমার ক্ষেত্রে উল্টো’টা হয়েছে ।
সেই পুরোনো তর্ক, নাস্তিকরা বলবেন, নবী-পয়গম্বরদের সময় অলৌকিক ঘটনা ঘটলে এখন ঘটেনা কেন? আস্তিকরা বলবেন, নবী-পয়গম্বরেরা স্পেশাল মানুষ ছিলেন, তাই ঘটেছিলো -- এইতো, তাইনা?
: জ্বী ... The same old story again ..
আপনার অনুবাদ বা ভাবানুবাদটি কোথা থেকে জানলে আরো ভালো লাগতো, তবে যে ভদ্রলোক লিখেছেন অরিজিনালী, তাঁর মুন্সীয়ানার (হতে পারে কিছুটা কগনিটিভ অসাধুতা তিনি প্রয়োগ করেছেন) প্রশংসা করতেই হয় ... যে পয়েন্টগুলোতে,
: মুল পোস্টে দেয়া ছিলো ... খেয়াল করেননি বলে আবার http://godisimaginary.com/i7.htm ।
কগনেটিভ অসাধুতা ... হা হা হা ... অসুবিধা কি তাতে ? জাকির নায়েজ কি করে ?
১। সান্টা ক্লজের গল্পটা বাচ্চাদের বড়দিন উৎসবে মাত্রা যোগ করার একটা নির্দোষ বয়ান, সম্ভবতঃ ছোট বয়েস থেকেই যাতে তারা বড়দিন/যীশু/ধর্ম এসবের প্রতি আকৃষ্ট বোধ করে সেজন্যও হতে পারে। এটাকে এই আলোচনায় আনাটা লেখকের বোকামী। তারপরও তিনি কেনো আনলেন? সেটা ভাবতে গিয়েই বুঝলাম, একটা ফ্লেভার আনার জন্য। প্রথমেই ধর্মের সাথে রিলেটেড কিন্তু সবাই "ছেলেভুলানো" বলেই জানে এমন একটা গল্পকে উপস্থাপন করে লেখক পাঠককে অরবিট্রারী গল্পে অবিশ্বাস করার জন্য প্রস্তুত করে নিলেন বলে মনে হলো। এছাড়া সান্টা ক্লজের গল্প এই আলোচনায় আনার কোন যৌক্তিকতা নেই, কারণ মুহম্মদ (সাঃ) বা ঈসা (আঃ) এর অলৌকিক ঘটনার সাথে একে মুসলিম বা খ্রিস্টানরা একপাল্লায় রেখে দেখেনা।
: একজন অবিশ্বাসীর কাছে স্যান্টার গল্পো, মামদো ভুত, আর মুহাম্মদের জীব্রায়েল একই বস্তু .. অথচ বিশ্বাসীর বিশ্বাসভেদে এর গুরুত্ব তারতম্য হয় .. ব্যাপারটা দুঃখজনক নয় কি ? যা বস্তু তা বস্তুই যা ভৌতিক তা ভৌতিকই .. পিতৃপ্রদত্ত বিশ্বাসের কারনে একই বস্তুর আলাদা আলাদা স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারন কি ঠিক .. ?
: আর পাঠক’কে “অরবিট্রারী গল্পে অবিশ্বাস”এর জন্য প্রিপারেড করাটায় দোষের কি আছে ?
মেইন ডিশের আগে আমরা কি হাল্কা সালাদ টালাদ দিয়ে স্টারট্ করিনা ... ?
২। লেখকের বর্ণনার ক্রমটাও ইন্টারেস্টিং, যেমন ক্রনোলজীটা মেইনটেইন করেছেন ব্যাকওয়ার্ড। এবং উপরের সান্টাকে আনার কারণের মতোই সেমি-কারণে মর্মণ ধর্মের মতো মাইনর একটা ধর্মের উদাহরণ নিয়ে তিনি হাজির হলেন, যেখানে আরো বড় বড় ধর্মেরগ্রন্থেও এরকম অলৌকিক কাহিনী দেখা যায় ... সেটাও আদতে নবী-পয়গম্বর বলে নিজেদের দাবী করা টাইপের লোকদের গল্পের প্রতি পাঠকের অবিশ্বাসের ক্ষেত্র তৈরী করার জন্য
: গল্প সাজানোর অর্ডারে কৌশল অবলম্বন করা হয়ছে ... উদ্দেশ্য মুলক হয়েছে ... ওক্কে ঠিক আছে ... তর্কের সুবিধায় ধরে নিলাম এটা একটা দোষ হয়েছে ... অপরাপর মেজর ধর্মগুলো বাদ দিয়ে মর্মনদের নিয়ে আসা’টাও দৃষ্টি কটু হয়েছে ... আচ্ছা মানলাম ... পৃথিবীর সব মেজর ধর্ম’র উদাহরন আনলে কম্পারিজন’টা ফেয়ার হত ...
: তাহলে আপনি আমাকে গ্যারান্টি দিচ্ছেন ... মুহাম্মদ আর ঈসার ভৌতিক অংশগূলোর সাথে রামলক্ষন’রাবন কাহিনী কিম্বা “বুদ্ধের দেখা নারীবেশে পঞ্চ’রিপুর নৃত্য” এক স্কেলে মাপার সৎ সাহস আপনার আছে । কি বলেন ?
সুন্দর স্ট্রাটেজী লেখকের সন্দেহ নাই, তবে মনে যে প্রশ্নটা জাগে, তা হলো, এই স্ট্রাটেজী না নিয়ে, অর্থাৎ এতটা ইনিয়ে বিনিয়ে না বলে কি সরাসরিই লেখক মুহম্মদ আর ঈসার অলৌকিকতার কাহিনীগুলো শুনিয়ে বলতে পারতেননা, "আপনি কি এসব কাহিনী বিশ্বাস করেন?"
সেটাই কিন্তু লেখার মূল বক্তব্য, এবং সেখানে সেই পুরোনো আলোচনাতেই ফিরে যেতে হয়।
আরো গোড়াতেই আসলে আলোচনা থমকে যায়। দঃরুন নবী-রসুলদের কোন অলৌকিকতার ঘটনা ঘটেনি ... তারপরও প্রশ্ন করা যায়, কিভাবে আকাশ থেকে "ওহী" নাজিল হয় -- এটা কি সম্ভব? শেষমেষ আলোচনাটা গিয়ে স্রষ্টা থাকতে পারে কি পারেনা -- সেখানেই আটকে থাকে
: সবার হজম ক্ষমতা এক না ...
: “মুরগি দেহায়া ডাইল খাওয়ানো”র বদলে এখানে “ডাইল দেহায়া মুরগী খাওয়ানোর” স্ট্রাটেজী নেয়া হয়েছে ... অসুবিধা কি ?
:স্যরি ... “স্রষ্টা থাকতে পারে কি পারেনা” -এটা এখানে মুখ্য না ... স্রষ্টার ভৌতিক তেলেস্মাতি”র গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে কথা বলা হয়েছে ।
তবে কয়েকটা পয়েন্ট নোট করা দরকার:
আপনি যদি আজ ব্লগে বলেন যে গত তিনরাত ধরে ঐশ্বরিক কেউ আপনাকে কিছু মেসেজ দিচ্ছে -- কেউ বিশ্বাস করবেনা, এক তুড়িতেই উড়িয়ে দেব। কিন্তু একই কথা যদি আপনি চিন্তিতমুখে আপনার মা-বাবা বা স্ত্রী বা খুব ঘনিষ্ট কোন বন্ধু যে আপনাকে জানে, আপনার চিন্তার সততা/জ্ঞান নিয়ে যার আস্থা আছে তাঁকে বলেন, তখন কি তারা এক তুড়িতেই নাকচ করে দেবেন?
: হা হা হা .. আমি জানি বাস্তবতা এরকম ... তাই বলে যুক্তির ভুত আর ভুতের যুক্তি দুটার পার্থক্য কিন্তু থেকেই যাচ্ছে ।
নবী-পয়গম্বর হিসেবে যারা নিজেদের দাবী করেছেন, তারা যে হঠাৎ একদিন এসে অলৌকিক কিছু দাবী করেছেন, আর সবাই তা মেনে নিয়েছে -- এমনটা ভাবলে ভুল করবেন। সবাই একটা লম্বা আর শ্রমসাধ্য প্রসেসের মধ্য দিয়ে গেছেন। এখন কথা হলো এসব দাবীকারীদের মধ্যে কেউ কেউ হতে পারেন ফ্রড, কেউ কেউ হতে পারেন সত্য। এদের একজনকে ফ্রড ভাবলে যে সবাইকেই ফ্রড হিসেবে দেখতে হবে, তেমন কোন বাঁধাধরা নিয়মতো নেই!! কিন্তু এই লেখাটির লেখক মনে হয় সেরকম কোন যুক্তি দিতে চাইছেন, বা সেরক একটি আবহ তৈরীর মাধ্যমে সবকিছুকে নাকচ করে দিতে চাইছেন-- যেটা আদপে ধোপে টেকেনা
: হুমমম ... এতক্ষন পোস্টের অবান্তর গুনাগুন বিচারের পর অবশেষে নিজের স্বীদ্ধান্ত’টা জানিয়ে দিলেন ...
: সব যদি ফ্রড নাই হবে ... তবে সবাই সেই একই ভৌতিক রাস্তায় হাটলো ক্যান ?
: প্রতিটা ধর্মের জিরো পয়েন্ট ক্যান ভুত দিয়ে শুরু হয় ?
লেখক বলেছেন: By the way … একটা ছোট প্রশ্ন ছিলো ... জ্বীন – ফেরেস্তা নিশ্চয়ই বিশ্বাস করেন ... তবে তালকানার রাক্ষস, শ্যাওড়া গাছের স্কন্ধ কাটা ভুত ... এগুলো বিশ্বাস করেন না ক্যান ?
দেশী পোলা বলেছেন:
মনির হাসান বলেছেন:
যাই হোক দেশী ভাই ... ফ্লিউ'রে পোস্ট মারুম ভাবতেছি ... But ভীষন আইলসা ধরে ..@মনির হাসান: আপনি যদি ফ্লিউ'র যুক্তি খন্ডাইয়া আমার সাথে বাহাস করতে পারেন, আমি নাস্তিকতার উপর আমার অবিশ্বাস ফিরিয়ে নেব,
চিন্তার কারণ নেই আপনার মত সংশ্যবাদী আমিও এককালে ছিলাম
মনির হাসান বলেছেন:
দেশী ভাই ... প্যাচে ফালাইতে চাইতেছেন নাকি ... আমি কখন কইলাম ... ফ্লিউ'রে খন্ডামু ... আগে আমারে বলেন আপনি কি তার দৃষ্টি ভঙ্গীর সাথে একমত কিনা ?
প্রসঙ্গত আমার ১৪৯ নং কমেন্ট'টা রিভিউ করতে পারেন ... যদি তার দৃষ্টিভঙ্গীর সাথে ১০০% (৭৫%হইলেও চলবে) একমত পোষন করেন তবে আমার কিছু কথা ছিলো ...
আমার আন্দাজ আপনে শুধু জানছেন সে নাস্তিক থেকে আস্তিক
হইছে ... But তার View গুলা ঘাটায় দেখেন নাই ...
দেশী পোলা বলেছেন:
@মনির হাসানফ্লিউরে নিয়া তো পোস্ট ছাগুরাও দিতে পারে, কিন্তু ব্যাটার যুক্তিগুলাকে খন্ডন করার মত নাস্তিক কই, আপনে নাকি পোস্ট দিবেন, এক সাথে ব্যাটার মতিভ্রমের যুক্তিরে ভায়াগ্রা ডইলা খন্ডাইয়া দেন। আফটার অল আপনে এখন হিট লেখক, মনির জেবতিক
ফ্লিউ-এর সাথে আমি ১০০% একমত না, তবে একজন সাবেক এগনস্টিক হিসাবে তার বই পড়ছি গোগ্রাসে, বিশেষ করে The Warren-Flew Debate On The Existence Of God, বেশ চিন্তা চেতনার বিষয়।
আমার নিজের আস্তিকের কনভার্সন হওয়ার পরে ফ্লিউ-এর কনভার্শনের গল্প শুনেছি, এবং টাসকি লেগে গেছে। আমি নিজে অতটা কাবিল না যে প্লেটো বা স্পিনোজা পড়ে সব বুঝছি বলে লাফাবো, ফ্লিউ এত এত বছর ধরে ধর্মের ফিলোসফি নিয়া গবেষণা করছে, নিশ্চয়ই ব্যাটা আমার আপনার চাইতে বেশী জানে। এখন এই হালায় যদি আইসা বলে, বর্তমানকালে নাস্তিকেরা ঈশ্বরের স্বরূপ জানতে আব্রাহামিক রিলিজিয়নের বাইরে যেতে অক্ষম, তখন তো নড়ে চড়ে বসতেই হয়।
এজন্যই বেশী করে ফ্লিউ'র কথা কই, এত্ত বড় এক একটা নাস্তিক ফট কইরা আস্তিক হয় নাই, তারাও নানা রকম বৈজ্ঞানিক আলামত দেখেই আস্তিকতাকে মানছে, আমি সেই সব আলামত নিয়া পড়ি, নিজেকে বুঝাই, প্রশ্ন করি ও উত্তর খুজি। আপনেও খুজতে থাকেন
লেখক বলেছেন: দেশী ভাই ... ঐ পোস্টে রিপ্লাই দিছিলামতো ...
২১৯.
২৭ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৩
মনির হাসান বলেছেন: দেশী ভাই ... আমি আসলে ফ্যাশানের নাস্তিক ... ফাপরবাজীই বেশি করি ... জীবনে একটাও নাস্তিকের বই পত্র ঘাটিনাই ... আমি আর কাউরে চিনি না .. আমি - আমারে চিনি আপনারে চিনি ... আপাতত আর কাউরে চিনার দরকার নাই ....
কালকে ফ্লিউর নাম জীবনে প্রথম শুনলাম ... তাও আপনার লিঙ্ক ধইরা।
আর পাইলামঃ
his present view is that God does not intervene, and has not intervened, in human affairs since Creation ..
এখন সোজাসাপ্টা কথা ...
আপনি কি এই বাক্য'টায় একমত কিনা ..?
যেহেতু আপনি তারে পরিচয় করায় দিছেন ..
তাইলে ধইরা নিতে হবে আপনি একমত ...
নাকি ?
আর ...
আবার'ও কইতাছি এই গরীব'রে বিপদে ফালায়েন না ... আমি কোন জায়গায় কইছি আমি ফ্লিউ'রে খন্ডামু ...
উলটা'টাও তো হইতে পারে ... আপনি যেই টারে নাস্তিকতার বিসর্জন ভাইবা স্বস্তিতে আছেন সেইটা আসলে আমার স্বস্তির জায়গা ... খালি আমরা দুইজন দুই দিক দিয়া দেখতাছি ...
ফ্লিউ'রে নিয়া খন্ডা-খন্ডি হমু আমি আর আপনে ... ফ্লিউ-ফ্লিউয়ের জায়গায় থাকবো ... ওক্কে ...
আর ভাইজান আরেক'টা কথা ... আপনার কাছে নাস্তিকতার সংজ্ঞা'টা কি আমারে নিজের ভাষায় বলবেন ... হাতীঘোড়ার বানী শুনতে চাই না ... আপনার মনের কথা ... তাইলে আমি'ও আমার'টা বলতে পারুম।
গরীব মুর্খ মানুষটারে দয়া কইরেন ...
টিল দেন ... ভালো থাইকেন ...
ভন্ডপির বলেছেন:
যারা ফ্লিউ সাহেবরে নিয়া আগ্রহী তাদের জন্য NYTimes এর একটা article যা কিনা ব্যাপক গেনজাম লাগাইসে।Click This Link
দেশী পোলা বলেছেন:
মনির, এত সহজে হাল ছাড়িলে হইবে, সান্তা ক্লজ, নবী মুহম্মদ, যীশু, সবাইরে নিয়া বাহাস ছাড়লেন, ফ্লিউরে দেইখা ডরাইলেন কেন?আপানার কাছে আমার নাস্তিকের সংজ্ঞাটা দিলাম, এটা আমার আগের পোস্টের Click This Link
"নারায়ণগন্জ বা যাত্রাবাড়ী যাইতে অনেক বাস লাইন আছে, একটা বলে গেইট লক, আরেকটা বলে সম্পূর্ন গেইট লক। দুটারই আসলে দরজাই নাই। কেউ কেউ ট্রেনেও যায়। পায়দল হাটিয়াও যায় কিছু ফকিরের পুত, আবার হেলিকপ্টার চরিয়া যায় খালেদা হাসিনা। কোন কোন মানুষ ইন্জিনের নৌকা নিয়া শীতলক্ষ্যার বক্ষ ফাড়িয়া ফট ফট করিতে করিতে যায়।
আপনি আমি একএকটা যাত্রী, উঠিয়া বসেছেন বাসে বা লন্চে, নারায়ণগন্জ গেলেই হল। কেউ কেউ বাস বুঝিয়া উঠেছেন, কেউ কেউ পিতা যেই বাসে যাইতেন সেই বাসেই চড়েছেন।
কন্ডাকটররা মুল্লা পাদ্রী, চেঁচায় ঠিকই নিজের বাসের নামে, কিন্তু রাত্রে বসে একসাথে ফেন্সী গেলে। এদের লাইনে উঠলেন তো ভাল, পৌছানোটা কিন্তু আপনার নিজের দায়িত্ব, পকেট সামলান, মলম পার্টি সামলান, নারায়ণগন্জ গেলেই হল।
নাস্তিকেরা অন্য টাইপ, এরা বাস-স্ট্যান্ডের সামনে চেচাচ্ছে,
"সব বাস ভুয়া, নারায়ণগন্জ বলে কোন যায়গা নাই" "
দেশী পোলা বলেছেন:
@ভন্ডপির এটা আগে পড়েছি,
লাস্ট পৃষ্ঠার এই প্যারাটা পড়ুন
Intellectuals, even more than the rest of us, like to believe that they reach conclusions solely through study and reflection. But like the rest of us, they sometimes choose their opinions to suit their friends rather than the other way around. Which means that Flew is likely to remain a theist, for just as the Christians drew him close, the atheists gave him up for lost. “He once was a great philosopher,” Richard Dawkins, the Oxford biologist and author of “The God Delusion,” told a Virginia audience last year. “It’s very sad.” Paul Kurtz of Prometheus Books says he thinks Flew is being exploited. “They’re misusing him,” Kurtz says, referring to the Christians. “They’re worried about atheists, and they’re trying to find an atheist to be on their side.”
They found one, and with less difficulty than atheists would have guessed. From the start, the believers’ affection for Antony Flew was not unrequited. When Flew met Christians who claimed to have new, scientific proof of the existence of God, he quickly became again the young graduate student who embarked on a study of the paranormal when all his colleagues were committed to strict rationalism.
কি বুঝলেন?
মনির হাসান বলেছেন:
দেশী ভাই আপনেতো আমার চিত্ত থাইকা উইঠা যাইতাছেন ... হাল ছাড়লাম কোন হানে ? কাচা ম্মাইরা বয়া আছি ... দ্যাহেন না .. লাইনে থাকেন !
আইলের উপর দিয়া ট্রেন চালাইতে কইতাছেন ক্যান ?
ফাউল খেইলেন না ... ওক্কে ! !
১. আপনার নাস্তিকতার সংজ্ঞা পাইলাম .. থ্যাংকু ...
২. এইবার উত্তর দ্যান ... আগের বার পিছলাইছেন ...
"his present view is that God does not intervene, and has not intervened, in human affairs since Creation .."
এখন সোজাসাপ্টা কথা ...
আপনি কি এই বাক্য'টায় একমত কিনা ..?
যেহেতু আপনি তারে পরিচয় করায় দিছেন ..
তাইলে ধইরা নিতে হবে আপনি একমত ...
নাকি ?
৩. "ফ্লিউ-এর সাথে আমি ১০০% একমত না, তবে একজন সাবেক এগনস্টিক হিসাবে তার বই পড়ছি গোগ্রাসে, বিশেষ করে The Warren-Flew Debate On The Existence Of God, বেশ চিন্তা চেতনার বিষয়।"
: কোন কোন জায়গায় ১০০% একমত কোন কোন জায়গায় ২০০% দ্বিমত আমারে কোট কইরেন ... আপনারে সাহায্য করবো ...
.... সহজ কইরা দেই ... উত্তর দ্যানঃ ফ্লিউ'রে গুরু মানেন কি মানেন না?
৪. কইছিলাম টেরম টেরম হইবো আপনার আর আমার মাঝে ... ফ্লিউ'রে রিফিঊট করার কথা কই কইছি একটু দেহাইতে পারবেন ?
... আর আলগা গ্যাজাইলে ... ফ্লিউরে নিয়া পোস্টামু ...
টাইটেল হইবো ... "দেশি পোলার গুরু এন্টিনী ফ্লিউ ... অথচ দেশী পোলা ফ্লিউ দর্শনে ১০০% একমত না" ... টাইটেল ঠিকাছে ?
আর আরেকটা কথা আসেন এক কোর্টে খেলি ...
কানা বাবা বলেছেন:
অফটপিক:
'God Hypothesis' বইডা পৈরা দেইকেন... আপ্নের কাচে ভালু লাগতে পারে...
@মনির হাসান
লেখক বলেছেন: ওক্কে .. ব্রাদার বই এবং সময় দুইটা এক সাথে পাইলে পড়ুম্নে ...
দেশী পোলা বলেছেন:
ফ্লিউ-এর সাথে আমি ১০০% একমত না, নাস্তিক-আস্তিকের তর্কে ফ্লিউ বা ডকিংস হইল পুরান পাপী, এ জন্য এদের লেখা পড়ি। সার্টিফায়েড কম্যুনিস্টদের লেখা বাদ দিলাম, কারণ আমরা এখানে বিশ্বাসের দর্শন নিয়া কথা কইতেছি, রাজনীতি না।
দার্শনিকদের দিক থেকে দেখলে, আমার মতের সাথে ১০০% মেলে এমন কেউ নাই। এন্টিনী ফ্লিউ আমার গুরু না, এরকম দেখতে গেলে আমার আইডিয়ার সাথে লালন শাহের মিল হবে, কারণ আমার মত লালনও প্যানেন্থেইস্ট (সর্বেশ্বরবাদী ??)
লেখক বলেছেন:
এক্কেবারে বাদ"দ্যান দেশী ভাই ...
ক্যাচাল করতে পারতাম ...
একদম ইচ্ছা করতেছেনা।
দেশী পোলা বলেছেন:
ইদানিং ইবনে আরাবি আর আল-গাজ্জালির কিছু লেখা পড়ছি, প্যানেন্থেইস্টদের সাথে ইসলামের সুফীদের অনেক মিল আছে, ইনটারেস্টিং সিমিলারিটিস, শেষ করে এটা নিয়ে একটা পোস্ট দেব
কাল কথা হবে
লেখক বলেছেন: ওকে ... কোন সমস্যা নাই
ভালো থাইকেন ।
আপনে কি ইউ এফ ও বিশ্বাস করেন ??
আমি জ্বীন ফেরেস্তা আছে কি নাই জানি না
কিন্তু বার্কেলে ইউনির করা এক্সট্রা টেরিষ্টিয়াল লাইফ খোজার
সফটওয়্যারটা আমার অনেক দিন ইনস্টল করা ছিল
এখন এই ব্যাটারা কি উন্মাদ ?? অজানা কোন বস্তু খোজার পিছনে হাজার কম্পিউটার লাগাইয়া বইসা আছে
ইউ এফ ও র প্রতি যদি এ্যালার্জী না থাকে , জ্বীন ফেরেস্তার প্রতি এত এ্যালার্জী কেন ?
একটা বই(যেটা আপনে পছন্দ করেন না) উল্লেখ আছে বলে সব বাতিল কইরা দিতে হবে ??
লেখক বলেছেন: শূন্য ভাই
না ... UFO ... এলিয়েন ... বিশ্বাস করি না ..
তাদের অস্তিত্ব এখন'ও সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হয় নাই।
"হাজার কম্পিউটার লাগাইয়া বইসা আছে " -খারাপ ভাবে কই .. মাইন্ড করবেন না ... পাছায় যথেষ্ঠ পরিমান গু থাকলে জিলাপী বানায় হাগন যায় ।
আমার কোন এলার্জি নাই যে বাতাসে সইল চুলকায় ...
আমার কোন দোষ নাই ...
বই নিজেই দাবী করে সে ভুত দ্বারা আনিত।
ভন্ডপির বলেছেন:
@দেশী পোলা: পুরাটাই পড়ছি লিংক দেয়ার আগে। যা বোঝার বুঝসি। ফ্লিউ সাহেবের শেষ জীবনের লেখা পইড়া টাইম নস্ট হইল না। একটা কথা। আমার ধারনা আপনে আপনার বিশ্বাসরে clearly define করতে পারবেন না, বা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবেন না। যদি পারেন তাইলে আপনে নিজেই চিন্তা কইরা দেইখেন ঐটা Russel's teapot বা Flying spaghetti monster থেকে কতখানি আলাদা। এইরকম জিনিস নাই প্রমান করতে যাওয়ার মানে নাই। আর যদি না পারেন তাইলে ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় আপনার কথার দাম কি?
আপনে কি মুসলিম? এর উত্তর হ্যা হইলে আমার সালাম নিয়েন আর ভাল থাইকেন।
এটা আপনারের লগে যায় না ; আর ব্লগেও এই সব কথা বলা ভালো না ..
লেখক বলেছেন:
পারুম্না ...
ভালো না লাগলে কি করা ..
: একজন অবিশ্বাসীর কাছে স্যান্টার গল্পো, মামদো ভুত, আর মুহাম্মদের জীব্রায়েল একই বস্তু .. অথচ বিশ্বাসীর বিশ্বাসভেদে এর গুরুত্ব তারতম্য হয় .. ব্যাপারটা দুঃখজনক নয় কি ? যা বস্তু তা বস্তুই যা ভৌতিক তা ভৌতিকই .. পিতৃপ্রদত্ত বিশ্বাসের কারনে একই বস্তুর আলাদা আলাদা স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারন কি ঠিক ..
জবাব:
বিশ্বাসীর কাছে বিশ্বাসভেদে গুরুত্বের তারতম্য হয় কারণ অলৌকিক ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তিটিকে সে সাধারণ মানুষের চেয়ে আলাদা মনে করে, সেটা এই অর্থে যে একজন স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাসীরা বিশ্বাস করে, এবং তারা মনে করে যে ঐ সম্পৃক্ত ব্যক্তি (মুহম্মদ, ঈসা, মুসা, রাম, বুদ্ধা) -- এরা স্রষ্টার বিশেষ দূত ... তখন শক্তিশালী স্রষ্টার মাধ্যমে অলৌকিক কিছু ঘটা অসম্ভব না মনে করেই তারা অলৌকিকতায় বিশ্বাস করে -- তাইনা?
তাহলে তর্ক গিয়ে ঠেকলো কোথায়?
১। একজন স্রষ্টা থাকতে পারে কি পারেনা? (থেইস্ট আর এইথিস্ট বিতর্ক)
২।একজন স্রষ্টা যদি থাকেও, সে কি এই পৃথিবীর মানুষ বা জীবজগতের সাথে কোন কম্যুনিকেশন করে কিনা? (থেইস্ট আর ডেইস্টের বিতর্ক)
ঘুরে ফিরে সেই পুরান প্যাঁচাল ... এখানে নতুন কিছুই নাই যে "অম্লপরীক্ষা" কথাটা সিদ্ধ হয়
আর আপনি যেভাবে "পিতৃপ্রদত্ত" শব্দটারে ফোকাস করতেছেন, ঘটনা আসলে তা না ... যারা ধর্ম পালন করে, তাদের সাথে কথা বইলা আমি দেখছি, চিন্তাভাবনা কইরাই করে ... মনে রাইখেন শুধু ট্রাডিশনের বশে বা পূর্বপুরুষ করতো বইলা আর কিছু ভাবনা চিন্টা না কইরাই সকাল সাড়ে চারটায় উইঠা প্রতিদিন ফজর নামাজ পড়া যায়না ... এই যে বিশ্বাসীরা এক ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতেছে সেটাকে কি আসলেই খুব উন্নাসিক দৃষ্টিতে দেইখা, তারা চিন্তাভাবনা করতেছেনা -- এমন কোন উপসংহার টানার যৌক্তিকতা আছে?
আপনি বলছেন:
তাহলে আপনি আমাকে গ্যারান্টি দিচ্ছেন ... মুহাম্মদ আর ঈসার ভৌতিক অংশগূলোর সাথে রামলক্ষন’রাবন কাহিনী কিম্বা “বুদ্ধের দেখা নারীবেশে পঞ্চ’রিপুর নৃত্য” এক স্কেলে মাপার সৎ সাহস আপনার আছে । কি বলেন ?
জবাব:
এক স্কেলেই তো মাপবো ... এখানে সৎসাহসের প্রশ্ন আসে কেনো বুঝলামনা
আপনি বলছেন:
কগনেটিভ অসাধুতা ... হা হা হা ... অসুবিধা কি তাতে ? জাকির নায়েজ কি করে ?
: আর পাঠক’কে “অরবিট্রারী গল্পে অবিশ্বাস”এর জন্য প্রিপারেড করাটায় দোষের কি আছে ?
মেইন ডিশের আগে আমরা কি হাল্কা সালাদ টালাদ দিয়ে স্টারট্ করিনা ... ?
জবাব:
জাকির নায়েক করলেই কি সিদ্ধ হয়ে গেলো?
আপনার এই অংশের জবাব আমার আগের কমেন্টেই ছিলো, আবারও তুলে দিই,
"এতটা ইনিয়ে বিনিয়ে না বলে কি সরাসরিই লেখক মুহম্মদ আর ঈসার অলৌকিকতার কাহিনীগুলো শুনিয়ে বলতে পারতেননা, 'আপনি কি এসব কাহিনী বিশ্বাস করেন?'"
সেই এ্যাপ্রোচ নিলে কিন্তু আপনেও অম্লপরীক্ষা নাম দেইখা হতাশই হইতেন ... তাইনা?
এখন আমারে বলেমন, এ্যাপ্রোচের ভিন্নতার বাইরে এই দুই কেইসে কন্টেন্টের পার্থক্য কোথায়?
আপনি বলছেন:
: সবার হজম ক্ষমতা এক না ...
: “মুরগি দেহায়া ডাইল খাওয়ানো”র বদলে এখানে “ডাইল দেহায়া মুরগী খাওয়ানোর” স্ট্রাটেজী নেয়া হয়েছে ... অসুবিধা কি ?
:স্যরি ... “স্রষ্টা থাকতে পারে কি পারেনা” -এটা এখানে মুখ্য না ... স্রষ্টার ভৌতিক তেলেস্মাতি”র গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে কথা বলা হয়েছে ।
জবাব:
আমার যে বক্তব্যের সাপেক্ষে আপনি এই জবাব দিয়েছেন, সেই বক্তব্যের অর্থ কিন্তু ভিন্ন ছিলো।
আমি একটা ভিন্ন এ্যাপ্রোচের প্রবাবিলিটি কল্পনা করে দেখাতে চাইছিলাম যে এই লেখকের প্রশ্নগুলার ফিলোসফিকাল অবস্থান শেষমেষ থেইস্ট-এইথিস্ট বিতর্কের "স্রষ্টা থাকটে পারে কি াপরেনা?" সেখানে আইসাই থমকায়া যায় ... কোন অম্লপরীক্ষা তো দূরের কথা, নতুন কোন প্রপোজিশনই প্রস্তাব করতে পারেনা
এইটারে "মুরগী দেহায়া ডাইল খাওয়ানো" বলার চেয়ে এমনে বলা যায়, চিচিঙ্গা খাওয়াইয়া ঝাল লাগাইতে পারে নাই বইলা এবার ঝিঙ্গা খাইয়াইয়া ঝাল লাগানোর চেষ্টা ... আগে বুঝতে হইবো যে এই চিচিঙ্গা/ঝিঙ্গার কোনটাই মরিচের গোত্রে পড়েনা
আপনি বলছেন:
: হুমমম ... এতক্ষন পোস্টের অবান্তর গুনাগুন বিচারের পর অবশেষে নিজের স্বীদ্ধান্ত’টা জানিয়ে দিলেন ...
: সব যদি ফ্রড নাই হবে ... তবে সবাই সেই একই ভৌতিক রাস্তায় হাটলো ক্যান ?
: প্রতিটা ধর্মের জিরো পয়েন্ট ক্যান ভুত দিয়ে শুরু হয় ?
জবাব:
প্রতিটা ধর্মের জিরো পয়েন্ট কোন ভূত দিয়ে শুরু বলতে চাচ্ছেন?
আর ভৌতিক রাস্টার ব্যাপারে, আপনি যদি অলৌকিক ঘটনাগুলোকে ভৌতিক বলেন, তাহলে নবীদের ওহীপ্রাপ্তিকে ভৌতিক বলবেননা কেন? কাজেই আপনি যদি তর্কের শুরুতেই একটা জিনিসকে ভৌতিক বলে ডিফাইন করে, তারপর এই জিনিসটা ভৌতিক রাস্তায় হাঁটে কেন প্রশ্ন তোলেন, তখন স্ববিরোধিতা তৈরী হয়।
আপনি বলছেন:
By the way … একটা ছোট প্রশ্ন ছিলো ... জ্বীন – ফেরেস্তা নিশ্চয়ই বিশ্বাস করেন ... তবে তালকানার রাক্ষস, শ্যাওড়া গাছের স্কন্ধ কাটা ভুত ... এগুলো বিশ্বাস করেন না ক্যান ?
জবাব:
জ্বীন,ফেরেস্তা, রাক্ষস, ভুত -- এগুলা বলতে কি বুঝাইতেছেন, মানে কোনটার সংজ্ঞা কি, আগে সেইটা বলেন, তারপর বলা যাবে।
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ব্যাস্ত আছি ...
কালকে রাতে রিপ্লাই করবো ।
ক-খ-গ বলেছেন:
এত দিন কমেন্ট করিনাই, দূর থেকে খেলা দেখতেছিলাম
কি আর কমেন্ট করমু, সেই একঘেয়ে..........
আপনার সব লেখায় দারুন, অসাধারণ, ফাটাফাটি কইতে কইতে শব্দ গুলারে একঘেয়ে বানায় ফেলছি। খারাপ কিছু / মিডিয়াম টাইপের কিছু ল্যাখেন মিয়া.......
লেখক বলেছেন: হা হা হা ... এখন মিডিয়াম ডেলিভারী দিমু ... মডারেট ..
লুকার বলেছেন:
লেখাটা চমৎকার হইছে, রূপকথা বিশ্বাসীদের চোখে আংঙুল দিয়া দেখায়া দেয়ার জন্য। তারপরেও এতে খুব একটা কাজ হইব না। বাপ দাদার ধর্ম বইলা কথা। নিজের অকাম কুকামের লাইগা দূর্বলতাও তো থাকে। অভিভাবক কেউ থাকলে সুবিধা।
তয় আমি এত ভেজালে যাই না। যারা এইসব কেচ্ছা-কাহিনী বিশ্বাস করে, তাগো অন্য যোগ্যতা যতই থাকুক, আমার কাছে উজবুক গবেট মনে হয়! এইডা হয়তো ঠিক না, তারা নির্বোধ হইলেও মানুষ হিসাবে করুণা করা উচিৎ!
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু লুকার ...
হ্য .. ধর্ম ইজ টাইপ অফ পাপের আশ্রয় ...
... বিশ্বাসীদের আরেকটু সহানুভুতি দিয়া বুঝাইতে হইবো ... লাভ না হইলেও ...
হাসান মাহবুব বলেছেন:
নিয়া গেলাম।
লেখক বলেছেন: ছেকেন পাট আইতেছে ... হুমমম
কবি ও কবিতা বলেছেন:
জটিল লিখেছেন,.... ধন্যবাদ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ... কবর খুড়ে এটাকে বের করার জন্য
শয়তান বলেছেন:
হ । এই জীবনে আর সেকেন্ড পার্ট আইবো???
লেখক বলেছেন: এই আপনেই কুফা'টা লাগান ...
পারভেজ আলম বলেছেন:
শয়তান বলেছেন: হ । এই জীবনে আর সেকেন্ড পার্ট আইবো??? আমারো একি প্রশ্ন। মনির ভাই লেখেনা ক্যান ইদানিং?
লেখক বলেছেন: শয়তান ভর করে ... আমার কি দোষ ![]()
লেখক বলেছেন: ... জ্বী আপনাকেও ... ধন্যবাদ ... চিনা চিনা লাগেরে
হাসান মাহবুব বলেছেন:
ঠেলা
লেখক বলেছেন: মে মাসের ঠেলা ... জুলাই মাসে ধন্যবাদ
সাব্বির শওকত শাওন বলেছেন:
ধর্ম হচ্ছে মানুষের এমন একটি বিশ্বাস যা মানুষ কে পরকালে ভাল কিছু পাওয়ার আশায় ইহকালে ভাল কিছু করার প্রেরনা জোগায়.।খেয়াল করে দেখবেন.।সব ধর্মে ই ভাল কিছু করার কথা বলা আছে।আর সব ধর্ম ই বিশ্বাস এর উপর প্রতিশ্ঠিত।মানুষ এর মন কখনও কখনও মস্তিস্কের সাথে এক হয়ে কাজ করে না.।অথবা করতে চায় না।ছোটবেলায় আমি যখন প্রথমবার এর মত স্পাইডার ম্যান দেখি।তখন আমার ধারনা ছিল আমাকে যদি কখন ও মাকরশা কামরে দেয় তাহলে আমিও স্পাইডার ম্যান হব।
বেপার টা অনেক তা সে রকম ই।একটা শিশু কখন ও জানে না সে কোন ধর্মের।তার বাবা মা তার ভিতরে ছোটো বেলা থেকে আস্তে আস্তে ভরে দিতে থাকে।এক সময় সে তা মনে প্রানে বিশ্বাস করে।তাই সবাই বলে যে কোনো ধর্ম ই বিশ্বাস এর উপর প্রতিশ্ঠিত।
আর কথায় আছে না ''বিশ্বাস এ মুক্তি''।।
ধর্ম আছে দেখে ই আজকে আমি যা ইচ্ছা করতে পারি না।আমার মধ্যে ভয় কাজ করে। নরক এর ভয়
এমন ও হতে পারে ধর্ম বলতে কিছু নেই।কিন্তু ধর্মএর উপর ভিত্তি করে ই মানুষ এখন ও মানুষ আছে।ধর্ম আমাকে সিমাবদ্ধতা দেয়।
লেখক বলেছেন: কিন্তু ধর্মএর উপর ভিত্তি করে ই মানুষ এখন ও মানুষ আছে।ধর্ম আমাকে সিমাবদ্ধতা দেয়। তীব্রভাবে এই লাইনটাতে আপত্তি থাকলেও চিন্তাশীল সুন্দর কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ ...
নৈতিকতা ধর্মের কপিরাইট করা বস্তু না ... ধর্মসমস্ত জন্মের বহু বহু আগে থেকেই মানুষ সামাজিক শৃংখলা বজায় রাখতে নৈতিকতার চর্চা শুরু করে ... পরবর্তিতে ধর্ম নিজেদের অস্তিত্ব, প্রসার এবং প্রচারের জন্য এই নৈতিকতা গুলোকে তার আচার-আচরনের অন্তর্গত করে ...
নৈতিকতা কোন আধ্যাত্মিক অবদান নয় ... মানুষের হাজার হাজার বছরের সামাজিক অভিজ্ঞতার ফসল ...
অবাঞ্চিত বলেছেন:
নৈতিকতা ধর্মের কপিরাইট করা বস্তু না ... ধর্মসমস্ত জন্মের বহু বহু আগে থেকেই মানুষ সামাজিক শৃংখলা বজায় রাখতে নৈতিকতার চর্চা শুরু করে ... পরবর্তিতে ধর্ম নিজেদের অস্তিত্ব, প্রসার এবং প্রচারের জন্য এই নৈতিকতা গুলোকে তার আচার-আচরনের অন্তর্গত করে ... নৈতিকতা কোন আধ্যাত্মিক অবদান নয় ... মানুষের হাজার হাজার বছরের সামাজিক অভিজ্ঞতার ফসল ..
অসাধারন
শাহরিয়ার কবির ড্যানি বলেছেন:
ভালো লাগলো,তবে এসব বলে লাভ নাই
এই আলো বাইরে থেকে আসে না,
ভিতর থেকে বের হয়
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















.jpg)

