আমার প্রিয় পোস্ট

১৫ই আগস্ট কিংবা বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড কি এড়ানো যেতো ?

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৩

শেয়ারঃ
0 0 0

এ নিয়ে জানা অজানা অনেক তথ্য নিয়ে মতামত সম্পাদক উপহার দিচ্ছেন সমসাময়িক ঘটনাবলি নিয়ে প্রবাসের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান মতামত ক্রসফায়ার। দেখুন নীচের লিংকে। সবাইকে ধন্যবাদ।

-
-
-
-
-

প্রথম পর্ব

http://www.youtube.com/watch?v=1bdF9Ayowlk

দ্বিতীয় পর্ব

http://www.youtube.com/watch?v=9GJ9b9_WVhA

তৃতীয় পর্ব

http://www.youtube.com/watch?v=4f3v44rVlzY



 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯
সরকার সেলিম বলেছেন: হত্যকান্ড এড়ানোটাই মনে হয় জাতির জন্য ভালো হত। তখনকার সার্বিক পেক্ষাপট বিবেচনা করলে শেখমুজিব এমনি এমনিতেই পচে যেত। আর এই হত্যকান্ডই আওয়ামলীগকে শেখ ফ্যামিলির বাপের সম্পদে পরিনত করে।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:০৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। এ ব্যাপারে ভিন্নমতও আছে।

৩. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৯
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন: এড়ানো যেত কিনা জানি না, তবে একেবারে না এড়াতে পারলে শুধু শেখ মুজিবকে হত্যা করা অথবা উৎখাত করা যেত। পুরো পরিবার তথা নারী ও শিশু হত্যা করা মোটেও উচিৎ হয়নি।
৪. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৭
াহো বলেছেন: আপনারা কি তাঁকে (শেখ মুজিব) পদত্যাগে বাধ্য করতে পারতেন? তাঁকে হত্যা করার প্রয়োজন ছিল? ম্যাসকারেনহাসের এ প্রশ্নের জবাবে লে. কর্নেল রশিদ বলেন, ‘ শেখ মুজিব শাসনের কিছুই জানতেন না। শুধু একটা ভাল

গুণ তাঁর ছিল, তিনি জনগণকে উত্তেজিত (সংগঠিত) করতে পারতেন। কাজেই তিনি বেঁচে থাকলে সমস্যার সমাধান করা আমাদের পক্ষে কঠিন হতো। কারণ তিনি রাজনীতির ব্যাপারে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞ ছিলেন। ম্যাসকারেনহাস প্রশ্ন করেন কাজেই তাকে হত্যা করতে আপনারা বাধ্য হনঃউত্তরে রশীদ বলেন হ্যাঁ, ‘আমাকে তাই করতে হয়’।
৫. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৯
খাই দাই গান গাই বলেছেন: কেউই ধোয়া তুলসি পাতা নয়।শেখ মুজিবও নয় তার খুনীরাও নয়।

শেখ মুজিবকে সরানোর আসলেই দরকার ছিল।তবে সপরিবারে হত্যা বাড়াবাড়ি হয়েছে।বিশেষ করে শিশু হত্যা।রাসেলকে না হত্যা করলেও বাকশাল ভেঙ্গে যেত।

পোস্টে প্লাস।

৬. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:০৫
বুদ্ধু বলেছেন: অবশ্যই হত্যা করা অপরাধ, তবে বিচারের দরজা খোলা রাখতে হবে। শেখ মুজিব নিজের হাতে বিচার ব্যবস্থা তুলে নিয়ে সে পথও বন্ধ করে দেন। তাই অগত্যা বিচার তারা নিজের হাতে তুলে নিয়েছিল। আজ আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রের নামে ভিন্ন মতের লোকদের কেস থানায় নেয় না, নিজেদের দূর্নীতির কেস তুলে নিয়েছে, ভিন্ন মতের লোকদের কেস তুলছে না, তাদের কারো বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ আনলে তার বারোটা বাজাচ্ছে (আমার দেশ), বি. এন.পির লোকদের পুলিশ দিয়ে ধরে পিটিয়ে হত্যা করছে, বিদেশে যেতে দিচ্ছে না, এয়ার পোর্টে আটকাচ্ছে, বিচার যদি না হয় তবে? ইট মারলে পাটকেলটি খেতে হয়, ভুললে চলবে না।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৫৩৪৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সম্পাদক, সাপ্তাহিক মতামত
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই