আমার প্রিয় পোস্ট
- মুভি ডাউনলোড... - আহাসান
- মজনু শাহ আনবাউন্ড : বেশ কয়েকটি কবিতার কোলাজ - নাবিক হ্যাডক
- ব্লাডক্যান্সার বিষয়ক কিছু কথন - নোবেলবিজয়ী_টিপু
- মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের সাধারন ক্ষমা নিয়ে একজন আইনজীবির মিথ্যাচার এবং প্রকৃত ঘটনা - এস্কিমো
- কবিতার উপজাতঃ পুরাণ, বিশ্বাস এবঙ সংলগ্ন প্রশ্রয় - তানভীর রাতুল
- কপিল: প্রাচীন বাংলার যে দার্শনিকটি লালনের গানে কবি আল মাহমুদের কবিতায় এবং ফরহাদ মজহার-এর প্রবন্ধে আজও বেঁচে আছেন - ইমন জুবায়ের
- জগজিত সিং এর অমর কীর্তি - ৭৬ টি এ্যালবাম একসাথে (আমার আপলোড করা) - কবির চৌধুরী
- নোবেল বিজয়ী ডঃ ইউনূস প্রসঙ্গ: কিসের লজ্জা? কার লজ্জা? (১) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনুস সম্পর্কে নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ কোথায়? - স্পেলবাইন্ডার
- আমাদের উত্তরাধুনিকের একাংশ আত্মরতিপরায়ন কিংবা তারা পরস্পরের মুখমেহনে ব্যস্ত। - রাসেল ( ........)
- ‘কাম অন বেবি লাইট মাই ফায়ার...’ ও পুরোনো কবিতা'রা - ফাহাদ চৌধুরী
- শুধুমাত্র গিটার নির্ভর কিছু ভালোলাগা গান
- মেঘ বলেছে যাবো যাবো
- ২০১০ এর সেরা ১০ মুভিঃ বর্ষশেষ রিভিউ! - বিডি আইডল
- ছিন্নগ্রন্থির জলরঙে ঝুমঝুম বৃষ্টির রাত - মুক্তি মণ্ডল
- কেমন আছে গ্রামের মানুষঃ - জুল ভার্ন
- ♫♫ ♫♫
গান গাওয়া, লিখা, সুর করা, গিটার বাজানোর সহজ A টু Z কৌশল
♫♫♫♫ - Beginner to Advanced Level - কবির চৌধুরী
- অনন্ত দশকের কবি শোয়েব শাদাব এবং প্রতিদিন পাখির সিম্ফনি - গেওর্গে আব্বাস
দেহ চূর্ণ, রান্না ও নিশানা
৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪১
চূর্ণ হই
আমি চূর্ণ হই, ফিরে আসেনা লাটাই ঘুড়ি
দহনের দেহ চেটে লাল জিভেতে সবুজ দাগ
উঠে আসে। রোদ ছায়া সার্কাস তাবুতে খুঁজে নেয়
রাধাচোখি বালুঝড়।
বাঘের খাচায় বাহু খুলে রেখে অন্ধ শিকারী
হৃপিন্ড ছুড়ে দিতে চায় শাদা বাঘিনীর মুখে।
বিষাদের বাদ্যযন্ত্র
থেমে গেলে, ফের শুরু হয় নটিনীর আর্তনাদ।
পর্দা উঠলে ভাগাড়ে জমে ওঠে নৈ:শব্দ সাঁতার
কুমিরের লেজে গেঁথে দিই লাঙলের নয়া ফলা
কৃষানীরা বিলাপের
সুরে গেয়ে ওঠে গান। ধানের ছড়াতে বাঘিনীর
মুখের ঘ্রাণ আর রক্তের দাগ মিশে থাকে। আমি
দীর্ণতার জানালায়
চোখ রেখে দেখি তাবুর ভেতর বাঘিনীর মাথা
একটি রুমালে ঢেকে দিচ্ছে
যাদুকর। আমি চূর্ণ হই, উড়ে যায় ঘুড়ি, পাখি
বাঘিনীর খাচার ভেতরে।
রান্না
সমর্পণে দেহ সন্ধার ঘাটে স্বেচ্ছায় যার চেতনার গভীরে নামি
তাঁর মুগ্ধ বালুকণা আঙুলে ছুঁয়ে দেখি
উন্মাদনার খোলে ছড়িয়ে পড়া সাপলুড়ো – খাঁচা ভরতি
সুদীর্ঘ পাখিরা ওড়ে – স্নেহশীল
শুকনা পাতায় অপেক্ষার চিহ্ন ফুটে থাকে
যারা চলে গেছে গোধূলী বেলার রঙ চোখে
তাদের বিষাদে ভরা হৃপিন্ড আমি কুড়িয়ে রাখি টেবিলের কোণে
মোমালোয় সেগুণ কাঠের গন্ধ চিরে
ফুড়ে ওঠে যাদুকরেরর কালো পাগড়ী – বালিকাদের বাঁকানোদেহভঙ্গি
নৌকার পাটাতনে প্রসাধনী মাখা মুখের সমস্ত স্লেট ভেঙে যায়
জলের গভীরে আত্মসমর্পণ করি
পুথিবীব্যাপি সমুদ্রঘ্রাণের গারদে অন্ধ দম্পতিরা রান্না শুরু করে
আমি বুদ্ধিবৃত্তির চাদোর সরিয়ে তাদের রান্না দেখি
দেহের হেসেলে ভরে ওঠে পাখিতে, পশুতে
নিশানা
তোমার দেহভঙ্গিতে উদ্ভাসিত শীতলপাটির ডোরা – তার সূক্ষ্ণ সূচিতে
ফুটে উঠতে দেখি অসংখ্য মুখের আর্তি; কুন্ডলীপাকানো কালোনাগ।
লুপ্তবনাজ্ঞ্চলের মাটিতে গড়ে উঠেছে রাবার বাগান। পাখিহীনে দহনের
কাঁটাঝোপে
আমি নতুন স্বপ্নের ব্রিজ দেখছি।
তোমার ডোরা দাগের দূতাবাসে সুরের দেওয়ালে হর্ষ-লিপির মার্জিনে
আমি নির্মাণ করছি মৃত্তিকা নিবাস। শ্রমিকের বাহুতে লেপটানো
সূর্যের তাপে
পুড়ে যাওয়া সবুজ গ্রামের ছবি; তার অভ্যন্তরে কলপাড় – সুপারিবাগানের
দুপুর – পুকুরঘাট – নীলকুঠির ভেঙে পড়া দেওয়াল – এইসব
তোমার ইটের লালধুলোতে দেখছি কৃষকের মুখের ন্যায়
ভেসে উঠছে বাথরুমের পুরনো চাঁদে।
সেই সঙ্গে ভগ্নির দেহসৌষ্ঠবেও তোমার ভঙ্গি তোমার কোমরজড়ানো নদী
বটবৃক্ষের ঘনকালোচুল – ঘরছাড়া হয়ে মিশে যাচ্ছে
খোলা আকাশের ছাদে।
আমি স্বাধীনতার পক্ষে গচ্ছিত সমস্ত মোহরানাগুলা ছুড়ে দিচ্ছি কোমরসমান
পানিতে
পানির ছলাৎ ছলাৎ শব্দে – মোহরানা আড়াল হয়ে গেলে
আমি তোমার চোখের মধ্যে সূর্য উঠতে দেখি
মায়ের দেহভঙ্গিতে তুমিই ফের ভূমির গন্ধ ঢালো – ডোরা পাড়ে ওড়ে
লাল নিশানা
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নতুন কবিতা/একসঙ্গে তিন ;
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:২০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: কারিগর আপনাকেও শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ছন্নছাড়া আপনাকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পড়েন - পড়ে একটু ..ধুনা করেন।
কি লিখছি - ঘোরের ভেতর, ঠাহর নাই। ভাল থাকা হোক।
প্রীয়তে রেখে দিলাম। এটা বহুবার পড়ার দাবী রাখে।
লেখক বলেছেন: জোশ টা বুঝতেছি। কিন্তু জোশিলাটা?
বাপ্পী আপনাকে শুভেচ্ছা ।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
একটা একটা করে পড়ছি। প্রথমে নিশানা। কবিতায় যে জনপদের গল্প বললেন সেটাকে চিনতে পেরেছি। কিছু কিছু চিত্রকল্প অদ্ভুত দোলা দিলো, ভাবছি আপনার দেখার চোখ, মিলিয়ে মিশিয়ে ফেলার চোখটা দারুন। যেমন দুপুর, পুকুরঘাট আর নীলকুঠির দেয়ালকে কৃষকের মুখের মতো করে ভাসিয়ে তুললেন বাথরুমে, একান্ত নিভৃতে সেটা উত্তম!মোহরানা ফেললেন পানিতে সেটাও চোখে ভেসে উঠলো সূর্য হয়ে! কী অদ্ভুত!
আমার প্রিয়তে নেয়াটা বৃথা যাবে না!!
লেখক বলেছেন: আপনাকে আবার দেখে ভাল লাগছে। আপনি ঠিকই ধরেছেন। আসলে কবিতা বাইরের কিছু না, অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়েই তো দেখার চোখটা তৈরি হয়, আমি মনে করি এখনো দেখার ব্যাপারটা শিখতেছি।
যে বিষয়গুলা এখানে এসেছে তা আমার বেড়ে উঠা পরিবেশ-প্রতিবেশের অংশ। নগরকেন্দ্রিক জীবনযাপনের পিছনের দেওয়াল তো এইগুলায়...তো এইগুলাকে ঠিকঠাক মতো ঠাসতে পারতেছি না লেখায়। হালকা ভাবে নিয়ে আসার চেষ্টা করছি।
আসলে ব্যক্তি চিন্তার চূড়ান্ত পর্যায় গেলে কী কী ঘটতে পারে তারই এক ধরণের রিহার্সেল বলা যায়.....এই সময়কার লেখাগুলা। আসলে কবিতা চর্চার ব্যাপার বলে মনে করি, আর এইটা ছাড়া অন্য কিছু তো পারিও না........হাতে খড়ি চলছে....
ভাল থাকবেন।
আমি বাকরুদ্ধ!
------------------
অফটপিকঃ
এইরকম কবিতাগুলা আপনের চোখ এড়ায় কেনো?- অংশ নিতে পারেন কিন্তু-
Click This Link
বা
Click This Link
লেখক বলেছেন: না চোখ এড়ায় নাই। ওইগুলা গতকালকেই পড়েছি। কোন মন্তব্য হয়তো করি নাই, কিন্তু পড়েছি। আস্তে আস্তে উনাদের কবিতা পড়ছি। আজকে গিয়েছিলাম। জানাইছি - ভাল লাগছে...
লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা। এই জন্যই তো আপনি কবি। আমিও বলি যা বলেছেন - তা - হলো - জোশিলা....
ফাহমিম বলেছেন:
ধরতে পারলাম না।যদিও কিছু কিছু পার্ট (যেগুলো মাথায় কিছুটা ঢুকেছে) স্ট্রাইকিং লাগলো।সম্ভবত আমার বয়স হয়নি এখনো।
ব্যাকগ্রাউন্ড কমেন্ট্রীর মতো স্টাইলটা চমৎকার লাগলো অবশ্য।
ফিরে আসতে হবে মনে হচ্ছে এই পাতায় বছরখানেক পর।যদি ততদিনে কিছু বুদ্ধি বাড়ে।
লেখক বলেছেন: কিছুটা মাথায় ঢুকেছে? বছর খানেক দেরি করার দরকার কি আছে? আপনার কমেন্ট পড়ে আমার ভয় লাগছে।
লেখক বলেছেন: মাইন্ড খাই নাই। নিজেরে জিগাই দেখছি। আপনে আবার এখানে আইসেন এতেই আমি প্রীত হইছি।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















পানিতে
পানির ছলাৎ ছলাৎ শব্দে – মোহরানা আড়াল হয়ে গেলে
আমি তোমার চোখের মধ্যে সূর্য উঠতে দেখি
মায়ের দেহভঙ্গিতে তুমিই ফের ভূমির গন্ধ ঢালো – ডোরা পাড়ে ওড়ে
লাল নিশানা
দারুন। খব ভাল লাগলো।
শুভেচ্ছা।