ক্ষুধা লাগলে পৃথিবী ছোট ছোট বল মনে হয়
ভূতের দেশে দেখার দৃষ্টি কালো বরফের মধ্যে দেখে জিভে
চেটে নিচ্ছে সবুজ মাংশের স্বাদ
গভীর বনাজ্ঞ্চলে ঢুকে পড়ে চোখের ছুরি
বৃক্ষত্বকে বাঘ এসে আচড় কাটে নীল আকাশের দিকে
হরিণশাবকের পিছে ছুটে চলে সংসারি সিংহরা
ক্ষুধা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুধার্ত হয়ে ওঠে আমাদের জিভে
অন্য প্রাণির জিভে যেমন আচরণ করে সেইরকম
মানুষের জিভেও খোজে হরিণশাবক
কালকে আমার যখন ক্ষুধা লেগেছিল তখন
ফ্রিজ খুলে দেখি - কোন হরিণ আছে কি না?
নাই, একগামলা ঠান্ডা ভাত ফ্রিজ থেকে বের করি
নিজের কাছে আরো একটু সরে এসে মাথাটাকে
সেধিয়ে দিই হাটুর মধ্যে ভাতের কথা আমার আর মনে থাকেনা
আমি সবুজ মাংশের ধোয়া উঠা কড়াইয়ের মধ্যে দেখি
হরিণশাবকেরা ছুটছে, তারা কড়াইয়ের বাইরে যেতে পারছে না
আমি তাদের গায়ের উপর ঠান্ডা ভাত ঢেলে দিই
চুলার আগুনকে আরো উসকিয়ে দিই
কড়াইয়ের মধ্যে ছিটিয়ে দিই পেয়াজ কুচি, একদলা ঘি
একচিমটে হলুদ, লবণ
ভাত গরম হয়ে ওঠে
টেবিলের উপর দেখি প্লেটে প্লেটে শুয়ে আছে
হরিণশাবকদের দলা পাকানো মাংশ
শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আমিও উঠে পড়ি প্লেটে প্লেটে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


