বর্ষণের আগাম ধ্বনির বার্তা পৌঁছে দিতে চেয়ে যেসব বালক
ঘরে ফেরেনি এখনো, তাদের হাড়ের জগৎ
আমি খুলে ফেলেছি, ওখানে বালুঝড়, সুগন্ধী কেশের নারীগণ
বর্ষাগ্রন্থের পৃষ্ঠায় বিরহগাথায় আঙুলের চিহ্ন রেখে গেছে।
কমদগাছের নিচে ছড়ানো-ছিটানো কদমফুলের ঘ্রাণে
ক্ষণকালের চোখাচোখি থেকে জন্ম নেওয়া
সমস্ত সন্ধ্যা মিনতি -
আর নিকটের পাঁজর পড়শি, যারা আগাম বার্তায় নেচে ওঠে
আমি তাদের সূর্যাস্ত দেখার দূরবীণে চোখ রেখে দিগন্তে
উড়ে যেতে দেখি শতশত কালো-হাঁসপাখি।
ভাবি, নিকটে থাকার চেয়ে দূরে শালপাতা দুলে উঠা
সবুজাভ পথে তন্দ্রাশীল বুনোঝোপে কেউ যদি ডেকে ওঠে,
খণ্ড-খণ্ড মেঘে সূক্ষ্ণচিত্রে ফুটে ওঠে তার কেশ, ক্রুর সংরাগে
তবু নিস্তব্ধ উতলা বাড়ে...
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


