সীমান্ত তারের পাশে
আত্মজার ঘ্রাণে বিমুগ্ধ সরলতা সংক্ষুব্ধ মাটির পাত্রে
সময়ের ক্লেদ আর বিমর্ষতা
একপাশে সরিয়ে রোপণ করছে বিভূতি সন্ধ্যা।
রন্ধনশালায় বটির নিচে শুয়ে থাকা সুবোধ
মৎস্য শিকারি জানে না ছলাকলা, তবু
তাঁর শিয়রে রাতজাগা মার্বেল প্রেমিকেরা
ঘাড় বাঁকিয়ে দেখছে জানালার শিরা-উপশিরা।
শবযাত্রীদের পায়ের শব্দে সুনম্র
গোপীদের পায়ের কাছে জমছে – ইশকুল বেলা,
মোমালোর শরীরে আমাদের চিহ্ন থাকেনা।
দাসত্বের বিনীত মুখমণ্ডল আর অগ্রজ পদচিহ্ন মুছে
রোপিত সন্ধ্যার ধূপধোয়ায় আমি
পাখিবধ্ বংশের স্থিরতার সীমা ভেঙে উড়িয়ে দিচ্ছি
সৌন্দর্য্যের ডানা।
ডানার স্বরমন্ত্রণার সবুজ পৃষ্ঠাগুলি উড়ে উড়ে যায়,
বর্ণগুলো প্রমিত-নাগরিক মুখোশের গায়ে
ফুটিয়ে তোলে অসংখ্য কাঁটাগুল্ম, পুকুরপাড়।
স্বজাত্যবোধের এই পাড়ের উপর দাঁড়িয়ে
গ্রহণের দরোজা খুলে
অপেক্ষা করছি, তোমাকে দেখবো প্রবৃত্তের কাচে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

