একটি আইটি নগরীর সন্ধানে-২
২৯ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩৭
রাজশাহীতে একটি আইটি নগরী বানানো যায় কীনা সেটি নিয়ে আমরা কিছু কাজ করার চেষ্টা করছি। প্রথমত একটি ভাল গবেষণা বা তথ্য সংগ্রহ দরকার যেখানে সবগুলো বিষয় উঠে আসবে। এর ফলে একটি পরিকল্পনা এবং সেটা বাস্তবায়নের পর্যায় চিহ্নিত করা যাবে। আমরা এখন এই কাজগুলো করার চেষ্টা করছি। গত কিছুদিন ধরে আমরা অনেকের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করেছি। তার থেকে কিছু বিষয় আজ সবার সঙ্গে শেয়ার করছি।
ক. বিদেশী বিনিয়োগকারীকে এই মূহুর্তে রাজশাহীতে আনা বেজায় কঠিন হবে, দেশের অন্য স্থানের বিনিয়োগকারীরাও লাফ দিয়ে এসে পড়বেন এমন ভাবাটা বোকামি। কারণ রাজশাহী ঢাকা থেকে বেশ দূরে। ঢাকা আন্তর্জাতিক যোগাযোগের কেন্দ্র।
খ. রাজশাহীতে এই মূহুর্তে স্থানীয় আইটি কাজ নেই, শিল্প সাপোর্ট দেওয়ার মতো কাজ হবে না।
গ. বিদেশী কাজ দরকার।
ঘ. নিজেদের কাজ না হলে বিদেশীরা কাজ দিতে চায় না।
ভাল চক্কর।
কী করা যায়?
ক. এমন কিছু করা যেটার জন্য খুব বেশি বিনিয়োগ লাগবে না। লাগলেও সেটা করার লোক থাকবে। আউটসোর্সিং??
খ. কল সেন্টার
গ. দেশীয় ডিআর এবং ডেটা সেন্টার
এগুলো হয়তো করে ফেলা যায়। এর জন্য কী দরকার
ক. ব্যান্ড উয়িডথএর মোটা পাইপ (আছে?)
খ. কিছু দালান কোঠা (নিরাপত্তা)
গ. সরকারের সহায়তা
আমি শুনেছি (চেক করতে পারি নি) ঈশ্বরদী ইপিজিডে নাকি নামমাত্র মূল্যে প্লট দেওয়া হয়। কাজে সেরকম কিছু করা যেতে পারে।
আমার কাছে মনে হচ্ছে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখে এগোনো যেতে পারে। সম্ভাবনা নেহায়েৎ খারাপ না।
প্রশ্ন হচ্ছে কীভাবে শুরু হবে?
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সবচেয়ে ভাল হতো যদি একটি ভাল ফিজিবিলিটি স্টাডি করব যেত, পেশাদারীভাবে। তারপরও দেখা যাক কতোটা এগোনো যায়।
ফালতু মিয়া বলেছেন:
সুন্দর উদ্যোগ, এধরণে উদ্যোগ স্থানীয় রাজনীতিবিদদের বাদ দিয়ে করতে পারবেন না, মেয়র থেকে শুরু করে সংসদ সদস্য+ রুয়েট (সাবেক বিআইটি)র শিক্ষকসহ অন্যান্য পেশাজীবিদের সহায়তা নিন। আর বিদেশী বিনিয়োগের জন্য প্রবাসী ও রাজধানীতে অবস্থানরতদের নিয়ে কাজটি এগিয়ে নিয়ে যান।
লেখক বলেছেন: মেয়র, বাদশা ভাইসহ অন্যদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। সবাই সঙ্গে থাকবেন বলেছেন।
একাকী বালক বলেছেন:
sir, apni ki prothom alo r sathy jorito? biggan . com r?
লেখক বলেছেন: বিজ্ঞান -এ ডট কম টব নেই! ওর সঙ্গে প্রজন্ম!! আর প্রজন্ম ডট কম। অনুমান সঠিক। নম্বর দেবো?
একাকী বালক বলেছেন:
Sir, amar nick ta monay rakhen. apnar sathy nxt tym dekha holay ai nick ta bolbo. sorry bangla ashchay na browser r problem r jonno
লংকার রাজা বলেছেন:
মুনির ভাই কেমন আছেন?লোকাল মার্কেটের কিছু আজব প্রবলেম আছে।লিখে ঠিকমত বুঝাতে পারব না।আমরা লোকাল মার্কেটে কিছু করার চিন্তা ভাবনা করে পরে বাদ দিছি
মুটামুটি মানের ইন্টারনেট এর লাইন হলে আওটসোর্সিং এর কাজ শুরু করতে পারেন।যা দরকার তা হল ভাল,দক্ষ কাজ জানা লোক।আমার এক বন্ধু শুধু জুমলায় কাজ করে মানথলি ১০০০ ডলার এর মত পায়।
বাইরের কোন কোম্পানি আমার জানা মতে এখন পর্যন্ত দেশের সফটওয়্যা খাতে সরাসরি ইনভেস্ট করে নি।বিদেশি যে কোম্পানিগুলো আছে তাদের সবই কোন বাংলাদেশীর উদ্যোগে এদেশে সাপোর্ট সেন্টার খুলেছে।
আপনার উদ্যম আর যোগাযোগ যে লেভেলের আপনি ভাই চাইলে আরও বহু কিছু করতে পারবেন।ঢাকা যদি কখনও কোন কাজে লাগে ডাক দিয়েন,চলে আসব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আলাপ চালিয়ে যাচ্ছি। ৭ তারিখে রাজশাহী যাওয়ার কথা। তখন হয়তো আরো কিছু সম্ভাবনা দেখবো। মজার বিষয় হচ্ছে রাজশাহীতে যেমন সহজ মনে হচ্ছে, ঢাকার সবাই ততোটা কঠিন ভাবছেন!!!
সবুজ সাথী বলেছেন:
ভালো উদ্যোগ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
মদন বলেছেন:
১. রাজশাহীর রেশম পল্লী খালি পড়ে আছে, এটি ব্যবহার করা যেতে পারে। বিসিক এরিয়ার কথাও ভাবা যেতে পারে।
২. অল্পখরচে অফুরন্ত জনশক্তি পাবার সুযোগ রয়েছে।
৩. প্রাথমিকভাবে ডেটা-এন্ট্রি, কল-সেন্টার, ওয়েব-বেজড কাজের সুযোগ রয়েছে। হার্ডওয়্যার তৈরীর হয়তো সুযোগ নেই কিন্তু সফটওয়্যারের কাজের পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে।
৪. রাজশাহীতে থাকা-খাওয়া যায় কম খরচে, যে ছেলেকে ঢাকাতে ১৫০০০ টাকা বেতন দিতে হবে, একই ছেলেকে রাজশাহীতে ৮০০০-৯০০০ টাকা দিলেই চলবে।
৫. শুধুমাত্র বিদ্যুত এবং নেটস্পীডের কিছুটা নিশ্চয়তা পাওয়া গেলেই চলবে। আলাদাভাবে কিছু না হলেও চলবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ঠিক এমনটি আমরা ভাবছি। নেট স্পীডের এখন সমস্যব নেই। ফাইবার পৌছেছে। কাজে যে কেহ ভাল স্পীড নিতে পারে।
জায়গা দুইটির বিষয়ে ্আলাপ হচ্ছে।
আলাউল হোসেন বলেছেন:
আমরা কতিপয় তরুণ শিক্ষক মিলে পাবনার এক ইউনিয়ন-পল্লীতে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছি। স্কুলের নাম-স্কাইলার্ক ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (শিশু শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত)। প্রতিষ্ঠার প্রথম বছরেই(২০০৯ সালে) আমরা আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের গণিত অলিম্পিয়াড সম্পর্কে ধারণা দেই এবং অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করি। অভিভাবকদের নিরুৎসাহ ও বাধাকে অতিক্রম করেও অংশগ্রহণ করাই শিক্ষার্থীদের। বগুড়া জেলা স্কুলে অনুষ্ঠিত বিভাগীয় উৎসব থেকে প্রাইমারী ক্যাটাগরীতে ২টি পুরস্কার ছিনিয়ে নেয় আমাদের ছাত্রছাত্রীরা। ফলে আমাদের কাজের গতিও বেড়ে যায়। এ বছর আমরা আমাদের স্কুলে শুরু করেছি গণিত ক্লাব। কিন্তু অভিভাবক তরফ থেকে কোন সহযোগিতাই পাচ্ছি না বরং নিরুৎসাহিত করছে সকলে। আপনি কি আমাদেরকে কোন পরামর্শ দেবেন-আমরা কিভাবে আমাদের কাজকে চালিয়ে নিতে পারি?আলাউল হোসেন
প্রধান শিক্ষক
স্কাইলার্ক ইন্টান্যাশনাল স্কুল
কাশীনাথপুর, পাবনা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















--------------------------------------------
সব ধরনের সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখা দরকার। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে, নিশ্চিত যে বিষয়গুলো সহজে সমাধা করা যায় সেগুলোই বিভিন্ন জটিলতায় আটকে পড়ে আছে! দেশের সম্ভবনাগুলোকে আর বাস্তবে রূপদান করা সম্ভব হচ্ছে না!