আমার প্রিয় পোস্ট

অলসদের দিয়ে কী আর হয়। আলসেমি ছাড়া!

বেসরকারি উদ্যোগে আইটি ইনকিউবেটর!!!

১২ ই মে, ২০১০ রাত ১০:১৯

শেয়ারঃ
6 0

আজ অফিস থেকে বের হওয়ার পর একটি টেলিফোন পেলাম। কোন একজন আইটি উদ্যোক্তা জানালেন তার ফার্মে প্রায় ৭ হাজার বর্গফুট জায়গা, কম্পিউটর সহ সাজানো অবস্থায় আছে। পুরো সেটআপটি এখন আর তার প্রয়োজন হয় না। আমি যেহেতু আইটি ইনকিউবেশন সেন্টারের জন্য জায়গা খুঁজছি, সেটি তিনি দিতে পারেন। ভাবলাম সময় নষ্ট করার দরকার কি? ঠিকানা জেনে হাজির হলাম নগরীর প্রাণকেন্দ্রে তাঁর প্রতিষ্ঠানে। দুই ভবনে, দুইটি ফ্লোরে প্রায় ৭ হাজার বর্গফুট জায়গা। সেট আপ রয়েছে এমনভাবে যে, সেখানে আইটি প্রশিক্ষণ, সফটওয়্যার হাউস, আউটসোর্সিং সুবিধা ইত্যাদি অনায়াসে চালু করা যায়। তাদের নিজেদের জন্য যে জায়গা দরকার, সেটি রেখে একটি ইনকিউবেশন সেন্টার স্থাপন করা যেতে পারে।
দেখে আসার পর আমি যা ভাবছি তা হলো সেখানে একটি ইনকিউবেটর স্থাপন করা যায় কী না। যেহেতু এটি একটি কমার্শিয়াল ভবনে, কাজে কোন চ্যারিটি কাজ এখানে করা যাবে না।
আমার হিসাবে এখানে মোট ১০‌-১২টি নতুন স্টার্টআপ কোম্পানিকে জায়গা দেওয়া যেতে পারে। কোম্পানিগুলো পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে না, বরং পরস্পরকে সহযোগিতা করবে। প্রতিটি কোম্পানি মোটামুটি শুরু করে ১০ জনের কোম্পানি পর্যন্ত বিকশিত হতে পারবে। তারপর হয়তো নিজেদের কোন জায়গায় বা সফটওয়্যার পার্কে চলে যেতে পারবে। কী কী ধরণের কোম্পানি সেখানে জায়গা পেতে পারে-

ক. আইটি প্রশিক্ষণ : আমার একটি ধারণা আমাদের দেশে আইটি প্রশিক্ষনের সেক্টরটির বারোটা বাজিয়েছে কিছু দেশী ও কিছু বিদেশী কোম্পানি। এই খাতকে আবার সংঘবদ্ধ করা যেতে পারে। এবং একটি দুইটি ছোট কোম্পানি এই কাজ শুরু করতে পারে। নতুন কোম্পানি গুলো অবশ্য তথাকথিত আইটি ট্রেণিং দিলে হবে না। নতুন এবং দরকারী, কাস্টম মেইড কোর্স অফার করতে হবে। এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের সবচেয়ে বেশি সুবিধা হবে এই জন্য যে, তাদের পক্ষে যে কোন সময় নতুন কোর্স করা সম্ভব হবে কেননা একই ছাদের নিচের অন্য প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞরা এখানে প্রশিক্ষক হতে পারবে।

খ. আউটসোর্সিং কোম্পানির গ্রুপ : এখন যাঁরা ফ্রিল্যান্সিং করে তাদের অনেককেই প্রায় সব কাজই করতে হয়। ফলে স্পেশালাইজেশনের সুযোগ কম। কিন্তু যদি এক ছাদের নিচে কাজ করতে শুরু করে তাহলে তাদের পক্ষে কাজ শেয়ার করা সম্ভব হবে।

গ. আউটসোর্সিং বায়িং হাউস : এটি আমাদের দেশের জন্য নতুন ধারণা। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বাহাদুরি হবে এদের কমিউনিকেশন স্কিল ভাল, প্রেজেন্টেশন স্কিলও। ফলে, এদের পক্ষে কাজ যোগাড় করাও সুবিধা বেশি। এরা কাজ যোগাড় করবে, বাকীরা সেটি করে দেবে।
ঘ. আইটি এনাবল সার্ভিসেস : এটি স্বব্যাখ্যাত।

ইনকিউবেশন উদ্যোক্তারা কী করবে? বেশ। কয়েকটি কাজ করার চেষ্টা করতে হবে-

১. প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রত্যেকটিরই কিছু আইনী এবং কাঠামোগত সুবিধার দরকার হবে। যেমন বিদেশ থেকে টাকা আনা, টিআইএন বানানো, কাজের সার্টিফিকেট যোগাড় করা যা ব্যাংকে দিতে হয় ইত্যাদি। এগুলোর জন্য সাপোর্ট দেওয়া,
২. কীভাবে আইটি শিল্প তৈরি করতে হয়, কীভাবে নিজের ফার্মকে বিকশিত করা যায়, কীভাবে আউটপিট বাড়ানো যায় ইত্যাদি বিষয়ে প্রশিক্ষণসহ সফল উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সময় কাটানোর ব্যবস্থা করা,
৩. পটেনশিয়াল বিনিয়োগকারীদের মাজে মধ্যে ডেকে আনা যাতে তারা নতুন বিনিয়োগে উৎসাহিত হয়
৪. কম্বাইন্ড মার্কেটিং গড়ার সুযোগ করে দেওয়া
৫. মিডিয়া ও ব্যক্তিগতভাবে দেশের বাইরে কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা,
৬. দেশের বাইরে ইনকিউবেশন সেন্টারের কোম্পানিগুলোকে তুলে ধরার জন্য নানান অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া, ইত্যাদি।
৭.কমন ফ্যাসিলিটি যেমন জেনারেটর, ইন্টারনেট, সিকিউরিটি ইত্যাদির ব্যবস্থা করা।

শুরু করতে কী লাগবে=

১. মোটামুটি বছরখানেক দাঁতে দাঁত চেপে ঠিকে থাকার মতো ফান্ড,
২. ইন্ডাস্ট্রির সফল লোকেদের সঙ্গে ভাল যোগাযোগ এবং তাদের সহযোগিতার কমিটমেন্ট
৩. অলস টাকা আছে এমন বিনিয়োগকারীদের খবর
৪. শুরু থেকে যোগ দেবে এমন ১০টি স্টার্ট আপ, এবং
৫. সরকারি সহায্য (টাকা পয়সা অর্থে) ছাড়াই দাঁড়াতে পারবো এমন মানসিকতা।

এর মধ্যে ৪ নম্বরটির দরকার প্রথমে। সেটি থাকলে ১ নং‌এর জন্য দৌঁড়ঝাপ করা যাবে। ২ নং‌এর বেলায় অনেকে সহযোগিতা করবে বলে আমার ধারণা। এই নিয়ে আমার বিডিজবসের ফাহিম, স্পেকট্রামের ফোরকান ও মুশফিক, নিলাভোর শিহাব এমন কয়েকজনের সঙ্গে আলাপও হয়েছে। তারা তাদের সহযোগিতার কথা বলে রেখেছেন।

৩ নং টা পেতে একটু সময় লাগবে, তবে ঠিক মতো ঢোল বাজাতে পারলে সেটি হবে। পল্লবের মতো লোকজনের সহায়তা থাকলে ঢোল বাজানোর কাজটা সহজ হবে।

এখন দেখা যাক আমরা শুরু করতে পারি কী না। তবে, সবার মনে রাখা দরকার যে, হাজার খানেক ফেইলিউরের পর একটি গুগোল মেলে!!!

বি. দ্র. কিছুটা এগোনোর পর আইটি উদ্যোক্তার পরিচয়টা দেবো। তবে, আলোচনার জন্য সেটি মনে হয় খুব একটা দরকার নেই।

 

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ১২ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩২
সহজ পৃথিবী বলেছেন: আইডিয়াটি ভালো লাগলো তবে জটিল ও অস্পষ্ট।
১২ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৯

লেখক বলেছেন: কঠিন হয়ে গেল? মানে, একটা সোজা কাজ। আইটি খাতের গোটা দশেক নতুন কোম্পানি একই ছাদের নিচে কাজ করবে। ফ্যাসিলিটি আর আইডিয়া শেয়ার করবে যাতে সবাই আগাতে পারে।

৩. ১২ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৩৩
বাংলাকে ভালবাসি বলেছেন: ফাটাফাটি আইডিয়া আমি নন টেকি তাই বেশি কিছু বলবো না।


সব ঠিক মত এগুলো চরম হবে প্রায় সিলিকন ভ্যালি টাইপ কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ মনে হয় একসাথে টীম গঠন করে কাজ করবে না কারন এতে ব্যাক্তিগত লাভ কমে যাবে।
১২ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪১

লেখক বলেছেন: আমি আগে কখনো ব্যবসায়ী বা উদ্যোক্তাদের সঙ্গে কাজ করি নি। মাত্র মাস কয়েক হলো আইটি ইন্ডাস্ট্রির বাইরে দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি। চেষ্টা করতে চাই। সম্বল গণিত অলিম্পিয়াডের অভিজ্ঞতা আর আমার দাদার দোয়া!
আল্লাহ ভরসা।

৪. ১২ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪৭
শেহাব বলেছেন: আহা আপনি যদি নেক্সট বেসিস ইলেকশনে সব পোস্টেই দাড়াতেন!
৫. ১২ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৪৮
কল্পনাতে শুভ্র বলেছেন: খুবি ভালো আইডিয়া | এই ধরণের চিন্তাভাবনার সফল বাস্তবায়ন সময়ের দাবি |
৬. ১২ ই মে, ২০১০ রাত ১০:৫৩
অলস ছেলে বলেছেন: চমৎকার চিন্তা। আশা করছি সফল হতে পারবেন। আমরা বাংলাদেশীরা শেয়ারড কোন উদ্যোগের জন্য যদিও সবচেয়ে নিম্নমানের, আপনি যেভাবে ব্যাবসার সুযোগ এবং স্পেশালাইজড কাজগুলো শেয়ার করার কথা ভাবছেন সেভাবে সবাই সাড়া দিবে কি না সন্দেহ বা ওভাবে পেতে গেলে প্রচন্ড কুশলী ম্যানেজমেন্ট এর মাধ্যমে সবাইকেই লাভের ভাগ দিতে হবে। তবুও, যদি আপনার এগোন আরো, সফলতা কামনা করছি আন্তরিকভাবে।
৭. ১২ ই মে, ২০১০ রাত ১১:০৯
শেহাব বলেছেন: উমম একটা কাজ করা যেতে পারে উনি ফ্রিল্যান্সারদের ঘন্টা ভিত্তিতে কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দিবেন।

অথবা কলসেন্টার কেও দিতে পারেন।

ডাটা এন্ট্রি নিয়ে কাজ করতে পারেন।

অথবা যেসব দীর্ঘমেয়াদে সফটওয়্যার ফার্ম ভাড়া দিতে পারেন।

এখন উনি ঠিক কি কাজ করছেন।

মেশিনগুলোর স্পেসিফিকেশন কি হেটারোজিনিয়াস?

ইন্টারনেট কানেকশন কোন গ্রেড আই. এস. পি.?

মিডিয়া আর্কাইভাল সার্ভিসও করা যেতে পারে।

৮. ১২ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১৪
শেহাব বলেছেন: আচ্ছা কারা কারা নেবার চান্স কম সেটা বের করি।

১. যেসব কোম্পানীর হেটারোজিনিয়াস কম্পিউটিং রিসোর্স দরকার তারা নিবে না।

২. যাদের আই. এস. পি. এর ব্যাপারে নিজস্ব পছন্দ আছে তারা নিবে না।

৩. ব্যাকআপ পাওয়ারের ব্যাপারে যাদের নির্দিষ্ট রিকয়ারমেন্ট আছে।

৪. ভিস্যাট ব্যাকআপ যাদের দরকার।

৫. যারা নেটওয়ার্ক শেয়ার করতে চাইবে না।
৯. ১২ ই মে, ২০১০ রাত ১১:১৮
ইচ্ছেফড়িং বলেছেন: দেশের কিছু করার জন্য আপনার ভেতরের যে তাড়না সেটা আমাকে স্পর্শ করেছে। তবে আপনার বক্তব্যগুলো একটু আবেগী ,অস্পষ্ট বা সুপারফিসিয়াল বলে মনে হচ্ছে। আর কিছু ভাবগম্ভীর টার্ম যেমন সফটওয়্যার ইনকিউবেটর, ইনকিউবেসন, সফটওয়্যার পার্ক এগুলির অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার এড়িয়ে চললে ভাল হয়। মূল কথা হচ্ছে দেশে কম্পিউটার ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠা , আর এই সামান্যটুকু বলার জন্য এত ভারী ভারী শব্দের ব্যবহার কেন।

আচ্ছা দেশে কম্পিউটার ভিত্তিক শিল্প গড়ে উঠার পথে প্রধান বাধাটা কোথায় এই নিয়ে কি কি ধরনের তথ্যভিত্তিক হোমওয়ার্ক আমাদের হয়েছে যদি বলতেন। হোমোয়ার্ক বলতে সেই লেভেলের হোমোয়ার্কের কথা বলছি, যদু মধু এই কোম্পানী ,সেই কোম্পানী বা আমার হোমোয়ার্ক নয়।
১৩ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সবার লেখার স্টাইলতো আর এক রকম নয়, এই জন্য হয়তো বা। দেশে আইটি শিল্প স্থাপনে না হলেও ৫০টির বেশি হোমওয়ার্ক হয়েছে। ১৯৯৭ সালে প্রথম একটি কমিটি করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জামিলুর রেজা স্যার সেই কমিটির প্রধান ছিলেন। কমিটির প্রস্তাব অনুসারে কম্পিউটারের ওপর শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছিল। কয়েক বছর পরে সেই কমিটি আবার একটি মূল্যায়ন করে। এর পাশাপাশি উপ-খাত ধরেও বেশ কিছু কাজ হয়েছে বলে জানি। বেসিস, বিসিএস, এফবিসিসিআই আবার জাইকা, ইউএন ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানেরও অনেক কাজ আছে (অথবা বলা যায় কাজে আর সুপারিশে ভারাক্রান্ত)। আমি অবশ্য বড় কোন হোমওয়ার্কে আগ্রহী নয়। কিছু জানা সমস্যার সমাধান করা যায় কী না, সেটা ধরে এগোতে চাচ্ছি।
কিছু ডাইরেক্ট একশন আর কি। সে জন্য কয়েক মাস ধরে এই এলাকায় ঘোরাফেরা করা।
সক সমস্যার সমাধান বা সকল সুপারিশের বাস্তবায়নের জন্য কাজ করা সব আমি নিশ্চয় করতে পারবো না।

ধন্যবাদ।

১০. ১২ ই মে, ২০১০ রাত ১১:২১
শেহাব বলেছেন: আরও আছে,

৬. যারা ডাইনিং এরিয়া বা রিক্রিয়েশন এরিয়া শেয়ার করতে চাইবে না।

মুনির ভাই

ফ্লোর প্ল্যান শেয়ার করা যাবে?
১১. ১২ ই মে, ২০১০ রাত ১১:২৫
শেহাব বলেছেন: মুম্বাইতে কিন্তুতে একই বিল্ডিংয়ে টি.আই.সি.এস. আর ম্যাসটেক আছে। প্রত্যেকের হাজারের উপরে এমপ্লয়ী। তবে ফ্লোর শেয়ার করতো না।
১২. ১৩ ই মে, ২০১০ রাত ১২:২৩
মো তানভীর হাসান বলেছেন: boss, আমার দরকার। আপনারে call দিব। মনে হচ্ছে ভালো অফার।
১৩. ১৩ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:০১
মানচুমাহারা বলেছেন: এখনো কম্পানী বিল্ড করার মতো রিসোর্স নাই, নাইলে একটা সুযোগ গ্রহন করার চেস্টা করতাম।
১৪. ১৩ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৩৫
শেহাব বলেছেন: মুনির ভাই ভদ্রলোকের নাম বা ঠিকানা প্রকাশ না করে তার ফ্লোরম্যাপ, ইলেক্ট্রিক্যাল ওয়্যারিং লেআউট আর লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এর লেআউট প্রকাশ করা যাবে?

মোট ৭০০০ ব.ফু.। এখন দশটা কোম্পানী যদি জায়গা দিতে চান তাহলে প্রতিটা কোম্পানীর জন্য ৭০০ ব.ফু. থাকে। যদি কোম্পানীগুলো নিজস্ব রিক্রিয়েশন স্পেস, ডাইনিং স্পেস আর কনফারেন্স স্পেস চায় তাহলে প্রত্যেকের ৭০০ ব.ফু. থেকে ৪০% বাদ যাবে। তাহলে প্রত্যেক কোম্পানীর জন্য থাকে ৪২০ ব.ফু.। অর্থাৎ আড়াইটা বড় রুম। এখন আড়াইটা বড় রুম এ একটা কোম্পানী শুরু হলে বেশিদিন সেখানে থাকতে পারবে না। ধরলাম আড়াইটা বড় রুমে সর্বোচ্চ ৭ জন লোক বসতে পারবে। গড় পড়তা ২ বছরে যদি একটি কোম্পানীর রিসোর্সের সংখ্যা ৭ অতিক্রম করে তাহলে আপনার বন্ধুকে প্রতি ২ বছরে অন্তত ৫টি নতুন স্টার্টআপ খুজতে হবে। প্রতিবার নতুন কোম্পানী আসলে ইলেক্ট্রক্যাল ওয়্যারিং আর লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক আবার ঠিকঠাক করতে হবে।

এখন ধরি এমন মানসিকতার ১০ জন উদ্যোক্তা পাওয়া গেল যারা একই কিচেন, একই ডাইনিং, একই কনফারেন্স রুম, একই আই.এস.পি., একই ভিস্যাট, একই কনফিগারেশনের কম্পিউটার, একই রিসেপশনিস্ট, একই ক্যাটারার, একই স্পোর্টসজোন, একই জেনারেটর শেয়ার করতে ইচ্ছুক। তাহলে ওয়ার্কিং স্পেস আরেকটু বাড়ল। এখন কি কি রিস্ক আছে?

১. কমন স্পেসগুলোতে ক্রস কোম্পানী এমপ্লয়ীগুলোর ইন্টারএকশন হবে। সেখানে যদি এক কোম্পানীর এমপ্লয়ীর সাথে আরেক কোম্পানীর এমপ্লয়ীর ঝামেলা হল। এখন যদিও আলাদা কোম্পানী তাদের কমন স্পেস শেয়ারিংয়ের জন্য প্রতিদিন দেখা হচ্ছে। তখন অফিসের বাইরের জিনিস ভিতরে ঝামেলা তৈরি করতে পারে।

২. যদি সকল অফিস হাইকোর্ট প্রবর্তিত যৌন নিপীড়ন বিরোধী নীতিমালা ঠিকমতো অনুসরণ না করে তাহলে একটি কোম্পানীর কোন বিকৃতরুচির এমপ্লয়ীর জন্য অন্য কোম্পানীর নারী এমপ্লয়ীর প্রডাক্টিভিটি কমে যেতে পারে। কারণ তাদের প্রতিদিন একটি কমন জায়গায় কিছু সময় কাটাতে হবে।

৩. বাংলাদেশের অনেক উদ্যোক্তার মধ্যেই নিজেকে মালিক ভাবার প্রবণতা আছে। তারা এমপ্লয়ীদের স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার ভাবতে পারে না। এখন ধরেন 'ক' কোম্পানীর একজন এমপ্লয়ী ডাইনিংয়ে তার কোম্পানী ওউনারকে তুলাধুনা করল ও 'খ' কোম্পানীর কিছু এমপ্লয়ী সেটা শুনল। পরের দিন 'খ' কোম্পানীর লোকজন খাওয়া দাওয়া করার সময় 'ক' কোম্পানীর মালিক সেখানে খেতে গেল। 'খ' কোম্পানীর এমপ্লয়ী 'ক' কোম্পানীর মালিককে চিনে না এবং তার সামনেই 'ক' কোম্পানীর এমপ্লয়ীর নাম সহ আগের দিনের গল্প শেয়ার করল। তখন কি হবে?

৪. কমন রিসোর্সগুলোর সিডিউলিং করাটা নিশ্চিত করাটাও একটা বড় কাজ। সবাইকে তার প্রয়োজনীয় সময় প্রয়োজনীর রিসোর্সটুকু কোন ঝামেলা ছাড়াই পেতে হবে। সেক্ষেত্রে কিছু রিডানডেন্ট রিসোর্স রাখতে হবে যাতে পিক টাইমের লোড সামাল দেয়া যায়। হোক সেটা টয়লেট, হোক সেটা ভাতের প্লেট বা হোয়াইট বোর্ড।

৫. শুরুতে কি কি রিসোর্স শেয়ার করবে তাতে একমত হবার ফলে ১০ জন উদ্যোক্তা একত্র হল। কিন্তু টানা দুবছর সে ঐক্যমত থাকবে তো?

৬. কোন টেন্ডারে শর্ত যদি দেয় ডেডিকেটেড অমুক রিসোর্স থাকতে হবে যেটা এখানে শেয়ারড। তাহলে এই দশজন টেন্ডার থেকে বাদ।
১৫. ১৩ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৩৯
শেহাব বলেছেন: বাংলাদেশের সফটওয়্যার কোম্পানীগুলোতে ভাল প্রজেক্ট ম্যানেজার নেই। নতুন কোম্পানীগুলোর অবস্থা আরও খারাপ হতে পারে। সেক্ষেত্রে সবকিছুই চলবে এডহক বেসিসে। তখন শেয়ারড রিসোর্স যতই প্ল্যান করে সিডিউল করা হোক না কেন এডহক বেসিসে চললে সে সিডিউল ভায়োলেট করবে ম্যানেজাররা।
১৬. ১৩ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:০১
মুনির হাসান বলেছেন: আইটি শিল্প খাতের জন্য দরকার - ক. পুঁজি ও তার নিরাপত্তা, খ. উদ্যমী উদ্যোক্তা, গ. কাজের সুযো গ ঘ. দক্ষ জনবলের সরবরাহ এবং মনে স্ফূর্তি। কী করলে এগুলো ক্লিক করবে সেটাই জরুরী।
আমি আসলে কয়েকটা একশণ আইটেম খুঁজছি যা আমারে দিয়ে সম্ভব। খুঁজে পাইলে কাজে নেমে যাবো।
১৭. ১৪ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:২৮
ওরাকল বলেছেন: ভল উদ্দোগ। আমি পেশায় একজন ডাটাবেজ ইন্জ্ঞিনিয়ার, ওরাকলে নিয়ে কাজ করি। এক্সপার্টিজ শেয়ার করতে ইচ্ছুক।
১৮. ১৪ ই মে, ২০১০ রাত ১১:৪৬
শাহজাহান সিরাজ বলেছেন: শেহাব যে পয়েন্ট গুলো নিয়ে কথা বলেছে তা নিয়ে আমাদের ভাবতেই হবে। এমন শেয়ার্ড উদ্যোগে বাংলাদেশিরা নিজেদের মানিয়ে চলতে পারবে না তা আমরা সবাই কম-বেশি জানি। তবে তার সমাধানও খুজে বের করা যাবে।

মুনির ভাইকে ধন্যবাদ আইডিয়াটা শেয়ার করার জন্য।

আইটি উদ্যোক্তা হওয়ার চেষ্টা সেই অনেকদিন ধরেই করছি। আমার অন্য ৫ জন পার্টনারকে সাথে নিয়ে (একজন জাপানে পিএইচডি করছেন) আমরা সেই শুরু করেছি ২০০৩-এ। দাড়াতে পারিনি এখনো। কিন্তু টিমটা আমরা এখনো ধরে রেখেছি, কিছু সফটওয়্যার আমাদের হাতে রেডি আছে, মার্কেটিং করতে পারছিনা। এরমধ্যে বাহিরের গোটা ছয় ওয়েবসাইটের কাজ করে দিয়েছি, একটা কাজ ছিল ইংরেজী, সুইডিশ এবং আরবী এই তিন ভাষায় নিউজ পোর্টাল। এই রকম একটা ইনকিউবেটরে আমাদের একটা জায়গা হলেতো ভালই হয়। আমরা হয়ত দেশের আইটি শিল্পে কিছু কর্মসংস্থান করতে পারব।

মুনির ভাই আপনার এই মহতী উদ্যোগের সাথে আছি।
১৯. ১৬ ই মে, ২০১০ রাত ১২:১৪
শেহাব বলেছেন: কালকে আমি এই সিস্টেমের সুবিধাগুলো নিয়ে আলাপ করব।
২০. ১৬ ই মে, ২০১০ সকাল ১০:৫৭
শেহাব বলেছেন: ১. ইনডিভিজুয়াল ফ্রিল্যান্সার যারা লোডশেডিংয়ের জ্বালায় কাজ করতে পারছে না তারা আসতে পারে। এদের একটা গ্রুপ আবার বায়ারদের টাইমজোনের সাথে ম্যাচ করে কাজ করে। সেক্ষেত্রে রাতে থাকার ও খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিদিন যদি তারা ৩০০ টাকা করে ভাড়া দেয়, ৩০০ কম্পিউটারে উনার মাসে ২৭ লাখ টাকা আসবে।

২. অামি যখন শাবিতে কম্পিউটার সায়েন্সে ভর্তি হই তখন আমার কোন কম্পিউটার ছিল না। আসলে এক ফ্যামিলি ফ্র্যান্ড তখন বলেছিল থার্ড ইয়ারের আগে নাকি কম্পিউটার লাগবে না। গিয়ে যখন দেখলাম প্রথম ক্লাসটাই সি এর তখন তো বিপদ। তো আমাদের যাদের কম্পিউটার ছিল না জাফর স্যার তাদের ল্যাবের চাবি দিলেন। আমরা ৫টা বাজে ক্লাস শেষ হবার পর ওখানে বসতাম। অ্যাসাইনমেন্ট করে ফ্লপি তে কপি করে ৮টার বাসে মেসে চলে আসতাম। তো ঢাকায় নিশ্চয় কিছু ছাত্রকে এরকম করতে হচ্ছে। যাদের কম্পিউটার নেই কিন্তু ডিপার্টমেন্ট থেকে কম্পিউটার ব্যবহার করতে দেয়া হচ্ছে না তাদের মাসে এক হাজার টাকা ভাড়া নিয়ে যদি দিনে চার ঘন্টা করে ব্যবহার করতে দেয়া হয় তাহলে মাসে ওনার ১৫ লাখ টাকা আয় হবে।

৩. উনি আরেকটা কাজ করতে পারে ট্রেনিং সেন্টার করতে পারে। তবে কোয়ালিটি রাখতে না পারলে ২ বছর পর লাটে উঠবে।

৪. তবে মুনির ভাই যেটা করতে বলেছেন সেটা করতে হলে ওনাকে একটা কোম্পানী ফর্ম করতে হবে যেটা স্টার্টআপ সফটওয়্যার কোম্পানীগুলোকে হোস্টেড ইনফ্রাস্ট্রাকচার সার্ভিস দিবে।

৫. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সাইবার ক্যাফে করে ফেলতে পারেন। হা হা হা।
২১. ১৬ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:১১
শেহাব বলেছেন: ৬. আরেকটা বড় কথা হচ্ছে মালিকের সেই উৎসাহ বা ম্যাচুরিটি আছে কিনা।
২২. ১৬ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪২
মুনির হাসান বলেছেন: ভাল কথা। ওখানে এখন যে জেনারেটর আছে সেটা দিয়ে কম্পিউটার আর বাতি জ্বলে, এসি চলে না। ডাইনিং রুম আছে। টেবিল টেনিসের টেবিল মনে হয় বসানো যাবে।
২৩. ১৬ ই মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৮
মুনির হাসান বলেছেন: আর একটা ক্লারিফিকেশন। স্টার্টআপ ছাড়াও যারা এর মধ্যে শুরু করেছে কিন্তু স্ট্যাবল হতে পারেনি, তারাও এখানে চেষ্টা করতে পারবে।

আমি সবার মতামতগুলো সংহত করে পরের স্টেপটা নেবো।
২৪. ১৭ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:১৬
শেহাব বলেছেন: কনফারেন্স রুম কয়টা করা যাবে?

প্রজেক্টর কিনতে হবে।

হাউজকিপিং ওনাকে কিনতে হবে। উনি চাইলে নেটওয়ার্ক প্রিন্টার বসাতে পারে।

আই. এস. পি. সবচেয়ে ভালোটা লাগবে (অর্থাৎ সবচেয়ে দামীটা)।

ওনার ৫ জনের মত লোক লাগবে যারা সবকিছু মেইনটেইন করবে।

আরো কয়েকজন লাগবে যারা মার্কেটিং করবে।

উনি চাইলে ওয়ানস্টপ সার্ভিস দিতে পারে।

অর্থাৎ যে কোম্পানী করবে তাকে বেসিস রেজিস্ট্রশন, ব্যাংক একাউন্ট, ট্রেড লাইসেন্স, ইনকাম ট্যাক্স এর সব কাগজপত্র উনি করে দিবেন। একটা সার্ভিস চার্জ নিবেন।
২৫. ১৭ ই মে, ২০১০ দুপুর ১:৪৮
শেহাব বলেছেন: ওনারা আগের বিজনেসে কেন ধাক্কা খেলেন জানিনা। তবে বাংলাদেশে বেশিরভাগ আউটসোর্সিং বিজনেস সাসটেইন করতে পারেনা কারণ তারা মার্কেটিংয়ে প্রফেশনাল লোক হায়ার করেনা।

বেশিরভাগেরই ধারণা আমাদের মধ্যে যারা প্রোগ্রামিং পারে তারা প্রোগ্রামিং করব আর যারা পারেনা তারা কাজ আনব। এইসব বাচ্চাদের মত চিন্তা।

কাজ আনতে পারা টাও একটা টেকনিক্যাল স্কিল যেটা সবাই পারেনা এবং যে পারে তাকেই বেতন দিয়ে রাখতে হবে।
২৬. ১৭ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:০১
শেহাব বলেছেন: একবার এক বড়ভাই ঠিক করেছিল সফটওয়্যার কোম্পানী দিবে। তো ওনি আমাকে ফোনে বললেন ৪/৫ টা কম্পিউটার আর ৪/৫ টা ছেলেমেয়ে রেখে দিলেই তো কোম্পানী হয়ে যায়।

বুঝলাম একটু ডলা দিতে হবে। না হলে নিজে তো মরবেই। আরও কিছু ছেলেমেয়ের ক্যারিয়ারের বারটা বাজাবে।
২৭. ১৭ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:০৩
শেহাব বলেছেন: তারপর তাকে আমাদের অফিস দেখালাম। মজার ব্যাপার হল সে জিজ্ঞেস করে কোয়ালিটি এসুরেন্স কি প্রথম থেকেই লাগবে? আমি বললাম কোয়ালিটি প্রোডাক্ট বানাতে হলে লাগবে। না হলে লাগবে না। তারপর তার প্রশ্ন তুই আর আমি মিলে চালায় নিতে পারব না?

তখন বিরক্ত হয়ে বললাম তাইলে তো আর আমাদের কিউ.এ. এর পোলাপানদের এত টাকা বেতন দিয়ে রাখত না।
২৮. ১৭ ই মে, ২০১০ দুপুর ২:১৯
শেহাব বলেছেন: কাজেই এটা খুব গুরুত্ব পূর্ণ যে যারা সফটওয়্যার কোম্পানী দিতে চায় তাদের একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে যে ৫টা কম্পিউটার, জেনারেটর আর এ.সি. অব্যবহৃত পড়ে আছে তাই সফটওয়্যার কোম্পানী দিতেই হবে এটা ঠিক নয়। এগুলো সফটওয়্যার কোম্পানীর মূল কাচামাল নয়। আর ১০টা ইঞ্জিনিয়ারিং ফ্যাসিলিটির মতই এর মূল কাচামাল হল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রসেস। এই কোর্সটা আমাদের অনেক কষ্ট করে পাশ করতে হয়েছে। কমনসেন্স দিয়ে এটা হয় না। কিছু জিনিস শিখতে হয়। কিছু জিনিস বুঝতে হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষা করে করে নির্দিষ্ট কিছু ফোকাসে চিন্তা করার এটিচিউড তৈরি করতে হয়। একটা প্রজেক্টে ঠিক কিভাবে দেখলে সেটির ইঞ্জিনিয়ারিং এনালিসিসের ফ্যাসেট গুলো ধরা যায় বছরের পর বছর বিভিন্ন প্রজেক্টের মাধ্যমে সেই ইনসাইটটা তৈরি করতে হয়। আগ্রহ আর অধ্যাবসায় থাকলে যে কেউ সেটা পারবে। এটা কোন রকেট সায়েন্স নয়।

আপনি কমনসেন্স আর হাতুড়ে বিদ্যা দিয়ে খেলনা গাড়ি বানাতে পারবেন। বি.এম.ডব্লিউ. বানাতে পারবেন না। বি.এম.ডব্লিউ. র যে বডি টোন, যে ডিজাইন দেখে আপনার বুকের ভিতর শিরশির করে সেটার পিছনে অদৃশ্য হয়ে আছে বছরের পর বছর ধরে অনেক ব্যর্থতাকে সাহসের সাথে মোকাবিলা করে সফল হবার ইতিহাস।

তেমনি আপনি চাইলেই একটি গুগল সার্চ ইঞ্জিন বানাতে পারবেন না। আমাদের দেশে ইন্ডিভিজুয়াল আর প্রাতিষ্ঠানিক বেকুবের অভাব নেই। আপনার অল্প কিছু ভিজুয়্যাল কারিকুরি দেখে সে খুশি হয়ে যাবে। তাতে আপনার এক বছরের চলার টাকা হবে। কিন্তু সারা পৃথিবীজুড়ে যেসব বড় বড় কোম্পানীর নাম শুনেন তাদের মত কিছু করতে পারবেন না। তার জন্য আপনাকে কষ্ট করতে হবে। ১০, ১৫, ২০, ২৫ বছর।

গুগোলের ওয়েবপেইজ তো সবার মুখস্থ। এই ওয়েবপেইজের পিছনে কি আছে সেটা কয়জন জানেন?

নিচের লিংক থেকে তার কেবল ১% ধারণা পাবেন।
Click This Link
পড়ে দেখেন।
১৮ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:০৯

লেখক বলেছেন: একটা গুগোল পেতে হলে হাজার খানিক চেষ্টা ব্যর্থ হতে হয়, এটা আমাদের দেশে অনেকে মানতে চান না। মনে করেন একটি চেষ্টায় সব করে ফেলবে।
আমি মনে করি আমাদের তরুনদের অনেক সুযোগ দেওয়া দরকার যাতে তারা সাকসেসফুলি ফেইল করতে পারে।
তাহলে আমরা আমাদের সাকসেস স্টোরি বানাইতে পারবো।

২৯. ১৭ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:০৫
হিমেল নাগ রানা বলেছেন: শেহাব এর কিছু কমেনটের সাথে একমত. কিনতু কেন কোমপানী গুলো দাড়াতে পারে না সে বিষয়ে আমার মনে হয় প্রথম ও প্রধান সমস্যা হল -- গোল এর অভাব . স্বল্প সময়ে ইনভেস্ট করে ফিরত পেতে চাওয়ার প্রবণতা. এটা আমি গত ৪ বছরে ৩টা startup কোমপানিতে কাজ করার experience থেকে বলছি।

উদ্যোগটা সফল হলে আমাদের মত লোকদেরই ভালো হবে। কোনভাবে ১০টা কোমপানির একটা হতে পারলে ভাল হত জানি না সমভব কি না?
৩০. ১৮ ই মে, ২০১০ সকাল ১১:১২
মুনির হাসান বলেছেন: ১০টা কোম্পানির একটা হওয়াটা কঠিন হবে না। আগ্রহ আর আন্তরিকতা আপনাকে এগিয়ে রাখবে, আশা করি।
৩১. ১৮ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:৪৮
শেহাব বলেছেন: মুনির ভাইএর পয়েন্টটা সবচেয়ে ইমপর্টটেন্ট। ফেইল করতেই হবে। ফেইলুর ইজ দ্যা পিলার অব সাকসেস।
৩২. ২০ শে মে, ২০১০ রাত ১:২৭
মো তানভীর হাসান বলেছেন: শেহাব ভাই এর point গুলো পড়লাম। তাত্বিকভাবে কথাগুলো যেকোন নবিসকে চিন্তিত করে তুলবে। কিন্তু বাস্তবে এগুলোর সহজ ও professional solution আছে। যা যুক্তি বা কোন লেখার মাধ্যমে বোঝান সম্ভব নয়।
৩৩. ২০ শে মে, ২০১০ বিকাল ৪:০৫
শেহাব বলেছেন: আমি তানভীর হাসান এর সাথে ২০০ ভাগ একমত। এইগুলা কোন ব্যাপারই না। খালি একটু সর্তক থাকলে হয়।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৮২৭৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অলস লোক। নানা কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার খায়েশ কিন্তু করতে পারি না!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই