জনপ্রিয় অভিনেত্রী সূবর্ণা আবার বিয়ে করেছেন। হুমায়ুন ফরিদির সাথে ডিভোর্সের পর। সুতরাং এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। একজন মানুষ হিসেবে বিয়ে করা, না করা, এবং এডজাস্ট করতে না পারার কারণে ডিভোর্স নিয়ে নতুন দাম্পত্য জীবন শুরু করার অধিকার আইনসম্মত এবং সামাজিকভাবে স্বিকৃত। প্রচলিত ধর্মীয় বিধানেও তা স্বীকৃত, অনুমোদিত এবং বহুল চর্চিত। তুব সেলিব্রেটি বলে কথা। তাও আবার সূবর্ণার মতো শক্তিশালী এবং জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেতো কথাই নেই। সুতরাং সূবর্ণার বিয়ে করেছেন এটি একটি সংবাদ হতেই পারে। এ সংবাদটির বাজার মূল্যও রয়েছে। সূবর্ণার বিয়ে সম্পর্কিত বিষয়টি একটি সংবাদ হিসেবে ব্লগে আসলে কোন আপত্তি থাকতো না। আপত্তি থাকার কোন কথাই নেই। কিন্তু গতকাল থেকে ব্লগে এ সংক্রান্ত একটির পর একটি পোস্ট যেভাবে ছাড়া হচ্ছে, এবং পোস্টগুলোতে যে সব শব্দ, বাক্য ব্যবহার করা হয়েছে, একই সাথে মন্তব্যকারী ব্লগাররা যেসব মন্তব্য করেছেন তার অধিকাংশই পিতৃতান্ত্রিক কামুকতা ও অশ্লীলতার প্রতিনিধিত্বকারী। এ ধরনের প্রবণতার তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
অনেকেই বরের বয়সের সাথে সূবর্ণার বয়েসের বিস্তর ব্যবধানের কথা বলেছেন। সেটি বলতেই পারেন। যেহেতু আমাদের প্রেক্ষাপটে এটি ব্যতিক্রম। কিন্তু সে ব্যতিক্রমের বর্ণনা করতে গিয়ে যেভাবে সুড়সুড়ি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে তা রীতিমতো অশ্লীল। চল্লিশ-পয়তাল্লিশ বছরে যখন ১০-১২ বছরের কিশোরী বিয়ে করেন সেটি নিয়ে আমরা কথা বলি না। এক সাথে চার স্ত্রী রাখাকে নিমিষেই বৈধতা দেই। আবার সে মানুষগুলো যখন সূবর্ণার দ্বিতীয় বিয়ের সংবাদের নামে সুড়সুড়ি ছড়ান তখন তাদের রুচি নিয়ে প্রশ্ন তোলা বোধহয় অযুক্তিক হবে না।
পুনশ্চ: নব দম্পতিকে অভিনন্দন।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


