কথায় বলে মূদ্রার শুধু এ পিঠ নয়, ও পিঠও আছে। সেটিও নাকি দেখতে হয়। দেখাটা জরুরি বৈকি! সেটি দেখতে গিয়ে মনে হলো বাংলাদেশী মূদ্রার ওজনটা বেড়েছে। কিন্তু বাড়েনি মূল্য। আর মূল্য বাড়েনি বলেই আমাদের দরকার হয়ে পড়েছে একখান মস্তবড় নোটের। এক সময় পাঁচ পয়সার মুদ্রা ছিল। তারও আগে এক পয়সার, দু পয়সার। চার আনা সিকি ছিল। কোনটাই দেখা যায় না। হয়তো কয়দিন পর জাদুঘরে দেখা মিলবে। বাজার থেকে এ সব মূদ্রা যে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে তার জন্য খুব বেশি সময়েরও প্রয়োজন পড়েনি। বড় জোর তিন দশক। কারণ বাংলাদেশ নিজেও তার বয়সটাকে দশকের হিসেবে চারের ঘরে নিয়ে যেতে পারে নি। কিন্তু এর মধ্যে প্রতিদিন আমাদের টাকার বিপরীতে সব কিছুর দাম বেড়ে চলেছে। বেড়ে চলেছে জিনিষপত্রের দাম। বেড়ে চলেছে লেখাপড়ার খরচ-চিকিৎসা ব্যয়। বেড়ে চলেছে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম, পাউন্ডের দাম, এমন কি যুদ্ধবিধ্বস্ত আফাগানিস্তানের মূদ্রার মানও ডলারের বিপরীতে আমাদের টাকার চেয়ে শক্তিশালী।
বাজারের ক্রমাগত মূল্যস্ফীতি ১০০০ হাজার টাকা মানের বড় নোটের জন্মটাকে অনিবার্য করে তুলেছে। সুতরাং এক হাজার চকচকে নোটের মূদ্রার ওপিঠই বলে দিচ্ছে আমাদের দাম কমেছে। অনেক খানি। সামনে হয়তো আরও কমবে। কমতেই থাকবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



