somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রোগ-জীবানুর বিশ্বায়ন এবং সোয়াইন ফ্লু আতংকে পুঁজিবাদী দুনিয়ায় 'চুমোচুমি'-তে মন্দাবস্থা

০৬ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেক্সিকো শহরের বাসিন্দাদের চুমো খেতে বারণ করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে। অথচ পরস্পরের সাথে দেখা সাক্ষাতে চুমো খাওয়া একটি চিরায়ত মেক্সিকান আচার। বন্ধু-শুভাকাংখী-আপনজনদের অভিনন্দন জানাবার ঐতিহ্যবাহী রীতিও। তারপরও সোয়াইন ফ্লু বিস্তারের এখন পর্যন্ত বর্ধনশীল দূর্নিবার গতিতে মেক্সিকান শহরের বাসিন্দারা খুব সচেতনভাবে তাদের দীর্ঘ দিনের ঐতিহ্য চুমোখাওয়া থেকে শুধু নিজেদের নিবৃত রাখছেন না, একে অপরের সাথে করমর্দন-কোলাকুলিও বন্ধ রেখেছেন (লারা, মেক্সিকো’স সোয়াইন ফ্লু এন্ড গ্লোবালাইজেশন অব ডিজিজ)। করমর্দন-কোলাকুলি-চুমোচুমির ব্যাপারে এ সতর্কতা শুধু মেক্সিকোতে নয়, ইউরোপ-আমেরিকা সহ প্রায় সারা পুঁজিবাদী দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। পুঁজিবাদী বিশ্বের প্রতিনিধিত্বকারী একটি শক্তিশালী ইউরোপীয় দেশের ঢাকাস্থ মিশন অফিসে একই বার্তার পুনপৌনিক প্রচার থেকেও তাদের এ সাবধানতার বিষয়টি আঁচ করা যায়। সংস্থাটির সদর দফতর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত মিশন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে প্রেরিত বার্তায় ঘাতক সোয়াইন ফ্লু থেকে সুরক্ষা পাবার প্রাথমিক উপায় হিসেবে এ ধরনের সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে পুঁজিবাদী দুনিয়ার চলমান অর্থনৈতিক মন্দার সাথে আরও একটি মন্দার জগত তৈরি হয়েছে। যা সরাসরি পুঁজিবাদের এক চেটিয়া মুনাফাবাদিতার গর্ভে সৃষ্ট সোয়াইন ফ্লুর তাৎক্ষণিক সামাজিক অভিঘাত।

সোয়াইন ফ্লু সম্পর্কে দু'চারটে কথা
এটি নিশ্চিত করে বলা যায় যে, সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়ে পড়ার পেছনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছে পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং এর প্রধান দেবতা অতি-মুনাফাবাদিতা। সে আলোচনায় যাবার আগে সোয়াইন ফ্লু সম্পর্কে দু’একটি কথা বলে রাখা দরকার। এটি একটি জীবানুঘটিত রোগ। যতদূর জানা যায় এর জন্ম ও বিস্তার শুকর খামারের বিষ্ঠার গর্ত থেকে। আরও স্পষ্টভাবে বললে এর প্রাথমিক উৎপত্তি শুকর (সোয়াইন) থেকে। মানুষের যেমন মাঝে মাঝে মৌসুমী জ্বর হয় ঠিক তেমনি শুকরেরও হতে পারে। তবে মানুষের শরীরে আক্রান্ত ভাইরাস ঠিক সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের মতো নয়। সাধারণত শুকরের ফ্লু মানুষকে আক্রান্ত করে না। আক্রান্ত শুকরের সংস্পর্শে খুব নিবিড়ভাবে এসেছে এমন দু’একজন আক্রান্ত হয়েছে। নিকট অতীতে এ রকম দু’একটি উদাহরণ পাওয়া যায়। সুতরাং এবারে যমদূতের মতো ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লু ঠিক আগের সোয়াইন ফ্লুর মতো নয়। তার থেকে বৈশিষ্ট্য ও ক্ষমতায় ব্যতিক্রম এবং শক্তিশালী। এর মানুষকে আক্রান্ত করতে পারা এবং ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা এখন পর্যন্ত দূর্নিবার। যা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে (সূত্র: কোল্ড এন্ড ফ্লু, ওয়েব এমডি ডট কম)।
এবারের সোয়াইন ফ্লু মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ছে। যারা কোন ধরনের শুকরের সংস্পর্শে যায়নি তারাও আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে মানুষের শরীরে অন্যান্য সাধারণ ফ্লুর মতো এর প্রকাশ পায় বলে ল্যাবরেটরী পরীক্ষা ছাড়া চিকিৎসকও নিশ্চিত করে বলতে পারেন না যে, কোন ব্যক্তি সোয়াইন ফ্লু দ্বারা আক্রান্ত কিনা। এটাই হচ্ছে বড় ভয়ের বিষয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সোয়াইন ফ্লুতে মৃত্যুর হার শতকরা ৫৩। এর ভয়াবহতা বার্ড ফ্লু থেকেও কয়েকগুন বেশি। আর আক্রান্তের দিক থেকে তরুনরাই বেশি। যাদের গড় বয়স সীমা বিশ থেকে চল্লিশের মধ্যে (লারা, মেক্সিকো’স সোয়াইন ফ্লু এন্ড গ্লোবালাইজেশন অব ডিজিজ)
আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে, এমনকি তার সম্প্রতি স্পর্শকৃত কোন জিনিষ ছুঁয়ে নিজের নাক, কান, চোখ, বা মুখ ইত্যাদি স্পর্শ করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশিতেও এটি বাতাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। সুতরাং এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে, নানা বিবর্তনের মধ্যদিয়ে সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস মানব জীবনের জন্য এক ভয়াবহ হুমকি হিসেবে প্রকাশ করেছে।

নাফটা, পশুসম্পদ উৎপাদনের বাণিজ্যিকায়ন এবং সোয়াইন ফ্লুর বিশ্বায়ন: একটি অনিবার্য ত্রিমাত্রিক সম্পর্ক:
তাত্ত্বিকরা মেক্সিকোকে বলতেন, বিশ্বায়নের ল্যাবরেটরি। আর খোদ সে মেক্সিকোরই একটি বৃহদাকারের বাণিজ্যিক শুকর খামারে জন্ম নিয়েছে জীবন বিনাশকারী বর্তমান সোয়াইন ফ্লু। যার দাপটে বিশ্ব ক্রমশ: একটি মহামারির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সে একই বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায়। তবে এ ঘটনাটি হঠাৎ করেই হয়নি। একদিনে ঘটেনি। আজকের পর্যায়ে এসেছে মেক্সিকোর ঐহিত্যবাহী কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার রূপান্তরের মাধ্যমে। ছোট ছোট খামার থেকে বৃহৎ পরিসরে পুঁজিবাদী বা কর্পোরেট কৃষিতে পরিবর্তিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। মেক্সিকোতে এ বিশ্বায়নের দানবীয় দাপটটা মূলত: শুরু হয় নাফটা চুক্তির পর। এ চুক্তির অবশ্যম্ভাবী শর্ত হিসেবে বিদেশী বিনিয়োগের জন্য বিপুল পরিমাণ বিবিধ সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হয়। অর্থনৈতিক ও আইনী দু’দিক থেকেই। এ প্রক্রিয়ায় মেক্সিকান সরকারকে সাধারণ জনগণের স্বার্থের বিপক্ষে গিয়ে পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিনিষেধগুলোকে অনেক নড়বড়ে করতে হয়। অনেক সহনশীল করতে হয়। কর্পোরেট কৃষির বিকাশের জন্য। সব চেয়ে ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে নাফটা চুক্তির আওতায় বৃদ্ধিবৃত্তিক সম্পদে কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর এক চেটিয়া মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এ সময় থেকে জীবনরক্ষাকারী ঔষধে মেক্সিকান জনগণের প্রবেশাধিকার অনেক বেশি সীমিত হয়ে পড়ে। এ চুক্তির হাত ধরেই মেক্সিকোতে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো একের পর এক বড় পশু খামার স্থাপন করতে থাকে। ছোট খামারের জায়াগা বদল হয়ে যায় বড় খামারের দাপটের কাছে। পশু সম্পদ উৎপাদনের এ কর্পোরেট ফর্ম অন্যান্য জায়গায়ও বিকশিত হতে থাকে। কর্পোরেট বানিজ্যিক গবাদি পশুর উৎপাদনের গতি-প্রকৃতি দেখাতে গিয়ে মাইক ডেভিস উল্লেখ করেছেন যে, ১৯৬৫ সালে আমেরিকার দশ লাখ খামারে মোট পাঁচ কোটি ত্রিশ লাখ শুকর ছিল। কর্পোরেট উৎপাদন ব্যবস্থার ফলে এটি বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে মাত্র ৬৫হাজার কেন্দ্রে ছয় কোটি পঞ্চাশ লাখ শুকর পালিত হয় (মাইক ডেভিস, ক্যাপিটালিজম এন্ড দ্যা ফ্লু, সোসলিস্ট ওয়ার্কার ডট ওআরজি)। এভাবে একটি অনুকূল নীতি কাঠামো তৈরি করে বহুজাতিক কর্পোরেট কোম্পানিগুলো অধিক ও উৎবৃত্ত মুনাফার উদ্দেশ্যে অপ্রয়োজনীয় হারে পশু উৎপাদন বাড়িয়েছে। কর্পোরেট খামারে উৎপাদিত এসব হাইব্রিড জাতের পশুগুলোর স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কম। তবুও এসব কর্পোরেট কোম্পানিগুলো পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পর্যাপ্ত সতর্ক ব্যবস্থা নেয়নি। এ ব্যাপারে টাকাকড়ি খরচ করার প্রয়োজনীয় নৈতিকতাবোধও সম্ভবত এদের ছিল না। তারা বিশেষজ্ঞদের সতর্কবাণী পুনপৌণিকভাবে শুধু উপেক্ষা করেনি। কখনও কখনও নিজস্ব ক্ষমতা ব্যবহার করে তাঁদের হুমকিও দিয়েছে।

সোয়াইন ফ্লু বিস্তারে আমেরিকান বহুজাতিক কোম্পনী স্মিথ ফিল্ডের সম্পর্ক

স্মিথ ফিল্ড একটি আমেরিকান কোম্পানি। অবশ্যই বহুজাতিক। মেক্সিকোর ভেরাক্রুজ অঞ্চলে স্মিথ ফিল্ডের একটি বড় আকারের শুকরের খামার রয়েছে। স্মিথ ফিল্ড বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শুকর উৎপাদনকারী কোম্পানি। এ কোম্পানির ওয়েব সাইটের তথ্য অনুযায়ী বছরে নয় লাখ পঞ্চাশ হাজার শুকর উৎপাদন করে (উৎস: টম ফিলপট, সোয়াইন ফ্লু আউট ব্রেক কুড বি লিংকড টু স্মিথ ফিল্ড ফ্যাক্টরি ফার্মস ৫৭)। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে থেকে বিশেষজ্ঞরা মোটামুটি নিশ্চিত করে বলছেন যে, সারা পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লুর উৎপত্তি হয়েছে মেক্সিকোর ভেরাক্রুজ অঞ্চলে আমেরিকান খাদ্য কোম্পানী স্মিথ ফিল্ডের খামারটির আশেপাশে (মাইক ডেভিস, ক্যাপিটালিজম এন্ড দ্যা ফ্লু, সোসলিস্ট ওয়ার্কার ডট ওআরজি)। স্থানীয় অধিবাসীরাও বিশ্বাস করেন যে, প্রথম সংক্রমণটা হয়েছে ঐ এলাকা থেকে। তাদের মতে এ কোম্পানির উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অব্যবস্থার কারণে স্থানীয় এলাকার পরিবেশ, বাতাস, পানি ইত্যাদিও মারাত্মকভাবে দূষিত হয়েছে। যার ফলে অন্য আরও অনেক রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।
সব চেয়ে ভয়াবহ এবং হতাশার তথ্য হচ্ছে ১৯৯৮ সালে এ ভাইরাসটি সনাক্ত হয়। তখন থেকে এটি বিবর্তিত হতে থাকে। প্রতি বছর নতুন নতুন রূপে আবির্ভূত হতে থাকে। এ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তখন বিশেষজ্ঞরা এর ভবিষ্যত ভয়াবহতা সম্পর্কে সাবধান করেছিলেন। বলেছিলেন, এভাবে বিবর্তিত হতে থাকলে এটি এক সময় মানুষের শরিরে সংক্রমিত হওয়ার ক্ষমতা অর্জন করবে। স্মিথ ফিল্ড সহ সংশ্লিষ্ট বহুজাতিক কোম্পনিগুলো এ সব সাবধান বাণী কানে তো তুলেনি, উল্টো যারা এ সব গবেষণা পরিচালনা করেছিলেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছিল। যার পরিণতি আজকের এ অবস্থা। সুতরাং যে সোয়াইন ফ্লুর দাপটে পুঁজিবাদী দুনিয়া সহ সারা পৃথিবী আজ তটস্থ সেটি আসলে আর কিছু নয়, তাদেরই মুনাফা কেন্দ্রীক পুজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থা আর অন্যায্য বিশ্বায়নের সরাসরি অভিঘাত। তবে পুঁজিবাদী বাণিজ্য আর কর্পোরেট সন্ত্রাসের কলাকৌশল এখানেই শেষ নয়। সারা পৃথিবী যে, আজ বড় ধরনের মহামারির অশনি সংকেত শুনছে তাও তাদের জন্য দুঃসংবাদ নয়, সুসংবাদই বটে। বড় ধরনের মহামরি মানেই আরও বড় ধরনের ব্যবসা। মেধাসত্ত্বের নামে যাবতীয় টিকা, প্রতিষেধক ইত্যাদির এক চেটিয়া অধিকার কব্জা করে রেখেছেও বহুজাতিক কোম্পানীগুলো। মহামারি লাগলে ঔধধের ব্যবসাটা আরও বিস্তৃত হবে। সুতরাং অন্যায্য বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া যতদিন চলবে ঠিক ততদিনই নতুন নতুন সমস্যার আবর্তে পড়বে আমাদেরই প্রিয় পৃথিবী। পরিবেশ তার ভারসাম্য হারাবে। বাতাস-পানি-জমি সব দূষিত হবে। নতুন নতুন রোগ জীবানু তৈরি হবে। সেসব রোগ জীবানুর বিশ্বায়নও ঘটতে থাকবে। কখনও কর্পোরেট কোম্পনীগুলোর ইচ্ছায়, আবার কখনও অনিচ্ছায়। এইডস, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু এ সবই সে প্রক্রিয়া ও অভিঘাতেরই ধারাবাহিকতা।

আবার শুরুর কথাই ফেরা যাক। পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থা বিশ্বায়নের নামে আজ বিশ্বকে এতটা নাজুক করে তুলেছে যে, মানুষ আজ তার প্রিয় মানুষের ঠোটে ঠোট রাখতে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে উঠছে। বন্ধু বন্ধুর সাথে করমর্দন করতে পারছে না। মা তার প্রিয় সন্তানকে জড়িয়ে ধরতে ভয় পাচ্ছে। মানুষকে মানুষের সাথে না মেশার, মানুষের মেলায় না যাবার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। অতীতে আর কখনও কি মানুষকে মানুষের কাছ থেকে এতখানি বিচ্ছিন্ন করার আবশ্যকাতা তৈরি হয়েছিল? নিশ্চই না। একটি অসভ্য-অন্যায্য উৎপাদন ও ভোগ ব্যবস্থা বিশ্বায়নের নামে আজ সেটিই নিশ্চিত করেছে। মানুষ তার চারপাশ, প্রতিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে ক্রমশ, ক্রমাগতভাবে। বিশ্বায়নের নামে এ কর্পোরেট দানবকে রুখতে না পারলে মানুষের সভ্যতাই আর টিকে থাকতে পারবে না। কিছুতেই না। সুতরাং এ দানবটাকে ঠেকানো খুব জরুরি। এখনই।

ব্যবহৃত ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯
৩২টি মন্তব্য ৩০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×