আমার প্রিয় পোস্ট
- এযাবৎ কালের সকল ব্লগারের লিষ্ট :: ১০০০% গ্যারান্টি , সবাই আছেন --নিয়মিত আপডেট করার খায়েস আছে - কুঁড়ের বাদশা
- নতুন কমিউনিটি ব্লগ (আমরাবন্ধু, নাগরিক ব্লগ, চতুর্মাত্রিক) - ক্ষেতমজুর
- লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় 'ফেমিনিনিটি' উৎপাদন: বাজার- পুরুষতন্ত্রের একটি 'পরিমিত' রূপ - মুনীর উদ্দীন শামীম
- সংখ্যাগুরু -vs- সংখ্যালঘুঃ স্বাধীন বাঙালি যখন শাসক...সংখ্যালঘু পাহাড়ি/উপজাতি/আদিবাসীরা যখন শোষিত...আর দেশের ভূখণ্ড হাতছাড়া হওয়ার চিন্তায় উন্মাদপ্রায় আমরা ! - আইরিন সুলতানা
- স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস না ভ্যালেন্টাইনস ডে? - দিবস বাণিজ্যে বিবশ তারুণ্য ! - দিনমজুর
- লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর- শেষ পর্ব - রাগ ইমন
- থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ফ্যান্টাসি - প্রতিবাদী কন্ঠস্বর
- বিজ্ঞাপন-হাটে হঠাৎ সংবাদ: টিভি সংবাদের কর্পোরেট ব্র্যান্ডিং - ফাহমিদুল হক
- তাহলে এইবারের বস্তি পোড়ার জন্য আমরা চাঁদকে দোষারোপ করতে পারি - অন্যমনস্ক শরৎ
- মনির হোসেনের পোস্ট ধরে কিছু আলোচনা: বিষয়- নারীর নারীত্ব ও সতীত্ব (উৎসর্গ: মনির হাসান ও সালাউদ্দীন শুভ্র) - নাস্তিকের ধর্মকথা
- লুঙ্গি কাহিনি- বাকি অংশ - অরূপ রাহী
- লুঙ্গি কাহনিী - অরূপ রাহী
- স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে নিয়ে আমার জীবনের প্রথম লেখা (মুক্তিযুদ্ধে যারা বাবা হারিয়েছ তোমাদের সবার জন্য উৎসর্গ) - মুনীর উদ্দীন শামীম
- গিয়াস উদ্দিন সেলিমের মনপুরা এবং বাংলা চলচ্চিত্রে পুরুষতান্ত্রিক ভুতের আছর (জেন্ডার প্রেক্ষিত থেকে মনপুরা ছবির একটি পোস্টমর্টেম ) - মুনীর উদ্দীন শামীম
- ভার্চুয়াল সম্পর্কগুলো.... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- বাংলা ব্লগ: ভাষা, সংস্কৃতি চর্চা ও এক্টিভিজমের নতুন পাটাতন - মুনীর উদ্দীন শামীম
- বাংলায় ইমেইল করুন, http://www.emailbangla.com/ - ডিমওয়ালা
- ছবি চাই, ছবি। দিন না একটি ছবি (রিপোস্ট) - রাগিব
- মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিবেদিত রাজাকার বিষয়ক ছড়াগুচ্ছ - মুনীর উদ্দীন শামীম
- আনু মুহাম্মদকে হত্যার হুমকি: ধর্মীয় জঙ্গীবাদ, মৌলবাদ ও বিশ্ব জ্বালানী বেনিয়াদের অদৃশ্য সুতোয় গাঁথা হিংস্রতার পুনপৌনিকতা - মুনীর উদ্দীন শামীম
- এক্স বসের ভালবাসার ধরন আর পদ্ধতিসমূহ ঠিক আগের মতোই আছে, এতটুকুন বদলায় নি - মুনীর উদ্দীন শামীম
- বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে সেনাপ্রধানের পাঁচালিঃ কৃষির সামরিকীকরণ? (৩য় পর্ব) - দিনমজুর
- ধর্ম লিঙ্গাগ্রে ঝুলছে - রাসেল ( ........)
- জীবনের প্রয়োজনে জীবন যেখানে পরাজিত।(চতুরভূজ) - চতুরভূজ
- মুক্তিযুদ্ধের কিছু প্রামান্য বইয়ের তালিকা - ফারহান দাউদ
- পদত্যাগের খবরে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন কে লেখা 'অপারাজিতা'র শেষ চিঠি - আদৃতা আবৃত্তি
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
রোগ-জীবানুর বিশ্বায়ন এবং সোয়াইন ফ্লু আতংকে পুঁজিবাদী দুনিয়ায় 'চুমোচুমি'-তে মন্দাবস্থা
০৬ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:২৭
![]()
মেক্সিকো শহরের বাসিন্দাদের চুমো খেতে বারণ করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে। অথচ পরস্পরের সাথে দেখা সাক্ষাতে চুমো খাওয়া একটি চিরায়ত মেক্সিকান আচার। বন্ধু-শুভাকাংখী-আপনজনদের অভিনন্দন জানাবার ঐতিহ্যবাহী রীতিও। তারপরও সোয়াইন ফ্লু বিস্তারের এখন পর্যন্ত বর্ধনশীল দূর্নিবার গতিতে মেক্সিকান শহরের বাসিন্দারা খুব সচেতনভাবে তাদের দীর্ঘ দিনের ঐতিহ্য চুমোখাওয়া থেকে শুধু নিজেদের নিবৃত রাখছেন না, একে অপরের সাথে করমর্দন-কোলাকুলিও বন্ধ রেখেছেন (লারা, মেক্সিকো’স সোয়াইন ফ্লু এন্ড গ্লোবালাইজেশন অব ডিজিজ)। করমর্দন-কোলাকুলি-চুমোচুমির ব্যাপারে এ সতর্কতা শুধু মেক্সিকোতে নয়, ইউরোপ-আমেরিকা সহ প্রায় সারা পুঁজিবাদী দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। পুঁজিবাদী বিশ্বের প্রতিনিধিত্বকারী একটি শক্তিশালী ইউরোপীয় দেশের ঢাকাস্থ মিশন অফিসে একই বার্তার পুনপৌনিক প্রচার থেকেও তাদের এ সাবধানতার বিষয়টি আঁচ করা যায়। সংস্থাটির সদর দফতর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত মিশন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে প্রেরিত বার্তায় ঘাতক সোয়াইন ফ্লু থেকে সুরক্ষা পাবার প্রাথমিক উপায় হিসেবে এ ধরনের সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে। সুতরাং বুঝা যাচ্ছে পুঁজিবাদী দুনিয়ার চলমান অর্থনৈতিক মন্দার সাথে আরও একটি মন্দার জগত তৈরি হয়েছে। যা সরাসরি পুঁজিবাদের এক চেটিয়া মুনাফাবাদিতার গর্ভে সৃষ্ট সোয়াইন ফ্লুর তাৎক্ষণিক সামাজিক অভিঘাত।
সোয়াইন ফ্লু সম্পর্কে দু'চারটে কথা
এটি নিশ্চিত করে বলা যায় যে, সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়ে পড়ার পেছনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছে পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থার দুর্বলতা এবং এর প্রধান দেবতা অতি-মুনাফাবাদিতা। সে আলোচনায় যাবার আগে সোয়াইন ফ্লু সম্পর্কে দু’একটি কথা বলে রাখা দরকার। এটি একটি জীবানুঘটিত রোগ। যতদূর জানা যায় এর জন্ম ও বিস্তার শুকর খামারের বিষ্ঠার গর্ত থেকে। আরও স্পষ্টভাবে বললে এর প্রাথমিক উৎপত্তি শুকর (সোয়াইন) থেকে। মানুষের যেমন মাঝে মাঝে মৌসুমী জ্বর হয় ঠিক তেমনি শুকরেরও হতে পারে। তবে মানুষের শরীরে আক্রান্ত ভাইরাস ঠিক সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের মতো নয়। সাধারণত শুকরের ফ্লু মানুষকে আক্রান্ত করে না। আক্রান্ত শুকরের সংস্পর্শে খুব নিবিড়ভাবে এসেছে এমন দু’একজন আক্রান্ত হয়েছে। নিকট অতীতে এ রকম দু’একটি উদাহরণ পাওয়া যায়। সুতরাং এবারে যমদূতের মতো ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লু ঠিক আগের সোয়াইন ফ্লুর মতো নয়। তার থেকে বৈশিষ্ট্য ও ক্ষমতায় ব্যতিক্রম এবং শক্তিশালী। এর মানুষকে আক্রান্ত করতে পারা এবং ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা এখন পর্যন্ত দূর্নিবার। যা আগেই উল্লেখ করা হয়েছে (সূত্র: কোল্ড এন্ড ফ্লু, ওয়েব এমডি ডট কম)।
এবারের সোয়াইন ফ্লু মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ছে। যারা কোন ধরনের শুকরের সংস্পর্শে যায়নি তারাও আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে মানুষের শরীরে অন্যান্য সাধারণ ফ্লুর মতো এর প্রকাশ পায় বলে ল্যাবরেটরী পরীক্ষা ছাড়া চিকিৎসকও নিশ্চিত করে বলতে পারেন না যে, কোন ব্যক্তি সোয়াইন ফ্লু দ্বারা আক্রান্ত কিনা। এটাই হচ্ছে বড় ভয়ের বিষয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সোয়াইন ফ্লুতে মৃত্যুর হার শতকরা ৫৩। এর ভয়াবহতা বার্ড ফ্লু থেকেও কয়েকগুন বেশি। আর আক্রান্তের দিক থেকে তরুনরাই বেশি। যাদের গড় বয়স সীমা বিশ থেকে চল্লিশের মধ্যে (লারা, মেক্সিকো’স সোয়াইন ফ্লু এন্ড গ্লোবালাইজেশন অব ডিজিজ)।
আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে, এমনকি তার সম্প্রতি স্পর্শকৃত কোন জিনিষ ছুঁয়ে নিজের নাক, কান, চোখ, বা মুখ ইত্যাদি স্পর্শ করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশিতেও এটি বাতাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। সুতরাং এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে, নানা বিবর্তনের মধ্যদিয়ে সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস মানব জীবনের জন্য এক ভয়াবহ হুমকি হিসেবে প্রকাশ করেছে।
নাফটা, পশুসম্পদ উৎপাদনের বাণিজ্যিকায়ন এবং সোয়াইন ফ্লুর বিশ্বায়ন: একটি অনিবার্য ত্রিমাত্রিক সম্পর্ক:
তাত্ত্বিকরা মেক্সিকোকে বলতেন, বিশ্বায়নের ল্যাবরেটরি। আর খোদ সে মেক্সিকোরই একটি বৃহদাকারের বাণিজ্যিক শুকর খামারে জন্ম নিয়েছে জীবন বিনাশকারী বর্তমান সোয়াইন ফ্লু। যার দাপটে বিশ্ব ক্রমশ: একটি মহামারির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সে একই বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায়। তবে এ ঘটনাটি হঠাৎ করেই হয়নি। একদিনে ঘটেনি। আজকের পর্যায়ে এসেছে মেক্সিকোর ঐহিত্যবাহী কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থার রূপান্তরের মাধ্যমে। ছোট ছোট খামার থেকে বৃহৎ পরিসরে পুঁজিবাদী বা কর্পোরেট কৃষিতে পরিবর্তিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। মেক্সিকোতে এ বিশ্বায়নের দানবীয় দাপটটা মূলত: শুরু হয় নাফটা চুক্তির পর। এ চুক্তির অবশ্যম্ভাবী শর্ত হিসেবে বিদেশী বিনিয়োগের জন্য বিপুল পরিমাণ বিবিধ সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হয়। অর্থনৈতিক ও আইনী দু’দিক থেকেই। এ প্রক্রিয়ায় মেক্সিকান সরকারকে সাধারণ জনগণের স্বার্থের বিপক্ষে গিয়ে পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিনিষেধগুলোকে অনেক নড়বড়ে করতে হয়। অনেক সহনশীল করতে হয়। কর্পোরেট কৃষির বিকাশের জন্য। সব চেয়ে ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে নাফটা চুক্তির আওতায় বৃদ্ধিবৃত্তিক সম্পদে কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর এক চেটিয়া মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এ সময় থেকে জীবনরক্ষাকারী ঔষধে মেক্সিকান জনগণের প্রবেশাধিকার অনেক বেশি সীমিত হয়ে পড়ে। এ চুক্তির হাত ধরেই মেক্সিকোতে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো একের পর এক বড় পশু খামার স্থাপন করতে থাকে। ছোট খামারের জায়াগা বদল হয়ে যায় বড় খামারের দাপটের কাছে। পশু সম্পদ উৎপাদনের এ কর্পোরেট ফর্ম অন্যান্য জায়গায়ও বিকশিত হতে থাকে। কর্পোরেট বানিজ্যিক গবাদি পশুর উৎপাদনের গতি-প্রকৃতি দেখাতে গিয়ে মাইক ডেভিস উল্লেখ করেছেন যে, ১৯৬৫ সালে আমেরিকার দশ লাখ খামারে মোট পাঁচ কোটি ত্রিশ লাখ শুকর ছিল। কর্পোরেট উৎপাদন ব্যবস্থার ফলে এটি বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে মাত্র ৬৫হাজার কেন্দ্রে ছয় কোটি পঞ্চাশ লাখ শুকর পালিত হয় (মাইক ডেভিস, ক্যাপিটালিজম এন্ড দ্যা ফ্লু, সোসলিস্ট ওয়ার্কার ডট ওআরজি)। এভাবে একটি অনুকূল নীতি কাঠামো তৈরি করে বহুজাতিক কর্পোরেট কোম্পানিগুলো অধিক ও উৎবৃত্ত মুনাফার উদ্দেশ্যে অপ্রয়োজনীয় হারে পশু উৎপাদন বাড়িয়েছে। কর্পোরেট খামারে উৎপাদিত এসব হাইব্রিড জাতের পশুগুলোর স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কম। তবুও এসব কর্পোরেট কোম্পানিগুলো পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় পর্যাপ্ত সতর্ক ব্যবস্থা নেয়নি। এ ব্যাপারে টাকাকড়ি খরচ করার প্রয়োজনীয় নৈতিকতাবোধও সম্ভবত এদের ছিল না। তারা বিশেষজ্ঞদের সতর্কবাণী পুনপৌণিকভাবে শুধু উপেক্ষা করেনি। কখনও কখনও নিজস্ব ক্ষমতা ব্যবহার করে তাঁদের হুমকিও দিয়েছে।
সোয়াইন ফ্লু বিস্তারে আমেরিকান বহুজাতিক কোম্পনী স্মিথ ফিল্ডের সম্পর্ক
স্মিথ ফিল্ড একটি আমেরিকান কোম্পানি। অবশ্যই বহুজাতিক। মেক্সিকোর ভেরাক্রুজ অঞ্চলে স্মিথ ফিল্ডের একটি বড় আকারের শুকরের খামার রয়েছে। স্মিথ ফিল্ড বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শুকর উৎপাদনকারী কোম্পানি। এ কোম্পানির ওয়েব সাইটের তথ্য অনুযায়ী বছরে নয় লাখ পঞ্চাশ হাজার শুকর উৎপাদন করে (উৎস: টম ফিলপট, সোয়াইন ফ্লু আউট ব্রেক কুড বি লিংকড টু স্মিথ ফিল্ড ফ্যাক্টরি ফার্মস ৫৭)। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে থেকে বিশেষজ্ঞরা মোটামুটি নিশ্চিত করে বলছেন যে, সারা পৃথিবীতে এখন পর্যন্ত দ্রুত ছড়িয়ে পড়া সোয়াইন ফ্লুর উৎপত্তি হয়েছে মেক্সিকোর ভেরাক্রুজ অঞ্চলে আমেরিকান খাদ্য কোম্পানী স্মিথ ফিল্ডের খামারটির আশেপাশে (মাইক ডেভিস, ক্যাপিটালিজম এন্ড দ্যা ফ্লু, সোসলিস্ট ওয়ার্কার ডট ওআরজি)। স্থানীয় অধিবাসীরাও বিশ্বাস করেন যে, প্রথম সংক্রমণটা হয়েছে ঐ এলাকা থেকে। তাদের মতে এ কোম্পানির উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অব্যবস্থার কারণে স্থানীয় এলাকার পরিবেশ, বাতাস, পানি ইত্যাদিও মারাত্মকভাবে দূষিত হয়েছে। যার ফলে অন্য আরও অনেক রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।
সব চেয়ে ভয়াবহ এবং হতাশার তথ্য হচ্ছে ১৯৯৮ সালে এ ভাইরাসটি সনাক্ত হয়। তখন থেকে এটি বিবর্তিত হতে থাকে। প্রতি বছর নতুন নতুন রূপে আবির্ভূত হতে থাকে। এ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে তখন বিশেষজ্ঞরা এর ভবিষ্যত ভয়াবহতা সম্পর্কে সাবধান করেছিলেন। বলেছিলেন, এভাবে বিবর্তিত হতে থাকলে এটি এক সময় মানুষের শরিরে সংক্রমিত হওয়ার ক্ষমতা অর্জন করবে। স্মিথ ফিল্ড সহ সংশ্লিষ্ট বহুজাতিক কোম্পনিগুলো এ সব সাবধান বাণী কানে তো তুলেনি, উল্টো যারা এ সব গবেষণা পরিচালনা করেছিলেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দিয়েছিল। যার পরিণতি আজকের এ অবস্থা। সুতরাং যে সোয়াইন ফ্লুর দাপটে পুঁজিবাদী দুনিয়া সহ সারা পৃথিবী আজ তটস্থ সেটি আসলে আর কিছু নয়, তাদেরই মুনাফা কেন্দ্রীক পুজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থা আর অন্যায্য বিশ্বায়নের সরাসরি অভিঘাত। তবে পুঁজিবাদী বাণিজ্য আর কর্পোরেট সন্ত্রাসের কলাকৌশল এখানেই শেষ নয়। সারা পৃথিবী যে, আজ বড় ধরনের মহামারির অশনি সংকেত শুনছে তাও তাদের জন্য দুঃসংবাদ নয়, সুসংবাদই বটে। বড় ধরনের মহামরি মানেই আরও বড় ধরনের ব্যবসা। মেধাসত্ত্বের নামে যাবতীয় টিকা, প্রতিষেধক ইত্যাদির এক চেটিয়া অধিকার কব্জা করে রেখেছেও বহুজাতিক কোম্পানীগুলো। মহামারি লাগলে ঔধধের ব্যবসাটা আরও বিস্তৃত হবে। সুতরাং অন্যায্য বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া যতদিন চলবে ঠিক ততদিনই নতুন নতুন সমস্যার আবর্তে পড়বে আমাদেরই প্রিয় পৃথিবী। পরিবেশ তার ভারসাম্য হারাবে। বাতাস-পানি-জমি সব দূষিত হবে। নতুন নতুন রোগ জীবানু তৈরি হবে। সেসব রোগ জীবানুর বিশ্বায়নও ঘটতে থাকবে। কখনও কর্পোরেট কোম্পনীগুলোর ইচ্ছায়, আবার কখনও অনিচ্ছায়। এইডস, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু এ সবই সে প্রক্রিয়া ও অভিঘাতেরই ধারাবাহিকতা।
আবার শুরুর কথাই ফেরা যাক। পুঁজিবাদী উৎপাদন ব্যবস্থা বিশ্বায়নের নামে আজ বিশ্বকে এতটা নাজুক করে তুলেছে যে, মানুষ আজ তার প্রিয় মানুষের ঠোটে ঠোট রাখতে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে উঠছে। বন্ধু বন্ধুর সাথে করমর্দন করতে পারছে না। মা তার প্রিয় সন্তানকে জড়িয়ে ধরতে ভয় পাচ্ছে। মানুষকে মানুষের সাথে না মেশার, মানুষের মেলায় না যাবার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। অতীতে আর কখনও কি মানুষকে মানুষের কাছ থেকে এতখানি বিচ্ছিন্ন করার আবশ্যকাতা তৈরি হয়েছিল? নিশ্চই না। একটি অসভ্য-অন্যায্য উৎপাদন ও ভোগ ব্যবস্থা বিশ্বায়নের নামে আজ সেটিই নিশ্চিত করেছে। মানুষ তার চারপাশ, প্রতিবেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে ক্রমশ, ক্রমাগতভাবে। বিশ্বায়নের নামে এ কর্পোরেট দানবকে রুখতে না পারলে মানুষের সভ্যতাই আর টিকে থাকতে পারবে না। কিছুতেই না। সুতরাং এ দানবটাকে ঠেকানো খুব জরুরি। এখনই।
ব্যবহৃত ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিশ্বায়ন, পুঁজিবাদ, সোয়াইন ফ্লু, Swine flue, globalization of disease, munir uddin shamim ;
প্রকাশ করা হয়েছে: তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য...................।
শিরোনামটা আপনার পছন্দ হয়নি। অপকটে মত প্রকাশের জন্য কৃতজ্ঞতা।
পোস্টের কোথাও বিষয়টির ভাল-মন্দ বিচারের চেষ্টা করা হয়নি। কোথাও এটিকে আমি খারাপ বলিনি। আমি নিজেও বলেছি যে, এটি একটি স্বাভাবিক সৌজন্যতা ও ভদ্রতা। আমি শুধু একটি পরিস্থিতির বর্ণনা করেছি। দ্বিতীয়ত মেক্সিকোকে আমি পুঁজিবাদী দুনিয়ার প্রতিনিধি হিসেবেও চিহ্নিত করিনি। করার প্রশ্নই আসে না। কিন্তু মেক্সিকোর প্রসঙ্গ এসেছে উৎপত্তি স্থল হিসেবে। বড় জোর বলির পাঁঠা হিসেবে।
রোগ-শোকের সাথে যে পুঁজিবাদের যে একটি সহ সম্পর্ক আছে তা অস্বীকার করি কীভাবে?????
ধারণা থেকে বলছি, আমার মনে হয় পুরো পোস্টটি আপনি খেয়াল করলে আপনি যে বিষয়গুলো তুলতে চেয়েছেন তার উত্তর পাওয়া যেত। না গেলে বলতে হবে এটি পোস্টের দুর্বলতা। সে সীমাবদ্ধতা অবশ্যই আমার।
মন্তব্যের জন্য আবারও ধন্যবাদ।
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন:
থ্যান্কস ভাইয়া বিষয়টা নিয়ে জানার আগ্রহ ছিলো!
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়বার জন্য এবং মন্তব্য করবার জন্য।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। আমি আসলে শিরোনাম আর ভুমিকাটুকুই পড়েছি সোয়াইন ফ্লু সম্পর্কে দুচারটে কথা;র পর থেকে আর পড়া হয় নাই।
আপনি কি বলতে চাইছেন বুঝতে পেরেছি। একমত তাতে।
কর্কসভাবে মনেরভাব প্রকাশ করার জন্য দুঃখিত। আসলে শিরোনামটাতে একটু ক্ষোভ আছে তাই লেখাটার প্রতি চিন্তাধারাকে এটি প্রভাবিত করেছিল। সরি।
লেখক বলেছেন: না না, একেবারেই দুঃখিত হওয়ার কিছু নেই। আমি কোন কর্কশভাবও দেখিনি আপনার মন্তব্যে। বরং অপকটে মন্তব্য প্রকাশ করেছেন সেটির প্রতি মুগ্ধতা রেখেই আমি জবাব দেয়ার চেষ্টা করেছি।
আপনাকে আবারও শুভেচ্ছা।
আট আনা বলেছেন:
হুম ..তথ্যবহুল পোষ্ট। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ..................।
মেঘলা মানুষ বলেছেন:
সাব ষ্ট্যান্ডার্ড বলেছেন: হুম ..তথ্যবহুল পোষ্ট। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: বাতিলের খাতায় আর কি কি অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে এটি এখন দেখার বিষয়। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ.................
ফাহমিদুল হক বলেছেন:
তথ্যবহুল। ব্যাখ্যাটিও ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ফাহমিদ ভাই পড়বার জন্য। ব্যাখ্যাটি ভাল লেগেছে জেনে আমারও ভাল লাগলো।
শুভেচ্ছা। ভাল থাকবেন।
বজ্রাহত বলেছেন:
ভালো লিখেছেন..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!!!!
েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান বলেছেন:
ভাল লাগল। তথ্যবহুল। চমৎকার। ধন্যবাদ।++
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।
এস্কিমো বলেছেন:
বিষয়টা যেভাবে প্রচারিত হয়েছে ততটা মনে হয় সমস্যা না। সাধারন ফ্লুতে আমেরিকায় এর চেয়ে অনেক বেশী মানুষ মারা যায়।
দেখেন এখানে -
Story Highlights
Swine flu getting focus, but so far it's not deadly in United States
Since January, more than 13,000 have died of complications from seasonal flu
Worldwide annual death from the flu estimated between 250,000 and 500,000
About 9 out of 10 flu deaths are among people older than 65
( সূত্র - সিএনএন হেলথ)
বিশ্বায়ন নিয়ে এতো ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বিশ্বায়নে ফলে লাভবান হচ্ছে দরিদ্র দেশগুলো আর সম্পদ ভাগ করছে ধনী দেশগুলো। একে দানব হিসাবে না বললেও চলে।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ..................।
এটি কতটা সমস্যা অথবা সমস্যা না সেটি হয়তো সময় বলে দেবে। তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
তথ্য দিয়ে সাপ্লিমেন্ট করবার জন্য কৃতজ্ঞতা।
কিন্তু আমি বলবার চেষ্টা করেছি এর রাজনৈতিক অর্থনীতি সম্পর্কে। এমনকি সোয়াইন ফ্লু সম্পর্কে যে প্রচার তার সাথে কর্পোরেট মেডিসিন ব্যবসায়ীদের সম্পর্কটিও ভাববার বিষয় বৈকি!!!
বিশ্বায়ন নিয়ে ভাববার কোন কিছু ছিল না। কিন্তু বিশ্বায়নের নামে ক্রস বর্ডার ইকোনোমিকে যেভাবে দরিদ্র দেশগুলোর পরিবেশ, স্বাস্থ্য ইত্যাদি ভয়াবহ করে তোলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে তাতে ভাবিত না হয়ে পারা যায় না। বিশ্বায়নের অবশ্যই ইতিবাচক দিক আছে। কিন্তু মাত্রা হিসেব করলে কতখানি। বর্তমান বিশ্বায়নের যে গতি প্রকৃতি সেটি গোটা পৃথিবীর জন্য কতখানি হুমকি সে দিকগুলো বিবেচনায় আনা জরুরি।
আবারও ধন্যবাদ।
এস্কিমো বলেছেন:
আরেকটা কথা - এবারের ফ্লুর বিষয়টা যে শুকর থেকেই এসেছে এই বিষয়ে কি আসলে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য আছে? শুধু শুধু বেচারা শুকরদের উপর কেয়ামত নেমে এসেছে।
লেখক বলেছেন: এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য তাই বলে। চুড়ান্ত তথ্যের জন্য হয়তো আরও সময় লাগবে। কিন্তু এটির উৎপত্তি শুকর কিংবা অন্য প্রাণী যাই হোক এর বিকাশের দায় কর্পোরেটরা এড়াতে পারে না। তাদের দায়িত্বহীন উৎপাদন পদ্ধতি শুধু এ ধরনের ফ্লু নয়, আরও নয়া নয়া রোগ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে। বার্ড ফ্লুর ব্যাপারেও তারা প্রথমে কোন সতর্কতা অবলম্বন করেন। এমনকি যে বৃহৎ কর্পোরেট কোম্পানীকে বার্ড ফ্লু ছড়িয়ে পড়ার জন্য দায়ী মনে করা হয় তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা পর্যন্ত নেয়া যায়নি। কৃষি ও বাণিজ্যের দায়িত্বহীন এ কর্পোরেট প্রক্রিয়াটাই ভয়ের বিষয়। যা চলছে তথাকথিত বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
খারেজি বলেছেন:
ধন্যবাদ।
প্রতিটি মহামারী যে স্রেফ অস্থায়ী ভিত্তিতে ঠেকান হচ্ছে, তার লক্ষণ পরিষ্কার।
লেখাটা ব্লগের উপকারে আসবে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়বার জন্য এবং প্রাসঙ্গিক মন্তব্য দিয়ে সাপ্লিমেন্ট করবার জন্য।
দেশী পোলা বলেছেন:
ভায়া, আমি মেক্সিকো থেকে কিছুদিন আগে ঘুরে এসেছি, ওখানে কেউ চুমো দেয়া বন্ধ করে নাই, মিছা কতা আর কয়বার বলবেন, নেক্সট মাসে আবার যাব, তখন চুমু দেয়ার ছবি পোস্ট করে দেখায় দেব।আপনের এইসব সমাজতান্ত্রিক আবজাব দিয়া বাঙালী ভুলাইতে পারেন, কিন্তু গরীবের পেট ভরাইতে পারবেন না। মাইনাস
লেখক বলেছেন:
এখানে যেসব তথ্য দেয়া হয়েছে তার প্রতিটিরই সূত্র উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রহণ-বর্জন আপনার ব্যক্তিগত বিষয়।
পোস্টের মূল বিষয়ে আলোচনায় আগ্রহ থাকলে আপনাকে স্বাগতম। আলোচনা চলতে পারে। আপনার ছবির বিষয়ে কোন আগ্রহ দেখাতে পারলাম না বলে দু:খিত।
ধন্যবাদ।
ইমন১৯২৪ বলেছেন:
দেশী পোলা বলেছেন মাইনাস......আমি দেশী পোলা কে বলব আপনি ভাল করে পুরো পুষ্ট পড়ুন । এখানে চুমু খাওয়ার চেয়ে ও important issue আছে ঐই গুলি মনযোগ দিয়া পড়েন । এখানে লেখক পুজিবাদের স্বরূপ টা সামান্য আকারে উন্মোচন করেছেন মাএ । লেখক বলেছেন: পড়বার জন্য এবং মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
দেশী পোলা বলেছেন:
জ্বি ভাইয়া, আপনার সূত্র আর ছাগুদের নবদিগন্ত একই সূতায় গাথা। সবখানেই রাজনীতির ঢোল পিটানো হইতেছে। আপনার সমাজতান্ত্রিক সূত্রের চেয়ে আমি চাক্ষুস যা দেখেছি, সেটাকেই গ্রহন করবো, সেটাই তো স্বাভাবিক, তাই নয় কি? মেক্সিকোর লোকজন চুমো দেবার আদব-কায়দা বন্ধ করেনি, এটা আমি দেখেছি ক-দিন আগেই, আপনার সূত্র ছাগুদের নবদিগন্তের মতই মিথ্যা বলেছে।
লেখক বলেছেন: আপনি চাক্ষুস কী দেখেছেন??? চুমুর দৃশ্য??? এটি আসলে এ লেখার বিষয় নয়, যেটি ধরতে আপনি ব্যর্থ হয়েছেন অথবা এটি আমার ব্যর্থতা যে আপনাকে বোঝাতে পারিনি বা মূল লেখায় আপনাকে নিতে পারেনি। এমনও হতে পারে ইচ্ছেকৃতভাবেই আপনি মূল বিষয়ে আগ্রহ দেখান নি। চুমোর প্রসঙ্গটি এসেছে একটি পুজিতান্ত্রিক বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় কীভাবে ঐতিহ্যবাহী আচারগুলো হুমকির মুখে পড়তে পারে তার উদাহরণ তুলে ধরবার জন্য। যা আমি পোস্টের উপসংহারে আরও স্পষ্টভাবে বলবার চেষ্টা করেছি। সে যাই হোক এখন পুঁজিবাদী বিশ্বায়নে পৃথিবী, পৃথিবীর মানুষ যে হুমকির সম্মূখিন তা আপনি মনে করেন কিন? না করলে কেন মনে করেন না? নাকি এ সব আগ্রাসী কর্পোরেট সন্ত্রাসকে আপনিও সমর্থন করেন? সেসব বিষয়ে আলোচনার আগ্রহ থাকলে এ আলোচনা চলতে পারে। যেটি আমি আগেও বলেছি। না হয় আলোচনার আর আগ্রহ নেই। অন্তত অপ্রাসঙ্গিকভাবে। পড়বার?? জন্য ধন্যবাদ।
ইমন১৯২৪ বলেছেন:
পুজিবাদী অর্থনীতির তো এখন দিশেহারা অবস্থা তার সাথে সোয়াইন ফ্লু আতংক এখন তাদের অবস্থা পাগল হয়ে যাবার মত ।
লেখক বলেছেন: পুঁজিবাদ নিজের সৃষ্ট গর্তেই আটকা পড়েছে। কিন্তু তাতেও নিস্তার নেই। কোন একটা ফন্দি ঠিকই বের করবে। মুনাফা লুন্ঠনের....
ইমন১৯২৪ বলেছেন:
ভাই দেশী পোলা সমাজতান্ত্রিক বলতে আপনি কি বুঝাতে চাচ্ছেন একটু পরিষ্কার করে বলবেন কি ?
ইমন১৯২৪ বলেছেন:
সমাজতান্ত্রিক ব্যাবস্থা তো ভঙ্গুর একটা ব্যাবস্থা এমনকি মৃত ও বলতে পারেন যেটা কিনা ৯০ এর দশকের শেষের দিকে fall করে । এটার কথা বলে ভাই কোন লাভ নাই ।
লেখক বলেছেন: সমাজতান্ত্রিক রাষ্টের পতন হয়েছে। বেশির ভাগ দেশে। এর কার্যকারণটা নিয়ে বিতর্কটাও চলতে পারে। কিন্তু মতাদর্শ হিসেবে সমাজতন্ত্র অকার্যকর এটি তার প্রমাণ নাও হতে পারে। সে আলোচনার সুযোগ এখানে কম। তার জন্য আলাদা পোস্টের দরকার।
আপনাকে ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
দেশী পোলা বলেছেন:
উনার সূত্রগুলোকে বলছিলাম, যেমন সোসলিস্ট ওয়ার্কার ডট ওআরজি ইত্যাদি
লেখক বলেছেন: সূত্রের তথ্যগুলো সত্য কিনা সেটি জরুরি............সেটি নিয়ে কিছু বলেন.................।
দেশী পোলা বলেছেন:
@ইমন১৯২৪:এটা দেখেন

Click This Link
"Mexico is a country accustomed to hugging, kissing and shaking hands. Now that’s all obsolete. However, friends and family don’t stop hugging and kissing, leaving the door open to possible infection."
দেশী পোলা বলেছেন:
যেটাকে আপনি কর্পোরেট সন্ত্রাস বলছেন, সেটা পয়সা বানানোর একটা পদ্ধতি, আপনার ডেফিনিশন আর আমার ডেফিনিশন ভিন্ন। গরীব বাচলো বা মরলো তাতে কর্পোরেটদের কিছু আসে যায় না, এরা টাকা'র জন্য ভ্রূণ কেনাবেচা করতে পারে, জ্যান্ত মানুষ তো কোন ছাড়আপনার বক্তব্য কেবল গলাবাজি ক্যাটাগরিতেই হয়েছে, আপনি কোন সমাধান দেন নি, ফ্যাক্ট ছাড়া সব কিছুই আপনার মতামত মাত্র। তাই আলোচনা বাড়ানোর কোন দরকার দেখি না
লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ। আলোচনা বাড়ানোর কোন দরকার না দেখলেও একটু যে বলতে হয়। বিনয়ের সাথে বলছি। এটি যে কর্পোরেটদের পয়সা বানানোর পদ্ধতি তাতে তো আমারও দ্বিমত নেই। আমিও বলেছি যে, এটি মুনাফা লুন্ঠনের পদ্ধতি। হ্যাঁ, ডেফিনিশন ভিন্ন হতেই পারে। হয়েছেও। কিন্তু এ ভিন্নতা তৈরির কার্যকারণটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। গরিব মরলে কর্পোরেটদের কিছুই যায় আসে না এটি বোধহয় ঠিক বললেন না। গরিবকে কর্পোরেটরা বাঁচিয়ে রাখে। যতটুক বাঁচলে তাদের উৎপাদনটা নিশ্চিত হয় ঠিক ততটুকু।
ফ্যাক্ট ছাড়া বাকিটা মতামত হবে এটিইতো স্বাভাবিক। এখন প্রশ্ন হচ্ছে সে মতামতগুলো ফ্যাক্ট নির্ভর কিনা অথবা কার্যকারণের সাথে সাযুজ্যপূর্ণ কিনা?
জন্মগতভাবে একটা গলা পেয়েছি। সেটির যদি একটু ব্যবহার করেই থাকি তাতেতো দোষের কিছু দেখি না। গলাটাতো আমারই। নাকি?
লেখক বলেছেন: আরেকটি বিষয়। টাকা কামাইয়ের মধ্যে আমি দোষের কিছু দেখি না। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে টাকা কামানো লক্ষ্য না উপায়। যদি লক্ষ্য হয়ে থাকে তবে আপত্তি আছে। আর যদি উপায় হয়ে থাকে তবে তারও উপ-উপায় আছে। একটি নয়। বহুবিধ। সেসব বহুবিধ উপায়গুলো নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতেই পারে। যদি সেটি অন্যের জীবনকে, স্বাভাবিক বিকাশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে তোলে।
লংকার রাজা বলেছেন:
অসংখ্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ!!!!
রাগ ইমন বলেছেন:
আপনার অনুমতি ছাড়াই এই লেখাটি আমার পোস্টে লিঙ্কায়িত করেছি। সেই জন্য ক্ষমা চাইছি আর দেরীতে হলেও অনুরোধ করছি।আশা করি, আপত্তি করবেন না । অনেক অনেক ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন:
প্রথমে দুখখ প্রকাশ করছি দেরিতে উত্তর দেয়ার জন্য। কিন্তু উপায় ছিল না। কারণ গত তিনদিন ধরে ব্লগে অনুপস্থিত ছিলাম।
অনেক ধন্যবাদ পড়বার জন্য এবং মন্তব্যের জন্য। আমার বিশ্বাস ভাললাগা থেকেই আপনি লিঙ্কায়িত করেছেন। সুতরাং এটি নিশ্চই আমার জন্যও ভাল লাগার....................এবং অনুপ্রেরণার। অনুপ্রেরণার জন্য কৃতজ্ঞতা.............এবং
অনেক শুভেচ্ছা। ভাল থাকবেন।
তনুজা বলেছেন:
হাসতে হাসতে শেষ বিবিধ কারণে আর দেরিতে অ্যাটেন্ডেন্স দেবার জন্য দুঃখিত
লেখা পড়লাম, + দিলাম , শিরোনামে সাবাশ
তবে স্বগোত্রীয় হলেও মনে হল পুঁজিবাদ শব্দটা ব্যবহারে আর একটু মিতব্যয়ী হলে হত। ক্ষতের উৎস বিষয়ে নিঃসন্দেহ ------উপস্থাপনের কারণে বা বিবিধ প্রেক্ষাপটে হঠাৎ করে গরুকে নদীতে নিয়ে ফেলার মত মনে হয়
তো যা হোক --------অফিসে ফাঁকি দিয়ে (
লেখক বলেছেন: কষ্ট করে পড়েছেন এবং হেসেছেনও। সে জন্য কৃতজ্ঞতা!!!!
+ পেয়ে অনুপ্রাণিত। সাবাশ দিয়েছেন। সেটি সম্বল করে রাখলাম।
.................................................................................................
ব্যক্তিগত খরচাপাতিতে অনেক মিতব্যায়ী থাকতে হয়। তাই শব্দের ব্যবহারে মিতব্যয়ী থাকা গেল না। তবে আপনার বলার পর আমারও মনে হয়েছে বোধহয় শব্দটি একটু বেশিই ব্যবহার করে ফেলা হয়েছে। এ দৃষ্টিআকর্ষণ আগামীতে সাহায্য করবে।
.......................................................................................
পৃথিবীর ফাঁকিবাজদের হারাবার কিছু নেই এক কামলাময় জীবনের শৃঙ্খল ছাড়া...........অতএব ফাঁকিবাজ জিন্দাবাদ!!!!!!
শুভেচ্ছা। ভাল থাকবেন।
ভালো-মানুষ বলেছেন:
চমৎকার একটি তথ্যবহুল বিশ্লেষণধর্মী লেখা!
এস্কিমো বলেছেন:
বিশ্বায়ন নিয়ে এতো ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বিশ্বায়নে ফলে লাভবান হচ্ছে দরিদ্র দেশগুলো আর সম্পদ ভাগ করছে ধনী দেশগুলো। একে দানব হিসাবে না বললেও চলে।
@এস্কিমো আপনে এগিলি কি কইতাসেন? বিশ্বায়নের ফলে লাভবান হইতাসে গরীব দেশগুলা? আপনে কি ইচ্ছা কৈরা চউখ বন্ধ কৈরা থাক্তে ভালোবাসেন? নাকি আপনের রুটি-রুজিতে জটিলতা তৈরী হইতে পারে এই রকমের কোন অচেনা ভয়তাড়িত হয়া উল্টাপাল্টা বলেন?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়েছেন বলে এবং মন্তব্য করে অনুপ্রাণিত করেছেন বলে। ভাল থাকবেন।
হক মাহবুব বলেছেন:
খুবই তথ্যবহুল লেখা। আমি একটু বেকুব আছি। কিছু কিছু মন্তব্য পড়ে আরও বেকুব হয়ে গেছি।
অনেকদিন আগে সাংবাদিক মোনাজাত উদ্দিন বলেছিলেন 'উপর সাদা, ভেতর কালা সভ্যতার' কথা । আমরা সেই সভ্যতারই বাহক। আপনি আমাদের আবারও সেই কথাটিই বললেন।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ চমৎকার পোষ্টটির জন্য।
লেখক বলেছেন: বিলম্বিত ধন্যবাদ মাহবুব ভাই................................।
এ উপর সাদা ভেতর কালো সভ্যতার দাপটে গোটা দুনিয়া বন্দী হয়ে আছে।
আরিয়ানা বলেছেন:
ভাল লাগল তথ্যগুলো জানায়। কেমন আছেন? ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: Thanks for your comments....................
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আশরাফ ভাই...........................। দু:খিত বিলম্বিত প্রতিউত্তরের জন্য। কেমন আছেন???
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
পুরো পোস্টাই রাজনৈতিক দৃষ্টিকোনে লেখা। হয়ত আপনার নয়, তবে অবশ্যই যাদের রেফারেন্স নিয়েছেন তাদের। এর প্রমান যে তথ্যগুলো প্যানিক ছড়াবার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো ভুল।যেমন-------
যতদূর জানা যায় এর জন্ম ও বিস্তার শুকর খামারের বিষ্ঠার গর্ত থেকে।
------ শূকর শুধু নয়। শূকর, পাখি ও মানুষ। খামারের বিষ্ঠার গর্ত পরিবেশ দূষণের রঙ লাগাবার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সোয়াইন ফ্লুতে মৃত্যুর হার শতকরা ৫৩
---- বিশেষজ্ঞ দরকার নাই। সোয়াইন ফ্লুয়ের আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃত্যুর সংখ্যাকে ভাগ দিয়ে ১০০ দিয়ে গুন করুন। শতকরা হার পাবেন। ৫৩% হারটি এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার।
এর ভয়াবহতা বার্ড ফ্লু থেকেও কয়েকগুন বেশি।
------- নির্লজ্জ মিথ্যা কথা। এইভাইরাসটি খুবই কম ভাইরুলেন্ট।
সব চেয়ে ভয়াবহ এবং হতাশার তথ্য হচ্ছে ১৯৯৮ সালে এ ভাইরাসটি সনাক্ত হয়। তখন থেকে এটি বিবর্তিত হতে থাকে।
------ ১৯৭৬ সালেও সোয়াইন ফ্লু এর একটি প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল আমেরিকার নিউজার্সিতে। ১৯৯৮ এ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার নতুন স্ট্রেইনের প্রাদুর্ভাব হয়।
===================================
আসলে পলিটিক্স করতে গিয়ে কিছু খেলা হয়েছে আর কি। প্যানিক ছড়াতে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার বৈশিষ্ট্য সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জাতে লাগানো হয়েছে। সোয়াইন ইনফ্লুয়েঞ্জা পূঁজিবাদের ফসল হয়ত না, তবে এই সব প্রোপাগান্ডা অবশ্যই পূঁজিবাদের ফসল।
আপনার তথ্য সূত্রগুলোর লিংক দিয়েন পারলে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
খামারকে কেন দোষ দেওয়া হচ্ছে তা বুঝি না। খামারে পশুপালন কি পূঁজিবাদের ফসল। খামারের একই প্রজাতির অনেক পশু একত্রে থাকে বলে ভাইরাস ছড়াবার সম্ভবনা বাড়ে। কিন্তু সেটার জন্য পূঁজিবাদকে গালাগালির কি হল? যুগ যুগ ধরে মানুষ তার সমস্যা সমাধানে কৃষি ব্যবস্থা আধুনিক করেছে। আমরাই নিজেদের প্রয়োজনে জংলি শিয়ালকে গৃহপালিত কুকুরে পরিনত করেছি। তখনও নতুন ভাইরাসের উদ্ভবের সম্ভবনা ছিল। হয়ত হয়েও ছিল। তাই বলে কি আমরা সভ্যতাকে দোষ দেব??
পূঁজিবাদের সমস্যা আছে। তবে বেশি সমস্যা পূঁজিবাদী মানসিকতার। সেটা কমুনিস্টদেরো ছেয়ে ফেলেছে বর্তমানে।
লেখক বলেছেন: সাপ্লিম্টে করবার জন্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা.............।
আপনি ঠিকই ধরেছেন যে, তথ্যগুলো বিভিন্ন উৎস থেপে প্রাপ্ত। আমি কেবল উল্লেখ করেছি। প্যানিক ছড়াবার একটি রাজনৈতিক অর্থনীতিকে অস্বীকার করি না। কখন্ও না।
আর খামারকে দোষ? অবশ্যই না। খামার স্বতন্ত্র অস্তিত্ব হিসেবে অবশ্যই দোষমুক্ত। কিন্তু খামার ব্যবস্থাপনা? সেটিই নিশ্চই দোষমুক্ত নয়। যেটি আপনিও বলেছেন। উৎপাদনব্যবস্থায় অতি মুনাফাবাদিতা খামার ব্যবস্থাকে নাজুক করেছে। এ নাজুক পরিস্থিতির সাথে ভাইরাসটির ছড়িয়ে পড়ার সহ সম্পর্ক রয়েছে বলেই অনেকে বিশ্বাস করেন।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
আসলে প্রত্যেকটি সিস্টেম যখন প্রথম চালু হয় সেটাকে ১০০% নিরাপদ জেনেই করা হয়। ধীরে ধীরে সমস্যা চিহ্নিত হয়, এবং সিস্টেম আপডেটেড হয়। এভাবেই আমরা আধুনিক হচ্ছি। যদি উৎপাদন ব্যবস্থায় সমস্যা থাকে তবে সেটা নিশ্চয়ই ইচ্ছা করে না। হতে পারে কেউ কেউ মুনাফা বেশির জন্য খানিকটা ঢিল দিচ্ছে। কিন্তু তাই বলে সিস্টেম বা তার ডিজাইনারকে দোষ দেওয়া যায় না। যদি বর্তমান খামার ব্যবস্থাপনায় কোন ত্রুটি থাকে তবে আশা রাখি বিজ্ঞানীরা ব্যাপারটা নিয়ে ভাবছেন।
সুন্দর প্রতিউত্তরের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: সিস্টেম বলতে আপনি যদি কারিগরী কাঠামোর কথা বুঝিয়ে থাকেন তাহলে সেটিকে ১০০% নিরাপদ ভাবতে কোন আপত্তি নেই। তবে সে কারিগরী বা প্রযুক্তিগত উপাদানগুলোর ব্যবহার কখনও শুধু সেগুলোর ওপর নির্ভর করে না। সেটি পরিচালিত করে বৃহৎ অর্থে বিদ্যমান সামাজিক ব্যবস্থা ও সমাজ কাঠামো। এখানে রাজনৈতিক অর্থনীতিটা খুব গুরুত্বপুর্ণ নিয়ামক।
কোন একটি উৎপাদন ব্যবস্থায় যদি মুনাফা পবড় দেবতা হয় তবে সেখানে পুরো উৎপাদন ব্যবস্থারই বিমানবিকায়ন ঘটে। যেটি মেক্সিকোর খামারগুলোর ক্ষেত্রেও ঘটেছে। আমি যে খামার কোম্পানির কথা উল্লেখ করেছি আমার পোস্টে সেটি মেক্সিকান কোন কোম্পানি নয়, একটি বহুজাতিক কোম্পানি এবং অবশ্যই আমেরিকান। আপনি নিশ্চই একমত হবেন বৃহৎপরিসরের কোম্পনিগুলো সব সময় এমন সব রাষ্ট্র খোঁজে যেখানে পরিবেশ বিষয়ক আইনগুলোর অপেক্ষাকৃত নমনীয়। ফলে তারা নিজেদের দেশে উৎপাদন না করে অন্যদেশে যায়। এবং সে দেশের পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের প্রতি কোন প্রকার তোয়াক্কা করে না। এটি বিশ্বায়নের নামে বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্তার একটি বড় গলদ এবং অবশ্যই আমাদের মতো দেশের জন্য নিপীড়নমূলক। সুতরাং এটি যদি আমি বা আপনি সিস্টেম বলি তবে এটি কোনভাবেই নির্ভেজাল নয়।
বর্তমান খামার ব্যবস্থার ত্রুটি কতখানি বিজ্ঞানীরা কাটিয়ে উঠতে পারবেন তাও শুধু বিজ্ঞানীদের কারিগরী জ্ঞানের ওপর নির্ভরশীল নয়। কারণ এটি একই সাথে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়াও। আর এ জন্য দরকার এটি আন্ত:রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক সমাধান। বর্তমান উৎপাদন ব্যবস্থার যে রাজনৈতিক অর্থনীতি তাকে টিকিয়ে রেখে এটি সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ করার যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ আছে।
আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ.........এবং শুভেচ্ছা।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
চমৎকার একটা পোষ্ট। অনেক দেরীতে চোখে পড়ল।সোয়াইন ফ্লু হাইপ নিয়া জনস্বাস্থ্য রাজনীতিটা এড করলে মনে হয় ভালো হইতো।
লেখক বলেছেন: আরে কী খবর আপনার? অনেক দিন পর দেখা? মানে ব্লগে?
মন্তব্য পেয়ে ভাল লাগলো। এ লেখাটি সোয়াইন ফ্লু আতংক ছড়াবার প্রথম দিকে লেখা। ফরে জনস্বাস্থ্য রাজনীতি এবং এর রাজনৈতিক অর্থনীতিটটা উঠে আসেনি। তখন এভাবে চিন্তাও করা হয়নি। তবে পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ থেকে আমার নিজেরও মনে হয়েছে এটি যুক্ত করা গেলে ভাল হতো........।
পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















মেক্সিকোর যে চুমো দেয়ার রীতি, তা মোটেও খারাপ কিছু না। গালে আলতো করে চুমো খাওয়া হয়। আর মেক্সিকো পুজিবাদী দুনিয়ার প্রতিনিধিত্ব করে না। নেহাৎই একটি মাঝারী মানের দেশ।
ইউরোপে ফ্লু এখনও এমন ভাবে আসেনি যে সরকার থেকে চুমো খেতে বারন করবে।
আর রোগশোকের সাথে সবসময় পুজিবাদ, ইউরোপীয় কালচারের সমালোচনার খড়গটা না ওঠালেও তো হয়।