কবিতা লেখতে লেখতে প্যাচপেচে কাদা ও মার্সগ্যাসযুক্ত জলাজংলা পেরিয়ে মরুভূমির গিরগিটির সামনে পড়েও আমার তেমন অস্বস্তি হয় নি, কিন্তু যেদিন ভরদুপুরে যৌনতা বিশেষ্যের সামনে গিয়ে পড়লাম, চিনতে শিখলাম ওর ক্রিয়াভিত্তি, সহসাই আমার গা কাঁটা দিয়ে উঠল, লজ্জায় এমন জবুথবু অবস্থা হলো যে স্কুলমিসট্রেসের চোখেও ঠিক তাকানো গেল না
সেসব দিনে আমাকে আপনজন থেকে পালিয়ে থেকে রাতদিন ভূতের আছরের মোকাবেলা করতে হতো, সবাই শুধু জানত আমি ক্রমশ বদলে যাচ্ছি, কিন্তু বদলটা আমার শরীরের কোন কোন জায়গায় ঘটছে, তা সদাউড্ডীন লালেহলুদ প্রজাপতি ছাড়া আর কেউ তেমন ঠাহর করতে পারত না, তখন থেকে বোধটি ছায়ার মতো সবসময় আমার সঙ্গে থাকত, একসঙ্গে স্নানাহার করত, ঘুমাতে যেত, পড়ার সময় বইয়ে তার জ্ঞাতিশব্দ খুঁজত এবং সুন্দরী দেখলে দৃষ্টির চোরাগুপ্তা হামলা চালাত
একসাথে থাকতে থাকতে যখন শব্দটার সাথে সম্পর্ক ক্রমশ স্বাভাবিক হতে লাগল, তখন সহসা একদিন আমার খুব স্যাঁতসেঁতে অনুভুতি হলো, বিরক্তি ও আনন্দ মিশ্রিত ওই যৌগানুভূতি সামলাতে না পেরে রাগেদুঃখে কবিতার খাতা থেকে নামিয়ে শব্দটাকে এমন আছাড় দিলাম যে লাখ লাখ রঙিন প্রজাপতি হয়ে যৌনতাগুঁড়োগুলো উড়তে থাকল একা থাকা সব টিনেজ ছেলেমেয়ের পাশে
এরপর থেকে আমার কবিতা খুব নিরাপদ, যৌনতাপ্রুফ
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



