তারে ছোট করে বড়ো করে কনডেন্স ও এক্সপান্ডে যেকোনো রকমে লিখি, অংগমাধুরী দেই ফ্যাটিয়ে ফাঁপিয়ে, কখনো বা লহমায় স্লিম করি, নীহারিকা এখন তো হাতের পুতুল
আমূল পাব না তাকে এটা বুঝে গেছি, বুঝে গিয়ে নামের দেহ থেকে বস্ত্র সরিয়ে আনি রতিভাব, নানারঙে প্রিন্ট নেই, প্রিন্ট নিয়ে প্রিয়টার উপরে জোসে শুয়ে পড়ি, মনে ভাবি এই তো পেয়েছি তারে, এইবার নীহারিকা কেবলি আমার
(মমি উপত্যকা, মুজিব মেহদী, ২০০১)
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



