উন্মূল নুঁড়িপাথরে ঝঙ্কার উঠিয়ে কিছুপথ হাঁটা হলে পায়ের কাছে দূত পাঠায় মেঘের দুহিতা, কালো কঙ্কন পরা অমিত বিক্রমী বলীয়ান-যে তার মহিয়সী, কেশ ভারানতা, পথের পাশে লভ্য আপনার ছায়ামাঝে প্রত্যাদিষ্ট সে, অতঃপর যাবতীয় বিভারাজি ত্রস্ত লুকায়ে ফেলে এবং গীত হবে যে সুরীয় আবেশ, তার চরণকলাদের রেওয়াজের জলঝর্ণায় ধুয়ে নিয়ে যাপন করে অবসর কাল, আর তুন্দ্রায় তখন ভরাবৃষ্টি, সে বৃষ্টিময়ী, তার চিরকাল ভরাবৃষ্টিকে গানের নিচে শয্যা পেতে বাসের মতো সুখের লাগে...
পাখিগণ নীড় থেকে গলা বাড়িয়ে দেখে ক্রমদৃশ্যমান ভেজা ও বিষণ্ন নিসর্গকে, যেনো সমুদ্রের তলদেশ থেকে পুনর্জন্ম প্রাপ্ত হচ্ছে ধরা, দৃশ্যাহতির এ পর্যায়ে অদ্ভুত এক আবাহনে প্রত্যেকের স্নায়ুর নদীতে অন্যরকম এক পুলক ছলকে ওঠে, আর তারা স্ব-স্ব দরজায় দাঁড়িয়ে কোরাসে গেয়ে ওঠে স্বাগতম...
সে হাঁটে, তার পায়ে এসে ঠেকে অদৃশ্য মৌলকণা, কুয়াশার হাড়গোড়, তবু শাদা, আহা শাদার আতিশয্যে ম্রিয়মাণ হয়ে যায় সব বাধা, তার কেননা জীবনই যৌবন, মুখিয়ে আছে যারা নিচে থেকে চাতকের প্রায়, তারা জানে, কত অনিয়ম তিতিক্ষার পর মেলে এই যৈবতি কন্যার মন...
কন্যা বর দিলে ফুল ফোটে, শাপ দিলে হুল, সেই-ই মাটি দেয় আগুন দেয়, টিপে-গড়ে তাপে-পুড়ে সোহাগী পুতুল, দেবী সেই-ই স্তন্যদাত্রী, লালন-পালন তার, সেই-ই যুগিয়ে যায় যাবতীয় খোরপোশ, সেবার মানস...
সমস্ত সৌরভ দিয়ে দেবী আমাকে ভালোবাসে, তার অপরিমেয় প্রেমের প্রবাহ আমার বিষণ্ন তালুকে বয়ে আনে উর্বরা পলি, আমি চাষে মত্ত হই, চাষী...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

