আমার প্রিয় পোস্ট

প্রতিদিনকার চলা মমি করে রেখে যাই ওয়েবের পিরামিডে

'মকছুদোল মো'মেনীন ও নারী শিক্ষা বা বেহেশতের কুঞ্জী' বইটি কি নিষিদ্ধ হওয়া উচিত নয়?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

বাংলাভাষাভাষী নিম্নকোটির মুসলিম নারীপুরুষ, বিশেষত নারীদের মধ্যে মকছুদোল মো'মেনীন গ্রন্থটির প্রভাব অপরিসীম। আলহাজ্জ্ব কাজী মাওলানা মোঃ গোলাম রহমান প্রণীত এই গ্রন্থটির ইতোমধ্যে অর্ধশতাধিক সংস্করণ প্রকাশিত ও নিঃশেষিত হয়েছে। উপহার হিসেবে বিয়েতে পাওয়ায় কিংবা পরে ক্রয়সুবাদে গ্রামাঞ্চলের অধিকাংশ অল্পশিক্ষিত মুসলিম দম্পতির ভাণ্ডারেই এই গ্রন্থটি সংরক্ষিত আছে। যারা নিয়মিত কোরানশরিফ অধ্যয়ন করে না, তারাও এটির অধ্যয়ন ও চর্চা করে থাকে। ব্যবহারিক ইসলামের অন্যতম প্রামাণিক সংকলন হিসেবে এটি তাদের কাছে গৃহীত।

বঙ্গদেশের মুসলমান নরনারীগণ আরবি-ফার্সি-উর্দুভাষায় অনভিজ্ঞ হওয়ায় ইসলাম ধর্মের মর্ম উপলব্ধিতে ব্যর্থ, তাই ধর্মকর্মে তারা চিরমূর্খই থেকে যায়। এরকম পরিস্থিতিতে বঙ্গীয় মুসলিম স্ত্রীলোকেরা আংশিকভাবে বাংলাভাষা পাঠ করতে আরম্ভ করায় তাদের মনে ধর্মভাবের কিঞ্চিৎ বিদ্যুৎস্ফূরণ ঘটাবার জন্যই বহু মোতাবর কিতাবাদি থেকে বেছে বেছে আবশ্যক জ্ঞাতব্য ও অজানা বিষয়সমূহ সংগ্রহ করে এই স্ত্রীশিক্ষা গ্রন্থটি লিখিত ও প্রকাশিত হয়েছে বলে গ্রন্থকার তাঁর নিবেদনে জানিয়েছেন। গ্রন্থটিতে ইসলামের পঞ্চস্তম্ভ-- কলেমা, নামাজ, রোজা, হজ্জ ও যাকাত এবং এগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠ ও দূরান্বয়ী সম্পর্কযুক্ত এবং সম্পর্কহীন অসংখ্য বিষয় আলোচিত হয়েছে। প্রধানত মুসলিম নারী পাঠকদের লক্ষ্য রেখে রচিত ও প্রকাশিত হওয়ায় নারীঘনিষ্ঠ বিষয়াদি নিয়ে এতে ব্যাপক আলোচনা করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে আছে হায়েজ-নেফাছ, পর্দা, কীরূপ স্ত্রীলোক বিবাহ করা হারাম, স্বামীর হক্ব বা স্ত্রীর কর্তব্য, গর্ভিনীর কর্তব্য এবং খাছ স্ত্রীলোকদের জন্য ৩৫টি নছিহত প্রভৃতি।

অস্পষ্ট অথবা স্বল্পস্পষ্ট সূত্র থেকে আহরিত তথ্যের ভিত্তিতে এ গ্রন্থে নারী ও নারী-পুরুষ সম্পর্ককেন্দ্রিক যেসব হাদিস ও মন্তব্য যুক্ত হয়েছে, তাতে নারীকে মর্যাদাশীল মানুষ নয়, মনে হয় জড় ও ভোগ্যবস্তু (সমস্ত পৃথিবীটাই সুখভোগের বস্তু এবং যাবতীয় সুখভোগের বস্তুসমূহের মধ্যে সতী-সাধ্বী নারীই সর্বোৎকৃষ্ট ইত্যাদি), লুকিয়ে রাখবার জিনিস (শুন হে মোমিনগণ, খাট প্রাণপণে/পর্দা জারী রাখ, নারী রাখ সঙ্গোপণে ইত্যাদি), স্বামীপ্রভুর দাসানুদাস (যে স্ত্রী সন্তুষ্ট চিত্তে নিজের স্বামীর কাপড় ধৌত করিয়া দিবে, আল্লাহতাআলা তাহার আমলনামা হইতে দুইহাজার গুনাহ কাটিয়া দিবেন এবং স্ত্রীলোকের গমচূর্ণ বা ধান ভানাই ধর্মযুদ্ধস্বরূপ ইত্যাদি), ব্যক্তিস্বাধীনতাহীন (আপনাদের স্বামী যদি আপনাদিগকে কখনও কোন কাজে ডাকেন, তৎক্ষণাৎ চক্ষের ইশারায় আসিয়া হাজির হউন এবং যে মকছুদে ডাকিয়াছেন তাহা বিনা আপত্তিতে পুরা করিতে চেষ্টা করুন, যদি শরীয়তের কোন ওজর না থাকে। যথা : হায়েজ, নেফাছ বা বিমারী ইত্যাদি), ভালোমন্দ বিচার-বিবেচনা বোধহীন (আপনাদের স্বামীগণ আপনাদের যেইরূপ চালাইতে চাহেন, সেইরূপ চলিতে থাকুন এবং তাহারা যেইভাবে চলিতে থাকে আপনারা তাহাতেই সন্তুষ্ট থাকুন। কোন কাজে ও কোন কথায়ই তাহাদের মতের বিরুদ্ধাচরণ করিবেন না) ও বেআক্বল (স্ত্রীলোকের ঈমান ও আক্বল পুরুষের ঈমান ও আক্বলের অর্ধেক মাত্র)।

গ্রন্থটি স্ত্রী নির্যাতন (স্বামী নিম্নলিখিত চারি কারণে স্ত্রীকে প্রহার করিতে পারে-- ১. স্বামী যদি স্ত্রীকে সাজ-সজ্জা করিয়া তাহার নিকট উপস্থিত হইতে বলে, আর যদি সে তাহা অমান্য করে। ২. স্বামী ছোহবতের উদ্দেশ্যে তাহাকে ডাকিলে যদি সে উপস্থিত না হয়। ৩. যদি স্ত্রী নামায ও নাপাকীর গোসল ত্যাগ করে। ৪. যদি সে স্বামীর বিনা হুকুমে অন্য লোকের বাড়ী যায়।) ও স্বামীর একাধিক বিয়ে করাকে (যে সমস্ত স্ত্রীলোক স্বামীর দ্বিতীয় বিবাহে হিংসা না করিয়া ছবর করিয়া থাকে, তাহাদিগকে আল্লাহতাআলা শহীদের তুল্য ছওয়াব দান করিবেন।) বৈধতা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, স্বামী কর্তৃক প্রহৃত হলেও তার রাগান্বিত বা বিচারপ্রার্থী হবার কোনো নিয়ম নেই। এ গ্রন্থ নছিহত করছে স্বামী যদি কোন সময় কোনও ক্রুটি পাইয়া আপনাদিগকে মারেন বা গালাগালি করেন তজ্জন্য চুপচাপ গাল ফুলাইয়া মনের রাগে দূরে সরিয়া থাকিবেন না ; বরং হাতে পায়ে ধরিয়া অনুনয়-বিনয় করিয়া ও নিজের দোষ স্বীকার করিয়া যাহাতে তাঁহাকে সন্তুষ্ট করিতে পারেন তাহার ব্যবস্থা করুন।

সূত্রোল্লেখ ব্যতীত মনগড়া বাক্যবিন্যাসে এখানে যেসব নছিহত দেয়া হয়েছে, তা কিছুতেই নারীকে মানুষ হিসেবে মর্যাদা দেয় না। মানুষ হলে তার ভালোমন্দ বোধ থাকবে, পছন্দাপছন্দ থাকবে। কিন্তু এ গ্রন্থ বলে, স্বামী বড় লোক হউক আর ছোট লোক হউক, ধনী হউক আর গরীব হউক, বিদ্বান হউক কি মূর্খ হউক, অন্ধ হউক কি কানা হউক, খঞ্জ হউক কি আতুর হউক, সুশ্রী হউক কি কুশ্রী হউক, সর্বদাই সন্তুষ্টচিত্তে তাঁহার পদতলে জীবনখানিকে লুটাইয়া দিতে থাকুন এবং সর্বদাই উভয়ে মিলে-মিশে মহব্বতের সহিত জেন্দেগী কাটাইতে চেষ্টা করুন।

ধর্মীয় পুস্তকের বক্তব্য, বক্তব্যের অতিরঞ্জন এবং মনগড়া কথার মাধ্যমে এ গ্রন্থ যেসব মতকে সামাজিকীকরণ করেছে ও করে চলেছে তা ভয়ানকভাবে নারীস্বার্থবিরোধী। এতদিনে আমাদের সমাজের এটুকু পরিবর্তন অন্তত সাধিত হয়েছে যে, নারী ও নারী-পুরুষ সম্পর্ক বিষয়ক এসব মতকে আর অবশ্যপালনীয় বলে মনে করা চলে না। বাংলাদেশের সংবিধানও এসব মত সমর্থন করে না। এটি ও এ জাতীয় অন্যান্য গ্রন্থ দ্বারা মুসলিম সমাজের মধ্যে যে পশ্চাৎপদতা সৃষ্টি হয়ে চলেছে, তা রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়নকেই বাধাগ্রস্ত করছে।

এগুলোসহ গ্রন্থভুক্ত তাবীজাত ও দ্রব্যজাত অধ্যায়ে বর্ণিত ঝাড়ফুঁক ও তাবিজ-কবজের চিকিৎসা সংক্রান্ত কুসংস্কার আচ্ছন্নতার কারণে অনেক আগেই নারীস্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার লেখিকা তসলিমা নাসরিন তাঁর একটি কলামে এ গ্রন্থটি নিষিদ্ধ করবার দাবি উত্থাপন করেছিলেন।

বিজ্ঞ ও সম্মানিত পাঠক, আপনারাও কি মনে করেন না যে এ গ্রন্থটি অচিরেই নিষিদ্ধ হওয়া উচিত?

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): প্রবন্ধপ্রবন্ধপ্রবন্ধ প্রবন্ধ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ঝোলাগুড়ের মিঠেঘ্রাণ  বিভাগে ।

 

  • ৭৮ টি মন্তব্য
  • ৮০৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৯
comment by: পথহারা বলেছেন: চিন্তার বিষয়...........
২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২০
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: না
৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২১
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: হ্যা, বইটা উঠায় অথেনটিক হাদীস সহ 'পারিবারিক জীবন' এর শিক্ষা সম্বলিত বই ব্যাপক পাবলিসিটি করা উচিত, যেইখানে ওই হাদীসটার বিস্তারিত থাকবে, 'তোমাদের মধ্যে সেই সর্বোত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে ভালো'।
৪. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২১
comment by: লাল মিয়া বলেছেন:
+
৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫
comment by: পথহারা বলেছেন: মুজিবভাই,

বউরে হালকা পিটানো যাইবো........এইডা থাকুক.......
৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৭
comment by: এবি+ বলেছেন: হোহ্ হোহ্ হোহ্ হোহ্হোহ্ হোহ্
৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮
comment by: সত্যদা বলেছেন: হা উচিত।

৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:২৯
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আর, স্বামী আসল কামের সময় ডাকলে সব কাজ ফেলাইয়া চইল্যা আসা.... এগুলান তো আমাগো কোরানিক রাইট।
৯. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০
comment by: বঙ্গাব্দ বলেছেন: ভাল লেখা,ভাল প্রস্তাব
+
১০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
comment by: হাসিব বলেছেন:
ঠিকাছে
১১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: হ, মুশকিল হইলো মেয়েদের কুরআনিক রাইটগুলার "পাবলিসিটি" কম, যেইটা কোন অজুহাত না। জানার ইচ্ছা থাকলেই জানা যায়। পাবলিক ইচ্ছা করেই বুজতে চায় না, এই সব নির্দেশনাগুলা দিয়ে একটা সুসম্পর্কের রূপরেখা দেয়া হয়েছে, যেখানে দুই জন দুই জনকে ম্যাক্সিমাম পসিবল সাপোর্ট দিবে।
১২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪
comment by: শয়তান বলেছেন: +
১৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: নিষিদ্ধ করিলে এই সব কৌতুক পড়া হইতে বন্চিত হইবো ;)
১৪. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৯
comment by: হাসিব বলেছেন:

সন্ধাবাতি, কোরানে বৌ পেটানো নিয়ে কি বলা আছে তা আমি জানতে আগ্রহী । সেইটা নিয়া কিছু বলেন । নো হারাধন অর চোর রেফারেন্স । স্ট্রেইট উত্তর দেন । যেইটা জানতে চাইতে্ছি সেইটা ।
১৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪০
comment by: পথহারা বলেছেন: হ........@হাচিব
১৬. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৪
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: হ, মুশকিল হইলো মেয়েদের কুরআনিক রাইটগুলার "পাবলিসিটি" কম, যেইটা কোন অজুহাত না। জানার ইচ্ছা থাকলেই জানা যায়। পাবলিক ইচ্ছা করেই বুজতে চায় না,...

হ, মানুষ তো তার পছন্দ, স্বাচ্ছন্দ্য, তাকৎ অনুযায়ী support খুজবে কোরান থেইক্যা; উৎসে সেই সুযোগ থাকলে এমন ঘটবোই।
১৭. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬
comment by: তীরন্দাজ বলেছেন: অবশ্যই উচিত!
১৮. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০০
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আমাগো এক বড় ভাই বিয়া করছে। বউ যথেষ্টই পরহেজগার। বাসর রাইতে উনি বউর বুকে মুখ দিছেন। বউ নাউজুবিল্লাহ বইলা কইছে এইটা কি করলেন- আপনার সঙ্গে আমার সম্পর্ক এখন মাতা ও সন্তানের। বড় ভাই কয়, এই কথা কই পাইছো তুমি। কয় মকসুদুল মোমেনিন।
বটমলাইন : তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবেই সুখী দাম্পত্য জীবন যাপন করতেছে এখনও
১৯. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১০
comment by: সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: হাসিব, কুরআনে বউ 'পিটানো' নিয়ে কিসু আছে বলে তো জানতাম না!
২০. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: এই বইটা অনেক আগেই নিষিদ্ধ হওয়ার দরকার ছিলো... এখনো হচ্ছে না কেন সেটাই একটা রহস্য...


গুড পোষ্ট...
২১. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১
comment by: অজানা বলেছেন: মকসুদুল মোমেনিনরে ব্যান করা হোক । আমাদের ব্লগের মডুদেরকে এই দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে । কারণ ব্যান করার কাজে ওদের উপর আর কেউ নাইক্কা ।
২২. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১
comment by: হাসিব বলেছেন:


The Qur'an, chapter 4 (An-Nisa), verse 34:
“ Men are the maintainers of women because Allah has made some of them to excel others and because they spend out of their property; the good women are therefore obedient, guarding the unseen as Allah has guarded; and (as to) those on whose part you fear desertion, admonish them, and leave them alone in the sleeping-places and beat them; then if they obey you, do not seek a way against them; surely Allah is High, Great.
২৩. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২১
comment by: পথহারা বলেছেন: হালকা beating....wife.......

Quran verse 4:34
২৪. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫
comment by: সুফিয়ানসজল বলেছেন: অবশ্যই বাতিল করা উচিত।
২৫. ১৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৩
comment by: মুকুল বলেছেন: +
২৬. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২১
comment by: উন্মনা রহমান বলেছেন:
ভাল পোস্ট। ধর্ষকামী উন্মাদদের লেখা নারীবিদ্বেষী, মানবতাবাদ বিরোধী মকছুদোল মো'মেনীন, নেয়ামুল কোরআন- ও এধরণের আরো বই ঘরে ঘরে পাওয়া যাবে। পবিত্র বই হিসেবে এগুলো পড়া হয়।
২৭. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৮
comment by: ভাইটামিন বদি বলেছেন: বাতিল করা হউক....কর্তে হবে............
২৮. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৭
comment by: মদনবাবু বলেছেন: থাকুক না ।
কতজনের যৌনবিষয়ে লিগ্যাল হাতেখরি এই বইয়ের কল্যানে হয় ।
ছুডুমুডু চটি বই আর একটাও কি আছে ?
২৯. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:০১
comment by: পান্জেরী বলেছেন: নিষিদ্ধ কে করবে...।
৩০. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৮:১৮
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: আরে বইগুলার কি দোষ? বইগুলান তো নিচের সহী হাদীসের অনুপ্রেরণায় লেখা হইছে, যেমন রাসেল মিয়া অনুপ্রানিত হইছে।
Click This Link
Click This Link
Click This Link
এগুলি আগে বাতিল করা দরকার, না কি?
৩১. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪২
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: ব্লগারগণ বইটি নিষিদ্ধ হবার দাবিটির প্রতি বেশ সাড়া দিয়েছেন দেখে ভালো লাগল। যারা বিভিন্নভাবে (পড়ে, মন্তব্য করে) সাড়া দিয়েছেন তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

একটা প্রশ্ন এসেছে দেখলাম যে, 'কে নিষিদ্ধ করবে?' উত্তরটা এরকম যে, যারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন লেখকের বই নিষিদ্ধ করেছে, তারাই করবে। অর্থাৎ সরকার। সরকার যদি ধর্মীয় অধিকারে আঘাত হানার অজুহাতে বই নিষিদ্ধ করতে পারে, তাহলে মানবাধিকার ও সংবিধান লঙ্ঘনের জন্য করতে পারবে না কেন?

প্রশ্ন উঠতে পারে ব্লগে কি সরকারের প্রতিনিধি আছে? জবাব হলো, 'না নেই কিংবা থাকলে থাকতেও পারে'। তার চেয়ে বড়ো কথা ব্লগ জনমত সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে, সচেতনতা সৃষ্টি করে। এটা যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামের পূর্বশর্ত। আর গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় কোনো বিশেষ দাবিতে আন্দোলন-সংগ্রাম সংগঠিত করা বৈধ।
৩২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮
comment by: বিগব্যাং বলেছেন: +
গুপ্তদার অবরতমানে এই বইটির উপযোগিতা উত্তম।
৩৩. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আমার ধারনা ব্লগসাইটগুলি মনিটরিং হয়। কাজেই ব্লগে প্রকাশ পেলে তা সরকারের প্রতিনিধির কাছে গেলেও যেতে পারে। আমি শুধু একটি ধারনার কথা বলেছি। মনিটরিং যে হয় তা আমি প্রমান করতে পারবোনা।

আপনার আবেদন সম্পূর্ন যুক্তিসম্পন্ন। এইসব বইয়ের কারনেই কিন্তু আমাদের গ্রামবাংলার নারীরা এতো নিগৃহীত। এসব বই সমাজের জন্য অমন্গলই বয়ে আনে।

ধন্যবাদ মুজিবদা।


পিয়াল ভাইয়ের কমেন্ট পইড়া হাসতে হাসতে শ্যাষ...হাহাহাহাহাহাহাহাহাহা....নেক্সট আধা ঘন্টা হাসতেই থাকুম...হাহাহাহাহাহা
৩৪. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: :) ঘটনা কিন্তু সত্য
৩৫. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩০
comment by: বিহংগ বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট।
৩৬. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
comment by: এস্কিমো বলেছেন: নিষিদ্ধ না করে সেই বইটাকে পরিশলীত করে প্রচার করা যায় কিনা।
নিষিদ্ধ শব্দটা কেমুন যেন সমস্যা মনে হয়।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: সরকার তো হামেশাই ভালো ভালো বই নিষিদ্ধ করে বসে। তখনও আপনি সমস্যা বোধ করেন কি না তা আমার জানা নেই।

পরিশীলিত করলে এই বইয়ে কিছু থাকবে বলে মনে হয় না। এ বইয়ের আনুপূর্বিক ভঙ্গিটিই এমন। বইটি রীতিমতো পুরুষতান্ত্রিক বিকৃতিতে ঠাসা।

তবু আপনার প্রস্তাবটি ভেবে দেখবার মতো। এ বিবেচনায় যে, যেকোনো নিষিদ্ধকরণই বাকস্বাধীনতা/লেখকের স্বাধীনতা পরিপন্থী।

৩৭. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০১
comment by: মৃদুল মাহবুব বলেছেন: মুজিব ভাই,
বইটি নিষিদ্ধ করা জরুরী। কিন্তু সরকার এই রিস্ক নেবেনা। বায়তুল মোকারম থেকে মিছিলের ভয় আছে না। সরকার ওইটা খুব ভয় পায়। দেখছেনইতো.........। ফলে মোকসেদুল মোমিনের আয়ু মনে হয় আরও শতবছর।

ভালো পোষ্ট।
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ব্যাপার তো আসলে এরকমই। হিজবুত তাহরীরকে মনে হয় আমাদের সরকারও ভয় পায়।

অবশ্য এই বই নিষিদ্ধ করার পক্ষে হিজবুত তাহরীরসহ ইসলাম ধর্ম সম্পৃক্ত সকল সংগঠনেরই থাকা দরকার বলে মনে করি আমি।

৩৮. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪০
comment by: নাবিক বলেছেন: সহমত। তবে একটি বই না। এ জাতীয় আরো অনেকগুলো বই আছে যেগুলো ইসলামের নামে ভুল তথ্যে ভরা। মজার ব্যাপার হলো বইগুলোর রাইটাররা আলেম না। ওদের ইসলাম সম্পর্কে কোন একাডেমিক পড়াশোনা নেই।আলহাজ্ব, সৈয়দ এ জাতীয় টাইটেল ইউজ করে বইগুলো প্রকাশ করেছে। আমাদের অজ্ঞতার কারণে বইগুলো চলেও ভালো। সবগুলো বই নিষিদ্ধ হওয়া উচিত।

ব্লগে ফারজানার লেখা দেখলাম এ বিষয়ে।
Click This Link

বাংলাবাজারের প্রকাশকদের বলি, এ জাতীয় প্রকাশ করবেন না।

আলেমদের কাছে অনুরোধ, এ জাতীয় বই নিষিদ্ধের জন্য দাবী তুলুন। নতুন করে যাতে এ জাতীয় বই প্রকাশ করা না হয় সে ব্যাপারে আইন করতে জনমত গড়ে তুলুন।
৩৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৮:৩৫
comment by: বাঙাল যুবক বলেছেন: অসত্য তথ্যসমৃদ্ধ এই বইটি নিষিদ্ধ করা উচিত।
৪০. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: ছোটবেলায় এইটাইতেই মনে হয় বিবাহিতদের জন্য একটা চাপ্টার আছে ওইটা পইড়া আমোদ পাইছিলাম। ;)
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, ঠিক বলেছেন রাশেদ। এ ধাঁচের বইতে পর্নোর স্বাদও পাওয়া যায়।

৪১. ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫১
comment by: রাতুল২০০৮ বলেছেন: আলেমদের কাছে অনুরোধ, এ জাতীয় বই নিষিদ্ধের জন্য দাবী তুলুন।
---------------------------------
এটা ভালো প্রস্তাব।
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার প্রস্তাবটাও ভালো।

৪২. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪২
comment by: ফাহমিদুল হক বলেছেন: রাতুলের মতো আমিও মনে করি যদি নিষিদ্ধ করতে হয়, দাবি আলেমদের মধ্য থেকে আসলেই ভালো হয়।
উত্তম পোস্ট।
২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফাহমিদ ভাই।
আপনাকে অনেকদিন পর ব্লগে দেখছি। খুব ব্যস্ত ছিলেন হয়ত।

৪৩. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৫৪
comment by: ধ্রূপদী বলেছেন: অবশ্যই
৪৪. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৮
comment by: ফাহমিদুল হক বলেছেন: ছিলাম ব্যস্ত, বই নামাচ্ছিলাম। এছাড়া ব্লগে আন্দোলন চলছিল, সবাই পোস্ট দেয়া থেকে বিরত ছিলেন। নারী প্রগতির খবর কী?
২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: আচ্ছা। চমৎকার।

'নারী ও প্রগতি' বেরোতে আরো দিন পনেরো লাগবে। মল্লিকা সেনগুপ্ত একটা লেখা পাঠাবেন বলে কথা দিয়েছিলেন। ব্যস্ত কাটছে তাঁর সময় নানা আন্দোলন-সংগ্রাম, লেখালেখি ইত্যাদিতে। আরো কদিন দেখব ভাবছি।

৪৫. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫১
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন:
সহমত@ নাবিক......। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এমন সুন্দর
পোষ্ট দেয়ার জন্য।


তবে কারো মতামত দেইখা মনে হইলো এরা সত্যেই মুসলীম বিদ্বেষী।

কোন জায়গায় ছোট্র একটা বিচি দেখলেই সারছে...................

তিলরে তাল বানাবেই।

মুকসুদুল মমিন বইটা মুসমানদের কোন কিতাব না যে তাকে নিষিদ্ধ
করা যাবে না........।
৪৬. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৩
comment by: মাথামোটা বলেছেন:
থাকুক। মারকেটে সুলিখিত চটির অভাব আছে।।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: হাহাহা। বটে।

৪৭. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: ২৬ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫১ রাতুল২০০৮ বলেছেন: আলেমদের কাছে অনুরোধ, এ জাতীয় বই নিষিদ্ধের জন্য দাবী তুলুন।
---------------------------------
সহমত ।আলেমরা পারেন বায়তুল মোকারম থেইকা একটা মিছিল নামাইতে এই বইটা নিষিদ্ধের দাবীতে ।
২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৪২

লেখক বলেছেন: সেটা করলে খুব কাজের কাজই হতো। অবশ্য সেক্ষেত্রে কেবল এই একটা বই বিবেচনা করলে হবে না। এ জাতীয় আরো অনেক বই আছে, সেগুলোর একটা তালিকা করে নিয়ে তার সবগুলোর বিরুদ্ধেই নামতে হবে।

৪৮. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৯:৫৭
comment by: মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: নারীর সামাজিক-সাংস্কৃতিক, মানবিক ও আর্থনীতিক মর্যাদাকে খাটো করে উপস্থাপনা ও তা জায়েজ করার ক্ষেত্রে ধর্মভিত্তিক পিতৃতন্ত্র যে কয়টি দলীল সমাজে কার্যকর রেখেছে তার মধ্যে এ বইটি একটি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে এটি নারীর মর্যাদাহানীর ও অবদমনের মনস্তত্ত্ব তৈরি করে চলেছে। এটি চলতে দেয়া যায় না।

লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ
২৯ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: ঠিকই বলেছেন। নারীকে যে একটা শ্রেণি এখনো পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গণ্য করে না, তার নেপথ্যে এ জাতীয় বইয়ের ওরিয়েন্টেশনও অনেকটা দায়ী। সুতরাং এগুলো নিষিদ্ধ না করলে নারীর ক্ষমতায়ন আন্দোলনের যথাযথ ফলাফল অনার্জিতই থেকে যাবে।

৪৯. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: আপনার এ পোষ্টটা অনেক আগে পড়েছি। মন্তব্য করিনি।
কারন বইগুলো এত থার্ডক্লাস, কথা বলতেই রুচি হয়না।

কালকে চট্রগ্রামের আন্দরকিল্লা বইয়ের দোকানে গিয়েছিলাম একটা বই খুঁজতে। ঢুকে আমি থ’ হয়ে গিয়েছি। বেশীর ভাগ বইয়ের দোকানেই দেখি থরে থরে মকছুদুল মু’মেনীন, ইবনে সীরিনের স্বপ্নের তাবীর এইসব বই সাজানো!!
তখনই আপনার পোষ্টটার কথা মনে পড়ে গেল। কৌতুহল থেকেই দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলাম এসব বইয়ের বিক্রি কেমন।
দোকানদার যা বলল তাতে আমি রীতিমত আতংকিত! “ এনে শেষ করতে পারিনা!”

শুধু ইসলামপন্থীরা না, মানুষ হিসেবে সবারই এসব বইয়ের বিপক্ষে জোড়ালো স্থান নেয়া উচিত। বইগুলোতে ইসলামের না, মানুষের অপমান করা হয়েছে।
৫০. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:০৭
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন:

+

ওই বইটি অজস্র ফালতু কথায় ভরা। নিষিদ্ধ করা হোক।
৫১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০
comment by: `হাসান বলেছেন:
বইগুলার কি দোষ? বইগুলান তো সহী হাদীসের অনুপ্রেরণায় লেখা হইছে?

পারলে হাদিস নিসিদ্ধের দাবী তুলেন
৫২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২
comment by: মনিটর বলেছেন: এইসব হালাল চটি পড়ে চৌদরি বংশের পোলাপাইনের মাথা খারাপ হয়ে গেছে।আরব দেশে আঁতর বেচে,মতসকন্যার সাথে কথা বলে।পুরা মেন্টাল।

মকসুদুল মোমেনিন নামক হালাল চটি বাজারে থাকুক।
৫৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: হাসান,
হাদীস নিয়ে কতটুকু গবেষনা করেছেন যে এতবড় একিউজ করলেন?

আপনাদের জন্যেই আসলে এ ধরনের বইয়ের ডিমান্ড এত বেশী বাজারে! এসব বই দেখিয়েই তো আপনারা বড় গলায় ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলতে পারেন।
ফালতু যত সব!
৫৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: আর বাংলাদেশের মওলানাদের অবস্থা দেখলে হাসি আসে।
তাসলিমা নাসরিনের মাথার দাম ঘোষনা করে হাতের কাছে পেলে মেরেই ফেলে, অথচ তাদের নাদের ডগায় যে এসব ইস্লামের নামে পর্ণ-বই দেদারসে চলছে বাজারে, তাতে তাদের কোনো মাথাব্যাথা নেই!!

সব অকাজের কাজী মওলানা!
৫৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮
comment by: `হাসান বলেছেন:
তাইলে কইতাছেন মুকসেদুল মুমিনে বউ পিডানোর কতা যা লিকা আছে তা ভুল!

কোরানে বৌ পেটানো নিয়ে কি বলা আছে তা জানতে আগ্রহী । সেইটা নিয়া কিছু বলেন @ ফারজানা
৫৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪০
comment by: `হাসান বলেছেন:
ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: আর বাংলাদেশের মওলানাদের অবস্থা দেখলে হাসি আসে।


অতিরিক্ত আত্মদাম্ভিকতা প্রকাশ পেলোনা কি উপরের কতায়, দেশের সকল আলেম ওলামার চেয়ে আপনি নিজে বেশি জ্ঞানী এরম ধারনা থাকা এক ধরনের মানসিক অসূখ
৫৭. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: এগুলির মধ্যে কোন্‌টা বাতিল জানলে সুবিধা হইতোঃ
Volume 1, Book 5, Number 277:
Narrated Abu Huraira:

The Prophet said, 'The (people of) Bani Israel used to take bath naked (all together) looking at each other. The Prophet Moses used to take a bath alone. They said, 'By Allah! Nothing prevents Moses from taking a bath with us except that he has a scrotal hernia.' So once Moses went out to take a bath and put his clothes over a stone and then that stone ran away with his clothes. Moses followed that stone saying, "My clothes, O stone! My clothes, O stone! till the people of Bani Israel saw him and said, 'By Allah, Moses has got no defect in his body. Moses took his clothes and began to beat the stone." Abu Huraira added, "By Allah! There are still six or seven marks present on the stone from that excessive beating."

Narrated Abu Huraira: The Prophet said, "When the Prophet Job (Aiyub) was taking a bath naked, golden locusts began to fall on him. Job started collecting them in his clothes. His Lord addressed him, 'O Job! Haven't I given you enough so that you are not in need of them.' Job replied, 'Yes!' By Your Honor (power)! But I cannot dispense with Your Blessings.'

Volume 1, Book 5, Number 268:

Narrated Qatada:

Anas bin Malik said, "The Prophet used to visit all his wives in a round, during the day and night and they were eleven in number." I asked Anas, "Had the Prophet the strength for it?" Anas replied, "We used to say that the Prophet was given the strength of thirty (men)." And Sa'id said on the authority of Qatada that Anas had told him about nine wives only (not eleven).


Volume 1, Book 5, Number 267:

Narrated Muhammad bin Al-Muntathir:

on the authority of his father that he had asked 'Aisha (about the Hadith of Ibn 'Umar). She said, "May Allah be Merciful to Abu 'Abdur-Rahman. I used to put scent on Allah's Apostle and he used to go round his wives, and in the morning he assumed the Ihram, and the fragrance of scent was still coming out from his body."


Volume 1, Book 5, Number 258:

Narrated 'Aisha:

Whenever the Prophet took the bath of Janaba (sexual relation or wet dream) he asked for the Hilab or some other scent. He used to take it in his hand, rub it first over the right side of his head and then over the left and then rub the middle of his head with both hands.


Volume 1, Book 5, Number 248:

Narrated 'Aisha:

Whenever the Prophet took a bath after Janaba he started by washing his hands and then performed ablution like that for the prayer. After that he would put his fingers in water and move the roots of his hair with them, and then pour three handfuls of water over his head and then pour water all over his body.

Narrated Abu Salama:

'Aisha's brother and I went to 'Aisha and he asked her about the bath of the Prophet. She brought a pot containing about a Sa' of water and took a bath and poured it over her head and at what time there was a screen between her and us

Volume 1, Book 5, Number 253:

Narrated Ibn 'Abbas:

The Prophet and Maimuna used to take a bath from a single pot.


Volume 1, Book 5, Number 282:
Narrated Anas bin Malik:

The Prophet used to visit all his wives in one night and he had nine wives at that time.

Volume 1, Book 5, Number 290:
Narrated Abu Huraira:

The Prophet said, "When a man sits in between the four parts of a woman and did the sexual intercourse with her, bath becomes compulsory."

৫৮. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২
comment by: মনিটর বলেছেন: অতিরিক্ত আত্মদাম্ভিকতা প্রকাশ পেলোনা কি উপরের কতায়, দেশের সকল আলেম ওলামার চেয়ে আপনি নিজে বেশি জ্ঞানী এরম ধারনা থাকা এক ধরনের মানসিক অসূখএক ধরনের মানসিক অসূখ

এক ধরনের মানসিক অসূখ
এক ধরনের মানসিক অসূখ
এক ধরনের মানসিক অসূখ
৫৯. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫০
comment by: ফারজানা মাহবুবা বলেছেন: সন্ধ্যাবাতিকেও দেখি একই প্রশ্ন দিয়ে ঘায়েল করে খুব সুখ পেয়েছেন আপনারা।


বেশ।


এ বিষয়ে পোষ্ট আসবে।
আশা করি তখন আপনাদের সাথে দেখা হবে।

(স্যরি মুজিব ভাই, অনেক অপ্রাসংগিক কমেন্ট করে ফেললাম!)
৬০. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪
comment by: মনিটর বলেছেন: এ বিষয়ে পোষ্ট আসবে।

...>>> এহরে/ সিলেবাসের বাইরে প্রশ্ন পড়সে।এই ফাঁকে মগবাজারের বইগুলান নাইড়া চাইরা জামাতি পাকি আব্বুগুলারে জিগায়া আবার জামাতের ডিউটি চলব।অসুবিদা নাই।ছাগু ও জামাতি দালাল দেখলেই গদাম লাত্থি দেয়া হইবে/
৬১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬
comment by: `হাসান বলেছেন:
জানা ছিল উততর না দিয়া পিছলাইয়া যাইবো।


আর ইসলামী চিন্তাবিদরে জানানো যাচ্ছে যে এখানে জাময়াতি পেইড ব্লগার ছারা বাকি সবাই ইনডিভিজুয়্যালি ব্লগিং করে, তাই বার বার "আপনারা" বা "আপনাদের " এধরনের শব্দ উচ্চারন প্রশ্নকারির উততর না দিয়ে পিছলে যাবার হাতিয়ার হিসেবেই বিবেচিত হয়।
৬২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:০২
comment by: `হাসান বলেছেন: মনিটর বলেছেন: এ বিষয়ে পোষ্ট আসবে।

...>>> এহরে/ সিলেবাসের বাইরে প্রশ্ন পড়সে।এই ফাঁকে মগবাজারের বইগুলান নাইড়া চাইরা জামাতি পাকি আব্বুগুলারে জিগায়া আবার জামাতের ডিউটি চলব।অসুবিদা নাই।ছাগু ও জামাতি দালাল দেখলেই গদাম লাত্থি দেয়া হইবে/


@ মনিটর হ ফারজানা সিকসটিনের বলগেতো জামায়াত বা পাকি পসন্দ ব্লগার ছারা বাকিরা ব্লকড, তাই হে আবজাব কইয়া পুস্ট দিব আর বাকি জামাতি গুলা মারহাবা মারহাবা কইয়া পিঠ চাপরাইয়া দিয়া যাইবে।

সামান্য একতা প্রশ্নের জবাব দেয়ার সত সাহস দেখাতে পারেতো নাই , উল্টা ব্লক কইরা রাকছে আবার কই কিনা দেশের আলেম সমাজ কিচু জানেনা, মানুষ কত খানি ভন্ড হইতে পারে এই ব্লগে না আইলে কুনোদিন জানতে পারতামনা
৬৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১২
comment by: ইয়র্কার বলেছেন: `হাসান বলেছেন: [b]মানুষ[/b] কত খানি ভন্ড হইতে পারে এই ব্লগে
না আইলে কুনোদিন জানতে পারতামনা

জামাতিরা মানুষ?!
৬৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৫১
comment by: মানব মানিক বলেছেন: ১০০% সহমত। নিষিদ্ধ করা হোক।

তসলিমা নাসরিন কে সব সময়ই মিস্ করি। তাঁর লেখা পড়ে কৈশোরের কোন এক সময়ে এই পর্ণো বইটি পড়েছিলাম । নারীকে কিভাবে , কতবার , কেমন করে ভোগ করা যায় তার লোভনীয় বর্ণনা (ইসলামের নামে )আছে এই বইতে।
তখন থেকেই ঘৃণা করি এই আলেমদের আর বইকে...
মাঝে মাঝে মনে হয় আমি নিজেই এই আলেমদের কাছে পেলে মান্দারের কচাঁ দিয়ে......... বাকীটুকু আর শেষ করলাম না ।

ভালো থাকবেন মুজিব দা
ভালোবাসা নিয়ে
৬৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:০২
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: বাপরে! অনেক মাতামাতি হয়ে গেছে দেখি পোস্টটি নিয়ে। আমি খবরই রাখি না।

ব্যাপার যা তাতে তো মনে হয় ব্লগারদের মতামত পুরোটাই এটি নিষিদ্ধ করার পক্ষে। এখন আমাদের পরবর্তী কোনো পদক্ষেপে যেতে হবে।

কিন্তু কী হতে পারে সে পদক্ষেপ?
৬৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:১৭
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: প্রথমে দেশের ইসলামী চিন্তাবিদদেরই এটি নিয়ে ভাবতে হবে.....যেমন ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে কোন দাবী উঠতে পারে....তখন আর বায়তুল মোকাররাম থেকে মিছিলের ভয় হবেনা.....বা বায়তুল মোকারামেই কোন পবিত্র জুমআর দিনে বইটি নিষিদ্ধের দাবী তুলতে হবে সেখান থেকেই.....এছাড়া কোন উপায় দেখছিনা

আমাদের দেশের বেশীর ভাগ মানুষইতো কঠোরভাবে শাস্ত্রমন্ডিত......মকসুদুলমোমেনীনও তাই তাদের কাছে শাস্ত্রস্বরূপ
৬৭. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫
comment by: উন্মনা রহমান বলেছেন:
@ মুজিব মেহদী
আলোচনার সারসংক্ষেপ পাঠানো যায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এবং সংবাদপত্রে পাঠানো যায় প্রচারের জন্য।
৬৮. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
comment by: মুজিব মেহদী বলেছেন: সামী মিয়াদাদ এবং উন্মনা রহমান আপনাদের দুজনের প্রস্তাবই ভালো। তবে সামীর প্রস্তাবটির বাস্তবায়নে আমরা অপারগ, আমরা উন্মনার প্রস্তাবটিই হয়ত বিবেচনা করতে পারি।

কিন্তু এটি করতে গেলেও কিছুটা সাংগঠনিক উদ্যোগ দরকার হবে বলে মনে করি। সবাই মিলেই এগিয়ে যেতে হবে। আমার একার উপরে ছেড়ে দিলে হয়ত ঠিক হবে না। কী মনে করেন আপনারা?
৬৯. ০৪ ঠা মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭
comment by: েক আিম বলেছেন: মোকসোদূল মোমিনিন টাইপ ফালতু বই গুলা সবার আগে ব্যান করা উচিত। সালারা হয় খেচার সময় না হয় সঙ্গম করার সময় কোরানের এই আয়াত বা হাদিস গুলা ব্যাখ্যা করছে। এই সব বই আগে ব্যান করা উচিৎ তারপর তথাথিত ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা বই।

আমি যতটা না সালমান রুসদি, আরজ আলী বা তাসলীমার বই পড়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত পাই তারচেয়ে হাজার গুনে আঘাত পাই এই সব ধর্মীয় বই পড়ে। এই সব বই যে কোন সুস্থ মস্তিষ্কের লোক বিবেক নিয়ে পড়লে ইসরামকে ভূল বুঝবেই।

সামী সহমত।।।।