গাছলতাপাতাদের প্রজাপতি সংস্রব উপভোগ্য বেশ, ওই হৃদ্যতাকথা যেদিনই লিখতে বসে কবি, কলম ধরে সে যে কেমন এক হেঁচড়াটানা, পারে তো লিখে দেয় লতায় প্যাঁচিয়ে ধ'রে হাত, লিখে, ভালোবাসাজাত যাবতীয় অতিকেই আমরা শেষাবধি মেনে নেই, খুশিমনে, যেজন্যে ভালোবাসার জন্যে ফিরি দ্বারে দ্বারে ভিখিরির প্রায়, কিন্তু ভালোবাসা ব্যাপারটাকে সংজ্ঞা-কাঠামোতে নিয়ে যেতে ওরা ঠিক কী কী শব্দ ব্যবহার করে, এতদবিষয়ে সদা প্রতিবেশী সব ফড়িংকেও অতিকায় এক অস্পষ্টতার নিচে লুকিয়ে রাখে, লিখে, আমরা পুরানো দিনের গানের খুব ভক্ত গো, রোদ ঝলমল যত সকালবেলা ওদের, ফিরে নাকি আসে নি কখনো আর কোনো শীতকালে
পতঙ্গভুক লতার হাত ছাড়িয়ে কবি লিখে, যাকে হারায় তাকে পাবার জন্যে যে ব্যাকুলতা, মানুষেরা তা থেকেই ধারণা করে বসে যে সমস্ত অতীতই চিরকাল সারবান-- প্রত্যক্ষ, অনুমান, আপ্তবাক্য-- এই ত্রিবিধ প্রমাণই সেখানে ব্যর্থ যদিও, এটি মূলত পরিচয়ের প্রতি মানুষের এক সহজাত টান, অপরিচয়ের প্রতি সন্দেহ, সমাজ-রাষ্ট্রের বদ সব অস্থিরতাও এসবের বড়ো গূঢ় প্রণোদনা বটে
বাজাই বাজাই করে না-বাজানো বাদ্যগুলোর অমিত সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে ভার কাঁধে দূরপথে হেঁটে যাবার বেলা চোখেলাগা পাহাড়ি ধ্বংসলীলা কীসের মহড়া ওগো লীলাবালি, পাথুরে ধরন আর অল্পসল্প তেঁতো, সে কি আপাত অপরিচয়ের নিচে এক অতিকায় প্রাণজাগ দেয়া নয়, গাছলতাপাতাদের ঢের কাছে
Image from: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



