শৈলীপনা
১৭ ই এপ্রিল, ২০০৮ বিকাল ৩:২৫
একটা শব্দকে ধরে ঝুলে পড়ে
কতদূর যাওয়া যায় দেখিয়ে গেছে
আমাদের সুরেশ কাহারি
রেশ ধরে যেতে গেলে, জানত সুরেশ,
যারা থাকে পড়ে থাকে পথের দু'ধারে
একদিন ঝুলে পড়া ছেড়ে দিয়ে তাই
কল্পনা শক্তিতে সে ভাসতে থাকে অবলম্বনহীন
দেখা গেল, যাপনবিষাদঘেঁষা ওর সব স্মৃতি থেকে
নতুন কাঠামো গড়তে উঠে আসছে
ফেলে আসা স্যাঁতসেঁতে জীবনের আনাচকানাচ
ওর কিছু শৈলীপনা আমাদের ভালো লেগেছিল
শোনা যায়, একান্ত দুর্দিনে কিছুদিন
পথেই থেকেছে আমাদের সুরেশ কাহারি
Image from: http://www.squidoo.com
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কবিতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অজ্ঞাতকুলশীল বিভাগে ।
সামী মিয়াদাদ বলেছেন:
হুমমমমম.....
লেখক বলেছেন: ........................?
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, সুরেশের কাছে শিক্ষা নেবার আছে।
আজহার ফরহাদ বলেছেন:
শোনা যায়, একান্ত দুর্দিনে কিছুদিনপথেই থেকেছে আমাদের সুরেশ কাহারি
এই সুরেশ কাহারি কিংবা তনুজা শর্মা এদের চরিত্রসমষ্টি আপনাকে যে অদ্ভুতভাবে কবিরূপ দেয় তার তুলনা মেলা ভার। নামগুলিই যেনো মুহুর্মুহু স্মৃতিকাতরতায় পূর্ণাঙ্গ কবিতা হয়ে ওঠে।
লেখক বলেছেন: সামগ্রিকতার দিকে হেলানো আপনার মতামত সাহস দিল। দেখি, এরকম আরো কিছু চরিত্র ধীরে ধীরে পোস্ট করব।
লেখক বলেছেন: সর্বনাশ!
এসব মাল ঘরে উঠিয়ে ডাকাত ডাকতে যাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে না রাজামশাই। দিতেই যদি চান, আপনার গোলামী করে বেঁচে থাকার একটা সুযোগ দিন। পুরস্কার হিসেবে ওটাই খাসা হবে।
মামুন বাংলা বলেছেন:
কাহারির কাহিনীতো শুনলাম কাজটি কোথায়? লোকটি কোথায়? আপনি কোথায়? বয়স কত? কী করেন? জানালে ভালো লাগতো
লেখক বলেছেন: সব পাঠক যদি আপনার মতো সিভি চাইতে শুরু করে তাহলে আমার খবর আছে। কিন্তু একটা কথা, বাপের নাম জিগাইলেন না যে!
আইছেন যখন, বসেন, খান-দান, বিশ্রাম করেন। আস্তেধীরে সব এমনি এমনি খোলাসা হয়ে যাবে আশা করি।
প্রচেত্য বলেছেন:
চরিত্র - সুরেশ কাহারী, আর তার শৈলীপনা
সে শৈলীপনার সৌন্দর্যকে সংগ্রহ করে পোষ্টদাতার পোষ্ট রচনা
তা বেশ বেশ
লেখক বলেছেন: পাস নম্বর পাইলাম কি না তা ঠিক বুঝবার পারতাছি না।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
চমৎকার..........।
লেখক বলেছেন: কোন জিনিসটা চমৎকার? সুরেশ কাহারি নামটা নাকি কবিতাটা?
প্রচেত্য বলেছেন:
"পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছের ভিতর এই বান্দা একজন কারণ "আমি একবার রেটিং দিয়েছি"সো, বুঝতেই পারছেন
অবশ্যই প্লাস
লেখক বলেছেন: যাহোক, স্বস্তি পাওয়া গেল।
কল্পনা শক্তিতে সে ভাসতে থাকে অবলম্বনহীন
দেখা গেল, যাপনবিষাদঘেঁষা ওর সব স্মৃতি থেকে
---- আসলে আমরা সবাই ঝুলেই আছি কি না !!!!
লেখক বলেছেন: কে জানে? হতে পারে ঝুলেই আছি। আমরাই হয়ত সুরেশ কাহারি একেকজন।
ছক্কা হাজী বলেছেন:
সুরেশ কাহারি আর ছক্কা হাজী একলগে পথে তাস পিটাইতো ।এই তথ্য টি আপনারে জানাইয় গেলাম , কবি !
ইউ আর এ গ্রেট কনটেমপোরারি পোয়েট ।
লেখক বলেছেন: সুরেশ কাহারির সঙ্গে কথাবার্তায় সে আপনার নামটা হয়ত বলেওছিল, মনে রাখতে পারি নি। মাফ করবেন হাজী সাব। আপনার ও তাসের সঙ্গপ্রণোদনা সুরেশের বিকাশে ভূমিকা রেখেছে নিশ্চিত।
আপনার শেষবাক্যে আমি খানিকটা সংকোচ বোধ করছি।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
এত সুন্দর।"রেশ ধরে যেতে গেলে, জানত সুরেশ,
যারা থাকে পড়ে থাকে পথের দু'ধারে......।"
আপনার কবিতা মানেই ভাবনার অনেকটুকু পথে ঘুরে আসা।
বারবার ফিরে ফিরে আসা।
"ওর কিছু শৈলীপনা আমাদের ভালো লেগেছিল
শোনা যায়, একান্ত দুর্দিনে কিছুদিন
পথেই থেকেছে আমাদের সুরেশ কাহারি......"
দারুন লেগেছে।
শুভেচ্ছা নিন....।
লেখক বলেছেন: 'আপনার কবিতা মানেই ভাবনার অনেকটুকু পথে ঘুরে আসা।'
নোটেড। এই ভাবনা আমি ভেবে দেখি নি।
শুভ ইচ্ছা আপনার প্রতি।
লেখক বলেছেন: আপনি তো কিছু বললেন না।
রাশেদ বলেছেন:
ভাল্লাগছে।
লেখক বলেছেন: রাশেদের ভালো লাগলে আমি একটা জিনিস বুঝি যে লেখাটা কমিউনিকেশনের দিক থেকে উতরে গেছে।
কালপুরুষ বলেছেন:
হে সুরেশ কাহারি, তোমার শৈলীপনা-কোন কোন কবিকে করে তোলে আনমনা।
প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে তোমার কর্মকান্ডে,
সদা কাব্যের সঞ্চারণ, মনের গোপন ভান্ডে।
লেখক বলেছেন: সেই, সুরেশকে প্রণাম।
বেড়ে কবিতা করলেন তো!
সাতিয়া মুনতাহা নিশা বলেছেন:
বুঝতে চেষ্টা করছি...............কার শৈলীপনা বেশি!!!!
লেখক বলেছেন: কী বুঝলেন! কার বেশি?
লেখক বলেছেন: আরেকটু খুলে বললে হতো না কবি!
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শুনে আনন্দ হলো।
সুতরাং বলেছেন:
একটা শব্দকে ধরে ঝুলে পড়ে কতদূর যাওয়া যায় দেখিয়ে গেছে
আমাদের সুরেশ কাহারি
রেশ ধরে যেতে গেলে, জানত সুরেশ,
যারা থাকে পড়ে থাকে পথের দু'ধারে...
পুরো কবিতাটি খুব ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: তাই? ধন্যবাদ আপনাকে।
রিফাত হাসান বলেছেন:
ওর কিছু শৈলীপনা আমাদের ভালো লেগেছিল...সত্যি। আমারও। এই লাইনটা অসাধারণ। আপনার কবিতা লেখার ধরনটা আমার পছন্দ। আর কবিতা নিয়ে কাটাছেঁড়া করাটা অনুচিত। তারপরও একটা মন্তব্য যদি করি কিছু মনে করবেন না, একটা অসাধারণ লাইনের সাথে অন্য লাইনগুলো রেশ ধরে যেতে পারে নি পুরো কবিতা জুড়ে। তবুও একটা লাইনের অনুরণন সারাক্ষণ থাকবে.. ওর কিছু শৈলীপনা আমাদের ভালো লেগেছিল...
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: কিছু মনে করবার কোনো কারণই নেই। আপনি সবসময় আমার ব্লগে এভাবে কথা বললেই বেশি খুশি হবো।
আপনার সাথে আমি খুবই একমত যে, ওই বাক্যটি একটি আলাদা শক্তি নিয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু আমি ভুলি নি যে, অন্য লাইনগুলো লিখতে লিখতেই এ লাইনটা এসে হাজির হয়েছে। তবু ওর বিশেষত্ব গুণেই ওকে আলাদা মর্যাদা দিয়ে একাই এক প্যারা করে রেখেছি।
'কবিতা নিয়ে কাটাছেঁড়া করাটা অনুচিত।'
আপনার এই বাক্যের সাথে আমি একমত নই। আমি হামেশাই কাটাছেঁড়া করি। ১০০ শতাংশ স্বতঃস্ফূর্ততায় আমি বিশ্বাস করি না। বারবার বদলাই। এমনকি আমার যে বইগুলো ছাপা হয়েছে, কখনো পুনর্মুদ্রণের সুযোগ এলে ওখানেও বদলে যাবে। এটারও কোনো অংশ কখনো বদলে যেতে পারে। তখন আপনার মন্তব্যের কথাও আমি মনে রাখব। যদিও অন্য লাইনগুলো যতই বদলাতে চাই না কেন, এটার আশপাশ দিয়েও আসবে না, সেটা বলে দেয়া যায়।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, কথা শেষ হয় নি। শেষ হওয়ার দরকারও নেই। চালিয়ে যাব। চলতেই থাকবে। আসব সময়ে।
লেখক বলেছেন: মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ সুনীল সমুদ্র।
মুকুল বলেছেন:
কবি, তনুজা'দিকে চিনি। সুরেশ কাহারিকে তো চিনলাম না!তবে কবিতা দারুণ লেগেছে। এধরনের ভাবনার কবিতা আগে পড়েছি বলে মনে পড়ে না।
*****
লেখক বলেছেন: সুরেশ কাহারি বলে কাউকে আমি চিনি না আসলে। ভাবুন একজন সক্রিয় কবিতাকর্মীর নাম এটা। যিনি কিনা অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে বড়ো হয়েছেন এবং যাঁর ইমাজিনেশনের ক্ষমতা অনেক বেশি, অথচ জীবনবিচ্যুত নন মোটেই।
ভালো লাগায় সাফ্যল্যের আনন্দ পাচ্ছি।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ভাবুন আর ঝুলে পড়ুন, ঝুলে পড়ুন আর ভাবুন।
মাছরাঙ্গা বলেছেন:
নিত্যনৈমিত্তিক জীবনের সারকথা। অবলম্বন ধ্বসে পড়ে, ধ্বসা অবলম্বনের উপরে জীবন আবার নতুন ভিত্তি গড়ে। অপূর্ব, অসাধারণ, অবর্ণনীয় চমৎকার।
লেখক বলেছেন: বটে।
গড়ে ভাঙে, ভাঙে গড়ে।
ভাঙে...
এরকম করে বললে কীরকম কীরকম লাগে।
ধন্যবাদ মাছরাঙ্গা।
আন্দালীব বলেছেন:
চমৎকার!প্রথম তিন লাইনে বলতে চাওয়া ঐ একটা শব্দকে "কবিতা" বা "কবি" ভেবে নিলে আরো ভালো লাগে যেন...
আপনার সাবলীল লেখনী ভালো লাগাচ্ছে এই লেখাকে। শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: আন্দালীব, আপনি তো দেখি জিনিয়াস একজন।
কবিতাটার নতুন এক মাত্রা আবিষ্কার করে ফেললেন।
ডিসকভারিস্ট আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ইমরান খান ইমু বলেছেন:
একটা শব্দকে ধরে ঝুলে পড়েকতদূর যাওয়া যায়
মুজিব ভাই কতোদূর যাওয়া যায় বলতে পারেন?...
আমাদের আর কতোদূর পথ বাকি...
লেখক বলেছেন: এই যাওয়ার কোনো শেষ নেই, যে যতটুকু যেতে পারেন। সুরেশ কাহারি একরকম গেছে, আপনি একরকম যাবেন, আমি একরকম, এই আর কি।


















