লিখতে বসে অনুভব করি জানালাপথে প্রবাহিত বাতাস বয়ে আনছে পাণিনির অষ্টাধ্যায়ী ব্যাকরণ বইয়ের ছেঁড়া পাতা, সাথে সিদ্ধ হেমশব্দানুশাসন, বোপদেবের মুগ্ধবোধ, চান্দ্র ব্যাকরণ এবং আরো আরো, হঠাৎ বলা নেই কওয়া নেই এমন ব্যাকরণপ্রবাহে ভেসে যেতে যেতে আমি সাহিত্য বর্জনের কথা ভাবি, কেননা আজকাল লেখালেখিতে শুদ্ধ শব্দ-বাক্য আশা করলে একদল লেখক কেবল মারতে আসা বাকি রাখে, বলে পশ্চাৎপদ, এই ভয়ে একটুও না পড়ে দেখে, ধরে ধরে ভাঁজ করে ওসব ছেঁড়া পাতা ১৮ খণ্ড রবীন্দ্র-রচনাবলীর পাশে রেখে দেই, তাতে ঐতিহ্য সংস্করণে রবীন্দ্র-রচনাবলী মোট ১৯ খণ্ড বলে ভ্রম হয়
এহেন বেহাল দশাকে আমার আমলে না নিয়ে স্ত্রী এসে জিজ্ঞেস করে, রেফের ক্ষেত্রে দ্বিত্ব পরিহার করা কেন জরুরি মানবো যদি 'ধর্ম্ম'কে 'ধর্ম' লিখলে মানেটাই বদলে যায়, মনে হয় এবার পড়েছি আমি ফাটা বাঁশে
প্রশ্নের পক্ষে বাংলা ভাষার প্রাণভোমরার খোঁজকারী কলিম খান স্বয়ং আছেন জেনে একদম রা না করে ওর দিকে বাড়িয়ে দেই শুধু পরমাভাষার সংকেত, এবার যাহোক বাতাস কিছু কমে
Image from:
http://grammar.ccc.commnet.edu/
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই জুন, ২০০৮ রাত ১০:০১