যাপনবিদ্যা
১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৯
যৌবনবাদ্য থেমে যাবার আতঙ্ক গভীর হয়ে এলে রুটির দিক থেকে মুখ সরিয়ে নিয়ে রাখো ঘাসে বসে ঝিমানো নিসর্গের প্রচ্ছদে, টানো গভীর নিঃশ্বাস, ফড়িঙের ওড়াওড়ি তাতে বাড়ে, বৃষ্টি নামে ঝমঝমিয়ে আকাশের ছাদ ভেঙে, এর যে নিজস্ব তৌর্যত্রিকতা সেটা কানে নিয়ে প্রৌঢ়ত্বের পরিধির ভিতরে নির্মিত প্রফুল্ল গৃহে করে যাও যথেচ্ছ যাপন
এটা হবে ক্রমশ পচে ঘিনঘিনিয়ে ওঠা সমাজদেহ থেকে সুদূরে স্থাপিত, রাষ্ট্রদেহের জঙ্ঘার নিচে গজানো এইসব যাপনবিদ্যার দিকে কালা সব কানুনেরা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে যাবে, রাষ্ট্রের সামর্থ্য নেই যে মনের পায়ে শিকল পরাবে মানুষের, কিংবা গাধায় চড়িয়ে পার করে দেবে আচার সীমানা
রাষ্ট্রের চোখ বড়ো স্থূল, ওটা যা দেখে তা দেখে কানারাও, যা দেখার তা দেখে না কস্মিনকালে
ভিতর দিক থেকে একটা একটা করে খড়কুটো নামিয়ে এনে গড়ে তোলা ওই পাখিনীড় পাতার পৌরহিত্যে দেখবে মানিয়ে যাচ্ছে বেশ
Image from: http://www.malloryartandphotography.com
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কবিতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অজ্ঞাতকুলশীল বিভাগে ।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
হুমমমম....। দৌড়ের উপরে।
লেখক বলেছেন: কী দৌড়ের উপরে? আপনি, আমি, নাকি কবিতা? আঙ্গিক নিয়ে বললেন কি?
লেখক বলেছেন: কঠিন হয়ে যাওয়ায় দুঃখিত।
অন্যমনস্ক শরৎ বলেছেন:
ভিতর দিক থেকে একটা একটা করে খড়কূটো নামিয়ে এনে গড়ে তোলা ওই পাখিনীড় পাতার পৌরহিত্যে দেখবে মানিয়ে যাচ্ছে বেশঅদ্ভুত সুন্দর। অনেকদিন পরে দেখলাম। কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ শরৎদা, অনিয়মিত ছিলাম ম্যালাদিন। এবার দেখা হবে আশা করছি।
রিফাত হাসান বলেছেন:
যৌবনবাদ্য থেমে যাবার আতঙ্ক গভীর হয়ে এলে রুটির দিক থেকে মুখ সরিয়ে নিয়ে রাখো ঘাসে বসে ঝিমানো নিসর্গের প্রচ্ছদে, টানো গভীর নিঃশ্বাস- খুব ভাল লাগল, অনেকদিন পর।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ জানবেন।
রাজর্ষী বলেছেন:
ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: তাই! তাহলে তো ভালোই।
হিমাদ্রি বলেছেন:
মুজিব ভাই, লেখা টা ভালো আইছে। তয় আরও একটু ভা ই ঙ্গা লেখলে আরও ভালা অই তো।
লেখক বলেছেন: সব লেখা আমি 'ভা ই ঙ্গা' লিখতে পারি না।
প্রণব আচার্য বলেছেন:
রাষ্ট্রের চোখ বড়ো স্থূল, ওটা যা দেখে তা দেখে কানারাও, যা দেখার তা দেখে না কস্মিনকালেলেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আমার তাই মনে হয়।
আপনারও কি!
হাসান বিপুল বলেছেন:
শব্দের তৈরি বাবুই-বাসা ভালো লাগে বরাবর। কেবল এক নজর চেখে গেলাম। ফিরতি পথে জানিয়ে যাব ভাবনাগুলো। সতেজ থাকুন।
লেখক বলেছেন: এরকম আশা দিলে সতেজ না থাকব কেমনে?
আপনার ফিরতি পথের দিকে তাকিয়ে থাকলাম।
লেখক বলেছেন: আপনার প্রোফাইল পিকচারটা দেখলে কেমন কেমন যেন লাগে!
ফয়েজ রেজা বলেছেন:
ভাই কেমন কেমন লাগে?আপনার জন্য আনন্দের সংবাদ এই পিকচারে যৌবনবাদ্য বেজেই চলেছে, বেজেই চলবে। পৃথিবীর শুরু থেকে....তারপর যেখানে পৃথিবীর শেষ সেখানে যদি থামে থামতেও পারে.... অতএব যেমন যেমন লাগে লাগতে দিন...।
লেখক বলেছেন: এই সংবাদটা ছবি দেখেই পেয়ে গেলাম বলেই তো কেমন কেমন লাগল।
ফয়েজ রেজা বলেছেন:
এখন তো অন্যের ছবি থেকে, সামনে কবিতা থেকেও পাইবেন... আসিতেছে।
লেখক বলেছেন: আসুক, স্বাগতম।
মাছরাঙ্গা বলেছেন:
লেখাটি পড়বার সময় মনে হল আপনার রাগের কথা আমি মুখোমুখি শুনছি।
লেখক বলেছেন: লেখাটিতে একটা রাগ প্রচ্ছন্ন আছে বৈকি। কিন্তু সেটায় যে খুব একটা আড়াল তৈরি করতে আমি ব্যর্থ হয়েছি তা তো আপনার কথা শুনেই বোঝা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে বলা যায় যে আমি কবিতাটির জন্য ক্ষতিরই কারণ হয়েছি।
বিল্লাল মেহদী বলেছেন:
'রাষ্ট্রের চোখ বড়ো স্থূল, ওটা যা দেখে তা দেখে কানারাও, যা দেখার তা দেখে না কস্মিনকালেভিতর দিক থেকে একটা একটা করে খড়কূটো নামিয়ে এনে গড়ে তোলা ওই পাখিনীড় পাতার পৌরহিত্যে দেখবে মানিয়ে যাচ্ছে বেশ'
ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: বেশ তো।
লালপ্রভাত বলেছেন:
খুব সাহসী উচ্চারণ ।
লেখক বলেছেন: যতি তাই হয়, তাহলে ভালো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি।
লেখক বলেছেন: আছি ভালো, আপনি কেমন? ভালো লাগা জানানোয় ধন্যবাদ।
মাছরাঙ্গা বলেছেন:
আবার ডুব মেরেছেন ! নতুন লেখা কই ?
লেখক বলেছেন: ডুব দিই নি, কাজ আমাকে ডুবিয়ে দিয়েছে।
অ রণ্য বলেছেন:
ভায়া বেশ হয়েছে লেখাখানএকটা ক্লেশ যেন ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে লেখার পরতে পরতে
যার সাথে মিশিয়ে দিয়েছেন জীবনবোধ বা অভিজ্ঞতা
ভাল লাগা রেখে গেলুম
কালকে আপানার এই কবিতাটা পড়ছিলুম
Click This Link
একটি শব্দ অধ্যাস
এখানে "অধ্যাস" কি হিসেবে ব্যবহার করেছেন জানার জন্য আগ্রহ হচ্ছে ভীষণ..ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন
লেখক বলেছেন: লেখাটির ব্যাপারে আপনার অনুভূতি জেনে ভালো লাগল।
কবিতাটিতে 'অধ্যাস' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে Hallucination-এর বাংলা প্রতিশব্দ হিসেবে।
'একটি শব্দঅধ্যাস' কৌরবে ছাপা হবার পর অনেক বদলে গেছে। পরবর্তী সময়ে এটি আমার দ্বিতীয় কবিতার বই 'ময়দানের হাওয়া'য় অন্তর্ভুক্ত হয়। এখানে দেখতে পারেন নতুন ভার্সনটি।
Click This Link
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
ভালো লাগলো..........প্রথম প্যারাটা ভাবালো......সময়টাকে দেখতে পেলাম.........।
কেমন আছেন কবি?
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ভাবাতে পারা তো কবিতার প্রথম সারির কাজগুলোর একটি। সেটা যদি হয়ে থাকে তো অনেকই হলো, কী বলেন?
আমি ভালো আছি।
আলাপ বলেছেন:
রাষ্ট্রের চোখ বড়ো স্থূল, ওটা যা দেখে তা দেখে কানারাও, যা দেখার তা দেখে না কস্মিনকালে- সত্যই।এবং
সুন্দর লাগলো।
লেখক বলেছেন: সত্য পরম সুন্দর।
সত্য যদি, তবে তো সুন্দর লাগতেই হবে। তাই না!
দৌবারিক বলেছেন:
প্রথম স্তবকটা ভালো লেগেছে। বাকিরা যেন সে তুলনায় স্পষ্ট। যদিও আমি কোনো কবিতা বুঝতে চাই না। বুঝতে না পারাটাই আমার কাছে আনন্দের।
লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: ঠিকই তো।
অত স্পষ্ট প্রকাশকে আপনি কবিতা বলে নেবেন কেন? কবিতা তো আড়ালপ্রিয়, অন্তত পাছা উন্মুক্ত করে দিতে হলেও মুখ তার লুকিয়ে রাখতেই হয়, হবে।
ব্লগসহ সর্বত্রই পাঠকের নানা ঘরানা। কেউ বলেন, অত কঠিন কেন, সহজ করে লেখেন। কেউ বলেন, অত স্পষ্ট কেন, লুকিয়ে চরিয়ে রাখেন। লেখকের এ সবকিছুকেই আমলে নিতে হয় ও পিষে ফেলতে হয়। তাতে মনোজল ছিটিয়ে ঘটে যে প্রাণরসের উৎপাদ, তাই পরে চুঁইয়ে চুঁইয়ে নামে শব্দশাখা বেয়ে।
দৌবারিক বলেছেন:
কে কী বলল, কবিতা কি এত কিছু মেনে চলে? কবিতা বা আপনার অন্তরাত্মা তো তার স্বভাব মতই চলবে। সচলায়তনে আপনার জেনবাদ বিষয়ক লেখাটা পড়ছি। এখনো শেষ হয় নি। সম্পূর্ণ নতুন জিনিস। হীনযানকে কি হিনায়ানাও বলা হয়? তবে শব্দটা যানের চেয়ে সুন্দর।
লেখক বলেছেন: কবিতা বা আমার অন্তরাত্মা আমার স্বভাব মতোই তো চলে। তবে পরিপার্শ্ব একটা মনোযোগ পাবে, সেটাও কি সঙ্গত নয়? এজন্যেই তো এসব বললাম যে, 'লেখকের এ সবকিছুকেই আমলে নিতে হয় ও পিষে ফেলতে হয়। তাতে মনোজল ছিটিয়ে ঘটে যে প্রাণরসের উৎপাদ, তাই পরে চুঁইয়ে চুঁইয়ে নামে শব্দশাখা বেয়ে।' নইলে পাঠকের প্রতিক্রিয়া কী এমন অর্থ বহন করত!
ওটা ওই অনুবাদ সিরিজের ভূমিকা রচনা। পরে পুনর্লিখিত হয়েছে। নতুন ভার্সনটাসহ গোটা ত্রিশেক জেনগল্পের অনুবাদ রবিউল করিম সম্পাদিত ব্যাসের পরবর্তী সংখ্যায় থাকছে। আগ্রহ থাকলে খোঁজ রাখতে বলি।
তাছাড়া চোখ রাখলে অচিরেই আরো বেশ কিছু নতুন জেনগল্প পড়তে পারবেন সচলায়তনে। পোস্টাব এ সপ্তাহেই।


















