আমার প্রিয় পোস্ট

প্রতিদিনকার চলা মমি করে রেখে যাই ওয়েবের পিরামিডে

ভ্রমণ, গদ্যভঙ্গিতে

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

গদ্যভঙ্গির অদূরে স্থাপিত সুউচ্চ আশ্রয়কেন্দ্রে তোমার
কাটিয়ে এসেছি গুরুতর সন্ধ্যা এক থই থই এবার ভাদরে

পথে ছিল জল বাক্যে বাক্যে ঢেউ চাল ছুঁয়ে থাকা
বাঘে-মোষে একাকার হয়ে থাকা পৃষ্ঠা জুড়ে
বহুত্ববাদের সব চারাগাছ দুলতে দেখেছি

বিষাক্ত একটা সাপ প্রকাশ্যে সাঁতরে এসে যে বাক্যে বসেছে
পাশে তার একটি শিশুর হাতে লুটছে পৃথিবী

বানের জলের কোনো প্যারাস্পেস নেই
টানাস্রোত ভেঙে ভেঙে যেখানে দাঁড়াই
সেটা ছিল বিস্তারিত ফুটনোট গলাঅব্দি জলে

অনুজ্ঞাজ্ঞাপক এক বাক্যের কোমর ধরে সামনে এগোতে দেখি
একটু একটু করে কমে জল জেগে ওঠে ঊর্ধ্বমুখী সিঁড়ি

মিতক্রিয়াময় বাক্যদের জানালায় টই টই প্রভূত বাতাস

Artwork: Water Hole of Tom Laidman (b. 1927) from http://www.loc.gov/

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কবিতা ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অজ্ঞাতকুলশীল  বিভাগে ।

 

  • ২০ টি মন্তব্য
  • ২৩৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৮
comment by: আলাপ বলেছেন: বানের জলের কোনো প্যারাস্পেস নেই
অথবা
অনুজ্ঞাজ্ঞাপক এক বাক্যের কোমর ধরে- দারণ!
তবে 'প্রভূত বাতাস'- কে ধরতে পারবার কাঙখা সুতৃপ্ত হলনা।
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: সব কি একবারে ধরা দেয়!
হয়ত আরবার চাইলেই গায়ে মৃদু স্পর্শ পেতে পারেন।

২. ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৭
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: যথারীতি দারুন মুগ্ধতা!!
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:২২
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: বুঝিনাই
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৯:০৯

লেখক বলেছেন: দুঃখিত।

৪. ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
comment by: মাছরাঙ্গা বলেছেন: এ লেখা একমাত্র কবিকেই মানায়। সব পাঠকের জন্য এ কবিতা নয়- কবি এখানে পাঠক নির্দিষ্ট মাত্রায় রেখেছেন।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: কী জানি, হলে হতেও পারে।
যদিও 'পাঠক নির্দিষ্ট মাত্রায়' রাখার কোনো বাঞ্ছা আমার ছিল না।

৫. ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০৪
comment by: ফিউশন ফাইভ বলেছেন:
অফটপিক
আমার এই পোস্টটা দেইখা আপনার পাঁচটা প্রিয় কবিতার নামধাম দিয়া গেলে ভালো হৈতো।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: ফিউশন ফাইভ,
আপনার পোস্টটা ঘুরে এসেছি।
চট করেই কিছু নাম বলে আসা যায়, কিন্তু লিংক খুঁজবার সময়-সুযোগ তো নেই। আর ওসবের কোনো লিংক পাওয়াও ভার হবে নিঃসন্দেহে। তাই একটু সময় নিচ্ছি। নিজেই কোথাও আপলোড করে লিংক দিয়ে আসব।

৬. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৩১
comment by: আন্দালীব বলেছেন: চমৎকার লাগলো।

কিন্তু "অনুজ্ঞাজ্ঞাপক" শব্দটিতে এসে এই কবিতায় আদ্যোপান্ত লালিত মসৃণতাকে একটু খর্ব হতে দেখি।

ভালো থাকবেন কবি।
২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: এই এক সমস্যা (!) আমার কবিতার। প্রায় সব কবিতায়ই এরকম অকাব্যিক এবং ভারী কিছু শব্দ ঢুকে যায়। চাপাতে হয় না মোটেই, কোনদিক দিয়ে যে এরা ছাড় পেয়ে, টেরই পাই না। এটাই বেশি মুশকিলের।
দেখা যাক, ভবিষ্যতে আরো বেশি করে টাইট দেবার চেষ্টা নেব, যাতে এ জাতীয় শব্দ তেমন প্রশ্রয় না পায়, যাতে প্রত্যাশিত মসৃণতাটা অটুট থাকে।

৭. ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬
comment by: মুক্তি মণ্ডল বলেছেন: আপনার কবিতায় ভাব ও কথার সেতু এক হয়ে ওঠে। কথারা ভাবের পিঠে চড়ে খোলা আকাশের দিকে তাকায়ে থাকে। কেন থাকে? এর কোন উত্তর যেন নেই।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৫২

লেখক বলেছেন: মুক্তি মণ্ডল, আপনি অনেক উচ্চমার্গীয় কথা বলেছেন। ভাব যদি কথার প্যাঁচে ঠিকঠাক ধরেই ফেলা যায়, তাহলে কথাকলার তো সবই চরিতার্থ হলো। তবে ওই যে আবার বললেন, আকাশের দিকে কথাদের তাকিয়ে থাকা, ওখানেই খানিকটা সংশয় দানা বাঁধে। এই অর্থে যে, কথারা ওখানে ভাবের সাথে ঠিক যাচ্ছে না হয়ত, একটু সম্ভবত অসংলগ্ন বোধ করছে। এটা খামতি তো বটেই।

এহেন খামতি আমার দূর হওয়া দরকার বোধকরি।

৮. ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:০৬
comment by: দৌবারিক বলেছেন: একটু একটু বুঝেছি মনে হয়। মানে সঠিক না হলেও ভুলটা তো বুঝেছি। সে ভুলটাই ভালো লেগেছে।
২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: কবিতার বোঝাটা এরকমই বোঝা। আপনি আমার কবিতাকে আক্ষরিকভাবে বুঝুন, এমনকি আমিও চাই না সেটা। তাতে কবিতার মৃত্যু হয়।
ভুলটা ভালো লাগলেই আমি খুশি।

৯. ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪
comment by: সুশান্তু সরকার বলেছেন: ধন্যবাদ; চমৎকার
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেকদিন পর দেখা গেল এ তল্লাটে। কোথায় কীভাবে আছেন? ব্যস্ত কি খুব?

১০. ২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৫
comment by: সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: "বানের জলের কোনো প্যারাস্পেস নেই
টানাস্রোত ভেঙে ভেঙে যেখানে দাঁড়াই
সেটা ছিল বিস্তারিত ফুটনোট গলাঅব্দি জল"..........।

মনে হলো এমন কোন বই পড়ছি......যার এক জায়গায় এসে এমন অবস্হা....স্হির হয়ে থাকে ভাবনারা।
"সেটা ছিল বিস্তারিত ফুটনোট গলাঅব্দি জল"..........এই লাইনটা তেমনই মনে হলো।
.........আশাকরি ভালো আছেন।
শুভেচ্ছা কবি।
২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: এই কবিতার আলপথ হয়ে ব্যক্তিগত পাঠাভিজ্ঞতার ভিতর দিয়ে নিষ্ক্রান্ত হওয়া যায়, সেরকম সুড়ঙ আছে এতে। আপনি ঠিকই শনাক্ত করেছেন সাজি।

ধন্যবাদ আপনাকে।

 



 


m.mehdy@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৫১৯০৩