আমার প্রিয় পোস্ট

প্রতিদিনকার চলা মমি করে রেখে যাই ওয়েবের পিরামিডে

দৈবচয়নের ভালোমন্দ : চার

১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৩৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

১৬.
ফাঁকি দিয়ে চলে যাই শেষে দূরদেশে
এক জোড়া চাকার আহ্বানে কুয়াশা মাড়াই
স্বজন উপেক্ষা করি

বহু দূর দিয়ে হাঁটি
যাতে কেউ দেখতে না পায় যে যাচ্ছি ঠিকই

আমি যাই আমি ফিরি
নিতি চরকি ঘোরা ঘুরি

১৭.
ধুলোবালিসহ পথ থেকে কুড়িয়ে ফুঁ দিয়ে
যেখানে রাখার নয় সেখানেই রাখলাম
ভার নিলাম দায় নিলাম

সে যখন ফিরে গেল
আমাকে কলঙ্ক দিয়ে গেল

১৮.
ছিল ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি
ভেবেছি অযথা মৃত
ভুল ভাবনার মাশুলস্বরূপ
আজ এই ঝলসানো মুখ

আমি পুড়ামুখো
আমার আগ্নেয়গিরি মন্থনের সাধ জেগেছিল

১৯.
তোমার যে পর্যন্ত গেলাম সেটা এক্সট্রিম
এর চেয়ে বেশি না হলেও চলে
এর চেয়ে বেশিটা আসলে বাড়াবাড়ি

তোমার যে পর্যন্ত গেলাম
সেটাই আমার কাঞ্চনজঙ্ঘায় ওঠা
এ বাবদ ওটি ভাবি যথেষ্ট অর্জন

২০.
এখন আমার ওঠা দরকার
ঝেড়ে
টান দিয়ে বের করা উচিত রহস্য সুতো
কতখানি প্যাঁচালো বা সোজা
কোনদিক থেকে কোনদিকে অভিমুখ ওর
বোঝা দরকার

এত চাপ নিলে মাথার ভিতরে
দেবে যেতে হবে আরো
ওঠা দরকার
ভেঙে ফেলা দরকার ওই রহস্য কুঠুরি

Image: The left-handed Punch, screenprint and articulated puppet by Rong King from http://ycba.yale.edu

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): খুচরো পঙক্তি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: অজ্ঞাতকুলশীল  বিভাগে ।

 

  • ১০ টি মন্তব্য
  • ১১৮ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
comment by: নকীবুল বারী বলেছেন: ভালো লাগলো পড়ে.............আগের পর্বগুলির লিংক দিয়েন.....এ ধরনের সাহিত্য কে কি বলবো...কণিকা?
১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ঠিক এর আগের পোস্ট তিনটিই এ সিরিজের, সেক্ষেত্রে বোধকরি লিংক দেয়া জরুরি নয়। চাইলে সহজেই খুঁজে নিতে পারেন।

এগুলোকে কী বলবেন সেটা আপনিই জানেন। আমি তো বলেছি 'খুচরো পঙক্তি'।

২. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৪৬
comment by: ফারিহান মাহমুদ বলেছেন: আমি পুড়ামুখো
আমার আগ্নেয়গিরি মন্থনের সাধ জেগেছি.................অসাধারণ।

ভালো লাগলো সবগুলোই।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফারিহান।

৩. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ১১:০৭
comment by: মাছরাঙ্গা বলেছেন: সাতটি সুরের একটি বাঁশি।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:১৩

লেখক বলেছেন: সুন্দর বলেছেন তো!

৪. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:৪৮
comment by: তুষার আহাসান বলেছেন: এক জোড়া চাকার আহ্বানে কুয়াশা মাড়াই.....
মনে গাঁথা হয়ে থাকল।
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:২৪

লেখক বলেছেন: কখনো ভারী লাগলে ফেলে দেবেন।

৫. ২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪৮
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: সাত নৌকায় পা দিলে কি হত আল্লাহ মালুম তবে সাত কাব্যে মাথা দিয়ে ফলটা হয়েছে বেশ মনোরম ।

অনেক দিন বাদে এলাম , চা পেলে মন্দ হতো না । আপনার শব্দ গুলোকে তেউড়ি ওঠানোর মত করে বাক্সে ভরে রাখতে পেলে মন্দ হতো না । মাঝে মাঝে বের করে ভোজন ও আত্মস্থ করন , আহা !

কবিতার কথা খবরে পড়ে পথে বেরুলাম
ব্যাটা নাকি মরেছে কাল রাতে
যে কিনা মেরে ফেলে কবি মন
তার তো মরাই উচিত অপঘাতে !
শব দাহ দেখে পা টেনে ফিরেছি ঘরে
যেমন পুরাতন অসুখ ফিরে গেলে দু'ফোটা কাঁদি
তখন কি জানি কবিতা ফিরবে এমন করে
আমার দেহহীন মননে গড়ে অসীম সমাধি!
২২ শে নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: ও ব্যাটার চিরমৃত্যু ঘটলে আমাদেরও মরণ, ফিরেছে সেই ভালো। একসূত্রে গাঁথা যে! দিনকয় সহবাস হলে নিশ্চিত ফের দেহও ফিরে পাওয়া যাবে।

আপনার ডাক্তারি বিদ্যার সাথে কবিতার কোনো আড়িমাত্র নেই। বেশ ফলে ওঠে হাত দিলেই। এই হাতকে অলস ফেলে রাখবেন না তো।

 



 


m.mehdy@gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৫১৮৮৬