একজনের পাণ্ডুলিপি আরেকজনের নামে চালানো কি বৈধ? ভিসিরা কী শেখাচ্ছেন আমাদের?
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩০
৬ ফ্রেব্রুয়ারি ২০০৯ বিকেল সাড়ে চারটায় বাংলা একাডেমীর তথ্যকেন্দ্রের সামনে লেখক-পাঠক-প্রকাশক ব্যানারে একটা মানববন্ধন করলাম আমরা। ব্যানারের বক্তব্য ছিল, 'মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে রোকেয়া কবীর ও মুজিব মেহদীর পাণ্ডুলিপি মুক্তিযুদ্ধে নারী চুরির ঘটনার তদন্ত চাই এবং মেহেদী হাসান পলাশ সহ জড়িত সকল অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই'। মামলাটা মেধাস্বত্ব চুরির, চুরিটা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এমাজউদ্দীন আহমদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি জসীম উদ্দিন আহমদের তত্ত্বাধানে ইনকিলাব সাংবাদিক মেহেদী হাসান পলাশ। ধারণা করছি, চুরিটা হয়েছে জোট সরকারের পাঁচ বছরের কোনো এক সময়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে। সুতরাং ঘটনাটা মোটেই অবহেলার নয়। কিন্তু আমার ২০ বছরের লেখক জীবনের বন্ধুরা কী জানি কী কারণে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানো প্রয়োজন মনে করেন নি। অবশ্য সবাই ব্যাপারটা সম্পর্কে জানতেন না, যাঁরা জানতেন, তাঁদের মধ্যেও খুব কমজনই এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন কিংবা আমাদের প্রবোধ দেবার চেষ্টা করেছেন। তাঁরা হয়ত মনে করছেন সমস্যাটা তো তাঁদের নিজেদের হয় নি, সুতরাং ভাবনা কী! কিন্তু তাঁরা একবারও ভাবেন নি হয়ত যে, এ ধরনের অপরাধকে বিনা প্রশ্নে ঘটতে দিতে থাকলে তাঁরা নিজেরাও একদিন এর শিকার হতে পারেন। অবশ্য আমার আশপাশের কেউ কেউ যে চোরের পক্ষেও দাঁড়াতে পারে তাও দেখতে হলো। অবিশ্বাস্য! সে বিবেচনায় আমার অল্পদিন সময়ের ব্লগার বন্ধুরা আমাদের ক্রমাগত সাহস যুগিয়েই চলেছেন, যেকোনো অবস্থায় তাঁরা পাশে থাকবেন বলেও আশা করি।
ধরুন, আপনার একটা পাণ্ডুলিপি কিছু তথ্য বিকৃত করে অন্য কেউ তার নামে ছাপিয়ে বাজারে বিক্রি করছে, আপনার কেমন লাগবে? আমার খুব খারাপ লেগেছে এবং এই খারাপ লাগা এখনো অব্যাহত আছে, যে কারণে ৫ ফেব্রুয়ারি আমার নতুন বই চিরপুষ্প একাকী ফুটেছে প্রকাশ পেলেও আনন্দিত হতে পারি নি কিংবা সটোরি লাভের গল্প কবে প্রকাশিত হবে, সে ব্যাপারে প্রকাশককে ফোন করে জানবারও আগ্রহ পাচ্ছি না।
আপনারাও কি এ ধরনের একটা চুরির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে প্রয়োজনে আমার/আমাদের পাশে এসে দাঁড়াবেন না?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): প্লাজিয়ারিজম ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিডি আইডল বলেছেন:
গতকাল কার পোষ্টে যেন দেখলাম আপনার সাথে এক মহিলা ছিলেন সহ-লেখক হিসাবে...তার কথাও তো দেখছি না কোথাও
লেখক বলেছেন: দেখুন সর্বত্রই 'আমাদের' বলছি, আমার নয়। ব্যানারটা দেখুন। পারলে লিংকগুলোও দেখুন।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ নম্রতা, এদেশে এমনও ঘটে!
বিচার প্রার্থনার প্রক্রিয়া চলছে।
রাগিব বলেছেন:
মুজিব ভাই, যারা চোরের সাফাই গাইছে, তারাও চোরের দলেই। "চোরের মায়ের বড় গলা" বলে কথা আছে না? ফেইসবুকে যিনি চোরের পক্ষে বিশাল রচনা লিখেছেন, তার নৈতিকতাবোধ সম্পর্কে প্রশ্ন জাগছে। আর বই চোরকে ঘৃণা করবো না কেনো ... সবাই মিলে প্রচন্ড ভাবেই ঘৃণা করবো। এইসব চোরের মুখোশ অনলাইনে খুলে দেন। আপনার সব পোস্ট থেকে অন্তত হাজারটা লোকে জানলো এই চোর আর তার দুই "সম্পাদক" এর কথা।
লেখক বলেছেন: এসব ক্ষেত্রে জানাজানি হওয়াটা সম্ভবত কাজের রাগিব ভাই।
চোরদের পক্ষে দাঁড়াবারও লোক রয়ে গেছে সমাজে, এজন্যই চোররা চুরি করতে সাহস পায়।
নরাধম বলেছেন:
ব্যর্থ রইছু দেখি মুখবইয়ে চোরের পক্ষে সাফাই গাইছে অনেক। এই রইছুমিয়া সবসময় সবাই যেদিকে যাইব তার উল্টাদিকে যাইব।
লেখক বলেছেন: ওই ভদ্রলোকের স্বভাবই এমন! উনার কাছ থেকে দলেবলে পাঠ নিতে অইব।
আয়াজ মাহমুদ বলেছেন:
সচলের আধা হিজড়াদের আপনার আশপাশ থেকে সরিয়ে দিন। দেখবেন শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ আপনার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছে।
লেখক বলেছেন: সচলরা কী দোষ করল ভাই? সচলায়তনের কয়েকজন বন্ধুর উদ্যোগেই তো মানববন্ধনটা হলো। আর ওঁরা থাকলে ওঁদের পাশে আপনাদের দাঁড়াতে সমস্যা কী?
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
বিষয়টি প্রথমে সচলে দেখেছিলাম। প্রতিবাদ জানিয়েছিলাম। নিন্দনীয় অপরাধ। ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকদেরও ঘৃণা হচ্ছে। অপরাধের বিচার চাই। সবসময় সাথে আছি।
লেখক বলেছেন: বিচার আমরাও চাই।
লেখক বলেছেন: যেটুকু দেখা যাচ্ছে, সেটুকুতেই অবিশ্বাস্য ঠেকছে; যা দেখা যাচ্ছে না তা না জানি কেমন!
বিডি আইডল বলেছেন:
দু:খিত পরে দেখলাম। আয়াজ মাহমুদ বলেছেন: সচলের আধা হিজড়াদের আপনার আশপাশ থেকে সরিয়ে দিন। দেখবেন শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ আপনার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছে।
লেখক বলেছেন: আমার জানামতে, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ সচলায়তনেও আছেন।
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন:
শুক্রবারের আপনাদেরকে দেখেছি দাঁড়ানো অবস্থায় । তখন মনে করেছি এটা মনে হয় নতুন কোন বইয়ের উন্মোচন অনুষ্ঠান । পরে আরিফ জেবতিক ভাইয়ের পোষ্ট পড়ে জানলাম । যদি সেদিন জানতাম তবে অবশ্যই পাশে দাঁড়াতাম । তারপরও চোরদের মুখোশ উম্মোচন হোক । সাবেক ভিসিরাও চোর । আমরা আছি আপনার সাথে । প্রতিবাদ চলবেই ।
লেখক বলেছেন: এই যে পাশে থাকবার কথা বললেন, এটাও আমাদের শক্তি যোগাবে।
জটিল বলেছেন:
আপনি যদি ইউনিতে গিয়ে গদাম লাথি মেরে আসতেন , অনেক সুখ পাইতেন । বিরল দৃশ্য হইত আহা !!ব্যাপারটা যা করেছে একমাত্র লাথি ই প্রাপ্য তাদের ।
লেখক বলেছেন: এরকম বলে-শুনে সুখ, করে সম্ভবত সুখ নাই। বিচার হোক আইনানুযায়ীই।
মুয়ীয মাহফুজ বলেছেন:
এমনও ঘটে!!!এই নির্লজ্জ নকলবাজ ও তার পৃস্ঠপোষকতাকারীদের জন্য ঘৃণা ছাড়া কি জানানো যায়?
প্রতিবাদের সাথে আছি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুয়ীয, আপনার বইটার যত্ন নিন।
রাশেদ বলেছেন:
হু, পোস্ট দেখেছিলাম।
লেখক বলেছেন: যাহোক।
রাশেদ বলেছেন:
এই ব্যপারে কি জিডি করা যায় থানায়?
লেখক বলেছেন: আমরা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
দাদা,
আপনি তো জানেন ভিসি হওয়ার প্রথম শর্ত চোর, দালাল আর চাটুকার হওয়া। সুতরাং তাদের পক্ষে এটা করা বা করানো খুবি স্বাভাবিক বিষয়। তবে শুকরিয়া যে তাদের অন্তত একটা চুরি আপনাদের বইয়ের কল্যাণে ধরা পড়ে গেলো। এবং তাদের মুখোশ খুলে গেলো। তারপরও যদি তারা জনসমক্ষে মুখ দেখাতে পারে, তবে তারা মানুষ নয়, কুত্তার বাচ্চা।
দুঃখিত, কুকুরসমাজকে মনে হয় অপমান করলাম।
------------------------------------------------------------------------------
সবসময় আপনার সাথে আছি।
একটা প্রেস কনফারেন্স করেন। যদি সম্ভব হয়।
লেখক বলেছেন: ১১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স হলে প্রেস কনফারেন্স হবে।
বহ্নিশিখা বলেছেন:
ব্রাত্য রাইসুর লেখা পড়ে অবাক হলাম। উনার এরকম পুরো বই চুরি হলে থুথু কেন, বোধহয় গদাম লাথি দিতে আহ্বান জানাতেন। এ ব্যাপারে আইনী পদক্ষেপ নিন।
লেখক বলেছেন: নেব। প্রক্রিয়া চলছে।
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন:
অধ্যাপক কবির চৌধুরীর নামেও এমন অনেক অনেক অভিযোগ আছে। ব্যাপারগুলো খুব দুঃখজনক। আপনি সরাসরি এমাজ স্যারকে বিষয়টা অবগত করলে তাঁর ভুলটি কোথায় হয়েছে বুঝতে পারবেন এবং আশাকরি, এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।
এছাড়া আদালতে নিষ্পত্তি হতে পারে এই দুষ্কর্মের। তবে, অনেক চাপ, হুমকির সহ্য করতে হবে আপনাকে; এমাজউদ্দীন বলে কথা!
লেখক বলেছেন: জসীম উদ্দিন আহমদের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, তাঁদেরকে সম্পাদনার জন্য পাণ্ডুলিপি দেয়া হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে।
থার্ড নয়ন বলেছেন:
ব্যপারটা নিন্দনীয়। তবে একটা ব্যাপার লক্ষ্য করলাম এটা কোন মৌলিক বই নয়। এটা সম্পাদিত। তার মানে আমার ধারনা এই বইয়ের মুল লেখাগুলি লিখেছেন বিভিন্ন লেখকরা । আর দুই ভিসি শুধু ভুমিকা লিখেছেন। এইখানে আমার একটা সন্দেহ জাগতেছে, পুরো ব্যাপারটা হয়তো দুই ভিসির অজান্তেই ঘটেছে। ইনকিলাবের সাংবাদিকের ই কারসাজি এটা। ঐ সাংবাদিক ব্যাটার কারসাজীতেই ফেসে গেছেন দুই ভিসি - এটা আমার ধারনা।
কারন, এমাজ উদ্দিন দেশের প্রথম সারির বুদ্ধিজীবি। উনার নিজের ই অনেক গুলি মৌলিক লেখা রয়েছে। উনি একটা সম্পাদিত বই এ নকল করতে যাবেন কেন ?
তবে এখন যেহেতু আসল ব্যাপার জানা গেছে , এটা আপনাদের সম্পাদিত আসলে। এখন দুই ভিসির উচিত নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করে নিজেদের নাম প্রত্যাখান করা।
লেখক বলেছেন: না, আপনি ঠিক ধরেন নি। এটা অনেক মানুষের লেখার একত্র গ্রন্থনা নয়। পুরো পাণ্ডুলিপিটাই প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি সোর্সের ভিত্তিতে আমাদের দুজনের (রোকেয়া কবীর ও মুজিব মেহদী) দ্বারা প্রণীত। পাণ্ডুলিপিটা বাংলা একাডেমীতে জমা দেয়া ছিল, পরে সেটা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তরিত হয়। ওখান থেকেই রচয়িতার নাম বদলে দুই সম্পাদককে দেয়া হয় ইতিহাসের যথার্থতা পরখ করতে। ধারণা করি এজন্য তাঁরা মন্ত্রণালয় থেকে অর্থও পেয়েছেন। এখানে তাঁদের নাম না-থাকতেই পারত। কিন্তু কী এক অদ্ভুত কারণে মূল চোরের নাম ভিতরে ব্যবহার করে সম্পাদক দুজনের নাম কভারে ব্যবহার করা হয়েছে। এই বুদ্ধি এশিয়া প্রকাশনীর প্রকাশকেরও হতে পারে।
আমরা দুটো প্রকাশনাই নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছি। সম্পাদকগণ মূল পাণ্ডুলিপির কিছু কিছু অংশ বাদ দিয়েছেন আর কিছু কিছু অংশ নিজেদের মতো করে বদলে নিয়েছেন। যেমন '২৬ মার্চ'স্থলে '২৭ মার্চ', 'নারী'স্থলে 'মহিলা', 'বঙ্গবন্ধু'স্থলে 'শেখ মুজিব', 'বাঙালির'স্থলে বাংলার ইত্যাদি।
থার্ড নয়ন বলেছেন:
শেষ লাইনে প্রত্যাহার করা হবে।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা, আমি সেরকমই বুঝে নিয়েছিলাম।
রাগিব বলেছেন:
@থার্ড নয়ন - "এটা কোন মৌলিক বই নয়। এটা সম্পাদিত। তার মানে আমার ধারনা এই বইয়ের মুল লেখাগুলি লিখেছেন বিভিন্ন লেখকরা । আর দুই ভিসি শুধু ভুমিকা লিখেছেন।" ---বইটা অনলাইনে রয়েছে। "মৌলিক বই নয়" এই ধারণা কোথা থেকে পেলেন!!!
(http://www.iedbd.org/pub/445300.pdf )
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাগিব ভাই।
হ্যাঁ থার্ড নয়ন, বইটা বরং পড়ে ওঠুন।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
এমাজ উদ্দীন প্রথমশ্রণির দালাল এবং জ্ঞানপাপী। তাই ফেসে গেছেন, নিজের দলের লোকের হাতেই, ওই সাংবাদিকও নিশ্চয় বিয়েন্পি করে। চোরে চোরে মাসতুতু ভাই
লেখক বলেছেন: আমি ঠিক জানি না সে কোন দলের লোক, তবে ফ্ল্যাপভাষ্য অনুযায়ী জানি যে, সে ইনকিলাবে কাজ করে।
লেখক বলেছেন: হেহ! ব্রাত্য রাইসু আবার রাগ করতে পারে!
থার্ড নয়ন বলেছেন:
সাধারনত বাংলাদেশে দেখা যায়, অনেক লেখকের বইতে সম্পাদকের নাম কাভারে থাকে। এই বইটা দেখি ব্যতিক্রম। যাই হোক, এই পান্ডুলিপি চুরি ব্যাপারটা অবশ্য ই নিন্দনীয়। এবং এর প্রতিকার হওয়া উচিত।আমি যেটা বলতে চাচ্ছিলাম সেটা হচ্ছে, হয়তো দুই ভিসি এই চুরির ব্যাপারটা জানতেন না। চুরির ব্যাপারটা মনে হচ্ছে ঘটেছে ঐ সাংবাদিকের দারা। সন্দেহের বশবর্তি হয়ে দুই ভিসি কে সবাই গালিগালাজ করতেছে যেটা হয়তো উনাদের প্রাপ্য নয়।
লেখক বলেছেন: কভারে যেহেতু তাঁদের নাম মুদ্রিত আছে, প্রথমে আমরা তাঁদের কথাই তো বলব। তাঁদের কথা তাঁরা কখনো বললে তখন আমরা মন দিয়ে তা শুনব বৈকি। তাঁদের জবানি ছাড়া তো আসল চোর ধরাই যাবে না, তাই না?
থার্ড নয়ন বলেছেন:
অনলাইন সংস্করনের ফন্ট টা আসতেছে না। বইটা পড়তে পারছিনা।
লেখক বলেছেন: ওটা বিজয়ে লেখা ফাইলের একটা পিডিএফ ভার্সন। সম্ভবত এজন্য আপনার কম্পিউটারে কম্পেক্স স্ক্রিপ্ট অ্যান্ড রাইট-টু-লেফট ল্যাংগুয়েজ ইনস্টল করা থাকতে হবে। এটা করা যাবে কন্ট্রোল প্যানেল থেকে রিজিওন্যাল অ্যান্ড ল্যাংগুয়েজ অপশনে গিয়ে। দেখুন তো!
থার্ড নয়ন বলেছেন:
ধন্যবাদ। আসলে আমার কম্পিউটারে বিজয় ফন্ট টাই নেই। আমি অভ্র ব্যবহার করি। তবে আমি বইটা সেইভ করে রাখলাম। বিজয় ইন্সটল করে তারপর পড়বো। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি বইটার সত্ব ফিরে পান এই কামনা করি। আপনার লেখা সবাইকে আরো বেশী আলোকিত করুক এটাই প্রত্যাশা রইলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
বইটা আপনি পড়ুন, অন্যদেরও পড়তে দিন।
অচেনা আগন্তক বলেছেন:
একজন লেখকের লেখা চুরি হয়েছে, সেই চুরিকে আরেকজন লেখক কিভাবে ডিফেন্ড করতে পারেন, আমার বোধগম্য হলোনা। লেখা চোরদের প্রতি ধিক্কার রইল।সাথে আছি।
লেখক বলেছেন: এটা আমাদেরও ঠিক বোধে আসে না।
থার্ড নয়ন বলেছেন:
আমার ধারনা ঐ চালবাজ লেখক দুই ভিসির নাম কাভারে দিয়েছে বইটা বিক্রী করার জন্য। কারন একজন রাজাকারের পেপার ইনকিলাবের একজন অখ্যাত সাংবাদিকের নাম কাভারে থাকলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এই বই কেউ কিনবেনা। লেখক ও প্রকাশক এর মাথায় ঘিলু (যদিও অপকর্ম করার জন্য ব্যবহার হয়) আছে বলে মনে হচ্ছে। মাঝখানে ফেসে গেলেন দুই ভিসি।
লেখক বলেছেন: না না আপনি অযথাই অন্যদিকে ঘুরাচ্ছেন ব্যাপারটা। অ।পনারই একটা মন্তব্যের জবাবে আমি আগে বলেছি কথাগুলো। আদতে তাঁরা পলাশ দ্বারা অ্যাসাইন্ড হয়ে কাজটি করেন নি তাঁরা করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে। এই তথ্য আমি জেনেছি জসীম উদ্দিন আহমদের সাথে ফোনালাপের মাধ্যমে।
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
এইসব কান্ড দেখে কেন জানি হতবাক হইনা । অথচ হতবাক হবার কিন্তু কথা ছিলো ।সাথে আছি মুজিব ভাই ।
লেখক বলেছেন: না, বাক হত হওয়া যাবে না, হওয়ার দরকারও নেই। বরং বাকোজ্জ্বল্যই এখন কাম্য।
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
ব্যাপারটা দু:খজনক , সাথে তথাকথিত বুদ্ধিজীবিদের এমন আচরন লজ্জাজনকও বটে। আপনি লড়ে যান।
লেখক বলেছেন: আপনারা পাশে থাকুন।
লাবীব নানকার বলেছেন:
খুবই বেদনা দায়ক।
লেখক বলেছেন: বটে।
দূরন্ত বলেছেন:
রাজনৈতিক শিক্ষকরা অনেকেই খুব খারাপ হয় ব্যাপারটা প্রমাণিত (আমি নিজে দেখেছি)। এদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া উচিত। আশা করি আপনি বইয়ের মালিকানা পাবেন।
লেখক বলেছেন: কারণ এরা বিবেক দ্বারা চালিত হন না, হন পার্টির নির্দেশে।
লেখক বলেছেন: অবাক না-হয়ে বাড়তি একজন মানুষকে জানান ঘটনাটা।
লেখক বলেছেন: শাস্তিটা আইনই দিক।
বিগব্যাং বলেছেন:
আলিফ কাগু কথিত এক রবিউল (রবিউলটার ধারণা যে সে কবি) মুজিব মেহদীকে "চোর" এবং "না চোর" দুদলের মধ্যে ভেদ না করতে উপদেশিয়েছেন...শুনে ঐ রবিউলটাকে ধরে পুন্দায়া হের হোগা ফাটানোর ইচ্ছেটা আরো বাড়ল...কারণ রবিউল সাব নিশ্চয় "যে তাকে পুন্দিয়েছে" এবং "যে তাকে পুন্দায়নি" এই দুদলের মধ্যে ভেদ না করে উভয়কেই সমান ভালোবাসবেন...
লেখক বলেছেন: বুঝলাম আপনি মহান ব্রাত্য রাইসুর কথা বলছেন, কিন্তু রবিউল বলায় আমি কনফিউজড হলাম আমাদের আরেক বন্ধুর নামে।
ফকির ইলিয়াস বলেছেন:
প্রিয় কবি,আমি বিভিন্ন পোষ্টে, দৈনিকের নিউজে বিষয়টা দেখলাম।
এটা খুবই দু:খ ও লজ্জাজনক।
এমাজ - জসিম দেরকে আমরা চিনি। এদের কাছ থেকে
এরকম তস্করবৃত্তি প্রত্যাশা করা যেতেই পারে।
আমি বলি, আপনারা আইনী প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবেন।
দেশে থাকলে আমি মানব বন্ধনে আপনাদের পাশে থাকতাম।
আমি একা হলেও , তথ্য এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মাননীয় দুই
মন্ত্রীর সাথে দেখা করার এপোয়েন্টম্যান্ট চাইতাম।
তবুও আমি একটি জাতীয় দৈনিকে এ বিষয়টি নিয়ে লিখবো,
প্রিয় কবি।
আমি আপনার ও রেজা ঘটকের ব্লগ থেকে
তথ্য নেবো।
আমি এর সুবিচার চাই ।
আমি এর সুবিচার চাই ।
আমি এর সুবিচার চাই ।
আমি এর সুবিচার চাই ।
লেখক বলেছেন: আমিও সুবিচার চাই। তাই লেখালেখি যত হবে তত ভালো। লিখুন প্রাণ থেকে সাড়া পেলে।
রেজা ঘটকও এ বিষয়ে লিখেছেন, তা আমি জানিই না। দেখব তো!
কালপুরুষ বলেছেন:
এ হেন অপকর্মের তীব্র নিন্দা জানাই। যারা এই গর্হিত কাজটি করেছেন তাদের অবশ্যই বিচারের সম্মূখীন হওয়া আবশ্যক। এই ধরণের অপকর্মরোধে সকলের ঐক্যবদ্ধতা একান্তই কাম্য। আপনার প্রতি পূর্ণ সমর্থন রইলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কালপুরুষ দা।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
এই ব্যাপারে আমাদের প্রতিবাদ জারি থাকুক...কিন্তু আইনগত ব্যবস্থা কিনবা পদক্ষেপ কি গৃহীত হয়েছে ??? কপি-রাইট আইন কি বলে ???আপনার সপক্ষের ব্যক্তিরা না হয় মানব-বন্ধন করে একটি মতবাদ, সচেতনতা তৈরী করতে পারে..কিন্তু শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার ...
বইটির কি এখনও বইমেলাতে বিক্রি হচ্ছে ??? যদি এখনও তাই হয়...তাহলে কর্তৃপক্ষ বরাবর কি জানানো হয়েছে এই ব্যপারে ??? বইটি বিক্রি স্থগিত করা হউক ...
লেখক সমিতি, প্রিন্ট মিডিয়াগুলোর কি ভূমিকা রাখছে ??
লেখক বলেছেন: আজকে আনুষ্ঠানিক চিঠি যাচ্ছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, বাংলা একাডেমী মহাপরিচালক বরাবরে। কপি পাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই।
১১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন হবে।
বিচার প্রার্থনার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন:
চৌর্যবৃত্তিতে জড়িত এবং তাদের যারা পৃষ্ঠপোষক সবগুলার জন্য ঘেন্না ... প্রতিবাদের সাথে আছি সবসময়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
কুঙ্গ থাঙ বলেছেন:
ভাষাহীন!!!!!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: তাই তো হওয়ার কথা।
লেখক বলেছেন: তা বটে।
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
আপনার পাশে আছি। এই কু-কর্মের সাথে যারা জড়িত তাদের শাস্তি হোক, এইটা চাই।
লেখক বলেছেন: আমিও শাস্তি চাই, শাস্তি হোক।
লেখক বলেছেন: এ অবস্থায় আপনার কি পাছা মারতে ইচ্ছে করছে? তাহলে টাইম ও ভেনু সম্পর্কে জানান।
গ্রেট গিটারিস্ট বলেছেন:
আপনার পাশে আছি। এই কু-কর্মের সাথে যারা জড়িত তাদের শাস্তি হোক, এইটা চাই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
..............................................................................................
পলাশ কে আমি একটু আধটু জানি। যতটুকু জানি তাতে আমার কখনও মনে হয়নি তার পক্ষে এ বিষয়ে বই লেখা সম্ভব। সুতরাং চৌর্যবৃ্ত্তিই তার অবলম্বন হবে। যদি লেখক হতে চায়। কিন্তু দু'ভিসির কর্ম দেখে আমি লজ্জিত...................
লেখক বলেছেন: আপডেটটা নিচে দেখুন।
লেখক বলেছেন: সবার বলেই আমরা বলীয়ান।
মুজিব মেহদী বলেছেন:
গতকাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমীর ডিজিকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এসব চিঠির কপি পেয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। দাবিসমূহের মধ্যে ছিল মন্ত্রণালয় থেকে চুরির তদন্ত, দোষীদের শাস্তি প্রদান এবং এশিয়া থেকে প্রকাশিত বইয়ের কপি বাজেয়াপ্তকরণ।১১ তারিখ সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স হলে এই ইস্যুতে সংবাদ সম্মেলন করা হচ্ছে।
আপাতত এটুকু।
মুজিব মেহদী বলেছেন:
অসাধারণ একটা ক্লু পাওয়া গেছে। Mon, 9 Feb 2009 21:30:04 +0600 এবং Mon, 9 Feb 2009 21:44:46 +0600 টাইম অ্যান্ড ডেট মার্কিংয়ে আমাদের অফিসের ইমেইল ঠিকানায় রোকেয়া কবীর ও মুজিব মেহদীকে উদ্দেশ্য করে দুটো মেইল পাঠানো হয়েছে, যাতে মেহেদী হাসান পলাশ স্বাক্ষরিত সোয়া দুই পৃষ্ঠা আয়তনের একটা বাংলা এটাচমেন্ট আছে। মেইলের প্রেরক হিসেবে নাম পাওয়া যাচ্ছে নকল বইয়ের লেখক মেহেদী হাসান পলাশের। এর ভিতর দিয়ে সে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবার চেষ্টা করেছে। সে দোষী কি নির্দোষ তা প্রমাণ করবে আদালত। তবে পলাশের বক্তব্য যদি সত্য হয় তাহলে সম্ভবত অপরাধীদের ক্রমটা দাঁড়ায় এরকম : মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়, প্রফেসর জসীম উদ্দিন আহমদ, প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমদ, এশিয়া পাবলিকেশনসের প্রকাশক ইসমাইল হোসেন বকুল। যাদের দ্বারা পলাশ ব্যবহৃত হয়েছে মাত্র।এটাচমেন্টটার পুরো পাঠ এ মুহূর্তে এখানে দেয়া গেল না, কারণ চিঠিটি এসেছে অফিসিয়াল মেইল ঠিকানায়। এজন্য অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত জানা জরুরি মনে করছি।
নিকোলাই টেসলা বলেছেন:
"লেখক বলেছেন: এ অবস্থায় আপনার কি পাছা মারতে ইচ্ছে করছে? তাহলে টাইম ও ভেনু সম্পর্কে জানান।"আফনি যে কত্ত বাড়া গ্যানি তা আফনার ভাষার ব্যবহার দেখেই বুঝি ফালাইসি!! তয় জনাব, এমন চরিত্তির দিয়ে কি ইতিহাস শিখাবার চান?
লেখক বলেছেন: শিখাতে চাই এটা যে, সমাজে কিছু চরিত্র থাকে যারা ... মারবার জন্য তক্কে তক্কে থাকে।
এই ধরনের চৌর্যবৃত্তির ন্যায্য বিচার হতে হবে।
প্ল্যাগিয়ারিজম নিপাত যাক....
লেখক বলেছেন: আপনারা সঙ্গে আছেন বলেই তো সাহস পাই।
লেখক বলেছেন: জানি।
কৌশিক বলেছেন:
প্রফেসর জসীম উদ্দিন আহমদ, প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমদ এই দুই চুদির পুতই সব কিছুর হোতা মনে হইতেছে। এদের জুতা মাইরা দেশ থেকে বহিস্কার করা হউক।
লেখক বলেছেন: দায়িত্বটা কে নেবে?
প্রতিক্রিয়ার তীব্রতাটা আঁচ করতে পারছি।
ভবদহ বলেছেন:
এতো বই চুরি করেছে বড়ো বড়ো (শিক্ষিত) লেখকেরা। আবার মুখে মুখে বড়ো বড়ো লেকচার। আর এই লেকচার শুনে আমরা তুলশীপাতা দিয়ে পূজো দিই প্রতিনিয়ত। এ দেশের দালাল চোর লেখকের সাথে ঘোরে আরও দশজন দালাল মুরিদ। এরা যতদিন বেঁচে থাকবে ততদিন আপনাদের মতো সৃষ্টিশীল লেখকদের বই চুরি হবে। অথচ আপনি চুরি করলে এতক্ষণে ফাঁসি !!! হয়ে যেতো। আপনার কাছে যদি মুল পান্ডুলিপি এবং প্রমানাদি থাকে তবে এই সাইবারে বসে প্রতিবাদ করা যায় না। আসুন আমরা সাংবাদিক সম্মেলন অথবা রাজপথে এই ভন্ড রাইটারদের মুখোশ উন্মোচন করি। আর একটা কথা না বললেই নয় এরা দুজন কাদের টাকায় বুদ্ধি ব্যাঁচে জানেনতো!! এদের কাছ থেকে চুরি ছাড়া আর কি বা মেলে??এবং.. এর পরিবর্তন চাই তা না হলে পরবর্তীতে আপনার সন্তানকেও এরা চুরি করে বলবে এটা তার সন্তান। .................... চারু পিন্টু
লেখক বলেছেন: সবই করা হয়েছে ও হচ্ছে। এই ফেসবুক গ্রুপটা ফলো করুন।
Click This Link
লেখক বলেছেন: আমি সম্ভবত মারা গেছি। হেহেহে!!
দেখা হবে নাজনীন আপা, আরো দিনকয় পর।
শিমুল সালাহ্উদ্দিন বলেছেন:
প্রিয় মুজিব ভাইআমার এ ঘর ঘুরে আসবেন ....
আমি আছি সবসময়। আওয়াজ দিলেই হবে।
Click This Link
লেখক বলেছেন: ছিলাম না এ তল্লাটে অনেকদিন। যাই, যাচ্ছি, যাব।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...






















