কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধিদের এই রূপ শুধু ওই ১.৩০ মিনিটের বিজ্ঞাপণেই সীমিত। বাংলাদেশের মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের আসল রূপ শুধু তারাই জানেন যাদের ওই স্থানটিতে যাওয়ার দুর্ভাগ্য হয়েছে। দরজার বাইরে দাঁড়ানো দাড়োয়ান থেকে শুরু করে খোদ কাস্টমার ম্যানেজার পর্যন্ত সবার ব্যবহার দেখলে আপনার মনে হবে যেন আপনি মার্কিন দূতাবাসে পদার্পন করেছেন। শুধু তাই নয়, ধরুন আপনার একটি সিম হারিয়ে গিয়েছে এবং আপনি তা পুনরুদ্ধারের জন্য গিয়েছেন - কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধি আপনাকে এমনতর সব প্রশ্ন করবে যা শুনে মনে হবে আপনি যৌথ জিজ্ঞাসাবাদ সেলে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কাজে আমাকে সবগুলো মোবাইল ফোন কোম্পানিরই কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে - এ লেখা তা থেকেই অনুপ্রানিত (!)। তবে সবাই এক নন, কিছু কিছু মানুষের আচরণ আমাকে মুগ্ধও করেছে। একটা মানুষ খুব ঠেকায় না পড়লে কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে পা মাড়ান না। একজন মানুষ এতশত ভোগান্তির শিকার হয়ে কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যান একটু স্বস্তির প্রত্যাশায়। আর সেখানে গিয়ে তারা শিকার হন আরো নতুন সব ভোগান্তির।
*** এ লেখাটি সম্পূর্ন আমার ও আমার ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত কিছু মানুষের কাস্টমার কেয়ার সেন্টার ও কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধি সম্পর্কে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লেখা। তাই এই অভিজ্ঞতা সার্বজনীন নয় কোন অর্থেই।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


