আমার প্রিয় পোস্ট
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ৪র্থ ও শেষ পর্ব (ওয়েব বিপ্লব) - নাফিস ইফতেখার
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ৩য় পর্ব (ইন্টারনেট ব্যবসা - ডট কম বাবল) - নাফিস ইফতেখার
- তেপান্তরে নিরন্তর , ভাগ্যান্তরী মন্বন্তর.. - হিমালয়৭৭৭
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ২য় পর্ব (সার্চ ইন্ঞ্জিন) - নাফিস ইফতেখার
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ১ম পর্ব (ব্রাউসার যুদ্ধ) - নাফিস ইফতেখার
- সামহোয়্যারের ব্লগার ও পোস্ট - কত প্রকার ও কি কি (সবিস্তারে বর্ননা - অবশ্যই দেখুন)
- নাফিস ইফতেখার
- কিছু ইংরেজী ছবির মাথাপাগল বাংলা অনুবাদ
- জিগ স
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- টেকনিক্যাল কেতা পোস্ট- মোবাইলে বাংলা ফন্ট (নোকিয়া-সিম্বিয়ান)
- চোরকাঁটা
- এনে দেবে - মরুর গোলাপ
- আমার পর্ণোবেলা - চতুর্খন্ডিত (১৮+ পোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার বইমেলা Version 3.0 - সামহয়ারের ব্লগারদের কিছু অলিখিত বই (ভবিষ্যতে লিখতে পারেন)
(ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- রিজিউম করুন আপনার ডাউনলোড - মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা)
- চিকনমিয়া মাইনাচ পুরষ্কার, ২০০৮
EXCLUSIVE!!! (ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার বইমেলা Version 2.0 - সামহয়ারের ব্লগারদের কিছু অলিখিত বই (ভবিষ্যতে লিখতে পারেন)
(ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- ইলিয়াস কাঞ্চনের সঙ্গে একরাত - নুশেরা
- প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্য, অতি প্রাকৃতিক ব্যাপার-সেপার - নাফিস ইফতেখার
- কারো পৌষ মাস.....কারো দীর্ঘশ্বাস.....আবারো গ্রামীণফোন - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ারের পোস্ট - কত ধরনের ও কি কি....সবিস্তারে বর্ণনা....অবশ্যই দেখুন..... - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার ইন উক্তিপিডিয়া - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার বইমেলা Version 1.0 - সামহয়ারের ব্লগারদের কিছু অলিখিত বই (ভবিষ্যতে লিখতে পারেন)
(ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- বাংলাদেশ ২১০৮ - একটি ভবিষ্যৎ দর্শনমূলক কবিতা (MUST SEE!!!) - নাফিস ইফতেখার
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- ব্যবহার করুন এনিমেটেড স্মাইলি (COOL) - ব্রাইট
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- সাইফুল্লাহ হুজুরের বিশেষ শাস্তি ----- একটি সিম্পল ছোট গল্প - নোবেলজয়ী
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar এবং http://nafis-iftekhar.blogspot.com

আমার পর্ণোবেলা - চতুর্খন্ডিত (১৮+ পোস্ট)
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৪৫
![]()
একটা নির্দিষ্ট বয়সে পরিপূর্ণ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও ঐসব বস্তু দেখেনা এমন পাবলিক এদেশে কম। অবশ্য দেখবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ঐসব দেখা আর না দেখা নিয়ে আমার কিছু মজার অভিজ্ঞতা আছে।
১. প্রথম অভিজ্ঞতা: তখন VCD'র যুগ পুরোদমে শুরু হয়নি এইদেশে। মোটামুটি সচ্ছল এমন কারো কারো ঘরে VCD প্লেয়ার এসেছে। কিন্তু প্রায় সবার ঘরেই একটি করে VHS প্লেয়ার ছিলো। হ্যাঁ, আমার অভিজ্ঞতাটা এই VHS প্লেয়ারের মাধ্যমেই। VHS প্লেয়ারটা অনেকদিন ধরেই অলস বসেছিলো। তো ঐটা নিয়ে ঘরের আর কারো তেমন মাথাব্যথা ছিলোনা। আমার তখনো গুঁতাগুঁতির বয়স চলছে। ইলেক্ট্রনিক জিনিস দেখলে সেটার গুষ্টি উদ্ধার না করে ক্ষান্ত হতাম না। তো মাঝখানে একদিন ঘরবাড়ি রঙ করার হুজুগ উঠলো। বাড়ি রঙ করা মানে বুঝেনই তো একশো ঝামেলা। ঘরের সব প্রয়োজনীয় অপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে পোঁটলা বাঁধা হলো। নিয়ে রাখা হলো আমার ঘরে। টেলিভিশন আর VHS প্লেয়ারটাও সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলো। আর ছিলো পর্বত সাইজের VHS ক্যাসেটের স্তুপ। তো রাত্রি হলো, বিছানায় শুয়ে শুয়ে আনন্দমেলা পূজাবার্ষিকী পড়ছি। হঠাৎ ক্যাসেটের পর্বতে চোখ রাখতে রাখতে একটা ক্যাসেটে দৃষ্টি আটকে গেলো। ক্যাসেটটার নাম (Ultimate Passion) দেখে কিছু না বুঝলেও উপরের কাভার দেখে বুক ধরফর শুরু হয়ে গেলো। মাথায় দুষ্টু বুদ্ধি চেপে গেলো। মাল্টিপ্লাগে টেলিভিশন আর VHS প্লেয়ার প্লাগ ইন করলাম। টেলিভিশনের সাউন্ড Mute করলাম। দরজার নিচে কাপড় দিলাম যাতে টেলিভিশনের আলো দরজার ফাঁক দিয়ে বাইরে না যায়। ক্যাসেট ঢুকিয়ে যেই প্লে করেছি, পুরো Screen জুড়ে একধরনের মসৃণ ঝিরঝিরতাপূর্ণ দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। বুঝলাম VHS প্লেয়ারের হেড পরিষ্কার করতে হবে। বাথরুমে গেলাম.....আফটার শেভের বোতলখানা বগলদাবা করে ফিরলাম। গেন্জির ক্ষুদ্র অংশে আফটার শেভ ঢেলে আঙ্গুল দিয়ে উঁচু করে ধরে হেড পরিষ্কার করতে লাগলাম। ৩-৪ বার পরিষ্কার করার পর ছবি দর্শনযোগ্য অবস্থায় আসলো। কিন্তু বিধি বাম.....২ মিনিটেই ক্যাসেট শেষ। ক্যাসেট রিওয়াইন্ড করতে হবে। রিওয়াইন্ড বাটনে চাপ দিলাম.....এবং.....একই সাথে ঐ রাতের সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি করলাম। যাদের VHS প্লেয়ার আছে তাদের জানার কথা, VHS প্লেয়ারে রিওয়াইন্ডের সময় একধরনের বিতিকিচ্ছিরি আওয়াজ হয়......মনে হয় যেন এলাকার সব নেড়ি কুকুর একসাথে মরাকান্না জুড়ে দিয়েছে। কোনমতে স্টপ বাটন চেপে ঐ আওয়াজ বন্ধ করলাম। আর একটু হলেই পাশের রুম থেকে এই আওয়াজ শুনে ফেলতো। কি করা যায়?.......কি করা যায়?........আইডিয়া! বিছানার ওপর থেকে পেল্লাই সাইজের কম্বলটা নামালাম। সেটা ফেলে দিলাম VHS প্লেয়ারের উপর। কাজ হলো......এবার একটা চিনচিনে আওয়াজ ছাড়া আর কিছুই শোনা যাচ্ছে না। মনে মনে নিজের বুদ্ধির তারিফও করলাম: "ওহ! নাফিস......তুমি একটা জিনিস বটে! রিওয়াইন্ড শেষ। প্লে চাপলাম। শুরু হলো লীলাখেলা......দেখছি......জীবনে প্রথমবারের মতো......কিন্তু যা দেখছি তা বোঝার ক্ষমতা তখনো আসেনি আমার। তাই আমার অবস্থা অনেকটা......"এটা করলো কেন?"....."ওটা করলে কি হয়?".....এই ধরনের। যাই হোক রাতের পর যা ঘটলো তা ছিলো ঐ রাতের সবচেয়ে বড় ভুল। আমি লীলাখেলা দেখিতে দেখিতে কখন যে ঘুমের কাছে আত্মসমর্পণ করেছি নিজেও জানিনা। সকাল হতেই তাড়াতাড়ি করে ক্যাসেট বের করার জন Eject বাটন চাপলাম। এ্যাঁ......এইবার হয়েছে আসল কাজ......VHS প্লেয়ারের কি মতিগতি হয়েছে কে জানে ক্যাসেট অর্ধেক পথ এসে আর বের হয় না.....আবার স্বস্থানে ফিরে যায়। মনে আছে, ঐ শীতের সকালেও আমি টেনশন আর ধরা পড়ার ভয়ে দরদর করে ঘেমেছি। শত চেষ্টার পরেও যখন বের করতে পারলাম না এবং যখন সকালের নাস্তা খাওয়ার জন্য ডাক পড়ে গেলো তখনকার মতো প্রচেষ্টায় ইস্তফা দিয়েছিলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম আজ স্কুলে যাওয়া যাবে না......এই সমস্যার সমাধান না করা পর্যন্ত শান্তি নেই। তার ওপর একটু পড়ে এসে যখন কাজের লোকদের দ্বারা সব জিনিসপত্র আবার পাশের রুমে নিয়ে যাওয়া হলো তখন আমার জানে আর পানি ছিল না। সারাটা দিন আমার দোয়া-দরূদ পড়ার মতো অবস্থায় কেটেছে.......শুধু মওকার অপেক্ষায় ছিলাম। পরে ঐদিনই বিকেল বেলায় ২য় প্রচেষ্টায় আমি ক্যাসেট বের করতে সক্ষম হয়েছিলাম। স্ক্রু ড্রাইভার আর ১২ ইন্চি স্টিলের স্কেলের সহায়তায় আমি কি করে ঐ ক্যাসেট বের করছিলাম তা না হয় নাই বললাম............
২. সৌদির জিনিস: আমাদের জয়েন্ট ফ্যামিলি। চাচা থাকেন সৌদি আরব.......চাচী দেশে। বছর দু'য়েক পরপর চাচা দেশে ফিরেন। ততোদিনে বাসায় নতুন VCD প্লেয়ার এসেছে। আমি আছি মৌজে। তো সেবার চাচা এলেন বিয়ের দেড় বছর পর.....বিয়ের পর দেশে মাত্র ২০ দিন ছিলেন। প্রতিবারের মতোই ২ দিনের মাথায় সাথে আনা লাগেজ, কার্টন খুললেন......আমাদেরকে সাবান, শ্যাম্পু প্রভৃতি দানপূর্বক বাধিত করলেন। দেখলাম এবার নিজের জন্য একটা VCD প্লেয়ার এনেছেন।
দুপুরবেলা......সবাই নিচে খাওয়ার টেবিলে খাচ্ছে। আমি আগে আগে খাওয়া শেষ করে দোতলায় এসেছি। কোন কারন ছাড়াই চাচার ঘরে ঢুকলাম। দেখি ফ্লোরে স্তুপ করা অসংখ্য CD'র কাভার বক্স। প্রতিটা বক্সেই ৩-৪ করে Disc ঢোকানো.....Disc এর সংখ্যা কম করে হলেও ২০০'র উপরে হবে.....কোনটা Verbatim, কোনটা Maxell, কোনটা Sony আবার কোনটা বা Imation......আর সবগুলোর উপরেই কোন না কোন দেশের নাম লেখা......Libiya, America, India, Bangladesh, Pakistan, Tamil, Japan..........মোটামুটি আন্দাজ করে ফেলেছিলাম জিনিসগুলো কি। তারপরেও নিশ্চিত হওয়ার জন্য চাচার VCD প্লেয়ারে একটা CD ঢুকিয়ে টেস্ট করি। দেখি যা ভেবেছি তাই......হাতে নিলাম ৪ টা CD.....নিয়ে সোজা এক দৌড়ে তিন তলায়। ঐ CD গুলো দীর্ঘদিন লাগিয়ে দেখেছিলাম। কিন্তু পরে বুঝেছিলাম কি গাড়লের মতো কাজ করেছি আমি। চাইলে আমি একমুঠো CD নিয়ে আসতে পারতাম। চাচা নিশ্চয়ই আমাকে এসে CD নিয়েছি কিনা জিজ্ঞেস করতো না.......হাজার হোক ঐসবের CD........
৩. কম্পিউটার যুগ: SSC'র পরপরই বাসায় কম্পিউটার এলো.....এলো বলা ঠিক হবে না......আমিই নিয়ে এলাম। তখন CD'র ঝামেলা থেকে মোটামুটি মুক্ত হলাম, CD কপি করে পিসিতে রেখে পরে দেখতাম। আর DVD আসাতে কন্টেন্ট এর পরিমাণও বেড়ে গিয়েছিলো। প্রথম দিকে পিসিতে হিরো প্লেয়ার নামে একটা প্লেয়ার ব্যবহার করতাম। নতুন পিসি ব্যবহারকারী.....আর তাই জানতাম না যে হিরো প্লেয়ারে এমন একটা ফাংশন আছে যার কারনে ভিডিও চলা অবস্থায় প্লেয়ার মিনিমাইজ করলে উইন্ডো মিনিমাইজ হয় ঠিকই কিন্তু ভিডিও ওয়ালপেপারের মতো পুরো Desktop জুড়ে অবস্থান করে। এই ফাংশনের কারনে আমি একবার ধরা পড়েও গিয়েছিলাম প্রায়.........
আমার পিসি আমি বাদে কেউ ধরতো না, আর তাই কখনোই ঐসব ফাইল বা ফোল্ডার Hide করে রাখার প্রয়োজন অনুভব করিনি। আমি ফাইলগুলো কপি করে রাখতাম C:\WINDOWS\system ফোল্ডারের ভেতরে আরো ফোল্ডার তৈরি করে। অপরপক্ষে আমার এক বন্ধু এসব ফাইল লুকিয়ে রাখতে Folder Locker, Folder Hide প্রভৃতি সফটওয়্যার ব্যবহার করতো। মনে আছে আমার ঐ বন্ধু আর আমি একবার পাড়ার দোকানে গিয়েছিলাম Blank Disc কিনতে। দোকানে গিয়ে দোকানের দায়িত্বে থাকা ভদ্রলোককে বলেছিলাম একটা "Verbatim এর ব্লু ডিস্ক দেন" (তখন Verbatim এর ডিস্ক খুব পপুলার বার্ন করার জন্য)। দোকানী ব্যাটা কি বুঝলো কে জানে.....যে ডিস্কটা হাতে ধরিয়ে দিলো বাসায় এসে দেখি ওটা ঐসব পূর্ণ । পরে বুঝেছিলাম ব্যাটা "ব্লু ডিস্ক"কে "ব্লু ফিল্ম" শুনেছে।
৪. আজকাল: আজকাল আর ওসব বলতে গেলে দেখিই না। মজা লাগে ভাবতে আগে কতো কষ্ট করেছি এসব দেখার জন্য। ক'দিন আগে নীলক্ষেতে গিয়েছিলাম বই কিনতে। ফুটপাথ থেকে কতগুলো চ্যাংড়া ছেলের দল ডাকছিলো: "মামু, গরম মাল.....লইয়্যা যান"। এমনভাবেই জেঁকে ধরেছিলো যে শেষে বলতে বাধ্য হলাম: "ভাই, বাসায় কম্পিউটার আছে, কম্পিউটারে দেখি।" কিন্তু আসলে আমিতো জানি বাসায় এখন ইন্টারনেটের অবারিত মুক্ত দ্বার থাকা সত্ত্বেও সারাদিন ফটোশপ আর রাজ্যের সব সফটওয়্যার নিয়ে ব্যস্ত থাকি। আসলে এই যে উপলব্ধি.....এই যে বুঝতে শেখা.......একেই হয়তো প্রাপ্তবয়স্কতা লাভ বলে.........
* এই পোস্টটি আমার ৫০ তম পোস্ট......নাপিষ ঈপতেক্ষার পুনরায় হাফ সেন্চুরী পূরণ করিলো........
লেখক বলেছেন: জ্বি না.....আসলে লাইনে আসতেসি.....![]()
আশীফ এন্তাজ রবি বলেছেন:
আপনার পোস্টটি খুবই ভাল লাগল। দেখি একটা সিনেমা বানানো যায় কিন্, ফিকশন ফিল্ম...অদ্ভুত কাহিনী .....
সিরিয়াসলি বলছি ...
একটা প্রডিউসার পেলে শিগরি্ই কাজে হাত দেব...
অসাধারণ জীবনবোধ সপন্ন কাহিনী ....
ভাল থাকুন, যোগযোগ রাখুন ...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.....ফিল্ম বানানোর মতো গল্প হয়েছে জেনে অবাক হলাম........![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ......![]()
লেখক বলেছেন: আবার জিগায়......![]()
আশীফ এন্তাজ রবি বলেছেন:
পোস্টটির নামও অসাধারণ। আমার পর্ণবেলা ....বছর দুয়েক আগে আমার নিজেরই একটা এইরকম অভিজ্ঝতা নিয়ে ছবি বানিয়েছিলাম, স্বল্প দৈর্ঘ্যের। নাম Ad Contact
একটা ছেলে একটা বিলবোর্ডের মেয়ের প্রেমে পড়ে। তারপর শুরু হয় , তার নানা মনোবিকার।
ছবিটি অনেক কষ্টে টাকা ধারদেনা করে বানিয়েছিলাম। চ্যানেল ওয়ানে দেখিয়েওছিল।
অাসলে এইরকম ভিন্ন ধারার ছবির প্রযোজক খুঁজে পাওয়া যায় না...সবই তুমি আমার, আমি তোমার টাইপের কাহিনী খোঁজে ..
তারপরও আমি কথা দিরাম , চেষ্টা করবো এটি নিয়ে ছবি বানাতে।
লেখক বলেছেন: আপনি কি ফারুকীর ভাই ব্রাদারের কেউ নাকি ভাই? ![]()
লেখক বলেছেন: আপনার Ad Contact আমি একটু আধটু দেখেছিলাম.........আর এবার চ্যানেল আইতে দেয়ার চেষ্টা কইরেন.........
মারুফ মুনজির বলেছেন:
আপনাকে দণ্যবাধ ধিয়ে চোঠ করতে ছাই ণা
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দিলে তো জানতাম মানুষ বড় হয়......![]()
সাদা মন বলেছেন:
হা হা হা...আপ্নে তো বড়ই 1/(cos C) !
আমি পর্থম দেকচিলাম আক দুস্তের বার্তে...কেলাশ নাইনে থাক্তে...
লেখক বলেছেন: ওরেরেরে.....দ্ব্যর্থহীন স্বীকারোক্তি করেরে......![]()
বঙ্গদেশ বলেছেন:
আপনারত ভাই বহুত মজা ছিল আপনার ফ্যামিলির পুরো বাড়িটাই দেহি পর্ণ ফিল্মের লাইব্রেরি। আফনার আব্বা আম্মা কিতা করে? বুলু ফিল্মের কারবার?
লেখক বলেছেন: না.....আপনার মন্তব্যটি একটুও পছন্দ হয়নি.....এরকম কথা কেন বললেন?
লেখক বলেছেন: খিক খিক......ধইন্যা.....
লেখক বলেছেন: খেয়েছে....... ![]()
লেখক বলেছেন: দেখবে না কেন?
বোকামাষ্টার বলেছেন:
হাফসেঞ্চুরী পুরো করার অভিনন্দন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.......
লেখক বলেছেন: হাহাহা ![]()
বঙ্গদেশ বলেছেন:
লেখক বলেছেন: না.....আপনার মন্তব্যটি একটুও পছন্দ হয়নি.....এরকম কথা কেন বললেন?কইসি কারণ আফনে নিজেই কইসেন চাইতে না চাইতেই আফনার বাড়িতে হেগুলোর স্তুপ আসিল
লেখক বলেছেন: ক্যাসেটের স্তুপ ছিলো......পর্ণো ক্যাসেটের নয়......আর চাচার ঘরে ছিলো পর্ণো VCD'র স্তুপ.....আমার বাবা-মা'র ঘরে নয়.......
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
ভাইরে এহেন প্রাপ্ত বয়স্কতা লাভ নিয়ে পোস্টাইতে বড়ই শখ ছিল। কিন্তু সামাজিক এই ব্লগে ছোট বড় ভাই-ব্রাদার-সিস্টারদের সামনে ঐ সব কথা কইতে সাহস করি নাই। আজকে আপনের সাথে শেয়ার করি, যেহেতু ১৮+ বিধায় কেউ ঢুকবে না আশা রাখি। আমি এই জিনিসের ঝলক দেখছি এসএসসি দেবার সময়। তখন অনেক রাত জেগে পড়তাম। কি একটা টিভি চ্যানেল ছিল রাশিয়ান খুব সম্ভবত, বন্ধ মারফত জানতে পারলাম রাত ২ টার পর দেখায়। সেই অপেক্ষা শুরু, লেখা পড়া আর হয় না। তো দুইটার সময় ড্রইং রুমে টিভি অন করলাম। হায়রে জীবনের প্রথম দর্শন। সাথে সাথেই দেখি মা ডাক দিল, ড্রইং রুমে কেরে। সেকেন্ড হার্ট বিট এত বাড়ল যে কলিজা বোধ হয় ছিটকাইয়া বাইর হবে। ঐ বয়সে সেই শেষ। কলেজ লাইফে আর সাহস হয় নাই।
ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির রেজাল্ট হবার সাথে সাথে রুমে কম্পিউটার এল। শান্ত শিষ্ট লেজ বিশিষ্ট হওয়ার এলাকার দোকানে সিডি চাইতে সাহস করলাম না। নিজের কাছেই কেমন অস্বস্থিকর লাগত। তো অন্য পাড়ায় গেলাম এক বন্ধুর বাসায়। ঐ শালা আমার থেকেও বড় বেকুব, সে দোকানে যাইতে সাহসই করল না। তার পর তারে সাহস দিয়া নিয়া গেলাম। দোকানে ঢুকবার আগে ভাবছিলাম কি বলব। তো দোকানে ঢুকেই কিভাবে যেন বললাম XXX হবে? দোকানে যেমন চাল ডাল চাইলে বার করে দেয় তেমনি CD এর দোকানদারও কয়েকটা সিডি বার করে দিল। আমি অবাকই হলাম। বাসায় এসে নিজের পিসিতে সেই প্রথম দেখা। ঐটা দেখেই সাথে সাথে দোকানে আবার ছুটলাম, নতুন আর একটা আনলাম। ঐ শুরু। প্রথম বাসায় ৫০ টাকার ইন্টারনেটের কার্ড কিনবার পর মেইল অ্যাড্রেস খোলা ছাড়া পুরাটাই ঐ জিনিস সার্চ করেছিলাম।
এখন সারাদিন ইন্টারনেট বাসায় কিন্তু ঐ সবে আর আগ্রহ নাই। তবে এককালের সেই আগ্রহের কথা ভাবলে ভালই লাগে। এই পোস্টে +++++++++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন:
"দোকানে যেমন চাল ডাল চাইলে বার করে দেয় তেমনি CD এর দোকানদারও কয়েকটা সিডি বার করে দিল। "
হা হা হা হা হা.....আর আপনি যে চ্যানেলটার কথা বলছেন ওটার নাম ছিলো TB6.....ওয়ার্ল্ড কাপের সময় রাত জেগে দেখতাম একসময়......
অনুভূতি শেয়ার করায় খুব ভালো লাগলো.......
লেখক বলেছেন: এগুলো মানুষের স্বাভাবিক মানসিক বৃদ্ধির অংশ......এগুলো দেখলেই কেউ খারাপ হয়ে যায় না........
মারুফ মুনজির বলেছেন:
আপনার টার সাইজ কত হেই নাই ন থেকে শুরু করছেন ............
লেখক বলেছেন: অন্যেরটা জেনে কি লাভ?
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন:
"ওহ! নাপিষ ঈপতেক্ষার......তুমি একটা জিনিস বটে!"
লেখক বলেছেন: ![]()
মেহরাব বলেছেন:
জীবনমূখী পুষ্ট।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.......
লেখক বলেছেন: শেখার শেষ নেই তবে দেখার শেষ আছে নো-বেলজয়ী......![]()
আমি কখনো এই ইহজীবনে নিজেকে ভালো হিসেবে দাবী করিনি বিধায়, আমার এই নিয়ে কোন সংস্কারও নেই।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: রেন টিভি ফরাসী চ্যানেল........যতোদূর জানি.......
ভাঙা চাঁদ বলেছেন:
হাসতে হাসতে শেষ। ভাইরে আপনের অভিগ্গতা দেইখা বুঝতে পারলাম, বাংলাদেশের সবার এই জিনিসের অভিগ্গতা মনে হয় একই। নাইলে আপনের লগে আমার এত মিলল কেমনে???সবই একরকম..
VHS থাইকা শুরু কইরা নীলক্ষেত পর্যন্ত সবই এক।
লেখক বলেছেন: হা হা হা হা.....অভিজ্ঞতা আসলেই এক........আরো অনেক বন্ধুর কাছ থেকেও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা শুনেছি.........![]()
আর নীলক্ষেতের ঘটনার সময় আমার "বিশেষ কেউ একজন" আমার সাথে ছিলো....."ভাই, বাসায় কম্পিউটার আছে, কম্পিউটারে দেখি".....এই কথাটা বলার পর ও আমার দিকে অদ্ভূত দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলো.........
নোবেলজয়ী বলেছেন:
@ বিবর্তনবাদীঐ রাশিয়ান চ্যানেলটার নাম রেন টিভি। বাংলাদেশে বর্তমানে ঐ চ্যানেলটা ব্যান করা হয়েছে। আমিও বৃহস্পতি ও শুক্রবার এই দুইদিন দেখেছিলাম রাত ১২:৩০ থেকে ২:৩০ পর্যন্ত। আমার কাছে মনে হয়েছে সত্যিকারের আর্ট সমৃদ্ধ "এডাল্ট ফিল্ম" (পর্নো বলে ছবিগুলোর শিল্পরুপ কে অপমান করব না) ঐ চ্যানেলেই দেখায়। এর পরে বহুবার পর্ন দেখেছি কিন্তু উক্ত সময়ে দেখা আর্টিস্টিক ছবি গুলোর মজাই আলাদা ছিল। যৌনতার মধ্যে থেকেও একধরনের সৌন্দর্য্য খুজে বের করা যায় যদি পরিচালক ঐ লেভেলের হন। রেন টিভির কয়েকটি ছবির পরিচালক ঐ লেভেলের ছিলেন। তারা নগ্নতা কে নগ্নতা নয় বরং "শারীরিক ভালোবাসা" হিসেবে তুলে ধরেছেন যেটি আমার কাছে খুবই মান সম্মত মনে হয়েছে।
বি. দ্র: আমার প্রথম অভিজ্ঞতা টি চান্সে বলে নেই। আমি ক্লাস এইটে থাকতে দেখেছিলাম। জীবনের প্রথমটিই ছিল একটি লেসবিয়ান ফিল্ম। বুজতেই পারছেন উহা আমাকে কতটা কনফিউজ করেছিল এবং সত্যি বলতে কি, একদমই মজা পাইনি বরং "ছেলে কই?" এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে ব্যাস্ত ছিলাম। ক্ষীক্জ...
লেখক বলেছেন: বিবর্তনবাদীর বয়সের ওপর নির্ভর করছে চ্যানেলটি REN TV না TB6.....REN TV বাংলাদেশে TB6 এর পরে এসেছে......
লেখক বলেছেন: ক্ষিক্জ......![]()
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
@ নোবেলজয়ী - ভাই আপনি ঠিক বলেছেন। সত্যিই আর্ট ছিল। যৌনতারো যে সৌন্দর্য থাকতে পারে তা ঐ চ্যানেল না দেখলে হয়ত বুঝতাম না।
লেখক বলেছেন: সহমত @ নোবেলজয়ী ও বিবর্তনবাদী.......যৌনতাও সৌন্দর্য্যমন্ডিত হয়ে ওঠে যদি কাবেল লোকের দ্বারা কাজটা করা হয়........আমিও আপনাদের সাথে আফসোসে যোগ দিলাম.......
অরুনাভ বলেছেন:
মজা পাইলাম পোষ্টটাতে......
লেখক বলেছেন: মজা দিয়ে মজা পেলাম.......![]()
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
RTP অথবা RTR এই নামেরও একটা ছিল তবে ব্লাক আন্ড হোয়াইট।
লেখক বলেছেন: ঠিক ঠিক.....একদম ঠিক........![]()
লেখক বলেছেন: আচ্ছা.....তলে তলে এতোদূর.....![]()
ওয়ার্ল্ড কাপের সময় রাত জেগে আমিও রেনটিভি দেখতাম একসময়......![]()
ভাঙা চাঁদ বলেছেন:
"আর নীলক্ষেতের ঘটনার সময় আমার "বিশেষ কেউ একজন" আমার সাথে ছিলো....."ভাই, বাসায় কম্পিউটার আছে, কম্পিউটারে দেখি".....এই কথাটা বলার পর ও আমার দিকে অদ্ভূত দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলো.........""হা হা হাসতে হাসতে শেষ
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: আপনাকে পার্পল (অ্যাডাল্ট ফিল্মের বিকল্প রং) শুভেচ্ছা.......![]()
সজল বলছি বলেছেন:
মেঘ এর লেখার জন্য তর সইছেনা........ কখন পামু ..কখন পামু?????
লেখক বলেছেন: ![]()
অ রণ্য বলেছেন:
সুন্দর পোস্টতবে এটা দেখা না দেখা নিয়ে ভালো খারাপের কোন সম্পর্কই নাই
মানুষের স্বাভাবিক মানসিক প্রবৃত্তিগুলোকে যে চাপা দিয়ে রাখে যেটা বস্তুতই খুব স্বাভাবিক তাদের আমার ভীষণ ভয় লাগে
+
লেখক বলেছেন: আপনার কথাটা সম্পূর্ণ ঠিক......ভালো থাকবেন.......
লেখক বলেছেন: ![]()
হাসান বিপুল বলেছেন:
৫০ খানা পোস্ট দিলা, কিন্তুক গরম মশলা কয় শো দেখসো সেইডা তো কইলা না। যাউকগা ক্লাউড ম্যাডাম কয় কি না, দেখা যাক।
লেখক বলেছেন: সংখ্যাটা না হয় গোপনই থাক......![]()
হলে গেলাম, কাউন্টার পর্যন্তও লম্বা হইনি তখনো। ইটের উপরে দাঁড়িয়ে একটু উঁকি দিয়ে কোন মতে ১৩ টাকা দিলাম টিকিটের জন্য। টিকিটম্যান ব্যাটা বলে, যা ভাগ, পুলাপান ঢুকা নিষেধ। ভাগিয়ে দিল। তখন পেছন থেকে কে যেন ডাকল। অই পিচ্চি এদিকে শুইনা যা। লোকটা ছিল গেটম্যান, বলল, ১৫ ট্যাকা দে, তরে ঢুকতে দিমু। ১৫ +১৫ =৩০ টাকা দিয়ে আমি আর আমার বন্ধু নাচতে নাচতে ভিতরে ঢুকে যা দেখলাম, তাতে মজার চেয়ে কৌতুহল মেটানোর আগ্রহই বেশি ছিল।
নরনারীর গোপন ব্যাপার গুলো আসলে কি আর স্ত্রীজাতি সম্বন্ধে বিশদ ধারণা নেবার ব্যাপারটাই মুখ্য ছিল সেদিন। এরপরে যখন বন্ধুদের বললাম কাহিনী, জানিস....মেয়েদের না......
আমি তো হিরো তখন।
এরপরে প্রায়ই সিনেমা হলে যাওয়া হত দল বেধে।
আর কম্পিউটার আসার পর এত বেশি করে দেখলাম যে ধীরে ধীরে শখটা কমে গিয়ে এখন প্রায় শূণ্যের কোঠায় এসে ঠেকেছে। তারপরও যে এখনও দুয়েকটা দেখি না , তা নয়।
আপনার পোস্টে প্লাস।
++++
লেখক বলেছেন: অদ্ভূত অভিজ্ঞতা দেখছি আপনার.......![]()
লেখক বলেছেন: ক্ষিক্জ.......![]()
অ্যামাটার বলেছেন:
ওরেরে...পুলাপাইন গুলা গ্যালো রে...X_X
লেখক বলেছেন: X একটা কম হয়ে গেলো না......? ![]()
লেখক বলেছেন: ব্যান খাইসেন নাকি? কেন খাইলেন.......?
একজন ব্লগার বলেছেন:
পুলাপাইন আর মানুষ হইলো না!
লেখক বলেছেন: পুলাপাইন মানুষ হওয়ার চেষ্টায়ই রত আছে.......পরিপূর্ণ মানুষ.......![]()
লেখক বলেছেন: মজা দিয়ে মজা পেলাম......৫০ এর শুভেচ্ছা গৃহীত হলো.......![]()
লেখক বলেছেন: ওরেরেরে.......কত মজা পায়রে........![]()
রাফা বলেছেন:
গোপণীয় জিনিসর প্রতি আকর্ষণ বেশিই হয়।পিনআপ ম্যাগাজিনের পাতা উল্টানোর শিহরন আজও মনে পড়ে।
লেখক বলেছেন: আহা! ![]()
লেখক বলেছেন: কোন কোন ম্যাগাজিন উল্টাতেন? ![]()
রেটিং বলেছেন:
*****
লেখক বলেছেন:
















পুলাডা দিনে দিনে বেলাইনে যাইতাছে গা!
মাইনাছ
খাক খাক খাক