আমার প্রিয় পোস্ট

এইখানে শায়িত আছেন বাংলা ব্লগ ইতিহাসের কলঙ্ক...

একজন নতুন ভোটারের মনের কিছু কথা........

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৪

শেয়ারঃ
0 0 0



গতকালের নির্বাচনে মহাজোট নিরঙ্কুশ সংগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে এবং ২৬৩টি আসনে জয়লাভ করেছে। পক্ষান্তরে ৪ দলীয় ঐক্যজোট মাত্র ৩১টি আসন পেয়েছে। নিঃসন্দেহে এই নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচাইতে একতরফা বিজয়ের একটি। স্বভাবতই এমন জনসমর্থন পেয়ে নির্বাচিত কোন দল যখন সরকার গঠন করবে তাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশাও অনেক বেশি থাকে। আমি খুব বেশি আশা করি না নতুন এই সরকারের কাছে। তবে এটুকু জানি যে, মহাজোট নতুন প্রজন্মকে আশা দেখিয়েছে - প্রত্যাশা এখন একটাই, অতীতের মতো তারা আমাদের এই সপ্নকে ভেঙে চুরমার করে দেবে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতেই হবে.......

২০০২ সালের ম্যুভি Spider-man এ একটি অসাধারণ সংলাপ ছিলো - "With great power comes great responsibility." অর্থাৎ - "ক্ষমতা যতো বেশি, দায়িত্ব ততোই বেড়ে যায়। কথাটার উল্লেখ করবার প্রয়েজন আছে। কারন ব্যাপক ক্ষমতার সাথে দায়িত্ববোধের সংমিশ্রন না ঘটলে কি ঘটতে পারে তার সর্বশেষ নজিরটি খুব একটা পুরনো নয় - ৪ দলীয় ঐক্যজোটের সর্বশেষ শাসনামল। ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনেও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলো ৪ দলীয় ঐক্যজোট। তার পরের কাহিনীটা আমাদের সবারই জানা, অন্ততঃ যারা ভালো ও খারাপের পার্থক্যটা বোঝেন তাদের সবারই। বাংলাদেশের রাজনীতি পরিচিত ছিলো দুর্নীতির জন্য, কিন্তু ৪ দলীয় ঐক্যজোটের শাসনামলে দুর্নীতি যেন ভিন্ন মাত্রা পায়। এ দেশের জনগণ রাজনীতিদিদের দুর্নীতি দেখেছে, কিন্তু এতো ব্যাপক মাত্রায় আর কখনোই নয়। দেশকে কুঁড়ে কুঁড়ে খেয়েছে, বলা ভালো বিক্রি করে খেয়েছে মন্ত্রী, সাংসদ আর দলীয় নেতারা। "জঙ্গীবাদ" নামক শব্দটির সাথে যে দেশটির সখ্যতা ছিলো খুব সামান্যই সেই শব্দটিই দেশবাসীকে একটি নিত্তনৈমিত্তিকভাবে ব্যবহৃত শব্দরূপে আত্মস্থ করতে হয়েছে। জঙ্গীবাদের উত্থানটাও মোটেও স্বতন্ত্র নয়। এ উত্থানের পেছনে ছিলো ৪ দলীয় জোটের অনেক শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের মদদ। আর এই জোটেরই একটি দল, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ - যারা এদেশে তাদের স্বাধীনতাবিরোধী তৎপরতার জন্য কুখ্যাত তাদের এই জঙ্গীদের প্রতি দেখা গিয়েছে এক বিশেষ ধরনের ‍"ভালোবাসা"!

এইখানে একটা প্যারা করলাম, বলা ভালো করতে বাধ্য হলাম। আলাদা করে লিখতে বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানের কথা লিখতে। ৪ দলীয় ঐক্যজোটের দুঃশাসন আর দুর্নীতির কথা যদি বিস্তারিত বলতে হয় তবে তার ৮০% পূর্ণ হবে তারেক রহমানের কীর্তি(!) দিয়ে। বছর তিনেক আগেও এদেশে আল্লাহ-রাসূলের বিপক্ষে কথা বলা গেলেও কথা বলা যেতনা তারেক-মামুন জুটির বিরুদ্ধে। ৯১' তে গ্রীণরোড স্টাফ কোয়ার্টারের ঘরজামাই মামুন বন্ধু তারেকের সহযোগিতায় শত কোটি টাকার মালিক বনে যান মাত্র ক' বছরে। পাহাড় সমান দূর্নীতি আইনের শত সহস্র ছিদ্র দিয়ে ফকল গলে ফসকে যায় তারেক-মামুনদের মতো দূর্নীতিপরায়ণরা। আমার মাঝে মাঝে খুব জানতে ইচ্ছে করেছে, তারেকের এসব কর্মকান্ডে খালেদা জিয়া কি করে স্বস্তি পেতেন? কি করে তিনি নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে এর পক্ষে আজো কথা বলেন? জানি না........জানতে চাইও না.......

দ্রব্যমূল্যের কথা নতুন করে কিছু বলার নেই, এটা আমাদের সবারই জানা। এ পরিমাণ দুর্নীতির পর দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি না হলে সেটাই হতো বিস্ময়ের ব্যাপার। ৪ দলীয় ঐক্যজোট শাসনামলের লোভী মানসিকতা চুঁইয়ে চুঁইয়ে পড়েছে ২০০৬ এ অনুষ্ঠতব্য নির্বাচনে ক্ষমতা ছাড়ার ঠিক পূর্বমূহুর্তে নির্বাচনী নীল-নকশার মধ্যেও। খালেদা জিয়া প্রায়ই একটা শব্দ ব্যবহার করেন - "ইলেকশন ইন্ঞ্জিনিয়ারিং"। আসলে শব্দটা শুনলেই প্রথমেই আমার মনে পড়ে ২০০৬ এর নির্বাচনের জন্য বিএনপির সেই প্রস্তুতি - কিভাবে বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়সসীমা বাড়িয়ে দলীয় লোককে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান বানানোর চেষ্টা করেছিলো তারা, কিভাবে ক্ষমতা ছাড়ার পূর্বে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে দলীয় লোকদেরকে স্থাপন করে "নিখুঁত পরিবেশ" সৃষ্টি করেছিলো তারা। আসলে বিএনপি ক্ষমতা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে হস্তান্তর করছিলো না, করছিলো নিজেদেরই কাছে ৩ মাসের জন্য। আমার মতে বাংলাদেশে "ইলেকশন ইন্ঞ্জিনিয়ারিং" শব্দটা উচ্চারণের অধিকার খালেদা জিয়া বাদে আর কারো নেই, এ শব্দটির জন্য "তেনারাই" সবচাইতে যোগ্য।

কেন এগুলো বলছি? কেন শুধু ৪ দলীয় ঐক্যজোটেরটাই বলছি? তবে কি আওয়ামী লীগ ধোয়া তুলসীপাতা? মোটেও নয়। দুর্নীতি আর দুঃশাসনের নজির আওয়ামী লীগও অতীতে রেখেছে। কিন্তু সহনসীমা বলে একটা শব্দ আছে। আর সে শব্দটি বোধ করি ৪ দলীয় ঐক্যজোট পেরিয়েছে অনেক আগেই।

মাঝখানে ২টি বছর পেরিয়েছে। নানা নাটক, গ্রেপ্তার অভিযান, আন্দোলন, আলোচনা কয়েকটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেখেছে জনগণ। দেখেছে ২ প্রধান দলের অনেকগুলো মানুষ যাদেরকে তারা অনেক বিশ্বাস করতো, যাদেরকে তারা তাদের রায় দিয়েছিলো তাদের মুখোশ উন্মোচন। রাজনীতির অঙ্গনে, বিশেষতঃ বাংলাদেশের রাজনীতির অঙ্গনে পরিবর্তন খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা। এই দু'টো বছর যদিও খুব সংক্ষিপ্ত সময়, তথাপি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এনেছে একটু ভিন্ন মাত্রার কিছু পরিবর্তন - এমন কিছু পরিবর্তন যা ছিলো বহুল প্রত্যাশিত, আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন। বাঙ্গালী হুজুগে জাতি বলে একটা অপবাদ আছে যার দায় বাঙ্গালী চাইলেও সম্পূর্ণরূপে এড়াতে পারবে না। প্রার্থী নয়, দল দেখে, আরো ভালো করে বলতে গেলে মার্কা দেখে ভোট দেয়াটা এদেশের এক ধরনের রীতি। আমাদের ভোটাররা হুজুগে গা ভাসাতে বেশ পছন্দ করেন। এদেশেই একদল নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক সমর্থক আছেন যাদেরকে আপনি কোনোভাবেই বোঝাতে পারবেন না যে তার পছন্দের প্রার্থীটি কতোটা দুর্নীতিপরায়ণ, কতোটা হীন-মানসিকতার। তারা শুধু যা বোঝেন তা হলো উক্ত প্রার্থীটি আওয়ামী লীগের বা উক্ত প্রার্থীটি বিএনপির, সুতরাং তাকে নির্বাচনে জয়ী করতেই হবে - গুণগত মান এখানে নগণ্য, বরং বলা ভালো অগ্রাহ্য।

তবে এই দু'টো বছর আমাদেরকে কিছু জিনিস দিয়েছে। এই দু'টো বছর আমাদেরকে সময় দিয়েছে, সময় দিয়েছে ভেবে দেখবার জন্য - আমরা যা ভাবি, আমরা যা করি তার কতোটুকু ভেবে-চিন্তে করি। এই দু'টো বছর আমাদেরকে সময় দিয়েছে নিজেকে নিজে প্রশ্ন করবার, আমাদেরকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছে সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমরা কতোটা দুর্বল, কতোটা ভীতু, কতোটা দায়বদ্ধ। অনেকেই এই দুই বছর সময়কাল ধরে জনগণের সাথে গনতন্ত্রের তথা সক্রিয় রাজনীতির বিচ্ছিন্নতার ব্যাপারটিকে নানাভাবে বিশ্লেষণ করেছেন যার বেশিরভাগই পূর্ণ ছিলো এর সমালোচনায়। কিন্তু আমি সবসময়ই এই বিচ্ছিন্নতার বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখেছি - আমার কাছে মনে হয়েছে এই ২টি বছর আমাদেরকে সেইসব দৃশ্য দেখার সুযোগ করে দিয়েছে যা অবিশ্রান্ত গনতন্ত্রের ধারায় ধামাচাপা পড়ে যায়, যার সুযোগ বছরের পর বছর ধরে রাজনীতিবিদরা নিয়ে আসছেন। এই দু'টো বছর আমার মতো নতুন ভোটার যারা মাত্র এই বিষয়গুলো বুঝতে শিখিছে তাদেরকে আরো অনেক কিছু উপলব্ধি করার সুযোগ করে দিয়েছে। টেলিভিশন চ্যানেল আর সংবাদপত্রে আলোচনা, সমালোচনা, টক-শো এবারের নির্বাচনে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ নেওয়া ভোটারদের পছন্দকে প্রভাবিত করেছে অনেকটাই। অন্ততঃ আমি নিজের কথা বলতে পারি। রাজনীতি সম্পর্কে বিন্দুমাত্র আগ্রহও আমার ছিলো না, বরং মনে খানিকটা ঘৃণা জন্মেছিলো এ বিষয়টা সম্পর্কে। কিন্তু এই দু'টো বছর আমাকে বুঝতে শিখিয়েছে আমার ভোটটির গুরুত্ব, শিখিয়েছে নিজের পছন্দকে প্রশ্ন করতে।

আরো একটি বিষয় ঘটেছে এই দু'টো বছরে - আর তা হলো ৩৬ বছরের পুরনো একটি দাবীর নতুন করে উত্থান, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। ১৯৭১ থেকে ২০০৮, দীর্ঘ ৩৭ বছর হয়েছে আমাদের স্বাধীনতার। কিন্তু আজো আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারিনি, বলা ভালো করার চেষ্টাও করিনি। কিন্তু ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে সিক্ত পতাকাখানি যখন কোন যুদ্ধাপরাধী রাজনৈতিক নেতার গাড়িবহরে পতপত করে উড়তে দেখি - কোন বিবেকবান মানুষের সাধ্য তা সহ্য করে? যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবী এখন সময়ের দাবী, কারন এখনই সময়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যদি আজ না হয় তবে আর কোনোদিন হবে না। ৩৬ বছর পরে হলেও দাবীটি আজ আবার নতুন করে করা হয়েছে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক অঙ্গনেরই আশির্বাদ এটি। স্বাভাবিকভাবেই দাবীটি এ দেশের ধর্মব্যবসায়ী, ইসলামের টেন্ডারগ্রহণকৃত ও সাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের(!) ধারক রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর ভালো লাগেনি - লাগাটা স্বাভাবিক নয়ও যখন আপনার দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের অধিকাংশই চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধী। জামায়াত অবশ্য সিদ্ধান্ত নিলো ৩৬ বছর পুরনো এই দাবীকে তারা কাউন্টার এ্যাটাক করবে। আর কাউন্টার এ্যাটাকের পদ্ধতি? সেই একই - আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ঐতিহ্যের ওপর হামলা। লালন আর বক ভাষ্কর্য্য ভাঙচুর তারই ফসল। আমি বাজি ধরে বলতে পারি এসব তৎপরতা আর যেকোন বছর হলে জামায়াতের জন্য নির্বাচনে সুফল বয়ে আনতো, কিন্তু ২০০৮ এ নয়........কারন মানুষ এখন বুঝতে শিখেছে.........

কারন: বাংলাদেশের আর যেকোন রাজনৈতিক দলকে ঘৃণা করবার হাজারটি কারন থাকতে পারে, কিন্তু জামাতকে ঘৃণা করবার ৩০ লক্ষ কারন আছে.......

তবে ৪ দলীয় ঐক্যজোটের কাছে সুযোগ ছিলো, সুযোগ ছিলো খালেদা জিয়ার কাছেও। দরকার ছিলো সামান্য বুদ্ধিমত্তার আর সৎ সাহসের। কিন্তু না খালেদা জিয়া নির্বাচনে লড়লেন তার মান্ধাতা আমলের সেই নীতিকে পুঁজি করে। কিন্তু "নতুনের শক্তিকে" খালেদা জিয়া যেন খেয়ালই করেননি।

পল্টন ময়দানে তার শেষ মহাসমাবেশে বক্তৃতাকালে খালেদা জিয়া বললেন - "ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমা করে দিন।"......."আমার ছেলেরা নির্দোষ"........প্রভৃতি। হাঃ হাঃ হাঃ। কতো সোজা তাইনা? ৫ বছরের সীমাহীন দুর্নীতি আর দুঃশাসনের জবাব - "ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমা করে দিন।" তারেক রহমার আর কোকো রহমান নির্দোষ! না না খালেদা জিয়া, ভুল আমাদেরই হয়েছিলো। ভুল হয়েছিলো তখনই যখন তারেক রহমানের বিচারের ভার জনগণের হাতে তুলে না দিয়ে বিচারব্যবস্থার কাছে দেয়া হয়েছিলো। ভুল হয়েছিলো তখনই যখন আপনার পুত্র তারেক রহমানকে জেলখানা থেকে জীবিত বের হতে দেয়া হয়েছিলো। তবে ম্যাডাম খালেদা জিয়া, প্রকৃতির বিচার এড়ানো যায় না - যারা দেশের মেরুদন্ড ভেঙে দেশকে পঙ্গু করে স্ট্রেচারে শুইয়ে দিয়েছে তারা আজ মেরুদন্ড ভাঙা, স্ট্রেচারে শুয়ে। হয়তো শারীরিকভাবে নয়, তবে মানসিকভাবে.........

সবশেষে আপনাকে অনুরোধ করবো খালেদা জিয়া, এখন সময় এসেছে - সময় এসেছে কিছু সাহসী সিদ্ধান্ত নেবার। সময় এসেছে জোট থেকে জামায়াতকে ছুঁড়ে ফেলে দেবার, সময় এসেছে পরাজয় মেনে নিয়ে, ভুল ও ব্যর্থতা স্বীকার করে নিয়ে জনগণের অনুগ্রহ আদায়ের। ক্ষমা চেয়ে আজ অব্দি কেউ ছোট হননি, আপনিও হবেন না। পরিণতির কথা চিন্তা না করেই সীমাহীন দুর্নীতিতে লিপ্ত হতে যেমন অনেক বুদ্ধি আর সাহসের প্রয়োজন খালেদা জিয়া, তেমনি প্রয়োজন এরকম কোন সিদ্ধান্ত নিতেও। খারাপ পথে গিয়ে তো দেখলেন কি হলো, এবার একটু ভালো পথটাও চেষ্টা করে দেখুন.......

 

সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:১৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৬
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন: এই প্রথম মনে হোয় serious কিছু লিখার প্রচেষ্টা?
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: তার মানে আপনি আমার লেখা পড়েন না........:)

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৩. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৫
নুশেরা বলেছেন: চমৎকার, কম্প্লিট একটা বিশ্লেষণ। ++++++++++++++++++++
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নুশেরা আপু। কেমন আছেন?

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: 'ক্ষমা চেয়ে আজ অব্দি কেউ ছোট হননি, আপনিও হবেন না'-সহমত।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

৬. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: যারা দেশের মেরুদন্ড ভেঙে দেশকে পঙ্গু করে স্ট্রেচারে শুইয়ে দিয়েছে তারা আজ মেরুদন্ড ভাঙা, স্ট্রেচারে শুয়ে। হয়তো শারীরিকভাবে নয়, তবে মানসিকভাবে...



সম্পুর্নরুপে সহমত নাফিস ।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে.......

৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৮
স্বজন বলেছেন: আমি বাজি ধরে বলতে পারি এসব তৎপরতা আর যেকোন বছর হলে জামায়াতের জন্য নির্বাচনে সুফল বয়ে আনতো, কিন্তু ২০০৮ এ নয়........কারন মানুষ এখন বুঝতে শিখেছে......... দারুন লিখেছেন।

বুদ্ধিজীবি নামক আতেল গুলি যদি এভাবে পত্রিকায় কলাম লিখত তাহলে রাজনৈতিক দলগুলোর গুনগত পরিবর্তন অবশ্যই আসত।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: :)

৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬
ডেরেক জিটার বলেছেন: চমৎকার লেখা। শুধু একটি কথা মনে হয় বাড়াবাড়ি হয়ে গিয়েছে:
"ভুল হয়েছিলো তখনই যখন আপনার পুত্র তারেক রহমানকে জেলখানা থেকে জীবিত বের হতে দেয়া হয়েছিল"
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৮

লেখক বলেছেন: ওটা কথার কথা.......বুঝানোর জন্য, মানুষ ওনাদের ওপর কি পরিমাণে ক্ষ্যাপা ছিলো.......বিচার আইনের হাতেই হওয়াটা বাঞ্ছনীয়........আপনাকে ধন্যবাদ!

৯. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৩
রহমান মাসুদ বলেছেন: আপনার কমেন্টস নিউজে দিলাম।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৯

লেখক বলেছেন: কোন কমেন্টস?

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!

১১. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৪
এরশাদ বাদশা বলেছেন: কিন্তু ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে সিক্ত পতাকাখানি যখন কোন যুদ্ধাপরাধী রাজনৈতিক নেতার গাড়িবহরে পতপত করে উড়তে দেখি - কোন বিবেকবান মানুষের সাধ্য তা সহ্য করে?

সহ্য করেনি.......

অসাধারন লিখেছেন!! হ্যাটস অফ টু ইউ!!!
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই........

১২. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৪৮
কামাল উদ্দিন ফারুকী জুয়েল বলেছেন: আওয়ামী মানবাধিকার লংঘনকারী ব্যবসায়ী চক্র থেকে আমাদের পরিবার ও সমপত্তি রক্ষা করতে চাই।

সকলের আন্তরিক সহায়তা কামনা করছি।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: বুঝলাম না........

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: করুম না........

১৪. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৩৬
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: খাড়ান আগে প্লাস দিয়া লই
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন: হুমমম........

১৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৩
'লেনিন' বলেছেন: ভালো লিখেছেন, এখন জনগণের প্রত্যাশা প্রাপ্তি আর বিএনপি নিজের ভুলগুলো ইতিবাচক শুধরে নেয়া অত্যন্ত জরুরী। একটা খোঁড়া বিরোধীদল দেশের জন্য ভালো নয়।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৩

লেখক বলেছেন: মতামতের জন্য ধন্যবাদ!

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: হুমমম........

১৭. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:০১
অক্ষর বলেছেন: এত্ত রাইত জাইগা থাইকাও উত্তর পাইলাম না:(
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: কিসের?

১৮. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:৪৭
আরিফ জেবতিক বলেছেন: সুন্দর লেখা ।
খালেদা যখন নিজের ছেলেকে নির্দোষ দাবী করেন , তখন প্রতিটি শব্দের জন্য কয়েকহাজার করে ভোট কমে যায় ।

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩৮

লেখক বলেছেন: সহমত!

১৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩১
শিবলী বলেছেন: জামাত কে না, তাই বি এন পি কেও সেই না।

বিশ্লেষন টা এখন বিএন পির নিজেদের বসে বসে করা উচিত, যদি তারা রাজনীতি করতে জানে।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন: সহমত!

২০. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১:৪০
ঘাসফড়িং বলেছেন: "১৯৭১ থেকে ২০০৮, দীর্ঘ ৩৭ বছর হয়েছে আমাদের স্বাধীনতার। কিন্তু আজো আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারিনি, বলা ভালো করার চেষ্টাও করিনি। কিন্তু ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে সিক্ত পতাকাখানি যখন কোন যুদ্ধাপরাধী রাজনৈতিক নেতার গাড়িবহরে পতপত করে উড়তে দেখি - কোন বিবেকবান মানুষের সাধ্য তা সহ্য করে?"

খুবই সত্যি কথা।। টাচি।।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে!

২১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:২৯
আতিক একটেল বলেছেন: নতুন ভোটার মানে বয়স কম হলেও খুব পরিপক্ক লেখা যা অনেক পরিপক্ক ভোটার এমনকি ভোট প্রার্থি ও পারবেনা এমন লেখতে। ধন্যবাদ তোমাকে।
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ :)

২২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১০:৩১
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ভোটের দিন কোন একটা চ্যানেলের খবরে দেখালো "ইফতেখার" নামে এক ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্রের প্রথম ভোটের অনুভূতি প্রকাশ...

তখন চেষ্টা করছিলাম মিলিয়ে দেখার, আপনার প্রোফাইল ছবি আর সেই "ইফতেখার".....

হাহা...আপনিই নাতো ?
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০৪

লেখক বলেছেন: আরে না না.......আমি তো ইফতেখার নামটা বলতে গেলে ব্যবহারই করি না দৈনন্দিন জীবনে..........:)

০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: :)

২৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২
পাপী বলেছেন: ভালো লেখা!
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! :)

২৫. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৪৯
জিগ স বলেছেন: মীতু বলেছেন: ++++++++++++
নরকের পাপী বলেছেন: ভালো লেখা!
আতিক একটেল বলেছেন: নতুন ভোটার মানে বয়স কম হলেও খুব পরিপক্ক লেখা যা অনেক পরিপক্ক ভোটার এমনকি ভোট প্রার্থি ও পারবেনা এমন লেখতে। ধন্যবাদ তোমাকে।
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৩

লেখক বলেছেন: তুমার নিজের কিছু বলার নাই? ;)

২৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:২১
রূপক  বলেছেন: ভালো লেখা, তবে তোমার কাছ থেকে আশাতীত...(পজিটিভলি)

আমার তো ধারণা ছিল, তুমিও আমার মতই দুনিয়াদারির মায়া ছেড়ে এক গণনাযন্ত্র নিয়ে বসেছ, এখন তো দেখছি- নাহ, দুনিয়ার খেয়াল খবর আছে। :)
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০০

লেখক বলেছেন: অনেক কিছুই ভাবা যায়, যতোক্ষণ পর্যন্ত না সত্য জানা যায়.........;)

০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! :)

২৮. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: দেরীতে পড়ছি, তবে দারুণ-দুর্দান্ত কথাগুলা নগদে বললাম
০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অমি রহমান পিয়াল ভাই........

৩০. ০১ লা নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
গডফাদার০২ বলেছেন: লেখাটা অনেক দেরিতে পড়লাম। ভালো লাগলো। আরো ভালো লাগতো যদি খালেদা জিয়া আর শেখ হাসিনা এই লেখাটা কোন ভাবে পড়তো আর নিজেদেরকে বা দলকে একটু শুধরাতো..

শুভেচ্চা থাকলো

 

মোট সময় লেগেছে ১.২১৭০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
অন্ধ-কালো ফুল... ফুরনো পুতুল...
হাওয়া দিক ভুল বারো মাস...
এলানো কাজল... ভাঙা রাজমহল...
বিষের ছোবল ঝরা শ্বাস...

facebook.com/nafis.iftekhar
twitter.com/nafis_iftekhar
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই