আমার প্রিয় পোস্ট
- রিলেশনের শুরু - নাফিস ইফতেখার
- রিলেশনের ঝগড়া - নাফিস ইফতেখার
- ছেলেদের ব্রেক আপ - নাফিস ইফতেখার
- ব্যতিক্রমী বিষয় নিয়ে অসামান্য ছয়টি ডকুমেন্টারি (ডাউনলোড লিংকসহ) - ফিউশন ফাইভ
- একটি মামাবাড়ির আবদার ~ তথা ~ দাতা হাতেম তাই ~ তথা ~ হাজী মুহম্মদ মুহসীন টাইপ পোস্ট (লিংকদাতা পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- প্রিমিয়াম লিঙ্ক জেনারেটর (আপডেটেড - ১৭ই ডিসেম্বর ২০১০)
- অরণ্যচারী
- উবুন্টুতে গ্রাফিক্যালি সবকিছু : টিউটোরিয়াল । এরপর খালি বলে দেখেন উবুন্টু কঠিন , খবর আছে!!! - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- উবুন্টুর কমান্ড লাইনের অ আ ক খ: ডরনা মানা হ্যায় - ইন্ঞ্জিনিয়ার
- আজ কাঙাল মামার জন্মদিন
- নাফিস ইফতেখার
- বুরকা পরা মেয়ে পাগল করেচে - বিষাক্ত মানুষ
- আমি কী হনু রে সিনড্রোম ও তার গপ্পো - রাগিব
- প্রকৃতির খেলা ১ - অপরিচিত_আবির
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- আজ মডুর বিয়ে - নাফিস ইফতেখার
- ****ফটো রসিকতা - ২ *********[
] - শূন্য আরণ্যক
- প্রেম - কত প্রকার ও কি কি - সবিস্তারে বর্ননা (১৮+ পোস্ট) ♥♂♀ - নাফিস ইফতেখার
- পোস্ট না পড়ে কিংবা অল্প পড়ে কিভাবে সুন্দর মন্তব্য করবেন? (নতুন ও কর্মজীবী ব্লগারদের জন্য পরামর্শ) - ফিউশন ফাইভ
- সামহয়ারইন দেখুন আপনার মোবাইল থেকেই!
- দুর্লভ
- অগুনিত মেহেরের গল্প। - সৌম্য
- ১৮+ কৌতুক প্লিজ ব্যান করবেন না, অথবা করার ইচ্ছা থাকলে ,একটা কারণ দর্শাও নোটিশ পাঠাবেন।এক্সট্রিমলি ম্যাচিউরডদের জন্য। - বিলাল
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ৪র্থ ও শেষ পর্ব (ওয়েব বিপ্লব) - নাফিস ইফতেখার
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ৩য় পর্ব (ইন্টারনেট ব্যবসা - ডট কম বাবল) - নাফিস ইফতেখার
- তেপান্তরে নিরন্তর , ভাগ্যান্তরী মন্বন্তর.. - হিমালয়৭৭৭
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ২য় পর্ব (সার্চ ইন্ঞ্জিন) - নাফিস ইফতেখার
- ইন্টারনেটের প্রকৃত ইতিহাস - ১ম পর্ব (ব্রাউসার যুদ্ধ) - নাফিস ইফতেখার
- সামহোয়্যারের ব্লগার ও পোস্ট - কত প্রকার ও কি কি (সবিস্তারে বর্ননা - অবশ্যই দেখুন)
- নাফিস ইফতেখার
- ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের জগতে আপনাকে স্বাগতম (অনেকগুলো সফটওয়্যারের বর্ননাসহ ডাউনলোড লিংক) - নাফিস ইফতেখার
- আমার পর্ণোবেলা - চতুর্খন্ডিত (১৮+ পোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার বইমেলা Version 3.0 - সামহয়ারের ব্লগারদের কিছু অলিখিত বই (ভবিষ্যতে লিখতে পারেন)
(ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- রিজিউম করুন আপনার ডাউনলোড - মোজাম্মেল হোসেন (ত্বোহা)
- চিকনমিয়া মাইনাচ পুরষ্কার, ২০০৮
EXCLUSIVE!!! (ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার বইমেলা Version 2.0 - সামহয়ারের ব্লগারদের কিছু অলিখিত বই (ভবিষ্যতে লিখতে পারেন)
(ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চার্য, অতি প্রাকৃতিক ব্যাপার-সেপার - নাফিস ইফতেখার
- কারো পৌষ মাস.....কারো দীর্ঘশ্বাস.....আবারো গ্রামীণফোন - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার ইন উক্তিপিডিয়া - নাফিস ইফতেখার
- সামহয়ার বইমেলা Version 1.0 - সামহয়ারের ব্লগারদের কিছু অলিখিত বই (ভবিষ্যতে লিখতে পারেন)
(ফানপোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- বাংলাদেশ ২১০৮ - একটি ভবিষ্যৎ দর্শনমূলক কবিতা (MUST SEE!!!) - নাফিস ইফতেখার
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- তিন টাকার ভাবনা - মাহবুবা আখতার
- সাইফুল্লাহ হুজুরের বিশেষ শাস্তি ----- একটি সিম্পল ছোট গল্প - নোবেলজয়ী
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল - আগাগোড়া পুরোটাই গলদপূর্ণ, Massive Reconstruction এর প্রয়োজন
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৩১
![]()
এক এক করে বলবো:
![]()
১. অনভিজ্ঞতা:
প্রথমেই জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে আজকের ওয়ানডে দলটির সদস্যদের বয়স দেখুন:
তামিম ইকবাল: ১৯ বছর ৩০৫ দিন (৫১ ওয়ানডে/১০ টেস্ট)
জুনায়েদ সিদ্দিক: ২১ বছর ৮১ দিন (১৭ ওয়ানডে/১০টেস্ট)
মোহাম্মদ আশরাফুল: ২৪ বছর ১৯৬ দিন (১৩৭ ওয়ানডে/৪৮ টেস্ট)
রাকিবুল হাসান: ২১ বছর ১০৩ দিন (২১ ওয়ানডে/৩ টেস্ট)
সাকিব আল হাসান: ২১ বছর ৩০১ দিন (৬০ ওয়ানডে/১২ টেস্ট)
মুশফিকুর রহিম: ২০ বছর ১৪০ দিন (৪৪ ওয়ানডে/১৪ টেস্ট)
মাহমুদুল্লাহ্: ২২ বছর ৩৫০ দিন (২২ ওয়ানডে/০ টেস্ট)
নাঈম ইসলাম: ২২ বছর ১৯ দিন (৯ ওয়ানডে/২ টেস্ট)
মাশরাফি মুর্তজা: ২৫ বছর ১০৬ দিন (১০১ ওয়ানডে/৩৫ টেস্ট)
নাজমুল হোসেন: ২১ বছর ১০৬ দিন (২২ ওয়ানডে/১ টেস্ট)
রুবেল হোসেন: ১৯ বছর ১৮ দিন (৩ ওয়ানডে/০ টেস্ট)
গড় বয়স: ২১ বছর (প্রায়)
মাত্র ২১ বছর?!? এটা কি একটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দলের পরিচয় বা চিহ্ন বহন করে? দলে ৫০টি বা তার চেয়ে বেশি ওয়ানডে খেলা খেলোয়াড় আচেন মাত্র ৪ জন, শতাধিক ওয়ানডে খেলেছেন এমনদের সংখ্যা মাত্র ২ জন। এরকম অনভিজ্ঞ একটি দলের কাছ থেকে ক্ষণিকে ক্ষণিকে ব্যাক্তিগত ঝলক বা দ্যুতির হয়তো দেখা পাওয়া সম্ভব কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়মিত সাফল্য সম্ভবত দূরাশা। দলে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ২-১ জন ক্রিকেটার থাকা খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যান্য আন্তর্জাতিক দলগুলো এ প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে বলেরই আমরা আজো শচীন, জয়সুরিয়াদেরকে খেলতে দেখি। ধরুন আজকেই অভিষেক হয়েছে এমন একটা বোলার যখন জীবনের ১ম ওভারেই প্রথম ৩ বলে ৩টা ৪ এর মার খায়, তখন খুব প্রয়োজন হয়ে পড়ে কারো একজনের ঐ বোলারের কাছে যাওয়া,গিয়ে কথা বলা। এখনো মনে আছে ইশান্ত শর্মা যখন একদম নতুন, মাত্র অভিষেক হয়েছে তখন মহেন্দ্র সিং ধোনির পক্ষে সবসময় সম্ভব হতো না ইশান্তের সাথে কথা বলা। এই কাজটা করতেন শচীন মিড-অফে দাঁড়িয়ে। সবসময় সাহস জোগাতেন এমনকি ইশান্ত খারাপ বল করলেও, পরামর্শ দিতেন তাকে। আমাদের দলে এমন ক্রিকেটার কই যে এই বড়ভাইয়ের মতো দায়িত্বটা পালন করবে?
![]()
২. ওপেনার: তামিম ইকবাল-জুনায়েদ সিদ্দিকী জুটি একের পর এক ম্যাচে তাদের ব্যর্থতার ছাপ রেখে চলেছেন। দলকে ভালো সূচনা এনে দেয়াতো দূরে থাক অধিকাংশ ম্যাচেই ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোরকার্ডটা দেখায় এমন - ৪০/৪। আদ্যিকালে যখন ক্রিকেট খেলা হতো তখন ওপেনারদের কাজ ছিলো নতুন বল দেখেশুনে খেলা, সাবধানী ভঙ্গিতে ব্যাট করে ক্রিজে সময় অতিবাহিত করা এবং পরে ক্রিজে জমে গেলে রান তোলার গতি বাড়ানো। কিন্তু আধুনিক ক্রিকেটে একমাত্র টেস্ট ক্রিকেট বাদে এই ধারণার প্রচলণ প্রায় নেই বললেই চলে একান্তই যদি না পিচ চরম বোলিং সহায়ক হয়। এমনকি টেস্ট ক্রিকেটে পর্যন্ত এখন ওভারপ্রতি ৪ রান করে তুলছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দল। আর তাই ওয়ানডেতে ১০ ওভার শেষে ২৫-৪০ রান আর ৩-৪ উইকেট কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না, বিশেষতঃ তখন যখন পাওয়ার-প্লের মতো একটি বিশাল হাতিয়ার আপনার হাতে রয়েছে প্রথম ১০ ওভারে, আর পরে আরো ১০ ওভারতো আছেই। সবসময় যে এরকম দেখেশুনে খেলেন তাও কিন্তু নয়। কোন কোনদিন আমাদের ওপেনরারা এমন ভঙ্গিতে নামেন যেন ভাস, এনটিনি, ডেল স্টেইন বা ব্রেট লি নয়.......তারা যেন গলির ক্রিকেটের বোলারদের বল মোকাবেলা করছেন। চোখ বুঁজে হাই ব্যাকলিফট থেকে ব্যাট নামিয়ে হাঁকালেই কি ব্যাটিং হয়ে যায়? তাহলে টাইমিং আর Watching the ball কথাগুলো কি শোকেসে সাজিয়ে রাখবার জন্য? বিশেষত তামিম ইকবালকে দেখা যায় ডাউন দ্যা উইকেট এসে চোখ বুঁজে, না পুল না ড্রাইভ এমন কিম্ভূতকিমাকার ধরনের একটি শট খেলতে।
![]()
৩. মোহাম্মদ আশরাফুল: মোহাম্মদ আশরাফুল একাই দলের জন্য একটি বিরাটা সমস্যা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকটা বিদ্যুতের মতো আর মুরালিধরনকে ভালো খেলতে পারেন। ব্যস! এই দু'টোকেই এখনো বেচে বেচে টিকে আছেন আমাদের এই মহান ক্রিকেটার।
ক. টস জিতে কি করতে হবে তা নির্ধারণে স্কুল ক্রিকেটের ছেলেরাও যে ভুল করবেন না তা আশরাফুল করেন। শিশিরভেজা সবুজ উইকেটে টসে জিতে ব্যাটিং করা থেকে শুরু করে নিতান্তই মরা ও ন্যাড়া পিচে বোলিং নেবার মতো সিদ্ধান্তও আমরা আশরাফুলের কাছ থেকে পেয়েছি।
খ. এর ব্যাটিং দেখলে মনে হয় বোলাররা ওনার মামু লাগে, প্রতিটা বল যেন একই যায়গায় একই পেসে দিয়ে যাবে আর উনিও বাউন্ডারির পর বাউন্ডারি মেরেই যাবেন। ধৈর্য্য, পর্যবেক্ষণ, অবস্থা বুঝে খেলা শব্দগুলোর সাথে আশরাফুলের দূর দূর পর্যন্ত কোন সম্বন্ধ নেই।
গ. একই ওভারে প্রথম ৩ বলে কোন ব্যাটসম্যান যদি ৩টি ৪ মারে, স্বভাবতই যে কোন ব্যাটসম্যানই চাইবে একটা সিঙ্গেল নিয়ে ননস্ট্রাইকিং প্রান্তে যেতে। কিন্তু কিসের কি! আমাদের আশরাফুল ঐ ৪র্থ বলটিও তাড়া করবেন। বলটা থাকবে অফ স্টাম্পের বাইরে, হয়তো স্লোয়ার বল........উনি ড্রাইভ করবেন........বল কাভারের ফিল্ডার তালুবন্দি করবেন, ডেসিং রুমে ফিরে যাওয়ার পথে বার কয়েক নিজের ব্যাটখানা দিয়ে মাটিতে কোপ বসাবেন এবং ব্যাটে ঠিক কোন যায়গায় বলটা লেগেছিলো পুনরায় চেক করবেন - এই হলো মোহাম্মদ আশরাফুল।
ঘ. বোলিংয়ের সময় বোলারদেরকে কিভাবে কাজে লাগাতে হবে সে সম্বন্ধে বিন্দুমাত্র আইডিয়া নেই আশলাফুলের। ভালো বোলারদেরকে টানা বল করিয়ে সব ওভার শেষ করে ফেলেন। তারপর শুরু হয় একটানা স্পিন বোলারদের স্পেল। বিপক্ষ দলের জন্য চমকটা কোথায়? কোথায় বৈচিত্র্য? স্বভাবতই বিপক্ষ দলগুলোর ধাতস্থ হতে বেশি একটা সময় লাগে না।
ঙ. আশরাফুলের ব্যাটিংকে তুলনা করা যেতে পারে ২ গিয়ারওয়ালা গাড়ির সাথে। আশরাফুল হয় ক্রিজে এসে ঝড় তোলেন নয়তো কচ্ছপের মতো খোলসে ঢুকে যান (কচ্ছপ সংস্করণটা আগে ছিলো না, সিডন্স আসার পর থেকে শুরু হয়েছে)। এর বাদে আর কোনভাবে যে ক্রিকেটে খেলা যায়, Rotating the strike বলে যে কিছু আছে তা বোধোহয় আশরাফুল জানেনই না। অবশ্য সেটা বলে আর কি লাভ? এটা বাংলাদেশ দলের অধিকাংশ ব্যাটসম্যানই জানেন না।
চ. আশরাফুলের ব্যাটিং দেখলে মনে হয় উনার সাথে বোলারদের টেলিপ্যাথির সংযোগ আছে। যেন ইন বোলার রানআপ থেকে দৌড়ে আসার সময়ই জানেন বোলার কোথায় বল ফেলবে। প্রায় প্রতিটি শটই তিনি খেলেন আগে থেকে ঠিক করে রেখে। বল যেখানেই পড়ুক সেই ঠিক করে রাখা শট তার খেলা চাইই চাই। এভাবে দাবা হয়তো খেলা সম্ভব কিন্তু ক্রিকেট নয়। ক্রিকেটে প্রতিটি বল দেখে তারপর Fractions of a second এ নির্ধারণ করতে হয় কোন শট খেলতে হবে। আহা! তা কি করে হবে? উনি তো ব্যাটিং করেন দর্শককে মজা দেবার জন্য, দলের জন্য না। সুন্দর করে স্টাম্প ছেড়ে ৩ হাত পাশে সরে যান প্যাডল স্কুপ খেলবার জন্য। কেন বাপ? আর কোন শট নাই? স্ট্রেট ব্যাটে খেলা যায় না? ঐ শটগুলাতো শেষ ৫ ওভারেও খেলা যায়...........
নাহ্........আর পারছি না........আশরাফুলের ব্যাপারে সব বলতে গেলে রাত কাবার হয়ে যাবে। তার চাইতে অন্য কিছু দেখি.......
![]()
৪. সামগ্রিক ব্যাটিং দুরাবস্থা: পুরো ব্যাটিং অর্ডার জুড়েই সমস্যা। একমাত্র সাকিব বাদে কেউ আর হালই ধরতে পারছেন না। আর সাকিবই বা কয়টা ম্যাচে ভালো করবেন? হাজার হোক মানুষ তো, কোন মেশিন তো না। বাকি পুরা দলে যদি কেউ ২টা ফিফটিও না করতে পারে তাহলে একা সাকিব কি করবে? ব্যাটসম্যানদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো পেস বল যেন তাদের যম। স্লিপে বা অফ সাইডে রিংয়ের ভিতরে ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নেয়াটা বাংলাদেশী ব্যাটসম্যানদের অনেক পুরাতন সমস্যা। এখনো অফের বাইরের বলে কাঁপা কাঁপা শট নেয় ব্যাটসম্যানরা। এই সমস্যার সমাধানতো অফের বল ছেড়ে দেয়া হতে পারে না। সমস্যাকে সামনা-সামনি ফেস করতে হবে। ব্যাটসম্যানদের জন্য আরো একটি বড় সমস্যা হলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনের পেস বোলারদের ৮৫-৯৫ মাইল/ঘন্টার করা বল সামলাতে তারা হিমশিম খান। এর কারনটা খুবই সহজবোধ্য। ক্লাব ক্রিকেট থেকে শুরু করে নেট পর্যন্ত আমাদের ব্যাটসম্যানরা কোথাওই এই গতির বল খেলে অভ্যস্ত নন। তাদের প্র্যাকটিস বলতে ম্যাচে ঐসব বোলাদেরকে সামনা-সামনি মোকাবেলা পর্যন্তই।
![]()
ঘন্টায় ৯০ মাইলে গতিতে ধেঁয়ে আসা বল যে হাই-ব্যাকলিফট থেকে ব্যাট নামিয়ে খেলা যায় না তা কে বোঝাবে তাদের? আর এসব বল যখন ফুল-লেন্থ বা ইয়র্কার হয় তখন হাইব্যাকলিফট থেকে ব্যাট নামানোর প্রচেষ্টাতেই আমাদের ব্যাটসম্যানরা Caught on the crease হয়ে যান ও ফলস্বরূপ হয় LBW নতুবা Bold হন। শুধুমাত্র দক্ষতার বলে এসব বল খেলা যায় না, এগুলো খেলতে প্রয়োজন হয় Instinctive Batting এর। এরকম হাই স্পিড বলে ড্রাইভ বা কাট করা আমাদের ব্যাটসম্যানদের কাছে দুঃস্বপ্নের মতো। আর তাই হয়তো আমরা আশরাফুল ও আরো অনেক ব্যাটসম্যানকে প্যাডল স্কুপ খেলতে দেখি। কেননা ঐসব শটে বোলারের পেসকে কাজে লাগানো যায়, ব্যাটসমানকে বাড়তি কোন জোর প্রয়াগ করতে হয় না।
আমাদের ব্যাটসম্যানরা রান করার জন্য বাউন্ডারির ওপর নির্ভরশীল। অথচ স্ট্রাইক রোটেট করার দিকে কোন খেয়ালই নেই। শুধু চার-ছয় দিয়ে কি পার্টনারশিপ গড়া যায়? ম্যাচ জেতা যায়?
প্রতি ম্যাচে দল ১২০-১৮০ এর মধ্যে স্কোর করলে কোন আন্তর্জাতিক দলের পক্ষেই ম্যাচ জেতা সম্ভব নয়, সর্বোচ্চ ভালো বোলিং লাইন-আপ থাকলে ফাইট করা সম্ভব।
![]()
৫. খুবই উন্নতমানের কিন্তু সঠিক নির্দেশনা না পাওয়া বোলিং লাইন-আপ: ব্যাক্তিগতভাবে আমি বাংলাদেশের বোলিং লাইন-আপকে পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বলে মানি। বাংলাদেশ যে কয়টা ম্যাচ জিতেছে তার কয়টাতে ৩০০ বা ততোধিক রান করেছে? বেশিরভাগ ম্যাচ যেগুলো বাংলাদেশ জিতেছে তা সম্পূর্ণ বোলিং অবদানের উপর ভর করে। আরেক কথায়, বোলাররাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ম্যাচ উইনার। কিন্তু দূভার্গ্যবশত এতো ভালো বোলিং লাইন-আপ কি করে সামলাতে হয় তা আমাদের ক্যাপ্টেন সাহেবদের জানা নেই। ভালো বোলাররা উইকেট পেতে থাকলে স্রোতে গা ভাসিয়ে তাদেরকে টানা বল করিয়ে স্পেল শেষ করে দেয়া হয়। পরে শেষ ওভারগুলোতে তাদের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে কপাল চাপরাতে হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের দল অপর দলের ৫-৬ উইকেট ধসিয়ে দিলেও শেষ ৪-৫টা উইকেট ফেলতে হিমশিম খায়। বোলারদের অল্প যে কয়টি দুর্বলতা আছে তার মধ্যে একটি হলো টেইলএন্ডারদেরকে কিভাবে বল করে আউট করতে হবে সে সম্পর্কে ধারণা অতি কম। টেইলএন্ডারদের জন্য যুগ যুগ ধরে স্টাম্প বরাবর ফুল লেংথ বা ইয়র্কার অস্ত্র হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে। অথচ সেই টেইলএন্ডারদেরকেই কিনা আমাদের বোলাররা বাউন্সার, শর্টপিচ প্রভৃতি বল দিচ্ছেন। এরকম অনেক ম্যাচের কথা স্মৃতিচারন করা সম্ভব যেখানে বাংলাদেশ একজন টেলএন্ডার ও একজন প্রোপার বাটসম্যানের জুটি না ভাঙতে পারার কারনে জয়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও হতাশার আগুনে পুড়েছে। তারপরও এটা তেমন কোন বড় সমস্যা না যদি ব্যাটসম্যানদের ভুলগুলোর দিকে একবার তাকানো যায়। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের রত্ন বলতে এই একটাই - শক্তিশালী বোলিং লাইন-আপ, এর উত্তোরত্তর সাফল্য কামনা করি।
![]()
৬. ম্যাচ উইনিং টেম্পারমেন্টের অভাব: এবং সবশেষে যা না বললেই নয় তা হলো পুরো দলের মধ্যেই একটি নেতিবাচক মনোভাব কাজ করে। কোন কিছু ঘটানোর চাইতে ঘটার অপেক্ষাতেই বেশি আগ্রহ। ম্যাচ জেতার চাইতে অংশগ্রহণটাকেই এখনো বড় করে দেখা হয়। কপালে থাকলে জিতবো এই মনোভাব নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা যায় না। এখানে জয় অর্জন করে নিতে হয়, ছিনিয়ে আনতে হয়। জয় এখানে রাস্তায় পড়ে থাকা ২ টাকার নোট না। সবসময় সবকিছু মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়, দলের জন্য ও সতীর্থদের জন্য কমিটমেন্ট থাকতে হয়। কারো ক্ষণিকের অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা যেমন করে এখানে ম্যাচ হাতের মুঠোয় এন দিতে পারে তেমনিভাবে মূহুর্তের অসতর্কতা পারে মুঠোবন্দি ম্যাচকে কেড়ে নিতে।
পরিশেষে বেশি কিছু বলবো না, একটা কথাই বলবো তা হলো - Cricket is a team game। এই কথাটা বাংলাদেশ দল ও নির্বাচকেরা যতো তাড়াতাড়ি উপলব্ধি করতে পারবেন ততোই ভালো। উপরে এতো এতো বদনাম, সমালোচনা করলাম কিন্তু তারপরও আমরা আমাদের দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখি। আর সব কাজ ফেলে টিভির সামনে বসে থাকি একটু ভালো খেলা দেখার প্রত্যাশায়। শত ব্যস্ততার মাঝেও প্রিয় দলের খবরটা একবার নিতে ভুলি না। রোদের ভেতর ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকেট কিনি - আজ একটা জয় আমরা পাবো বলে। এর সামান্য প্রতিদান পাবার অধিকারও কি আমাদের নেই?
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হাই ৫ হাসান বলেছেন:
চমৎকার বিশ্লেষণ +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
রাফা বলেছেন:
পোষ্টের সাথে পুর্ণ সহমত রেখে বলছি ৫০% পরাজয়ের জন্য আশরাফুলই দায়ী।ক্যাপ্টেন্সির 'ক' ও জানে না আশরাফুল।ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আশরাফুলকে আপাতত শুধু ক্যাপ্টেন্সি থেকে অব্যাহতি দেয়া। কারন একেবারে টিম থেকে বাদ দিলে টিমের মনোবল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু তাতেও যদি আশরাফুলের কোন উন্নতি না হয় (আমার দৃঢ় বিশ্বাস হবে না) তবে লাথি মারার প্রয়োজন আছে বৈকি।
সোনার বাংলা বলেছেন:
ভাই বাংলাদেশের খেলা দেইকা আমার পুরা মাথা খারাপ হয়ে গেছে....
কি যে কমু আশরাফুইল্লা ছাগুটারে নিয়ে বহুত সমস্যায় আছে দলটা! এ যে কবে বিদায়
হবে! তার মতো এতো ছাগলা প্লেয়ার মনে হয় বাংলাদেশ আর পায়নি! সে আজ পর্যন্ত
একটা সিদ্ধান্তই সঠিক ভাবে নিতে পারে নাই। বেটা তুই পারোছ না আবার কেপতান হইয়া থাকবার ছাস কি জন্য! দলের ও ডুবাইটেছে..... নিজে ও ডউবটেছে!
আমাদের বাঙালীদের এই এক বিরাট সমস্যা ,যে কোন কাজে ব্যর্থ হলে অন্য কে
সে জায়গা ছেড়ে দেয়ার কোন সৎ সাহস নাই!! সেটা বেগম হাসিনা খালেদা থেকে
আশরাফুইল্লা পর্যন্ত......
লাথি মাইরা না তাড়ানো পর্যন্ত ছারবো না.......
বাংলাদেশ দলের এখন খুব প্রয়োজন আফতাব, অলোক, নাফিস, রুবেল, ধীমান
এই ৫ জনের.....
লেখক বলেছেন: আইসিএল ক্রিকেট দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে সন্দেহ নেই কোন। আমাদের এখনকার জাতীয় দল কোন অর্থেই প্রথম চয়েজ নয়। কিন্তু সমস্যাতো অন্য যায়গায়। যার যতো সমস্যা জাতীয় দলে ঢোকার পরে থেকে শুরু হয়। অন্যান্য দলের হয়ে কিন্তু ঠিকই নিজের সেরাটা খেলেন। আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার টেম্পারমেন্ট দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়েরই নেই.........
লেখক বলেছেন: নারে ভাই। মন এখনো খারাপ........![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! সহমত!
হাসান মাহবুব বলেছেন:
আপনার বিশ্লেষণ পড়ে ভয়ে আমার হাত পা.....
লেখক বলেছেন: ইহা পড়িয়াও? ![]()
লেখক বলেছেন: তাওতো কথা.........![]()
'লেনিন' বলেছেন:
সুন্দর পোস্ট। আশরাফুল যেখানে একটি পাড় অশিক্ষিত ছাগু নম্বর তিন যে পাড়ার মাঠে সারা জীবন ন্যাংটা ছেলেদের ক্রিকেট হিরো হয়ে থাকার চেয়ে বেশি যোগ্য না, নিতান্ত বাংলাদেশ দল হওয়াতেই সে জাতীয় অধিনায়ক। বছরে বা দুই বছরে একবার ৫০ বা ১০০ রান করা মানেই এ দেশে হিরো!নাফিস'কে পুরোদমে প্রশিক্ষণ, মাশরাফিকে ক্লোজ ওয়াচে অধিনায়কত্ব দিয়ে দেয়া ভালো হবে। নাফিস হবে ভবিষ্যত সম্ভাবনাময় অধিনায়ক আর মাশরাফি একা পারবে না যতোটা সম্ভব সবাই তাকে সহায়তা করতে হবে। ক্রিকেটিং এনালিস্টরা কি করে? কোনো এনালিসিস থেকে ক্লাস করানো হয়? ভুল সংশোধন করার পদক্ষেপ দেখিয়ে দেয়া হয়? পরামর্শ দেয়া হয়?
নাকি হিরো বুঝে যা করবেন? যারা দর্শককে মুই কি হনুরে ভেবে থাপ্পড় দিয়ে ফেলতে পারেন এমন অবিমৃষ্যকারিরা আবার হিরো? বস্তি থেকে উঠে আসা ক্ষণিক আনন্দ খোঁজা এসবকে কতোটা পরিবর্তিত হতে দেখা গেছে?
লেখক বলেছেন: কোন নাফিসের কথা বলছেন? (চামে চুলটা ঠিক করে নিলাম, কলারটা উঁচু করলাম) ![]()
আমাদের ক্রিকেট এনালিস্ট বলে আলাদা কিছু নেই। উৎপল শুভ্র গোছের সাংবাদিকরাই এখানে সর্বে সর্বা। এরাই এক ম্যাচের পরে কোন খেলোয়াড়কে জাতে উঠান তো পরের ম্যাচেই রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে দেন। এ সমস্যাটা অবশ্য ভারতীয় ক্রিকেট দলও ফেস করে। তবে ওরা অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে। আর তাছাড়াও ওদের ক্রিকেট এনালিস্ট আছে আলাদা।
আলমগীর কুমকুম বলেছেন:
ব্যাপক গবেষনা! ***** রেটিং দিলাম রে ভাই।
লেখক বলেছেন: এটা আবার কোন ধরনের রেটিং! ![]()
পজিটিভ২৯ বলেছেন:
আশরাভুল কে নিয়ে আপনার বিশ্লেষন টা বড় করে বাধিয়ে তার বাসার ডাইনিং রুমে, ড্রয়িং রুমে এবং বেড রুমে টানিয়ে দিতে হবে। তাইলে যদি উনি বুঝতে পারেন ওনার ভুলটা কোথায়।অবশ্য এগুলা আশরাভুলের ব্যক্তিগত সমস্যা। ম্যাচে হারার জন্য আমি আমাদের নির্বাচক এবং ছাংবাদিক গুলারে বেশি দোষ দেই। আশরভুলরে এত ক্ষমতাবান তারাই বানিয়েছেন।
লেখক বলেছেন: উৎপল শুভ্র গোছের সাংবাদিকরাই এখানে সর্বে সর্বা। এরাই এক ম্যাচের পরে কোন খেলোয়াড়কে জাতে উঠান তো পরের ম্যাচেই রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে দেন।
জানজাবিদ বলেছেন:
দারুণ লেখা!!! এমনিতেই আপনার লেখা ভাল লাগে আর এই লেখা বেশ মাথা খাটিয়ে এবং অনেক আন্তরিকতা দিয়ে লিখেছেন। বোলারদের প্রশংসা করেছেন কিন্তু আমার মনে হয় ওরাও এক ঝাঁকের কই, নইলে মুরালিকে ৩৩ করতে দেয়?
লেখক বলেছেন: মুরালি একজন টেলএন্ডার ব্যাটসম্যান। তাকে শর্ট বল দেওয়াটা নির্বুদ্ধিতার কাজ। তাই মুরালির ৩৩ রান করাতে অবাক হওয়ার কিছুই নেই। আর কিছু না হোক স্টাম্পে বল রাখাটা ফরজ ছিলো, তাতে অন্তত মুরলিধরন বল মিস করলে স্টাম্পে লাগবে এমনটা আশা করা যায়। পেসে ভ্যারিয়েশন আনা যেতে পারতো, স্লোয়ার বলও দেয়া যেতো। কিন্তু ঐ সময় মুরালিধরন যখন ঐ রকম মুডে, তখন একই পেসে বল করে যাওয়াটা আত্মহত্যার চাইতে কম নয়।
এই সেই ওভার:
45.1 Rubel Hossain to Muralitharan, FOUR, well well Murali has some fun, he makes room on seeing a rank log hop and biffs it across the line, there's nobody close to cow corner to cut it off
45.2 Rubel Hossain to Muralitharan, FOUR, he isn't finished yet, he over pitches on middle and leg, ha makes room and scoops it over mid-on, the fielder tries to pull it back but the ball beats him
45.3 Rubel Hossain to Muralitharan, 2 runs, makes room and drives him past mid-off this time, Ashraful does brilliantly to pull it back before the rope
45.4 Rubel Hossain to Muralitharan, FOUR, oh well! He stays at the crease this time and swings him across the line and beats fine leg, a stunning passage of play here!
45.5 Rubel Hossain to Muralitharan, no run, fires it on a full length outside off and he nearly feathers an edge to the keeper
45.6 Rubel Hossain to Muralitharan, SIX, this is pulsating stuff! Rubel overpitches on middle and leg, he makes room, gets under it and lofts him for a straight six
রুবেল নতুন বোলার, তাকে দোষ দেয়া ঠিক হবে না। কিন্তু ওভার চলাকালে আশরাফুল কি একবারও বোলারের কাছে গিয়েছিলেন? তাকে কিছু বলেছিলেন?
রাজর্ষী বলেছেন:
সুন্দর বিশ্লেষন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:
নাফিস ইফতিখার,আপনার পুরো ব্লগটাই সেইভ করে রাখার মত।অনেক গুরুত্বপূর্ন তথ্যে ভরা।আপনার ব্লগটাকে আমার লিংকে এ্যাড করে দিলাম।যদিও আগে কারো ব্লগ এ্যাড করিনি।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক বড় কম্পিমেন্টরে ভাই। হজম হইবো না! তবে আপনারে অনেক ধন্যবাদ!
আমাদের দল দেইখেন সামনেই ভুয়ার্লড কাপ জিতবে
তবে রাজ্জাক কে মিস করছি দলে। ভাল বলার মাত্র মাশরাফী আর সাকিব!!!
এভাবে লো স্কোরিং ম্যাচ জিতবে কিভাবে???
লেখক বলেছেন: রাজ্জাককে আসলেই মিস করছি.........
অক্ষর বলেছেন:
এত বড় লেখা পড়নের টাইম কৈ!!!
লেখক বলেছেন: তাইলে পইড়া কাম নাই তোর! ![]()
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
অতি চর্বনে বিরক্তিকর হয়ে গেছে আশরাফুলকে পচানো। দুইদিনে সবাই সাকিবের ভক্ত হয়ে গেছে। ফেসবুকে আমার ১৬ ফ্রেন্ড রিসেন্টলি সাকিবের ফ্যান হয়ে ঝুলতাছে। কিন্তু আমি আসলেই আশরাফুলের বড় কোনো পার্টনারশিপ ছাড়া কোনো জয়ের কথা মনে করতে পারতাছি না। শুধু তাই না...এই সিরিজে সাকিবের পারফর্ম্যান্সের কথা বাদ দিলে ম্যাচ-উইনিং ব্যাটসমেন বাংলাদেশে একটাই ছিল ...আশরাফুল। যখনই আমি দেখি আশরাফুল দলকে মোটামুটি জয়ের কাছাকাছি অবস্থানে বা ফাইটিং স্কোরের কাছাকাছি নেয়ার আগেই আউট হইছে তখুনি ধরে নেই বাংলাদেশ আজকে সম্মানজনক স্কোর করার চেষ্টা করবে। ব্যতিক্রম সাকিবের এই সিরিজের পারফর্ম্যান্স। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান আশরাফুল...অপরিণত বয়সে অধিক চাপে সে তার স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারে না। কিন্তু বোলারদের সুইং টার্ণে যখন ব্যাটসম্যানরা কাপাকাপি করে, তখন আমি আশরাফুল ভরসা বইলাই খেলা দেখি...আর সব মানুষও দেখে...তাই তো ও আউট হইলেই এক পচানির রেকর্ড সবাই বাজাইতে থাকে।লেখক বলেছেন: বোঝাই যাচ্ছে আশরাফুলের ব্যাটিংয়ের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আপনার ও আমার অবস্থান সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুতে। ![]()
কিন্তু অধিনায়ক আশরাফুলের ব্যাপারে আপনার কি মত? বাকি পুরো দলের ব্যাপারে আমার মূল্যায়ন আপনি কি চোখে দেখেন? এটা খুব জানতে ইচ্ছে করছে.........
ইরতেজা বলেছেন:
এই পোষ্ট বাংলাক্রিকেট ডট কমে পোষ্ট কর। বিসিবি লোকজন পড়া উচিত।
লেখক বলেছেন: ঐখানে কেমনে পোস্ট করতে হয়?
রোবোট বলেছেন:
যে কোনো পোস্টে ব্যবহারযোগ্য মন্তব্য১. +++
২. হুমমম...
৩. ৫
৪. চলুক...
৫. দারুন!
৬. সরাসরি প্রিয়তে।
৭. প্রিয় পোষ্টে রাখলাম
৮. খ্যাক খ্যাক খ্যাক
৯. পিলাচ।
১০. সহমত।
লেখক বলেছেন: পোস্টটা কি পড়েছেন? অনেক বড় পোস্ট জানি, কিন্তু পড়লে খুশি হতাম ![]()
রোবোট বলেছেন:
আমার মনে হয় বাংলাদেশের ২০২১ সালের ওয়ার্ল্ড কাপ সামনে রেখে শুধু মাত্র ১৫এর নিচের খেলো্য়াড়দের নেয়া উচিত। আশরাফুলকে কোচ করা যেতে পারে। এটা মনে হয় বোরডের নেক্সট স্টেপ।
আমরা পাইলটকে বাদ দেয়ার খেসারত দিচ্ছি । ওপেনার হিসেবে জাভেদ, হাননান, নাফিস ইকবাল এরা সবাই জুনায়েদের চেয়ে ভালো। প্রথম দুজনের ফিল্ডার হিসেবেও নাম ছিলো।
জুনায়েদের পরিসংখ্যান:
Mat Inns NO Runs HS Ave BF SR 100 50 4s 6s Ct St
Tests 10 19 0 409 74 21.52 973 42.03 0 3 55 1 6 0
ODIs 17 17 0 233 85 13.70 498 46.78 0 1 22 0 6 0
জাভেদের পরিসংখ্যান:
Mat Inns NO Runs HS Ave BF SR 100 50 4s 6s Ct St
Tests 40 80 2 1720 119 22.05 4509 38.14 1 8 240 1 10 0
ODIs 59 59 4 1312 85* 23.85 2528 51.89 0 10 139 5 12 0
নাফিস ইকবালের পরিসংখ্যান:
Mat Inns NO Runs HS Ave BF SR 100 50 4s 6s Ct St
Tests 11 22 0 518 121 23.54 1332 38.88 1 2 72 1 2 0
ODIs 16 16 0 309 58 19.31 568 54.40 0 2 32 2 2 0
হাননান সরকারের পরিসংখ্যান:
Tests 17 33 0 662 76 20.06 1419 46.65 0 5 90 0 7 0
ODIs 20 20 0 383 61 19.15 713 53.71 0 3 36 2 8 0
লেখক বলেছেন: আগের কমেন্টটা মুছে নিচে ঠিক করে লিখলাম........
রোবোট বলেছেন:
উপরে দেখো মিয়া রীতিমত বিশ্লেষণী কমেন্ট
লেখক বলেছেন: হ! ![]()
কাজ করে খাই বলেছেন:
আপনার লেখাটি ভালো লেগেছে... অন্য কোথাও ছাপনোর জন্যে কি নিতে পারি?
লেখক বলেছেন: কোথায় ছাপাতে চান?
কাজ করে খাই বলেছেন:
priyoaustralia.com.au তে... ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই ছাপান তবে লেখকের নাম ও লিংক উল্লেখপূর্বক ![]()
কাজ করে খাই বলেছেন:
লেখকের নাম ও লিংক থাকবে না?! কি যে বলেন...
লেখক বলেছেন: ![]()
রোবোট বলেছেন:
ভুল পড়লা, তুমি টেস্টের গড় পড়সো। ওয়ানডেতে স্ট্রাইক রেট জাভেদের 51.89, নাফিসের 54.40, হাননানের 53.71 , জুনায়েদের 46.78,
সবারই খারাপ জুনায়েদেরটা বেশী খারাপ।
আর গড়, জুনায়েদের ফেল নিয়া টানাটানি।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা! দুঃখিত! আসলে লেখাগুলো লেগে লেগে ছিলো তাই পড়তে সমস্যা হয়েছে। কিন্ত তাতেও জুনায়েদ পিছিয়ে, ওর স্ট্রাইক রেট 46.78........গড় 13.70 এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না........আর একজন ওপেনারের জন্য ৬০ এর নিচে স্ট্রাইক রেট এখনকার ওয়ানডে ধারাতে হারাম বললেও কম বলা হবে.........
আগের ভুল কমেন্টটা মুছে দিলাম।
নাফিস ইফতেখার বলেছেন:
ওয়ানডের জন্য Genuine ও Natural ওপেনার যে প্রয়োজনে শট খেলবে, বোলিং ভালো হলে বা পিচ বোলিং সহায়ক হলে অবস্থা অনুযায়ী খেলবে, ক্রিজে জমে গেলে সিঙ্গেল নিয়ে নিয়ে স্ট্রাইক রোটেট করবে ও ক্রিজে নোঙরের মতো অবস্থান করে অপরপ্রান্তের ব্যাটসম্যানদের সাথে মোটামুটি বড় বা একাধিক ছোট কিন্তু Useful পার্টনারশিপ গড়বে, দলকে বড় সংগ্রহ গড়তে সাহায্য করবে ও সম্ভব হলে নিজেও বড় ইনিংস গড়বে........এমন ব্যাটসম্যান আমাদের কই?ওপেনিংয়ে নেমে 30-35 ওভার পর্যন্ত ব্যাট ক্যারি করার লোক খুবই খুবই প্রয়োজন আমাদের।
রাজীব বলেছেন:
খুবই ভালো লিখা। প্রিয়তে নিলাম।আমাদের নির্বাচকদেরকে ক্রিকরটের উপার প্রশিক্ষণ দেয়া উচিৎ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: I wonder why........
জাতেমাতাল বলেছেন:
শ্রীলঙ্কার সাথে আমাদের সর্বশেষ ওয়ানডে ম্যাচে মুরলিধরন তার খেলা ৩২১ম্যাচে ৬.৩৬ ব্যাটিং গড় আর সর্বমোট ৯টা ওভার বাউন্ডারী মারার রেকর্ড নিয়ে যেভাবে ১৬ বলে ৩৩ রান (চার বাউন্ডারী দুই ওভার বাউন্ডারী) তুলে নিলো, তার জন্য একমাত্র অধিনায়কের অদুরদর্শিতাকেই দায়ী করা যায়। অবশ্য এর আগেও ২০০৬ সালের ৭ই অক্টোবর মোহালীতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মুরলিধরন ৪বলে ১১ রান করেছিল (এক বাউন্ডারী এক ওভার বাউন্ডারী) ষ্ট্রাইক রেট 275.00।
লেখক বলেছেন: হুমমম..........
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
অধিনায়ক হিসাবে আমি বলবো মন্দের ভালো। দায়িত্বহীন কাউকে দায়িত্বের বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন সে দায়িত্ব মাথায় নিয়ে ভালো খেলে কিনা সেটাই দেখার বিষয়। আমার কাছে মনে হয় দায়িত্ব পাবার পর আশরাফুলের ব্যাটিং আগের চাইতে একটু হলেও ভালো হইসে। দলের উপর প্রভাব রাখার মতো মেন্টালিটি এটিচ্যুড বা পারফর্ম্যান্স কোনোটাই হয়তো ওর নাই, তবে তাই বলে সাকিবের মতো ইনফর্ম খেলোয়াড়কে অধিনায়কত্ব দেয়া সমর্থন করি না...তরুণ অধিনায়ক আমার কক্ষণোই পছন্দ না। একজনকে গিনিপিগ বানায় পরীক্ষা করা হইছে, আর কাউকে করা হোক তা চাই না। আর মাশরাফিকে হয়তো করা যেতো, কিন্তু বছরে ৫ মাস দলের বাইরে থাকে ইনজুরিতে, সেসময় কি হবে?
একসময় হাবিবুলের অধিনায়কত্ব নিয়ে সমালোচনা হতো যে খুব নাকি ডিফেন্সিভ অধিনায়ক, সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারে না, রুটিন ফিল্ডিং সাজিয়ে বোলিং করান। আজকে আশরাফুল সাহসী সিদ্ধান্ত নিলে একথা দর্শক মাথায় রাখে না কেন যে সাহসী সিদ্ধান্ত মানেই রিস্ক...সে জন্য দোষ দেয়া যায় কি? পুরো ম্যাচে অনেকবার সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে আশরাফুল, সেগুলো না দেখে ভুলগুলো দেখি শুধু আমরা। তরুণ অধিয়ায়কের কাছে আরো কি আশা করেন?
আর বাংলাদেশের ক্রিকেটে এই পর্যন্ত এতোটা ক্ষমতা কোনো অধিনায়কই পায় নাই যে টসে জিতে কি করবে, বা দলে কোন প্লেয়ার জায়গা পাবে, তা নির্ধারণ করবে। তাই টসে জিতে ব্যাটিং এর সিদ্ধান্তের জন্য আশরাফুল দায়ী বলেও আমি বিশ্বাস করি না।
লেখক বলেছেন:
"দলের উপর প্রভাব রাখার মতো মেন্টালিটি এটিচ্যুড বা পারফর্ম্যান্স কোনোটাই হয়তো ওর নাই"
তাহলে তো অধিনায়ক হবার যোগ্যতাই নাই। গিনিপিগ বানানো হইসে এই ব্যাপারে সহমত। আর সাকিবকে অধিনায়কত্ব দেয়াটা মোটেও সমর্থন করি না। মাশরাফির ইনজুরিটা আরেকটি বড় সমস্যা যা আপনি উল্লেখ করেছেন.........
হাবিবুলের অধিনায়কত্ব টেক্সটবুক স্টাইলের হলেও কার্যকর ছিলো। হাবিবুলকে ডুবিয়েছে ব্যাক্তিগত পারফরমেন্স, বিশেষতঃ ওয়ানডে ক্রিকেটে।
গিফার বলেছেন:
আশরাফুলকে আপাতত শুধু ক্যাপ্টেন্সি থেকে অব্যাহতি দেয়া। কারন একেবারে টিম থেকে বাদ দিলে টিমের মনোবল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু তাতেও যদি আশরাফুলের কোন উন্নতি না হয় (আমার দৃঢ় বিশ্বাস হবে না) তবে লাথি মারার প্রয়োজন আছে বৈকিহা এটা ঠিক।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ!
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
সবটা পড়লাম। অনেক দেরিতে হলেও।এখানে কিছু ব্যাপার কিন্তু এসেই যায়। দোষ শুধু আশরাফুল কে দিলেই হবে না। বুঝলাম আশরাফুলের ক্যাপ্টেন্সি ভাল না। অবশ্য এটা ভালো হবার কোনো কারনও নাই। জাতীয় দলের ক্যাপ্টেন হবার আগে ওর ক্যাপ্টেন্সির অভিজ্ঞতাই বা কতটুকু ছিল? একজন পরিপূর্ন ক্যাপ্টেনতো আর আসমান থেকে এসে পড়বে না। আমাদের ক্রিকেট কালচারে পরিবর্তন এসেছেই বা কতদিন? আমাদের জেতার মানসিকতা তৈরী হয়েছে বেশিদিন নয়। তাই এখন আমাদের সবচেয়ে দরকার গোড়া থেকে এমন খেলোয়াড়,ক্যাপ্টেন গড়ে তোলা। অনুর্ধ ১৩,১৫,১৭ এই লেভেলে ক্যাপ্টেন গড়ে তুলতে হবে। আশরাফুলের বয়স কত এখন? ২৪।ক্যাপ্টেন্সি করছে আজকে প্রায় ২-৩ বছর হয়ে যাচ্ছে। এভাবে আর্ন্তজাতিক পর্যায়ে ফাইট দেয়া সম্ভব না। এখানে অনেক বেশি কম্পিটিশন। আমাদের দেশের কালচারটা কি একবার দেখ?একটা বাচ্চা ছেলে একটা ভালো ইনিংস খেললেই সোজা জাতীয় দলে, ২-৩ টা ম্যাচ খারাপ খেললে বাদ। এই কালচার কখনো ভালো খেলোয়াড় বানাতে পারবে না। এখন তুমি উদাহরন টানতে পার আমার যুক্তি ভাঙতে(সাকিব)।এক্সসেপশন থাকবেই। কিন্তু গড়পড়তা এটা কোনো ভাবেই সম্ভব না। তারপর আস জাতীয় লিগ। টেস্ট প্লেয়িং দেশ গুলোর মধ্য বাংলাদেশেরটাই সবচেয়ে জঘন্য, এবং আমাদের জন্য আশঙ্কার যে এটাই আমাদের একমাত্র সম্বল। কোনো ভেরিয়েশন নেই, জঘন্য সব পিচে হয় এই খেলা। ক্রিকেট ম্যানেজমেন্ট বলতে কিছু নাই। প্ল্যানিং বলতেও কিচ্ছু নাই। একটা ছেলেরে ১৯ বছর বয়সে নামায় দিলেন টেস্ট খেলতে। একদিন মুরালীরে কোপ মারল।তারপর আর খবর নাই।অনেকদিন পর আবার একটা ইনিংস খেললো। সহ অধিনায়ক বলে একটা ব্যাপার আছে ক্রিকেটে। এটাতো আর এমনি এমনি দেয়া হয় না? আমার মনে আছে রাজিন সালেহরে পর্যন্ত একবার সহ অধিনায়ক করা হইছিল। বাশারের ফর্ম পইড়া গেল। অমনি ধরে নিয়া আসলেন আশরাফুলরে। বানায় দিলেন ক্যাপ্টেন। এইটাতো কোনো কাজের কথা না। এখন ওরে বাদ দিয়া কারে ক্যাপ্টেন বানাবা? মাশরাফী? সেতো এখনো স্লগ ওভারের চাপ সামলাতে পারে না। আর সাকিব? মাত্র তো শুরু হলো। এখনি চাপের মাঝে না ফেললেই কি না? তাইলে সমাধান কি? কোনো সমাধান নাই। আমার কথা হইল কোচের কামটা কি বাংলাদেশ টীমে? আশরাফুল ভুল করতেই পারে? সেইতা থেকে তারে ভুলটা কি দেখাইয়া দেয়া হয়? ক্যাপ্টেনের দূর্বলতা গুলা কি তারে দেখাইয়া দেয়া হয়? এইগুলার কোনো পরিচর্যা হয় কিনা আদৌ বা হইলেও কেমনে হয় সেইটা একটা চিন্তার বিষয়।
আশরাফুলের গালি দেয়া যায় ওর ব্যাটিং নিয়া। স্ট্রেইট ব্যাটে খেলার জন্য প্রয়োজনে ওরে পুরান ঢাকার গলিতে পাঠাইয়া ব্যাটিং প্রেকটিস করানো উচিত। এইটা কেউ কাউরে শিখাইতে পারবে না। নিজে নিজে ইমপ্রুভ করতে হবে। আর নিতান্তই না হইলে লাথি মারার বিষয়টা চিন্তা করা যাইতে পারে। আর লাথিটা ক্রিকেট ম্যানেজমেন্টরেও মারা উচিত বলে আমি মনে করি।
লেখক বলেছেন:
একটা ছেলেরে ১৯ বছর বয়সে নামায় দিলেন টেস্ট খেলতে। একদিন মুরালীরে কোপ মারল।তারপর আর খবর নাই।অনেকদিন পর আবার একটা ইনিংস খেললো।
হা হা হা..........জটিল বলেছেন!!! ![]()
এই লেখাটা বেশ আগের। তবে ক্যাপ্টেন্সির ব্যাপারে আপনার সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত! একই সাথে আইসিএল একটা বিরাট ক্ষতি করেছে আমাদের।
আর লাথিটা ক্রিকেট ম্যানেজমেন্টরেও মারা উচিত বলে আমি মনে করি।
সত্যি কথা বলতে কি ক্রিকেট ম্যানেজমেন্টরেই আগে মারা উচিৎ।
আপনি এতো কষ্ট করে এতো দীর্ঘ এবং বিশ্লেষণী একটা মন্তব্য করলেন বদলে আমি খালি ছোট একটা মন্তব্যধর্মী মেরে দিলাম। একটু কেমন কেমন জানি লাগছে। ![]()
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
হা হা হা ব্যাপার না। চল একটু খোজ কইরা দেখি ম্যানেজমেন্ট রে বাম্বু দেয়ার কোনো অপশন খুঁইজা পাওয়া যায় কিনা। আমার খুব ইচ্ছা। অনেকদিনের। আমি পাইলে তোমারে জানাব আর তুমি পাইলে আমারে জানাইয়ো। এইগুলারে চোখে আঙুল দিয়া দেখাইতে হবে। ইশ যতি পারতাম।আইসিএল এর ক্ষতি পোষানোর সুযোগতো আসছেই। দেখা যাক কি হয়। আফতাব কাপালী এই ২০-২০ তে থাকলে টিম টা হেভী হইত। মাহমুদুল্লাহ নামের লোয়ার ওর্ডার ব্যাটসম্যান হইল এখন মিডল ওর্ডার। আর রাকিবুলে নামের একটা আছে। যে কোনো ভাবেই ২০-২০ খেলতে পারে না। খুব মিস করতেছি ওই ২টারে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















