বিজয় একুশের ওয়েবসাইটে গিয়ে লেখাটা পেলাম। এখানে অভ্রের বিরুদ্ধে মোস্তফা জব্বার তার অভিযোগগুলো সুস্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন। লিংক: View this link
এই লেআউটটিতে টিলডে বোতামে ঘঔ নামক যে বোতামটি রয়েছে সেটি নতুন। বাংলা লেখার জন্য এর কোন প্রয়োজন নেই। অভ্র ইউনিকোড নামক পদ্ধতিতে বাংলা লেখার জন্য তথাকথিত এই বোতামটি যুক্ত করেছে। আমরা বিজয়-এ সেটি ছাড়াই বাংলা লিখতে পারি। ফলে এটি কোন পার্থক্য নয়। বাংলা কীবোর্ডের সাথে এই বোতামের কোন সম্পর্ক নেই। একেবারে ওপরের সংখ্যার সারিতে দুই সংখ্যা বোতামের শিফটে চন্দ্রবিন্দু আছে। বিজয়-এ এটি আছে একই সারির সংখ্যা ৭-এর শিফটে। অভ্রতে কপিরাইট এড়িয়ে যাবার জন্য চন্দ্রবিন্দুর বদলে ৭-এর শিফটে নেয়া হয়েছে খ- ত। বাংলা ভাষায় চন্দ্রবিন্দু বা খ- ত-এর ব্যবহার প্রায় নেই বললেই চলে। ত বর্ণের সাথে হসন্ত দিয়ে ৎ লেখা যায়। ফলে এটি কীবোর্ডে না থাকলেও কোন সমস্যা হয়না। ফলে এটিও কোন পার্থক্য নয়। অভ্রতে ৬-এর শিফটে আছে বিসর্গ। বাংলায় বিসর্গের ব্যবহার যে কতোটা সেটিও আমরা জানি। কদাচিৎ এর ব্যবহার হয়। অভ্রতে বিজয়-এ ব্যাক স্লাশ নামক যে বোতামটিতে খ- ত ও বিসর্গ ছিলো সেখানে পেট কাটা ব ও র রাখা হয়েছে। এই দুটি বর্ণ এখন অসমিয়াতে ব্যবহৃত হয়-বাংলায় প্রচলিত নয়। এর বাইরে ইংরেজী এক্স বোতামে ও এবং ৗ চিহ্নের বদলে াে ও ৗে বসানো হয়েছে। এটি একেবারেই অদল বদল নয়। কারণ অভ্রতে ও কার ও ঔ কার লেখার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। লক্ষ্য করুন, এছাড়া ইংরেজী অ থেকে ত পর্যন্ত কোন বোতামে কোন পরিবর্তন নেই। তবুও হিসাবের জন্য যদি অদল বদল ধরা হয় তবে ২, ৬, ৭ ও ব্যাক স্ল্যাশ বোতামের ৫টি পজিশনে তা করা হয়েছে। এগুলো বোতাম নয়-পজিশন। কম্পিউটারের প্রতিটি কীবোর্ডে ১২টি ফাংশন কী ছাড়াও নর্মাল-শিফট, জিআর-শিফট জিআর (অপশন বা শিফট অপশন) এরকম দুই শতাধিক পজিশন আছে। এজন্যই ইলেকশন কমিশন অভ্র সফটওয়্যার দিয়ে বিজয় কীবোর্ড লেআউট ব্যবহার করতে পেরেছে। তারা তাদের ল্যাপটপে ইউএসবি পোর্ট দিয়ে ডেস্কটপ কম্পিউটারের বিজয় কীবোর্ড লেআউট মুদ্রিত কীবোর্ড যুক্ত করে এই কাজটি সম্পন্ন করেছে।
মোস্তফা জব্বার আসলে এ যুগের সুনীতিকুমার বা বিদ্যাসাগর সমতূল। উনি আমাদের শিখাচ্ছেন কি করে বাংলা লিখতে হয়। উনার মতে - "বাংলা ভাষায় চন্দ্রবিন্দু বা খ- ত-এর ব্যবহার প্রায় নেই বললেই চলে। ত বর্ণের সাথে হসন্ত দিয়ে ৎ লেখা যায়। ফলে এটি কীবোর্ডে না থাকলেও কোন সমস্যা হয়না।"
আপনারই বলুন না, খ, ত আর ৎ এর এর ব্যবহার যদি নাই থাকতো তবে কি আমি জব্বারকে নিচের বাক্যটি বলিতে পারিতাম?
"বাংলা লেখন পদ্ধতি নিয়ে নোংরামীপূর্ণ আচরণের জন্য মোস্তফা জব্বারের মাফ চেয়ে নাকে খত দেয়া উচিৎ।
চন্দ্রবিন্দু এর ব্যবহার যদি নাই থাকতো তবে কি আমি বলিতে পারিতাম -
"বাংলা লেখন পদ্ধতি নিয়ে নোংরামীপূর্ণ আচরণের জন্য মোস্ত[ফা জব্বারকে আইক্কা বাঁশ .......[থাক আর বললাম না]
আসলে উপরের বাক্য দু'টি পর্যালোচনা করলে আমরা দেখতে পারি কি করে "সব সম্ভবের দেশ বাংলাদেশ" বাক্যটি সার্থকতা পায়। আমরা আরো বুঝতে পারি কি করে আদার ব্যবসায়ীরা জাহাজের খবর নেন।
বাচ্চারা ক্লাস শেষ এখন ঘুমাতে যাও।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১২:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


