somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সামহোয়্যারের ইমোটিকনগুলোর সঠিক পাঠোদ্ধার! (School of Blog) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_73.gif" width="23" height="22" alt="=p~" style="border:0;" />

সানগ্লাস পরা ইমোটিকে 'চাম-হাসি' নাম দিয়ে বা চোখ টিপকে 'ধরা খাইসে' বলে অভিহিত করে এতোদিন ধরে সামহোয়্যারের কিছু ইমোটিকনের মনের আসল কথাগুলোকে চাপে দিয়ে রেখেছে ব্লগ কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ইয়োর অনার, সত্য কোনদিন চাপা থাকে না... ছাই চাপা আগুনের ফুলকির মতো জ্বলে ওঠে... আসুন দেখে নেই আসলে সামুর ইমোরা আমাদের কি বলতে চায়... একটি অনুসন্ধানী পোস্ট! <img src=" style="border:0;" />

<img src=" style="border:0;" /> = আইজ আমার বিয়া!
<img src=" style="border:0;" /> = কস কিরে মমিন, এতো সুখ!
<img src=" style="border:0;" /> = ইয়ো! খামন-খামন, রবি-হাসন-লালন!
<img src=" style="border:0;" /> = পুরাই লুল!
<img src=" style="border:0;" /> = আমার পোষা বিলাইটা মরসে!
<img src=(" style="border:0;" /> = আমি শ্যাষ!
<img src=" style="border:0;" /> = এইবার কিন্তু বেশি হইতাসে কইলাম!
<img src=(" style="border:0;" /> = মাত্রা ছাড়ায় গেসোস... ইয়া আলি!!
<img src=" style="border:0;" /> = থাক কিসু না কই, আমি নাদান ব্লগার!
:-* = ক্যামনে কি?
<img src=" style="border:0;" /> = ওরে মোর খোদা!
<img src=" style="border:0;" /> = লজ্জা-শরমের মাথা চাবায় খাইসি!
<img src=" style="border:0;" /> = আইজ পেপসোডেন্ট দিয়া দাঁত মাজছি!
<img src=)" style="border:0;" /> = আইজ কালা-মাজন দিয়া দাঁত মাজছি!
<img src=" style="border:0;" /> = ওই! তোরা কি শুরু করলি?
<img src=" style="border:0;" /> =এঁহ্! আমি ভালো পোলা, গণ্ডগোলে যাইনা!
:``>> = আইজ আমার গায়ে হলুদ!
:`> = আইজ আমার বাসর রাত!
<img src=|" style="border:0;" /> = এ্যাঁ!
<img src=" style="border:0;" /> = উঁ!
<img src=" style="border:0;" /> = আমি লিবিস্টিক দিসি!
<img src=" style="border:0;" /> = ওই যাইগা, তোগো ভাবী বাড়িত ওয়েটিং!
<img src=" style="border:0;" /> = আমি সামুর মডু!
/<img src=" style="border:0;" /> = তো...? কিতা হইসে!
<img src=" style="border:0;" /> = খাড়া! পরাণ ভইরা দেইখা লই!
B:-) = তব একি দেখি!
<img src=" style="border:0;" /> = দেখ! আমার জিবলা কতো লম্বা!
B<img src=" style="border:0;" /> = হেঁহ্ আইসে! পুরান পাগল ভাত পায়না...
<img src=" style="border:0;" /> = খবর কি চান্দু!
<img src=" style="border:0;" /> = উ.. লা.. লা...
<img src=" style="border:0;" /> = এইটা বেশি জোস হইসে!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29539316 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29539316 2012-02-12 00:03:40
কৌশিক ভাই সাইড পিলিজ, আসছে আমার পাগলা ঘোড়া...! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_51.gif" width="23" height="22" alt="/:)" style="border:0;" />

নিচে আমার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী! আম খামিং কৌশিক! <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29538885 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29538885 2012-02-11 10:44:29
কথাতো সব মুইছে গেছে বাজান! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
ইকোনোর জয় হোক! <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29536463 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29536463 2012-02-07 11:29:19
ছেলে নাসায় Job করে... আপনি কি করেন? <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />
ছেলে নাসায় Job করে... আর আমি ব্লগিং করি... Yay!! <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29536270 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29536270 2012-02-06 23:23:32


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29532994 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29532994 2012-02-01 00:26:59
অ্যাক্স! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />

এক, দুই, তিন, চার...
তোমায় নিয়ে বিকেল পার...
পাঁচ, ছয়, সাত, আট...
ধানমণ্ডি টু সদরঘাট...
নয়, দশ, এগারো, বারো...
পাঁচটা মিনিট আর থাকতে পারো?
তেরো, চৌদ্দ, পনেরো, ষোল...
লাল সূর্যটাও হারালো...
সতেরো, আঠারো, ঊনিশ, বিশ...
হবে নাকি গুডবাই কিস?
একুশ, বাইশ, তেইশ, চব্বিশ...
অন্ধকারে ইটিশ-পিটিশ...
পঁচিশ, ছাব্বিশ, সাতাশ, আটাশ...
তোমার থেকে অ্যাক্সের সুবাস... <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29532273 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29532273 2012-01-30 22:29:38
ফুরফুরে এক রোদের জন্মদিন...(অসাধারণ একটা গান) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />

শহরে হঠাৎ আলো চলাচল...
জোনাকি নাকি স্মৃতি দাগে...
কাঁপছিলো মোম, নিরালা রকম...
ডাকলাম নামলো পরাগে...
কে হারায়...
ইশারায়...
সারা দাও ফেলে আসা গান...
রূপকথারা.. রা.. রা.. রা.. রা...
চুপকথারা.. রা.. রা.. রা.. রা...
ফুরফুরে এক রোদের জন্মদিন...
মন পাহারা.. রা.. রা.. রা.. রা...
বন্ধুরা.. রা.. রা.. রা.. রা...
আজ খোলা ‘আলটুসি ক্যান্টিন’...

বোবাইমা রথ, অকুলান পথ...
শালিকের সৎ অনুরাগে...
বুনেছে অপার, জানলার ধার...
ধার-বাকি হাতে চিঠি জাগে...
কে হারায়...
ইশারায়...
সারা দাও ফেলে আসা গান...
রূপকথারা.. রা.. রা.. রা.. রা...
চুপকথারা.. রা.. রা.. রা.. রা...
ফুরফুরে এক রোদের জন্মদিন...
মন পাহারা.. রা.. রা.. রা.. রা...
বন্ধুরা.. রা.. রা.. রা.. রা...
আজ খোলা ‘আলটুসি ক্যান্টিন’...

রোদেলা বেলা, কবিতা খেলা...
শীত ঘুম বইয়ের ভাঁজে...
বেসামাল ট্রাম, মুঠোর বাদাম...
জ্বালাতনে গাঙচিলটা যে...
ঝরে একাকার, বালি-ধুলো তার...
তুলো-তুলো বেখেয়াল...
হঠাৎ শহর, কুড়নো মোহর...
মহড়া সাজালো আবডালে...
লজ্জা চিবুক, বানভাসি সুখ...
শুকসারি গল্প না গালে...
কে হারায়...
ইশারায়...
সারা দাও ফেলে আসা গান...
রূপকথারা.. রা.. রা.. রা.. রা...
চুপকথারা.. রা.. রা.. রা.. রা...
ফুরফুরে এক রোদের জন্মদিন...
মন পাহারা.. রা.. রা.. রা.. রা...
বন্ধুরা.. রা.. রা.. রা.. রা...
আজ খোলা ‘আলটুসি ক্যান্টিন’...
_____________________________________________

গান: "রূপকথারা..."
অ্যালবাম/ছবি: অপরাজিতা তুমি (২০১২)
শিল্পী: শ্রেয়া ঘোষাল
সুর: শান্তনু মৈত্র

যারা 'অন্তহীন'- ছবির গানগুলোর সাথে পরিচিত তাদের কাছে ওপরের কম্বিনেশনগুলো অনেক পরিচিত লাগবে এবং বুঝবেন এই গানটাও কেন ওই ছবির ওই গানগুলোর মতোই অসাধারণ! <img src=" style="border:0;" />

ডাউনলোড লিংক:
(শুধু এই গানটি): View this link
এই গানটি রূপঙ্করের গলায়: View this link
অ্যালবামের অন্যান্য গান: View this link

এবং সবেশেষে গানটার ছোট্ট একটা ভিডিও... এটাও দারুণ... <img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29530233 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29530233 2012-01-27 13:40:17
আসলে কে এই মায়া বন বিহারীনি হরিনী???!!! (ফেইক প্রোফাইল সমগ্র - না দেখলে মিস) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_73.gif" width="23" height="22" alt="=p~" style="border:0;" />

জানেন বোধহয়, গুগলে এখন কোনকিছুর ছবি দিয়েও সার্চ করা যায়। দেখুন না সামান্য গুগল ইমেজ সার্চে কত কিছু বেরিয়ে আসে... <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

























এখন নিজেরেই জানি কেমুন ফেইক-ফেইক লাগতেসে!!! <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

তাই শুধু সাধু সাবধানই নয়, শিষ্যরাও সাবধান! <img src=" style="border:0;" />

ধন্যবাদ এই গুগল সার্চটিকে: View this link ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29529374 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29529374 2012-01-26 00:10:17
একটি বছর ধরে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিনিয়োগকারীদের কাছে জিম্মি মতিঝিল/টিকাটুলি/অভয়দাস লেন/আর কে মিশন রোডবাসী

আমি শেয়ার ব্যবসা করি না। কর্মসূত্রে সাধারণ সূচক ব্যাপারটা বুঝি - এটা কমলে খারাপ আর বাড়লে ভালো। আসলে অফিসে যাওয়ার আগে আমি প্রতিদিনই একবার ডিএসই’র ওয়েবসাইটে ঢুকি সূচক দেখতে। আর সবাই যেখানে শেয়ারের দাম দেখতে ঢোকে, আমি ঢুকি আঁচ করতে - আজ মতিঝিলের রাস্তায় গণ্ডগোল হবে কিনা, বিনিয়োগকারীরা আমাকে ঠিক সময়ে অফিসে পৌঁছাতে দেবে কিনা।

শেয়ার ব্যবসার প্রতি আমার কোন দ্বেষ নেই এবং সত্যি কথা বলবো, যেসব প্রকৃত বিনিয়োগকারী শেয়ার বাজারের কারসাজি আর ম্যানিপুলেশনের কারণে সর্বস্ব খুইয়েছেন তাদের প্রতি আমার সহাভূতিও আছে (শুধুমাত্র তাদের জন্য নেই যারা শেয়ার বাজারের ঝুঁকির কথা জেনেও জমি-ভিটা বিক্রি করে ব্যবসায় নেমেছেন, শেয়ার বাজার কোন স্থায়ী আয়ের উৎস হতে পারে না)। কিন্তু তাই বলে শেয়ার ব্যবসায়ীদের কোন অধিকার নেই আমার ও লাখো মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে বাধাগ্রস্ত করার। কেবল মাত্র একজন মতিঝিল বা টিকাটুলিবাসীই বলতে পারবে, কি ঝক্কি আর প্রাণের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে তাদের প্রত্যেকটা দিন কাটে।

শুরুর দিকে সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিলো - বিনিয়োগকারীদের ঢিল ছোঁড়াছুঁড়ি। এর মধ্যে একবার পড়ে গেলে আর রক্ষে নেই। ‌গত বছর এমন ঢে‍লাঢেলিতে আমি আর না হলেও কমপক্ষে ৫-৬ বার পড়েছি। প্রতিবারই দৌড়ে মেইনরোডের পাশের কোন অফিস বা দোকানে আশ্রয় নিয়েছি বা নেয়ার চেষ্টা করেছি। যে ক’বার পারিনি, চেষ্টা করেছি পুলিশের সাইডে আশ্রয় নেয়ার - সর্বোচ্চ আর কিইবা করতে পারি?

এই ঢিল ছোঁড়াছুঁড়ির ভয়ে বাসার প্রাইভেট কারটা কার্যত অকার্যকর অবস্থায় পড়ে থাকে অধিকাংশ দিন। এক্ই অবস্থা এ এলাকার আরো হাজারটা গাড়ির। গাড়ি এখন আর কোন বিলাস দ্রব্য নয়, বরং সীমিত আয়ের মধ্যবিত্তদের অনেকের জন্যই স্রেফ চলাচলের বাহন। ঢিলের আঘাতে গাড়ির কিছু হলে তার ক্ষতিপূরণ কে দেবে? সে টাকা তো আর বাদাম খেতে খেতে রিকশাওয়ালাকে লাঠিপেটা করা শেয়ার ব্যবসায়ীর পকেট থেকেও আসবে না, সে টাকা আমাকে সরকারও দেবে না, মধ্যবিত্তের সীমিত আয় থেকেই তার সংকুলান হবে।

প্রাইভেট গাড়ির কথা বাদই দিলাম, তাতে আর ক’জনই বা চড়ে? কিন্তু রিকশা? সেখানেও বিপত্তি।



ঠিক ইত্তেফাক মোড় থেকে মতিঝিলের শাপলা চত্বর পর্যন্ত ১৫ টাকা রিকশাভাড়া সম রাস্তাটায় গত ক’ মাস ধরে রিকশা চলতে দেয়া হচ্ছে না এবং সেটা সরকারী নির্দেশেই। জানি না, কোন অজানা পাপের ভাগীদার হতে হচ্ছে আমাদের। রিকশা একবারেই চলে না বরা ভুল, শুধুমাত্র কাজের সময়ে চলে না। ছুটির দিনগুলোতে বা শেয়ারবাজারের বিক্ষোভের সময়টায় আবার ঠিকই চলতে দেয়া হয়। কিন্তু তাতে কি লাভ? বিনিয়োগকারীরা রাস্তায় রিকশা চলতে দিলে তো! মাত্র ক’দিন আগেই আমার মা ছোটবোনকে নিয়ে স্কুল থেকে বাসায় ফেরার সময় জঘন্যভাবে রিকশা আটকায় তথাকথিত ক্ষুদ্রবিনিয়োগকারীরা। রিকশাওয়ালাকে এমনভাবে ধমকায় যেন রাস্তাটা তাদের। ধমকের তেজে আমার বোনও প্রচণ্ড ভয় পায়। এবং এ ঘটনাও ঐদিনই প্রথম নয়, এর আগেও বেশ ক’বার ঘটেছে। বাসার গাড়ি ভাঙার উপক্রম হয়েছে বেশ ক’ বার। তথাকথিত ছোট বিনিয়োগকারীদের অবলীলায় অন্য গাড়ির কাঁচ ভাঙতে দেখেছি অসংখ্যবার।

মতিঝিলের ওই ‍ছোট্ট রাস্তাটুকু সায়েদাবাদ থেকে ছেড়ে আসা অধিকাংশ বাসের চলাচলের একমাত্র পথ। যখনই গণ্ডগোল লাগে তখন হয় বাসগুলো বন্ধু থাকে আর না গলির ভেতর দিয়ে চলাচল শুরু করে। তাতে করে, মতিঝিলের রোড বন্ধ থাকায়, হঠাৎ গুরুত্ব পাওয়া বিকল্প রাস্তাগুলোতেও মাত্রাতিরিক্ত যানযট বেঁধে যায়। আর নিয়মিত রুট দিয়ে বাস না চলায় আমার মতো কর্মস্থলে পৌঁছাতে বা চলাচলে বাসের ওপর নির্ভরশীল মানুষগুলোর অবস্থাটা হয় আরো দুর্বিসহ। সেই সাথে বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায়, চলাচলের এই ঝক্কি পোহাতে হচ্ছে রাস্তার দু’ পাশের ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানগুলোতে চাকরী করা হাজারো মানুষকে।

এ যায়গায় যারা রুজি-রোজগারের আশায় দোকান বা অফিস দিয়েছিলেন, তাদের জীবনটাও অভিশপ্ত। সকালে দোকান খুলতে না খুলতেই প্রায় প্রতিটা দিনই ১১টার পর বন্ধ করে দিতে হয় শুধুমাত্র শেয়ার বাজারের গণ্ডগোলের কারণে।

এখনতো পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ। গতকাল (২৩ জানুয়ারি, ২০১২) শেয়ারবাজারে দরপতনের পর আজ (২৪ জানুয়ারি, ২০১২) শুধুমাত্র মতিঝিল এলাকায় হরতাল ডেকেছিলো পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদ। পরে তাদের ১৩ নেতাকে আটক করা হলে মুক্তির আশ্বাসে হরতাল তুলে নেয়া হয়।

কিন্তু যদি হরতালটা শেষ অব্দি হতো? তাহলে আসলে কি হতো? আসলে মতিঝিলবাসীর জন্য আজকের দিনটা আর ১০টা দিনের চাইতে মোটেও ভিন্ন হতো না। হরতালে আর কিইবা করবে - ভাঙচুর? অবরোধ? গাড়ি বন্ধ? তাতো প্রতিদিনই হচ্ছে। <img src=" style="border:0;" /> আমি জানি, শুধুমাত্র মতিঝিল এলাকায় হরতাল ডাকার দুঃসাহস দেখানোর পরও সরকার এ ব্যাপারে কিছুই করবে না, কারণ একটা এখানে একটা সূক্ষ্ম চেক এন্ড ব্যালান্স চলছে - বিনিয়োগকারীরা বারবার দরতনে ক্ষেপবেন ঠিকই, সেই সাথে এটাও নিশ্চিত হচ্ছে বিক্ষোভটা কখনোই মতিঝিলের গণ্ডি ছাড়াবে না। অনেকটা ছোট্ট বাচ্চাকে খেলনা দিয়ে ঘরে ছেড়ে দিয়ে রুম আটকে রাখার মতো। বাচ্চা যতোই লাফাক-ঝাঁপাক, খেলনা ভাঙচুর করুক - ওই রুমের বাইরে সে বের হতে পারবে না, তার ধ্বংসলীলার গণ্ডি ওটাই। আফসোস মতিঝিল, টিকাটুলি, অভয়দাস লেন বা আর কে মিশন রোডে বাস করা মানুষগুলো এখন ওই খেলনাগুলোর মতো।

রাজধানীতে সারা বছর রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকে এবং গণ্ডগোলও হয় এমন কিছু এলাকা হলো - পল্টন, কাকরাইল, গুলিস্তান ইত্যাদি। কিন্তু ঠিক পাশেই বঙ্গভবনের মতো স্পর্শকাতর স্থান হওয়ার পরেও ডিএসই'র মতো প্রত্যেকটা দিন এই পরিমাণে বিক্ষোভ আর সংঘর্ষ দেখা এলাকা বোধ করি আর একটিও নেই। এ সমস্যা গুলো নিয়ে কোন পত্রিকায় কখনোই কলাম বের হবে না বা কোন টেলিভিশন চ্যানেল রিপোর্টও করবে না, কারণ তা পাবলিক সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে যাবে। তবুও সত্যি কথাতো সত্যিই... যতোই স্বাদে তিতা লাগুক না কেন...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29528395 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29528395 2012-01-24 14:52:41
সুপ্রিয় কর্তৃপক্ষ আমি একটি বাগের শিকার - আমায় রক্ষা করুন <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" /> " style="border:0;" /> <img src=(" style="border:0;" />]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29528236 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29528236 2012-01-24 09:48:25 সুপার ফেইসবুক হ্যাকারের কাণ্ড দেখে মাঝরাতে ইয়া নফসি... ইয়া নফসি.. পড়তেসি!! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_15.gif" width="23" height="22" alt=":(" style="border:0;" />

প্রায় ১ লাখ ফেইসবুক ব্যবহারকারীর ইমেইল ও ফেইসবুক পাসওয়ার্ড হ্যাক করে তা অনলাইনে কপি-পেস্ট করেছে 'হ্যানিব্যাল' নামের এক হ্যাকার। এই ১ লাখ একাউন্টের প্রতিটির ইমেইল অ্যাড্রেস ও পাসওয়ার্ড ৪ খণ্ডে পাওয়া যাচ্ছে নিম্নোক্ত লিংকে:

Part 1: http://pastebin.com/PpKq8qx4
Part 2: http://pastebin.com/uKrQSdJT
Part 3: http://pastebin.com/B52igDeY
Part 4: http://pastebin.com/vG75hjtx

প্রায় সবগুলো পাসওয়ার্ডই কাজ করে! খুবই ভয়ংকর ব্যাপার!!! <img src=" style="border:0;" />

আপডেট, রাত ৩.০৫: যতোটা প্রথমে ভাবা গিয়েছিলো... ঠিক ততো বেশি পাসওয়ার্ড কাজ করে না... অধিকাংশ একাউন্টও ফেইসবুক লক করেছে...

তথ্যসূত্র: লাইফহ্যাকার ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29528178 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29528178 2012-01-24 02:28:33
সেই আমি-১
ছেলেটার অনেক আগ্রহ। তার অধিকাংশই এমনসব জিনিস নিয়ে যা নিয়ে এ বাড়ির আর কেউ দূরে থাক পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষই কখনো মাথা ঘামাবে না। পুরনো খেলনা গাড়িগুলোর লাইট আর মোটরগুলো সে সযত্নে বাটার পুরনো জুতোর বাক্সে গুছিয়ে রেখেছে। বাক্সের বাকিটা জুড়ে বিভিন্ন সাইজের ব্যাটারি আর তার। কোন একদিন কি এক খেয়ালে সে মোটরের পজেটিভ আর নেগেটিভ তারের সাথে একখানা লাইট জুড়ে দিয়েছে। অবাক হয়ে ছেলেটা দেখে, মোটর ঘুরলে লাইটও জ্বলে। কি অবাক, ব্যাটারি ছাড়াই লাইট জ্বলে। বছর খানেক বাদে পদার্থবিজ্ঞান বইয়ের পাতায় অনুরূপ ঘটনার বর্ণনা দেখে এই ছেলেটাই তাচ্ছিল্য করে মনে মনে বলে - ‍"যাহ্! এই জিনিসতো সেই কবে থেকেই জানি!"

ছেলেটা অনেক বই পড়তো। বিশেষতঃ গোয়েন্দা গল্প ছিলো তার ফেভারিট। বই একটা নিয়ে বসতো তো বসতোই। বিছানা, খাবার টেবিল, পড়ার টেবিল (কাল্পনিক), সিঁড়িঘর সেই এক বই নিয়েই। পড়া বইগুলো আবারো পড়তে দারুণ ভালো লাগতো। আর সবচেয়ে পছন্দের ছিলো নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের টেনিদার গল্প। বই পড়া শুরু হতো টেবিলে আর শেষটা রাতে বিছানায়। প্রচণ্ড কম্পিউটার প্রীতি বইয়ের নেশাটা একরকম শেষই করে দিয়েছে বলা যায়। PDF নামক একটি ফরম্যাটে বই পাওয়া যায় এবং সেইরকম বইয়ের ডাউনলোড লিংক সে রাজ্যের মানুষকে দিয়ে বেড়ায় ঠিকই... কিন্তু নিজে কোনদিন একপাতা পিডিএফও পড়ে দেখে নাই। কম্পিউটার স্ক্রিনে বইকে ঠিক বই মনে হয় না।

অফিস-বাসা-অফিস নামক একটি চক্রের কথা সে শুনেছিলো। অনেকে তাকে এ ব্যাপারে আগাম সতর্কতাও দিয়ে রেখেছিলো। কোনদিন নিজে সে চক্রে পড়ে যাবে ঘুর্ণাক্ষরেও ভাবেনি। এখন অবস্থা এমন হয়েছে যে রাত পোহালেই অফিসের ডেস্কের রং চোখে যেন ভেসে ওঠে। ঠেলায় পড়ে ব্লগিং লাটে উঠেছে। বাসার ডেস্কটপে ধুলো জমেছে... বাসায় কিউবির লাইনটার আদৌ কোন প্রয়োজন আছে কিনা সে চিন্তায় চুলে পাক ধরেছে।

ছোটবেলায় বালক রেডিও থেকে স্পিকারের বড় বড় ম্যাগেনেটগুলো খুলে আকর্ষণ-বিকর্ষণের খেলায় মেতে উঠতো। এর থেকে সে পৃথিবীর সীমিত জ্বালানি সমস্যার দারুণ সমাধান সে বের করেছিলো। তার ধারণা ছিলো, যেহেতু ২ চুম্বকের একই প্রান্ত মুখোমুখি থাকলে বিকর্ষণ করে সরে যেতে চায়... তাহলে এই দু’টো চুম্বক মুখোমুখি অবস্থায় গাড়ির পেছনে লাগিয়ে দিলেই তো হয়... তাহলেই তো গাড়ি সামনে চলবে কিন্তু কোন শক্তি খরচ হবে না! আফসোস! ২-৩ দিন ধরে স্কচটেপের সহায়তায় খেলনা গাড়ির পেছনে চুম্বক লাগিয়েও কাজ হয়নি। আর বালকও আজো জানতে পারেনি গাড়ি কেন নড়লো না। তা অদ্ভূত এক রহস্যই হয়ে থাকলো। <img src=" style="border:0;" />

২০০৫-এ প্রথম যখন কম্পিউটার বাসায় এলো বিজ্ঞ টেকি বন্ধু জিজ্ঞেস করেছিলো: “বলোতো অডিও সিডি থেকে গান কিভাবে কপি করে?” আমিও সদ্য শেখা কমান্ডটির সদ্ব্যবহার করে জবাব দিয়েছিলাম: “কেন, Ctrl+C, Ctrl+V!” বন্ধু সেদিন মুচকি হেসেছিলো... ক’দিন পরেই টের পেয়েছিলাম কেন।

অডিও সিডি ওভাবে কপি করা যায় না ঠিকই কিন্তু ১২/১৩ বছর আগের জীবনটার কিছু অংশ Ctrl+C, Ctrl+V মারতে পারলে খুব একটা অখুশি হতাম না। লাইফটা বড্ড নিয়মে চলে এসেছে.... বড্ড বেশি সরলরৈখিক হয়ে গেছে... I need a break... perhaps a Kitkat too!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29478665 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29478665 2011-11-06 00:46:49
ফেইসবুকের কোন ফিচারটি বাস্তব জীবনে কে পেলে লাভবান হতো! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_03.gif" width="23" height="22" alt=":)" style="border:0;" />

প্রতি মুহূর্তে বাস্তব জীবন আর ফেইসবুকের তফাতটা ভুলে যাচ্ছেন এমন লোকের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। আসুন তফাতটা আরেকটু কমিয়ে দেই... দেখে নেই ফেইসবুকের কোন ফিচারটি বাস্তবেও থাকলে কে লাভবান হতো.... <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

Wall Post: নিঃসন্দেহে চিকা মারা পার্টি। রাত্রি জেগে সবার অলক্ষ্যে না, বরং নির্বাচনী প্রচারণা, অমুক-তমুক ভাইয়ের মুক্তি চাই বা কোন বিজ্ঞাপণ আঁকআঁকির কাজটি করে ফেলা যেতো মাত্র কয়েকটি বাটন চেপেই... কি-বোর্ডের ছোঁয়ায় রঙিন হয়ে উঠতো আপনার-আমার বাড়ির দেয়াল। <img src=" style="border:0;" />



Event: বিয়ের আগে আত্মীয়স্বজনের বাড়ি গিয়ে গিয়ে বিয়ের কার্ড বিলি করার অভিজ্ঞতা যার আছে সেই শুধু জানে এর কষ্ট। আর তাই ফেইসবুক Event হতে পারে ভবিষ্যতে বিয়ের কার্ডের বিকল্প... কেন নয়? হতেই পারে... <img src=" style="border:0;" />



Ticker ফেইসবুকের ইতিহাসে সাম্প্রতিকতম এই ফিচারটির সংযোজন আলোচনা-সমালোচনার ঝড় তুলেছে। কে কার প্রোফাইলে গিয়ে কি করলো না করলো তার সবই এক-এক করে নোটিফিকেশন আকারে আসতে থাকে একটি বক্সে। অনেকেই এই ফিচারটিকে দেখছেন গোয়েন্দাগিরি ফলানোর যন্ত্ররূপে। আর তাই এর হতে পারে বহুবিধ ব্যবহার। <img src=" style="border:0;" />

পাড়া-বেড়িয়ে খবর নেয়া ও ছড়ানোর অভ্যেস যে ভাবি বা বুয়াদের তারা খুব সহজেই লাভবান হতে পারেন বাস্তবের Ticker ফিচারটি থেকে -



কাজে আসবে স্বামীর পরকীয়া আছে বলে সন্দেহ করেন এবং স্ত্রীদেরও -



অফিসের বসদের জানার অপরিসীম ইচ্ছে, কে অফিসে তাকে নিয়ে কি বললো... অফিসে তাকে নিয়ে কি আলোচনা হয়। জানার তেষ্টা মেটাবে Ticker -



Question: ইলেক্ট্রনিক ভোটিং সিস্টেমেতো তাও বুথে গিয়ে বাটন চাপা লাগে। কিন্তু ফেইসবুকের Question ফিচারটি দিয়ে ঘরে বসেই জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেয়া যাবে। অবশ্যই একটি আইডি থেকে মাত্র একটিই ভোট দেয়া যাবে। <img src=" style="border:0;" />



Chatting: অনলাইনে কে কে আছে তা দেখ খুব সহজেই স্কুল আর কলেজে নাম ডাকার কাজটি করে ঠেলা যেতো... <img src=" style="border:0;" />



Status, Logout: নিঃসন্দেহে আত্মহত্যা করতে যাচ্ছে এমন কেউ। জীবন থেকে লগ আউটের ঠিক আগে আগে স্ট্যাটাস আকারে সে রেখে যেতে পারবে একখানা Suicide নোট! <img src=" style="border:0;" />

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29453953 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29453953 2011-09-24 00:45:32
নাফিস ইফতেখার ft. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - গ্যাসের গাড়ি (সোনার তরী ReDefined) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" /> <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_05.gif" width="23" height="22" alt=":D" style="border:0;" />

গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা।
ফুটপাথে দাঁড়িয়ে, নাহি ভরসা।
রাশি রাশি ভরা ভরা
শপিং ব্যাগ হাতে ধরা
দুঃসহ জ্যাম দেখি
মন ভরে না -
সিএনজি পেতে মোর তর সহে না।

বসুন্ধরার পার্কিং লট, নই একেলা
চারি দিকে বাঁকা জল করিছে খেলা।
ঐ পাড়ে দেখি একা
সুন্দরী আঁকাবাকা
পথে হেঁটে চলিছে
হাতে ছাতা -
সিএনজি পাবো বলে মনেতে আশা।

ভট-ভট শব্দে কে আসে কাছে!
দেখে যেন মনে হয়, চিনি উহারে।
আনমনে চলে যায়,
কোনো দিকে নাহি চায়,
যাত্রীরা নিরুপায়
ঘিরে তাহারে -
যাবে নাকি কন্ট্র্যাক্ট বা মিটারে?

ওগো, ভাই সিএনজি যাবে নাকি লয়ে?
আমি বড় ক্লান্ত শপিং ব্যাগ বয়ে।
যে পথে ইচ্ছে ভাই,
যেয়ো যেথা যেতে চাই -
শুধু তুমি নিয়ে যাও -
ক্ষণিক হেসে
আমায় মতিঝিল এক নিমেষে।

যত ব্যাগ সব লও গাড়ি-ভেতরে
আর আছে? আর নাই, দিয়েছি ভরে।
দুশ্চিন্তা সব ঠেলি
অবশেষে গেট খুলি
স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলি
সিটেতে বসে -
এখন আমারে লহো করুণা ক’রে।

ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোটো সে গাড়ি
আমারি শপিং ব্যাগে গিয়েছে ভরি।
গন্তব্যে অবশেষে
দিয়ে টাকা তব ক্যাশে,
দেখি কাণ্ড সর্বনেশে
ব্যাগ সব ভরি -
যাহা ছিল নিয়ে গেল গ্যাসের গাড়ি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29439709 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29439709 2011-08-28 00:59:04
টিউটোরিয়াল - যখন ব্লগে লেখার কিছু খুঁজে পাবেন না (পর্ব ২ - ড্রাফট ১৫-২৩) (খানিকটা ১৮+) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" /> আগের পর্ব: Click This Link

গুণে গুণে মোট ২৩টা ড্রাফট পোস্ট সামহোয়্যারে... এর কোনটা হয়তো আলসেমিতে আটকে গিয়েছিলো... কোনটা বা হয়তো চিন্তার অভাবে... আবার কোনটির কথা হয়তো মনেই ছিলো না পরে... আর ব্যর্থ প্রজেক্ট তো আছেই! ভাবলাম এগুলোকে বিদেয় করা দরকার। আর তাই সেই ২২ টি ড্রাফটের ১৪টি আজ এই মহান ব্লগে উত্থাপন করা হলো। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

বিঃদ্রঃ অসম্পূর্ণ পোস্ট! পড়ার সময় সাবধান! ভুল ধরলে বা মাইন্ড খাইলে সমস্যা! <img src=" style="border:0;" />

----------------------------------------------------------------------------

বিঃদ্রঃ এই পোস্টটির অনেক শব্দ এবং বাক্য ব্লগের পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে তারকা চিহ্ন (*) দিয়ে ঢেকে দেয়া হলো। <img src=" style="border:0;" />

পোস্ট শিরোনাম: **ওয়াচার্স গাইড টু Climax (১৮+)

আজ আমরা দেখবো কি করে আমরা আমাদের "দেশী চাচার" হাত থেকে বেঁচে ** দেখবো। <img src=" style="border:0;" /> কে এই দেশী চাচা? এই দেশী চাচা হচ্ছেন আমাদের আজকের টিউটোরিয়ালের স্বার্থে বানানো কাল্পনিক এক চাচা। দেশী চাচা আপনার-আমার দেশের বাড়ির থেকে আসা দূরসম্পর্কের এক চাচা যিনি ক্লাইম্যাক্স মূহুর্তে হুট আপনার রুমে ঢুকে পড়তে ভালোবাসেন ও আপনার যাবতীয় খোঁজখবরাদি নেন এবং বলাই বাহুল্য আপনার ***** ব্যঘাত ঘটান। <img src=" style="border:0;" />

অবশ্যই করনীয়:

১. ***** ক্লোজ বাটনের সমতুল্য আর কিছুই নেই। ভিডিও দেখার সময় মাউসের কার্জর নিয়ে ক্লোজ বাটনের উপর রাখুন। যেমনি কোন আওয়াজ দুম করে লেফট বাটন চেপে উইন্ডো ক্লোজ করে দিবেন। এর বিকল্প হতে পারে Alt+F4 শর্টকাটটি চাপা। তবে সাবধান! এই ক্লোজ বাটনের জাদু ব্রাউজারের ক্ষেত্রে ফলাতে যাবেন না। আজকাল অধিকাংশ ব্রাউজারের নতুন ভার্শন একাধিক ট্যাব খোলা অবস্থায় ক্লোজ বাটন চাপলে বন্ধ হওয়ার আগে কনফার্মেশন চায় আপনি খোলা ট্যাবগুলা সেইভ করে রাখতে চান কিনা - যা মাঝখান দিয়ে কেড়ে নেবে আপনার মূল্যবান কয়েক সেকেন্ড আর আপনার দেশী চাচাকে দেবে ঘরে ঢুকে আপনার কুকীর্তি দেখার সুযোগ।

২. যদি আপনি পিসি **ওয়াচার হন তাহলে অবশ্যই আপনাকে কিছু শর্টকাট জানতে হবে। তন্মধ্যে উইন্ডোজ বাটন + D (Win + D) প্রধান। এটি চাপলে ভিডিও উইন্ডো বা ব্রাউজার উইন্ডো সহ আপনার পিসিতে খোলা সকল উইন্ডোকে নিয়ে টাস্কবারের চিপায় ফেলবে এবং শুধু আপনার ডেস্কটপ দেখাবে। দেশি চাচা যতোক্ষণে আপনার রুমে ঢুকবেন ততোক্ষণে আপনি পুরো সুবোধ বালক! <img src=" style="border:0;" />

টিপস: শর্টকাটটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে উইন্ডোজ বাটনটি আগে থেকেই চেপে রাখুন আর D এর উপর হালকাভাবে চাপ না দিয়ে আঙ্গুল রেখে দিন। এতে করে বাঁচবে আপনার মূল্যবান সময়! <img src=" style="border:0;" />

৩. আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট বাটন হলো উইন্ডো/লিনাক্সের জন্য Alt+Tab বাটন। ম্যাকের জন্য এই শর্টকাটটি হলো Apple বাটন+Tab। এটি আপনার বর্তমান উইন্ডোটি সুইচ করে অন্য আরেকটি খোলা উইন্ডোতে নিয়ে যাবে। ধরা যাক আপনার পিসিতে এ মূহুর্তে VLC Media Player আর ফায়ারফক্সে উইকিপিডিয়া খোলা। দেশী চাচার আগমণ টের পেয়ে আপনি Alt+Tab চাপলেন। কেল্লা ফতে! দেশী চাচা দেখবেন আপনি কি সুন্দর এ্যাসাইনমেন্টের জন্য নেটে রিসার্চ করছেন! <img src=" style="border:0;" />

৪. ব্রাউজিংই করেন, ছবিই দেখেন আর ভিডিও - সব সফটওয়্যারই অনেক টেম্পোরারী ফাইল সৃষ্টি করে পিসিতে। ব্রাউজারের ক্ষেত্রে তো পুরো ব্রাউজিং হিস্টোরিই থেকে যায়। আর তার ওপরে উইন্ডোজের 'রিসেন্ট ডকুমেন্ট' নামক ফিচারটি তো আছে। তাই প্রত্যেকবার ** দেখার পর CCleaner দিয়ে একবার পিসি ক্লিন করে নিতে ভুলবেন না যেন।

টিপস: শর্টকাটটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে Alt বাটনটি আগে থেকেই চেপে রাখুন আর Tab বাটনের উপর হালকাভাবে চাপ না দিয়ে আঙ্গুল রেখে দিন। এতে করে বাঁচবে আপনার মূল্যবান সময়! <img src=" style="border:0;" />

পারলে করুন:

১. সম্ভব হলে সাউন্ড একদম মিউট করে দেবেন বা সর্বনিম্নে দিয়ে রাখবেন। অধিকাংশ **ওয়াচার মিনিমাইজ করেও শেষ রক্ষা করতে পারেন না শুধুমাত্র ঐ কিচির-মিচির আওয়াজের কারনে। <img src=(" style="border:0;" />

২. ***********************************************************************************। তবে লুঙ্গি বেস্ট! <img src=" style="border:0;" />

৩. সাউন্ড শুনতে কোনোমতেই হেডফোন ব্যবহার করবেন না (বিশেষতঃ ঐ ঢাউস হেডফোনগুলো যেগুলা আপনার দু'কার পুরোপুরি ঢেকে দেয়)। হেডফোনের সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো আশেপাশের কোনও আওয়াজই আপনার কানে পৌঁছাবে না। ফলে দেশী চাচা এসে আপনার পেছনে দাঁড়ালেও আপনি টেরও পাবেন না।

----------------------------------------------------------------------------

পোস্ট শিরোনাম: ব্লগ আড্ডা আইন - ২০১০

আয়োজন:

১. প্রতিটি ব্লগ আড্ডা ব্লগের একজন বা একাধিক ব্লগার দ্বারা আয়োজিত হইতে পারে।
২. আড্ডা আয়োজনের কমপক্ষে ৭ দিন আগে ব্লগে লিখিত একটি পোস্টের মাধ্যমে আড্ডার স্থান, সময়, শর্তাবলী এবং আড্ডা সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্যাদি ব্লগারদেরকে জানাইতে হইবে।
৩. একাধিক আয়োজকের ক্ষেত্রে - আয়োজকদের যে কোন একজন, কয়েকজন অথবা সবাই নিজ নিজ নিক থেকে ব্লগে পোস্ট দিয়ে আড্ডার ব্যাপারে ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করিতে পারিবে।
৪. আয়োজকদের কারো একাধিক নিক থাকিলে, চাইলে সব কয়টি অথবা যে কয়টি খুশি সে কয়টি থেকে ব্লগ আড্ডার নিমন্ত্রন পোস্ট প্রকাশ করিতে পারিবে।
৫. অফিশিয়াল ব্লগ আড্ডার পোস্টগুলো ব্লগার "নোটিশবোর্ড" কর্তৃক প্রকাশিত হইবে।
৬. কমপক্ষে একজন রেসিডেন্ট ভাঁড় আড্ডার নিমন্ত্রনী পোস্টে সাড়া দিয়ে উপস্থিত হইবার আশ্বাস না দিলে কোন ব্লগ আড্ডা অনুষ্ঠিত হইবে না।
৭. ব্লগ আড্ডার নিমন্ত্রন-বাক্যধারী কমেন্ট ব্লগে একাধিক পোস্টে, একাধিকবার কপি-পেস্ট করা হইলেও উহা 'স্প্যাম' বলিয়া গণ্য হইবে না।
৮. ব্লগ বাদেও অন্যান্য যে কোন মাধ্যমে ব্লগারদেরকে আড্ডার সূচী সম্পর্কে অবহিত করা যাইবে।

* নতুন ব্লগারদের ব্লগ-আড্ডা আয়োজনে বাধা না থাকলেও তুলনামূলক কম সাড়া পাওয়া যায় বিধায় অনুরূপ কোন আড্ডা আয়োজনে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। <img src=" style="border:0;" />

----------------------------------------------------------------------------

পোস্ট শিরোনাম: ুৃিৃুিুৃি

গতকাল ফ্রেন্ডদের সাথে সাপ-লুডু খেলায় ৯৭ এর মোটা-তাজা সাপটা আমাকে ২ বার দংশন করেছে... ৫০ এর মইটা বেয়ে সোজা ৯৩ এ চলে যাই... আর তারপরেই একটা করে ৪ উঠে... :'(

শুধু তাই না... খেলা শেষ হবার পর পরীক্ষামূলকভাবে আরো ১০-১২ বার গুটি ৯৩ এ রেখে আমাকে চালতে বলা হয়েছে... এবং প্রতিবার একটা করে চার উঠেছে (শুধু একবার আগে ১ এবং তারপর ৩ উঠেছে)...

উফ!
৯৭ এর সাপ...
আর কত বাপ?

----------------------------------------------------------------------------

পোস্ট শিরোনাম: অনলাইনে ছবি এডিটিং এবং অন্যান্য

আমি নিজেও জানি ফটোশপের তুলনা হয়না। এটাও জানি যে, গিম্প বা কোরেল ড্র ছাড়া অনেকেরই মাউস নড়ে না। কিন্তু ধরুন কোন এক বন্ধুর বাসায় যেখানে এসব সফটওয়্যারের কোনটাই ইন্সটল করা নেই, বা সেটআপ ফাইল থাকলেও ইন্সটল করার ঝামেলায় যেতে চাচ্ছেন না - কারন আপনার শুধু কিছু বেসিক এডিটিং করা প্রয়োজন। আবার ধরুন অফিসে যেখানে এগুলো ইন্সটল করার সুযোগ নেই.... সেখানে আমাদের দরকার বিকল্প সমাধান।

ওয়েব কিন্তু আমাদের ধারণার চেয়ে একটু বেশিই শক্তিশালী। মাঝে মাঝেই আমাদের বিভিন্ন অনলাইন সার্ভিস চমকে দেয়.... "আরে বাহ্! এটা অনলাইনে করা যায়?"

এই পোস্টটিতে হাজারোর ভীড়ে শুধুমাত্র কয়েকটি অনলাইন ফটো এডিটিং সাইট/অ্যাপ্লিকেশন এর কথা বলা হবে:

Picnik: মজার নাম - পিকনিক। তবে নাম শুনে বিচারে যাবেন না যেন। পিকনিক হলো সেই কোম্পানি যাকে গুগল এ বছরের মার্চে কিনে নিয়েছে। আর গুগল কোন কোম্পানিতে ইন্টারেস্ট দেখিয়েছে মানে বুঝতে হবে.... নিশ্চয়ই কোন ব্যাপার আছে।

http://www.picnik.com/app এই ঠিকানায় গিয়ে আপনি পিকনিকের ফটো এডিটিং সেকশনে ঢুকতে পারবেন। ছবি আপলোডের অপশনে গিয়ে পিসি থেকেই ছবি আপলোড করতে পারবেন:



এবারে নতুন খোলা উইন্ডোতে Auto-fix, Rotate, Crop, Resize, Exposure, Colors, Red-Eye ইত্যাদি সহ বেসিক কিছু ফিচার দেখতে পাবেন। আসলে পিকনিক খুব অ্যাডভান্সড এডিটিংয়ের জন্য বানানো হয়নি। এটার মূল উদ্দেশ্য মানুষের খুব বেসিক কিছু ফটো এডিটিং চাহিদা পূরণ। দিকেত পারবেন ছবিতে নান অ্যাফেক্ট। তবে অনেক অ্যোফেক্টই ফ্রি ইউজারদেরকে দিতে দেবে না।

----------------------------------------------------------------------------

পোস্ট শিরোনাম: ুিুৃ্্্্ডিিি


তোমায় দেখেছি গুগল ক্রোমে....
তোমায় দেখেছি অ্যাপল আইফোনে
তোমায় দেখেছি...
ফ..টো..শ..পে...


কথায় কথায় যে রাত হয়ে যায়...
কি কথা রাখলে বাকি?


দাঁড়িয়ে আছো তুমি আমার গানের ও পারে...


আমি এক পাহারাদার...
সাধ্য আছে কার বাবার!
আমার চোখে ধুলা দিয়া হইয়া যাবি পার...


থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে...
দেখবো এবার জগতটাকে!
কেমন করে ঘুরছে মানুষ
তেপান্তরের ঘুর্ণিপাকে...


কাটেনা সময় যখন আর কিছুতেই
বন্ধুর টেলিফোনে মন বসে না...

ছোট ছোট কথা

----------------------------------------------------------------------------

পোস্ট শিরোনাম: কাজের জিনিস - ৪ (সফটওয়্যার, অনলাইন সার্ভিস এবং আরো অনেক কিছু)



BitDefender Safego:
কতোবার এমন হয়েছে? পেইসবুকে এক ফ্রেইন্ডের দেয়া লোভনীয় স্প্যাম লিংকে (বেশিরভাগ সময়ই পর্ন) ক্লিক করেছেন... অমনি আপনার ফ্রেইন্ডলিস্টে থাকা সবার ওয়ালে ওটা চলে গেলো। পরিবার-পরিজন থেকে শুরু করে অফিসের বস... কেউই বাদ গেলো না! <img src=" style="border:0;" /> উৎসুকতা মানবধর্ম - এতে দোষের কিছুই নাই। তবে এরকম বিরম্বনা এড়িয়ে চলাই ভালো। <img src=" style="border:0;" />

এমন বিপদজনক লিংকের জানান আপনাকে দেবে BitDefender Safego। এটা একটা ফেইসবুক অ্যাপ্লিকেশন। এটা সার্বক্ষণিকভাবে আপনার প্রোফাইলে আসা লিংক, মেসেজ চেক করে বলবে কোন সন্দেহজনক কিছু আছে কিনা।



আপনি চাইলে নিজে থেকেও স্ক্যান দিতে পারবেন। প্রতি সপ্তাহ শেষে রিপোর্ট আপনার প্রোফাইলে অটো-পোস্ট করার অপশনও আছে।

লিংক: http://apps.facebook.com/bd-safego/

----------------------------------------------------------------------------

পোস্ট শিরোনাম: ১১১১

তীক্ষ্ণ কি একটা আওয়াজে যেন অনিন্দ্যর চোখটা খুলে গেলো। সেই সাথে ঘুমটাও ভেঙে গেলো। ঘোলা ঘোলা চোখে একবার বামে ফিরলো ফের ডানে। চার্জে লাগানো মোবাইলটা খুঁজে পেলো। স্ক্রীণে বড় বড় করে লেখা "1 New Message"। অনিন্দ্য মোটামুটি নিশ্চিত ম্যাসেজটা কার। তবুও সন্দেহ কাটাতে ম্যাসেজটা খুলে পড়লো। কিন্তু শিরোনামে শুধু ম্যাসেজ প্রেরকের নামটা দেখেই বন্ধ করে দিলো। যা ভেবেছিলো অনিন্দ্য, ঠিক তাই। ম্যাসেজদাতা সেই অতিপরিচিত ও বিরক্তিকর এয়ারটেল। ওয়ারিদ এয়ারটেল হয়েছে বটে, তবে ম্যাসেজ দিয়ে রীতিমতো জীবন ওষ্ঠাগত করার সেই স্বভাবটি রয়ে গেছে।

কয়েকটি দিন বাদে অনিন্দ্যর প্রতি সকালের শুরুটা আজকাল এমনই। অনিন্দ্যর খুব ইচ্ছে সকালটা ভাঙবে ও'র একটা কলে, একটু গলা শুনে। ব্যাপারটা অনেক বেশি নাটকীয় শোনালেও অনিন্দ্যর কাছে এটা খুব রোমান্টিক মনে হয়। অন্তত ইদানিংতো অবশ্যই। আসলে অনিন্দ্য তার জীবনের একটা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

----------------------------------------------------------------------------

পোস্ট শিরোনাম: মেয়েদের ব্রেকআপ

***************বিশেষ কারণে এই ড্রাফটটি দেয়া হলোনা*****************

----------------------------------------------------------------------------

সমাপ্ত... এইবার মনে হয় ড্রাফটগুলি ডিলেঠ করা যায়... <img src=" style="border:0;" />

আগের পর্ব: টিউটোরিয়াল - যখন ব্লগে লেখার কিছু খুঁজে পাবেন না (পর্ব ১ - ড্রাফট ১-১৪) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29436205 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29436205 2011-08-21 21:11:23
টিউটোরিয়াল - যখন ব্লগে লেখার কিছু খুঁজে পাবেন না (পর্ব ১ - ড্রাফট ১-১৪) <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_07.gif" width="23" height="22" alt="B-)" style="border:0;" />
গুণে গুণে মোট ২৩টা ড্রাফট পোস্ট সামহোয়্যারে... এর কোনটা হয়তো আলসেমিতে আটকে গিয়েছিলো... কোনটা বা হয়তো চিন্তার অভাবে... আবার কোনটির কথা হয়তো মনেই ছিলো না পরে... আর ব্যর্থ প্রজেক্ট তো আছেই! ভাবলাম এগুলোকে বিদেয় করা দরকার। আর তাই সেই ২২ টি ড্রাফটের ১৪টি আজ এই মহান ব্লগে উত্থাপন করা হলো। <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

বিঃদ্রঃ অসম্পূর্ণ পোস্ট! পড়ার সময় সাবধান! ভুল ধরলে বা মাইন্ড খাইলে সমস্যা!

----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: অভিনন্দন বাংলাদেশ দলকে

অসম্ভব মজা পেয়েছি কালকের খেলা দেখে। অভিনন্দন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আর সাকিব বাহিনীকে।
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: ুিুৃাুৃা

ট্রান্সকম ও বসুন্ধরা গ্রুপের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি সই

দীর্ঘ দিনের বিরোধ আর কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়িকে পেছনে ফেলে সমঝোতায় পৌঁছেছে দেশের শীর্ষ দুই ব্যবসায়ী গ্রুপ - ট্রান্সকম লিমিটেড ও বসুন্ধরা গ্রুপ। সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সাক্ষর করেন ট্রান্সকম লিমিটেডের পক্ষে লতিফুর রহমান এবং.. বিস্তারিত
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: কি চমৎকার দেখা গেলো! <img src=" style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

সামুর পোস্ট: জেনে রাখুন কাজে আসবে - রাহুল বিশ্বাস
মূল পোস্ট (টেকটিউনস): জেনে রাখুন কাজে আসবে - জুয়েল

সামু পোস্ট: অটো শাটডাউন সফটওয়্যার - রাহুল বিশ্বাস
মূল পোস্ট (টেকটিউনস): অটো শাটডাউন সফটওয়্যার - Sharifuddin Suman

সামু পোস্ট:
মূল পোস্ট (টেকটিউনস):

সামু পোস্ট:
মূল পোস্ট (টেকটিউনস):

সামু পোস্ট:
মূল পোস্ট (টেকটিউনস):

সামু পোস্ট:
মূল পোস্ট (টেকটিউনস):

সামু পোস্ট:
মূল পোস্ট (টেকটিউনস):

সামু পোস্ট:
মূল পোস্ট (টেকটিউনস):
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: কবিতা ৩

জানি না কেন ছেলে হয়েও
এ ঘটনাগুলোয় মজা পাইনা
কাউকে কখনো বলিওনি
- এমনকি জানতো না আমার প্রেমিকারাও
সেই কবে জীবনের কালো অধ্যায় ধরে নিয়েছিলাম
তাই আর মনেও করিনা আজকাল!
কারন তাকে আমি কোনদিনই ভালোবাসিনি
মন থেকেও চাইনি
শুধু কৌতহুল আমায় প্রলুব্ধ করেছিলো
গত সন্ধ্যায় হঠাৎ এলো ফোন!
- ক্রিং ক্রিং
"হ্যালো!"
ওপারে মেয়েটির মা, দাওয়াত দিলেন ইফতারির কাল সন্ধ্যায়
হঠাৎ দেয়ালে ঝুলে থাকা টিকটিকিটা "টিকটিক" করে উঠলো
মনে পড়লো -
ওই ছিলো আমার জীবনের প্রথম নারী
যাকে আমি স্পর্শ করেছিলাম
- অন্যভাবে!
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: াগ্নি

হার্ডডিস্ক মোর পরপারে
শূণ্য, রিক্ত আমি - পর্ণ নেই ঘরে
চাকতি বন্দিগুলো ভেঙ্গেছিনু আগেই - সযতনে
তবুও অগ্ন্যুতপাতের প্রবল ইচ্ছে মনে

হাতের কাছে পেলাম পদ্মা নদীর মাঝি
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: গুগলের কিছু ফিচার

গুগল সবসময়ই আমাকে আনন্দ দেয়। না গুগল আমাকে এসে আমাকে রোজ রোজ জোকস শোনায় না। গুগল থেকে আনন্দটা পাই ওদের নতুন নতুন ফিচার দেখে। সার্চ বিষয়টাকে গুগল এখন এমন পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে যে এটাকে এখন এটাকে 'প্রযুক্তি' বললে ছোট করা হয়। গুগল যেন এখন কোন মহাজাগতিক সত্য - ঠিক সূর্য উদয়-অস্ত যাওয়া আর ডাল-ভাত খাওয়ার মতো। আমরা তো ধরেই নেই এখন - "গুগুলে নেই? তো কোথাও নেই!" তবে শুধু সার্চ নয়, সাম্প্রতিক সময়ে গুগল সার্চ বাদেও তাদের অন্যান্য সার্ভিসগুলোকে অনেক রিচ করেছে আর নতুন কিছু সার্ভিস চালু করেছে।

গুগল ট্রান্সলিটারেশন (Google Transliteration): Google Transliteration শুনতে বড়ই বদখত একটা নাম। Transliteration হচ্ছে মূলতঃ এক ভাষার অক্ষর ও উচ্চারণভঙ্গি ব্যবহার করে অন্য ভাষা লেখার একটি প্রযুক্তির নাম। আপনি যদি বলেন আমাকে উদাহরণ দিতে তবে আমি বলবো সামহোয়্যার ইন ব্লগের ফোনেটিক লিখন পদ্ধতির কথা (অবশ্য ফোনেটিক ঠিক Transliteration এর পর্যায়ে পড়ে কিনা তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে)। আরো সহজ করে বলতে গেলে ইংরেজীতে 'Ami Vat Khai' লিখলে বাংলায় 'আমি ভাত খাই' হয়ে যাওয়া - এটাই Transliteration। বহুত কথা হয়েছে, এখন দেখানো পালা। প্রথমে এই সাইটে চলে যান: http://www.google.com/transliterate

এবারে সবচেয়ে বামের বাটনটা চেপে ড্রপ ডাউন মেন্যু থেকে বাংলা সিলেক্ট করে নিন এভাবে -
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: সর্দি-কাশি-জ্বর

সর্দি-কাশি-জ্বর! খুব কষ্টে ছিলাম! <img src=" style="border:0;" />
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: Conficker দ্যা বস! <img src=" style="border:0;" />

Conficker.....Conficker.....তো অনেক হইলো। অনেকরে ধরলো........অনেকরে ছাড়লো.........অনেকরে ধরলো কিন্তু টের পাইলে না। এই পোস্টটা আসলে
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: ুিিুা

১. http://www.somewhereinblog.net/blog/admin

* পোস্ট করেছেন: ১টি
* মন্তব্য করেছেন: ১টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ১টি
* ব্লগ লিখেছেন: ৭ মাস ৩ সপ্তাহ
* ব্লগটি মোট ৩৫৬ বার দেখা হয়েছে

সর্বশেষ পোস্ট: ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৫
সিদ্ধান্ত: উনি গায়েব!

২. Click This Link target='_blank' >http://www.somewhereinblog.net/blog/morshedblog

* পোস্ট করেছেন: ০টি
* মন্তব্য করেছেন: ১টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ০টি
* ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ৯ মাস
* ব্লগটি মোট ১৮ বার দেখা হয়েছে

সিদ্ধান্ত: উনি গায়েব!!

৩.


৫. http://www.somewhereinblog.net/blog/espenblog (এস্পেন)

* পোস্ট করেছেন: ১০টি
* মন্তব্য করেছেন: ১২৮টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ০টি
* ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ৯ মাস
* ব্লগটি মোট ৯৯২ বার দেখা হয়েছে

সেই ১০টা পোস্ট দেখায় না ক্যানরে মমিন!! <img src=" style="border:0;" />

সিদ্ধান্ত:পোস্ট গায়েব!
উপসিদ্ধান্ত: উনিও গায়েব!

৬. http://www.somewhereinblog.net/blog/hasin

আপনি যে ব্লগটি খুঁজছেন, এই ব্লগটি পাওয়া যায়নি...

এবং

http://www.somewhereinblog.net/blog/hasinblog

আপনি যে ব্লগটি খুঁজছেন, এই ব্লগটি পাওয়া যায়নি...

সিদ্ধান্ত: আজব! উনি গেলেন কই?

৭. http://www.somewhereinblog.net/blog/yeameenblog (আছহাবুল ইয়ামিন)

সিদ্ধান্ত: সামহোয়্যার ইন...ডেভেলাপার গ্রুপের সদস্য, উনি ব্লগে আছেন। <img src=" style="border:0;" />

৮. http://www.somewhereinblog.net/blog/oshim (মনোয়ার হোসেন অসীম)

* পোস্ট করেছেন: ১২টি
* মন্তব্য করেছেন: ১৫টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ০টি
* ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ৩ মাস
* ব্লগটি মোট ৯২১ বার দেখা হয়েছে

সেই ১২টা পোস্ট দেখায় না ক্যানরে মমিন!! <img src=" style="border:0;" />

সিদ্ধান্ত: সামহোয়্যার ইন...ডেভেলাপার গ্রুপের সদস্য এবং গায়েব!

৯. http://www.somewhereinblog.net/blog/rashid

* পোস্ট করেছেন: ১টি
* মন্তব্য করেছেন: ২০১টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ৬টি
* ব্লগ লিখেছেন: ৯ মাস ১ দিন
* ব্লগটি মোট ৬৬২ বার দেখা হয়েছে

সর্বশেষ পোস্ট: ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
সিদ্ধান্ত: আছেন কিন্তু অত্যন্ত অনিয়মিত।

১০. http://www.somewhereinblog.net/blog/ryanblog (রায়ান)

* পোস্ট করেছেন: ০টি
* মন্তব্য করেছেন: ৪টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ০টি
* ব্লগ লিখেছেন: ২ বছর ১০ মাস
* ব্লগটি মোট ৩৩০ বার দেখা হয়েছে

সিদ্ধান্ত: উনিও গায়েব!

১১. http://www.somewhereinblog.net/blog/rezwan

আপনি যে ব্লগটি খুঁজছেন, এই ব্লগটি পাওয়া যায়নি...

http://www.somewhereinblog.net/blog/rezwanblog

আপনি যে ব্লগটি খুঁজছেন, এই ব্লগটি পাওয়া যায়নি...

সিদ্ধান্ত: উনিও গায়েব! /<img src=" style="border:0;" />

১২. http://www.somewhereinblog.net/blog/lavlu

আপনি যে ব্লগটি খুঁজছেন, এই ব্লগটি পাওয়া যায়নি...

http://www.somewhereinblog.net/blog/lavlublog (বলেকি)

* পোস্ট করেছেন: ০টি
* মন্তব্য করেছেন: ০টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ০টি
* ব্লগ লিখেছেন: সঠিক তথ্য নেই
* ব্লগটি মোট ১৮ বার দেখা হয়েছে

সিদ্ধান্ত: গায়েব!

১৩. http://www.somewhereinblog.net/blog/guest

* পোস্ট করেছেন: ৫টি
* মন্তব্য করেছেন: ১টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ৫টি
* ব্লগ লিখেছেন: ৯ মাস ৪ সপ্তাহ
* ব্লগটি মোট ৪১৯ বার দেখা হয়েছে

সর্বশেষ পোস্ট: ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ সকাল ৭:০৪
সিদ্ধান্ত: গায়েব!

১৪. http://www.somewhereinblog.net/blog/mahbubblog (এস এম মাহবুব মুর্শেদ)

* পোস্ট করেছেন: ৩১২টি
* মন্তব্য করেছেন: ১০৯১টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ৫৬৭৫টি
* ব্লগ লিখেছেন: ৩ বছর ৪ মাস
* ব্লগটি মোট ৯৯৯২৬ বার দেখা হয়েছে

সিদ্ধান্ত: অনেক পুরনো ব্লগার
অনুসিদ্ধান্ত: সম্ভবতঃ ডেভোলপার

১৫. http://www.somewhereinblog.net/blog/emran

* পোস্ট করেছেন: ২৪টি
* মন্তব্য করেছেন: ২০১টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ১৯৪টি
* ব্লগ লিখেছেন: ৩ বছর ৫ মাস
* ব্লগটি মোট ১১১৮৯ বার দেখা হয়েছে

সর্বশেষ পোস্ট: ২৫ শে এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১১:৪২
সিদ্ধান্ত: অনেক পুরনো ব্লগার + ডেভোলপার

১৬. http://www.somewhereinblog.net/blog/naatok

আপনি যে ব্লগটি খুঁজছেন, এই ব্লগটি পাওয়া যায়নি...

http://www.somewhereinblog.net/blog/naatokblog (নাটুকে ব্লুগার)

* পোস্ট করেছেন: ৪টি
* মন্তব্য করেছেন: ২৪টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ৪৪টি
* ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ১১ মাস
* ব্লগটি মোট ১০৯৪ বার দেখা হয়েছে

সর্বশেষ পোস্ট: ০৮ ই জুন, ২০০৭ ভোর ৫:০৭
সিদ্ধান্ত: গায়েব!!

১৭. http://www.somewhereinblog.net/blog/TRIVUzblog (ত্রিভুজ)

সিদ্ধান্ত: নো কমেন্টস! /<img src=" style="border:0;" />

১৮. http://www.somewhereinblog.net/blog/mizan

আপনি যে ব্লগটি খুঁজছেন, এই ব্লগটি পাওয়া যায়নি...

http://www.somewhereinblog.net/blog/mizanblog

আপনি যে ব্লগটি খুঁজছেন, এই ব্লগটি পাওয়া যায়নি...

সিদ্ধান্ত: উনার সাথে আগে একটা পোস্টে পরিচয় হইসে! উনি ডেভোলপার <img src=" style="border:0;" />

১৯. http://www.somewhereinblog.net/blog/zahid (জািদ)

* পোস্ট করেছেন: ০টি
* মন্তব্য করেছেন: ০টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ০টি
* ব্লগ লিখেছেন: সঠিক তথ্য নেই
* ব্লগটি মোট ৩ বার দেখা হয়েছে

সিদ্ধান্ত: উনি গায়েব!!

২০. http://www.somewhereinblog.net/blog/test (তারিক)

* পোস্ট করেছেন: ০টি
* মন্তব্য করেছেন: ০টি
* মন্তব্য পেয়েছেন: ০টি
* ব্লগ লিখেছেন: ৩ বছর ৫ মাস
* ব্লগটি মোট ৩৫ বার দেখা হয়েছে

সিদ্ধান্ত: উনি গায়েব!!
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: বাংলা

Facebook = মুখ-বই
Smiley = হাস্যময়
Microsoft = ক্ষুদ্র-নরম
Internet Download Manager = অন্তর্জাল অধঃভরন ব্যবস্থাপক
Download Accelerator Pro = অধঃভরন ত্বরিতকারক পেশাদার
Yahoo! Messeneger = পাইসি! বার্তাবাহক
Hotmail = তপ্ত-বার্তা
Sign In = ভিতরে সাক্ষর
Sign Up = উপরে সাক্ষর
Internet Explorer = অন্তর্জাল পরিভ্রমক
Firefox = অগ্নি-শেয়াল
Windows Media Player = জানালা মাধ্যম খেলোয়াড়
System Restore = পদ্ধতি পুনরুদ্ধার
Real Player = প্রকৃত খেলোয়াড়
Microsoft Word = ক্ষুদ্র-নরম শব্দ
Microsoft Powerpoint = ক্ষুদ্র-নরম শক্তিবিন্দু
Adobe Photoshop = এ্যাডোবি চিত্রবিতান
Adobe Illustrator = এ্যাডোবি চিত্রকর
Adobe Dreamweaver = এ্যাডোবি স্বপবুনিয়ে
Adobe Fireworks = এ্যাডোবি আতশবাজি
Adobe Flash Player = এ্যাডোবি ঝলক খেলোয়াড়
QuickTime Player= দ্রুতসময় খেলোয়াড়
LCD (Liquid Crystal Display) = তরল স্ফটিক প্রদর্শক
Defragment = বিভগ্নাংশকরন
Trojan Horse = টাট্টু ঘোড়া
Add-on = যোগসক্রিয়
Registry = নিবন্ধি
Minimize = ক্ষুদ্রাতিকরণ
Maximize = বৃহতিকরণ
Bookmark = বই চিহ্ন
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: ব্লগ সংবিধান

প্রস্তাবনা

মোডারেশনের শাসন কায়েম, ব্লগারদের মাঝে সবসময় একটা কেওয়াজ বাধিয়ে রেখে ব্লগের হিট বাড়ানো, অন্যান্য ব্লগের সাথে বিরোধপূর্ণ সম্পর্ক - এই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হইবে।

প্রথম ভাগ - ব্লগ

১. (ক) ব্লগ একটি একক কিন্তু সংঘবদ্ধ পেষণ ও লেখন যন্ত্র যাহা ক্ষণিকে ক্ষণিকে ব্লগ, বল্গ, বলগ প্রভৃতি নামে পরিচিত হইবে।

(খ) এই সংবিধানের সকল স্থলে "ব্লগ" শব্দটি সামহোয়্যার ইন ব্লগ বলিয়া গণ্য হইবে।

২. ব্লগের নিজস্ব কোন ধর্ম থাকিবে না তথাপি নাস্তিকেরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে ব্লগে জীবন যাপন করিতে পারেন উহার প্রতি বিশেষ নজর দেয়া হইবে।

৩. (ক) ব্লগের প্রধান ও একমাত্র ভাষা হইবে বাংলা। তবে আলোচনার স্বার্থে অন্যান্য ভাষাও লেখনীতে অর্ন্তভূক্ত করা যাইবে। ইংরেজী ভাষার প্রতি ব্লগারদের বিশেষ এ্যালার্জি থাকিবে।

(খ) আলিফ দেওয়ান তথা কাগুর ভাষা ব্লগে বাংলার সমমর্যাদা পাইবে।

৪. ব্লগ প্রতীক - প্রতিটি ব্লগের একটি নিজস্ব লোগো থাকিবে যাহা উক্ত ব্লগের প্রথম পাতায় অবশ্যই শোভা পাইবে।

৫. সদস্যতা -

(ক) ব্লগের সাধারণ বাসিন্দাগণ ব্লগার বলিয়া পরিচিত হইবেন।

(খ) কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশেষ আনুগত্যধারী ও কর্তৃপক্ষের কাছ হইতে অধিক সুবিধাপ্রাপ্ত কতিপয় ব্লগারগণ "রেসিডেন্ট ভাঁড়" অথবা শুধু "রেসিডেন্ট" বলিয়া পরিচিত হইবেন।

(গ) মোডারেশন প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত ব্লগার বা ব্যাক্তিগণ ব্লগে "মডু" বলিয়া পরিচিত হইবেন।

(ঘ) জামাতি ঘরানার ব্লগাররা ব্লগে "ছাগু" বলিয়া পরিচিতি লাভ করিবেন।

(ঙ) বিপরীত লিঙ্গীয় ব্লগারদের প্রতি দুর্বলতা প্রদর্শনকারী ব্লগারগণ ব্লগে "লুল" বলিয়া অভিহিত হইবেন।

(চ) আবালীয় চরিত্রের অধিকারী এবং তদ্রুপ পোস্টদাতা ব্লগারগণ ব্লগে আবাল হিসেবে পরিচিত হইবেন। আবালামীর প্রকারভেদের পরে "আবাল" শব্দটি যুক্ত করিয়া উহাদের নামকরণ করা হইবে।

দ্বিতীয় ভাগ - ব্লগ পরিচালনার মূলনীতি

৬. (১) মোডারেশনের ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, পক্ষপাতদুষ্টতা, সবার ওপরে কর্তৃপক্ষ, রেসিডেন্ট বাঁচলে ব্লগারদের নাম - এই নীতিসমূহ এবং তৎসহ এই নীতিসমূহ হইতে উদ্ভূত এই ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি ব্লগ পরিচালনার মূলনীতি বলিয়া পরিগণিত হইবে৷

(২) এই ভাগে বর্ণিত নীতিসমূহ ব্লগ পরিচালনার মূলসূত্র হইবে, নীতিমালা-প্রণয়নকালে কর্তৃপক্ষ তাহা প্রয়োগ করিবেন। এই সংবিধান ও ব্লগের অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যাদানের ক্ষেত্রে তাহা নির্দেশক হইবে কিন্তু মোডারেটরগণ উহা ব্লগারদের নিকট গোপণ রাখিয়া অন্য কোন জাগতিক কারন তুলিয়া ব্যাখ্যা করিবেন।

৭. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার - ব্লগে গনতন্ত্র, মানবাধিকার, সম অধিকার, নারী অধিকার প্রভৃতি বিষয়াদি লইয়া ব্লগারগণ মুখে ফেনা তুলিবেন, কিন্তু কাজের কাজ কিছু করিবেন না।

৮. মালিকানার নীতি - ব্লগের মালিক হইবেন সুদূর নরওয়ের নাগরিক আরিল্ড ক্লকারহগ ও সৈয়দা গুলশান আরা ফেরদৌস জানা। ব্লগের প্রতিটি উপাদানে উক্ত ব্যাক্তিদ্বয়ের পূর্ণ মালিকানা স্বত্ত্ব আছে বলিয়া গণ্য হইবে। কোন নির্দিষ্ট ব্লগার বা ব্লগার সংঘ, ব্লগের কোন নিক, পোস্ট, কমেন্ট বা অনুরূপ উপাদানসমূহকে এককভাবে নিজের বলিয়া দাবী করিতে পারিবেন না।

ধর্মনিরপেক্ষতা

(চলবে)
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: মানুষ

গঠনগতভাবে যতোটা না জটিল তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল বোধোহয় মানুষের চিন্তাভাবনা। আমি নিশ্চিত, এই মূহুর্তে যদি আমি ব্লগে পোস্ট দেই - "মানুষ কোথা থেকে এলো?" - তা জানতে চেয়ে, কমপক্ষে ১০/১২ রকমের উত্তর আসবে কমেন্টে যাতে আদম-হাওয়া, ডারউইন, এ্যামাইনো এসিড আর এককোষী জীব থেকে শুরু করে মহাজাগতিক কোন উল্কা বা নিতান্তই কোন ধূমকেতু, বাদ যাবে না কিছুই। অদ্ভূত আমাদের চিন্তাশক্তি, অদ্ভূত আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা।
----------------------------------------------------------------------------------
পোস্ট শিরোনাম: ১ ঝুড়ি সমস্যার ফুলঝুড়ি

রাজনীতিবিদদের এথিকস জ্ঞানের অভাব: এটা প্রধান একটা সমস্যা। এটার সমাধান করে

রাজনীতিবিদদের শিশুসুলভ আচরণ: আমাদের সন্তানেরা বড় হয়ে বুড়ো হয়ে যাবে তবু আমাদের রাজনীতিবিদরা সেই বাচ্চাটিই থেকে যাবেন। তারা সংসদে কাঁদা ছোঁড়াছুঁড়ি করবেন, লাশ নিয়ে কথা তুলবেন, একে অপরকে গালিগালাজ করবেন, ওয়াকআউটের মেলা বসাবেন, ৩০-৪০ বছর আগের কথার রেশ ধরে গোস্যা করে থাকবেন, আসন নিয়ে ছ্যাঁচড়ামি করবেন।

সংবিধান সংশোধন ও আইন প্রনয়ণ: বাংলাদেশে ব্যাক্তিগত স্বার্থ রক্ষা ব্যতীত কোন আইন পাশ হয় না। সংবিধান সংশোধনের কথা না হয় নাই বা বললাম। সাংসদদের গাড়ি আমদানী বিষয়ক কোন আইন বা বিধি পাশ করতে একটুকুও সময় লাগে না অথচ

রাস্ট্রপতি নামক রোবট: রাষ্ট্রপতির পদটি বাংলাদেশের সবচেয়ে অকার্যকর একটি পদ। সাংবিধানিক এই পদটি আজ পরিণত হয়েছে দলীয় একটি পদে। বেছে বেছে এই পদে খুব দুর্বল চিত্তের কোন ব্যাক্তি যার নিজেদের কোন সিদ্ধান্ত নেয়ার কোন ক্ষমতা নেই তেমন লোকদেরকে ধরে ধরে বসানো হয় আর ইয়েস ম্যানের কাজটা সারা হয়। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির পদটি খুব প্রভাবশালী না হলেও এর সীমিত ক্ষমতাটাও ছেঁটে ফেলা হয়েছে এ দেশে। সাধে কি আর আর্মি আসে বার বার ক্ষমতায়?

ছাত্র রাজনীতি: বাংলাদেশ বাদে পৃথিবীর আর কোন দেশে ছাত্ররাজনীতি আছে কি? থাকলেও সেটা কি বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতি যে পর্যায়ের সেই একই পর্যায়ের। সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ আছে আমার। এদেশের ছাত্ররাজনীতি মানে বুড়োভামদের রাজনীতি। কোন এক এককালে ভাসির্টিতে পড়তো এমন চল্লিশোর্ধ যুবকদের পদচারণা আর সন্ত্রাসী কার্যকলাপে মুখর আমাদের তথাকথিত ছাত্র রাজনীতি। তবে অতীতে এবং এখনও বারবার ছাত্ররাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠা সত্ত্বেও এর টিকে থাকার মূলে একমাত্র কারন হলো রাজনৈতিক নেতাদের স্থানীয় প্রভাব বিস্তারের আপ্রাণ প্রচেষ্টা ও নির্বাচন মডেলিং।

দুই নেত্রী: আমাদের রাজ
----------------------------------------------------------------------------------

পরবর্তী পোস্টে সমাপ্য... দীর্ঘ পোস্টের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29435757 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29435757 2011-08-21 00:27:19
এইবার মেজাজ সত্যিই খারাপ... মিসেস নাফিস ইফতেখার নিকটির বিরুদ্ধে কিছু একটা ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করছি।]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29432122 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29432122 2011-08-14 22:58:32 তোমাকে আমি আর ছাড়বো না - পূর্ণাঙ্গ (আমাকে আমার মতো থাকতে দাও - Modified রূপ)

তোমাকে আমি আর ছাড়বো না,
আমি মনের প্রশ্নগুলোকে ছুঁড়ে ফেলেছি,
যেটা আমি না-তুমি না, সেটা না অজানাই থাক -
সব জেনে কষ্ট-শ্রাবণ...

আমার ভাবনার ছিদ্র গলে
আসে শঙ্কার রোদ, পুড়ে হৃদয় জ্বলে
যদি চলে যেতে চাও, মুখ ফিরিয়ে নাও -
হাত জোড়া তবু ছাড়বো না না না...
না না না... না না না...

এই মনের দুয়ারে তোলপাড়
তবু চাইছি তোমায় বারবার,
আমি শেষ বিকেলের আলোয় -
খুঁজেছি অতীতের ভালোয়
ভালোবাসার স্মৃতি যতো,
আমাদের মনের মতো...

কখনো ঘুম ভেঙে মাঝরাতে
যদি সাথী হও কালো আঁধারের সাথে,
ঘুম ভাঙা চোখে শুধু হাতটা বাড়াও -
বিছানার পাশে আমি ঐ...

তোমার জন্য আলো জ্বালবে তারা,
তাতে বুনবো কতো ভালোবাসা মোরা।
আমি তোমার মায়ায় কোথায় হারিয়ে গেছি -
নিয়নের আলো দেখবো না না না...
না না না... না না না...

এই মনের দুয়ারে তোলপাড়
তবু চাইছি তোমায় বারবার,
আমি শেষ বিকেলের আলোয় -
খুঁজেছি অতীতের ভালোয়
ভালোবাসার স্মৃতি যতো,
আমাদের মনের মতো...

তোমার স্বপ্ন জুড়ে আসে রাত্রিভর
অতীতের দুঃসহ যতো কষ্ট প্রহর,
ভালোবেসে ভোলাবো দুঃস্মৃতি যতো -
স্বপ্নচোর আমি নই...

তোমার অপেক্ষায় প্রহর গুনে
মাড়িয়েছি ঘাসফুল অচেনা বনে।
আমি আজো ঐ হাত দু’টো বাড়িয়ে আছি -
জানি না-ধরে পারবে না না না...
না না না... না না না...

এই মনের দুয়ারে তোলপাড়
তবু চাইছি তোমায় বারবার,
আমি শেষ বিকেলের আলোয় -
খুঁজেছি অতীতের ভালোয়
ভালোবাসার স্মৃতি যতো,
আমাদের মনের মতো... ♥

(মূল গানকে মোডিফাই করার এই আস্পর্ধা কারো খারাপ লাগলে ক্ষমাপ্রার্থী)

মূল গান: "আমাকে আমার মতো থাকতে দাও..."
অ্যালবাম: অটোগ্রাফ (২০১০ এর একটি ভারতীয় বাংলা ছবি)
ডাউনলোড লিংক: http://www.mediafire.com/?073zouhwlu40n4n ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29426249 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29426249 2011-08-05 22:49:21
তোমাকে আমি আর ছাড়বো না (আমাকে আমার মতো থাকতে দাও... - Modified রূপ) আমি মনের প্রশ্নগুলোকে ছুঁড়ে ফেলেছি,
যেটা আমি না-তুমি না, সেটা না অজানাই থাক
সব জেনে কষ্ট-শ্রাবণ...

কখনো ঘুম ভেঙে মাঝরাতে,
যদি সাথী হও কালো আঁধারের সাথে...
ঘুম ভাঙা চোখে শুধু হাতটা বাড়াও,
বিছানার পাশে আমি ঐ...
তোমার জন্য আলো জ্বালবে তারা,
তাতে বুনবো কতো ভালোবাসা মোরা...
আমি তোমার মায়ায় কোথায় হারিয়ে গেছি,
নিয়নের আলো দেখবো না না না...
না না না... না না না...

এই মনের দুয়ারে তোলপাড়
তবু চাইছি তোমায় বারবার,
আমি শেষ বিকেলের আলোয় -
খুঁজেছি অতীতের ভালোয়
ভালোবাসার স্মৃতি যতো,
আমাদের মনের মতো...

(মূল গানকে মোডিফাই করার এই আস্পর্ধা কারো খারাপ লাগলে ক্ষমাপ্রার্থী)

মূল গান: "আমাকে আমার মতো থাকতে দাও..."
অ্যালবাম: অটোগ্রাফ (২০১০ এর একটি ভারতীয় বাংলা ছবি)
ডাউনলোড লিংক: http://www.mediafire.com/?073zouhwlu40n4n ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29425377 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29425377 2011-08-04 13:57:15
রিলেশনের ঝগড়া (Extended)
"রিলেশনের ঝগড়া" পোস্টটার খসড়া লিখেছিলাম ভার্সিটির একটা খাতায়। যখন সেটাকে ব্লগে আনতে গেলাম, তখন ক্লাসে বসে আসা ভাবনাগুলোর কিছু বাসায় এসে হারিয়ে যায়। হয়তো এতোই সংক্ষেপে লিখেছিলাম পরে আর মনেই করতে পারিনি আসলে কি লিখেছিলাম। তারই কয়েকটা পয়েন্ট পরে আপনিই মনে পড়ে যায়, আর তাই এই সম্পূরক পোস্ট।

দূরত্ব: দূরত্ব রিলেশনের শান্তির বড় শত্রু এবং ঝগড়ার প্রভাবক।

● Long Distance রিলেশনশিপে দূরত্বটাই অধিকাংশ ঝগড়াকে টেনে এতোদূর নিয়ে যায়, হয়তো কাছাকাছি থাকলে একবার দেখা হলেই এটা আর কোন ব্যাপারই ছিলো না।

● দূরত্ব মনে সন্দেহ সৃষ্টি করে। উদাহরণস্বরূপ: যে ছেলেটি ঢাকায় থেকে রাজশাহীর মেয়েটির সাথে রিলেশন চালিয়ে যাচ্ছে সে স্বভাবতই জানে না মেয়েটি কোথায় যাচ্ছে/কি করছে/কার সাথে দেখা করছে। সারাদিন হয়তো মাথার মধ্যে এ কথাগুলাই কাজ করে। আর তার ওপর ফোন এনগেজ পাওয়া আর ফেইসবুকে রোমান্টিক স্ট্যাটাস দেখে সন্দেহপ্রবণতা তো আছেই। সব মিলিয়ে একটা খুবই বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা হয়। আর সবচেয়ে খারাপ ব্যাপার হলো, এক্ষেত্রে চাইলেও রিলেশনের ঝগড়ার মহৌষধ: 'সামনা-সামনি দেখার' সুযোগটাও নেই।

● সামনা-সামনি দেখা হওয়াটা ঝগড়ার সবচেয়ে বড় ওষুধ। হয়তো পুরো ঝগড়াটাই হয়েছে ফোনে/ফেইসবুকে এবং দু'জনেই অথবা একজন তার যুক্তিবলে শক্ত অবস্থানে আছেন। কিন্তু শুধু একবার সামনে দেখা হলে দু'জনের কেউই হয়তো আর যুক্তির ধারও ধারবেন না। সামনা সামিনি দেখার পর ঝগড়া না মিটিয়ে যাওয়াটাই বরং বেশি শক্ত।

● রিলেশনের একটা পর্যায়ে গিয়ে (যাদের প্রথম রিলেশন) দু'জনেই 'দেখা করার' সাথে ঝগড়া মেটানোর সম্পর্কটি অনুধাবন করে, একে ওষুধ হিসেবে কাজে লাগানোর বুদ্ধিটা শিখে ফেলেন।

কমন ডায়লগ:

● "তোমার সাথে কথা আছে..."

● "কার সাথে দেখা করেছো? কাকে দেখে স্ট্যাটাস দিসো?"

● "তুমি কি আমাকে অবিশ্বাস করছো?"

● "দেখা করবো... কখন পারবা?"

● "আমার আর কিছু ভালো লাগছে না... প্রতিবার কি ঝগড়া মিটাতে আমাদের এভাবে দেখা করতে হবে? আমরা কি ঝগড়া না করে থাকতে পারি না? এই জন্য রিলেশন করেছিলাম?"

● "মনের ভেতর এতো কিছু ভেবে চিন্তে রাখি... তোমায় বলবো বলে। কিন্তু বিশ্বাস করো, তোমার কাছে আসলে সব ভুলে যাই। আর কিছু বলতে ইচ্ছে করে না... রাগটা ধরে রাখতে পারি না।"

● "প্রতিবার সেই একই গল্প। ঝগড়া হবে। দু'জনে কেঁদে-কেটে একাকার হবো। কিন্তু দেখা করার পরে আবার সব ঠিক... আমার আর ভালো লাগে না..."

বয়স: কাপলের বয়স ঝগড়ার আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান:

● সমবয়সী/কাছাকাছি বয়সের কাপলের ঝগড়াগুলো অপেক্ষাকৃত কম ভায়োলেন্ট হয়। সেখানে তর্কের চাইতে যুক্তির খেলাই বেশি চলে। কথার মার-প্যাঁচও তাকে অনেক বেশি। Direct কথা খুব কম হয়, আর হলেও একদম ঝগড়ার শেষের দিকে গিয়ে হয়। এধরণের ঝগড়া চলেও বেশ ধীর গতিতে। কোন কোন ক্ষেত্রে মাস অব্দি গড়াতে পারে।

● কাপলের বয়সে মোটামুটি পার্থক্য থাকলে ঝগড়াগুলো তুলনামূলকভাবে এক্সট্রিম পর্যায়ের হবে। এ জগড়ায় প্রায় সব কথাই Direct হয়ে থাকে। নিজের অবস্থানটা জানিয়ে দেয়ার ইচ্ছেটা দু'জনের মধ্যেই প্রবলভাবে কাজ করে। এ ধরণের ঝগড়া বেশ তাড়াতাড়ি এগোয় এবং মিটেও যায় (বা বিপরীতটা) খুব তাড়াতাড়ি। ঝগড়ার একদম শেষে গিয়ে একজন আরেকজনকে ছেড়ে থাকতে পারবে না, এর বাদে আর খুব কম বৈধ Logic-ই এ ধরণের ঝগড়ায় খুঁজে পাওয়া যাবে।

● কথায় কথায় রিলেশন ভেঙে দেয়ার বিষয়টিও বেশি দেখা যায়। এমনটা সমবয়সীদের ক্ষেত্রে দেখা যায় না, কারণ দু'জনেই জানে দু'জনের দৌড় কতোটুকু।

*উল্লেখ্য, এখানে সিরিয়াস রিলেশনশিপ নয় এমন রিলেশনে কাপলের 'কথায় কথায় ছেড়ে চলে যাওয়ার' বিষয়টি নিয়ে বলা হচ্ছে না। সেটা খুবই স্বাভাবিক।*

কমন ডায়লগ:

● "তাইলে যাও? তোমার তো সেটাই ইচ্ছা তাই না? রিলেশন রাখার দরকার কি?"

● "মনে রেখো, ছেড়ে চলে যাওয়ার কথা তুমি বলছিলা... আমি বলি নাই..."

এইবার একটা ডায়লগ চক্র:

ওকে, বাই... ভালো থেকো... তুমি অনেক ভালো কাউকে deserve করো। আমার মতো ফালতু ছেলে/মেয়েকে তোমার লাগবে না। শুধু মনে রেখো... কেউ একজন ভালোবেসেছিলো। (ফোন কাট)

(আবার রিং)

"চলে যাবা? না? ওকে যাও। সবতো এমনিতেই গেছে... তুমি আর থেকে কি করবা? আসলে আমার কপালেই ছিলো না।" (ফোন কাট)

(আবার রিং)

যাবো না... আমি পারবো না...

(নীরবতা)

"নাহ, আর থেকে কি হবে? সবতো বলেই দিসো..."

(নীরবতা)

"I'm Sorry... আমি তোমাকে ছেড়ে থাকতে পারবো না (এখানে নাম হবে)।"

পারবা... মুখে যখন আনতে পারসো তখন থাকতেও পারবা। আর তোমাকে ছাড়া আমার কিছু হবে না। চিন্তা করো না, আমি উল্টা-পাল্টা কিছু করবো না। একটু মন খারাপ হবে... হয়তো একটু কাঁদবো... হয়তো অনেক। হয়তো আর কোনদিন কাউকে বিশ্বাস করতে পারবো না... But it's OK... আমি ভাববো আমার কপালে ছিলো...

Please...

(নীরবতা)

Please... আমি আর পারছি না।

(নীরবতা)

ওকে ঠিক আছে... ফিরবা নাতো। ওকে! মনে রাইখো আর কোনদিন আমার ভয়েস শুনতে পারবা না। চাইলেও পারবা না। বাই! (ফোন কাট)

(চক্র শেষ!)

ক্যারিয়ার ও বিয়ে: ক্যারিয়ারের ঝগড়াটা রিলেশনের প্রো-লেভেলের ঝগড়া। ইনফ্যাক্ট এই ঝগড়ায় একটা ব্যাপার নিশ্চিত হয়েই যায় - বিয়েটা এখন শুধু সময়, সুযোগ আর ভাগ্যের ব্যাপার মাত্র। কিন্তু ছেলের চাকরি, ক্যারিয়ার গোছানো ও শেষমেষ বিয়ের এ ঝগড়াটা রিলেশনের আর যে কোন ঝগড়ার চেয়ে বৈশিষ্ট্যে আলাদা -

● মেয়ে ছেলেকে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়। এ সময়রে মধ্যে তাকে চাকরী খুঁজে বের করে ক্যারিয়ার গোছাতে হয়।

● আবার সময় বেঁধে দেয়া গতে পারে বিয়ের ক্ষেত্রেও। বাসায় সম্বন্ধের কথা তোলা বা বিয়ের প্রস্তাব পাঠানোর (বা পালিয়ে বিয়ে) জন্য বেঁধে দেয়া হয় সময়। অনেকদিন ধরে রিলেশনের পর একটা ছেলে এ পর্যায়ে এসে টের পায় বিয়েটা আসলে সহজ নয়।

● রিলেশনের প্রথমে "পরে দেখা যাবে বলে" যে ব্যাপারগুলোকে সে ঠেলে এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে তা এবার মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

কমন ডায়লগ:

● "আমি আর অপেক্ষা করতে পারবো না, ৪ মাস সময় আছে তোমার কাছে। এর মধ্যে কিছু করো, না হলে আমাকে ধরে বিয়ে দিয়ে দিবে। তখন কি করবা?"

● "বাসায় একটার পর একটা সম্বন্ধ আসছে। আর কতদিন ঠেকিয়ে রাখবো আমি?"

● "বাসায় বলো... বাকিটা আমি দেখবো। তুমি শক্ত থেকো।"

● "যখন হাত ধরেছিলা তখনতো সাহস কম ছিলো না, এখন হঠাৎ বিয়ের কথা ওঠাতে পিছপা কেন?"

● "আমার সমস্যাটাতো বোঝো..."

একই বিষয়ে লেখকের অন্যান্য জ্ঞানগর্ভ গবেষণাসমূহ:

১. প্রেম - কত প্রকার ও কি কি - সবিস্তারে বর্ননা (১৮+ পোস্ট) ♥♂♀
২. রিলেশনের শুরু
৩. রিলেশনের ঝগড়া
৪. ছেলেদের ব্রেক আপ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29414369 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29414369 2011-07-17 00:42:53
০, ১, ২, ৩, ৪...
ছাদে যেতে এখন আর ভয় লাগে না। আজও গিয়েছি। ফাঁকা ছাদটাকে এখন আর মৃত স্বপ্নের প্রেতাত্মাদের আড্ডাঘর মনে হয় না। একটা সুন্দর ঠান্ডা স্থির বাতাস বইছে... ছাদের এপাশ থেকে ওপাশ। চোখ বন্ধ করে, দমভরে নিঃশ্বাস নেই। ‘জল ভেজা কেতকী’র দূর সুবাসে ভরা সে বাতাস...

ভোর রাতে এখনও বারান্দায় যাই। গ্রিলের বাইরে হাতটা এখনও বাড়াই। কিন্তু উন্মুখ সে হাতে আজ আরেকটা হাতের ছোঁয়া মেলে। ঠান্ডা, কিন্তু জ্বর আসি আসি করছে এমন একটা হাত। ক’ ফোঁটা বৃষ্টি এসে পড়ে সেই হাতে। ভেজা বাতাসে বৃষ্টি ফোঁটারা কেঁপে ওঠে... আমরাও। দু’জনের হাত ছুঁয়ে সে বাতাস রাত-ভোর আলোয় মিলিয়ে যায়। চমকে যাই কিন্তু চোখ খুলিনা। খুলবো... সকালটা হোক....

“সকাল এসেছে, আয়না হেসেছে... জানলা খোলা মেঘ তারে ভালোবেসেছে... না কিছু ভাবি না, রোদ এলো কিনা... বৃষ্টি ভেজা গান, খুব অচেনা... ”

পূর্বে
১৯ আগস্ট ২০১০: ৪... ৩... ২... ১...
৪ সেপ্টেম্বর, ২০১০: ০, -১, -২, -৩, -৪... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29410112 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29410112 2011-07-09 21:26:40
আবারো সাবধান! - ২ http://www.sonarbangladesh.com/blog/Nafis_Iftekhar/

প্রোফাইলে ছবি ব্যবহার করা হয়েছে আমার সামুর প্রোফাইলেরটাই। ব্লগের শিরোনামেও সামুর মতোই - “সকাল আসে না, আয়না হাসে না, জানলা খোলা মেঘ, সে ভালোবাসে না...” কথাটি লেখা। তবে নিকটি থেকে এখনও কোন পোস্ট দেয়া হয়নি। ব্লগার বন্ধুদের কাছে এটিকে আমার নিক হিসেবে গুলিয়ে না ফেলার জন্য অনুরোধ থাকলো। আর আমার নিজের ব্লগ/ফেইসবুক প্রোফাইলগুলোর ঠিকানা আমার প্রোফাইলে পরিচিতি বক্সে দেয়া আছে। এর বাইরে আমার আর কোন প্রোফাইল নেই।

তথ্যটি জানানোয় অনেক ধন্যবাদ ব্লগার ধূসরধ্রুবকে।

আগেও এমন হয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে এমন ঘটনা বার বার ঘটছে। আর তাই আমার নামে নতুন কোন প্রোফাইল কোন সাইটে দেখলে সেটি আমার না ভাবার অনুরোধ থাকছে...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29409438 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29409438 2011-07-08 15:09:44
রিলেশনের শুরু

অনেকতো হলো...
প্রেমের প্রকার, রিলেশনের ঝগড়া, এমনকি ব্রেকআপও। কেননা এবার একদম গোড়াতে যাওয়া যাক, প্রেমের একদম শুরুটায়। যে শুরুটাকে ব্লগবন্দি করার চেয়ে দুষ্কর ও অসম্ভব কাজ কিছু হতে পারে বলে মনে হয় না। তবুও লেখক সাহস করছেন... আগের লেখাগুলো যে লেখকের দুঃসাহসকে চূড়ান্ত মাত্রা দিয়ে গেছে... <img src=" style="border:0;" />

অনেক ভাবলাম লেখাটা কিভাবে সাজানো যায়। সময় অনুযায়ী সাজানো যেতো কিন্তু বোরিং লাগতো... প্রকারভেদ করে লাভ নেই... কোন ফরম্যাটেই আনা যাবে না। তাই ভাবলাম বিভিন্ন Aspect বা বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে লিখি।

১.মানসিক অবস্থা: আহ্! লেখার শুরুতেই শব্দের অভাব বোধ করছি। <img src=" style="border:0;" /> অভাব বোধ করারই কথা। কেননা রিলেশন নিয়ে ৩টা লেখার পরও, এই পর্যায়টা নিয়ে কথা বলতে গেলে সাহিত্যিক না হওয়ার কষ্টটা প্রবলভাবে অনুভব করি। <img src=" style="border:0;" />

ছোট ছোট ভালোলাগা... ক্ষুদ্রাতি-ক্ষুদ্র ব্যাপারগুলো.. হীম ঠান্ডা বিকেলে ঠান্ডা হাতের ছোঁয়া... বৃষ্টিতে রিকশায় পাশে বসে থাকা 'ও'-র চুল থেকে শেষ নির্যাসটুকু নেয়ার চেষ্টা... চুলের ফাঁক দিয়ে সূর্যের শেষ আলো দেখায়... ভালোবাসা...
বিরক্তিগুলোকে মনের খোরাকে পরিণত করে ভালোবাসার শুরুটা... মিলিয়ে আসা বডি-স্প্রের ঘ্রাণে পাগল ভালোবাসার শুরুটা... যেখানে ঘন্টার পর ঘন্টা নিজেদের দেখায় ক্লান্তি নেই... ছাতাহীন ঝুম বৃষ্টিতে ভেজায় আক্ষেপ নেই... পিচ্ছিল টাইলসে বারবার স্লাইড দিয়ে চলায় একঘেঁয়েমি নেই... "যা দেখি তাই লাগে ভালো..." আর মনে চাপা হাসি... যার কিঞ্চিৎ ঠোঁটেও খুঁজে পাওয়া যাবে... এতোটাই অদ্ভূত... এতোটাই স্বস্তির... এতোটাই অস্থির... এতোটাই আনন্দের ভালোবাসার প্রথমটা....

”আমার চোখে তো সকলই শোভন, সকলই নবীন, সকলই বিমল, সুনীল আকাশ, শ্যামল কানন, বিশদ জোছনা, কুসুম কোমল— সকলই আমার মতো । তারা কেবলই হাসে, কেবলই গায়, হাসিয়া খেলিয়া মরিতে চায়— না জানে বেদন, না জানে রোদন, না জানে সাধের যাতনা যত ।” - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সারাদিন এভাবে অর্থহীন বকবক করে যেতে পারি, কিন্তু তাও এই অনুভূতি কি-বোর্ডে আনার সামর্থ্য নেই। <img src=" style="border:0;" />

একেকজনের কাছে এ অনুভূতিগুলো একেক রকম। ব্যক্তিগতভাবে, আমার কাছে ভালোবাসার শুরুটা ভোর-রাতে প্রচন্ড জ্বর ছেড়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফেরার আগের ’না ঠান্ডা, না গরম’ অনুভূতির মতো... <img src=" style="border:0;" />

২. কিছু কথা: প্রায় সব রিলেশনের শুরুতেই কিছু গদবাঁধা কথাবার্তা খুবই স্বাভাবিক। এই কথাগুলো বলার বা জানার ইচ্ছে কাপলদের মধ্যে প্রবল।

● "আচ্ছা, তুমি কেন আমাকে প্রোপোজ করো নাই?"
● "আচ্ছা, তুমি আমার মধ্যে কি দেখেছিলা?
● "এতো মেয়ে থাকতে আমি কেন?"
● "আমি যখন তোমাকে প্রোপোজ করলাম, তখন তোমার কি মনে হয়েছিলো....?"
● "আমার সাথে সংসার করতে গেলে তোমার খবর হয়ে যাবে।"

মজার একটা ব্যাপার, যদিও আমরা ধরেই নেই যে, রিলেশন করা হয় (বা করাই হয়) আলটিমেটলি বিয়ের জন্য, খুব কম রিলেশনই 'একদিন দু'জনের বিয়ে হবে' - এই চিন্তা থেকে গড়ে ওঠে। রিলেশনের শুরুতে ভালোলাগা আর আবেগের ভূমিকাটাই মূখ্য... বাকি চিন্তাগুলো মাথায় আসে পরে। <img src=" style="border:0;" />

রিলেশনে পরে গিয়ে সমস্যা হতে পারে এমন বিষয়গুলো নিয়ে ভাবনাও শুরু হয়ে যায়। এ চিন্তাগুলো কোন কারণে ছেলেদের মধ্যে তেমন একটা কাজ করে না, যতোটা মেয়েদের মধ্যে করে। ছেলেদের মধ্যে - "যখন আসবে, তখন দেখা যাবে...." এমন একটা মনোভাব দেখা যায়। <img src=" style="border:0;" />

৩. আমাদের 'প্রথম': রিলেশনের শুরু থেকেই কোন কোন বিষয় নিজেদের রিলেশনের ক্ষেত্রে প্রথমবার ঘটলো, তার হিসেব রাখা শুরু হয়। মেয়েদেরকে এই হিসেবের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি সক্রিয় (এবং কার্যকর) ভূমিকায় দেখা যায়। <img src=" style="border:0;" />

প্রথম দেখা, প্রথম Date, প্রথম হাত ধরা, প্রথম গাল টেপা, প্রথম Kiss, প্রথম রিকশা জার্নি, প্রথম বৃষ্টি ভেজা, প্রথম "Love You..." বলা, একসাথে প্রথম ভ্যালেন্টাইনস ডে... এমনই নানা সব 'প্রথম' -এর হিসেব রেখে থাকেন কাপলরা... <img src=" style="border:0;" />


৪. ডেটিং: প্রথম দিককার ডেটিংগুলো আর যেকোন সময়ের চেয়ে আলাদা।

● প্রাথমিকভাবে দু'জনের প্রথম দেখা ও পরের বেশ ক'বারের দেখায় কিছু লজ্জা এবং "করবো কি করবো না...." বা "করা উচিৎ হবে কিনা..." ব্যাপার কাজ করে। যতো দিন যায়, যতো রিলেশনের Intimacy (মানসিক ও শারীরিক) বাড়ে ততোই এটা স্বাভাবিক হয়ে আসতে থাকে। এই বরফ গলাটায় একটা দারুণ Thrill আর মজা আছে। তবে খুব তাড়াতড়ি এই বরফটা না গলতে দেয়াই ভালো! <img src=" style="border:0;" />
● প্রথম দিককার ডেটিং প্লেসগুলো হয় খুব সতর্কভাবে পছন্দ করা। এই এলাকায় মেয়ের আত্মীয়স্বজন বেশি, তো ঐ এলাকায় ছেলের বাসা - এসব চিন্তাও উঠে আসে ডেটিং প্লেস নির্ধারণের ক্ষেত্রে। <img src=" style="border:0;" />
● প্রথম দিকে ডেটিং প্লেসগুলো খুব ঘনঘন পরিবর্তিত হতে থাকে। পরে গিয়ে হাতে গোণা নির্দিষ্ট কয়েকটি জায়গায় পরিণত হয়। জায়গাগুলো এমন যেখানে কাপল খুব রিলাক্স ও চিরচেনা একটা পরিবেশ পান।
● প্রথম দিকের ডেটগুলো দু'জনের দুরন্ত সব পাগলামিতে ভরা থাকে, পরস্পরকে চমকে দেবার প্রচেষ্টা থাকে। 'ও' Expect করছে না, এমন একটা কিছু ঘটিয়ে দেবার ইচ্ছে সবসময় মনের ভেতর কাজ করে। <img src=" style="border:0;" />

৫. বন্ধুকূল ও আপনজন: বন্ধুকূলে রিলেশনের একটা বিশাল প্রভাব পড়ে -

● যদি রিলেশন ফ্রেন্ড-সার্কেলের কারো সাথে হয়ে থাকে, তবে ভিন্ন কথা। কিন্তু এর বাইরের কেউ হলে এবং তাকে ফ্রেন্ডরা না চিনলে, কে সেই মেয়ে/ছেলে তা জানার প্রবল আগ্রহ ফ্রেন্ডদের মধ্যে গড়ে ওঠে।
● বন্ধুদের সাথে কথায় কথায় রিলেশনের প্রসঙ্গ তুলে আনা এবং 'ও'-কে নিয়ে কথা বলার দারুণ আগ্রহ দেখা যায়।
● আড্ডা থেকে উঠে এসে পৃথক হয়ে ফোন ধরাটা খুবই কমন।
"আমাদের রিলেশনটা না একদমই অন্যরকম... আমি তোকে বোঝাতে পারবো না..." অথবা "ও না একদমই অন্যরকম একটা ছেলে/মেয়ে...." - বন্ধুদের এমন কথা হরহামেশাই বলা হয়ে থাকে।

৬.ফোন-ফেইসবুকে প্রভাব: রিলেশন হওয়ার একদম ঠিক পর পর ফেইসবুকে আচার-আচরণে বিশেষ কিছু পরিবর্তন আসে -

● খুব ঘন ঘন রোমান্টিক স্ট্যাটাসের দেখা মেলে। নোট, স্ট্যাটাস বা ওয়ালপোস্ট আকারে রোমান্টিক গানের দেখা মেলে। জীবনেও রবীন্দ্রনাথের গান শোনে না এমন ছেলের ওয়ালেও কবিগুরুর দেখা মিলে যেতে পারে।
● রিলেশনের একদম ঠিক পরপরই অতি উৎসাহীরা Relationship Status পরিবর্তন করে ফেলেন। যাদের কাউকে বলতে/জানাতে সমস্যা নেই তারা কার সাথে রিলেশন সেটাও জানিয়ে দেন।
● মাঝে মাঝে স্ট্যাটাসে/ওয়াল পোস্টে এমন কিছু 'সাংকেতিক শব্দ' দেখা যাবে যা ঐ কাপল চ্যাটে বা সামনাসামনি ব্যবহার করেন এবং যার অর্থ কাপল বাদে আর কেউ জানে না। তাই কাপল বাদে বাকিরা বেকুবের মতো এই ভাবের আদান-প্রদান দেখে যান। এগুলোর Reply-ও ঐরকম সাংকেতিকই হয়ে থাকে। চোখ মারা ইমোর ব্যবহার বেশি হয়। <img src=" style="border:0;" /> একটা ছোট্ট শুধু হাসির ইমোর পেছনেও অনেক অর্থ লুকনো থাকে। <img src=" style="border:0;" />
● পরস্পরের কমেন্টে লাইকের বন্যা বয়ে যায়। রিপ্লাইয়ের পরিমাণ দেখলে মনে হবে ফেইসবুকে যে চ্যাটিং বলে কিছু আছে তা এদের মনে নাই। <img src=" style="border:0;" />
● রিলেশনের এ পর্যায়টায় স্ট্যাটাসের দৈর্ঘ্য কমে আসে। ইনফ্যাক্ট খুব রোমান্টিক দিন কাটিয়ে ফেইসবুকে দু'জনেই যে স্ট্যাটাসখানা দেন তার সাইজ খুব বেশি হলে ৮-১৫ শব্দের হয়। <img src=" style="border:0;" />
● দু'জনকেই বা অন্তত একজনের মধ্যে অপরের ফেইসবুক অ্যাকাউন্টের ওপর অধিকার জন্মেছে এমন আচরণ করতে দেখা যায়। কোন ফ্রেন্ড ফেইসবুকে কি বললো না বললো তা নিয়ে জবাবদিহিতাও করতে হয়।
● Newsfeed ভর্তি শুধু একে অপরের কমেন্টের রিপ্লাই আর লাইকের দেখা মেলে... <img src=" style="border:0;" />

ফোনের ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরিবর্তনগুলো বেশ মজার -

● FnF রেট কম এমন একটি সিম দু'জনেই ব্যবহার করবে। দরকার হলে নতুন সিম কার্ড কিনবে। কেউ কেউ নতুন হ্যান্ডসেটও।
● আগে SMS-এর প্রতি তেমন একটা আগ্রহ না থাকলেও ইদানিং হাত আর থামছেই না।
● রিলেশনের প্রথম দিকে রাতে কথা বলাটা একটা বড় বিষয়। দু’জনের একজনের এক্ষেত্রে আগ্রহটা একটু বেশিই হয়। রাতে ঠিকমতো কথা না হওয়াটা তার কাছে বিশাল Discredit বলে মনে হবে। কথা না বলা নিয়ে ঝগড়া পর্যন্ত হয়ে যায়। রিলেশনের এ পর্যায়ে রাত ১ টায় শুরু করে ভোর ৫/৬ টা পর্যন্ত কথা বলাও অস্বাভাবিক না।

৭. ঝগড়া, বিরহ, ফিরে আসা ও কিছু শিক্ষা: রিলেশনের শুরুর দিকে ঝগড়া খুব একটা আনকমন কিছু নয়। ঝগড়া প্রায়ই হতে পারে। In fact এখানে একটা মজা আছে।

* রিলেশনের শুরুর দিকের ঝগড়ার টপিকগুলো Silly হয় বা খুব সহজেই এড়ানো যেতো এমন হয়। রিলেশনের আয়ু যতো বাড়তে থাকে ঝগড়ার বিষয়গুলো ততো সিরিয়াস হতে থাকে। ঝগড়া কমার কারণ, প্রথম দিকে যতোবার ঝগড়া হয়েছে ততোবার একে অন্যের ব্যাপারে একটু একটু করে জেনেছে। বুঝতে পেরেছে কোন জিনিসটা 'ও'-র পছন্দ না, কোনটা বললে 'ও'-র অস্বস্তি লাগে, বা কোন টপিকটা তুললে ও বাইরে না বললেও ভেতরে ভেতরে ঠিকই রাগ করবে। প্রতিবার ঝগড়ার পরে ১০ গুণ বেশি সময় ধরে সেই ঝগড়া মেটানোয় ক্লান্ত আর বারে বারে ঝগড়ায় ক্ষত-বিক্ষত মনটা তাই সহজ হিসেব-নিকেশটা কষে adjustment-টা আপনিই করে নেয়। আর বিষয়াদি সিরিয়াস হতে থাকার কারণ, Silly বিষয়গুলোর ঝগড়াতো আগেই শেষ... এরপর যাই হবে সিরিয়াস ইস্যুতেই হবে।*

ব্যতিক্রম: যে কাপলরা অভ্যাসবশত ঝগড়া করে থাকেন তারকাচিহ্নিত অংশ তাদের জন্য নয়।

৮. পজেসিভনেস (Possessiveness): শব্দটা বাংলা করতে গেলে ভালো শোনাবে না - 'দখলদারি মনোভাব...'। ইংলিশটায় কিঞ্চিৎ রোমান্টিকতা আছে।

● 'পজেসিভনেস' শব্দটা শুনেই আঁতকে ওঠার কিছু নেই। ন্যূনতম পরিমাণ পজেসিভনেস ছাড়া রিলেশন টিকিয়ে রাখার কথা চিন্তা করাও ভুল। বিপত্তিটা হয় যখন পজেসিভনেসটা প্রয়োজনের থেকে অতিরিক্ত হয়ে যায়, সন্দেহের পর্যায়ে চলে যায় বা ব্যক্তি স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করে। রিলেশনের একদম শুরুতে এই লঙ্ঘণটা খুব বেশি হয়। কারণ মনের মধ্যে হারানোর একটা ভয় কাজ করে। রিলেশনে যতো সময় যায়, যতো স্থিতিশীলতা আসে, ততো এই ভয়টাও লোপ পায়। তাতে পজেসিভনেস হারায় না, কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত হারে আর থাকে না।
● প্রথম প্রথম 'একটু পর পর ফোন দিয়ে এনগেজ কিনা চেক করা...' বা "তোমার ওয়ালে এইটা কি লিখসে, কারা এইসব আউল-ফাউল, তোমাকে অ্যাড করসে..." - বলা কিংবা "হঠাৎ বিকেলবেলা টিএসসিতে কি করো...?" - কড়া জিজ্ঞাসার ভঙ্গিতে এমনটা জিজ্ঞেস করলেও, রিলেশনে পরে হয়তো এমন সময়ও যাবে যখন সারাদিনে একবারও কথা হয়নি।
● মজার ব্যাপার - পজেসিভনেস রিলেশন থাকা অবস্থায় ছেলেদের অনেক বেশি থাকে, আর বিয়ের পর মেয়েদের।

৯. অন্যান্য:

● এটা অনেক পুরনো কথা এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঠিক। রিলেশনের এই পর্যায়ের ভাবুক মন সাহিত্য প্রতিভার বিকাশ ঘটায়। ঠিক যেভাবে ব্রেকআপের পরের বিদগ্ধ মনও ঘটায়।
● রিলেশনের পরে এমন একটা সময় আসে যখন এই প্রাথমিক পর্যায়ের সাথে তারা ঐ সময়ের তুলনা করবেন... কিছু বিষয়ে আফসোস করবেন আর কিছু বিষয়ে কত ছেলেমানুষী করেছেন তা ভেবে হাসবেন।

(এটা অত্যন্ত নির্লজ্জ একটি প্রচেষ্টা জ্ঞান জাহির করার। ইনফ্যাক্ট এই পোস্টের অবজারভেশন বাস্তবতা থেকে পুরোপুরি ভিন্ন হতে পারে। লেখক দাবি করেন না এই পোস্টে বলা সব কথা বাস্তবে একদম ঠিক ঠিক মিলে যাবে, তবে কারো কারো এবং কোন কোন ক্ষেত্রে মিললেও মিলতে পারে।)

একই বিষয়ে লেখকের অন্যান্য জ্ঞানগর্ভ গবেষণাসমূহ:

১. প্রেম - কত প্রকার ও কি কি - সবিস্তারে বর্ননা (১৮+ পোস্ট) ♥♂♀
২. রিলেশনের ঝগড়া
৩. ছেলেদের ব্রেক আপ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29407272 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29407272 2011-07-04 22:53:33
রিলেশনের ঝগড়া

উৎস: রিলেশনের ৯০% ঝগড়ার উপাদান চার ধরণের, যা ৪ ‘ফ’ নামেও পরিচিতি:

১. ফ্রেন্ডস (মিউচুয়াল ফ্রেন্ডরা বেশি)
২. ফ্যামিলি (প্রধানতঃ কাজিনরা)
৩. ফোন
৪. ফেইসবুক

লক্ষ্য করলে দেখা যাবে অধিকাংশ ঝগড়ায় এগুলোর অন্ততঃ একটি বা একাধিকের অবদান থাকে। আবার চলমান ঝগড়ার 'নিয়ামক' বা 'প্রভাবক' হিসেবেও কাজ করে এগুলো।

মাধ্যম: ঝগড়ার মাধ্যমগুলো চিহ্নিত করতে গেলেও মোট ৩টি 'ফ' -পাওয়া যাবে:

১. ফোন
২. ফেইসবুক
৩. ফেইস-টু-ফেইস (সামনাসামনি)

ঝগড়ার শুরুটা: ঝগড়ার শুরুটা সাধারণতঃ কোন একটা কটুক্তি/খোঁচা মারা কথা বা অভিমান বা জেরাযুক্ত প্রশ্ন থেকে। আবার দীর্ঘ নীরবতা বা দীর্ঘশ্বাস থেকেও জন্ম নিতে পারে ঝগড়া। কাপলের মানসিকতা, রাগের পরিমাণ ও মূল বিষয়ের গুরুত্বভেদে ঝগড়াটা শুরু হতে পারে একবারে বা দফায় দফায়। কিছু লক্ষ্যনীয় বিষয়:

● কয়েক দফা ফোনালাপে ঝগড়ার শুরু হতে পারে। দু'জনেই নিজেদের পয়েন্টগুলো মুখের ওপর বলে দিতে চায়। দফায় দফায় লাইনও কাটা হয়।
● ঝগড়া শুরুর পরপরই অনেকে নিজের বা বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ডের ফ্রেন্ড (বিশেষতঃ মিউচুয়াল ফ্রেন্ডদের) বা কাজিন-টাজিনদের ঝগড়ার কথা জানায়। অনেকে আবার না জানালেও মন-টন খারাপ করে তাদের ফোন দেয়।
● অনেককে দেখা যায় নিজেদের কথা সরাসরি অপরজনকে না বলে ভায়া (বন্ধু/কাজিন প্রভৃতি) বলানোর। এতে করে সরাসরি তোপ থেকে মুক্তি মিললেও প্রায়ই কমিউনিকেশন গ্যাপের কারণে আরো বড় ঝগড়ার সৃষ্টি হয়।
● অনেক ঝগড়াই একদম এই প্রথম স্টেজেই মিলে যায়। এটার বেশ ক'টি কারণ আছে: 'পরস্পরের প্রতি টান' বা 'এই ঝগড়ার চাইতেও বড় কোন সমস্যা জীবনে আসা...' ইত্যাদি। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কারণটা ক্লান্তি, বিরক্তি, 'কি দরকার, ভালোই তো ছিলাম...' বা স্যাক্রিফাইজিং মনোভাব।

প্রকারভেদ:

১. "“তুমি এটা বললা কেন?" -ঝগড়া: রিলেশনের ঝগড়ার মোস্ট টিপিক্যাল ফর্ম এই ধরণের ঝগড়া। গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের বলা কোন কথা গায়ে বিপরীতজনের গায়ে লাগা থেকে এমন ঝগড়ার সূত্রপাত। তবে এ ধরণের ঝগড়া বেশিদিন টিকে না।
সূত্রপাত: ফেইস-টু-ফেইস, ফোন, ফেইসবুক

কমন ডায়লগ:
● "তাই বলে এভাবে বলবা?"
● "এটা দিয়ে কি mean করলা?"
● "ও... তোমাকে বললে তোমার মনে হয়... কিন্তু আমার কিছু মনে হতে পারবে না??"
● "আজব!!!"

২. "তুমি আর তোমার স্টুপিড ফ্রেন্ডরা..." - ঝগড়া: ফ্রেন্ডদের বলা কোন কথা বা কোন বেকুবী এ ধরণের ঝগড়ার জন্ম দেয়। তবে বাস্তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ঝগড়ার উৎস বয়ফ্রেন্ডের বন্ধুরা। বন্ধুদের বেশি সময় দেয়া নিয়েও হতে পারে ঝগড়া।

কমন ডায়লগ:
● "থাকো তুমি তোমার ফ্রেন্ডদের নিয়ে!"

৩. ফেইসবুকে ঝগড়া: ওরে বাপরে! ভয়ংকর ধরণের ঝগড়া এটা। মানুষ যে ফেইসবুককে ২য় জীবন বানিয়ে ফেলেছে তারই প্রভাব এটা। এ ধরণের ঝগড়া অনেক কারণে লাগতে পারে:

● অপরিচিত/বাস্তবে পরিচিত কিন্তু অপছন্দ ব্যক্তির ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট (এবং/অথবা Accept করা)
● ছবি বা স্ট্যাটাসে উল্টোপাল্টা কমেন্ট
● লাগাতার কমেন্ট ও লাইক আদান-প্রদান
● চ্যাটে দেরি করে জবাব দেয়া
● ফেইসবুকে এক্সের পুনরাবর্তন ("আমাদের মধ্যে কিছু নাই, জাস্ট ফ্রেন্ড" - দাবি করে)

কমন ডায়লগ:
● "আমি বলছি তাই ব্লক করবা.... আর কোন কারণ তো দরকার নাই?"
● "তোমার ফ্রেন্ডদের নিয়েতো আমার কোন সমস্যা নাই...!!"
● "ফেইসবুকে কে আমার ফ্রেন্ড হবে না হবে সেটা কি তুমি ঠিক করবা?"

কমন প্রতিক্রিয়া:
● ফেইসবুক প্রোফাইল ডিঅ্যাক্টিভেট/ডিলেট।
● বিবাদমান ফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ডকে ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে রিম্যুভ।
● "আগামী কয়েক মাস ফেইসবুকে আসা হবে না...." টাইপের স্ট্যাটাস দিয়ে ৯ দিনের মাথায় কামব্যাক! <img src=" style="border:0;" />

৪. "ওই মেয়ের সাথে তোমার এতো কি?" -ঝগড়া: বুঝতেই পারছেন এই ঝগড়ায় মূল ভূমিকা গার্লফ্রেন্ডের। বয়ফ্রেন্ডের অন্য কোন মেয়ের সাথ অন্তরঙ্গতা/হেসে হেসে কথা বলা/সঙ্গ দান থেকে এ ধরণের ঝগড়ার সূত্রপাত। অনেক সময় ছেলের উদ্দেশ্য সৎ থাকলেও ঝগড়া বেঁধেই যায়।

কমন ডায়লগ:
● "আমি বললে তো কখনো করো না..."
● "OK যাও! ঐ মেয়ের কাছে যাও... আমাকে তো আর তোমার দরকার নাই..." (কৃত্তিম অভিমানের সুরে)
● "আমাকে তো আর এখন তোমার ভালো লাগে না.... আমিতো পুরান হয়ে গেছি..." (ডায়লগটি অত্যন্ত ক্ষ্যত এবং বললেও সাধারণত কৃত্তিম অভিমানের সুরেই বলা হয়ে থাকে)

৫. ইগনোরেন্স/অবহেলা ঝগড়া: গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের প্রতি কোন অবহেলা বা Ignorance থেকে এ ঝগড়ার শুরুটা। স্বভাবগতভাবেই অ্যাটেনশন সিকিং হলেও মানুষ রিলেশনে এসে আরো বেশি মাত্রায় অ্যাটেনশন চায়। আর তার মধ্যে যদি কোন পক্ষের গাফিলতি হয়, তাহলে তো কোন কথাই নেই... মূহুর্তেই বেঁধে যায় তুমুল ঝগড়া। রিলেশনে ছেলেদের মধ্যে কেয়ারলেস ভাবটা বেশি দেখা যায়। আর তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এ ধরণের ঝগড়ার রাগটা জমতে দেখা যায় গার্লফ্রেন্ডের মনে।

কমন ডায়লগ:
● "একবারো খোঁজ নিসো...বলো?"
● "আধাঘন্টা ধরে আমি দাঁড়ানো..."
● "এমনিতেই দেখা হয় সপ্তাহে একবার.... তারপর ডেটে এসেও মোবাইলটা টেপাই লাগবে?"
● "৪টা পর্যন্ত জেগে ছিলাম... তারপর আর পারি নাই।"

৬. সন্দেহভাজন ঝগড়া: অন্য কারো সাথে বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড্রের রিলেশন চলছে - এমন সন্দেহের থেকে বা নিশ্চিত হয়েই এ ধরণের ঝগড়া শুরু হয়। এ ধরণের ঝগড়াই সবচেয়ে বেশি ব্রেকআপে রূপ নিতে দেখা যায়। মজার ব্যাপার মেয়েরা যেভাবে ছেলেদের সরাসরি জিজ্ঞেস করে ফেলে তাদের সন্দেহের ব্যাপার। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ছেলেরা সেটা করে না। উল্টো তাঁরা খোঁচায়। খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে তথ্য বের করে করে মূল পয়েন্টে নিয়ে আসে।

কমন ডায়লগ:
● "১ ঘন্টা ধরে ওয়েটিংয়ে, কার সাথে এতো কথা?"
● "মেয়েটা কে?"
● "আগেতো এমন ছিলা না..."
● "তুমি গেসো কি না বলো? হ্যাঁ... বা... না!"
● " আমি যা বোঝার বুঝে গেসি..."
● "আর কিছু কি বলা বাকি আছে?"

৭. 'সময় দিতে না পারার' -ঝগড়া: ব্যস্ততার কারণে রিলেশনে প্রয়োজনীয় সঙ্গ বা সময় না দিতে পারা থেকে এমন ঝগড়ার সূত্রপাত।

কমন ডায়লগ:
● "কাজ আমার থাকে না? ব্যস্ত কি শুধু তুমি একাই থাকো?"
● "তুমি আমাকে ব্যস্ততার কথা শুনাচ্ছো?"
● "ফোন না হোক - একটা মিসকল বা ম্যাসেজতো তো অ্যাটলিস্ট দিতে পারতা..."

৮. সিলি ঝগড়া: নিজেদের খুবই ক্ষুদ্রাতি-ক্ষুদ্র বিষয় ধরাধরি নিয়ে এমন ঝগড়া হয়। ঝগড়ার টপিক যে কোন বিষয় হতে পারে, তবে খুব সহজেই এড়ানো যেতো এমনটাই সিলি হবে। যেমন:

● অমুক নায়িকা/মডেলকে Hot লাগে।
● ফোন কাটলা কেন?
● এইটা কি স্ট্যাটাস দিসো?
● "অমুক ফ্রেন্ডকে ডাকলা কেন?"
.....ইত্যাদি.....

৯. সিরিয়াস ঝগড়া: সিরিয়াস ঝগড়ার রূপ নয়, বিষয়াদি সিরিয়াস। ঝগড়ার মূল আলোচনা এমন বিষয় নিয়ে হয় যেটা রিলেশনের একদম মূলস্তম্ভের সঙ্গে জড়িয়ে আছে (বিশ্বাস, ভালোবাসা, বিয়ে, তৃতীয় কেউ ইত্যাদি)। সিরিয়াস ঝগড়া না মিটলে রিলেশন ভেঙে যাওয়া প্রায় অবধারিত এবং এ ধরণের ঝগড়ায় ভাঙা রিলেশন ফের জোড়া লাগে কম যদি না মনোবল ও টানটা প্রবল হয়।

ঝগড়ার মাঝে: ঝগড়ার মাঝখানটা বৃষ্টি আসবে আসবে ভাব আকাশের মতো -

● এ সময়টায় অনেকেই ওয়েটিং গেইম খেলে। অন্যপক্ষ থেকে কিছু না বলা পর্যন্ত নিজেও কিছু বলে না।
● কেউ কেউ "তোমাকে ছাড়াও আমার দিব্যি চলে যাচ্ছে..." - ধরনের মানসিকতা দেখান।
● নিজের দোষ নেই জেনেও রাগে ও অভিমানে "আচ্ছা যাও সব দোষ আমার..." এমনটাও বলতে দেখা যায় কাউকে কাউকে।
● ঝগড়ায় গোঁ ধরে বসে থাকলেও অনেকেই কোন-না-কোন ভাবে চুপি চুপি প্রিয়জন কেমন আছে, কি করছেন এমনটা জেনে নিতে নিতে ভুলেন না।
● যুক্তিনির্ভর কাপলদের ঝগড়ার এ পর্যায়টা খুব দীর্ঘ হয়। অনেকই আবার অধৈর্য্য হয়ে যান, রাগটা আর ধরে রাখতে পারেন না। কারো কারো ঝগড়ায় মেটানোর মানসিকতা থাকলেও শুধু যুক্তিতে হেরে যাওয়ার ভয়ে আগ বাড়িয়ে ফোনটা আর দেন না। উল্টো কলটার অপেক্ষায় থাকেন।

ঝগড়ার শেষ: ঝগড়ার শেষটা খুব অদ্ভূত -

● পুরোটা ঝগড়ার সময় দু'জনের কেউই হয়তো নিজেদের কোন দোষ আছে বলে মানতে রাজি ছিলো না। অথচ ঝগড়া শেষ হবার পর এখন আর যেন নিজের দোষ খুঁজে পেতে সমস্যা হয় না।
● ঝগড়া শেষে অনেক কাপলই রিলেশনের নতুন অর্থ খুঁজে পান। একসাথে থেকে তারা কতোটা সুখী তার শোকর আদায় করেন।
● ঝগড়ার পর বেশ ক'দিন পর্যন্ত দু'জনের আচার-ব্যবহারেই একটা বেশ 'পজিটিভ অ্যাফেক্ট' থাকে (সারাক্ষণই ঝগড়ার উপরে থাকে এই টাইপ বাদে)। অনেক বেশি সহনশীল, হেসে হেসে বলা, "কোন ব্যাপারই না..." টাইপের আচরণ দেখা যায়। কিন্তু সমস্যা কিন্তু আবার ঠিকই হয়।
● সব ঝগড়ার শেষটা মধুর হয় না। রিলেশন শেষ হয়ে যায় বা হওয়ার অপেক্ষা থাকে।

কমন ডায়লগ:
● "ভুল আমারো ছিলো..."
● "আমরা দু'জনেই বাচ্চাদের মতো করেছি..."
● "তোমার সমস্যা হলো তুমি বলোনা... এরপর থেকে এমন কোন সমস্যা হলে আগে আমাকে বলবা..."

উল্লেখ্য: ঝগড়া মেটাতে ফ্রেন্ডদের কার্যকারিতা বেশি, এক্ষেত্রে সচরাচর কাজিনদের পারফরমেন্স খুবই খারাপ।

(এটা অত্যন্ত নির্লজ্জ একটি প্রচেষ্টা জ্ঞান জাহির করার। ইনফ্যাক্ট এই পোস্টের অবজারভেশন বাস্তবতা থেকে পুরোপুরি ভিন্ন হতে পারে। লেখক দাবি করেন না এই পোস্টে বলা সব কথা বাস্তবে একদম ঠিক ঠিক মিলে যাবে, তবে কারো কারো এবং কোন কোন ক্ষেত্রে মিললেও মিলতে পারে।)

একই বিষয়ে লেখকের অন্যান্য জ্ঞানগর্ভ গবেষণাসমূহ:

১. প্রেম - কত প্রকার ও কি কি - সবিস্তারে বর্ননা (১৮+ পোস্ট) ♥♂♀
২. ছেলেদের ব্রেক আপ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29395244 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29395244 2011-06-12 00:00:13
ব্লগ লিখেছেন: ৩ বছর ১৩ ঘন্টা " style="border:0;" /> <img src=" style="border:0;" />

● পোস্ট করেছেন: ৩৮৪টি
● মন্তব্য করেছেন: ১৮৭৭৪টি
● মন্তব্য পেয়েছেন: ২৯২৮৮টি
● ব্লগ লিখেছেন: ৩ বছর ১৩ ঘন্টা
● ব্লগটি মোট ৭২৮৫৪৯ বার দেখা হয়েছে]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29393928 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29393928 2011-06-09 15:05:07
আবারো সাবধান! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_17.gif" width="23" height="22" alt="X(" style="border:0;" /> http://www.amarbornomala.com/details6114.html

চেক করে দেখলাম, শুধু তাই নয়... এর আগেও এমন অনেক লেখা দিয়েছে ওই ফেইক নিকধারী। যাই হোক আমি কিছু বলতে পারছি না কারণ একটাই, নাফিস ইফতেখার নামে এই জগতে একটি লোকই থাকবে এমনতো আর কোন কথা নেই। তবে বিষয়টা অবশ্যই আমার জন্য অপমানকর। যারা আমার সামহোয়্যার ইন... ব্লগে আমার লেখা পড়েন তাদের জানার কথা আমি কি ধরণের লেখা লিখি। সামহোয়্যার ইন বাদে আমার আর একটিই মাত্র ব্লগে অ্যাকাউন্ট আছে। সেটি হলো ‘আমার বন্ধু’ ব্লগ। লিংক: http://www.amrabondhu.com/nafisiftekhar/

কারো কোন সমাধান জানা থাকলে বলতে পারেন। আপততঃ আমি কিছুই করতে পারছি না।

এর আগেও একবার এমন ঘটেছিলো প্রথম আলো ব্লগ আসার ঠিক পর পর: Click This Link

ধন্যবাদ: আসিফ ইকরামকে বিষয়টি জানানোর জন্য...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29392975 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29392975 2011-06-07 16:45:59
জল-ভেজা কেতকী

ভেজা কাকেরাও তোমায় ঈর্ষা করবে
স্বার্থপরের মতো- একা একা
যেভাবে আজ তুমি নব্য বর্ষায় সিক্ত হলে -
তা জেনে হয়তো আমিও...
ডাকলে এমন কিইবা ক্ষতি হতো?
‘জল ভেজা কেতকী’ হবে ভেবেছিলে
জুটলো ভাগ্যে - সর্দি-কাশি-জ্বর,
আরো কতো কি!
মহামানবদের অভিমানেই অভিশাপ -
এখন বুঝলে তো?

বাহ - এবার দেখি উল্টো তুমিই রাগ
আচ্ছা শোনো -
আবার যেদিন বৃষ্টি হবে
সেদিন আমরা ভিজবো,
যতোক্ষণ না ধূসর মেঘেদের জোড় ছুটে যায় -
যতোক্ষণ না বর্ষার আঁধার ঢাকা পড়ে সন্ধ্যায় -
যতোক্ষণ না হঠাৎ তোমার নীরবতা ভাঙে -
সেদিন তুমি আমায় যতো খুশি বোকো।

- নাফিস ইফতেখার ১৬ মে, ২০১১, বেলা ২টা]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29382117 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29382117 2011-05-16 15:19:04
অদ্ভূত! অ্যাবোটাবাদ নামটা আমাদেরকে এতোটা অবাক করছে কেন?

অদ্ভূত! বিন লাদেনের মৃত্যুর পর 'অ্যাবোটাবাদ' শহরের নামটা আমাদের সবাইকে এতোটা অবাক করছে। ওই শহরের লোকজনও নাকি লাদেনের তাদের শহরে অবস্থানের বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে! হাইস্যা মরি! 'আল-কায়েদা' এবং 'অ্যাবোটাবাদ' শব্দ দু'টো পাশাপাশি এবারই প্রথমই নয়। ২০০৫ - এ প্রকাশিত সাবেক পাকিস্তানি প্রেসিডেন্ট জেনারেল পারভেজ মুশাররফের জীবনী 'IN THE LINE OF FIRE' এর 'TIGHTENING THE NOOSE' অধ্যায়ে আল কায়েদা ও অ্যাবোটাবাদের চাঞ্চল্যকর উল্লেখ রয়েছে যা দেখে 'ছোট্ট-শান্ত' শহর অ্যাবোটাবাদ সম্পর্কে মানুষের ধারণা পাল্টে যেতে পারে। পাঠকদের সুবিধার্তে এই অংশটুকু একই সাথে ইংরেজী ও বাংলা অনুবাদ দিয়ে দিলাম:

His real name is Mustafa Muhammad, but he is better known as Abu Faraj al-Libbi. His capture was as significant as the capture of KSM, and is worth telling about in full. It began in the old-fashioned way: we nabbed three men who told us what we needed to know.

তার আসল নাম মুস্তফা মুহম্মদ, কিন্তু পরিচিত আবু ফারাজ আল-লিব্বি নামে। তাকে ধরতে পারাটা আমাদের জন্য ঠিক ততোটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো যতোটা ছিলো আল-কায়েদা নেতা খালিদ শেখ মোহাম্মদকে আটক করাটা। তাই বোধোহয় ঘটনাটা পুরোটাই বলা উচিত। শুরুটা ছিলো প্রথাগত, চিরাচরিত: আমরা তিনজন লোককে আটক করেচিলাম যারা আমরা যা জানতে চেয়েছি তাই জানায়।

Abu Faraj al-Libbi came to Afghanistan to fight in the early 1990s, after the Soviet Union had withdrawn and the jihad was over. He became a pioneer member of al Qaeda. After the arrest of KSM on March 1, 2003, Libbi took his place in the al Qaeda hierarchy. He became prominent, and his name became known to the public after the two attempts to assassinate me.

'৯০ - এর দশকের গোড়ার দিকে সোভিয়েত বাহিনী নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়ার পর যখন জিহাদ শেষ তভন আবু ফারাজ আল-লিব্বি আফগানিস্তানে আসে। সময়ের সাথে লিব্বি আল-কায়েদার নেতৃস্থানীয় ব্যাক্তিতে পরিণত হয়। ২০০৩ - এর মার্চে খালিদ শেখ মোহাম্মদের গ্রেফতারের পর তার যায়গা আসে লিব্বি। ক্রমেই সে আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, আর আমাকে দু'-দু'বার হত্যা চেষ্টার পর সাধারণ মানুষের কাছেও পরিচিত নাম হয়ে যায় লিব্বি।

After Kabul fell to the American-led coalition in 2001, Libbi came to Karachi. He kept on the move, shifting from Karachi to Gujranwala in the Punjab and then on to Abbotabad and the Bajour Agency in the North-West Frontier Province. He was chief of al Qaeda's operations in Pakistan and received funds from al Qaeda abroad.

২০০১ - এ মার্কিন বাহিনীর কাছে কাবুলের পতনের পর লিব্বি করাচিতে আসে। কিন্তু লিব্বি কখনোই থেমে ছিলো না - করাচি থেকে পাঞ্জাবের গুজরানওয়ালা ও তারপর অ্যাবোটাবাদ এবং উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের বাজৌর এলাকায় যায় লিব্বি। সে ছিলো পাকিস্তানে আল-কায়েদা প্রধান এবং তার টাকা আসতো বাইরের আল-কায়েদাগুলোর কাছ থেকে।

Truth to tell, Libbi led us a merry chase, even though he was easy to recognize, owing to leukoderma on his face, a condition that makes white albinolike blotches on the skin. We came very close to arresting him twice before we finally managed to get him. The first time was as early as April 2004, about four months after the" second attempt to assassinate me. We had arrested many people, one of whom was Libbi's driver. He gave us a lot of leads to work on. One of those leads caused us to arrest someone from Gujranwala, Punjab, who had kept Libbi in his house and was Libbi's courier.

সত্যি বলতে গেলে লিব্বিকে আমাদের জন্য ধরাটা ছিলো উদ্দেশ্যহীনভাবে তাড়া করার শামিল। তার শ্বেতী ভরা মুখের কারণে সহজেই তাকে চিহ্নিত করা যেতো। দুইবার আমরা ওকে প্রায় ধরে ফেলেছিলাম। প্রথমবার ২০০৪ - এর এপ্রিলে, আমার ওপর দ্বিতীয় হত্যা চেষ্টার পর। আমরা অনেক লোক গ্রেফতার করেছিলাম যার মধ্যে লিব্বির ড্রাইভারও ছিলো । সে আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দেয়। এসব তথ্যের ভিত্তিতে আমরা পাঞ্জাবের গুজরানওয়ালা থেকে একজনকে গ্রেফতার করি, যে ছিলো লিব্বির বার্তাবাহক এবং লিব্বিকে সে নিজের বাড়িতে থাকতে দিতো।

Under interrogation he revealed that he had rented a house in Ab- botabad, and that was where Libbi was living right then. This man had also kept his family there to provide cover for Libbi. What he did not tell us is that there were actually three houses in Abbotabad that Libbi used. At that time Libbi was in the third house. Our people raided the first one, and Libbi escaped.

জিজ্ঞাসাবাদে এই বার্তাবাহক জানায়, লিব্বিকে অ্যাবোটাবাদে একটি বাড়ি ভাড়া করে দিয়েছে যে সে এখন আছে। লিব্বির ছদ্মবেশ নিশ্চিত করতে এই বার্তাবাহক একই সাথে তার নিজের পরিবারকেও ওই বাড়িতে রেখেছে। কিন্তু এই লোক যে তথ্যটা আমাদের দেয়নি তা হলো - অ্যাবোটাবাদে এমন মোট তিনটি ভাড়া বাড়িতে লিব্বি থাকতো। লিব্বি তখন ছিলো তৃতীয় বাড়িতে, আর আমাদের লোক তল্লাশি চালায় প্রথমটায়। লিব্বি পালিয়ে যায়।

The second miss was again in Abbotabad. We were tipped off that someone important in al Qaeda was living in a house there, and that someone else, also very important, someone we were looking for, was supposed to come and meet him. We did not know that the second someone was Abu Faraj al-Libbi, but we had enough information to attempt an interception.

দ্বিতীয়বার আমরা আবার ব্যর্থ হই এই অ্যাবোটাবাদেই। আমরা জানতে পারি, অ্যাবোটাবাদের একটি বাড়িতে আল-কায়েদারই আরেকজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেউ অবস্থান করছে এবং দ্বিতীয় আরেকজন খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেউ তার সাথে দেখা করতে আসছে। যেটা আমরা জানতাম না তা হলো - এই দ্বিতীয় ‌'খুবই গুরুত্বপূর্ণ কেউ'-টি ছিলো স্বয়ং আবু ফারাজ আল-লিব্বি, তবুও হামলা চালানোর মতো যথেষ্ট তথ্য আমাদের কাছে ছিলো।

Our team members stationed themselves around the house in Abbotabad. When the expected visitor turned up, the person in the house came out to meet him. But as he approached, the visitor acted suspicious and tried to run away. There was an exchange of fire, and he was killed. The visitor was not Libbi. Later, after we arrested Libbi and interrogated him, we discovered his pattern: he would always send somebody ahead as a decoy while he himself stayed behind to observe. He was undoubtedly watching his decoy perform the fatal pantomime that day.

আমাদের লোকেরা অ্যাবোটাবাদের ওই বাড়িটি ঘিরে অবস্থান নেয়। যখন অতিথি দেখা করতে আসে তখন বাড়ির ভেতর থেকে লোক বেরিয়ে আসে তার সাথে দেখা করতে। কিন্তু কাছে আসা মাত্রই তার কিছু সন্দেহ হয় এবং দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। এই অতিথিটির সাথে আমাদের গুলি বিনিশয়ও হয় এবং সে মারা যায়। দুঃখজনকভাবে, এই অতিথি ব্যক্তিটি লিব্বি ছিলো না। পরে যখন আমরা লিব্বিকে গ্রেফতার করি তখন জিজ্ঞাসাবাদে সে আমাদের জানায়, সে কখনোই কোথাও প্রথমেই নিজে সশরীরে দেখা দেয় না, সব সময় আগে নকল টোপ হিসেবে কাউকে পাঠায় এবং অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে। সন্দেহ নেই, ওইদিনও সে আড়াল থেকে তার ছদ্মবেশীর মৃত্যু পর্যবেক্ষণ করছিলো।

ডাউনলোড লিংক:
In the Line of Fire - A Memoir (PDF, ৩.১৭ মেগাবাইট): http://www.mediafire.com/?kg1qpd4ibqjhpcl ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29376262 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29376262 2011-05-06 12:51:54
আরো বাজে ভাষায় লেখা যেতে পারতো...

চ্যানেলগুলোতে টানা বিজ্ঞাপণ প্রচার নিয়ে অনেক কিছু বলা হয়েছে.... পুরনো কাহিনী। কিন্তু একেকটি অ্যাডের দৈর্ঘ্য নিয়ে??

না গাজী শুভ্র বা এমন আরো অনেক অ্যাড নির্মাতার প্রতিভা নিয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই। As far As... ক্যামেরাওয়ার্ক-ডিরেকশন Goes আমি আপনাদের নখের সমানও না।

কিন্তু টেলিভিশন কি সিনেআল্ট্রা বা থার্টি-ফাইভে ধারণ করা কিছু ৩ মিনিটের ডকুমেন্টারি দেখানোর যায়গা? প্রশ্নটা ঠিক শুধু অ্যাড নির্মাতাদের জন্য নয়, মূলতঃ যারা তাদের ক্লায়েন্ট তাদের জন্য।

নিচে গত ক' বছরে টেলিভিশনে প্রচারিত কিছু শর্ট ফিল্ম/টু-মিনিট এপিক সাগা/মিউজিক ভিডিও'র লিংক দিলাম:

বিজ্ঞাপন টাইটেল: আমার রবি (মমতাজ ভার্শন)
ব্যাপ্তি: ৩ মিনিট
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=qBv0a8GmF2k

বিজ্ঞাপন টাইটেল: আমার রবি - ২
ব্যাপ্তি: ২ মিনিট ৪০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=UqZ3_ZUrcL0

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: ওয়ারিদ - সালাম বাংলাদেশ (বেশিদিন চলেনি)
ব্যাপ্তি: ২ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=-E0wQIvNYrQ

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: বাংলালিংক দেশ - ১
ব্যাপ্তি: ২ মিনিট ৩ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=32CmJbvmcqI

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: বাংলালিংক দেশ - ২
ব্যাপ্তি: ২ মিনিট
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=9Nbcz9S5oFM

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: বাংলালিংক দেশ - ৩
ব্যাপ্তি: ২ মিনিট ১০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=24ohhScoDzw

বিজ্ঞাপণ টাইটেল - ৪
ব্যাপ্তি: ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=B_Prz1mbfj8

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: বাংলালিংক দেশ - ৫
ব্যাপ্তি: ১ মিনিট ৩২ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=Ht3HsVs9alo

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: বাংলালিংক দেশ - ৬
ব্যাপ্তি: ১ মিনিট ৩১ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=5iYcQiRXL_8

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: গ্রামীণফোন (আমারে ছাড়িয়া বন্ধু কই রইলা রে)
ব্যাপ্তি: ২ মিনিট
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=T8xi02UC8Kw

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: গ্রামীণফোন কাছে থাকুন - জন্মদিন
ব্যাপ্তি: ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=T8xi02UC8Kw

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: গ্রামীণফোন কাঝে থাকুন - বন্ধু
ব্যাপ্তি: ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=DXVKVg1qrhI

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: গ্রামীণফোন - স্বপ্ন যাবে বাড়ি আমার (মিউজিক ভিডিওরূপে প্রচারিত)
ব্যাপ্তি: ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=DXVKVg1qrhI

গ্রামীণফোন - চলো বাংলাদেশ (বিশ্বকাপ ক্রিকেট)
ব্যাপ্তি: ২ মিনিট ২০ সেকেন্ড +
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=CqTtU_zGY6c

গ্রামীণফোন - শত আশা (বিশ্বকাপ ক্রিকেট)
ব্যাপ্তি: ২ মিনিট
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=GbqThv35epY

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: ওয়ারিদ - লঞ্চিং অ্যাড (বলে ওঠো আজ না বলা কথা)
ব্যাপ্তি: ২ মিনিট
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=-M44UxYOvdk

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: নেসক্যাফে - জীবনের আহ্বানে (মিউজিক ভিডিওরূপে প্রচারিত)
ব্যাপ্তি: ২ মিনিট ২২ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=Vqw2b-Ghv2o

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: বাংলালিংক - দিন বদল (ফখরুদ্দিন বাবুর্চী)
ব্যাপ্তি: ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=R0vBKpwb0Uo

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: বাংলালিংক - দিন বদল (আজম খান)
ব্যাপ্তি: ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=WgKFCAo0Cq0

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: অ্যাকটেল জয় তুমি বরুণা হলে (মিউজিক ভিডিওরূপে প্রচারিত বিজ্ঞাপণ)
ব্যাপ্তি: ৫ মিনিট ১০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=5hQVv_PLrXk

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: বাংলালিংক - দিন বদল (আজাদ)
ব্যাপ্তি: ১ মিনিট ৪০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=4aRMZPTQpFw

বিজ্ঞাপণ টাইটেল: সিটিসেল - পালিয়ে যাই নেটওয়ার্কের বাইরে
ব্যাপ্তি: ১ মিনিট ৩০ সেকেন্ড
লিংক: http://www.youtube.com/watch?v=c2-cpKWjajo












মাঝে মাঝে...












সত্যি সত্যিই...












থাপড়ায় দাঁত ফালায় দিতে ইচ্ছে করে...




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29368343 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29368343 2011-04-24 11:26:58
কাজের জিনিস - ৩ (সফটওয়্যার, অনলাইন সার্ভিস এবং আরো অনেক কিছু)
Dropbox:
Dropbox - এটাও হয়তো অনেকের কাছেই পরিচিত। তবুও যারা জানেন না তাদের জানানো। Dropbox হলো একটি অনলাইন সার্ভিস যা আপনার ফাইল/ডেটার অনলাইনে ব্যাকআপ রাখবে। অনেকে বলতে পারেন, এ আর নতুন কি? এর জন্যতো হাজারো ফাইল ব্যাকআপ/শেয়ারিং সার্ভিস আছে।



Dropbox একটু অন্যভাবে কাজ করে। পিসিতে ইন্সটলের পর Dropbox আপনার পিসিতে ড্রপবক্স নামে একটা ফোল্ডার করবে। নেটে কোন ফাইলের ব্যাকআপ রাখতে হলে আপনাকে শুধু যা করতে হবে তা হলো ঐ নির্দিষ্ট ফোল্ডারে ফাইল/ফাইলগুলো কপি-পেস্ট করা। ব্যস! বাকি কাজটা Dropbox নিজেই করে দেবে। আরো মজা যখন আপনি বাসার বাইরে থেকে Dropbox এর সাইটে নিজের অ্যাকাউন্টে আপনি কিছু আপলোড করবেন। তখন আপনার বাসার Dropbox সফটওয়্যার সয়ংক্রিয়ভাবে তা ঐ Dropbox ফোল্ডারে ডাউনলোড করে রাখবে। সুতরাং এক কপি-পেস্ট বাদে আপনাকে কিছুই করতে হবে না। Dropbox এর ফোল্ডার গুলো চাইলে আপনি কবারো সাথে শেয়ারও করতে পারবেন। ফ্রি অ্যাকাউন্টে Dropbox আপনাকে ২ গিগাবাইট স্টোরেজ দেবে। তাই খুব বড় ফাইলের জন্য না হলেও দৈনন্দিন কাজ আরামেই চলে যাওয়ার কথা।

এর আগে TeamViewer এর কথা বলেছিলাম বাসায় ফেলে আসা ফাইল বাসার বাইরে থেকে নেয়ার কাজে। Dropbox এরও এমন ব্যবহার সম্ভব। যে ফাইলটা দরকার বাসায় ফোন করে কাউকে হয়তো বললেন Dropbox ফোল্ডারে পেস্ট করে দিতে! বাকিটাতো আপনা-আপনিই হবে। <img src=" style="border:0;" />

Dropbox ওয়েবসাইট ও সফটওয়্যারের লিংক: dropbox.com

আপনি আপনার মোবাইল/আইপ্যাড/আইফোন/অ্যানড্রয়েড ডিভাইস থেকেও Dropbox ব্যবহার করতে পারবেন। ডাউনলোডের লিংক: http://www.dropbox.com/anywhere

বিকল্প: Dropbox এর খুব ভালো একটি বিকল্প হচ্ছে Microsoft SkyDrive। এটার স্টোরেজ লিমিট ২৫ গিগাবাইট: skydrive.live.com



FFSJ (Fast File Splitter & Joiner):
FFSJ কাজ মাত্র দু'টো - বড় ফাইল কেটে ছোট ছোট টুকরো করা, আবার টুকরোগুলো জোড়া দেয়া। এটার ব্যবহার অনুমান করা কঠিন নয়। ধরুন আপনার কাছে ৪ গিগাবাইটের দু'টো পেনড্রাইভ আছে, মানে মোট ৮ জিবি। কিন্তু আপনার নিতে হবে ৬ জিবির একটা ফাইল। সমাধান তখন FFSJ।



সফটওয়্যারটি দিয়ে আপনি চাইলে বলে দিতে পারবেন - কয়টা সমান টুকরো করতে হবে অথবা প্রতিটা টুকরো আপনি কত সাইজের চান। ফাইলটা টুকরো হয়ে ঐ একই ফোল্ডারে .001, .002, .003... এইসব নামে থাকবে। যেমন nafis.avi ফাইলটা টুকরো করলে টুকরোগুলোর নাম হবে nafis.avi.001.. nafis.avi.002... nafis.avi.003... ইত্যাদি। এই টুকরোগুলো আপনি তারপর সুবিধামতো জোড়া দিতে পারবেন জয়েনিং অপশনে গিয়ে। তবে এক্ষেত্রে টুকরোগুলো একই ফোল্ডারে রাখতে ভুলবেন না। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলে FFSJ ফাইল টুকরো করতে বা জোড়া দিতে আরেকটি প্রচলিত সফটওয়্যার HJSplit এর চেয়ে কয়েকগুণ ফাস্ট! আমি এটাই ব্যবহার করি।

FFSJ* - এর ডাউনলোড লিংক: http://www.jaist.ac.jp/~hoangle/filesj/#Download

* লাইট ভার্শনটা পোর্টেবল... আর স্ট্যান্ডার্ড ভার্শনটা ইন্সটল করা লাগবে।

আগের পর্বের লিংক: কাজের জিনিস - ২ (সফটওয়্যার, অনলাইন সার্ভিস এবং আরো অনেক কিছু) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29364822 http://www.somewhereinblog.net/blog/Nafis_Iftekhar/29364822 2011-04-18 12:43:38