আমার প্রিয় পোস্ট

http://texstock.net/blog

পাহাড় ঘেরা ভুটান-শেষ পর্ব

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:১৩

শেয়ারঃ
0 0 0

ফুরজে লাখাংঃ ফুরজে লাখাং দেশের অন্যতম পবিত্র স্থান বলে স্কীকৃত। এখানে রয়েছে মোট তিনটি টেম্পল। এর মধ্যে প্রথমটি সবচেয়ে প্রাচীন এবং এটি নির্মিত হয় 1652সালে এটিতে রয়েছে গুরু রিমপোচের (মঁৎঁ জরসঢ়ড়পযব) ধ্যানমগ্ন মূর্তি রয়েছে। দ্বিতীয় টেম্পলটি অত্যন্ত পবিত্র বলে সম্মান করা হয়। কারণ এ মন্দিরের একটি পাথরে মুদ্রিত রয়েছে গুরু রিমপোচের অবয়র। তৃতীয় মন্দিরটি নির্মান করেছেন বর্তমান রাজার মা। মন্দিরগুলির চার পাশের দেয়ালে রয়েছে ধমর্ীয় দৃষ্টিকোন থেকে সৃষ্ট নঙ্া এবং প্রতীক।

জাকার জং (ঔধশধৎ উুড়হম)ঃ জাকার জংটি 1549 সালে প্রথম নির্মিত হয় একটি মনাস্টেরী হিসাবে। পরবতর্ী সময়ে এটি জং হিসাবে পুননির্মান কর িহয় 1946 সালে যখন সাবড্রাং পরিপূর্ন ভাবে শাসন মতা গ্রহন করেন। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সাবড্রাং গাওয়াং নাম গিয়াল এর গ্রেট গ্রান্ড ফাদার। এ জংটি বর্তমানে বামথাং উপত্যকার একটি প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহ্নত হয়ে থাকে। এর চারপাশের দৃশ্যাবলী অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। আসলে এ জায়গাটিও ছিল রাজ পরিবারের পূর্ব পুরুষদের বাসস্থান। এখানকার অধিকাংশ ঘরবাড়ী কাঠের তৈরী। তাংসার পেনলপ (পেনলপ= গর্ভনরের সম্মানজনক পাদ) মহামন্য রাজা উগেন ওয়াংচুক যিনি দেশের প্রথম নির্বাচিত হেরিডিটারী মনার্ক এবং তার উত্তরসুরী কিং জিগমে ওয়াংচুক দেশের শাসনকাজ পরিচালনা করেন সুপ্রাচীন তংসা জং থেকে।

তংলঅ জং ঃ (ঞড়হমংধ উুড়হম)ঃ তংলা জং নির্মিত হয় 1648 সালে। এটি ছিল ভুটানের রাজ পরিবারের পুর্বপুরুষদের বাসস্থান। পাহাড়ের ধারে এটি বহুতল বিশিষ্ট ভবন। এর প্রতিটি পাশর্্বই বহিঃ আক্রমন প্রতিরোধ অত্যন্ত ডিফেনসিভ এবং শক্তিশালী।

মংগারঃ বামথাং থেকে যাবার ভ্রমনপথটি ভুটান তথা হিমালয় অঞ্চলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পাকৃতিক সৌন্দর্যপূর্ন। উরা ভিলেজে সূযোদয়। থ্রুমসিংলার উচ্চতম (3800মিঃ) পর্বত পাস এ খাড়া ঢালু এলাকা পূর্ব পশ্চিমে প্রলম্বিত হাইওবাতে ভ্রমন প্রতিটি ভ্রমনকারীকেই মোহাবিষ্ট করে তোলে। রাজ্যের অন্যান্য শহরের ন্যায় মংগার শহরটিও পাহাড়ের পাশ্বদেশে প্রশস্ত নদী উপত্যকায় গড়ে উঠেছে। মংগার জংটি তুলনামুলকভাবে আধুনিক। এটি পরলোকগত মহামান্য রাজা জিগমে দরজি ওয়াংচুকের নির্দেশে 1953 সালে নির্মিত হয়। বার্লি ত্রে এবং দ্রাকুহে ঘেরা বামথাং পর্যটকদের দৃষ্টিতে এক ভিন্ন আনন্দ অনুভুতি।এছাড়া বামথাং এলাকাটি মহান বৌদ্ধুগুরু পেমা লিংপার ঐতিহ্যবাহী বাসভূমি হিসাবে খ্যাত। বামথাং ভ্রমনকারীরা দু চারদিন বেশী সময় হাতে নিয়ে দেখে নিতে পারেন এ এলাকায় মৃদুতরঙ্গায়িত ভুভাগে বিদ্যমান গ্রামীন জীবন ধারা এবং মধ্যযুগীয় টেম্পলসমুহ।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৬
মুহিব বলেছেন: আপনার বহুকাল আগের লেখা আমার খুব কাজে লাগবে। তাই সেভ করে রাখলাম। এমন পোস্ট লেখার জন্য ধন্যবাদ।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: আপনা কেউ ধন্যেপাতা...

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭৭৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
সময়ের তটরেখাগুলো ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়, ফলে কখনো সম্পর্ক হয় গাঢ়, কখনো হালকা সেটা সময়েরই দোষ। আমরা তো মেঘের মতো...