আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা
২৪ শে এপ্রিল, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৬
বেশি সময় কারও লাগেনা। বুঝে ফেলে। আমার দৌড়টা তাদের জানা হয়ে যায়। এর জন্য আমি নিজেই আসলে দায়ী। ভাব ধরাটা শিখতে পারলামনা। তাই খুব সহজেই সবাই বুঝে ফেলে আমি মূলত অন্তজ শ্রেনীর মানুষ।
আমি নাকি ঠিক মানানসই নই এই সময়ের জন্য। পরিচিতরা সবাই বলে। এমনকি মাও বলেন, তুই বুঝিসনা দিনদুনিয়া কোন তালে চলে এখন! আমি কোন উত্তর দিতে পারিনা। মাথা চুলকাই।
কাদির মিয়া আমাকে কেন যেন খুব পছন্দ করে। জেলখাটা দাগী আসামী। নামের শেষের মিয়াটা উধাও হয়ে সেখানে ডাকাত শব্দটা ঠেসে ছিল অনেকদিন। কি করে যেন সে আমাদের অফিসে এসে জুটে গেল আর আজব কোন এক কারনে আমার সাথে তার খাতির হয়ে গেল। কাচের মগে লাল চা দিতে দিতে বলত, স্যার আপনার জীবনে কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা। আমি অবাক হয়ে বলতাম, মানে? সে বলত, এইত রোজ রোজ লাল চা খাবেন। দুধ কেনার টাকা হবেনা! আমি ঠাঠা মারা হাসি দিয়ে তাকে লাল চার গুনাগুন বুঝাতে চাইলে সে শুধু মিট মিট করে হাসত। সব কথা শেষ হলে মাথা নাড়তে নাড়তে সামনে থেকে বিদায় হত। মাথা নাড়াড় ভঙ্গিটায় স্পস্ট বুঝা যেত তার মনের কথা... আপনেরে দিয়া কিছুই হবেনা টাইপ মাথা নাড়ানো।
অফিসে ওই কাদির মিয়া ছাড়া আর কেউ আমারে পাত্তা দেয়না। এমনকি যারা আমারে পাত্তা না দিলেই নয় তারাও না। সেলসে যারা কাজ করে তাদের প্রতিদিনকার কাজের হিসাব নেয়ার দায়িত্বটা আমার। ওদের লগবুকে আমার সই না থাকলে বেতন হয়না তাদের! সেই অর্থে আমি তাদের কাছে বিশাল মতাবান কিছু একটা হওয়া উচিত। কিসের কি, আমার কাছ থেকে তারা প্রতিদিন এমনভাবে সই নেবে, ভাব দেখে মনে হয় কারো খাতায় যদি আমি সই না দিই তাহলে আমার এমাসের বেতন আটকে দেয়া হবে!
আমাদের অফিসের সবারই প্রায় আরামের জীবন। আমাদের বাড়ির প্রায় সবারই আরামের জীবন। আমি শুধু সেখানে বাগড়া। ফেলনা টাইপের কিছু একটা। কোন কিছুতেই আমার প্রবেশাধিকার নেই। অফিসের আর সবাই মিলে অনেকধরনের ধরনের মজা করে। আমি তাতে কোনদিনই সুজোগ পাইনা। কাদের মিয়া না থাকলে সেসবের খবরই আমি পেতামনা। তবে একবার আমিও গিয়েছিলাম সেরকম এক আয়োজনে। আসলে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম। সেদিন পাচটা না বাজতেই অফিসটা প্রায় ফাঁকা হয়ে গেল। আমার আবার রোজ রোজ দেরি হয় অফিস থেকে বেরুতে। প্রায়ই সেলসের ওরা ফিরতে দেরি করে ফেলে। সাড়ে পাচটার দিকে ফোন আসল। মহিউদ্দিন সাহেব ফোন করেছেন।
- কি খবর মোকাম্মেল ভাই, এখনও আপনি অফিসে।
আমি বলি, কাজ শেষ করতে দেরি হয়ে গেল মুহিভাই।
-সেতো আপনার রোজই হয় বলে তিনি কাদির মিয়ার খোজ করেন। আমি বলি ওতো চলে গেছে। আমার রুটিন জানতে চান তিনি। আমি বলি বাসায় চলে যাব মুহি ভাই। মুহিভাই আজব এক কথা বলেন এর পর। তিনি আমাকে তার বাসায় যাওয়ার প্রস্তাব দেন। আমি অবাক হয়ে যাই। ধাতস্ত হয়ে বলি, না ভাই আজ না আরেকদিন। তিনি নাছোড়বান্দা। বলেন, আরে আজই আসেন। ১০ মিনিটের জন্য হলেও আসেন। কি আর করা। রাজি হতে হয়। মুহিভাই তার বাড়ির নাম্বার দিয়ে আমাকে বলেন, একটা কস্ট করতে হবে কিন্তু মুকাম্মেল ভাই, আমার টেবিলের তলায় ছোট একটা বাক্স আছে একটু কস্ট করে ওইটা নিয়া আসতে হবে। আমি বাড়ির পথের উল্টা পথের রিক্সায় চড়ে বসি। প্রায় পাঁচ কেজি ওজনের বাক্সটা হাটুর ওপর শক্ত করে ধরে রাখি।
বাসায়ও এমন অনেককিছু হয় যার পাত্তাই আমি পাইনা! সেসব আমি গায়েও মাখিনা। অভ্যাস হয়ে গেছে। শুধু একবার, রাতে বাসায় ফিরে যখন মা মিস্টির বাটিটা এগিয়ে দিয়ে হাসতে হাসতে বল্লেন নে মিস্টি খা, আমাদের মিনার বিয়ের মিস্টি। আমি ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকি। মা বলেন, আগামী শুক্রবার মিনার বিয়ে। জামাই লন্ডনে থাকে। ছয়মাসের মধ্যে মিনাকে লন্ডন নিয়ে যাবে। আমার মিস্টি খেতে ইচ্ছে হয়না। মন খারাপ করে। আমার বোনটার বিয়ে হবে সেই খবরটাও আমি জানতে পারিনা। চোখটা ভিজে আসতে চায়।
মোসাদ্দেক বেশ বুঝদার ছেলে। আমার দুবছর পরে দুনিয়ায় আসলেও আদতে সে আমার বড়ই হবে। সব কাজেই সে পাক্কা। কন্ট্রাক্টরি করে। সব কন্ট্রাক্টই সে নেয়। সে বাড়ি বানানোই হোক আর কাগজের বাক্স বানানো হোক। একেবারে শুন্য থেকে শুরু করেছে। প্রথম কাজটা পেল বড়ভাইয়ার শালার কাছ থেকে। ইউনানী ঔষধ কোম্পানির বোতল সাপ্লাইয়ের কাজ। বড়ভাইয়া শুনে হেভি ক্ষেপা। কোনদিন করেনি কাজ। কি বুঝে নিল। টাকা ওড়ানোর ফন্দি। মাও তাতে যোগ দিল। মোসাদ্দেক তাদের পাত্তাই দিলনা। সোজা চলে গেল ঢাকা। তিন চারদিন পর ফিরে এল। পনের দিনের মাথায় মিস্টি নিয়ে ঘরে হাজির। বিল পেয়ে মিস্টি কিনেছে!
আমি মোসাদ্দেককে জিজ্ঞেস করি কিভাবে। সে বলে সিস্টেম। এরচেয়ে বেশি কিছু বলেনা। তবে আমি বুঝে যাই তিনমাসের মাথায়। যখন আমাদের অফিসের প্রিন্টিং এর কাজটা ও বাগিয়ে নিল। বড় স্যার আমাকে ডেকে নিয়ে বলেন, আপনার ছোটভাইতো বেশ কাজের ছেলে। আপনার মত নয়। দিন দুনিয়া বুঝে। আমি কিছুই বুঝিনা। দাড়িয়ে থাকি। তিনিই খোলাসা করেন। আরে আজ সে এসেছিল। আপনার পরিচয় দিয়ে বল্ল, কাজ চায়। দিয়ে দিলাম প্রিন্টিং এর কাজটা। আমি বেশ অবাক আর খুশি হই। রাতেই মোসাদ্দেক আমায় বলে, তুমার বসরে আইজ ফিট দিলাম। টেন পার্সেন্ট সাথে তুমি। আমি টেন পার্সেন্ট বুঝি কিন্তু সাথে আমিটা আর বুঝিনা। একবছরের মধ্যে মোসাদ্দেক আমাদের অফিসপাড়ায় পরিচিত একজন হয়ে যায়। আমার ভাইকে দেখি সবাই চিনে।
আমার দিয়া আসলেই কিছু হবেনা... এটা মোসাদ্দেকও বুঝে ফেলে যখন অফসেটে ছাপানোর অর্ডারটা আধাআধি টিকেতে ছাপিয়ে দেয়। আর সেটা আমি আটকে দেই তখন। আমি বুঝিনা কিভাবে তবু তার বিলটা পাস হয়ে যায়। আর মা কেন আমাকে এনিয়ে আমাকে বকা দেয় তাও আমার বুঝে আসেনা। আমার বৌও বলে, তুমি কি? নিজের ভাইয়ের সাথে আইন দেখাও!
মোসাদ্দেক একটা অফিস করেছে। খুব সুন্দর অফিস। লাল নীল কাচ বসানো অফিস। সে অফিসে সারাদিন বাতি জ্বলে। মা কয়েকদিন ধরে আমাকে খুব করে বকছেন। আমার দোষটা যে খুব বড় তা নয়। মোসাদ্দেক বলছিল আমি যেন রোজ তার অফিসে এক ঘন্টা করে সময় দিই। সন্ধার দিকে দিলেই হবে। ওর সারাদিনের হিসাবটা আমি দেখে দিলেই হবে। এটা এমন কোন আব্দার নয়। ওই সময়টায় আমি স্বপনের দোকানে বসে আড্ডা দিই। সময়টা কাজে লাগল। টাকাও নাকী দেবে। আমি যে বেতন পাই তারচেয়ে ডাবল! তবু আমার ভাল লাগেনি। মোসাদ্দেকের ঘাপলা আছে এই কথাটা অন্তত আমি বুঝতে পারি। তার সেই ঘাপলায় যোগ দিতে আমার ভাল লাগেনা। তাই না করে দিয়েছি। তাতেই মা ক্ষেপেছেন। বড়ভাইয়া ক্ষেপেছেন। বাবা থাকলে তিনিও নিশ্চয় ক্ষেপতেন।
আমার বৌও ক্ষেপেছে। কাঁদতে কাঁদতে বলেছে, যে লোক বৌয়ের রিক্সাভাড়া দিতে পারেনা তার আবার এত লম্বা কথা কেন?
প্রকাশ করা হয়েছে: গল্পকথা বিভাগে ।
মেন্টাল বলেছেন:
৫ দিলাম।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
ধন্যবাদ অনন্ত এবং মেন্টাল।
সৃজন বলেছেন:
প্প্বৃপ্প্ব্রপ্প্মূপ্প্বক্কপ্প্ম প্প্ব্ল ........
সৃজন বলেছেন:
প্প্বৃপ্প্ব্রপ্প্মূপ্প্বক্কপ্প্ম প্প্ব্ল ........
বকলম বলেছেন:
এই কেমন লেখাটা ঠিক আছে। ব্যপারগুলো আমার সাথেও ঘটে। বাসার এমন সব ঘটনা যা সবাই জানে শুধু আমি ছাড়া। আমি আম্মাকে বলি "কই আমি তো জানি না!" আম্মা বলে " এখনতো জানলা"। ছোট ভাইদের জিজ্ঞেস করি কিরে তুই জানিস? বলে "জানি"। কিভাবে জানিষ? বলে " আম্মা আর আব্বা আলোচনা করার সময় শুনেছি" । আমি কই ছিলাম?!! "কেন! তুমি তো আমার পাশেই বসে বই পড়ছিলা" । তাহলে আমি শুনলাম না কেন?!! "তুমি তো আমার মতো কান পেতে শোনার চেষ্টা করনাই"। আমি বলি "অ..."। এই হলো অবস্থা।
বকলম বলেছেন:
সততা প্রশ্নে যখন গোঁ ধরে থাকি লোকে বলে ঘাড় ত্যাড়া। আম্মা বলে "তোমার সব ব্যাপারেই অতিরিক্ত"। আমি গোঁ ধরেই থাকি। কাজটা আটকে থাকে না, হয়ে যায়। আমাকে বাদ দিয়েই হয়ে যায়।
জীবন একটা রঙ্গমঞ্চ। আমরা পাঠ গাই। ভিলেন জসিমও নায়ক হয়। আপনি ভিলেন হয়ে যান।
বিতর্কে সেই ভালো করে যে পক্ষ ও বিপক্ষেও যুক্তি শোনাতে পারে।
কাদির মিয়ারে ডাক দেন। বলেন দুধ-চা দিতে। মোসাদ্দেকরে বলেন এক ঘন্টায় হবে না। দুই-ঘন্টা করে বসা লাগবে। দশ হাজার টাকা এ্যাডভান্সড লাগবে।
এ্যাডভান্সডের টাকা দিয়া বউরে একটা প্রাইভেট রিক্সা কিনে দেন।
বছর দুয়েক এই চরিত্রে খেলেন। তারপর নতুন সিদ্ধান্ত নেন।
অনন্তমৈথুন বলেছেন:
সহমত, শোহেইল মতাহির চৌধুরী ভাইয়ের সাথে।
হোসেইন বলেছেন:
৫ দিসিরে ভাই।আপনারা সকলেই একেকটা চিজ।হঠাত হঠাত একটা করে লেখা দিয়া টাসকি খাওয়াইয়া যান।
বকলম বলেছেন:
নজমুল ভাই যদি খেলেন তবে খেলার রেজাল্টটা একটু জানাইয়েন।
সুমন চৌধুরী বলেছেন:
জীবন একটা ভ্রান্তধারণা
গৌরীশ রায় বলেছেন:
আপনে, ভুল সময়ের ভুল মানুষ ।
গোপাল ভাঁড় বলেছেন:
এই পোস্টটা কি একটু "বাশারের ইনিংস" টাইপের করা যায়?
চোর বলেছেন:
৪ দিসি।
মাহবুব সুমন বলেছেন:
মামু, চোখটা আরেকবার খুইলা দিলেন। আর দিয়েন না। পৃথিবীতে অচল মাল হয়ে যামু। চোখ বন্ধ করে রাখলে অনেক সুবিধা। তবে , মামু। ধন্যবাদ। ব্লগে আমি শিখতে আসছি। আপনাদের এই সব লেখা পরে চোখ খুলছে, খুলছে মনে দুয়ার। শিখছি অনেক।
মাশীদ বলেছেন:
অপু ভাই,ভাল লাগল খুব। আগেরগুলোর মতই। মাঝখানের কয়েকটা পড়া হয়নি। পড়ে ফেলব অচিরেই।
ভাল থাকবেন, বস।
ধূসর ছায়া বলেছেন:
৫
নজমুল আলবাব বলেছেন:
খন্ডত, সৃজন : ধন্যবাদ।বকলম : আপনার সাথে মোকাম্মেলর মিল কিছুটা থাকলেও পার্থক্য মনে হয় অনেক!
শোহেইল ভাই : ঠিক আছে ট্রাই করে দেখি! তবে সফল হওয়ার সম্ভাবনা মনে হয় খুব একটা নাই!
জামাল ভাই : হুমম
হোসেইন : তুমিতো পুরা ফর্মে মিয়া।
মাশা : সত্যি মচতকার? না শান্তনা!
হয়ত সুমন ভাই, আপনেই ঠিক।
গৌরীশ : তুই ছাড়া কে আর বুঝে আমাকে?
গোপালদা : কেমনে কী?
চোর ভাই : যাই হোক একটা কিছুতো দিলেন! অনেকেত নিয়া যায়!!
অনুভুতি : পেসিমিস্ট? কেমনে?
মা.সু. ভাই আর মাশু : তোমগরে কিছু কমুনা!
নজমুল আলবাব বলেছেন:
ধন্যবাদ ছায়া।
অনন্তমৈথুন বলেছেন:
ভাই, মাশীদের কথার উত্তর দিলেন না যে?
আলভী বলেছেন:
অসাধারণ বস। ৫
আরশাদ রহমান বলেছেন:
পুরো ব্যাপারটা নির্ভর করে বিবেক এর উপরে। চোর টাইপের লোক প্রতিদিন যে চুরি করে একবারো ভাবেনা অন্যায় কিনা। যেমন দেখা যায় কেউ একজন যে ঘুস খায় আর অন্যদিকে নামাজ কাজা করেনা! সততার কি অনুভূতি সে জানতেও চায়না। আমি আমার বাবাকে একবার ঠাট্টা করে বলেছিলাম একবার বেশি করে টাকা চুরি করে তারপর হজ করে চলে আসেন। আমার বাবা বলেছিলো আমি সত আমার জন্য অন্যরা কি বলবে সে চিন্তা করে না।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
প্রশংসায় নতজানু হই আলভী।আমার বাবার অবশ্য খাওনের কোন চান্সই ছিলনা! আর থাকলেও পাত্তা পেতেন বলে মনে হয়না! এখনও এই জামানায় এসে কত বোকামীযে তিনি করেন! @ আরশাদ ভাই
রাগ ইমন বলেছেন:
১৫ দিলাম ।ভাবীর ৫। দুই পিচচির ১০। আপনি বাদ । বাদীদের বাদ থাকাই ভালো । তারা বড় বিবাদ করে!
আরশাদ রহমান বলেছেন:
ভাই..খাওয়ার ইচ্ছা যার সে ঠিকি উপায় খুঁজে বের করে নেয়। জিগ্গেস কেরে দেখেন আপানার বাবা চান্স পাইলেও খাইতোনা না পাইলেও খাইতোনা।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
ইমন : ঠিক আছে। যা বলবেন তাই মাথা পাইতা নেই, তবু বলেন বিবাদ করি!!!হয়ত আরশাদ। বাপ আমার বাইছা বাইছা ওই ভেজালহীন চাকরী নিছিল! কিছুদিন মাস্টারিও করছেন তিনি।
শাহেনশাহ বলেছেন:
ভামা..........আমি আসলেই লিখতে পারি না!!! ৫
অনন্তমৈথুন বলেছেন:
ভাই,দেখেন আমি একটা প্রশ্ন করে ছিলাম!!
নজমুল আলবাব বলেছেন:
শাহেনশাহ, তুমি খারাপ লিখ এইটা কেউ বলছে? আমারতো খারাপ লাগেনাই। তবে মাঝে মাঝে ওঠানামা করে।মিঠু তর আইকিউ নিয়া আমি চিন্তায় পড়ে গেলাম। তুই আমার লম্বা কমেন্টটা পারলে আবার পড়!
শাহেনশাহ বলেছেন:
থ্যাঙ্কু ভামা। মনে যা আসে তাই লিখি তো......
নজমুল আলবাব বলেছেন:
চালিয়ে যাও ভানা।
অঃরঃপিঃ বলেছেন:
৫
নজমুল আলবাব বলেছেন:
ধন্যবাদ বড়ভাই।
রিদম বলেছেন:
আপনেরে দিয়া কিছু হইবো না
নজমুল আলবাব বলেছেন:
ঠিক কইছেন রিদম। পুরা সত্য কথা।
হোসেইন বলেছেন:
ফর্ম শাটডাউন হইয়া যাচ্ছে।নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্লগে আইন হচ্ছে,ব্লগ মালিক অলরেডি পোস্ট মেরেছে।(এই দেশে ক্ষমতাবানদের সাথে লাগতে নাই,এটা আমি বুঝি নাই আগে।)
অরুনাভ বলেছেন:
৫
খাইছি তরে বলেছেন:
এইলোকের সমস্যা কি, দুধ চা নাখাইতে পারলে লাল চা খাউক! চা নিয়া এত্ত বড় পোস্টাইছেন!
নজমুল আলবাব বলেছেন:
হোসেইন কি কও? কইলেই হইবনাকী? আর নারী অধিকারতো ভালো জিনিস। চিন্তার কী? অপেক্ষা কর, মাথা ঠান্ডা রাখ।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
আপন মানুষ আছিলেন দেইখা বুঝলেন।
অনন্তমৈথুন বলেছেন:
ভাই কে মানুষ আর কে অমানুষ, এইটা বিচার করার সময় এখন না।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
মানুষ বিচারের ভারতো আমি নেইনাই অনন্ত। কাউরে অমানুষ বলছি নাকি আমি?
নজমুল আলবাব বলেছেন:
শিমুল : কমেন্টতো দেখি ৫০ হয়ে গেছে। এখন কী মিস্টি খাওয়বেন?
অনন্তমৈথুন বলেছেন:
ভাই, দুধ চা-ই খাইতে পারেন না আবার মিষ্টির জন্য হাউকাউ!!!
আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন:
ওকে, আপনার জন্য হাওয়াই মিঠা বরাদ্দ হোক।এ--ই!!!! কে আছিস???
নজমুল ভাইকে হাওয়াই মিঠা দিয়ে আয়!
নজমুল আলবাব বলেছেন:
তাইত @ অনন্ত। ঠিক আছে। তাইলে লাল চা-ই গিলি।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
শিমুল ভাই : মিঠাই বড়ই উপাদেয় হইছে। বিদেশী মালের মজাই আলাদা। থ্যাঙ্কু
আনোয়ার সাদাত শিমুল বলেছেন:
শুকরিয়া।
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
আসলে বোকাই তো। না হলে এখন ২/৩ টা রেষ্টুরেন্টের মালিক/কামলা হতেন(লন্ডন প্রবাসী)৪.৫
মিয়া মোহাম্মদ হুসাইনুজ্জামান বলেছেন:
৫+প্রিয় পোস্ট
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
সময় করতে পারলে একবার দেইখা আইসেন। আমি দেখে ভাগা দিয়েছিলাম। বিশেষ করে যারা রেষ্টুরেন্টের (৮০%) পেছনে কাজ করে।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
ভাবতাছি দেখব এবার। গোছাতে পারলে যাব বারিধারায়। দেখি তেনারা একিন করেন কীনা?
হেজাব বলেছেন:
অসাধারণ হইছে!! পইড়া খুবই ভাল লাগল। ধন্যবাদ
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
যাবার আগে পেপারে একটা এড দিয়ে যাবেন?? স্হানীয় পেপার খুললেই সব আবালদের এই রকম এড দেখা যায়। সবাই সময়ের অভাবে কারো সাথেই যোগাযোগ করতে পারেন নাই। কন্টাক নাম্বার সহ।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
দিলাম ৬৫।
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
না ভাই। আপনাকে আবাল বলবো কেন? আবাল তো ঐসব শিক্ষিত ছাগলগুলো যারা মনে করে একবার লন্ডন যেতে পারলে বা লন্ডনী বিয়ে করলে মনে হয় সব সমস্যা সমাধান। নিজের চোখে দেখা ২/১ টি কাহিনী লিখার শখ আছে।ঐদিকে আসলে এইদিকে আইসেন।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
তা ঠিক ফ্রু। খারাপই লাগে এসব দেখে।ধন্যবাদ দ্রোহী।
বেশি খারাপ হয়ে গেল নাকী তেলাপোকা?
ধুসর গোধুলী বলেছেন:
দুধ অর্ডার করছি মিল্কভিটা, আইতাছে।
স্বরহীন বলেছেন:
ভাইরে নীতি নিয়া বইয়া থাকলে ভাত নাই রে ভাই...দেশে এক বছর ঘু্ইরা আমি কোন চাকরী পাই নাই...প্রথম ত সব জায়গায় কাজ করবো না, পরে হলো, যেখানে আমি কাজ করতে চাই, আমারে নিবো না।
জ্বিনের বাদশা বলেছেন:
দুর্দান্ত!! ... এতদিন চোখে পড়েনি ...উল্টো স্রোতের মাছ মোকাম্মেলকে স্যালুট।
আর একটা ৫ তো আছেই

নজমুল আলবাব বলেছেন:
ধুসর এই নকল নিকে কমেন্টাও কেন মিয়া। বান্দর দেখতে খাইস্টা লাগে। দুধ আসলে খবর দিও।ধন্যবাদ অমিত।
স্বরহীন দিদি : আসলেই ভাত নাই। তবে ভাতহীনের সংখ্যাটাই মনে হয় বঙ্গদেশে বেশী।
মোকাম্মেল আছে বড় কস্টে। কানকা আর কাম করতাছেনা। উল্টা যাওয়া বড় কস্ট। ধন্যবাদ জ্বীনের বাদশা।
ঝড়ো হাওয়া বলেছেন:
ভাই ... এতো বড় পোষ্ট !!
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
ঝড়ো, বড় পোষ্ট ও অনেক সময় বেশ ভাল লাগে। আপনে তো মিয়া ছোট লেখেন। এখন থেকে বড়ো পোষ্ট পড়ার চর্চা শুরু করেন(আমি আবার নির্দিষ্ট ব্লগার ছাড়া বড় পোষ্ট পড়ি না)। যারা যারা ভালো লিখে তাদের কথা একটু বইলেন।Wikipidia তে ছবিগুলো ভালো হয়েছে। এখন থেকে ফটোগ্রাফি চর্চা ও শুরু করতে পারেন।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
ঝড়ো : তবুওতো মোকাম্মেলের কথা শেষ হয়নি! কি করা যায় বলেনতো?
নূর-ই-হাফসা বলেছেন:
নিজেকে যেভাবে ছোট করে লিখেছেন।লেখার সম্পূর্নটুকু পড়ে তা মনে হয় না।
নাতাশা হুসাইন বলেছেন:
অনেক বড় লেখা। তাও পুরোটা পড়লাম। ভাল লেগেছে।
অমিত আহমেদ বলেছেন:
আবারও পড়লাম... বড় কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল... কিন্তু বেশী ভালো লেখায় আসলে বড় মন্তব্য করার কিছু থাকে না। আপনার কাছে এমন লেখা আরও আশা করছি।
হোসেইন বলেছেন:
ফ্রু,কার কার বড়ো লেখা পড়েন,কয়া দেন।আমিও তাদের লেখা পড়ে দেখব।
এতো লেখকের ভীড়ে সবসময় ভালো লেখকদের খুজে বের করতে পারি না।
হযবরল বলেছেন:
ভাল লেগেছে, দুধে-ভাতে জীবনের গল্প।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
আমারে পাইলেন কই হাফসা? ওইটাতো মেকাম্মেল।ধন্যবাদ পুনর্বার অমীত।
জীবনের গল্প সবসময়ই ভাললাগার @ হযু
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
যান, আসল নিকে আরেকবার কমেন্টাইলাম।কাইলকাতো আপনেরে আর বদ্দারে ডর দেখানের লাইগ্যা ঐ নিকে ঢুকছিলাম।
লেগস আপ!
অরূপ বলেছেন:
চমৎকার লেখা। শিরোনাম দেখে এতোদিন পড়িনি। সাধু!
রেজওয়ান বলেছেন:
লগিন করলাম জানানোর জন্যে যে পড়েছি। এইতো জীবন। সে যেমন বিবর্নই হোক ফালুর হাসি থেকে স্মিত।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
দুলামিয়া ধন্যবাদ। শিরোনামটা বেশি খারাপ নাকী? আপনের ছবি কি ঘন্টায় ঘন্টায় বদলাবেন নাকী?ধন্যবাদ রেজওয়ান ভাই।
ঠিক আছে ধুসর। হাজার দুয়ার খুলতে এইবার জান বাইরাইয়া গেছে। দুয়ার বেশি শক্ত কইরা ফেলছ মিয়া! লোড কমাও।
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
ফন্ট এম্বেডিং উঠাইয়া দিমু নাকি?
নজমুল আলবাব বলেছেন:
ধুসর : ওই জিনিসটা কি মাল তাতো আমি বুঝিনা!!! তবে লোড কমাইতে হইব অবশ্যই, যদি টার্গেটে বাংলাদেশ থাকে। যা নেটস্পিড আমাদের!!! মাশাল্লা...
আরিফ জেবতিক বলেছেন:
ভয়ংকর ভালো হইসে।আমার বোধহয় রিটায়ার করার টাইম চলে এলো।
তোদের মতো লিখতে পারছি না।
নজমুল আলবাব বলেছেন:
ভাই, শরম দেওয়ার নতুন তরিকা নিলেন বুঝি?
নজমুল আলবাব বলেছেন:
সময়রে আমি খুব দাম দেই আরিফ ভাই। আমার সবকাছুতেই দেইখ ওইটারে টেনে আনি। গত দুই দিন যা করছ ব্লগের সময় সেইটাই দাবী করেছে। লেখনিতো খারাপ হয়নি। স্টাইলটাতো খারাপ হয়নি। আমি যতটা বুঝি, একটা বিষয় ধরে বলতে শুরু করলে সেটা ঠিক ঠিক তোমার সুরেই কথা বলবে
















সবাই কেমন কেমন লেখা দিচ্ছে!!