আমার প্রিয় পোস্ট

a little knowledge of science makes man an atheist, but an in-depth study of science makes him a believer in God - Francis Bacon

টুকুনের জন্য ।

২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমার বয়স তখন ৯/১০ বছর। মনে হয় ক্লাশ ফাইভে পড়ি। দিনগুলো এত সুন্দর! যা দেখি তাই ভাল লাগে। স্কুল শুরু হত দুপুর ১২টায়। তার আগে ঘন্টা দুয়েক পুকুরে ঝাপাঝাপি। স্কুলে গিয়ে বিরতিতে ফুটবল, দৌড়াদৌড়ি। বিরতির পর ঘামে ভেজা গা নিয়ে ক্লাস করতে ইচ্ছে হতনা। মানিক স্যার ছিলেন, তাকে আট-আনা দিলে ছুটি। সেটার সদ্ব্যবহার করতাম প্রায়ই। স্কুল ছুটির আগে আসলে বাসায় বকাবকি করবে তাই বটতলে মারভেল খেলা। ঝগড়া লাগিয়ে মাগরিবের সময় বাড়ি ফেরা। বাড়ি ফিরে মায়ের বকুনি। আহ্‌, যদি ফিরে আসত দিনগুলো আবার। এখনকার তথাকথিত সাফল্যমন্ডিত হাজারটা জীবনের বিনিময়ে তখনকার একটা দিন ফিরে পেতেও রাজি আমি।

একদিন রাতে ব্যাপক বৃষ্টিসহ ঝড় হল। আকাশ-বাতাস ভেন্গে যাওয়ার অবস্থা। সকালে উঠে দেখি রাস্তাঘাট কিছুই চেনা যায়না। গাছপালা ভেন্গে রাস্তায় পড়ে আছে। ঘরবাড়ির চালা উড়ে গেছে। সবাই দিশেহারা অবস্থা। এরই মাঝে একটা খুশির খবর হল স্কুলের চালা উড়ে যাওয়াতে স্কুল বন্ধ। sine die। ভাইয়া আর আমি আম কুড়াতে বের হয়েছি। আমাদের বাড়ির পিছন দিকে পুকুরের পাশে বড় আমগাছ ছিল। আম কুড়াচ্ছি। প্রতিযোগিতা কে বেশি পাই। ভাইয়ার একটা বৈশিষ্ট্য সবকিছুতে আমাকে জিতিয়ে দেয়া। বলতে দ্বিধা নেই আমার ভাইয়া বিশ্বের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাইয়া। তাকে নিয়ে লিখব আরেকসময়। আম কুড়াতে গিয়ে একটু জংগলের মধ্যে পাখির আওয়াজ শুনলাম। গিয়ে দেখি একটা ময়না পাখি। ভিজে পালকগুলো গায়ের সাথে লেপ্টে আছে। হাটতে পারতেছেনা। উড়ার তো প্রশ্নই নেই। একটু একটু খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাটার চেষ্টা করতেছে। আমার মায়া লাগল খুব। কাছে গিয়ে ধরলাম। বাসায় নিয়ে আসলাম। ছেক দিয়ে, খাবার দিয়ে আস্তে আস্তে দুয়েকদিনের মধ্যে সুস্থ করে তুললাম। এখন হাটতে পারতেছে। দেখেই বুঝা যায় খুব বেশি বয়স হয়নি। সদ্য একটু একটু উড়তে শিখেছে মাত্র। কলা খেতে চাই খালি। অন্য কিছু তেমন খাইনা। স্কুলে খাওয়ার জন্য যে দুই/তিন টাকা পাই তা দিয়ে কলা কিনে আনি। আমার সারাদিন কাটে এখন পাখিকে নিয়ে। পুকুরে লাফঝাফ নেই আর। খেলাধুলা বাদ। স্কুলে যাই ক্লাশ শুরু হওয়ার একটু আগে। স্কুল ছুটি হওয়ার পরপরই চলে আসি এক দৌড়ে। বন্ধুরা খেলবার জন্য অনেক ডাকাডাকি করলেও যাইনা। আমার জগৎ পাখিময়। শুধু ময়নাকে নিয়েই আছি। সারাদিন সেটাকে খাওয়ানো, পরিস্কার রাখা এতেই আমার দিন চলে যায়।

একটা খাঁচা বানালাম। সেটাতে রাখি ময়নাটাকে যখন আমি থাকিনা তখন। আমার জীবন তখন ময়নাটাকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে। ময়নাটাও আস্তে আস্তে পোষ মানতেছে। নাম দিছি টুকুন। টুকুন ডাকলেই কেমন করে যেন তাকাই। এভাবে কয়েকমাস যাওয়ার পর ভাইয়া বলল তুই যে এভাবে পাখিটাকে আটকে রেখেছিস তাতে তো সেটা আরও কষ্ট পাচ্ছে। যদি পাখিটার ভাল চাস তো সেটাকে ছেড়ে দে। আমি বললাম অসম্ভব। কিন্তু আমার ভাল মানুষ ভাইয়া আমাকে বুঝাতে থাকল। কয়েকদিন পর বুঝলাম। আসলেই তো। পাখিটা তো অন্য পাখির সাথেই থাকতে চাইবে। তারপর একদিন সকালে উঠে ছেড়ে দিলাম। পাখিটা উড়াল দিয়ে একটা গাছের ঢালে বসল। কেমন জানি মনে হল আমার দিকে তাকিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল। মায়াময় চাহনি দিয়ে উড়াল দিল। কষ্টে আমার বুক ছিড়ে যাওয়ার অবস্থা। সারাদিন মনমরা হয়ে ছিলাম। খালি পাখিটার কথা মনে পড়তেছে। রাতে পড়তে বসে পাখিটার কথা মনে করে চোখে পানি এসে গেল। একটু পরে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কেঁদে দিলাম। মা এসে জিজ্ঞেস করল কি হয়েছে। ভাইয়া বলল বিস্তারিত। মা আমাকে জড়িয়ে ধরে অনেক শান্তনা দিল। কিন্তু আমি ফুঁফিয়ে কেঁদেই চলেছি। রাত্রে একটুও ঘুম হয়নি। সারারাত বিছানায় এপাশ ওপাশ করি খালি। আর পাখিটার সাথে কিভাবে সময় কাটাতাম সেটা ভাবি। সকালে উঠে স্কুলে গিয়ে খুব মনমরা হয়েছিলাম। বিকালবেলায় খেলতে গিয়েছিলাম। কিন্তু খেলতে ইচ্ছে হলনা।
সন্ধ্যার সময় বাসায় ফিরে এসে দেখলাম পাখিটা আমাদের বাসার ছাদে বসে আছে। প্রথমে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারিনি। তারপর পাখিটা নিচে নেমে আসল। আমি গিয়ে আস্তে করে ধরলাম। যেন আমার শরীরের একটা অংশ আবার শরীরে ফিরে আসল। আনন্দটা বুঝানো সম্ভব না। স্বর্গীয় অনুভূতি। বুকে জড়ি্যে ধরে পাখিটাকে বাসায় নিয়ে দৌড়ে মাকে বললাম। মাও অবাক। তারপর থেকে পাখিটাকে আর খাঁচায় রাখতে হয়নি। টুকুন বললেই চলে আসে। আমি খাওয়ানো ছাড়া কিছুই খাইনা। একটা আত্মার সম্পর্ক গড়ে উঠল। রাতে দুইতিনবার জেগে জেগে পাখিটাকে দেখতাম। আমাকে দেখলেই বিশেষ একটা শব্দ করত পাখিটা। আমি যেন তার সব কথা বুঝতে পারতাম। এভাবেই চলল কয়েক মাস। পাখিটার সাথে আমার সবচাইতে কাছের বন্ধুত্ব হয়ে গেল।

কয়েক মাস পর বন্যা দেখা দিল। আমাদের উঠানেও হাঁটু পরিমান বন্যার পানি আসল। স্কুল বন্ধ। একদিন বাথরুম থেকে বের হয়ে দেখলাম একটা বিড়ালের মুখে আমার টুকুন আর সেটা পাখা ঝাপটাচ্ছে। চোখে অন্ধকার দেখলাম। তাড়াতাড়ি বিড়ালটাকে তাড়া করলাম। একটা লাঠি দিয়ে আঘাত করাতে পাখিটাকে ছেড়ে দিল। কিন্তু ততক্ষনে যা হওয়ার তা হয়ে গেছে। আমার সামনে আমার সবচাইতে কাছের, সবচাইতে প্রিয় সত্বা মৃত পড়ে আছে। আমি বাকরুদ্ধ। বাল্যকালের প্রথম বড় আঘাত। কি করব কিছুই বুঝতে পারছিলামনা। মা এসে দেখল। ভাইয়া আসল। আমার চরম গরম মেজাজের বাবাও আসল। সবাই মিলে কাঁদলাম। পাগলের মত কান্না। হৃদয়ের ভিতর থেকে উঠে আসা কান্না। যেন থামবার নয়। আমি মায়ের কোলা মাথে রেখে ফুঁফাচ্ছি। চোখের পানি শেষ। আর কিছুই অবশিষ্ট নেই।

একটু শান্ত হলে পাখিটাকে বন্যার পানিতে ভাসিয়ে দিলাম। ভাটার পানিতে চলে গেল আমার প্রথম ভালবাসা অজানা গন্তব্যে। আমি হয়ে গেলাম একা। বাসার সবাই যেন কি হারিয়ে ফেলেছি। পরেরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি টুকুন ফিরে এসেছে জোয়ারের বন্যার পানিতে। আমার ঘরের দরজায় টুকুন। টুকুন কি আমাকে ছাড়া থাকতে পারে? তাই টুকুন ফিরে এসেছে। আগেরবারের মত টুকুন আমার কাছেই এসেছে আবার। শুধু এবার মৃত।

 

 

  • ১১৭ টি মন্তব্য
  • ৮৮০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮
comment by: নরাধম বলেছেন: রাগাপু, মানুর মত ভাল গদ্য লেখক হলে আবেগটা বুঝাতে পারতাম। এখনও ময়না দেখলেই আমি টুকুনের ছায়া খুঁজি।
২. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫১
comment by: gonder বলেছেন:
একান্ত অনুভুতি গুলা খুব সুন্দর করে প্রকাশ করেছেন, ভালো লাগলো
+
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: গন্ডু, অনেক ধন্যবাদ।

৩. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩
comment by: পান্জেরী বলেছেন: দারুণ হয়েছে। +
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ পান্জেরী।

৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪
comment by: পান্জেরী বলেছেন: ছোট বেলার অনুভুতি গুলো খুবই মজার ও সেনসিটিভ। আপনার ভাইকে নিয়ে লেখা চাই। ধন্যবাদ।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: পান্জেরী, আপনি কেন শিবির করেন ভাই, কেন করেন? শিবির না করলে আমি আপনার খুব ভাল বন্ধু হতে পারতাম। আফসোস!

৫. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪
comment by: িদদারুল আলম বাননা বলেছেন: True friends are those
Who Care without hasitation,
Remember without Limitation,
Forgive without any Explanation,
and Love even with little Communication! !!

nice
very nice !!!!
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: বান্নাভাই, আপনি কি পড়েছেন লেখাটা? নাকি বড় লেখা দেখে পড়েননি। মোবাইল মেসেজের কমেন্টটা অপ্রাসংগিক মনে হল।

২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯

লেখক বলেছেন: যাই হোক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৬. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৫
comment by: নগর বাউল বলেছেন: ভালো লাগলো +
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১০

লেখক বলেছেন: নগর বাউল, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

৭. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৭
comment by: ছন্নছাড়া বলেছেন: ভাই কাদিয়েই দিলেন দেখি। ঘটনা কি সত্যি না বানিয়ে লিখেছেন। অবশ্যই +
"এখনকার তথাকথিত সাফল্যমন্ডিত হাজারটা জীবনের বিনিময়ে তখনকার একটা দিন ফিরে পেতেও রাজি আমি।"
চমৎকার!!!!
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: ঘটনা সত্যি ভাই। তবে যতটুকু খারাপ লেগেছিল তা প্রকাশ করতে পারিনি। প্রকাশ করা সম্ভব না।

৮. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৮
comment by: আগুন পাখি বলেছেন: অসম্ভব সুন্দর!
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৯. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩
comment by: চির সবুজ বলেছেন: খুবই ভালো লাগলো। আরো লেখা চাই।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১০. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৪
comment by: স্নোবল বলেছেন: আমার পিচ্চি বয়সে কবুতর ছিল। অসাধারন দুইটা কবুতর। ঘরের ভিতরেই রাকসিলাম। এমুন জাগা ছিলনা যে কবুতরের বিশঠা ছিল না। একটা কবুতর সিলিং ফেনের বাড়ি খেয়ে পড়ে গেসিল। পেটের অর্ধে কাটা গেসিল, তারপরেও বাইচা ছিলে দিন দশেক। আহারে... কবুতরের গায়ের গন্ধ না নিলে, ঘুমানোর আগে একবার আদর না করলে আর ঘুম আসতো না। চমতকার সব দিন, চমতকার সব মায়া।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: চমতকার সব দিন, চমতকার সব মায়া।

১১. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫
comment by: মনের কথা বলেছেন: এটা ঠিক অনুভুতির সবটা প্রকাশ করা কখনোই সম্ভব নয়। যেটুকু প্রকাশ করতে পেরেছেন দারুন। ৫
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, মনের কথা।

১২. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৯
comment by: েজবীন বলেছেন: gonder বলেছেন:
একান্ত অনুভুতি গুলা খুব সুন্দর করে প্রকাশ করেছেন, ভালো লাগলো

আসলেই দারুন

(টাইটেলটা পড়ে .. আর বিমা, রাগুর পোষ্টের কমেন্ট পড়ে খোচাঁ দিতে আসছিলাম মহাউৎসাহে:) , দিতে পারলামনা বলে একটু মনে চোট পাইছি... )
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ, জেবীন। খোঁটা দেওয়ার জন্য কিন্তু "সাময়িক পোস্ট" আছে একটা। আর ১০ মিনিটের মধ্যেই সেটা ডিলিট করব।

১৩. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১০
comment by: ৈকলাশ বলেছেন: নরাধম ভাই মনটা বড় খারাপ লাগলো আপনার পাখিটার জন্য। ভাল লিখছেন। +
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: কৈলাশভাই, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। মন খারাপ করে দিলাম বলে দুঃখিত।

১৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১১
comment by: অচেনা বাঙালি বলেছেন: ভাল লাগছে।

ভাইকে নিয়ে লেখা চাই।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬

লেখক বলেছেন: অচু, পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভাইয়াকে নিয়ে লিখতে চাচ্ছিলাম অনেক দিন পর্যন্ত, কিন্তু কিভাবে লিখব সেটা বুঝতে পারতেছিনা। He is too good a man to be described.

১৫. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৫
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: আপনার লেখা প্রসঙ্গে অমল মুখোপাধ্যায়ের একটা গান মনে পড়ে গেল-
"ছেলেবেলার গল্প শোনার দিনগুলো- এখন কতদূরে,
আর আসেনা রাজার কুমার পক্ষ্মীরাজে উড়ে....."

ছেলেবেলার দিনগুলো মানুষের জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়। যার স্মৃতি আঁকড়ে পড়ে থাকতেও ভাল লাগে। ভাল লাগলো আপনার ছেলেবেলার রঙ্গীন দিনগুলোর কথা, অতীত স্মৃতির অকপট বর্ণনা।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: কালপুরুষদা, আমার ব্লগের আংগিনায় আপনাকে স্বাগতম। পড়া এবং কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৬. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২০
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: + দেয়া ছাড়া কোন গতি নাই নারুদা।

আমাদের ময়না নিয়ে হয়েছিলো মজার কাহিনী। ছোটবেলা থেকেই ময়না, কুকুর, হাস, মুরগী, খরগোশ, তিতির, কোয়েল নানা জাতের গৃহপালিত পশুপাখি ছিল আমাদের পরিবারের অংশ। এখন অবশ্য এই ঢাকা শহরে কিছুই নাই, শুধু ময়না আছে। এটি নতুন ময়না।

আমি তখন স্কুলে পড়ি। আমাদের ময়না একদিন খাচার দরজা খোলা পেয়ে উড়াল দিলো। বাসার সবার মনের অবস্হা খুব খারাপ। কারন ময়নাটি খুব ভাল কথা বলতে পারতো। আমার নাম ধরে ডাকতো। ভিক্ষুকের গলাও নকল করতে পারতো। বাইরের বারান্দায় অবস্হানের জন্য আর কি। ময়না হারিয়ে যাওয়ায় সবার মন খুব খারাপ। দিন কাটতে লাগলো, হঠাত একদিন আমার পিতা একটি ময়না নিয়ে হাজির হলেন। এই ময়নাটিও কথা বলে। ময়নাটি তিনি এক মহিলার কাছ থেকে ৩০০ টি টাকা দিয়ে কিনে এনেছেন। এতো সস্তায় কথা বলা ময়না পাওয়া গিয়েছে শুনে আমরাও খুব আনন্দিত। যাই হোক, পিতা আমাকে ময়নার কাছে গিয়ে আমার নাম বলতে বললেন। আমি আমার নাম বলতেই ময়নাটিও "সামী" "সামী" বলে চিতকার করে উঠলো। সবাই অবাক!!!! আমিতো খুশীতে লাফাচ্ছি। কেমনে কি হলো সবাই পিতাকে জিজ্ঞেস করলো?

ময়না হারিয়ে যাবার পর থেকেই পিতা আমার এইটার খোজ করতে লাগলেন। যেখানেই কথা বলা ময়না, সেখানেই তিনি যেতে লাগলেন। পুরো শহর(ঢাকা শহর না) তিনি চষে বেড়াতে লাগলেন। অত:পর এক মহিলার (মহিলার স্বামী রিকশা চালক) কাছে তিনি ময়নাটিকে পেলেন। যদিও অনেক কসরত করতে হয়েছে মালিকান প্রমান করার জন্য। মহিলাটি পরে ৩০০ টাকার বিনিময়ে ময়নাটি দিতে রাজি হয়েছে। মহিলাটির সন্ধান দিয়েছিলো আমাদের পরিচিত এক লোক।

আপনার ময়না বিষয়ক লেখাটি পড়ে মনে পড়ে গেল। আমাদের ময়নাটি আমৃত্য আমাদের সাথেই ছিল। এই ময়নার মৃত্যুও বেশ বেদনা বিধুর। এখন আর বলতে ইচ্ছা করতেছেনা। আমাদের কুকুরগুলোরমৃত্যুও বেশ বেদনা বিধুর....পরে আরেকদিন শেয়ার করবো।

ধন্যবাদ আপনাকে।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৩০

লেখক বলেছেন: সামীভাই, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার কাহিনী পড়ার অপেক্ষায় আছি কিন্তু। মনে থাকে যেন। আমি অবশ্য মনে করিয়ে দিব।

১৭. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪২
comment by: বুমবুম বলেছেন: ধুর ভাই মনডাই খারাপ কইরা দিলেন।আহারে কি দিন ছিল।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫০

লেখক বলেছেন: আহারে কি দিন ছিল।

পড়া আর কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ, বুমবুমভাই।

১৮. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪
comment by: শয়তান বলেছেন: ময়না পাখি এমনই
৫ টা ময়না পালতে দেখছি গ্যান হবার পর থিকা আমার বাবা রে । কষ্টমষ্ট কইরা কথাবার্তা শিখান কিন্তু ভাগ্য খারাপ । প্রতিবারই মইরা যায় । ৩ টা মারা গেছিলো গোসল করাইতে গিয়া । একটা এমনে এমনে । আর লাস্টটেরটা আমি জোর কইরা ছাইরা দিসি বাবা মারা যাওয়ার পর দিন । বহুদিন পর ঐ দুঃখের কথা মনে করাইয়া দিলেন পোস্টটা দিয়া ।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: শয়তানভাই, পড়া আর কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ। অনেকেরই দেখি একই রকম অভিজ্ঞতা আছে।

১৯. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৪৭
comment by: নরাধম বলেছেন: শিরোনামটা ভাল লাগতেছিলনা। কেমন জানি বেখাপ্পা। তাই পরিবর্তন করলাম।
২০. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০২
comment by: ধুসর গোধূলি বলেছেন:
ভালো লাগলো নরু।
সেদিন কে জানি দেখলাম ফিউচার মী একটা সাইটে ভবিষ্যতে ইমেইলের ব্যবস্থা নিয়ে লিখেছে। সেখানে গিয়ে নিজেকে একটা মেইল করলাম, পাঠানোর তারিখ দিলাম, ২০৩০ সালের কোন একটা দিন।

উদ্দেশ্য হলো, এই লেখাটির মতো কিছু একটা অনুভব করা। ২০৩০ এ বসে বুড়া বয়সে, এখনকার দিন-ক্ষণ-স্থান-পাত্রদের স্মরণ করা।
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ধুসর গোধূলী (নিকটা খুব সুন্দর), সুন্দর কনসেপ্ট। সাইটটার ইউআরএল দেওয়া যাবে? নিজেকেও একটা মেইল সেন্ড করতে চাই।
পড়া এবং কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২১. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:১৩
comment by: পান্জেরী বলেছেন: নরাধম ভাই, আপনার পোস্টের নতুন হেডিং দেখে মনে করলাম, সিরিজের পরের লেখা। ঢুকেই পক্কা খেলাম...। যাউকগা!
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: পান্জেরী, দুঃখিত। আমার আসলে আগের শিরোনামটা পছন্দ হচ্ছিলনা তাই চেন্জ করলাম।

২২. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩
comment by: তানজিলা হক বলেছেন: তুমার নামের সাথে এই পুস্টা খাপ খাইতাছে না।
যাই হোক
আমারো ছোটো বেলাতে পাখির অনেক সখ ছিলো।
কিন্তু ঘর ময়লা হবে বিধায় এ সখটা পুরন হয় নি।
তুমার কাহিনী শুনে মনে হচ্ছে ভালই হয়েছে সখটা পুরন হয় নি।নয়তো তোমার মতই কষ্ট পেতে হতো হয়তো বা।
+৫
সমবেদনা রইলো(খুব প্রিয় সবকিছুই সব সময়ই হারিয়ে যায়)
২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: তানজিলা, খুব প্রিয় সবকিছু সব সময়ই হারিয়ে যায়। ঠিক বলেছ। আমার নামের সাথে পোস্ট খাপ খাচ্ছেনা বলে আমাকে অপমান করেছ। তোমার পরবর্তী পোস্টে মাইনাস দিব।

২৩. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২২
comment by: মেন্টাল বলেছেন: ছোটবেলায় টিয়া পাখি, বিড়াল, কুকুর অনেককিছু ছিলো।
এখন কিছু নাই, কোথায় গেছে গা সব :(
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: মেন্টালভাই, হলুদিয়া পাখি............

২৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৮
comment by: রাগ ইমন বলেছেন: ভাইয়া ,

হোকে বলার পর ও সারাদিন ব্লগে ঢুকতে পারলাম না। তার জন্য লজ্জা লাগা উচিত ছিলো , আমার হচ্ছে স্বস্তি । আমার কপাল ভালো যে তোমার পোস্ট আমি পড়লাম অফিস শেষ হওয়ার পরে । না হলে আজ আর কোন কাজ হতো না । কেমন লিখেছো তার বিস্তারিত বিশ্লেষনে যাওয়াটা অপ্রয়োজনীয় মনে হচ্ছে । প্রতিটা শব্দে জড়ানো ভেজা মায়াটুকু অনুভব করেছি প্রতি চরনে। চোখ ভরেছে জলে ।

শুধু এইটুকু বলি ,

তোমার টুকুন , আমার টুকুন ।

আর কিছু বললে অন্য কেউ বুঝবে না । আর কিছু না বললেও তুমি বুঝবে , তাই না?

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: রাগাপু, একটু বেশী হয়ে গেল না! আপনি হলে এটাকে আরো অনেক সুন্দর করে লিখতেন এবং ব্লগবাসী গলা জড়াজড়ি করে কাঁদত।

২৫. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৮
comment by: আবু সালেহ বলেছেন: স্বৃতির পাতা জুড়ে.......থাকা এইসব স্বৃতি সবসয়ের জন্যই সুখকর....
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: আবু সালেহভাই, সুখকর মনে হয় না। বেদনাময়। টুকুন আর আসবেনা। আপনাকে কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

২৬. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩১
comment by: বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন:
টুকুনের কথা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
এই লেখা পড়ার পর আমার নিজের ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গিয়ে মনটাই খারাপ হয়ে গেলো। চলুক
+++++++++
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: বিকেলবেলার স্বপ্ন, আপনার নিকটা দেখলেই উপন্যাস "শেষ বিকেলের মেয়ে" র কথা মনে পড়ে যায়। অসাধারণ উপন্যাস। কমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২৭. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮
comment by: মুকুল বলেছেন: খুব ভালো

*****
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: মুকুলভাই, কমেন্টের জন্য অনকে ধন্যবাদ।

২৮. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: নারুদা...ভালো লাগলো।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: রাশু, তুমি পড়েছ তো? নাকি বড় লেখা দেখে পড়নি? তুমি এখনও দেশেই আছ?

২৯. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০১
comment by: প্রিয়তি বলেছেন: টুকুনের কথা পড়ে আমার "টাইগারের" কথা মনে পরলো।
আমিও ছোটবেলায় খুব শখ করে একটা কুকুর শাবক নিয়ে আসছিলাম পালবো বলে। কি যে কিউট ছিল দেখতে। কিন্ত বেশিদিন ধরে রাখতে পারিনি। রাতের বেলা শিয়াল এসে ওকে নিয়ে গেল।

এখনো মনে হলে মন খারাপ হয়।

২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: প্রিয়তি, পড়া এবং কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩০. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১০
comment by: সাইফুর বলেছেন: পড়ে খুব খারাপ লাগলো..
আমার একটা টিয়া পাখি ছিলো..সেটা মারা যাবার পরে মনে হচ্ছিল..আপনজন কেউ মারা গেছে....
আহারে.....

+
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: সাইফুর, পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১১
comment by: এবিএম গিয়াসউদ্দিন (শামীম) বলেছেন: খুব গুছিয়ে লিখেছো। সুন্দর হয়েছে। আমারও কিছুটা একইটাইপ এক্সপেরিয়েন্স আছে। আমার টা হলো 'হাস'। হা হা!!! +++++
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৬

লেখক বলেছেন: হাস? তো লিখে ফেলেননা কেন?


পড়া আর কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

৩২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৩
comment by: সাব্বির বলেছেন: দেইখ সব পাখিরে আবার উড়াইয়া দিও না,নিজের কাছেই রাইখ...

পোস্ট ঝাক্কাস।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: সাব্বির মিয়া, তোমার কমেন্টে আমি বিশেষ কিছুর দিকে ইংগিতপূর্ণ ইশারা পাচ্ছি। ঝেরে কাঁশ মিয়া।

৩৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: আইসা পড়ছি। পড়ছি পড়ছি। আপনিও আগে আমার মত ছিলেন কোন পোস্ট না কইরা খালি কমেটাইতেন। তাই কইছি ভালো লাগছে। সমবেদনার কথা আর কি বলেন! যার গেছে সে জানে কি গেছে।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: রাশু, বিয়া না কইরা চলে আসলা? কামটা ঠিক করনি। কখন আবার সুযোগ আসবে ঠিক নাই।

৩৪. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৩২
comment by: মিরাজ বলেছেন: অসাধারণ আবেগের প্রকাশ নরাধম।

অসম্ভব মনে ছুয়ে যাওয়া ।

প্রিয়তে যোগ করলাম ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: মিরাজভাই, অনেক ধন্যবাদ। প্রিয়তে যোগ করে সম্মানিত করলেন আমাকে। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৫. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:৪৪
comment by: মানুষ বলেছেন: নারুদা, মন ছুঁয়ে গেল লেখাটা। প্রিয়তে রাখলাম তাই।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: It's an honor, মানু। অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৬. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১০
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: আরে পাগলা তুমিও তো দেখি আমারই মতো...তাই তুমি সেজেছো নড়াধম...আর আমি...য়্যু নৌ হোয়্যাট্যায় মিইন!
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: হাহাহা.................বুঝেছি। মৈথু, ভাল আছ?

৩৭. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৫
comment by: শাওন বলেছেন: মন্তব্য না করে থাকতে পারলাম না । প্লাস দিলে ছোট হয়ে যাবে ।
ভালো লাগার আবেগ কি প্রকাশ করা যায় ?
কঠিন লেখা ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: শাওন, অনেক ধন্যবাদ।

৩৮. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২০
comment by: আর.এ. বলেছেন: ভালো লাগে নাই।মন খারাপ করতে ভালো লাগে না।
কিন্তু +++
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: আর.এ. ব্লগে স্বাগতম। অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৩৯. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৫৫
comment by: নিবেদীতা বলেছেন: চোখটা ঝাপসা হয়ে গলো।
অসম্ভব মনে ছুয়ে যাওয়া ।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:৩২

লেখক বলেছেন: নিবেদীতা, অনেক ধন্যবাদ পড়া আর কমেন্ট করার জন্য।

৪০. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪৩
comment by: নাদান বলেছেন: অসাধরান একটা লেখা। ++++++++

আমার এমন একটি টিয়া পাখির বাচ্চা কুকুর খেয়ে ফেলেছিল। কষ্ট টা আমি বুঝি।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: নাদু, কেমন আছ? পড়া আর কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

৪১. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০২
comment by: বিহংগ বলেছেন:
এখনকার তথাকথিত সাফল্যমন্ডিত হাজারটা জীবনের বিনিময়ে তখনকার একটা দিন ফিরে পেতেও রাজি আমি।
কথাগুলো হৃদয়ে গেঁথে গেলো।
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪০

লেখক বলেছেন: বিহংগ, অনেক ধন্যবাদ।

৪২. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:০৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: কি করুম নারুদা কন! মাইয়া চুখে পড়লো না যে! :(
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪১

লেখক বলেছেন: হাহাহা............দেশে ৮ কোটি মাইয়ানোক। আর তোমার মাইয়া চোখে পড়লনা? আমাদের সাথে হাভাইত্যা গুরুপে যোগ দেও।

৪৩. ২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪২
comment by: রাশেদ বলেছেন: হা হা! এন্টি মাইয়া গুরুফ হইলে আমি নাই কইলাম! ;)
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: আরে এন্টি-মাইয়া গুরুপ না। শুধু যতদিন তুমি কাউরে পাইবানা ততদিন