আমার প্রিয় পোস্ট
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- বিক্ষিপ্ত ভাবনা - আউলা
- মুসলিমদেরকে কোরআনের মত স্মার্ট হতে হবে - একলা একজন
- দুশ্ঠ মডারেঠরের অথ্যাছারে কাগুর যেসপ লিকা তার নিজের পুশ্ঠ আর্কাইবেই জমা পরে নাই - আলিফ দেওয়ান
- উপমহাদেশে হিংসার হাওয়া : ভারতের ফ্যাসিবাদের উত্থান - ফারুক ওয়াসিফ
- জৈন কারা? - ইমন জুবায়ের
- আত্নসমর্পন অনুষ্ঠানে ওসমানির অনুপস্থিতি বিতর্কঃ ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এত বড় কোন সৈন্য দল নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে অপমান জনক পরাজয় বরন করে পাকিস্তান - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ৩৫ বছর পরও তোমার মাংস খাওয়া কুকুরেরা রয়ে গেছে, মা জননী! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- রাজাকারদের পুত্র কন্যারা কোথায় লেখাপড়া করেছে? - রুহুল্লাহ
- ৫০ জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ করেছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম - অণৃণ্য
- মধ্যবিত্তের পরিচয়চিহ্ন ০৬ (শেষ পর্ব) - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- আমার বস যদি কোন ব্লগের মডারেটর হইতেন! - এস্কিমো
- হুমায়ূন আজাদের কয়েকটি ত্রিকালদর্শী প্রবচন । (উতসর্গঃ বিশ্বের সকল মুক্ত মন কে) - সিহাব চৌধুরী
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- একুশের প্রথম কবিতা - লাইটহাউজ
- জামাতের নেতা সাইদি কোরআন ব্যাখ্যার নামে সমাবেশে মুলত বিদ্বেষ ছড়ায়। - এস্কিমো
- সে প্রথম প্রেম আমার ... - মানুষ
- নেকাব সরান কর্তৃপক্ষ : আসলে আপনারা কি চান? (অমি রহমান পিয়াল) - রাশেদ
- আজকাল অনেক কিছুই মনে থাকে না - মুকুল
- পাকমন পেয়ার: আস্তমেয়ের শেঁকড় সন্ধানের অনাদায়ী দেনা সঞ্চিতি! - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- বাংলা যখন হিন্দি হলো ... হায় রবীন্দ্রনাথ!! - রাগিব
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আপনার বউ এবং গার্লফ্রেন্ডকে কিভাবে ঝগড়ায় হারাবেন- দশটি উপায় - সালিশদার
- বঙ্গবন্ধুর ক্ষমা, জামাতের রাজনীতির অধিকার এবং অন্যান্য প্রসংগ - - এস্কিমো
- সিমলা চুক্তির কোথাও যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি বা বিচার না করার কোনো কথা নেই - শওকত হোসেন মাসুম
- বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই দালালদের ক্ষমা করেছিলেন? আসুন নতুন করে ট্রুথ কমিশন গঠনের দাবি জানাই - শওকত হোসেন মাসুম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গ :শিশুর সাথে আরেকটি আলাপচারিতা - আরিফ জেবতিক
- হায়দার মওদুদী - আব্দুল মওদুদীর পোলা বলেন - সালিশদার
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- অ্যাগ্রো-ফুয়েল ও বিশ্ব ক্ষুধা - দিনমজুর
- বঙ্গভঙ্গ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট - বিবর্তনবাদী
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - একটি অহেতুক বিতর্কের জবাব - সু-শান্ত
- পাঞ্জেরি (উচ্চ মাধ্যমিকের কবিতার প্যারোডি) - বহুরূপী মহাজন
- জামাতী চিন্তাধারার দেউলিয়াত্ব: - আড্ডাবাজ
- কবিতা - পরাজয় আমার জন্য নয় - আদনান ফায়সাল
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- ফিরে দেখা ১৯৭১ - পূর্ব পাকিস্তান যেখানে আকাশও কাঁদে : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ১১ - মিরাজ
- শুধু খুলনাতেই শহীদ হইছিল এক লক্ষ বাঙালী - নীতিশ বৈরাগী
- গবেষনা পত্র রেফারেনস ম্যানেজার - এস এম মাহবুব মুর্শেদ
- তাহলে জিয়ার মুখেই শুনুন - অমি রহমান পিয়াল
- "গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা
- লাল দরজা
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- তাজউদ্দিন আহমেদ - নিঃসঙ্গ সারথি ( যারা দেখতে চান: উতসর্গ - "জেনারেল") - এস্কিমো
- ভিনদেশী মানুষ, আমাদের বীরপ্রতিক : : তবু নাগরিক নয় !!! - হাসান মোরশেদ
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- রাজাকাররে জবানবন্দি (চলবে) - মিসকিন
- টয়লেটবধ অকাব্য - হিমু
- ২৬ মার্চ, ১৯৭১ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার একটি প্রমাণ : টেলেক্স প্রিন্ট আউট - অমিত
- ওদের জ্ঞান দাও প্রভু,ওদের ক্ষমা করো! - ফারহান দাউদ
- সেই সব মা জননীদের আমাদের প্রনাম - ইরতেজা
- বাংলা বই ফ্রি ডাউনলোড করুন - রেজা রহমান
- মওদুদী মাদারীর গল্প - সুমন চৌধুরী
- ছড়া দিলাম ছড়িয়ে - কামভাই
- কবিতা ।। বড়লোকদের সঙ্গে আমি মিশতে চাই (2002) - ব্রাত্য রাইসু
a little knowledge of science makes man an atheist, but an in-depth study of science makes him a believer in God - Francis Bacon

সাইদী : নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৪:২০
১.
"লোকটা দৌড়াচ্ছে। পিছনে এক বাঘ তাড়া করতেছে। লোকটা জীবন হাতে নিয়ে দৌড়াচ্ছে। প্রচন্ড বেগে দৌড়াতে হচ্ছে আর কিছুক্ষণ পরপর পিছনে ফিরে থাকাতে হচ্ছে কখন বাঘটা কাছে চলে আসে আবার। দৌড়াতে দৌড়াতে একটু দূরে একটা গাছ দেখা গেল। গাছের কাছে আসল। তাড়াতাড়ি গাছে বেয়ে উঠল। উঠে একটা ডালে উঠে বসল। নিচে বাঘটা এসে গাছের নিচে দাড়ি্য়ে আছে। যে পাশে বাঘ দাড়িয়ে আছে সেপাশ ছাড়া অন্য সবপাশে বিশাল গর্ত। গর্তের মধ্যে বিরাট বিরাট সাপ, বিচ্ছু অন্য ভয়ংকর পোকামকড়। নিচে নামলেই বাঘে ধরবে। গাছ থেকে পড়ে গেলেই সাপে খাবে। এমন সময়ে দেখা গেল একটা সাদা পাখি আরেকটা কাল পাখি যে ঢালে সে বসে আছে সে ঢালে ঠোঁট দিয়ে আঘাত করতেছে আর ঢালটা আস্তে আস্তে কেটে যাচ্ছে। ঢাল কেটে গেলেই সে গর্তে পড়ে যাবে। মহাভয়ংকর অবস্থা। সে চিন্তা করে কাঁপতেছে প্রচন্ডভাবে। হঠাৎ তার মাথায় একটা কি যেন পড়ল। উপরের দিকে থাকিয়ে দেখে একটা মধুর চাক। সেখান থেকে ফোঁটা ফোঁটা মধু পড়তেছে।একটু চেখে দেখল সে জিবে নিয়ে। খুব মিষ্টি। সে গাল হা করে মধু খেতে আরম্ভ করল। মধুর চাকের দিকে হা করে মধু খেতে খেতে সে বাঘের কথা, গর্তের কথা, সাপের কথা, পাখির কথা ভুলে গেল।সে সুমিষ্ট মধুর জগতে হারিয়ে গেল।"
হঠাৎ লোকটার স্বপ্ন ভেংগে গেল। বুঝল এতক্ষণ সব স্বপ্ন ছিল। এরকম অদ্ভুত স্বপ্ন দেখার কারন কি সে বুঝতে চেষ্টা করল। এক বুজুর্গ লোক ছিলেন এলাকায় যিনি স্বপ্নের ব্যাখ্যা করতেন। সকাল উঠেই তার কাছে গেল। তিনি সব শুনে বললেন "আসলে এটা সব মানুষের জন্যই বাস্তবতা, স্বপ্ন নয়। যে বাঘটাকে দেখলেন সেটা আজরাইলের প্রতিমূর্তী। মৃত্যু যে আমাদের প্রতিমুহুর্ত্যে তাড়া করতেছে সেটাই এটা বুঝাচ্ছে। গর্তটা হল কবর। কবরের আযাব বুঝাচ্ছে গর্তের মধ্যে সাপ, বিচ্ছু দিয়ে। পাখি দুটা দিন আর রাতকে বুঝাচ্ছে। গাছের ঢালটা হল আমাদের হায়াত। রাতদিন কাটতে কাটতে আমাদের হায়াত ফুরিয়ে যাচ্ছে। যেকোন সময় মৃত্যু হবে আর কবরে যেতে হবে। মধুটা হচ্ছে দুনিয়ার লোভ, সম্পত্তি, টাকা পয়সা। আর দুনিয়ার লোভে পড়ে আমরা মৃত্যুর কথা, কবরের কথা, হায়াতের কথা সব ভুলে বসে আছি, আছি দুনিয়ের সুখ নেওয়ার তালে।"
২.
এই কাহিনীটা ছিল ক্লাশ ফাইভে থাকাকালীন সময়ে শুনা। সাইদীর ওয়াজের ক্যাসেট ছিল আমার কাজিনের কাছে। সেখানে প্রথম সাইদীর ওয়াজে শুনেছিলাম এটা। চট্টগ্রামে সাইদী'র সম্মেলন "ইসলামী সমাজকল্যান সংস্থা" নামক জামাত শিবিরের একটা সংগঠনের ব্যানারে হয়। সম্মেলনের নাম "তাফসীরুল কোরআন মাহফিল"। আমার এক চাচাতভাই সাইদীর খুব ভক্ত ছিল। সাইদীর ওয়াজের সব ক্যাসেট উনার কাছে ছিল। আমার সাইদীর সাথে পরিচয় খুব ছোট বয়সে। চাচাতভাইয়ের বাসায় সাইদীর ওয়াজের ক্যাসেট শুনলাম। বলতে দ্বিধা নেই যে সাইদীর ওয়াজ মনে খুব দাগ কেটেছিল। আমি প্রায়ই সাইদীর ওয়াজ শুনার জন্য চাচাতভাইয়ের কাছে যেতাম। সাইদীর কন্ঠ খুব সুন্দর। কোরাণের আয়াতগুলো অসাধারণ কন্ঠে পড়েন। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে দেখলে যে কেউ তার ওয়াজ পছন্দ করবে। স্বপ্নের কাহিনীটা শুনে প্রায়ই রাতে আমি দঃস্বপ্ন দেখে জেগে উঠতাম। দিনের বেলায় পিছনে বাঘের ভয়ে থাকতাম। মৃত্যুর চিন্তাটা খুব ছোট বেলায় ঢুকে গিয়েছিল মনে। সাইদীকে ভীষন পছন্দ করা শুরু করলাম। বাসায় আব্বা এসব আনতে দিতেননা। সাইদীর ওয়াজ শুনতেছি বললে বাসা থেকেই বের করে দিবেন। তাই লুকিয়ে লুকিয়ে সাইদীর ওয়াজ শুনতাম কাজিনের বাসায় গিয়ে।
আরেকটু বড় হওয়ার পর সাইদীর ওয়াজ অনেক অনেক বার শুনা হয়ে গেছে। ক্লাশ এইট-নাইনে উঠার পর আমি সাইদী এক্সপার্ট হয়ে গেলাম। সাইদীর সব ওয়াজ মুখস্ত। এমনকি নতুন ওয়াজের ক্যাসেটেও আমার জন্য নতুন কিছু ছিলনা। তার ওয়াজের প্যাটার্ন, কখন কোরাণের কোন আয়াত বলবে সব আমার আগে থেকেই জানা। তাই আগের মত আর তার ওয়াজে তেমন মজা পাইনা। আস্তে আস্তে সে সময়ে আমি রাজনীতি সম্পর্কেও সচেতন হচ্ছি। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম সম্পর্কে পড়তেছি। মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতেছি। নিয়মিত দৈনিক পত্রিকা পড়া শুরু করলাম। যাযাদি তখনও দালালি শুরু করেনি। তাই যাযাদি গোগ্রাসে গিলতাম। জামাতিদের সম্পর্কে ধারণা পরিষ্কার হল। উল্লেখ্য পাঠ্যপুস্তকে রাজাকারের কথা লিখা থাকলেও কোথাও কারা সেই রাজাকার সেটা লেখা থাকতনা। কোন একটা সাপ্তাহিকে সাইদী সম্পর্কে আর্টিকল পড়লাম। নিজামী, গোআ'দের কাহিনী পড়লাম। স্থানীয় কিছু বড়ভাইদের কাছ থেকে এ ব্যাপারে আরও জানলাম। সাইদীর প্রতি যে মোহ ছিল সেটা গিয়ে চরম ঘৃণা জন্ম নিল। গোআ হয়ে গেল আমার থলিতে সবচাইতে বড় গালি। আমরা বন্ধুরা কাউকে গালি দিতে চাইলে বলতাম "শালা, তুই একটা গোলাম আজম।"
৩.
কিন্তু তখনও সাইদীর ব্যাপারে একটা বিষয়ে আমার মনে খটকা থেকে গেল। এই লোকটার ওয়াজে এখন খালি আ'লীগকে গালি দেওয়া ছাড়া আর কিছুই থাকেনা। জামাতি কথা প্রচার করাই তার ওয়াজের মেইন ফোকাস হয়ে গেল। আর শেখ হাসিনার প্রতি কুইংগিত করা তার ফ্যাশান। তাহলে তার ওয়াজে এত মানুষ আসে কোথ্থেকে। উল্লেখ্য চট্টগ্রামে ছাড়া অন্য কোন এলাকায় তার ওয়াজে এত লোক আসেনা। ঢাকা মিরপুরেই তার ওয়াজ হয়। লোকসংখ্যা বড়জোড় ৩ হাজার। এই ব্যাপারটা আমার মাথায় ঢুকল। চিন্তা করে দেখলাম চট্টগ্রামে চট্টগ্রাম কলেজ, মহসিন কলেজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং আরো অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিবিরের দখলে। সাতকানিয়ায় শিবিরের বড় ক্যান্টনমেন্ট। তাছাড়া চট্টগ্রামের লোক কোন বিচিত্র কারনে ওয়াজের ভক্ত। হয়ত অতিমাত্রায় মাদ্রাসা আর মাজারের কারনে তাদের এ বকধর্মিকতা। ওয়াজ শুনে পরের দিনই ফজরের নামাজে আর পাওয়া যায়না। এ বকধার্মিকতা নিয়ে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের একটা চুটকি আছে। পরে একসময় বলতে চেষ্টা করব। তবে সাইদীর ওয়াজের মুল আবেদন অন্য জায়গায়। তার কন্ঠ খুব সুন্দর সেটা সন্দেহ নেই। কিন্তু সবচাইতে আকর্ষনীয় বিষয় হল তার ওয়াজের পর অন্তত পক্ষে দশবারজন হিন্দুর মুসলমান হয়ে যাওয়া। এটা খুবই অবাক করা বিষয়। তাই সাইদীকে চরম ঘৃণা করা শুরু করলেও এই বিষয়টা আমাকে খুব ভাবাতে শুরু করল।
৪.
২০০০-০১ সালের দিকে। তখন এইসএসসিতে পড়ি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে। চবি স্বভাবতই শিবিরের ঘাঁটি। আমার ক্লাসমেটদের মধ্যে অনেকেই শিবিরের সাথে সরাসরি জড়িত। তাদের হাতে সেসময়ই মোবাইল। তবে এদের সবচাইতে আশ্চর্য্যের বিষয় হচ্ছে তারা ছিল ক্লাসে সবচাইতে লুইচ্চাটাইপ ছেলে। একদিকে ইসলাম আনার জন্য জানপ্রাণ অন্যদিকে মেয়েদের সাথে নোংরামিতে তারা সবার আগে।
সে সময়ই চট্টগ্রামে সাইদীর ওয়াজ মাহফিল। কিন্তু এবার লোকজন বেঁকে বসেছে। তাফসীরুল কোরআনের নামে জামাতি ধ্যানধারণা প্রচার, রাজনৈতিক প্রচারণা চালানোর জন্য মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোকজন তাকে মাহফিল করতে দিতে রাজি নয়। বিরাট আন্দোলন শুরু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সে অন্য একটা জায়গায় সম্মেলন করল। আমার কাজিনের কথা আগেই বলেছি। তিনি সাইদী'র একনিষ্ঠ ভক্ত। কিন্তু এবার দেখি সাইদীকে ওয়াজ করতে না দিলেও তিনি কোন মিছিল মিটিং করলেননা। এমনকি সাইদী'র ওয়াজেও গেলেননা। ঘটনা কি জানার জন্য আগ্রহ বোধ করলাম। কাজিনকে জিজ্ঞেস করলাম। কিন্তু তিনি আমাকে বামপন্থি মনে করাতে কোনমতেই বলেননা। অনেক চাপাচাপির পর বলতে রাজি হলেন। তিনি নাকি বিশ্বস্থ সুত্রে খবর পেয়েছেন সাইদীর ওয়াজে হিন্দুদেরকে মুসলমান বানানোর যে নাটক করা হয় তা সম্পূর্ণ বানানো। অন্যান্য জেলার শিবির, জামাত কর্মীদেরকে হিন্দু সাজিয়ে আনা হয় আর মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য তাদেরকে মুসলমান বানানো হয়।
৫.
আমি তার কাছে কথাটা শুনলেও বিশ্বাস করতে পারিনি। এত বড় জোচ্চুরি কিভাবে সম্ভব? তাই আরো অনেক চিন্তা করলাম। চিন্তা করে দেখলাম একজন মানুষের জীবনে ধর্ম একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে। ইন ফ্যাক্ট, ধর্মের মত এত গুরুত্বপূর্ণ স্থান মনে হয় আর কিছুর নেই। যে কোনদিন নামাজ পড়েনি, পড়েনা, ধর্মীয় অন্য কোন কাজই করেনা সেও নিজেকে মুসলমান পরিচয় দেয়। একই কথা প্রযোজ্য অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্যও। এমনকি সুনীল গাংগোপাধ্যায়ের বইয়ে পড়েছি নাস্তিকরা যখন কোন বিপদে পড়েন এবং কোন উপায় থাকেনা তখন নাকি আল্লাহকে বলেন "হে আল্লাহ, এবারের মত মাফ করে দাও। কথা দিচ্ছি এবারের পর আর নাস্তিক থাকবনা!" তাছাড়া দেখা যায় তারা জানাজা পড়াতে নিষেধ করেননা, কবর দিতেও না। বিয়ে করার ক্ষেত্রেও ধর্ম মেনেই বিয়ে করেন। একইভাবে চরম বিশ্বাসী লোকের মনেও মাঝে মাঝে নাস্তিকতা দানা বাঁধে। আসলে এবসলিউট নাস্তিক বা আস্তিক কেউ নেই। তো যা বলছিলাম, আসলে ধর্ম অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর। কেউ নিজের ধর্ম পরিবর্তন আগে অনেক ভাববে। ধর্ম পরিবর্তন করার পরে অনেক সামাজিক প্রতিবন্ধকতার মধ্যে থাকতে হয়। তাছাড়া কোন শিক্ষিত মানুষ ধর্ম পরিবর্তন করতে গেলে তাকে এবসলুটলি নিশ্চিত হতে হবে যে তার ধর্ম ভুল এবং যে ধর্ম সে নিচ্ছে সেটাই সঠিক ধর্ম। অন্য অনেক বিবেচনাও থাকতে পারে। কিন্তু যেটাই হোক, ধর্ম পরিবর্তনের জন্য তাকে অনেক ভাবনা চিন্তার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রে এসে তাবলীগের জামাতে গিয়ে যারা খ্রীষ্টান থেকে মুসলমান হয়েছে এরকম মানুষের সাথে কথাবার্তা বলেও বুঝতে পারলাম তারা অনেকদিন চিন্তাভাবনা করেই মুসলমান হয়েছেন। বাংলাদেশের মত দেশে যেখানে ব্যক্তিস্বাধীনতা নেই সেখানে এটা আরো অনেক জটিল বিষয়। তাই কোন হিন্দু মুসলিম হওয়ার আগে তাকে অনেক ভাবতে হবে। তার ডিসিশানের পরিণতি কি সেটা চিন্তা করতে হয়। তার পরিবারের কথা ভাবতে হয়। সমাজের কথা ভাবতে হয়। সাইদীর ওয়াজে যেটা থাকে সেখানে কোনমতেই কোন হিন্দু ওয়াজ শুনার জন্য যাবেনা। তার ওয়াজে সাম্প্রদায়িক উস্কানি থাকে। এম্নি্তেই হিন্দুরা জামাতিদেরকে প্রচন্ড ভয় পাই। একাত্তরে এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় হিন্দুদের উপর জামাতিরা যা অত্যাচার করেছে তাতে জামাতিদেরকে তারা চরম ঘৃণা না করে উপায় নেই। তাছাড়া সাইদীর ওয়াজে ইসলাম নিয়ে আলোচনার চেয়ে রাজনৈতিক প্রপাগান্ডাই বেশি। আর কোন হিন্দু মুসলমান হওয়ার নিয়ত করলেও সারা বছর বসে থেকে শুধুমাত্র সাইদীর ওয়াজে গিয়ে মুসলমান হয়ে আসবে এটা পাগলেও বিশ্বাস করবেনা। এতে কোন সন্দেহ নেই যে সাইদীর ওয়াজে হিন্দুদেরকে মুসলমান বানানোর যে নাটক করা হয় সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা, জোচ্চুরি এবং ধোঁকা ছাড়া কিছুই নয়। সাধারণ মুসলমানদেরকে বোকা বানিয়ে জামাতিদের ফায়দা নেওয়াই এর একমাত্র উদ্দেশ্য। অবশ্য যারা ৭১-এ মা-বোনকে শত্রুদের হাতে তুলে দিতে পারে, নিজের দেশের মানুষকে মেরে ফেলতে পারে, কোনদিন অধ্যাপক না থেকেও নিজেকে অধ্যাপক হিসেবে পরিচয় দিতে পারে, ইসলামকে নিয়ে ব্যবসা করতে পারে তাদের জন্য এ ছোট্ট প্রতারনা তেমন কিছুই নয়।
নরাধম বলেছেন:
প্রথমে একবার পোস্ট করলাম। কিন্তু প্রথম পাতায় আসেনি। তাই আবার করলাম। পোস্ট হয়ত আবার প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দিতে পারে।
রাশেদ বলেছেন:
অসাধারন লেখা। ধর্ম ব্যবসায়ীর পরিচয় ফাঁস করার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: রাশুদা, লম্বা লেখা পড়া এবং কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
অবশ্য যারা ৭১-এ মা-বোনকে শত্রুদের হাতে তুলে দিতে পারে, নিজের দেশের মানুষকে মেরে ফেলতে পারে, কোনদিন অধ্যাপক না থেকেও নিজেকে অধ্যাপক হিসেবে পরিচয় দিতে পারে, ইসলামকে নিয়ে ব্যবসা করতে পারে তাদের জন্য এ ছোট্ট প্রতারনা তেমন কিছুই নয়অসাধারন লেখা। ধর্ম ব্যবসায়ীর পরিচয় ফাঁস করার জন্য ধন্যবাদ। + প্রিয়।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লোকালটক বলেছেন:
ভালা লিখছেন। নরাধম্ভাইয়ের বাড়ি চিটাগাঙ্গের কুন থানা?
লেখক বলেছেন: লোকালটক, আমি গাঁও গেরামের পোলা। হাটহাজারী থানা।
রাহাত আহমেদ বলেছেন:
প্লাস দিলাম ....।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
নির্বাসিত বলেছেন:
দুর্দান্ত লেখা। এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম। অনেক নতুন কিছু জানলাম। ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: নির্বাসিতদা, পড়া এবং কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লোকালটক বলেছেন:
গেছিলাম একবার চৌধুরীর হাটে, গুমানমর্দনে- বহুত আগে।
লেখক বলেছেন: হুমম.....আমার বাড়ির পাশেই। ![]()
![]()
![]()
লেখক বলেছেন: হুমম.....আমার বাড়ির পাশেই। ![]()
![]()
![]()
লেখক বলেছেন: ইমনভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ফেলুদা বলেছেন:
এক নিশ্বাসে পড়ার মতোই। + দিলাম
লেখক বলেছেন: ফেলুদা, অনেক ধন্যবাদ।
নাবিক বলেছেন:
বিশ্লেষণ চমতকার। তবে ধারণা থেকে লেখা। প্রমান দিতে পারলে লোকজন বিশ্বাস করবে। নাইলে মিথ্যা ধারনার জন্য নিজে সহ সবাইকে গুনাহগার করলেন।
লেখক বলেছেন: হুমম.............প্রমাণ আর কি চান? সাইদীর ওয়াজ শুনলেই বুঝবেন সেটা শুনে কোনদিন কেউ মুসলমান হবেনা।
`হাসান বলেছেন:
ভালো লিকা +
সাইদীর ক্যাসেট এক সময় ব্যাপক হিট ছিল, এখন আর সেরকম নাই কারন লোকজন এখন ঐ রাজাকার সমন্ধে ওনেক সচেতন।
লেখক বলেছেন: গন্ডু, ঠিক বলেছ।
এস.এম.আলম বলেছেন:
ফাটায়া লাইছেন। হালায় যে স্বপ্নের কতা কয় এগিলিও সব বানানি, নিজে বানাই বানাই গঠনা সাজায়। তয় দ্যাশের সবজায়গায় সাইদির জনপ্রিয়তা সমান ছিল না কতা সইত্য। খিয়াল কইরা দেখেন চিটাগঙ নুয়াখালি, পৌট্টাখালি, বত্তমানে নর্থ বেঙ্গল এরম কিছু সমস্যাপুর্ন এলাকাত পীর ফকির সাইদি গোদাযম জমির রেজাকার এগোর উৎপাত বেশি
লেখক বলেছেন: শমশেরভাই, মনের কথা বলেছেন। অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মিরাজভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ।
নাবিক বলেছেন:
আরেকটা কথা। বাংলাদেশের মানুষতো হুজুগে নাচে। আমরা কি বিদেশীগো মতো পড়াশুনা কইরা সিদ্ধান্ত নেই নাকি?ফুটপাথের লেকচার শুনে আমরা ঔষধ কিনি।
গরম বক্তৃতা শুনে বাসে আগুন দিয়ে মানুষ মারি।
এগুলো পশ্চিমে কল্পনা করতে পারেন?
পশ্চিমারা আমাদের দেশে আইসা মাঠে হাটে চইষা দেন রিপোর্ট আর আমরা রিপোর্ট করি কাজিন বলেছে এ বরাত দিয়ে।
আমাদের মাথা আসলেই খুব উর্বর।
লেখক বলেছেন: হুমম...........।
লেখক বলেছেন: কৈলাশভাই, অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: নাদু, অনেক ধন্যবাদ।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
নরু ! পোস্ট বড় গম অইয়ে ! সাঈদীর ওয়াজততো আঁয়য়ো দুইএগবার গেই ! কিছু প্রমাণ টমান ছাড়িদিত্তারনি চ' জমিবো...
লেখক বলেছেন: আরাশি বদ্দা, ধইন্যাফাতা। আছলে হন সাম্বাদিক থাহিলি চেক গইরলি আঁর বিশ্বাস সাইদী ধরা ফরিবু।
জেনারেল বলেছেন:
জটিল হইছে বস!!
লেখক বলেছেন: জেনারেল, বস্ কইয়া লজ্জা দিয়েননা। আপনাদেরকে বস্ মানি।
না বলা কথা বলেছেন:
এই বয়সে আরো কত কিছু দেখুম।
লেখক বলেছেন: হ, আরো কত কিছু!!!
আওরঙ্গজেব বলেছেন:
অনেক লম্বা.।
লেখক বলেছেন: সাইদীর কাহিনী, লম্বা না হয়ে উপায় আছে????
লেখক বলেছেন: বস্, অনেক ধন্যবাদ।
না বলা কথা বলেছেন:
@অোওরংগজেবঃ অনেক লম্বা কইলা-মাগর নিজের পোস্টে তো সুয়েজ খাল বসাইয়া রাখচো।
বগলের ঘ্রান খুইজ্জা পাওনা ,এঁ।
লেখক বলেছেন: হাহাহা............।
মানুষ বলেছেন:
সাঈদী সুকন্ঠের অধিকারী। প্রভাব কিছু ফেলে মনের উপর এটা ঠিক। কথিত আছে ইবলিশও নাকি মিষ্ট মধুর বাক্যে মানুষকে প্রাভাবিত করার চেষ্টা করে।
লেখক বলেছেন: মানু, তোমারে উত্তম জাঝা।
প্প্বপ্প্বেষপ্প্ব্ত্রপ্প্বুপ্প্ম্লপ্প্ম্ম....... বলেছেন:
বদ্দা ফাটা-ফাটি...+++++
লেখক বলেছেন: বদ্দা, ধইন্যবাদ।
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
আপনি নাম নরাধম নিলেও আশলে বিড়াট উচুতালের মানুশ। ছোটকাল থেকে আপনি সাঈদীর সব ওয়াজ মুখস্ত করে ফেলছেন?
আপনার বয়স কেমন হল এখন?
গুরু জনেরা বলে যারা জামাত শিবিরের সংস্পর্ষে আশে তাদের মগজ ধোলাই হয়ে যাই। সাঈদীর সব ওয়াজ মুখস্ত করেও আপনি আপনার বেরেন ঠিক রাখতে পারছেন, মুক্তি যুদ্ধের প্রকৃত রস আস্বাদন করতে পারছেন, সর্বাপরি "গোয়া" বলে গাল দিয়ে পারছে............ আপনার এই পার্সনাল আচিভমেন্ট কে আমি স্বাগতঃ জানাই।
লেখক বলেছেন: আপনার দয়ার শরীর মশাই।
বুড়া শাহরীয়ার বলেছেন:
আমি অই পদক দিয়া তুমার উপরে ইউজ করুম জেনারেল
একে ৪৭ বলেছেন:
জেনারেল একটা কগু সে এইটা তে মজাই পাইব বুইড়া।
এস্কিমো বলেছেন:
এক কথায় অসাধারন। বিশেষ করে শেষের যুক্তিটা। সাইদীর ওয়াজ শুনতে হিন্দুরা যাবে এটা বিশ্বাস করা কঠিন। আর ওয়াজ শুনে একজন হিন্দু মুসলমান হয়ে যাবে - এটা অসম্ভব।
প্রসংগক্রমে বলি - গতকাল সিবিসিতে একটা ডকুমেন্টরী দেখালো আরেক ধর্ম ব্যবসায়ীকে নিয়ে - নাম ব্যানি হ্যান।
এখানে দেখতে পারেন।
Click This Link
ধর্ম ব্যবসায়ীরা সবাই একই রকম।
আবারো অভিনন্দন - চমৎকার লেখাটার জন্যে।
লেখক বলেছেন: এস্কিমোভাই, অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনার সাথে একমত। আপনার ছেলের খবর কি?
নাবিক বলেছেন:
জাতীয় সংসদে একটা নিয়ম আছে জানি। সে সংসদে গিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে পারবেনা তার বিরূদ্ধে কোন সাংসদ কিছু বলতে পারবেনা। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ এটা মানুষের মৌলিক অধিকারগুলোর একটি।
নরাধম মাওলানা সাঈদী সাহেবের বিরূদ্ধে কোন প্রমাণ ছাড়াই কল্পনাপ্রসুত জঘন্য অপবাদ আরোপ করেছে। সামোরাইন ভালো করেই জানে সাঈদী সাহেব আত্মপক্ষ সমর্থনের এখানে আসবেন না।
জাতীয় ব্যাক্তিত্বদের চরিত্র হননকারী এ সব পোষ্ট বাতিল করার জন্য সামোরাইনের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি।
না হয় নরাধমকে বলা হোক প্রমাণ হাজির করতে।
কুতসা রটনা করে কি আসলেই বড় হওয়া যায়?
লেখক বলেছেন: সাইদী জাতীয় ব্যক্তিত্ব? মাথা ঠিক আছে? আমি বড় হইতে চাইনা, এম্নিতেই বেশি লম্বা হওয়াতে অনেক সমস্যায় আছি। আমি যা বলেছি তার বিরুদ্ধে কোন কিছু বলার থাকলে বলেন। নাহয় ফুটেন।
আর.এ. বলেছেন:
"সাইদীকে ভীষন পছন্দ করা শুরু করলাম.......... সাইদীর প্রতি যে মোহ ছিল সেটা গিয়ে চরম ঘৃণা জন্ম নিল।""............ আপনার এই পার্সনাল আচিভমেন্ট কে আমি স্বাগতঃ জানাই। "
আর এই নাবিকের প্রবলেমটা কি?
লেখক বলেছেন: উহারা শিবিরের পাচাটা দালাল। রাজাকারি উহাদের পেশা।
খুব ভাল লাগল কমেন্ট পেয়ে। খুব খুব ভাল!
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা.............
লেখক বলেছেন: নাম পছন্দ করে একটা দিয়া দেন। নাহয় ব্লগের সবাইকে নাম দেওয়ার জন্য বলেন। সেখান থেকে পছন্দ করে একটা দিয়া দেন। এস্কিমোভাই, আপনি কি টরন্টোতে?
লেখক বলেছেন: আমি নরথ ক্যারোলাইনাতে। টরন্টোতে মামা-মামী থাকেন। একদিন দেখবেন আপনার দরজায় নক করতেছি আপনার ছেলেকে দেখার জন্য !!!!
মুকুল বলেছেন:
অকপট সত্য কথন। চমৎকার লেখা। এক নিঃশাসে পড়লাম। এভাবে ইসলাম নিয়ে ব্যবসা করা ভন্ডের মুখোশ খুলে দেয়ার জন্য আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ। আর পরকালে আল্লাহ নিশ্চয় আপনাকে উত্তম প্রতিদান দেবেন। লেখক বলেছেন: মুকুলভাই, লোকজন কয় পরকালের বেহেস্তের টিকিট সাইদীর হাতে!!!
+
লেখক বলেছেন: মেহরাব শাহরিয়ারভাই, অনেক ধন্যবাদ।
মুকুল বলেছেন:
যারা দাবী করে বেহেস্তের টিকেট দিতে পারে, তারাই ধর্মের শত্রু, শয়তানের দোসর। যুগে যুগে এ ধরনের লোকজনই মানুষকে ধর্মান্ধ করেছে, উসকানি দিয়েছে, আমাদের প্রিয় নবীদের হত্যা করেছে।প্রত্যেক মানুষই তার নিজের কর্মফল অনুযায়ি প্রতিদান পাবে। বেশিও না, কমও না। তাই ধর্ম ব্যবসায়ীদের কথায় আমরা বিভ্রান্ত হই না।
লেখক বলেছেন: মুকুলভাই, একমত।
আর.এ. বলেছেন:
নাবিক, আপনি আমাদের এই দেশের মানুষ গুলিকে ঠিকমত চিনতে পারেন নাই।"সাঈদী সাহেবের" মত "জাতীয় ব্যাক্তিত্বদের চরিত্র " আমাদের দেশের মানুষ গুলি অসম্ভব ভালো ভাবেই জানে। তাই এসব "জাতীয় ব্যাক্তিত্বদের চরিত্র " নতুন করে আপনাকে উপস্হাপন করার দরকার নাই।আর "কল্পনাপ্রসুত জঘন্য অপবাদ ","কুতসা রটনা" .... এত সুন্দর শব্দচয়ণ!!!পড়ে মজা লাগল।আরো লিখবেন।
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা............আমিও পড়ে মজা পাইলাম। অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ভুতঅদ্ভুত বলেছেন:
"আসলে এবসলিউট নাস্তিক বা আস্তিক কেউ নেই। "এক কথায় চমৎকার লেখা এবং বিশ্লেষণ। আমি আপনার লেখার ভক্ত হয়ে গেছি।
সাঈদি একটা ভন্ড।















