আমার প্রিয় পোস্ট
- মুক্তমনার অভিজিৎ ও বিপ্লব পাল- বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ, ল্যামার্ক, লাইসেঙ্কো, নভেম্বর বিপ্লব, সমাজতন্ত্র, কেরোনস্কি, প্রতি বিপ্লব, পুঁজিতন্ত্র, ঠিকাদারতন্ত্র.... ইত্যাদি - দিনমজুর
- বিক্ষিপ্ত ভাবনা - আউলা
- মুসলিমদেরকে কোরআনের মত স্মার্ট হতে হবে - একলা একজন
- দুশ্ঠ মডারেঠরের অথ্যাছারে কাগুর যেসপ লিকা তার নিজের পুশ্ঠ আর্কাইবেই জমা পরে নাই - আলিফ দেওয়ান
- উপমহাদেশে হিংসার হাওয়া : ভারতের ফ্যাসিবাদের উত্থান - ফারুক ওয়াসিফ
- জৈন কারা? - ইমন জুবায়ের
- আত্নসমর্পন অনুষ্ঠানে ওসমানির অনুপস্থিতি বিতর্কঃ ২য় বিশ্ব যুদ্ধের পর এত বড় কোন সৈন্য দল নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে অপমান জনক পরাজয় বরন করে পাকিস্তান - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ৩৫ বছর পরও তোমার মাংস খাওয়া কুকুরেরা রয়ে গেছে, মা জননী! - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- রাজাকারদের পুত্র কন্যারা কোথায় লেখাপড়া করেছে? - রুহুল্লাহ
- ৫০ জন যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রকাশ করেছে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম - অণৃণ্য
- মধ্যবিত্তের পরিচয়চিহ্ন ০৬ (শেষ পর্ব) - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- আমার বস যদি কোন ব্লগের মডারেটর হইতেন! - এস্কিমো
- হুমায়ূন আজাদের কয়েকটি ত্রিকালদর্শী প্রবচন । (উতসর্গঃ বিশ্বের সকল মুক্ত মন কে) - সিহাব চৌধুরী
- ফিরে দেখা ইতিহাস : ভাষা আন্দোলনের দিনপন্জী (১৯৪৭-৫৬)। উৎসর্গ - সকল ভাষাশহীদকে - মিরাজ
- একুশের প্রথম কবিতা - লাইটহাউজ
- জামাতের নেতা সাইদি কোরআন ব্যাখ্যার নামে সমাবেশে মুলত বিদ্বেষ ছড়ায়। - এস্কিমো
- সে প্রথম প্রেম আমার ... - মানুষ
- নেকাব সরান কর্তৃপক্ষ : আসলে আপনারা কি চান? (অমি রহমান পিয়াল) - রাশেদ
- আজকাল অনেক কিছুই মনে থাকে না - মুকুল
- পাকমন পেয়ার: আস্তমেয়ের শেঁকড় সন্ধানের অনাদায়ী দেনা সঞ্চিতি! - আনোয়ার সাদাত শিমুল
- বাংলা যখন হিন্দি হলো ... হায় রবীন্দ্রনাথ!! - রাগিব
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আপনার বউ এবং গার্লফ্রেন্ডকে কিভাবে ঝগড়ায় হারাবেন- দশটি উপায় - সালিশদার
- বঙ্গবন্ধুর ক্ষমা, জামাতের রাজনীতির অধিকার এবং অন্যান্য প্রসংগ - - এস্কিমো
- সিমলা চুক্তির কোথাও যুদ্ধাপরাধীদের মুক্তি বা বিচার না করার কোনো কথা নেই - শওকত হোসেন মাসুম
- বঙ্গবন্ধু কি সত্যিই দালালদের ক্ষমা করেছিলেন? আসুন নতুন করে ট্রুথ কমিশন গঠনের দাবি জানাই - শওকত হোসেন মাসুম
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গ :শিশুর সাথে আরেকটি আলাপচারিতা - আরিফ জেবতিক
- হায়দার মওদুদী - আব্দুল মওদুদীর পোলা বলেন - সালিশদার
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে নিয়ে কিছু কথা - অমি রহমান পিয়াল
- অ্যাগ্রো-ফুয়েল ও বিশ্ব ক্ষুধা - দিনমজুর
- বঙ্গভঙ্গ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট - বিবর্তনবাদী
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - একটি অহেতুক বিতর্কের জবাব - সু-শান্ত
- পাঞ্জেরি (উচ্চ মাধ্যমিকের কবিতার প্যারোডি) - বহুরূপী মহাজন
- জামাতী চিন্তাধারার দেউলিয়াত্ব: - আড্ডাবাজ
- কবিতা - পরাজয় আমার জন্য নয় - আদনান ফায়সাল
- ত্রিশ লক্ষ শহীদ : মিথ নাকি বাস্তবতা ? - লাইটহাউজ
- ফিরে দেখা ১৯৭১ - পূর্ব পাকিস্তান যেখানে আকাশও কাঁদে : স্বাধীনতা পূর্বাপর গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার দলিলসমূহ - ১১ - মিরাজ
- শুধু খুলনাতেই শহীদ হইছিল এক লক্ষ বাঙালী - নীতিশ বৈরাগী
- গবেষনা পত্র রেফারেনস ম্যানেজার - এস এম মাহবুব মুর্শেদ
- তাহলে জিয়ার মুখেই শুনুন - অমি রহমান পিয়াল
- "গন্ডগোলের দিন গুলি" গো.আ সাহেবের একাওর নামা
- লাল দরজা
- সংখ্যা ব্লগ : আমাদের মুক্তিযুদ্ধ - মিরাজ
- যে বই গুলো পড়া দরকার (সবগুলোর লিস্ট) - সপ্নীল
- তাজউদ্দিন আহমেদ - নিঃসঙ্গ সারথি ( যারা দেখতে চান: উতসর্গ - "জেনারেল") - এস্কিমো
- ভিনদেশী মানুষ, আমাদের বীরপ্রতিক : : তবু নাগরিক নয় !!! - হাসান মোরশেদ
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- রাজাকাররে জবানবন্দি (চলবে) - মিসকিন
- টয়লেটবধ অকাব্য - হিমু
- ২৬ মার্চ, ১৯৭১ মুজিবের স্বাধীনতা ঘোষনার একটি প্রমাণ : টেলেক্স প্রিন্ট আউট - অমিত
- ওদের জ্ঞান দাও প্রভু,ওদের ক্ষমা করো! - ফারহান দাউদ
- সেই সব মা জননীদের আমাদের প্রনাম - ইরতেজা
- বাংলা বই ফ্রি ডাউনলোড করুন - রেজা রহমান
- মওদুদী মাদারীর গল্প - সুমন চৌধুরী
- ছড়া দিলাম ছড়িয়ে - কামভাই
- কবিতা ।। বড়লোকদের সঙ্গে আমি মিশতে চাই (2002) - ব্রাত্য রাইসু
a little knowledge of science makes man an atheist, but an in-depth study of science makes him a believer in God - Francis Bacon

কুত্তার বা্চ্চাদের জ্বালায় পারতেছিনা আর (নরাধমের আত্মকথন)।
২১ শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৪:২৫
আমি ছোটকাল থেকে কুত্তাকে ভয় পাই। গরুকেও ছোটকালে ভয় পেতাম, কোরবানীর ইদের গরু আমাকে একবার শিং মারার জন্য তাড়া করেছিল এর পর থেকেই! তবে কুত্তার ভয়টা আমার এখনও যায়নি। কুত্তা থেকেও কুত্তার বাচ্চাদের বেশি ভয় পাই। কুত্তার বাচ্চা দেখতে কিন্তু নাদুস নুদুস সুন্দর। কিন্তু কোন বিচিত্র কারনে কুত্তারা আমাকে দেখলেই ঘেউ ঘেউ শুরু করে দেয়। অনেক সময় ঘেউ ঘেউ না করলেও আমার দিকে এমনভাবে চেয়ে থাকে ভয়ে আত্মারাম শুকিয়ে যাই আমার। এখানে এম্রিকায় তো কুত্তাদের পোয়াবারো। কুত্তাদের দাম মানুষ থেকে অনেক বেশি। কুত্তার জন্য হাসপাতাল আছে, পার্ক আছে। এনিম্যাল প্ল্যানেট, ন্যাশ জিও এসবের অনুষ্ঠানের বড় একটা অংশ কুত্তাকে নিয়ে।কুত্তার বার্থডে পালন করা হয়। কুত্তার শেষকৃত্যও করা হয়। কুত্তাকে পাশে নিয়ে ঘুমানো খুব কমন সুন্দরি ললনাদের জন্য। দুষ্টলোকেরা এ বিষয়ে অনেক কথাই বলে। আমরা দুষ্ট না, তাই আমরা এ বিষয়ে কিছুই বলবনা। কুত্তাকে অনেক বুড়াবুড়ি তার সহায়সম্পত্তি লিখে দিয়ে মরে যায়।কুত্তার এত কদর দেখে আমার মাথায় আগুন ধরে যায়।বিশ্বের সকল মানুষ যেমন কমবেশি একইরকম (রাজাকাররা আর আর্মীরা ছাড়া) তেমনি বিশ্বের সকল কুকুর সে এম্রিকার সুন্দরী ললনার বাহুবন্দী শেফার্ড হোক বা ঢাকার রাস্তার ছাল না থাকা ল্যাংড়া নেড়িকুত্তা হোক, সবার মধ্যে মনে হয় আত্মীয়তা আছে। এই যেমন ধরেন বাংলাদেশের কুত্তারা যেমন আমাকে দেখলেই তাড়া করে তেমনি এম্রিকার কুত্তারাও আমাকে দেখলে ঘেউ ঘেউ করে। শিকল পড়া না থাকলে নিশ্চিত কামড় লাগাত। শুনেছি নিম্নশ্রেণীর প্রাণীদের বিশেষ করে কুত্তার নাকি সিক্সথ সেন্স প্রখর। কুত্তারা আমাকে শত্রু মনে করার কারনটা কি হতে পারে? আমাকেও কি তাদের নিম্নশ্রেণীর মনে হয়? হয়তবা।
উইকএন্ডে এখানকার লোকজনকে দেখি হাতে একটা পলিথিন নিয়ে কুত্তা আর কুত্তার বাচ্চাদের চড়াতে বের হয়। কুত্তা হাগলে সেটা পলিথিনের মধ্যে নিয়ে নেয়। উইকএন্ডে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অন-ক্যাম্পাস বাস সার্ভিস থাকেনা। তাই আমাকে হেটে লাইব্রেরিতে যেতে হয়। আর যাওয়ার পথে আমার পাশের এপার্টমেন্টের প্যাটিও থেকে শুরু করে লাইব্রেরীর চত্বর পর্যন্ত অসংখ্য কুত্তা আর কুত্তার বাচ্চার মুখোমুখি হতে হয়। আমাকে দেখলেই আমার পাশের বাসার কুত্তার বাচ্চাটা ঘেউ ঘেউ শুরু করে দেয়। সে এতই হিংস্র হয়ে যায় যে শিকল ছিড়ে বাইরে বেরিয়ে আসতে চায়। শিকল ছেড়ে বাইরে আসতে পারবেনা জেনে আমি মুখচোখকে বিকৃত করে ভেংচি কাটি। কুত্তার বাচ্চাটা সেটা দেখে আরো রেগে যায়। সে আরো জোরে ঘেউ ঘেউ শুরু করে। আমি আস্তে আস্তে খিটখিটে মেজাজ নিয়ে সামনে এগোয়। সকালে ঘর থে্কে বের হয়েই কুত্তার ঘেউ ঘেউ শুনলে কার ভাল লাগবে বলেন? যাওয়ার সময় সুন্দরী ললনাদের কুত্তাগুলো আমার দিকে কেমন করে যেন তাকায়। আমি কুত্তা তাড়ানোর দোয়া পড়ি। ছোটকালে স্কুলে যাওয়া আসার সময় অনেক কু্ত্তার দেখা পাইতাম বলে মা আমাকে কুত্তার দোয়া শিখিয়েছিলেন। "ইন্নাহুম ইয়াক্বিদুনা কায়দাও ওয়াকিদু কায়দা, ফামাহহিলিল কাফিরিনা আমহিলহুম রুবাইদা" আরবী উচ্চারন বাংলায় লেখা যায়না, খুব টাফ। এটা আসলে কোরআনের একটা আয়াত। কুত্তার দোয়া কিনা জানিনা। তবে ছোটকালে এই আয়াত পড়ে ধুলো নিয়ে কুত্তার দিকে ছুড়ে দিলে কাজ হত। এখানে কুত্তার দিকে ধুলো ছুড়লে লোকে পাগল ভাববে, তাই ধুলো ছুড়িনা, শুধু আয়াতটা পড়ি। তাছাড়া কুত্তার বাচ্চাদের এদেশে ধুলোও পাওয়া যায়না কোথাও। তো, যা বলছিলাম। সুন্দরী ললনারা হয়ত আমার দিকে কোনদিন তাকাতনা, এখন কুত্তায় ঘেউ ঘেউ করে বলে একটু তাকায়। সেটাও কম কি? তাছাড়া কুত্তা শিকল ছিড়ে আমাকে তাড়া করতে চাইলে, ললনারা আমার দিকে তাকিয়ে সুন্দর করে বলে "স্যরি"। সেটাও কম না। তবে এম্রিকান মাইয়াদের প্রতি আমার আগ্রহ নেই। এরা হেগে পানি খরচ করেনা। কাগজ দিয়ে মুছে ফেলে। আমরা দেশে থাকতে কাগজ দিয়ে মুছে আবার পানি নিতাম। এখানে আমি বাসায় ছাড়া অন্য কোথাও টয়লেট করতে পারিনা। কারন সব জায়গায় কাগজ সিস্টেম। কাগজ দিয়ে মুছে ফেলার পর পানি না নিলে গন্ধ বের হওয়ার কথা। তাছাড়া নামাজ-কালাম পড়ি, তাই পবিত্র থাকা ফরজ। ধুর কোথ্থেকে কোথায় চলে আসলাম। কুত্তার বা্চ্চার কথা বলতেছিলাম। কুত্তার বাচ্চারা আমাকে এভাবে শত্রু মনে করলে তো এ দেশে টিকাটাই সমস্যা হয়ে যাবে। আমি অবশ্য কুত্তারা আমাকে তাড়া করলে ভয় পাওয়ার পর একটু ধাতস্ত হলে একটা গালি দিই। বলি "শালার কুত্তার বাচ্চা, তোর মায়েরে বাপ।" তোর মায়েরে বাপ গালিটার মিনিং জানিনা। শালার কুত্তার বাচ্চা গালিটা আসলে নিজের কাছেই ফিরে আসে। কুত্তাকে শালা বলা মানে কুত্তা আমার বউ। তাওবা তাওবা আস্তাগফিরুল্লাহ। অবশ্য গালি দেওয়ার ক্ষেত্রে কেউ মিনিং খুঁজেনা। তাই নিজের ছেলেকেও কুত্তার বাচ্চা, শুয়োরের বাচ্চা বা শালা বলাটা আমাদের মধ্যে খুব কমন।
কুত্তার বাচ্চাদের এখানে এত কদর দেখলে আমার প্রচন্ড ঈর্ষা হয়। কারন সারাজীবনে মনে হয় একটা কুত্তার পিছনে এরা ১ বছরে যত খরচ করে ততটা টাকা আমার পিছনে খরচ হয়নি। পন্ডিত মশাইয়ের সেই কাহিনীটা মনে পড়ে আমার। আমার দেশের মানুষ ফুটপাতে দিন কাটাচ্ছে। ছোট ছোট বাচ্চা দিনের পর দিন উপুস থাকতে হচ্ছে। হাড়জিরজিরে্ বাচ্চারা ডাস্টবিনে খুঁজছে খাবার। আর এরা কুত্তার জন্য বার্থডে পার্টি দিচ্ছে। এদের এটা যত খারাপ লাগে তার থেকে বেশি খারাপ লাগে আমার দেশের অনেকেই নাকি এখন বিদেশি কুত্তা রাখাকে স্ট্যাটাস সিম্বল মনে করতেছে। কুত্তার জন্য হাজার হাজার টাকা খরচ করলেও গাড়ীতে করে যাওয়ার সময় ছোট কোন হাড়জিরজিরে বস্তির বাচ্চা যদি ১টাকার ফুল কিনার জন্য কাকুতিমিনতি করে তাহলে তাকে ধাক্কা দেয়। আসল কুত্তা কে সেটা প্রশ্ন জাগে। এইসব কুত্তাগুলো নাকি যারা কুত্তাগুলো পালতেছে হাজার টাকা খরচ করে অথচ ১টাকার ফুল কিনার অনুরোধ করলে ধাক্কা দিচ্ছে তারা?
আবার একটা গালি দিলাম। বিশ্বের সকল মানবকুত্তা আর পশুকুত্তাকে উদ্দেশ্য করে বললাম "শালার কুত্তার বাচ্চা"। রাজাকার আর ড়াজাকারদেরকে উদ্দেশ্য করেও একটা গালি দিলাম "শালার শুয়োরের বাচ্চা, সারমেয় জারজ। তোদের পাকিবাপরা তোদেরকে কুত্তার মতই মনে করত। তোরা সেটা বুঝতিনা। শালার কুত্তার বাচ্চা"
বিশেষ দ্রষ্টব্য: হ্যারি সেলডন ফ্রন্ট পেজ, কমেন্ট দুটাতেই ব্যান। নরাধম কমেন্টে ব্যান। তাই কমেন্টের জবাব দিতে পারবনা। ব্লগের নারী ড়াজাকারদের আক্রমণ করে একটা পোস্ট দিছিলাম। তার ফল। পোস্টটা দিয়ে অনেকদিনের জন্য হাপিস হয়ে যাব। পরে আসলেও "আমার ব্লগে" স্থায়ী হব। ড়াজাকাররা ছাড়া সবাই ভাল থাকেন। অনেক অনেক ভাল।
একজন ব্লগার বলেছেন:
নারু, আবার চেতছো কেন?!
একজন ব্লগার বলেছেন:
তুমি চইলা যাইতাছ, কি বলতাছো এইসব? আমি পুরা পোস্টা এখন পড়লাম।
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
হায় হায়, হ্যারি ব্যান। বদ লোকেরা কুত্তা ভয় পায় না, হ্যারি পায়।
হ্যারি ভালো ছেলে, হ্যারিকে আনব্যান করা হোক!
বিবর্ণ বলেছেন:
মোসতাকিম রাহী বলেছেন:
বদ লোকেরা কুত্তা ভয় পায় না, হ্যারি পায়।
হ্যারি ভালো ছেলে, হ্যারিকে আনব্যান করা হোক!
রুপার পালকি বলেছেন:
প্লাস দিলাম ।
দ্রগবা বলেছেন:
বালা লেকছোইন। পেলাচ।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
নরাধম ভুল জায়গায় আছেন।পাশ্চাত্যের কোনদেশেই টয়লেটে পানির ব্যবস্হা নেই। পানি দিয়ে ধুলেই পরিষ্কার হয় এটা ভুল ধারণা। বরঞ্চ হাতের স্পর্শ ছাড়া বাহ্যকর্ম সারাটাই স্বাস্হ্যসম্মত।
একটা গল্প বলি। এক হুজুর ওয়াজ করতেছে। আপনারা সবাই পেশাব-পায়খানা করে ঢেলা ব্যব হার করবেন, ঢেলা না পেলে পানি ব্যবহার করবেন,না হলে গাছের পাতা, বা কাপড় ব্যবহার করবেন। লালসালু'র 'আক্কাসের' মত এক অর্বাচীন জানতে চাইল, হুজুর ধরেন আমি এমন একজায়গায় গেলাম যেখানে ঢেলাও নাই,পানিও নাই, কিছুই নাই সেখানে কি করব? হুজুর কতক্ষণ চিন্তা করে দেখল কোন জবাব তার জানা নেই, এদিকে লোকজন উতসুক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে। হুজুর তখন বলল, বদমাইশ তোরে ঐখানে যাইতে কইছে কেডায়?
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
সুন্দরী ললনারা হয়ত আমার দিকে কোনদিন তাকাতনা, এখন কুত্তায় ঘেউ ঘেউ করে বলে একটু তাকায়। সেটাও কম কি? তাছাড়া কুত্তা শিকল ছিড়ে আমাকে তাড়া করতে চাইলে, ললনারা আমার দিকে তাকিয়ে সুন্দর করে বলে "স্যরি"। সেটাও কম না। তবে এম্রিকান মাইয়াদের প্রতি আমার আগ্রহ নেই। এরা হেগে পানি খরচ করেনা।
@নাজিমুদ্দীন,
গরীবের দেশে টিস্যু ঢেলার ব্যবস্থা করতে পারিনা দেখে হাত দিয়েই শৌচকর্ম সমাধা করে মানুষ। আবার তখন সাবান দিয়ে হাত ধুয়ার খরচ/ঝামেলা করতে হয়। কিন্তু সেখানে গিয়ে শুধু টিস্যু নিয়ে কাজ সারলে আমাদের মত পানি ব্যবহার কারীদের একটা ঘিনঘিনে অনুভূতি থেকেই যাবে। আপনি যে হুজুরের উদাহরণ দিলেন সেটা মূত্র ত্যাগের বেলায় প্রযোজ্য। সে ক্ষেত্রে পানি না হোক টিস্যু, ঢেলার আগাম ব্যবস্থা করতেই/রাখতেই হবে ধার্মিক পুরুষ নামাজীদের জন্য। অনেক হুজুরকে এ দেশে দেখা যায় পকেটে টিস্যু নিয়ে ঘুরাঘুরি করতে। এখন আম্রিকাতে বদনা জাতীয় কিছু নিয়ে ঘুরতে হবে আর কি...
নাজিম উদদীন বলেছেন:
যেমন ধরেন আপনি হাত দিয়ে পরিষ্কার করলেন, এরপরে সাবান দিয়ে ধুলেও কিছু জীবাণু থেকেই যায়। আমি এখানে বন্ধুস্হানীয় দু-একজনকে জিজ্ঞেস করেছি। আমায় জবাব দিয়েছি, 'উই ওয়ান্ট টু বী কনফিডেন্ট এবাউট আওয়ার হ্যান্ডস।" বাসার বাইরে যেখানেই যান কোথাও পানির ব্যবস্হা নেই। তাহলে ঐসব জায়গায় শৌচকর্ম সেরে কি ঘিনঘিনে অনুভূতি হয় না। না নরাধমের মত টয়লেট পেলে সবাই বাসায় চলে যায়।
আর জ্ঞান-বিজ্ঞানের শিখরে অবস্হিত এসব মানুষ হাইজিনিক না হলে শুধু শুধু এ ব্যবস্হা মেনে নিবে তা কি বলা যায়? পানি দিয়ে ধুলে যদি বেশি পরিষ্কার করা যেত বা বেশি স্বাস্হ্যসম্মত হত তাহলে অবশ্যই তারা পানির ব্যবস্হা রাখত।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
@নাজিম উদদীনআর জ্ঞান-বিজ্ঞানের শিখরে অবস্হিত এসব মানুষ হাইজিনিক না হলে শুধু শুধু এ ব্যবস্হা মেনে নিবে তা কি বলা যায়? পানি দিয়ে ধুলে যদি বেশি পরিষ্কার করা যেত বা বেশি স্বাস্হ্যসম্মত হত তাহলে অবশ্যই তারা পানির ব্যবস্হা রাখত। কি আর কমু !! হাসতে হাসতে লিখতেই পারতেছিনা ....... হা হা হা .......
ঠিক কথা, হেরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের শিখরে বইয়া আছে তাই হেগু গুয়ে রজনিগন্ধার গন্ধ করে আর আমরার গুয়ে গু এর গন্ধ করে।
হেরা নুড বিচে নেংটা হইয়া শুইয়া থাকে ! আহঃ কি সুন্দর, কি হাইজেনিক, আর আমরা নেংটা হইলে একেটা কুত্তার মত লাগে........ হেরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের শিখরে অবস্হিত
৩/৪ মাস আগে প্রথম আলো একটা নিউজ পড়ছিলেমা, "কোন এক সমীক্ষায় দেখাগেছে ইংরেজরা অঃন্তবাস ব্যাবহারের দিক দিয়া সবচেয়ে নোংরা জাতি, হেরা বেশি ভাগই ১ মাস ১টা আন্ডায় ব্যাবহার করে না ধুইয়া" ----------- হেরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের শিখরে অবস্হিত
তাই হেরা যাই করবো, যাই খাইবো সব ঠিক........ আমরা সব কুত্তারও অধম..........।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
হাসতে থাকেন ...। @ শান্তির দেবদূত।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
ভাল হইছে।+
এমিল বলেছেন:
যান আপনারা সব চইলা যান আর ছাগু গুলান সা.ইন টারে খোয়াড় বানায়া ফালাক #(
কোপা সামছু বলেছেন:
জটিল সব আলোচনা হইতেচে। চালাইয়া যান....আমার লাইফে একটা জিনিস দেখলাম যে গুলা মানুষ কুত্তা পালে হেইগুলার স্বভাব চরিত্র কুত্তার মত থাকে।
আর আমার এক বন্ধু কইত "যে শালা গুলা কুত্তা পালে একটু খেয়াল কইরা দেখবি হেইগুলার চেহারা অনেকটা কুত্তার মত লাগে, খুব শুক্ষ পরিবর্তন দেখা যায়"
আসলেই তা ঠিক মনে হয় নাইলে....
(কুত্তার জন্য হাজার হাজার টাকা খরচ করলেও গাড়ীতে করে যাওয়ার সময় ছোট কোন হাড়জিরজিরে বস্তির বাচ্চা যদি ১টাকার ফুল কিনার জন্য কাকুতিমিনতি করে তাহলে তাকে ধাক্কা দেয়। আসল কুত্তা কে সেটা প্রশ্ন জাগে।)
সপ্ন বলেছেন:
আপনি যাবেন কেন ব্লগ ছেড়ে যাবেত ওইসসব কুত্তার বাচ্চারা যারা হাড়জিরজিরে বস্তির বাচ্চা গুলোকে মানুষ মনে করেনা। একটি অনুরোধ ব্লগ ছেড়ে যাবেন্না প্লিজ।
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
নারু, তুমিতো ব্লগে নিয়মিত না । তারপরও ক্যান ব্যান হইতে হইলো ?
সেই পোস্ট লেখছিলাইবা কবে ?
বড় আজিব এই বাঁধ ভাঙ্গার আওয়াজ ।
নতুন বলেছেন:
off topicthanks for offring me ur help.
dont worry i am Neo, M29. now in malaysia.
i applied few hotel in USA for training programe under J-1 Visa.. thats why wanted some info .
thanks for ur reply.
i got an offer from dubai hotel . next month i am joining there.
have a nice day ..
আরণ্যক যাযাবর বলেছেন:
শালার ইংলিশ পড়ুয়া মডুছাগীরা হ্যারি, নারু সবাইরে ব্যান করছে।--
টয়লেটের একটা সমাধান আছে।
জাপানী সল্যুশন। আমার স্কুলের ৭০ ভাগ টয়লেট এই সিস্টেম। জাপানে এখন এই জিনিষ চলে। পেপার তো আছেই, অটোমেটিক পানি সিস্টেম, শীতের দিনে সীট গরমের ব্যবস্থা।
টোটো কোম্পানির ওয়াশলেট।
http://www.totousa.com/washlet_features.asp
--
কুকুরের কোন সল্যুশন নাই।
কুকুরের বাচ্চারে "রাজাকার" গাইল দিয়া দেখা যাইতে পারে।
বাফড়া বলেছেন:
ওয়েল্কাম
রাতমজুর বলেছেন:
হ, ট্যার পাইলাম, কোন দুক্ষে লেখছিলেন এইটা, লাস্ট ৪৮ ঘন্টা ধইরা ব্লগ ভাগাড় হৈয়া আছে।
সাদা মনের মানুষ বলেছেন:
কুত্তার বাচ্চা সম্পর্কে একটা সরেস রচনা পড়লাম, তবে আপনার সাথে দ্বিমত পোষণ করতে পারলাম না ।
আপনার মতো একজন সরস ব্লগারকে আনব্যান করার জন্য কর্ত্বপক্ষকে অনুরোধ করছি ।

















