আমার প্রিয় পোস্ট

তাসলিমা নাসরিন বিষয়ক তরিৎ ভাবনা।

০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৩২

শেয়ারঃ
0 0 0

তমসো দীপ নামক ব্লগারের পোস্টে তাসলিমা নাসরিন নিয়ে ব্যাপক আলোচনা দেখলাম, সেখানে দেখলাম আলোচনাটা তাসলিমাকে তার সাহিত্যকর্মের জন্য বিচার না করে, তার প্রতি কারও কারও অতিরিক্ত শ্রদ্ধা এবং কারও কারও অতিরিক্ত ঘৃণা প্রকাশ হয়েছে এবং দুক্ষেত্রেই সেটা হয়েছে মন্তব্যকারীদের ব্যক্টিগত ধর্মীয় বিশ্বাসের (বা অবিশ্বাসের) চরমতার উপর ভিত্তি করেই। কারও কাজকর্ম বিচার করার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত বিশ্বাস প্রচন্ডভাবে আলোচনাকে বাধাগ্রস্থ করতে আমি দেখেছি খুবই সুশিক্ষিত (স্বশিক্ষিত) এবং আপাতদৃষ্টিতে আলোকিত মানুষের মাঝেও, তাই আমাদের মত ছা-পোষা কেরানীদের সেটা হবেনা আশা করাটা অন্যায়। তাসলিমা নাসরিন সম্পর্কে আমার ধারনা কয়েকছত্রে প্রকাশ করা সম্ভব নয়, তবে তমসো-দ্বীপের পোস্টের এবং তৎপরবর্তী কয়েকটা কমেন্টের সু্ত্রধরে আমার তরিৎ-ভাবনা সেখানে কমেন্ট-আকারে লিখার পর পরবর্তীতে ইচ্ছে হলে আরো ভালমতে লেখার স্কোপ রাখার জন্য সংরক্ষণ করে রাখলাম। অনিচ্ছাবশত তাড়াতাড়ি কমেন্ট করতে গিয়ে অনেক ইংরেজী শব্দ ব্যবহার করে ফেলেছি, ক্ষমা করবেন।

//
তাসলিমা নাসরিনের দেশে ফেরার, থাকার সম্পুর্ণ অধিকার রয়েছে, যেমন আমার-আপনার রয়েছে। তাকে দেশে আসতে না দিতে পারাটা আমাদের সকলেরই চরম পরাজয়।

তবে তাসলিমা নাসরিনের লেখা খুব কম সময়ই সাহিত্যমান উর্ত্তীণ হয়। নির্বাচিত কলামটাই যা একটু ভাল লেগেছে, এরপর লজ্জায় সত্যঊচ্চারণ থাকলেও সাহিত্যমান খুবই নিম্ন মনে হয়েছে। যাস্ট কিছু ডিসপ্যারেট ফ্যাক্টস এখানে ওখানে ছড়িয়ে দেয়াটা ঠিক সাহিত্য না, যদিও থিমটা অসাধারণ ছিল নিঃসন্দেহে। লজ্জার পর আর কোন সাহিত্যকর্মই ভাল লাগেনি, শুধু ফরাসী প্রেমিকটাই হয়ত সাহিত্যমান উর্ত্তীণ বলা যেতে পারে এবং থিমটাও ভাল। কবিতা আমি ভাল বুঝিনা, তাই সেটাতে মূল্যায়ণ করার সাহস নেই। এরপরে ক, খ এসব তো সম্পূর্ণ ছ্যাবলামি মনে হয়েছে। ইমদাদুল হক মিলন তাকে ব্যবহার করেছে, শামসুল হক করতে পারেনি। অথচ ইমদাদুল হক মিলনের প্রতি তার কোন ক্ষোভ নেই, কিন্তু সৈয়দ হকের প্রতি অনেক ক্ষোভ, সেটা বুঝতে পারিনি। তাছাড়া কনসেন্সুয়াল সেক্স-এ একটা ট্যাসিট এগ্রিমেন্ট কিন্তু থাকে যে সেটা কোথাও প্রকাশ করবেনা, তাসলিমা সেখানে ভুল করেছে। তাসলিমার লেখায় মাঝে মাঝে এখানে সেখানে হঠাৎ অসম্ভব শার্প আর ব্রিলিয়ান্ট মনের ঝিলিক পাওয়া যায়, কিন্তু সেটা কখনও তার যা হওয়ার কথা ছিল তাতে রুপান্তর পাইনি। এর জন্য তার অতিরিক্ত খ্যাতি-কাতরতাই মনে হয় দায়ী। আফসোস আসলে পাঠকদেরই হওয়া উচিৎ, হয়ত তাসলিমার মধ্যে কাল-উর্ত্তীন লেখক হওয়ার যে সম্ভাবনা ছিল সেটা কখনই প্রস্ফুটিত হয়নি, নাহয় বাংলাদেশী পাঠকরা আরো অনেক চিন্তা-ভাবনার খোরাক পেত।

পোস্ট-লেখক মনে হয় অরুন্ধতী রায়ের সাথে তাসলিমা নাসরিনের তুলনা করতেছেন, সেটা পোস্ট-লেখকের দুজন সম্পর্কেই অজ্ঞতার এবং চিন্তাভাবনার অপরিপক্কতার সুস্পষ্ট প্রমাণ। অরুন্ধতী রায়ের “গড অফ স্মল থিংস” এর মত লেখার সামর্থ্য তাসলিমা কেন, বিশ্বসাহিত্যে খুব কমই আছে। আর অরুন্ধতী রায় একজন জীবন্ত বিপ্লবের নাম, তার সাথে কনফিউজড তাসলিমা নাসরিনকে মেশানোটা হাসির উদ্রেক করে, সেটা যে যাই বলুক না কেন। তাসলিমা নাসরিন কখনও ক্লিয়ার করে তার পয়েন্ট তুলে ধরতে পারেনা, অরুন্ধতি রায়ের কলামগুলো নোয়াম চমস্কি, এডওয়ার্ড সাইদের মতই লেখনী। তসলিমা নাসরিনের সাথে হুমায়ুন আজাদকে মেশানোটাও অন্যায়। হুমায়ুন আজাদ একজন পিয়র জিনিয়াস, তাসলিমার লেখা এমনকি তার ফ্যামিনিজম সম্পর্কিত ধারণাগুলোও কখনও মিডিয়ক্রিটি অতিক্রম করতে পারেনি। এটা কেন হয়েছে সেটা ভিন্নপ্রসংগ, তবে তাসলিমা কখনই মিডিয়কারের বেশি কিছু নয়। প্রশংসা বা সমালোচনা সবসময়ই যার যা প্রাপ্য ততটাই দেওয়া উচিৎ, নাহয় প্রশংসা/সমালোচনা তার গুরুত্ব হারায়। আইডিয়লজিকাল এফিনিটি থাকলেই কাউকে প্রশংসা করতে হবে বা গ্রস ডিসএগ্রিমেন্ট থাকলে কঠোর সমালোচনা করতে হবে সেই ট্রেন্ড থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

//


পোস্টটি আমার ব্লগে পূর্ব প্রকাশিত।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪১
ইউনুস খান বলেছেন: প্লাস দিলাম লিখার জন্য।

তসলিমারে আমার কাছে আগাছা মনে হয়। মাইন্ড খাইয়েন না। তার একটা বই পড়ছিলাম। আমার এক বান্ধবী গিফট করছিলো পইড়া তারে বুঝানোর জন্য মূল থিমটা। কিছুক্ষণ পইড়া যখন দেখলাম তার বাপেরে আর মারে নিয়া কি সব লিখছে বাধ দিসি। সাথে বান্ধবীরও ধান্ধা বুঝছি। পরবর্তিতে একটা ঘটনার বান্ধবীর ধান্ধার ব্যাপারটা ব্যাপকস ভাবে ক্লিয়ার হইছি।
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০২

লেখক বলেছেন:
আপনি তার প্রথম দিককার লেখাগুলো পড়ুন, তাসলিমা সম্পর্কে ভাল ধারনা পাবেন। শেষের দিকের লেখাগুলো বেশিরভাগই বোগাস।

২. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৪২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তসলিমা কবি হিসেবে অসাধারণ এইটা নিয়া আমার কোনো সন্দেহ নাই। তার উতল হাওয়া আমার খুব ভাল্লাগছে। তয় অনেক মহিলা কবির মতোই তারও একটু তারছিড়া ভাব ছিলো, এইটাও হয়তো ঠিক
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০১

লেখক বলেছেন: পিয়ালভাই, এই একি কথা আমাকে বলেছে আরেকজন কাছের মানুষ। তিনি তাসলিমার কবি স্বত্তাকে খুবই ভাল (তবে অসাধারণ না) মনে করেন, এবং তার গদ্যপ্রচেষ্টাকে তেমন ভাল না, অনেকসময় ফালতু, মনে করেন। আমি অবশ্য কবিতা পড়িনা কখনও, তাই তার কবিতা সম্পর্কে বলতে পারবনা।

৩. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:৫৮
স্বাধীনতা৭১ বলেছেন: গঠনমুলক সমালোচনার জন্য++
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:০৯
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: তসলিমা ময়মনসিংহ মেডিকেলে পড়ার সময় একটা লিটলম্যাগ বাইর করতেন, সেঁজুতি নামে। মুলত প্রিয় কবি রূদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর প্রেমিকা হিসেবে তারে এরপর নতুন কইরা চিনি। উতল হাওয়াতে তসলিমা দুইজনের সম্পর্কের নানা অজানা কাহিনী তুইলা ধরছিলেন। বইটা আমার ভালো লাগার কারণ, দুইজনের বেশ কিছু কবিতার জন্ম রহস্য উদঘাটন করছিলাম আমি। তসলিমা আসলে জামাত-শিবিরের এক অসহায় শিকার মাত্র। শিবিরের ডায়েরীতে তারা তসলিমার দেশত্যাগরে তাদের উল্লেখযোগ্য অর্জন বইলা দাবী করে
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৭

লেখক বলেছেন:
জামতের এ বিষয়ে রাজনীতি নিয়ে অনেক আগে একটা লেখা লিখেছিলাম। Click This Link


তাসলিমার ব্যক্তিগত যে ব্যাপারটা আমার ভাল লেগেছে সেটা হচ্ছে রুদ্রের প্রতি তার আনকন্ডিশনাল ভালবাসা। Click This Link

তার এ ভালবাসা রুদ্র তাকে ছেড়ে যাওয়ার পরও, এমনকি এখনও পরিবর্তন হয়নি। তার "ক" তে সেটার ইন্ডিকেশান আছে। উতল হাওয়া পড়িনি আমি, এখন মনে হচ্ছে পড়ে দেখতে হবে। সফট-কপি কি আছে আপনার কাছে? Click This Link এই লিংকে কিছু আছে, কিন্তু উতল হাওয়াটা নেই।

৫. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১২
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২ বলেছেন: তসলিমা নাসরিনের কবিতা ভালো
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:১৭
নাফিসা তানজীম নিপুণ বলেছেন: >> তয় অনেক মহিলা কবির মতোই তারও একটু তারছিড়া ভাব ছিলো, এইটাও হয়তো ঠিক

পিয়াল ভাই, মহিলা কবির মত তারছিড়া...তুলনাটা একটু কেমন হলো না? পুরুষ কবিরা বুঝি কখনও তারছিড়া হয় না? আপনার কাছেতো এমন কথা আশা করি নাই।
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৩

লেখক বলেছেন:


খাইছে। এখন পিয়ালভাই নারীবাদিদের হাতে না পড়লেই বাঁচে!

৭. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:২৭
নাজিম উদদীন বলেছেন: তসলিমার আত্মজীবনীমুলক মেয়েবেলা, উতল হাওয়া খুবই চমৎকার, সে কেমন সাহিত্যিক সে বিচারে না গিয়ে বলা যায় তসলিমা শুধুমাত্র ধর্মীয় উগ্রবাদীদের রাজনীতির স্বীকার।
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩৭

লেখক বলেছেন:
"তসলিমা শুধুমাত্র ধর্মীয় উগ্রবাদীদের রাজনীতির স্বীকার। "

পুরোপুরি একমত।

আত্মজীবনীমূলক "ক" কিন্তু ফালতু। মেয়েবেলা ভাল হয়েছে। সাহিত্যিক বিচারে যাওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ।

৮. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩১
ফারহান দাউদ বলেছেন: কবি মাত্রেই কিন্ঞ্চিৎ তারছিঁড়া হয় বইলা জানি (এইটার লাইগা এখন কবিরা না খেপলেই হয়), সেইখানে পুরুষ-মহিলা ভেদ আসার কথা না।:|
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৩৭

লেখক বলেছেন: আমি তো শুনছি আপনেও কবি!!

৯. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪১
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
তসলিমার কবিতা ভালো । গদ্য বিষয়ে বিদ্যমান পোস্টদাতার সঙ্গে একমত হতে পারছি ।

তাৎক্ষণিক চিন্তার ফসল এই পোস্ট, আহা সব তাৎক্ষণিক চিন্তা যদি এতো সুন্দর গোছালো হতো !
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৮

লেখক বলেছেন:

আরাশি বদ্দা, তোমার কবিতা কেমনে বুঝ সেটা নিয়া একটা পোস্ট দাও, আমার মত নাদানরা উপকৃত হবে। সত্যি বলছি আমি কোনমতেই বেশিরভাগ কবিতা বুঝিনা!!

১০. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪২
ফারহান দাউদ বলেছেন: এই অপবাদ কেডায় দিলো? :| কবিমাত্রেই তারছিঁড়া, কিন্তু তারছিঁড়া মাত্রেই কবি নহে।
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৮

লেখক বলেছেন:
আপনার ব্লগে কোবতে আছেনা??!

১১. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: নিপূণ আপু, ক্ষমা চাইয়া বক্তব্য ফেরত নিলাম। অনেক শব্দটা ইউজ করছিলাম, সেইটা দিয়া তো সব মহিলা কবি বুঝায় না
০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯

লেখক বলেছেন:
হ, সেটাই!

১২. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ ভোর ৬:২৯
নুশেরা বলেছেন: নির্বাচিত কলাম আর উতল হাওয়া ছাড়া আর কোনটাই পড়তে ভালো লাগেনি। তবে দেশে ফেরার/থাকার পূর্ণ অধিকার থেকে তাঁকে বঞ্চিত করাটা অন্যায়।
১৩. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৫৬
চানাচুর বলেছেন: আমি সাধারণ ফালতু টাইপ পাঠক ওর কোনো বই পড়ে কোনো দিনও আনন্দ পাই নি। তবে এটা বিশ্বাস করি দেশে থাকার অধিকার তার আছে।
১৪. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:১২
কঁাকন বলেছেন: তসলিমা আমার খুব প্রিয় লেখক না
তার কিছু লিখা আমার অনেক ভালো লেগেছে কিছু লিখা ভালো লাগেনি; শুধু তসলিমা কেন কোন উপন্যাসিকের/কবি-সাহিত্যিকের লিখার শিল্পমুল্য বিচারের যোগ্যতা আমার আছে বলে আমি মনে করি না সে বিচারেও আমি যাব না ; একজন নারী হিসেবে শুধু বলতে পারি একজন তসলিমার দুঃখ আমাকে অনেক বেশি করেই ছুঁয়ে যায়; ছুঁয়ে যায় তার ভালোবাসাও; তার অপারগতা, অসামাজিকতা (?), অসততা (?) আর সবচেয়ে বেশি তার অভিমান।
আমার কেবল মনে হয় তসলিমাকে যা সইতে হয়েছে তার অর্ধেক সইবার ক্ষমতাও আমার নাই।

"তাসলিমার লেখায় মাঝে মাঝে এখানে সেখানে হঠাৎ অসম্ভব শার্প আর ব্রিলিয়ান্ট মনের ঝিলিক পাওয়া যায়, কিন্তু সেটা কখনও তার যা হওয়ার কথা ছিল তাতে রুপান্তর পাইনি। " -- এটার জন্য আমরাই দায়ী কিন্তু।

"তসলিমা শুধুমাত্র ধর্মীয় উগ্রবাদীদের রাজনীতির স্বীকার। " এবং তারসাথে আমাদের বিদগ্ধ বুদ্ধিজীবি সাহিত্যিকদের মৌন রাজনীতির ও স্বীকার বোধয়।

আর এই ব্লগে যেভাবে তসলীমার বিরোধিতা করতে গিয়ে তাকে গালিগালাজ করা হয় তাতে তার সাহিত্যমুল্যের বিচারে যাওয়া বাতুলতা।

আপনার লিখাটা যথেস্ট ভালো লাগলো ; ভালো থাকুন।
১৫. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:০৩
অন্যরকম বলেছেন: শুধু প্লাস দিয়া গেলাম!
১৬. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯
সাদাচোখ বলেছেন: @লেখক,

উতল হাওয়ার এখান থেকে ডাউলোড করতে পারবেন....

Click This Link


সমালোচনা যে কোন লেখক কে নিয়েই হতে পারে, কিন্তু দেশ থেকে বিতাড়ন এবং তা নিয়ে দম্ভ কোন সভ্য জাতির কাজ নয়। বিশেষ করে জামাতিরা তার দেশ ছাড়াকে নিজেদের অন্যতম অর্জন হিসেবে গণ্য করে আর বলে বেড়ায় এর পর কাকে কাকে দেশ ছাড়া করবে। এবারের নির্বাচনী ইসতেহারে তো ব্লাসফেমি আইন বাস্তবায়নের কথা সদম্ভ প্রচার করেছিল। এই নরকের কীটদের দম্ভে শরীর জ্বলা করে।

মনে মনে বলি "কাদের দেশ ছাড়ার কথা ছিল, আর কারা দেশ ছাড়ছে"।

আমার স্কুল, কলেজ, ভার্সিটির বন্ধুদের কথা বলি। তাদের অধিকাংশই তসলিমার কোন সম্পূর্ন লিখা পড়েনি(খুব বেশি হলে .৫% পড়েছে)। পড়লেও পড়েছে যৌন সুড়সুড়ির জন্য কিছু কিছু বইয়ের "চৌম্বক অংশ"। অথচ এই লেখিকা নিয়ে কথা শুরু করার আগেই তাকে একবার "মাগী" বা "বেশ্যা" সম্বোধন করে। তাদের কাছে রসময় গুপ্ত আর তসলিমা নাসরিনের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।

এ বিষয়টা মাঝে মাঝেই অসহ্য লাগে।

এই লেখার জন্য ধন্যবাদ।
১৭. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: একটা পড়ছিলাম বই...নিমন্ত্রণ মনে হয় নাম। মোটামুটি। তবে আর পড়ার আগ্রহ পাই নাই।/:)
১৮. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫
জেরী বলেছেন: তসলিমার ১মদিকের লেখাগুলো পড়ে উনার জন্য সহানুভূতি ১০০% ছিলো.....পরে ধারনা বদলে যায়। কিন্তু উনার লেখা "ক" পড়ে অনেক মজা পেয়েছিলাম.....।সব সাধুগুলোর মুখোশ টেনে খুলছে
১৯. ০৩ রা জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫
মে ঘ দূ ত বলেছেন: লেখাটা ভালো লাগলো।

+++
২০. ২৩ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০৪
হীরণ্ময় বলেছেন: তাকে যে আমার খুব বেশী পছন্দ তেমন নয় । তার পুরুষ বিদ্বেষ আমার কখনোই ভালো লাগেনি । সে যেহেতু মানুষ সেহেতু তার উচিত মানুষের পক্ষে কথা বলা । মানি এই পুরুষতান্ত্রিক সমাজ তার কোন উপকার করতে পারেনি ! কিভাবে পারবে ? এ দেশের সরকার তার নিজ লিংগের হয়েও তার জন্য কিছু করতে পারছেনা ! একজন দুইজন যদিও কথা বলছে অচিরেই কোন একটি পক্ষ তাদের থেমে যেতে বাধ্য করছে ।

সব কথার শেষ কথা হলো ----

এ দেশ থেকে যতদিন সমূলে রাজাকার উৎপাটন না হবে ততদিন ...ততদিন এ দেশের মানুষ এ অস্থিতিশীল অবস্থা হতে মুক্তি পাবেনা ।

আমাদের বিপ্লবগুলো আগের মত শক্তি পাচ্ছেনা ! আমাদের কন্ঠস্বর আগের মত জোরালো হয়ে উঠেনা !
আমরা আবার জাগবো ! আমরা আবার মানুষ হবো ! আমরা আবার বলবো---------- জয়য়য়য় বাংলা !
মানুষ জাগবে ফের জাগবে মানুষ !
২২. ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: একমত। সাহিত্য বিচারে তার গদ্য আহামরি কিছু মনে হয়নি। লেখা পড়লে মনে হয় একটা উদ্দেশ্য/মতবাদকে আগে থেকে ধরে রেখে সেটাকে প্রতিষ্ঠিত করার কৃত্তিম প্রচেষ্ঠা করেছেন।
২৩. ২৭ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৮
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: ইউনুস খান বলেছেন: প্লাস দিলাম লিখার জন্য।

তসলিমারে আমার কাছে আগাছা মনে হয়। মাইন্ড খাইয়েন না। তার একটা বই পড়ছিলাম। কিছুক্ষণ পইড়া যখন দেখলাম তার বাপেরে আর মারে নিয়া কি সব লিখছে বাধ দিসি।

স্বস্তা জনপ্রিয়তা চাওয়া ছাড়া আমার কাছে বিশেষ কিছু মনে হয়না তার লেখালেখি।
২৪. ০৯ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩৭
শত রুপা বলেছেন: 'তাসলিমার লেখায় মাঝে মাঝে এখানে সেখানে হঠাৎ অসম্ভব শার্প আর ব্রিলিয়ান্ট মনের ঝিলিক পাওয়া যায়, কিন্তু সেটা কখনও তার যা হওয়ার কথা ছিল তাতে রুপান্তর পাইনি। ' > আমি একমত।
২৫. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২৪
নরাধম বলেছেন:
সবাইকে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
২৬. ১৩ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৫
শারফুদ্দীন হোছাইন বলেছেন:
তসলিমা নামের নষ্টা বুড়ি
বিশ্বাসে নাই তার অঙ্গজুড়ি
কেড়ে নেব আজ তার কামিজ শাড়ি
ময়দানে চল যাই সংগ্রাম করি
----------------------------------------------------------------

এরুম একটা জিহাদী সংগীত আছিলো
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৩

লেখক বলেছেন: শারফু, নতুন নিক নিছৎ? ভালা থাকিস রে পাগলা।

২৭. ১৪ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫১
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

নারুরে অনলাইনে দেখা যায়তেছে,
খবর কি ভাইডু ?
২৮. ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:২৩
ভাবারূ বলেছেন: তসলিমা নাসরিন এবং তার লেখালেখি বিষয়ক আপনার প্রতিটি মতামতের সাথে আমি ১০০% সহমত।

এবং হুমায়ুন আজাদ যে একজন পিয়র জিনিয়াস ছিলেন এবিষয়েও কোন সন্দেহ্ নেই।

তবে, তসলিমা নাসরিনের সব কিছু বাদ..দিয়ে শুধুমাত্র সাহসের কারণেই তাকে চিরকাল মনে রাখবে বাংলাদেশের মানুষ। তার এই সাহসিকতার কারণেই তাকে সম্মান করি। ধন্যবাদ।

পোষ্টে +
২৯. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৪
নরাধম বলেছেন: ধন্যবাদ যারা মন্তব্য করেছেন সবাইকে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২৪৪৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"Recite! in the name of thy Lord; Who created
Created man out of a clot of congealed blood
Recite! and thy Lord...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই