আমার প্রিয় পোস্ট

পুরুষদের পর্দার কথা কে বলবে?

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৯

শেয়ারঃ
240 0


আমার চাচাত ভাই বিবাহিত। সে শুক্রবারে মসজিদে নামাজ পড়তে যায়, এক সপ্তাহে ৩৫ ওয়াক্তের মধ্যে ১ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে (রমজানে ব্যতিত)। ভাবী আবার নামাজ রেগুলার পড়ে। ভাবীকে আপাদমস্তক তালিবানি স্টাইলে শুধু চোখ দেখা যায় মত বোরখা পড়তে হয়, না হয় ভাইয়া (চাচাত ভাই) বকাঝকা করবে। ভাবী যাতে দ্বীন ঠিকমত পালন করে সেটা ভাইয়া সবসময় খেয়াল রাখে! একটু এদিক ওদিক হলেই বকা চলে। কিন্তু ভাইয়ার দ্বীনের কোন খবর নাই, সে ক্লীন-শেভড, খুব আধুনিক।

আমি এটা অনেকের কাছ থেকেই শুনেছি যে যে মেয়েগুলা এসিডদগ্ধ হয়েছে সেটা নাকি মেয়েদের দোষ। তারা পর্দা করেনা, তাহলে এসিদদগ্ধ হয়ে তাদেরকে শাস্তি পেতে হবে। যে মেয়েগুলাকে রাস্তায় বখাটে ছেলেরা বিভিন্নরকমভাবে বিরক্ত করে, টিস করে, সেটাও সেই মেয়েগুলারই দোষ। তারা বোরখা পড়েনা কেন? বোরখা পড়া কোন মেয়েকে কি কেউ টিস করে? আশেপাশে যারা থাকে তারাও মাথা নাড়ে, ঠিকই তো। "বেগানা মাইয়ামানুষ রাস্তা দিয়া হাইট্টা যাইব কেন?" এতে ছেলেপুলেদের ঈমানের ঠিক থাকবে? উত্তেজিত হয়ে তো তারা টিস করতেই পারে!

এরকম ধ্যান-ধারণা কিন্তু আমরা যতটুকু পর্যবেক্ষণ করি তার থেকে অনেক বেশি প্রচলিত। মুসলমানরা ইসলামের সবটুকুই মেয়েদের দিয়ে পালন করাতে চায়। ভাই নিজে গিয়ে সিনেমা হলে সিনেমা দেখে আসে, নেটে উল্টাপাল্টা সাইটে নিয়মিত যায়, কিন্তু বোন এদিক ওদিক করলেই তার ঈমান জেগে উঠে। বোন বাসায় বসে সিনেমা দেখলে তার ঈমানের হালত খারাপ হয়ে যাই। গত ১০০০ বছরে লক্ষ লক্ষ বই মুসলিম মেয়েদের পর্দা নিয়ে ছাপা হয়েছে। এখন আধুনিক যুগে মনে হয় প্রতিদিনই ১টা করে বই প্রকাশিত হচ্ছে মহিলাদের পর্দা করার উপদেশ দিয়ে। এসবই লিখে পুরুষরা! মহিলাদেরকে পর্দার ভিতর ঢুকানোর জন্য তাদের কি চেষ্টা! তাদের সভ্যতার কলাপসের জন্যও তারা অনেকেই মহিলাদের পর্দাহীনতাকে দায়ী করে!

অথচ পুরুষদের পর্দা ইসলামের আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য পর্দা মানে এখানে বোরখা পড়া না। শালীনতা বজায় রাখা, অনৈতিক কিছু দেখা থেকে বিরত থাকা, অনৈতিক চিন্তা-ভাবনা থেকে নিজেকে বিরত রাখা, দৃষ্টি নিচের দিকে নিবদ্ধ করা এসবই পর্দার মধ্যে পড়ে। আজ পর্যন্ত আপনাদের কারো চোখে কি পুরুষদের পর্দার ব্যাপারে কোন বই চোখে পড়েছে? কোন ইসলামিক বুকস্টোরে পুরুষদের পর্দা নিয়ে কোন বই আছে কিনা সেটা কেউ জিজ্ঞেস করতে দেখেছেন? কোন লেকচার সিরিজে পুরুষদের পর্দা কত গুরুত্বপূর্ণ সেটা আলোচিত হতে দেখেছেন? কোন হুজুর সুরেলা কন্ঠে পুরুষদের পর্দা না করলে কত লক্ষ বছর জাহান্নামে জলতে হবে সেটা নিয়ে ওয়াজ করতে শুনেছেন? আমি শুনিনি, কোন বই এই বিষয়ে আমি কোথাও পাইনি। যেসব ছোটখাট দু-পাতার লেখা আমি অনলাইনে দেখেছি সেসব লেখার মধ্যেও কেমন জানি "এটা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ না" এরকম একটা ভাব আছে। পুরুষদের পর্দার উপর কোন সম্পূর্ণ বই প্রকাশিত হতে আমি দেখিনি।

অথচ কোরানে পুরুষদের পর্দার কথা মেয়েদের পর্দার আগে বলা হয়েছে। পুরুষদের পর্দা মেয়েদের পর্দা থেকে সেজন্যই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রকৃতপক্ষে পুরুষরা পর্দা করা শুরু করলে মেয়েরা আপনাআপনিই পর্দা করা শুরু করবে।
"24:30 (Asad) Tell the believing men to lower their gaze and to be mindful of their chastity: this will be most con­ducive to their purity – [and,] verily, God is aware of all that they do. -
# 24:31 (Asad) And tell the believing women to lower their gaze and to be mindful of their chastity, and not to display their charms [in public] beyond what may [decently] be apparent thereof; ....."

সুরা নুরের এই আয়াতগুলো দেখলেই বুঝা যায় যে ছেলেদের পর্দা অন্ততপক্ষে মেয়েদের পর্দার সমান গুরুত্বপূর্ণ, যদি বেশি না হয়। অথচ মেয়েদেরকে পর্দার মধ্যে রাখার জন্য পুরুষদের এত চেষ্টা থাকলেও নিজেদের ব্যাপারে কোন রাখঢাকই নেই।

Hadith - Sahih Bukhari 8.248, Narrated Abu Said Al Khudri Similar narration in Sahih Muslim]

The Prophet peace and blessings of Allah be upon him said, "Beware! Avoid sitting on the roads." They (the people) said, "O Allah's Apostle! We can't help sitting (on the roads) as these are (our places) where we have talks." The Prophet peace and blessings of Allah be upon him said, "If you refuse but to sit, then pay the road its right." They said, "What is the right of the road, O Allah's Apostle?" He said, "Lowering your gaze, refraining from harming others, returning greeting, and enjoining what is good, and forbidding what is evil."

উপরের হাদিসটা যেসব লোক বখাটেদের মেয়ে দেখলে উৎপাত করাকে "মেয়েরা পর্দা কেন করেনা" বলে যুক্তি দেখায় তাদের জন্য উপযুক্ত জবাব। এম্নিতে রাস্তায় দাড়িয়ে আড্ডা দিতেই নিষেধ করা হয়েছে, আর যে রাস্তা দিয়ে মেয়েরা যাতায়াত করে সেখানে দাড়িয়ে শিষ দেওয়াটা কত জগন্য অপরাধ হতে পারে সেটা তো কল্পনাই করা যায়না। যদি খুব দরকারে দাড়াতেও হয়, দৃষ্টি নীচের দিকে রাখতে বলা হয়েছে, যেটা করলে মেয়ে বেপর্দা না বেগানা নাকি অন্যকিছু সেটা তো দেখতে পাওয়ারও প্রশ্নই আসেনা।

আবার অনেককে দেখেছি কোন মেয়ে যদি একটু খোলামেলা কাপড় পড়ে তার নামে যা-তা বলে বেড়ায় ধর্মের দোহাই দিয়ে। সেসব শুনে তথাকথিত ধর্ম-রক্ষাকারী পুরুষেরা হাত-তালি দেয়। নিচের আয়াত দেখেন, তাদের জন্য কি শাস্তি বরাদ্দ রয়েছে।

"# 24:23 (Asad) [But,] verily, those who [falsely, and without repentance,] accuse chaste women who may have been unthinkingly careless but have remained true to their faith, shall be rejected [from God’s grace] in this world as well as in the life to come: and awesome suffering awaits them "


সমাজে নারীরা বেপর্দা হওয়া বা লাক্স-চ্যানেল আইয়ে নিজেদেরকে পণ্য হিসেবে উপস্থাপন করাটাও সম্পূর্ণভাবে পুরুষের দোষ। কোরানেই বলা আছে সেটা।
# 24:26 (Asad) [In the nature of things,] corrupt women are for corrupt men, and corrupt men, for corrupt women - just as good women are for good men, and good men, for good women. [Since God is aware that] these are innocent of all that evil tongues may impute to them, forgiveness of sins shall be theirs, and a most excellent sustenance!


মেয়েদেরকে ধর্মের ষোলআনা পালন করানোর জন্য বাধ্য করব আর নিজের বেলায় ধর্মের কোন খোঁজখবর নেই, এটা সম্পূর্ণভাবে মুনাফেকীর লক্ষণ। একজন মুসলমান নিজের জন্য যা পছন্দ করবে অন্যের জন্যও তাই পছন্দ করবে, নাহয় সে প্রকৃত মুসলমানই না। দেখেন পারেন কিনা, ঢাকার রাস্তায় ১ মাইল হেটে দেখেন আর যত মেয়ে আসে তাদের দিকে না তাকিয়ে দৃষ্টি নিচের দিকে করে রাখবেন, সুন্দরী হোক অসুন্দরি হোক, তাদের দিকে তাকাবেননা। যদি নিজের দৃষ্টিকে সংযত করতে না পারেন তাহলে আপনার বোন, আপনার স্ত্রী, আপনার পাড়াপ্রতিবেশী কাউকেই পর্দা করানোর জন্য জোর করার কোন অধিকার আপনার নেই।

 

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ঠিক থাকলে ঠিকাছে।

২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪৭
Hanif বলেছেন: সহমত। সময়ের জন্য লিখতে পারলাম না । অনেক ধন্যবাদ
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫০
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: খাটি কথা, আল্লাহ সবাইকে হেদায়েত দান করুন। আমিন।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫১
টেকি মামুন বলেছেন: ভাই ঠিক কথা বলছেন ।কিছু বেডাইতরে দেহি সারাদিন মাইয়াগো ......দিকে চাইয়া থাকে।আর নিজের বউরে দুনিয়ার কাপড় পড়াই রাখে ।নিজের পুন্দে কাপড় নাই আরেকজনরে কয় হায় হায়
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা.......ঠিক বলেছেন।

৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫১
ফাহমিদুল হক বলেছেন: পড়লাম। ভালো লিখেছেন। প্লাস।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফাহমিদুল হক। ভাল থাকুন।

৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৬
পলাশ আহমেদ বলেছেন: আপনার লেখাটি পরে অনেক দিন আগের একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল।
আমার মেসের এক ভাইয়া, আমার চেয়ে দুবছরের বড়। স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে পরেন। উনি একদিন লিফটে উপরে উঠছেন। ভেতরে উনি ছারা শুধুমাত্র একজন মেয়ে ছিলেন। অশালিন আবয়ব। মেয়েটি যখন নেমে গেলেন শুধু এইটুকু বলেগেলেন "আপনি পুরুষ কি না আমার সন্দেহ থেকে গেল"

উল্লেখ্যঃ ভাইয়াটি উনার সাথে কোন কথা বলেন নি। আর উনি পাঞ্জাবি ও পড়া ছিলেন না।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৭
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আমার মন্তব্যটা অনটপিকে যাবে কিনা জানিনা। তবে আপনার শেয়ার করতে চাচ্ছি।

আজ নব্য এক বন্ধুর সাথে গাড়ীতে করে হাওয়া খাচ্ছিলাম। সে গড়গড় করে তার কুকর্মের কথাগুলো বলে দিলো আমাকে। তিনবাচ্চার মা, সদ্য বিবাহিত এক নববধুর সাথে রতিক্রিয়ার কথা।

তিনবাচ্চার মার সাথে দাঁড়িয়েও সঙ্গম করেছে সে। তার হাজব্যন্ড বাইরে থাকে। আমার পয়েন্ট হচ্ছে- বন্ধুবরকে যেচে পড়েই এই কুকর্ম ঘটিয়েছেন মহীয়সি নারী। যিনি আবার বোরখা ছাড়া বাইরে বের হননা। বোরখা ডাজনট ম্যাটার, যদি ক্যারেক্টার ঠিক থাকে। এই আরবদেশেই বোরখাকে কিভাবে পরা হচ্ছে যদি দেখতেন, তাহলে বলতেন বোরখা ছাড়াই ভালো।

অনেকদিন পর আপনার পুস্ট পেলাম। মন্তব্যটা করলাম এ কারনে যে। এভাবে বিশ্বাসের অমর্যাদা করতে পারে মেয়েরা? যাদের খাতিরে দেশ পরিবার পরিজন ফেলে, দিনমজুরি করছে যে মানুষটি, তার পয়সায় মওজ মাস্তি করছে তার অর্ধাঙ্গিনী। অবলীলায় সাময়িক সুখের খাতিরে ভাঙ্গছে বিশ্বাসের ঘর। অথচ স্বামী বেচারা দিনরাত কাজের ফাঁকে মিস করে যাচ্ছে তার বিশ্বস্থ(!) বউটিকে।

যারা বাইরে থাকেন, তারা সবাই সাধুপুরুষ নন। তারাও টাকার বিনিময়ে দেহপসারিনীদের কাছে সুখ খোঁজেন। কিন্তু আমি দেখেছি, এরকম লোকদের সংখ্যা নিতান্তই নগন্য। আর বিবাহিতদের মধ্যে এ সংখ্যাটি গোনার মধ্যেই পড়েনা।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন:
বাদশাভাই, আপনার পয়েন্টটা বুঝতে পারছি। এরকম ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তাছাড়া বোরখা পড়লেই আসলে ধার্মিক হয়ে যায়না, ধর্মটা ভিতর থেকে আসতে হবে। ভাল থাকুন।

৮. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০০
অন্যরকম বলেছেন: নারুদা! জটিলসসসসসসসস......! + :)
বহুদিন পর তোমার পোস্ট দেইখা লগইন করলাম। প্রতিটা অক্ষরের সাথে সহমত! পর্দার গুরুত্ব ২ পক্ষ থেকেই সমান উপলব্ধি করা প্রয়োজন!
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: :):) ধইন্যাপাতা নাও ১সের পোয়া!

৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৪
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কথা সত্য বলেছেন, জনাব।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: আপনাকেও।

১০. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:০৫
তামজি বলেছেন: সহমত :) আমিও ইহা বিশ্বাস করি
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১০
নিঃসঙ্গ পথিক.. বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন। মেয়েদের পর্দার কথা সবাই বলে, কিন্তু পর্দাটা যে মেয়েদের সাথে সাথে পুরুষদের জন্যও জরুরী সেটি আর কেও বলেনা।

আরও লেখার অপেক্ষায় রইলাম।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২১
''ইচ্ছেঘুড়ি'' বলেছেন: মতামত জানাতে লগইন করতে হলো । চমৎকার লিখেছেন আপনি । আমাদের নারীর এই বেহাল অবস্থার জন্য পুরুষরাই দায়ী । নারীকে পূরুষ পণ্য হিসেবে নিয়েছে । আবার দোষারোপ করতেও পিছিয়ে নেই পুরুষ ।
অথচ নিজেকে যতটা শুধরানো দরকার তার ধরে কাছেও নেই ।বিধর্মিদের কথা দিলাম আমাদের দেশের যারা ইসলামী লাইনে পড়ে অথবা পড়েছে তাদের চোখে মুখে তারা লাগাম দিতে পারে কতটা ?
আর আমরা ? ....................কথাই নাই । অথচ কোরআন এ আমাদের জন্য সম্পূর্ণ দিক নির্দেশনা দেয়া আছে পর্দা সম্পর্কে ।
এমন অবস্থার পরিবর্তন আদৌ কি হবে ?
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: ধইন্যাপাতা টার্টল!

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:২৭
মাসুদুল হক বলেছেন: ভীষণভাবে সহমত...পোষ্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ....
১৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৪
মাসুদুল হক বলেছেন: ভীষণভাবে সহমত...পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ....
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৮. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৪
নীল বেদনা বলেছেন:
নারীর দিকে প্রথমবার চোক পইড়া গেলে মাপ। ২য় বার থাইক্যা গুনা। বোধহয় হেই কতা স্মরণে রাইক্যা হেরা ১ম বারই বালো কইর্র্যা চাইয়া লয়।

@ এরশাদ বাদশা: তিনবাচ্চার মা, সদ্য বিবাহিত এক নববধুর সাথে রতি....
পশন থাকল: হে নববধু হইলে ৩ বাইচ্চার মা অইল কেমতে কিংবা ৩ বাইচ্চার মা অইলে নববধু অইল কেমতে? ঝানতে মুঞ্চায়।
১৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪২
একাকী বালক বলেছেন: সহমত। +। ভাল একটা দিক তুলে ধরেছেন। যারা ইসলামের কথা বলে নারীদের পর্দার কথা বলে কিন্তু পুরুষদের পর্দার কথা বলে না, আর যারা ইসলামে নারীদের সমান মর্যাদা দেওয়া হয়নি বলে তাদের সবারই এইগুলা জানা দরকার।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২০. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪৭
এস. এম. রায়হান বলেছেন: লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।+ মুসলিম স্কলাররা কিন্তু অনেকেই পুরুষের পর্দার কথাও বলেন। তারা কোরআনের ২৪:৩০ আয়াতও কোট করেন। ডাঃ জাকির নায়েক ও ইউসুফ এস্টেস সহ অনেক স্কলারের লেকচারেই শুনেছি। এ বিষয়ে আমার নিজেরও একটি লেখা আছে: Click This Link
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৫৯
এরশাদ বাদশা বলেছেন: @নীল বেদনা- কমেন্ট আরেকবার মন দিয়া পইড়া লন। দুইজনের কথা বলেছি। তিন বাচ্চার মা একজন, আরেকজন নববধু। তবে ভুলটা আমারই। আমি আলাদা করে উল্লেখ করিনি। নববধুর সাথে একবার তার সঙ্গম হয়েছিলো। আর তিনবাচ্চার জননীর সাথে দুবার। একই বাক্যে উল্লেখ করায় গোঁজামিল হয়ে গেছে। দুঃখিত।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: হে বেটা তো বিরাট কামেল লোক দেখি। আবার ফলাও করে গৌরবের (!) কথা বলেও বেড়াচ্ছে।

২২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৯
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ঠিক বলেছেন নারু ভাই।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম। ভাল থেক।

২৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১১
অলস ছেলে বলেছেন: কথা স্বতসিদ্ধভাবে সত্যি। কিন্তু আমরাই সত্যিটাকে দুর্লভ করে তুলেছি। কি আশ্চর্য। ধন্যবাদ লেখাটার জন্য।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৯
মেঘ রোদ্দুর বলেছেন: ইসলামের কোন বিধানই বায়াসড না.........
সুন্দর পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:২৯
নীল বেদনা বলেছেন: @ এরশাদ বাদশা:

বাদশা বাই, ধইন্ন্যা পাতা। বুজছি। পরথম বারই শরম। একবার শরম ভাইংগা গেলে পরে আর সমিস্যা আয় না (মুরুব্বীরা কয়) একবার/ তিনবার ব্যায়াফার না। এবার বারবার অইব।

মুজাক করলাম। মাইন্ড খাইয়েন না কিন্তুক।
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন:
ঠিকাছে।

২৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৩৮
এরশাদ বাদশা বলেছেন: আপনের কথায় মাইন্ড খাওনের কিস্যূ নাই। কিন্তু বন্ধুবরের কথায় ব্যাপক কষ্ট পাইছি। এইভাবে বিশ্বাসের অমর্যাদা করে কেউ?
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৪

লেখক বলেছেন: আমাকে যখন কেউ এরকম কথাগুলো বলতে চাই, আমি শুনিনা। শুনলে মানুষের প্রতি বিশ্বাস চলে যায়, সেটা গেলে আর কিইবা আছে, বাদশাভাই? তবে এরকম একটা-দুটা ঘটনা শুনে হতাশ হবেননা, আমি দেখেছি অনেক বধু সারাজীবন অপেক্ষা করেছে তার স্বামীর জন্য, এমনকি মারা গিয়েছে সেটা অনেকের কাছে শুনার পরও।

২৮. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৪
রুপন্তী বলেছেন: সহমত। গুরুত্বপূর্ন একটি বিষয় নজরে এনেছেন। ধন্যবাদ
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৫

লেখক বলেছেন: আপনাকেও।

২৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৪৯
সাঈফ শেরিফ বলেছেন: প্রিয় নরাধম, পর্দা বলতে আপনি মূলত মনের পর্দার দিকে ইঙ্গিত করেছেন। পুরুষকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে দৃষ্টি সংযত রাখা নিয়ে মূলত কথা।

ব্যক্তিগতভাবে আমি দাড়িটাকে (খোচা খোচা বা শিবির স্টাইলের চাছা ছোলা দাড়ি নয়) পুরুষের পর্দা বলে মনে করি। এটা ১. পুরুষের মুখের অনেকাংশ ঢেকে রাখে [শরীরের বর্ম], ২. পুরুষকে মানসিকভাবে অপাত্রে চোখ ফেলা থেকে বিরত রাখে (মেয়েদের দেখার, মেশার শখ হলে দাড়ি সেভ করে আসা কর্তব্য, কারণ ক্লিন শেভড পুরুষ, নারীদের বেশি আকর্ষণ করে। দাড়ি রেখে সমাজে এ কাজ গুলো করতে গায়ে বাধবে) [মনের বর্ম]।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৬

লেখক বলেছেন:
প্রিয় সাঈফ শেরিফ, দাড়ীর কথা যা বলেছেন তার সাথে পুরাপুরি একমত। আসলে রাসুল (সাঃ) প্রত্যেকটা সুন্নত আমাদেরকে খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে, তবে দাড়ি রাখেল অনেক খারাপ কাজ করা এম্নিতেই সম্ভব হয়না।

৩১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৩৮
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: কমেন্ট ৭ এর উত্তরে @ এরশাদ বাদশা ভাইকে কিছু বলতে চাইঃ
"এভাবে বিশ্বাসের অমর্যাদা করতে পারে মেয়েরা? যাদের খাতিরে দেশ পরিবার পরিজন ফেলে, দিনমজুরি করছে যে মানুষটি, তার পয়সায় মওজ মাস্তি করছে তার অর্ধাঙ্গিনী। অবলীলায় সাময়িক সুখের খাতিরে ভাঙ্গছে বিশ্বাসের ঘর। অথচ স্বামী বেচারা দিনরাত কাজের ফাঁকে মিস করে যাচ্ছে তার বিশ্বস্থ(!) বউটিকে। "
এখানে একটা ব্যাপার প্রনিধানযোগ্য, সেটা হল, আপনাকে স্ত্রীর অধিকারের দিকেও তাকাতে হবে। স্বামী হিসেবে আপনি শুধু তার ভরন পোষনের দায়িত্বই নেন নি, তার শারীরিক যৌন চাহিদাও আপনাকে মেটাতে হবে, অর্থাত এটাও তার একটা হক। এইজন্য ইসলামেও স্বামী স্ত্রীর দীর্ঘ দিন একে অপরের কাছ থেকে দূরে থাকাটাকে সমর্থন করা হয়নি। আর সেই জন্যই এত বিপত্তি।
আপনি হয়ত বর্তমান প্রেক্ষাপটের কথা বলবেন, যেখানে প্রবাসী ভাইদের পক্ষে স্ত্রীকে বিদেশে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয় না, কিন্তু সমাজ ব্যবস্থা আমাদের ওভাবেই গড়া উচিত ছিল যাতে আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে যেতে পারি। সমাজ ব্যবস্থা ইসলাম থেকে দূরে বলেই আজকে এই বেহাল অবস্থা। নয়ত চাকরি দাতা তাকে বেতন এমন ভাবে দিত যাতে সে স্ত্রী পরিজন নিয়ে বিদেশে খেয়ে পড়ে বাচতে পারে।
পুরো ব্যাপারটাই এখন জটিল হয়ে গেছে। সমাধান টাও তাই বেশ জটিল!!!
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০৯

লেখক বলেছেন: একমত। ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য।

৩২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৫৭
তুষারকনা বলেছেন: +++++++ আর কিছু বললাম না.....
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩০
সুপ্ত সবুজ বলেছেন: কোরানে তো পুরুষ ও নারী উভয়ের পর্দার কথা বলা হয়েছে। আমরা পুরুষদের পর্দার কথা বলি না এটা আমাদের দোষ। কিন্তু তাই বলে ধর্মের দোষ দেয়া যাবে না। আমাদের সবাইকে সম্মিলিত চেষ্টা করতে হবে। তবে মেয়েদের পর্দার ব্যাপারে বেশি জোর দেয়া হয়, এর একটা কারণ হলো আমার উপর চরম ক্ষিপ্ত হলেও আমি প্রায়ই বলে থাকি মেয়েদের ঘাড়ে বুদ্ধি। প্রকৃতিগতভাবে তাদের বুদ্ধিটা এমন যে, তারা কোমল মনের অধিকারী হওয়ার কারণে মারাত্মক ধরণের ভুল করে। এমন কিছু ভুল তারা করে যা আর রিকভার করা সম্ভব হয় না। এজন্য তাদের নিয়ে চিন্তা থাকে বেশি, সমাজ তাদের নিয়ে ভাবে বেশি এবং তাদের সেইফ থাকার জন্যই পরামর্শমূলক মাথা ঘামানো হয় বেশি।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৪

লেখক বলেছেন:
একমত না, ভুল করার জন্য একজন পুরুষেরও দরকার। সেই পুরুষেরও সমান দোষ। তাই দুজনকেই দায়িত্ব নিতে হবে।

৩৫. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৭
এরশাদ বাদশা বলেছেন: জৈবিক তাগিদের কাছে পরাজিত নৈতিকতা...ব্যাপারটা তাহলে এরকমই দাঁড়াচ্ছে। সেখানে আমার কথা হলো- স্বামী প্রবাসে থাকে, এই ইস্যূটি ক্লিয়ার করে নেওয়া দরকার আগে। বিয়ের আগে এ ব্যাপারটি ডিসকাস করে নেওয়া প্রয়োজন। যৌন চাহিদার প্রচন্ডতা যদি তীব্র হয়, তাহলে মেয়েটির উচিত হবে এমন পেশায় নিয়োজিত, যে কিনা বাইরে থাকে, তার সাথে ঘর না বাঁধা। খুব সহজ একটা ব্যাপার। আপনি অপেক্ষা করতে পারবেন না, সুতরাং আপনার এমন কাউকে বিয়ে করা উচিত, যে কিনা আপনার সাথেই থাকবে। এখানে একটি ব্যাপার আসবে, যেটি মেয়েদের মতামতের প্রসঙ্গ। এখনো আমাদের দেশে বিয়ের ব্যাপারে মেয়েদের মত চাওয়া হয় খুবই কম। কিন্তু আমার কথা হলো, মেয়েদের মতটাই সবচে বেশি জরুরী। @জহির ভাই।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৭

লেখক বলেছেন:

বাদশাভাই, আপনার সাথে একমত। তবে আসলে বিয়ের আগে কি মেয়েটা নিজেই জানে যে তার যৌন চাহিদা কিরকম হবে? এই সমস্যার সমাধান হচ্ছে পুরুষ-নারী দুজনেরই তাক্বওয়া দৃঢ় করা।

৩৬. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:২৫
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: @এরশাদ ভাইঃ
" জৈবিক তাগিদের কাছে পরাজিত নৈতিকতা...ব্যাপারটা তাহলে এরকমই দাঁড়াচ্ছে।"
এটাই সমাজে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাস্তবতা। আমাদের সমাজে মহাপুরুষ বা মহানারীর সংখ্যা খুব কম। আর এজন্যই আল্লাহ তায়ালা নারী পুরুষের জন্য জীবন বিধান দিয়েছেন।
আরেকটা ব্যাপার, এই নৈতিকতা কে সমুন্নত রাখার জন্য দরকার তাকওয়া বা খোদাভীতি। এই জিনিসটা না থাকলে পুরুষ বা নারীর উভয়েরই চারিত্রিক স্খলন ঘটতে পারে।
স্বামীর বাইরে থাকাটা অনেক বাস্তবতার মাঝে একটা উদাহরণ মাত্র। মূল ব্যাপারটা হল আল্লাহ ভীতি এবং আল্লাহ প্রদর্শিত পথে চলা।
আপনার সহজ সমাধান মতে কোন প্রবাসী ভাইদের আর বিয়ে করা হবে না। সুতরাং বাস্তবসম্মত সমাধানই খুজতে হবে। আমি যেটা বোঝাতে চাইছি পরিবর্তন দরকার আমাদের সিস্টেমে - জীবনাচরনে, কিন্তু সেটা একদিনে সম্ভব নয় সেটাও বুঝি।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৭

লেখক বলেছেন:
একমত। আপনার আলোচনা ভাল লেগেছে।

৩৭. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৪
রোবোট বলেছেন: পোস্ট ভালো লাগলো। তোমার এ পোস্টে ভাবনার বিষয় আছে। পুরুষের পর্দার কথা কেউই বলবে না। পুরুষ পুরুষ হবার আগে মানুষ হোক এটা পুরুষতো চায় না, এমনকি নারীরাও বোধ হয় চায় না।
তুমি কি লালসালুর সুন্দরী প্রতিযোগীতা বিষয়ক পোস্ট ও তার পরের পোস্ট দেখসিলা? রাগ-ইমনের চার খন্ডের পোস্ট পড়ে নিও। ভালো লাগবে।
ইদানিং বিভিন্ন ব্লগে ১৮+ পোস্ট/কমেন্টের যন্ত্রণায় অস্থির আছি। ছাইড়া দেমা কাইন্দা বাঁচি অবস্থা।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৯

লেখক বলেছেন:
রাগাপুর পোস্টগুলার একটা পড়েছিলাম, বাকিগুলোও সময় করে পড়ে নেব। আসলে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ হাজারবছর ধরে চলছে, অনেক বিষয় আমি নিজেও আগে কোনদিন মেয়েদের দৃষ্টিকোন থেকে ভাবিনি। আমার ছোটবোনের বিভিন্ন সমস্যার দিকে খেয়াল করার পর বুঝলাম একজন মেয়ের আসলে জীবনে কত সমস্যা ফেইস করতে হয় যা হয়ত আমরা পুরুষরা কোনদিনই বুঝতে পারবনা।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২০

লেখক বলেছেন: বাইদ্যাওয়ে, তোমার নতুন কোন পোস্ট নাই কেন ভ্রাত?

৩৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৩
দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ভাই, দুই দিন পরে আপনার পোষ্টটি দেখছি কারন ৮ তারিখে আমার পোষ্টটি দেওয়ার কিছুক্ষণ পর আমার নানা মারা যান।তার জন্য দোয়া করবেনা

আমার " হিজাব নারীকে করেছে সম্মানিত ।। হিজাব এমনই একটি যৌক্তিক বিধান যা ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের জন্য যথেষ্ট। "পোষ্টের অপূর্ণতা আপনি পূর্ণ করেছেন, অনেক ধন্যবাদ।
৩৯. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০৬
দুর্ধর্ষ বেদুইন বলেছেন: ভাই, দুই দিন পরে আপনার পোষ্টটি দেখছি কারন ৮ তারিখে আমার পোষ্টটি দেওয়ার কিছুক্ষণ পর আমার নানা মারা যান। তার জন্য দোয়া করবেন।

আমার "হিজাব নারীকে করেছে সম্মানিত ।। হিজাব এমনই একটি যৌক্তিক বিধান যা ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমানের জন্য যথেষ্ট। "পোষ্টের অপূর্ণতা আপনি পূর্ণ করেছেন, অনেক ধন্যবাদ।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২০

লেখক বলেছেন:
অবশ্যই আপনার নানার জন্য দোয়া। তাঁর পরকালে মুক্তি কামনা করছি। ভাল থাকুন।

৪০. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫২
অরণ্যচারী বলেছেন: পড়লাম, + দিলাম, সহমত জানায়া গেলাম।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪১. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৩
রিয়াজ উল বলেছেন: এমন একটি দরকারী পোস্ট প্রয়োজন ছিল। প্রিয়তে রাখলাম।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৬
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: অত্যন্ত যুগোপযোগী একটি পোস্ট। এই পোস্টের মর্ম যারা বুঝেছেন তারা নিঃসন্ধেহে উপকৃত হবেন।

একটু দ্বিমত: মেয়েদের পর্দার ব্যাপারে মেয়েদের লিখা বইও আমি পেয়েছি।

সর্বোপরি ধন্যবাদ।
১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪৪. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:২৯
আউলা বলেছেন: চাচ্চু বরাবরের মত তোমার সাথে একমত। তবে আমাদের অতি প্রিয় দোস্ত অনযুর মুখে এসব কথা মানায় না :| অনেকদিন পর ব্লগে রেগুলার দেখছি তোমাকে :)

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:১২

লেখক বলেছেন:
হ, রেগুলার আছি কয়েকদিন। অবশ্য আর কয়েকদিন পরেই আবার হাওয়া হয়ে যাব! নেন, আপনে একটা পিলাস নেন!!

৪৫. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৩২
কার্ল মার্কস বলেছেন: এসব সমস্যা নফসে আম্মারা স্তরে ঘটে,
যারা নিজেদের মুসলমান দাবী করেন তারা তাদের নফসকে মোৎমায়েন্নায় পর্যায় উন্নিত করুন।

ভালোপোষ্ট, এমনিতেই বাঙ্গালী মুসলমান পড়ে-চিন্তা করে ধর্ম বুঝে না, তাই এধরনের পোষ্ট তাদের কাজে লাগবে।
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:২৯

লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।

৪৭. ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩১
নরাধম বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৫০. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২২
নিদহীন বলেছেন: ভাল হয়েছে........
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক।

৫১. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৭
কগচডড বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন। প্লাস।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: ভাল থাকুন।

৫২. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪০
কগচডড বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন। প্লাস।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫৪. ১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০৭
টিনটিন` বলেছেন: একমত ১০০%। পি এন্ড পি।
১৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পি এন্ড পি টা বুঝলাম না ভ্রাত।

৫৫. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৫৪
টিনটিন` বলেছেন: পি এন্ড পি অর্থ হলো, "প্লাস এবং প্রিয়তে"। :)
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:৫৫

লেখক বলেছেন:
:):) সামু জারগনের সাথে পরিচিত হলাম!

৫৬. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৩
রথে চেপে এলাম বলেছেন: ভাই মন মানসিকতা ভাল না হলে ছেলে মেয়ে সবাইকে প্যাকেট করে রাখলেও কোনো লাভ নাই। প্যাকেটের ভিতরে বইসাই চিৎকার করবে।
২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

৫৭. ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:৩২
আমি তাসনিম বলেছেন: এমন একটি দরকারী পোস্ট প্রয়োজন ছিল। প্রিয়তে রাখলাম।
৫৮. ০২ রা মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:০৮
ডিজিটালভূত বলেছেন: পুরুষদের পর্দার কথা আপনি বলে দিলেন। খুব সুন্দর হয়েছে।
এমনিভাবে আমরা সর্বদা স্বামীর খেদমত করার কথা বলি। ওয়াজ করি। কিন্তু কুরআন ও হাদীসে স্ত্রীর খেদমতের কথা -আমার বিবেচনায়- বেশী আছে। তা আমরা বলতে চাই না। কারণ, আমরা পুরুষ। ওগুলো আমাদের পক্ষে যায় না।

আপনার চাচাত ভাইয়ের মত আরো লোক আমাদের সমাজে আছে, যারা ইসলাম ফলো করে সামাজিক সুবিধার জন্য। ইসলামের যে বিষয়ে নগদ সুবিধা দেখা যায় সে বিষয়টি তাড়াতাড়ি রপ্ত করে। বাকীগুলো খবর নাই।

লেখার জন্য আপনার প্রতি অনেক শোকরিয়া।
৫৯. ০২ রা মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২৪
নাজনীন১ বলেছেন: এভাবে পুরুষেরা নিজেদের করণীয়গুলোর কথা বলতে থাকুক। ভাল পোস্ট। ধন্যবাদ।
৬০. ০৫ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫১
কিংবদন্তী বলছি বলেছেন: অসাধারণ লিখেছেন। এ ব্যাপারে আমার ছোট ভাইয়ের কথা বলতেই হয়। ও মা আর বোন ছাড়া কারো দিকে তাকিয়ে কথা বলে না, নিচে তাকায় থাকে। এমন কি ভাবির সাথেও
৬৩. ০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৭
ছোটমির্জা বলেছেন: +++
সহমত।
ছেলেদের পর্দাও খুব জরুরী।
কোন বেগানা মেয়ের দিকে ২য় বার তাকান নিষেধ আছে।
। । ছেলেরাও সাবধান থাক্লে খারাবী কম হয়।
৬৪. ১৭ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ২:০৭
আসমান বলেছেন: বাংলাদেশে ইদানিং ইভ টিজিং সঙ্ক্রান্ত নানান দূর্ঘটনা অনেক বেড়ে যাওয়ায় মিডিয়ায় এর সমাধান সঙ্ক্রান্ত আলোচনা অনেক হচ্ছে, কিন্তু এইভাবে সরল সত্য কথা টা কেউ কোনভাবেই বলছে না।
৬৫. ২১ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৩:৩৪
হঠাৎ তোমাকে পেলাম বলেছেন:
গত ১ আগষ্ট ২০১০, প্রথম আলো থেকে ছবিটি নেওয়া হয়েছে। এই ধরনের ফ্যাশন শো নাকি একটি মাদক বিরোধী প্রচারনা। পক্ষান্তরে তাতে মাদকের চাইতেও ভয়াবহ "যৌনতা" কে উস্কে দেওয়া হচ্ছে। এক ঢিলে দুই পাখি মারার পরিকল্পনা ছারা আর কিছুই নয়। ছেলেদের নৈতিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি মেয়েদেরকে ভোগের বস্তুতে পরিনত করা হচ্ছে ।

পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরণে আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে তথাকথিত সুন্দরী প্রতিযোগীতা। এই প্রতিযোগীতা গুলো দেখলে আমার মনে হয় এগুলো আসলে উন্নতমানের পতিতা তৈরির প্রতিযোগীতা। গানের প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়তো ভাল গায়ক হবে, অভিনয় প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়তো ভাল অভিনেতা/অভিনেত্রী হবে, নাচের প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়ত ভাল নৃত্যশিল্পী হবে, কিন্তু একজন মেয়ে সুন্দরী প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে উন্নতমানের পতিতা হওয়া ছাড়া আর কি হতে পারে?

বিশিষ্ট বিচারক একজন প্রতিযোগীকে কমেন্টস দিয়েছেন, "তোমার পারফরমেন্স ভালো হয়েছে তবে আজকে আমি তোমার যৌবনের আবেদনটা পেলাম না!!! "


এই ছবিটি লাক্স আনন্দধারা ২০০৪ এর। মাঝখানের মেয়েটির নাম ফারহিনা জুনায়েদ লিমি। তার বর্তমান অবস্থা খুবই করুন। নাটক মডেলিংয়ে সুবিধা করিয়ে দিবে বলে তার নগ্ন ছবি নেটে ছেড়ে দিয়েছে একটি চক্র।

মাইয়া শরীর দেখাইয়া বা শরীর বেইচা টাকা কামাইব..... আধুনীক বাবা মা এই সুযোগ হেলায় হারাবে কেন?'

এ ছাড়াও আমার মনে হয় এ সব পরিবারগুলো খুব দরিদ্র-শুধু মানসিক দিক দিয়ে নয়, অর্থনৈতিক দিক দিয়েও। ওদের রুটি রোজগারের ব্যবস্থা হয় ওদের মেয়েদের উপার্জনে। আর এ পন্থায় উপার্জন সবচেয়ে সহজ, কোন যোগ্যতাই লাগে না শুধুমাত্র শরীর দেখান ছাড়া।

এরা কিছুদিন পর নাটক-সিনেমা করবে। বলবে, "চরিত্রের প্রয়োজনে কম কাপড়ে আপত্তি নাই"। অবশ্য প্রতিযোগীতায় এসেই অনেকে সে ধারণা আমাদেরকে দিয়ে গেছেন। যাই হোক, অনেক মিথ্যা (!!!!) অপবাদের পর বিয়ে-সাদীও হবে। ৯০% ভাগের ঘর ৪/৫ বছরের মধ্যে ভেঙ্গে যাবে। তারপর ভরা যৌবণে শুরু হবে "একা থাকা"। আল্লাহ্‌ জানেন সেই "একা থাকা" আসলেই "একা থাকা" কিনা। নানা রকম কথা শোনা যায়, অনেকে আবার তাদের ("একা থাকা") বাজার-দর, দিবা/রাত্রি যাপনের বিভিন্ন আইটেমাইজড রেইটও জানেন (স্যরি, কেউ প্রমাণ চাইলে দিতে পারব না) কিন্তু পত্রিকায় আসে না এসব ব্যাপার। সিনেমা-নাটক পাড়ায় ব্যাপার গুলো হয়তো ওপেন সিক্রেট।

সুন্দরী প্রতিযোগিতা বর্তমান কর্পোরেট জগতে পুরুষদের ভোগ প্রবণতা উস্কে দেওয়ার কার্যকর পন্থা। যার টাকা আছে সে এই বাছাইকৃত সুন্দরীদের ভোগ করবে। আগের দিনের রাজা বাদশারা হেরেমে যা করতে সেটার আধুনিক সংস্করণ আর কি!

আজ আমাদের দেশের যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ও ধংসের একটা বড় কারন হলো মেয়েরা তাদের ফাদে পা দিয়েছে । তারা তাদের থিওরী দিয়ে মেয়েদের ব্রেইন ওয়াশ করতে এবং পরিবার থেকে আলাদা করে ঘর থেকে বের করে আনতে সমর্থ হয়েছে । RJ নওসীনের উক্তি অনেকটা এরকম -
"স্বামীর সাথে ডিভোর্স হওয়াই আমার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট।"

আমাদের নারীবাদীরা কিন্তু এই মেয়েদের নিয়ে কোন কথা বলেন না। কোন্‌ এক অজানা কারণে যে তারা সুন্দরী প্রতিযোগীতার বিরুদ্ধে কোন কথা বলেন না তা বোধগম্য নয়। এই মেয়েগুলো যে পণ্য হয়ে যাচ্ছে, বাজারজাত হচ্ছে সেদিকে তাদের কোন খেয়াল নাই। নাকি এই বেখেয়ালীপনাটা ইচ্ছাকৃত!!!!! অথচ কলামে, গোলটেবিলে, টক শো'তে এঁদের চাপাবাজিতে টিভি বন্ধ করে রাখতে হয়। যাই হোক, দেখেন, এই মেয়েগুলোরই কিন্তু আত্মসম্মানবোধ অনেক বেশি। কারও দ্বিতীয় বা তৃতীয় বউ হিসেবে নিজেকে কিন্তু জীবনেও মানবে না। অথচ দেদারসে নিজেকে বাজারে তুলে, অনেকের ভোগের বা ব্যবসার বস্তুতে পরিণত হচ্ছে।

নারী আরও বেশী নিজেকে জানুক, নিজের শক্তি উপলব্ধী করুক, অন্যের লালসার হাত থেকে নিজেকে কি করে রক্ষা করতে হয় তা জানুক এই কামনাই করছি, জানি এই কামনার কোন ফল হবেনা ।
---সংগ্রহিত
৬৬. ২৫ শে নভেম্বর, ২০১০ রাত ৯:১৯
ছোটমির্জা বলেছেন: হঠাৎ তোমাকে পেলাম:
চমৎকার লিখলেন বাট কোন উত্তর নাই কেন?
ব্লগেও কিছু মানুষ আছে।
৬৭. ০৮ ই জুলাই, ২০১১ রাত ১১:০১
তপৃ বলেছেন: সবাই পর্দা দিলে বিয়ের সময় পাত্রি পছন্দ করব কেমনে? বাসর রাতে ইমানি মেয়ে দিয়ে করব কি?
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন: ছাগলামি কথাবর্তা না বললে নিজের মাথার গোবর প্রমান করার উপায় থাকেনা।

৬৮. ০৩ রা অক্টোবর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৩৫
বিভ্রান্ত_পথিক বলেছেন: দারুণ লিখেছেন.........
৬৯. ০৬ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ২:৫১
কাউছারপুর বলেছেন: সুধু বরের জন্য মেয়ে দেখা যায়েজ এবং বরের মা বোন উনারা দেইখা পাত্রি পছন্দ করবে তাতে সমসা কি । আপনি বলছেন , বাসর রাতে ইমানি মেয়ে দিয়ে করব কি?তাহলে আপনি কেমন মেয় চান . “ফাসেক ফুযযার নাকী? হাদীস শরীফে ইরসাদ হয়েছে পুরুষ দের জন্য সবচে বড় নেয়ামত হলো নেককার বা আল্লাহওলী ইস্তীয় বা আহলিয়া ।
৭১. ০১ লা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫১
নরাধম বলেছেন: যারা মন্তব্য করেছেন সবাইকে ধন্যবাদ।
৭২. ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২৮
কলম.বিডি বলেছেন: + দিতে লগইন করলাম। পুরুষ হয়ে এমন লিখতে পারা সাহসের কাজ।
৭৪. ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:১৮
অতলঅর্ণব বলেছেন: ভাই রাস্তার পাশে আড্ডা দিতে কারনা ভাল লাগে। কিন্তু এই হাদীসটা শোনার পর আরনা। জাজাকাল্লাহ।
৭৫. ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১১ বিকাল ৩:২০
নিশাচর০০ বলেছেন: যে মেয়েগুলাকে রাস্তায় বখাটে ছেলেরা বিভিন্নরকমভাবে বিরক্ত করে, টিস করে, সেটাও সেই মেয়েগুলারই দোষ। তারা বোরখা পড়েনা কেন? বোরখা পড়া কোন মেয়েকে কি কেউ টিস করে? আশেপাশে যারা থাকে তারাও মাথা নাড়ে, ঠিকই তো। "বেগানা মাইয়ামানুষ রাস্তা দিয়া হাইট্টা যাইব কেন?" এতে ছেলেপুলেদের ঈমানের ঠিক থাকবে? উত্তেজিত হয়ে তো তারা টিস করতেই পারে!


যখন মেয়েদেরকে টিজ করা নিয়ে এমন কথা শুনতাম মেজাজ টা খারাপ হয়ে যেত । তাদের কথা শুনে মনে হত যেন সব দোষ মেয়েদের । আরে বেটা নিজেকে নিজে কন্ট্রোল করতে পারস না তাই এত কথা কস ।


আপনাকে অনেক ধন্যবাদ লেখাটার জন্য ।
৭৬. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:২৯
অহোরাত্র বলেছেন: খুব ভালো লেগেছে। শুধু সবিনয়ে জানতে চাই, কুরআন-হাদীসের উদ্ধৃতি বাংলাতে নয় কেন?
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ ভোর ৬:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা ভাল একটা বিষয়ে নিয়ে এসেছে, আমার হাতের কাছে বাংলা কোরান নেই, সার্চ করে অনলাইনেও হয়ত পাওয়া যায়না। বাংলা অনুবাদগুলা তেমন ভালও না মনে হয়।

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯৭১৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"Recite! in the name of thy Lord; Who created
Created man out of a clot of congealed blood
Recite! and thy Lord...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই