somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার ট্রেন ভ্রমণ-১

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক দিন আগের কথা। সম্ভবত ১৯৯৭ সালের কোন একদিন চৈত্র মাসে ভাতিজাকে আই স্পেশাল ডাক্তার দেখানোর জন্য তাকে নিয়ে যশোর যেতে হয়েছিল। ডাক্তার পাওয়া না যাওয়ায় ফিরে আসতে হলো। যাওয়ার সময় বাসে করে গিয়েছিলাম। ফেরার পথে রাত হয়ে যাবে ফিরতে পারব না, বাধ্য হয়েই ট্রেনে ফিরব বলে সিদ্ধান্ত নিলাম।

রাত দশটায় দিনাজপুর গামী মেইল ট্রেন সীমান্ত নামক ট্রেনের টিকিট কাটলাম। ট্রেন আসতে ১ ঘন্টা দেরী হবে বলে ঘোষণা দেয়া হলো। তখন রাত প্রায় সাড়ে নয়টা বাজে। ভাতিজাকে বসিয়ে রেখে আমি গেলাম একটু এদিক ওদিক ঘোরা ফেরা করার জন্য। যশোর ষ্টেশনে দাড়িয়ে রাতের বেলা দিক বিভ্রম হলো। কোনটা পূর্ব-পশ্চিম বুঝতে পারলাম না। মনে পড়ে যতদুর সম্ভব পুব দিকে হাটা ধরলাম। এলোমেলো হাটতে হাটতে প্লাটফর্মের বাইরে রেল লাইন বরাবর আধা আলো অন্ধকারে একটু দাড়ালাম। একটা ছায়া মূর্তি আমার কাছে এসে দাড়াল। আমি খেয়াল করিনি। ছায়া মূর্তি কথা বলে উঠল, বসবেন স্যার?

আমি জিজ্ঞাসা করলাম কে? কে আপনি?

মহিলা কণ্ঠে বলে উঠল স্যার একটু বসলে আসনে আমার ডেরায়?

বোকার মতো আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কেন আপনার ওখানে বসতে যাব, আমি তো ট্রেনের যাত্রী, ট্রেন এলেই চলে যাব।

মেয়েটি সম্ভবত আমার সরল কথায় উৎফুল্ল হলো, বলল কেন বসবেন একটু এদিকে আসেন দেখায়া দিই।

আমি তো তার কথায় হতভম্ব! আমার বুঝতে আর বাকী রইল না, মহিলাটি কি বলতে চাইছে। আমার পূর্ব কোন অভিজ্ঞতা না থাকায় আমি মহিলার প্রথম আহবান বুঝতে পারি নি।
তাড়াতাড়ি সেখান থেকে সরে আসতে পা বাড়ালাম। পিছন হতে মহিলাটি বলছে স্যারের সাহস নাই, কাপুরুষ। আমি কোন কথা না শুনে সামনে এগুলাম।

প্লাটফর্মের আলোতে এসে দেখি আমার সারা শরীর ঘামে ভিজে গেছে। বুক ধরফর করছে। কেন করছে জানেন?? আমি তখন অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। নিষিদ্ধ জগত সম্পর্কে কিছুই জানতাম না।

চলবে....
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×