আমার প্রিয় পোস্ট

"আকাশে নক্ষত্র দেখে নক্ষত্রের মতন না হয়ে পারিনি আমি / নদী তীরে বসে তার ঢেউয়ের কাঁপন, / বেজেছে আমার বুকে বেদনার মত / ঘাসের হরিৎ রসে ছেয়েছে হৃদয়"। _আহমদ ছফা

টিপাইবাঁধ নিয়ে বাদ-প্রতিবাদ ও ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র বিচার -৩

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:১৬

শেয়ারঃ
0 1 0

গত পর্ব
Click This Link
টাটা-বিড়লা গোষ্ঠীর উত্থান
আজকের টাটা-বিড়লা-বাজাজ কোম্পানির উত্থান ঘটে মূলত ১৯ শতকের শেষ দিক থেকে। এ সময় টাটা সুদে টাকা খাটাত। পরে টাটা পরিবার চীনের সাথে আফিমের ব্যবসায় নামে। আর বিড়লা নজর দেয় বস্ত্রশিল্পের দিকে। গড়ে তোলো 'এমপ্রেস কটন মিল' (৪০-এর দশকে এসে সেটার নাম পাল্টে রাখে 'স্বরাজ কটন মিল')। আর তাদের উত্থানের সাথে ভারতের জাতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসও একভাবে যুক্ত, কারণ তারা ভারতবাসীর মনে জাগ্রত জাতীয়তাবোধের সুযোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল মাড়োয়ারী-গুজরাটি ব্যবসায়ীরা।
এ সময়ের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল ১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা ও তার বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলন। এ আন্দোলন প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উভয়ভাবেই ভারতীয় পুঁজিপতিদের বিকাশে ভূমিকা রেখেছে। বঙ্গভঙ্গ-রদ আন্দোলনে বিলাতী পণ্য বয়কট, চরকা-খাদি আন্দোলন ইত্যাদি কর্মসূচি ছিল। এ আন্দোলন সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ 'বঙ্গদর্শন' (নবপর্যায়) পত্রিকায় এক প্রবন্ধে লিখেছেন, স্বদেশী আন্দোলনের ফলে আসলে 'গুজরাটি মিল মালিকদের ভাণ্ডার উপচাইয়া পড়িতেছে'।
তৎকালীন কংগ্রেস নেতা পট্টভী সীতারামাইয়া মূল্যায়ণ হল -- "বিদেশী বস্ত্র বর্জন করে স্বদেশী বস্ত্র ব্যবহারের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশীয় শিল্পপতিদের যে সাহায্য দেওয়া হয়েছে তা সরকারি ক্ষমতা দিয়েও করা যেত না।"
টাটা যখন ইস্পাত কারখানা প্রতিষ্ঠা করতে নামে তখন বাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহ করার উদ্যোগ নেয়। স্বয়ং মহাত্মা গান্ধী দেশবাসীর প্রতি আবেদন জানালেন টাটার প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়ানোর জন্য। কারণ তাঁর মতে, সেটাই হবে ‘patriatic duty of all Indians’।
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ওপর এই হিন্দু ব্যবসায়ী-শিল্পপতি-পুঁজিপতিদেরই ছিল নিরঙ্কুশ প্রভাব। অনেকই হয়ত জানেন যে গান্ধী থাকতেন বিড়লা হাউজে। বিড়লা পরিবার এবং ঘনশ্যামদাস বিড়লা ছিলেন গান্ধীর তথা কংগ্রেসের বড় ডোনার বা দাতা। বাজাজ গ্রুপের স্থপতি যমুনালাল বাজাজও ছিলেন গান্ধীর ঘণিষ্ঠ। একইভাবে কংগ্রেস নেতা পট্টভী সিতারামাইয়া ছিলেন এলাহাবাদ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। গান্ধীর ওপর তার প্রভাব সম্পর্কে শুধু এ তথ্যটুকুই যথেষ্ট যে ১৯৩৯ সালে ত্রিপুরী কংগ্রেসে বাংলা, পাঞ্জাব প্রভৃতি অঞ্চলের বিপ্লবীদের সমর্থনপুষ্ট হয়ে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু গান্ধী মনোনীত প্রার্থী সীতারামাইয়াকে পরাজিত করে কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হন। এ ঘটনা গান্ধী এবং কংগ্রেসের দাতা শিল্পপতি-পুঁজিপতিদের হতচকিত করে দেয় এবং তাদের চক্রান্তে শেষ পর্যন্ত সুভাষ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
এখানে বলে রাখা দরকার যে কংগ্রসের অভ্যন্তরে দুটি ধারা যুগপৎ অবস্থান করছিল। প্রথমটি ব্রিটিশের সাথে সহযোগিতামূলক মনোভাব পোষণ করত যার তাত্ত্বিক পরিচয় হল গান্ধীর 'অসহযোগ-অহিংস' আন্দোলন। অপর অংশটি হল বিপ্লববাদী ধারা, যারা সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে ভারতকে স্বাধীন করার মনোভাব পোষণ করতেন -- যাদের নেতা হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিলেন চিত্তরঞ্জন দাস, সুভাষ বসু প্রমুখ। আসলে এ দু অংশের পেছনে ছিল ভারতীয় পুঁজির দুই অংশ। উপরের অংশ -- যারা ব্রিটিশ শিল্পপুঁজির সাথে গাঁটছড়া বাঁধা ছিল, আর নিচের অংশ যারা ব্রিটিশ পুঁজির সাথে কোনো রকম সম্পর্কে যুক্ত ছিল না, বরং অনেকটা স্বাধীনভাবে ব্যবসায়-বাণিজ্য করত। এদের চিহ্নিত করা হয় comprador এবং nationalist হিসাবে। ১৯৩০-এর আগ পর্যন্ত এ দু' অংশের বিরোধ ছিল, এর পর তারা একীভূত হতে শুরু করে। এ বিষয়ে আমরা পরে আসছি।
উপনিবেশ আমলে দুই ধরনের পুঁজির মিলনের ফলে শিল্পপুঁজির আবির্ভাব ঘটেছিল। (১) বাণিজ্য পুঁজি বা বণিকী পুঁজি এবং (২) সুদী পুঁজি -- যা জমি বা সম্পদ বন্ধকীর ভিত্তিতে দাদন ব্যবসায় চালাত এবং সুদের বিনিময়ে ঋণ দিত। এ উভয় ধরনের পুঁজির মধ্যে দ্বন্দ্ব-বিরোধ ছিল, আবার মিলনের প্রক্রিয়াও ছিল। এবং এদের মিলনের মধ্য দিয়ে ভারতের বুকে শিল্পপুঁজির আবির্ভাব ঘটে। একই সাথে চলতে চলতে ব্যাংক পুঁজিরও অভ্যুদ্দয় দেখা দেয়। পাঞ্চাব ন্যাশনাল ব্যাংক স্থাপিত হয় ১৮৯৫ সালে, ব্যাংক অব ইন্ডিয়া ১৯০৬ সালে (এর স্থপতি টাটা গ্রুপ), ইন্ডিয়ান ব্যাংক ১৯০৭ সালে, সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ১৯১১ সালে এবং ব্যাংক অব মাইশোর (মহিশুর) গড়ে উঠে ১৯১৩ সালে। (তথ্যসূত্র P. A. Wadia & G. W. Joshi – Money and Money Market in India) অল্প কিছুদিনের মধ্যে বিড়লা গোষ্ঠীও তাদের নিজেদের ব্যাংক নিয়ে বাজারে হাজির হল, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক। সীতারামাইয়ার এবং এলাহাবাদ ব্যাংকের কথা আমরা বলেছি।
এই যে শিল্পপুঁজির আবির্ভাবের পাশাপাশি ব্যাংক পুঁজিরও আবির্ভাব ঘটল, এটা দুনিয়ার উপনিবেশের ইতিহাসে একটা অভাবনীয় ঘটনা। আর কোনো উপনিবেশে এরকম ঘটেনি।
পরের পর্ব
Click This Link

 

সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৪৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
মার্বেল বলেছেন: ভাল লাগছে, চালিয়ে যান...
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ .. আপনিও গড়িয়ে গড়িয়ে পড়তে থাকুন .. ..

২. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭
সাদী বলেছেন: চমৎকার পোষ্ট। হতে পারে গান্ধী একজন গ্রেট। তবে তা বাংলাদেশের জন্য নয়। আর ইন্দিরা গান্ধীর চক্রান্তের কথা ত এখন ওপেন সিক্রেট।। আপনার পোষ্টটা খূবই ভাল লাগল।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:১০
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
দেশ বিভাজনের সীমানা নির্ধারন এবং ধর্ম ভিত্তিক বিভাজনের ক্ষেত্রে টাটা বিড়লার বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা করা হয়েছিল বলে জানি। আপনার পরবর্তী কোন লেখায় বিষয়টা আলোচনা করবেন আশা করি।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৯

লেখক বলেছেন: এ সম্পর্কে বর্তমান লেখায় কিছু বলার সুযোগ হবে না, পরে কখনো যদি সুযোগ হয় ...
তবে আপনাকে দুটো বইয়ের নাম বলতে পারি যা আমার ভাল লেগেছে ... তথ্যবহুল ..
বাংলা বিভাজনের অর্থনীতি-রাজনীতি : সুনীতি কুমার ঘোষ, এবং বাংলা ভাগ হল : জয়া চ্যাটার্জি

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: আপনার লেখাটা আগেই, অর্থাৎ গতকাল সকালেই পড়েছি .. ধন্যবাদ ..

৫. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
ভিন্ন চিন্তা বলেছেন: এ কিস্তির সাড় কথা হচ্ছে...............১৮৫৭ উত্তর ব্রিটিশ বিরোদী আন্দোলন বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদি আন্দোলন।................. তাই নয় কি?
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: তাই কি?

৬. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২২
রাসেল ( ........) বলেছেন: এ সময়ের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল ১৯০৫-এর বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা ও তার বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলন। এ আন্দোলন প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উভয়ভাবেই ভারতীয় পুঁজিপতিদের বিকাশে ভূমিকা রেখেছে। বঙ্গভঙ্গ-রদ আন্দোলনে বিলাতী পণ্য বয়কট, চরকা-খাদি আন্দোলন ইত্যাদি কর্মসূচি ছিল। এ আন্দোলন সম্পর্কে ২৬ বছরের তরুণ রবীন্দ্রনাথ 'বঙ্গদর্শন' (নবপর্যায়) পত্রিকায় এক প্রবন্ধে লিখেছেন, স্বদেশী আন্দোলনের ফলে আসলে 'গুজরাটি মিল মালিকদের ভাণ্ডার উপচাইয়া পড়িতেছে'।



১৯০৫ সালে রবীন্দ্রনাথের বয়েস ছিলো ২৬ বছর? যাই হোক এই তথ্য আমার কাছে একেবারে আনকোরা নতুন।
২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৫

লেখক বলেছেন: এটা তথ্যগত ভুল, চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ...

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: সংশোধন করে দিলাম,

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: পড়ছেন সেজন্য ধন্যবাদ ..

৮. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫
কিরিটি রায় বলেছেন: অনেক দেরীতে চোখে পড়ল বলে দু:খিত।

দারুন...

টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংকসমূহে আপনার লেখাগুলোর লিংক যুক্ত করেছি...
Click This Link

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য এবং সহযোগিতার জন্য ...

২৯ শে জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: জ্বি আরো পড়তে হবে ...

১০. ২৯ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫২
প্রণব আচার্য্য বলেছেন: ++++ পরবর্তি কিন্তুর অপেক্ষায় থাকলাম
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ ভোর ৫:৫৩

লেখক বলেছেন: ধৈর্য্য ধরে বসো ...

১২. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: টাটা বিড়লা অনেক পরের বিষয়। এখন অফিসে পরে কখনো সময় হলে আলাপ করবো।
৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪

লেখক বলেছেন: ভারতকে অর্থাৎ ভারতের সাম্রাজ্যবাদী চরিত্র বোঝার জন্য টাটা-বিড়লাদেরও আগে যাওয়ার দরকার কতখানি তা আমার বোধ-বুদ্ধির বাইরে। আমার আপনার জন্মের আগেও আমার বাবা-দাদা-পরদাদা'রা ছিলেন। আপনারও তাই। ওনাদের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে বংশধারা 'জিন'-এর মাধ্যমে প্রবাহিত হয়েছে। কিন্তু আপনাকে বা আমাকে বোঝার জন্য বাপ-দাদা চৌদ্দগোষ্ঠীর ইতিহাস ঘাটতে হবে বলে আমার মনে হয় না। যে মুহূর্তে ধরাধামে আপনি বা আমি আবির্ভূত হয়েছি, কাজ করছি. সেখান থেকে হিসাব-নিকাশ করলেই আমাকে বা আপনাকে বোঝা সম্ভব। বংশগতভাবে প্রবাহিত রোগ বা কোনো একটি বিশেষ শারীরিক বৈশিষ্ট বোঝার জন্য অবশ্য পারিবারিক হিস্ট্রি স্টাডি এখন চিকিৎসা বিজ্ঞানে একটা আবশ্যক বিষয়।

১৩. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: এটা আপনি অনেক ভুল কথা বললেন। ইতিহাসকে বর্তমান দিয়ে বুঝবেন-রোগ না থাকলে ইতিহাস খুঁজবেন না এটা কেমন কথা।

এগুলো পাশ্চাত্যের সংস্কৃতি। আর প্রতিবারই পুরুষবাচক সম্পর্ক উত্থাপন করেছেন। এটাও চোখে লাগলো।
১৪. ৩০ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০৮
সাদী বলেছেন: @সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র ঃ লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি আপনি মনে হয় বুঝতে পারেন নি...
১৫. ৩১ শে জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১০
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: @সাদি-সেটা হতেও পারে। কিন্তু উনি আমাকে অন্য কিছু বোঝাতে চাইছেন যা পোস্টের আলোচ্য নয়।

আর আমি আগের পর্বের ধারাবাহিকতায় এখানে মন্তব্য করেছি।
১৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৫
নিকো৮১২৩ বলেছেন: কোনগুলা পাশ্চাত্যের সংস্কৃতি খালি কমেন্ট না করে তোমার প্রাচ্যের সংস্কৃতি কি সেটাও ব্যাখ্যা কর। আর বিজ্ঞানমনস্কতা কি প্রাচ্য পাশ্চাত্য নির্ভর নাকি??
১৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:০০
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: @ নিকো
লেখক বলেছেন: কিন্তু আপনাকে বা আমাকে বোঝার জন্য বাপ-দাদা চৌদ্দগোষ্ঠীর ইতিহাস ঘাটতে হবে বলে আমার মনে হয় না। যে মুহূর্তে ধরাধামে আপনি বা আমি আবির্ভূত হয়েছি, কাজ করছি. সেখান থেকে হিসাব-নিকাশ করলেই আমাকে বা আপনাকে বোঝা সম্ভব। বংশগতভাবে প্রবাহিত রোগ বা কোনো একটি বিশেষ শারীরিক বৈশিষ্ট বোঝার জন্য অবশ্য পারিবারিক হিস্ট্রি স্টাডি এখন চিকিৎসা বিজ্ঞানে একটা আবশ্যক বিষয়।


আমি ওনার এই মন্তব্যটাকেই বলেছি পাশ্চাত্য। এখানে উনি কি বলেছেন-কেন বলেছেন আমি নিজেও পরিষ্কার না। আমাদের সংস্কৃতিতে ইতিহাস খুব গুরুত্বপূর্ণ অথচ উনি বললেন রোগ না থাকলে পূর্ব পূর্বরুষদের না খুঁজতে। ওনার বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি থাকলে দিতে পারেন।
আমি বলেছি টাটা বিড়লা সেদিনের ঘটনা কিন্তু ভারতের ইতিহাস অনেক প্রাচীন-ষোড়শ মহাজনপদের সময় থেকে এদেশে মুদ্রা আছে-সেই মুদ্রা সঞ্চয়ও হত-সেই মুদ্রা কোথায় গেল-এগুলোকে কি আমরা পুঁজি বলবো না। কেন বলবো না। এদেশে ধর্ম বা যাই হোক গোষ্ঠিবাদি আধিপত্য ছিল-তাদের নিয়ন্ত্রিত বাজার ছিল-সেই বাজারের বণিকেরা কারা-কোথায় এখন। ইংরেজদের সময় থেকেই আমাদের দেশের ইতিহাস তার রাস্তা পেয়েছে-এটা পাশ্চাত্যেরই দৃষ্টিভঙ্গী।

বিজ্ঞান কনটেক্সট মেনে চলে। এটা বুঝলেই অনেক আলোচনা করা লাগে না।
১৮. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:১২
নিকো৮১২৩ বলেছেন: "ইংরেজদের সময় থেকেই আমাদের দেশের ইতিহাস তার রাস্তা পেয়েছে-এটা পাশ্চাত্যেরই দৃষ্টিভঙ্গী।" এ কথা নাঈম ভাই কোথায় বললো আল্লাহই জানে আর জানো তুমি। আরে বাবা কি খালি আগের জমানো মুদ্রা কোথায় গেল আগের জমানো মুদ্রা কোথায় গেল করতাছো বুজতেছি না????? একই পুকুরে কি রুই মাছ আর পুটি মাছ টিকে নাকি??? তোমার দেশের জমানো মুদ্রা তো পরিপূর্ণ পুজির রূপে হাজির হাবার আগেই বাইরের পুজি এদেশে চলে এসেছে। মীর কাসিম যখন দেশীয় বনিকদের শূল্ক মুক্ত সুবিধা দিতে চাইছিলো তখন আবার যে একটা গন্ডগোল পাকায়ছিলো সেখানেই তোমার দেশের জমান মুদ্রাগুলো গেছে। নাকি তোমার ধারণা অন্য???
১৯. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:১২
নিকো৮১২৩ বলেছেন: "ইংরেজদের সময় থেকেই আমাদের দেশের ইতিহাস তার রাস্তা পেয়েছে-এটা পাশ্চাত্যেরই দৃষ্টিভঙ্গী।" এ কথা নাঈম ভাই কোথায় বললো আল্লাহই জানে আর জানো তুমি। আরে বাবা কি খালি আগের জমানো মুদ্রা কোথায় গেল আগের জমানো মুদ্রা কোথায় গেল করতাছো বুজতেছি না????? একই পুকুরে কি রুই মাছ আর পুটি মাছ টিকে নাকি??? তোমার দেশের জমানো মুদ্রা তো পরিপূর্ণ পুজির রূপে হাজির হাবার আগেই বাইরের পুজি এদেশে চলে এসেছে। মীর কাসিম যখন দেশীয় বনিকদের শূল্ক মুক্ত সুবিধা দিতে চাইছিলো তখন আবার যে একটা গন্ডগোল পাকায়ছিলো সেখানেই তোমার দেশের জমান মুদ্রাগুলো গেছে। নাকি তোমার ধারণা অন্য???
২০. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:১৮
নিকো৮১২৩ বলেছেন: আর কার কথা কার মুখ দিয়ে বলায়া কি উত্তর দাও সেটাও তো ছাই কিছু বুজিনা। দেখ আমারে বুঝার জন্য আমার জন্মানোর পর থেকে আমারে দেখলেই বুঝা যাইবো। আরও দেখতে চাইলে আমার বাপ মারে দেখলেই হয়। কিন্তু তার উপরে গেলে কিন্তু আর আমি থাকি না তখন বাকি আলোচনাটা হয় বাড়তি। এমন কি বংশগত রোগ বোঝার জন্য এক জেনারেশন আগে দেখলেই হয়। ৫ জেনারেশন আগে যাওন লাগে না। "আমাদের সংস্কৃতিতে ইতিহাস খুব গুরুত্বপূর্ণ" সেটাও নাঈম ভাই কোথায় অস্বীকার করলো?? কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাস বুঝতে তুমি যদি নিয়ান্ডাথালদের থেকে শুরু করো তাইলে একটু মুশকিল।
২১. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২৭
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: নিকো....আলাপ বাড়ায়া লাভ নাই। তোর প্রশ্ন ছিল নাঈম ভাইকে করা আমার শেষ মন্তব্য নিয়ে সেখানে উনি যে উত্তর দিয়েছেন তা-ই আসলে আলোচনা বাহির্ভূত উত্তর। আমি বলেছি পুঁজির ইতিহাস নিয়ে। সেই ইতিহাস কবে থেকে শুরু হচ্ছে-নাঈম ভাইয়ের লিখায় তা ইংরেজদের আমল থেকেই শুরু হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে পুঁজির শুরুটা আমাদের ভূখন্ডে কবে থেকে হয়েছে। ভারতের যদি নিজস্ব পুঁজি থাকে তাহলে সেই পুঁজির শুরুটা অর্থাৎ সেই পুঁজির সঞ্চয়নের ইতিহাস কবে থেকে? আমাদের ইতিহাসে ষোড়শ মহাজনপদের আমলে আধুনিক অর্থনীতি অর্থাৎ মুদ্রা কেন্দ্রিক অর্থনীতি চালু হয়। সেই সময়ে বাজারে মুদ্রার চল ছাড়াও এলাকা ভিত্তিক আলাদা মুদ্রা এবং তা প্রচলনের নীতি ছিল। সেই সময়ের বাজার ব্যবস্থা নিয়ে বিষদ জানা না গেলেও মুদ্রার ব্যবস্থাপনা যাদের হাতে ছিল তারাই রাজা অথবা সমাজের প্রধাণ ছিলেন। কিন্তু সেই মুদ্রা আমাদের সংস্কৃতির সাথে বিরোধ তৈরি করেনি-কারণ তখন লাভের প্রশ্ন প্রধাণ ছিল না। তখনকার সময়ে রাজনীতি অর্থাৎ সাম্রাজ্যের দখলই প্রধাণ ছিল-এবং তা মূলত ধর্ম কেন্দ্রিক। ইংরেজ আসার পরে সেখানে রাজনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পায়। এবং পুঁজি ইংরেজ প্রভাবিত হয়ে পড়ে-অর্থাৎ পুঁজিবাদ এসে জায়গা নেয় আমাদের সামন্তীয় জীবন ব্যবস্থায়।

তাহলে একটা শাখায় আমাদের নিজস্ব পুঁজি আরেকটা শাখা যা নানাভাবেই মহিরুহু হয়ে উঠেছে তা হল ইংরেজদের পুঁজি। সেই পুঁজি আজকের মতো ছিল না কিন্তু বীজাকারে সুপ্ত ছিল। যদি ভারতের নিজস্ব পুঁজি থাকে তাহলে সেই পুঁজি কোথায় এবয় কিভাবে আছে। আমাদের দেশে কিখিন্ন সময়ে বিভিন্ন শাসক যে সমস্ত পুঁজি সঞ্চয় করেছেন তা এখন কোথায় এবয় কিভাবে আছে। টাটা বিড়লা খুব বেশিদিনের ইতিহাস নয়। নাঈম ভাই এই লিখার দ্বীতিয় পর্বে বলেছেন-
‌‌''তৎকালীণ ভারতবর্ষে সুদিপুঁজিরও (User capital) বিকাশ ঘটেছিল। ওই সুদিপুঁজি-ওয়ালারা আজকের ব্যাংকের যে আদি রূপ, মহাজনী কারবার এবং মহাজনী পুঁজি (User Bank) তা গড়ে তোলে।''

এই মহাজন এবং মুদ্রা আজো আছে। এবং ক্ষুদ্র ঋণ এখন অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই ক্ষুদ্র ঋণের বিকাশও কিন্তু আমাদের ভূখন্ডেই হয়েছে। পুঁজির বিকাশ কিন্তু মহাজন টিকে আছে কিভাবে। নাঈম ভাইয়ের আলোচনায় নবাব এবং বণিকদের কথা থাকলেও তারো আগে যে বাণিজ্য হত সেখানে যারা ব্যবসায়ি ছিলেন তাদের কথা নেই-এদের সাথে নবাবী আমলের বণিক একং মহাজনদের সম্পর্ক আছে। একটা শ্রেণী আমাদের দেশে পুঁজিবাদের কর্মী হচ্ছে। মধ্যবিত্তের ইতিহাস কি-কারা ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় মধ্যবিত্ত হয়েছে। পুঁজির ইতিহাস কি এসব আলোচনা থেকে আলাদা?

ইংরেজরা এদেশে লুকিয়ে ছাপিয়ে এসেছে-দেখেছে-বুঝেছে-পুঁজি খুঁজে বের করেছে-তাদের সাথে আঁতাত করেছে-তারপর আঘাত হেনেছে। এবং তারা ঠিকই বুঝেছে ভারতের মাটিতে ধর্ম প্রধাণতম বিষয়। তারা ধর্ম ছাড়া পুঁজি বিকাশের পথ তৈরি করতে পারেনি। এদেশের সাহিত্য আলোচনা করতে হবে-সেখানে পুঁজির চরিত্র চেহারা লুকিয়ে আছে। ব্রাহ্মনরা এতো দাপুটে কেন আমাদের ইতিহাসে-কেবলই পুঁজির জোরে? আজো কি ব্রাহ্মনদের আধিপত্য নেই? কিন্তু পুঁজির নিয়ন্ত্রণ কি তাদের হাতে আছে। এখানেই সংস্কৃতির প্রশ্ন আসে। কারণ পুঁজি সংস্কৃতিকে হাতিয়ার করে-সেই হাতিয়ার ভেঙ্গে নতুন হাতিয়ার তৈরি করে। কিন্তু সাধারণের ওপর সেই হাতিয়ারকে তারা জারি রাখে। সেই তারা একইভাবে বুর্জোয়া এবং যুগ্মভাবে অধিপতি শ্রেণী। আমাদের দেশে সেই শ্রেণী কারা? ধর্ম-সঙ্গীত-সাহিত্য এমন আরো আছে। পুঁজির ইতিহাস তাই সংস্কৃতি বিচ্ছিন্ন নয়।

আমাদের ইতিহাসে বিভিন্ন জাতির সংগ্রামের যে ইতিহাস আছে তা পুঁজির বিকাশের সাথে তাদের বেঁচে থাকার সংগ্রাম। সেই আলোচনা ব্যাতিত পুঁজির ইতিহাস অসম্পূর্ণ। তাদের সংগ্রামগুলোর বেশিরভাগই ছিল সংস্কৃতির সংকট। নাঈম ভাইয়ের লিখার সবকিছু আসতে হবে তার প্রয়োজন নেই কিন্তু দৃষ্টিভঙ্গীটাই আসল-উল্লেখ থাকলেও বিষয়টা বোঝা যেতো। কারণ, পুঁজির বিরুদ্ধে সংস্কৃতিকেই হাতিয়ার করতে হবে।
২২. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
নিকো৮১২৩ বলেছেন: লেখাটার ২য় পর্বে পুজি গড়ে ওঠার ইতিহাস শিরোনামের নীচে যে লেখা, সেখানে তো ইংরেজ আসবার অনেক আগে থেকেই এ অঞ্চলে পুজি সঞ্চয়ের প্রক্রিয়ার কথা বলা হয়েছে। তোমার অভিযোগটা কি? এদেশের পুজি কখন জমা শুরু হলো যে বলছো এটা তো একটা চলমান সামাজিক প্রক্রিয়া। কারও পক্ষেই তো বলা সম্ভব না দিন- ক্ষণ নির্দিষ্ট করে পুজি কবে থেকে জমছে তা বলা। দেখ ইউরোপেও ইহুদিরাতো ছিলই কিন্তু চার্চও সুদি পুজির কারবার করতো। আবার অন্য কোন উপনিবেশে যেটা ঘটেনি তা হল নিজস্ব পুজির বিকাশ সেটার কথাও তো আলোচনায় এসেছে। টাটা বিড়ালা হল সবচেয়ে কনসেনট্রেটেড এক্সপ্রেশন এ অঞ্চলের যে পুজি ছিল তার। তাই না? দেখ ধর্মের দাপট কমে সাংস্কৃতিক আন্দোলনের মাধ্যমে। আর এই সাংস্কৃতিক আন্দোলনটা ইউরোপে ব্যাকিং পেয়েছিল বনিক শ্রেনীর কাছ থেকে। আমাদের দেশেও তো এই জিনিষের রিপিটেশন। খালি ওরা অর্থনৈতিক স্তরে এক ধাপ এগিয়ে ছিল দেখে যখন এখানে আসে তখন আমাদের পুজির বিকাশে ধর্মের সাথে যে সংগ্রাম সেটা অনুপস্থিত। ফলে আমাদের এখানে এক্সপ্রেশন টা একই না। বাইরের পুজির সাথে লড়ার জন্য ধর্মটা এদেশের পুজির সহায়ক হয়ে গেছে শত্রু না হয়ে। বাইরের পুজি আসার আগের ইতিহাস তো একদমই এক রকম। যদিও এই অঞ্চলে দাসপ্রথা ইউরোপের মত না। আবার ইউরোপে কাস্ট সিস্টেম এরকম ছিলো না। ফলে ধর্ম-সঙ্গীত-সাহিত্য কোথাও পুজি আর ধর্মের বিরোধ এত তীব্র না আমাদের দেশে। আবার আন্তুর্জাতিক ক্ষেত্রে বর্তমানে ধর্ম পুজির সহায়ক। ফলে এখন তো এটা আরও অসম্ভব যে পুজি ধর্মের থেকে আলাদা হবে। সব খানেই অর্থনৈতিক একটা স্তর থাকে যেখানে ধর্মগুরুরা অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রন করে। বনিক গোষ্ঠীর বিকাশের সাথে সাথে তাদের ক্ষমতা কমতে থাকে। তুমি নিজেই কিন্তু নিজের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছ। যে এদেশে পুজিবাদ সামন্তবাদকে নিঃশেষ করে আসেনি। ফলে সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে ধর্মগুরুদের প্রভাব শেষ হবার কোন অর্থনৈতিক ও সামাজিক কার্যকারণ নেই। আর তোমার শেষ লাইনটা নিয়ে আমার একটু অন্য ভাবনা আছে। পুজির বিরুদ্ধে সংস্কৃতিকেই হাতিয়ার করতে হবে এটা আমার কাছে ঠিক মনে হয় না। অনেকটা রাগবি খেলায় ফুটবলের নিয়মের মত। মানবসভ্যতার ইতিহাসে একটা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ভেঙ্গে আর একটা আসছে শুধুমাত্র আর একটা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বিকাশ এবং এই বিকাশের পথে যে বাধা তার বিরুদ্ধে সংগ্রামের মাধ্যমে। সাংস্কৃতিক আন্দোলন এই সংগ্রামের পরিপূরক। অনেক সময় পথপ্রদর্শক কিন্তু কখনওই প্রধান হাতিয়ার না।
২৩. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৯
নিকো৮১২৩ বলেছেন: "আমাদের দেশেও তো এই জিনিষের রিপিটেশন।" - বলতে আমি বুঝাতে চাইছি সামন্তদের সুদি পুজির কারবারটার কথা।
২৪. ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১২
নিকো৮১২৩ বলেছেন: আরও একটা ব্যাপার দেখ ১০ শতাব্দীতে যখন নরম্যানরা ইউরোপে আসা শুরু করে...এবং ইংল্যান্ডেও নরম্যান স্যাক্সনদের মধ্যে লড়াই চলছে বা স্যাক্সনদের পরাজয়ের পর কিন্তু চার্চের বিজয়ী পক্ষে সমর্থন দিতে আটকায়নি।
২৫. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪১
আবু নাঈম বলেছেন: আমি অত্যন্ত বিনয় এবং আনন্দের সাথে সালাহ উদ্দিন শুভ্র-কে আহ্বান করব, আপনি আপনার বক্তব্য নিয়ে যদি আলাদা করে একটি লেখা পোস্ট করেন, তাহলে আমার পক্ষে আলোচনা করতে সুবিধা হবে। হোক দুর্বল লেখা কিন্তু তাতে একটা ধারাবাহিকতা থাকবে, পরম্পরা থাকবে। আমি মন্তব্য, প্রতি মন্তব্য ধরে আলোচনা করার এবং এমনকি আলোচনার মূলসূত্র ধরার ক্ষেত্রে অক্ষম। এটা নিতান্তই আমার অক্ষমতা। আমার কোনো একটা কথার অত্যধিক শ্লেষ যদি আপনাকে আহত করে থাকে তাহলে সেটা আমার দুর্বলতা বলে মনে করবেন। মানুষ তো, মানবিক দুর্বলতা থেকে মুক্ত হতে পারিনি। কিন্তু আমি আপনার সাথে এ বিষয়ে বিতর্ক, যুক্তিসঙ্গত তর্ক-বিতর্ক করতে আগ্রহী। অনাগ্রহী নই।
২৬. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০০
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: শুভ্রর মন্তব্য ইন্টেরেস্টিং

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩০৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
'আগুনের ছবি দেখতে আগুনের মতো দেখালেও পোড়াবার ক্ষমতা থাকে না' _ আহমদ ছফা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই