আমার প্রিয় পোস্ট

দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রনে আমার একটি ভাবনা

০২ রা জুন, ২০০৭ রাত ২:২৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

গত কয়েক বছর যাবত বাংলাদেশের দ্রব্য মূল্য হুর হুর করে বেড়ে চলেছে। অবাক করা কথা হল সরকারের প্রচেষ্টা সত্তেও তা নিয়ন্ত্রন করা যাচ্ছে না। ব্যবসায়ীরা নিজেদের ইচ্ছে আনুযায়ী দাম বাড়িয়েই চলেছে। যা আমাদের দেশের নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য জীবিকা নির্বাহন অনেকটা সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে।
আমার দৃষ্টিতে এটা এমন কোন সমস্যা নয় যে, যা সমাধান করা যাবে না। আমাদের দেশের ব্যাবসায়ীরা গরুর মত। গরুকে যেমন বুঝালে বুঝেনা তারাও তেমনি। এত মিটিং আলোচনা করা হয়েছে, কোন লাভ নেই। মানবতা দিকটা তাদের মনে নেই।অধিক মুনাফা ই দাতের প্রধান উদ্ধেশ্য। এসব আলোচনা মিটিং এর কোন প্রতিফল কি আমরা পেয়েছি?
বর্তমান সময় হল বাংলাদেশের জন্য শ্রেষ্ট সময় (আমার মতে) । এই সময়ে যদি দ্রব্য মূল্যের মত একটি বিষয়কে নিয়ন্ত্রনে না আনা যায়, তাহলে কোন যুগেও তা পারা যাবে না।
আমি এ বিষয়ে একটু ভেবেছি। যদিও আমার ভাবনাতে কিছুই আসে যায় না।
ভাবনা-
সরকারকে একটি মনিটরিং টিম বানাতে হবে। যারা একেবারে ফিল্ড এ নেমে মনিটর করবে বাজার পরিস্তিতি। কাঁচা মালের বাজারের ক্ষেত্রে পাইকারী বাজার থেকে খুচরা বাজার পর্যন্ত এরা মনিটর করবে। পাইকারী বাজারে যে দ্রব্যের মূল্য আছে তার সাথে খুচরা বাজারের মূল্য পর্যবেক্ষন করতে হবে। দেখতে হবে কতটা ব্যাবধান আছে পাইকরী আর খুচরা মূল্যের। মূল্যের অসম ব্যাবধান কারী ব্যাবসায়ীদের বিরোধ্যে আইন গত ব্যাবস্থা নিতে হবে।
আমরা দেখেছি রাজধানীর বাইরে পাইকারী বাজারে যদি এক কেজি টমেটোর মূল্য হয় ১০ টাকা তাহলে তা ঢাকা আসার পর তা হয়ে যায় ৬০ টাকা। এটা নিয়ন্ত্রন করতে হবে। এরকম হওয়াতে এক দিকে ঠকছে উৎপাদন কারী কৃষকরা। তারা তাদের উৎপাদন ব্যায় পর্যন্ত তুলতে পারছে না। অপর দিকে ঠকছে যারা স্বাধারণ ক্রেতা। ফাকে লাভবান হচ্ছে অধিক মুনাফা লোভি ব্যাবসায়ীরা।
ঢাকার বাইরে যেসব কাঁচামালের পাইকারী বাজার আছে,সে সব বাজার থেকে নির্দিষ্ট ওজনের মালের উপর ঢাকা পর্যন্ত নির্দিষ্ট ভারা অনুমোদন করতে হবে। এর বেশী কেউ ভারা নিলে তার বিরুদ্ধে আইন গত ব্যাবস্থা নিতে হবে। এ ক্ষেত্রেও সে মনিটরিং বোর্ড কাজ করবে। তারা মোবাইল কোর্ট বসিয়ে পরীক্ষা করবে কোথা থেকে কোন ট্রাক এসেছে আর কত বা কি মাল নিয়ে এসেছে তার একটি কাগজ থাকবে ট্রাক ড্রাইভারের সাথে। সে কাগজে সাইন থাকবে মনিটর বোর্ডের সদস্যের।
মনিটরিং করার কাজটা দেয়া যেতে পারে বিডিআর কে।
আর বিদেশী দ্রব্য যা বাইরে থেকে আমদানী করা হয় তার ব্যাপারেও একটা নির্দিষ্ট দাম সিলেক্ট করে দিয়ে দেয়া দরকার। এর বেশী বেচঁতে পারবে না। আমদানী শুল্ক কমিয়ে দেওয়ার উদ্ধোগ দিতে হবে প্রয়োজনীয় দব্যের।
আশা করি এ বিয়য় গুলো বর্তমান সরকার নজরে আনলে দ্রব্য মূল্য নিয়ন্তন হবে বলে আমার বিশ্বাস।

 

 

  • ৭ টি মন্তব্য
  • ৩৯৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০২ রা জুন, ২০০৭ রাত ২:৪০
comment by: মনযূর মান্নান বলেছেন: সহমত...৫ দিলাম।
২. ০২ রা জুন, ২০০৭ রাত ৩:০৫
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন: হুঁমম...!
৩. ০২ রা জুন, ২০০৭ রাত ৩:৪০
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: ভালো পোস্ট। একই রকম কয়েকটি স্টেপ সরকার নিচ্ছে বলে টিভিতে দেখলাম।

আমার মনে হয়, এই মূল্যবৃদ্ধি গ্লোবালাইজেশনের ও বিগত সরকারের লাগামহীন দূর্নীতির ফল। গ্লোবালাইজেশনের এফেক্ট-টা এড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।
৪. ০২ রা জুন, ২০০৭ রাত ৩:৫৩
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন: এখনি উদ্ধোগ না নিলে পরে আর করা সম্ভব হবে না।
৫. ০২ রা জুন, ২০০৭ রাত ৩:৫৯
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: আমার মনে হয় না, এটা খুব একটা সফল হবে। দাম একবার বাড়লে, কমানো কঠিন। বাংলাদেশের অর্ধশিক্ষিত বিক্রেতাদের মাইন্ডসেট পরিবর্তন করা কি সহজ হবে?
৬. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৭
comment by: কেএসআমীন বলেছেন: আপনার চিন্তাভাবনা দেখে ভাল লাগলো। আমার সাইটে আমন্ত্রন....
৭. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:১৪
comment by: সাইফুর বলেছেন: ৫ একমত

 



 


কম্পিউটার তো মাইনসেই বানাইছে
পেশা: ঠেলাগাড়ী চালানো
অবসর সময়ে গান শুনি, বই পড়ি, বিভিন্ন ব্লগে চক্কর মারি।


রিয়াদ- সউদি আরব
hoq999@yahoo.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৮৬২৮৭