আবুল দাদা কাছে আসার আগেই এরা চাইছে আবুল দাদা যেন এদের কাওকে না দেখে। দাদার চোখে পড়লেই এই গল্প শুনাতে চেষ্টা করে। একই গল্প ভিন্ন ভাবে ঘুরি ফিরিয়ে শুনায়। তাই এরা চাইছে দাদা যেন না দেখেই চলে যায়।
কিন্তু পুলাপাইনের দোআ আল্লাহ কবুল করলো না। আবুল দাদা তাদের দেখে ফেলেছে। এই বার শুরু হইবে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের হিসটোরি কওয়া। হিটলার কি করছিলো, কিছু মানুষের হিটলারের চামচা হওয়া সহ নানা ধরনের কাহিনী বর্ণনা করতে লাগলো।
দাদা গল্প বলে আর একটু পরে পরে জিজ্ঞাসা করে, কিরে শুনতেছোস নাকি শুধু হো হো করছিস?
ছেলেরা বলে, হ্যা দাদা শুনতেছি।
আবুল দাদা আবারো গল্প শুরু করলো। সে তার গল্প বলে যেতেই লাগলো। একটু পরে দেখে ছেলেরা গুন গুনিয়ে গান গাইতেছে। দাদা ধমক দিয়ে বললো, কিরে আমি গল্প বলি আর তোরা গান গাইছিস?
সৈকত বললো, দাদা আমি এখন যাই। এই ভাবে আফজাল,সালামও চলে গেল।
দাদা একা একা বসে রইলেন। তিনি কাউকেই আর গল্প শুনাতে পারেন না। কেউ আর গল্প শুনতে চায়না। শুনবেই বা কেমনে, একই গল্প বার বার বললে সেটা কি আর শুনতে ইচ্ছে করে?
আবুল দাদা এইবার ভাবলেন, আমি এবার গল্প না বলে লিখবো। তিনি লিখতে লাগলেন। হঠাৎ একদিন কে যেন বললো দাদাকে, কম্পিউটার দিয়ে লিখলে সেটা সবাই পড়তে পারবে। আদিকালে দাদা কম্পিউটার কিছু বুঝে না। তবুও তার গল্প গুলো শুনানোর লক্ষে টাইপিং শিখলো।
এবার তিনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে মনে যা চায় তা লিখতে লাগলেন। মানুষের পছন্দের দিকে তাকানোর তার সময় নেই। তিনি লিখেই চললেন। পাবলিক তার পিছনে নাই দেখেও তিনি লিখিতেই আছেন।
(আপনারা সবাই দাদার জন্য দোআ করবেন, দাদা এখনো মরে নাই, বাইছা আছে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



